সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

ওয়ালটন-দৈনিক বাংলা বিশ্বকাপ কুইজের ড্র অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা।
নাজমুল সাগর
প্রকাশিত
নাজমুল সাগর
প্রকাশিত : ২ মার্চ, ২০২৪ ২৩:৪৭

২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপজুড়ে অনন্য এক আয়োজন করেছিল দেশীয় অন্যতম সফল শিল্প প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ এবং দেশের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক বাংলা। বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে দৈনিক বাংলার পাঠকদের বিশ্বকাপ উন্মাদনায় মাতাতে আয়োজন করা হয়েছিল কুইজ প্রতিযোগিতা। যেখানে সহজ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে লটারির মাধ্যমে জিতে নেওয়ার সুযোগ ছিল ওয়ালটনের পক্ষ থেকে রেফ্রিজারেটর, টিভি, মাইক্রোওয়েভ ওভেনসহ দুই পর্বে মোট ১৮টি পুরস্কার।

আজ শনিবার দৈনিক বাংলার কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে সেই কুইজের ড্র। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক বাংলার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত, নির্বাহী পরিচালক আফিজুর রহমান, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সিনিয়র সহকারী নির্বাহী পরিচালক রবিউল ইসলাম মিলটন, অ্যাডিশনাল অপারেটিভ ডিরেক্টর অগাস্টিন সুজন, জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন, দৈনিক বাংলার বার্তা সম্পাদক সৈয়দ আফজাল হোসেন, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক তানজিমুল নয়ন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে দৈনিক বাংলার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত বলেন, আমি ধারাভাষ্যে সব সময় বলে থাকি, বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকাপ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হবে। কিন্তু আমি সেদিন থাকব কিনা জানি না। তবে আমি আশাবাদী তখনও ওয়ালটন দৈনিক বাংলার সাথে থাকবে। তিনি বলেন, ওয়ালটন শুধু যে দৈনিক বাংলার সাথে থাকে তা নয়, বরাবরই তারা খেলাধুলার সাথে থাকে।

এরপর অনুষ্ঠিত হয় দুই পর্বের কুইজের ড্র। এতে প্রথম পর্বের কুইজে ১ম হয়েছেন সেলিনা মিজান। দ্বিতীয় হয়েছেন তামান্না আক্তার আর তৃতীয় হয়েছেন আসাদুল ইসলাম। চতুর্থ হওয়া ৩ জন হলেন, নুরসাত, পারুল আর গোলনাহার। পঞ্চম হয়েছেন, আব্দুল মান্নান, সাদিয়া আক্তার, আল-মামুন।

দ্বিতীয় পর্বের কুইজে ১ম হয়েছেন জান্নাতুন নাঈম। দ্বিতীয় হয়েছেন ওমর ফারুক আর তৃতীয় হয়েছেন রাইসা খাতুন। চতুর্থ ৩ জন হলেন, অমি মনি, নুরুন নাহার, আখি খাতুন। পঞ্চম হয়েছেন; মনিরুল ইসলাম, তানজিম, খোশনেহারা। আয়োজকরা জানান, প্রত্যেকের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করে পুরস্কার গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।


প্রোটিয়াদের স্বল্প সময়ের তারকা রিচার্ড স্নেল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

ছোট কিন্তু কার্যকরী এক ক্যারিয়ার ছিল রিচার্ড স্নেলের। দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সিতে খুব বেশি ম্যাচ খেলা হয়নি তার; কিন্তু যখনই মাঠে নামার সুযোগ হয়েছে, তখনই তার প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে জন্ম রিচার্ড পিটার স্নেলের। প্রেটিয়াদের হয়ে মাঠে নেমেছেন ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ চার বছর। মূলত একজন অলরাউন্ডার ছিলেন তিনি। প্রেটিয়াদের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনের কাজ করতেন তিনি, পাশাপাশি ডানহাতি মিডিয়াম পেস বলার ছিলেন।

স্নেল নিজের প্রতিভার জানান দিয়েছিলেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেই। দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটের দল ট্রান্সভালের হয়ে খেলতেন তিনি। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে স্টিভেন জ্যাকের সঙ্গে অবিস্মরণীয় উদ্বোধনী জুটি গড়ে স্মরণীয় হয়ে রয়েছেন।

স্নেলের টেস্ট অভিষেকটা ছিল অবিস্মরণীয়। দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শেষে যখন দক্ষিণ আফ্রিকা দল আবার ক্রিকেটে ফেরে তিনি ছিলেন সেই দলের সদস্য। এবং ফেরার পরে প্রোটিয়াদের হয়ে প্রথম টেস্ট উইকেট নেন তিনি। সেটা ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। তার এক বছর আগে অর্থাৎ ১৯৯১ সালে তার রঙিন পোশাকের জার্সি ওয়ানেডেতে অভিষেক হয়।

শুরুর কয়েক ম্যাচে খুব একটা নামের প্রতি সুবিচার করতে পারছিলেন না। তবে সবাইকে চমকে দেন ১৯৯৩ সালে হিরো কাপে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শিকার করেন ৭ ওভার ১ বলে মাত্র ২৪ রান দিয়ে শিকার করেন চার উইকেট। এরপর ১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে বেনসন অ্যান্ড হেজেস বিশ্ব সিরিজে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪০ রান দিয়ে শিকার করেন ৫ উইকেট। আর এটাই ছিল তার ক্যারিয়ারে সেরা বোলিং ফিগার।

প্রোটিয়াদের হয়ে ৫টি টেস্ট ও ৪২টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়েছিল তার। ১৯৯৮ সালে বিদায় জানান সব ধরনের ক্রিকেটকে। এরপর কাজ শুরু করেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে। এর আগে বল হাতে ৫ টেস্টে ম্যাচে শিকার করেছেন ১৯ উইকেট। আর ব্যাট হাতে করেছেন ৯৫ রান। ৪২ ওয়ানডেতে শিকার ৪৪ উইকেট। আর রান করেছেন ৩২২।

পুরো নাম: রিচার্ড পিটার স্নেল।

জন্ম: ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৮ সাল।

জন্মস্থান: ডারবান, দক্ষিণ আফ্রিকা।

রাশি: মেষ।

প্রিয় খেলা: ক্রিকেট।

প্রিয় খাবার: ছাকালাকা।

প্রিয় পানীয়: বিয়ার।

প্রিয় রং: সাদা।

প্রিয় ক্রিকেটার: চার্লস ভিন্টসেন্ট।

প্রিয় ক্রিকেট দল: দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল।

প্রিয় সতীর্থ: অ্যান্ড্রু হাডসন।

প্রিয় গাড়ি: মার্সিডিজ বেঞ্জ।

প্রিয় স্টেডিয়াম: ডারবান, দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রিয় শখ: গলফ খেলা।

প্রিয় জুতার ব্র্যান্ড: অ্যাডিডাস।


গোল করাই ছিল নেশা জার্মান তারকা মিরোস্লাভ ক্লোসার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

সিলিসিরা অঞ্চল, পোল্যান্ডের এক ছোট্ট গ্রাম। ১৯৪৪ সালে আবার পোল্যান্ড দখল করে নেয় সোভিয়েত সেনারা। এরপর আর সেখানে মন টেকেনি জোসেফ আর বারবারা দম্পতির। ফ্রান্স ঘুরে আবারও পাড়ি জমান নৃতাত্ত্বিক জার্মানিতে। তাদের সঙ্গে ছিল আট বছরের একটি ছেলে। ফুটবলকে সিরিয়াস প্রফেশন হিসেবে নেওয়ার কোনো লক্ষ্য তার মধ্যে ছিল না। আসলে সে ছিল দ্বিধাগ্রস্ত, যদি ফুটবল নিয়ে বেশিদূর এগোতে না পারে তাহলে তো একূল-ওকূল দুকূলই যাবে। কাজেই ফুটবলের পাশাপাশি সে শিখছিল কারপেন্টারের কাজ। সে একাধারে ফুটবলার একাধারে কারপেন্টার; কিন্তু এভাবে আর কতদিন। দুই নৌকায় পা দিয়ে তো আর বেশিদিন চলা যায় না।

ততদিনে তার স্কোরিং অ্যাবিলিটি সারা ফেলে দিয়েছে জার্মানিতে। অবশেষে দ্বিধাবিভক্ত হওয়া ভাগ্যের রাস্তা থেকে একটা রাস্তা ক্রমেই অদৃশ্য হয়ে গেল। আর সুস্পষ্ট উজ্জ্বল হয়ে রইল ফুটবলার হবার রাস্তাটা। তখন সে বুঝে গিয়েছে, কারপেন্টার নয়, ফুটবলটাই লেখা আছে তার ভাগ্যে। ছেড়ে দিল কারপেন্টারের কাজ। আর একমাত্র পেশা হিসেবে বেছে নিল সকার জগতের চর্মগোলককে। কে জানত, সেদিনের তার এই সিদ্ধান্তটা কালো-লাল-হলুদ পতাকাটাকে করবে উজ্জ্বলতম।

পরে তার পারফরম্যান্সে জার্মানিতে একটা প্রবাদ তৈরি হয়ে গিয়েছিল, ‘ক্লোসা গোল করলে জার্মানি হারে না।’ ২০০২ বিশ্বকাপের আগে ক্লোসার ডাক এসেছিল পোল্যান্ড দলে খেলার। কিন্তু তিনি বলেন, ‘আমি জার্মান পাসপোর্টের মালিক। খেলতে হলে তাই রুডি ফোলারের দলেই খেলব।’ জন্মসূত্র নয়, নৃতাত্ত্বিক পরিচয়কেই সেদিন বেছে নিয়েছিলেন তিনি। আর জার্মানি পেয়ে গিয়েছিল তাদের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ স্কোরারকে- ‘দ্য সাল্টা ক্লজ’ মিরোস্লাভ ক্লোসা।

একবছর পরেই আলবেনিয়ার বিপক্ষে জার্মানির হয়ে অভিষেক হল তার। গোল করে জেতালেন দলকে। সুযোগ পেয়ে গেলেন ২০০২-এর বিশ্বকাপ দলেও। বিশ্বকাপের পাঁচটা গোলই এসেছিল তার হেড থেকে।

২০১৪ বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে গোল করে ছুঁয়ে ফেলেন ব্রাজিলের রোনালদো ‘দ্য ফেনোমেনন’-এর বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড। এরপর সেমিফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষেই গোল করে ভেঙে ফেলেন সেই রেকর্ড। ১৬ গোল করে হন উতিহাসে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের মালিক।

১৯৯৪ এর সেই ১৬ বছর বয়সি কারপেন্টার আর ২০১৪ এর সেই বিশ্বজয়ী সাল্টাক্লজের মাঝে রয়ে গিয়েছে কুড়িটা বছর। রয়ে গিয়েছে কত কত স্মৃতি। হামবুর্গ থেকে কাইজারস্লাটার্ন কিংবা ব্রেমেন থেকে বায়ার্ন– তার মাথা কথা বলেছে বারবার।


হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া তারকা অস্কার দোস সান্তোস

আপডেটেড ২১ এপ্রিল, ২০২৪ ১২:১০
নাজমুল সাগর

২০১৪ সালের বিশ্বকাপটা হয়তো ভুলেই যেতে চাইবেন ব্রাজিল সমর্থকরা। তবে একটা জিনিস হয়তো তারা কখনোই ভুলতে পারবেন না; সেটা হলো অস্কার দোস সান্তোসকে। সে সময় বিশ্ব ফুটবলে রাজত্ব করার আভাস দিয়েছিলেন যে তরুণ ফুটবলাররা; তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এ ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার। নেইমারের পরেই যাকে নিয়ে আশায় বুক বাঁধত হলুদ জার্সিপ্রেমীরা। মাঝমাঠে নিজের পায়ের কারুকাজ দিয়ে মন কেড়েছিলেন দর্শকদের। কিন্তু আশা জাগিয়ে হঠাৎ করেই হারিয়ে গেলেন কোনো এক অজানায়। এরপর আর তাকে আলোতে খুঁজে পাওয়া গেল না। অস্কারের এক সিদ্ধান্তে চারপাশ আলোকিত করার আগেই নিভে গেল একটি নক্ষত্র।

২০১২ সালে লন্ডনের ক্লাব চেলসির জার্সি দিয়ে শুরু হয় অস্কারের প্রফেশনাল ক্যারিয়ার। সেখানটায় সাফল্য এসেও ধরা দিচ্ছিল তার হাতে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা, লিগ কাপ, ইউরোপা লিগ শিরোপাসহ বেশ কিছু অর্জন রয়েছে তার চেলসি ক্যারিয়ারে। তা ছাড়া চেলসির মতো ঐতিহ্যবাহী এক ক্লাবের সদস্য তিনি ছিলেন। ক্রমশ তিনি বনে যাচ্ছিলেন ক্লাবে এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

চেলসিতে অস্কারের পারফরম্যান্স কিংবা তার গুরুত্ব বোঝা যায় একটি পরিসংখ্যান দেখলেই। যখন তিনি চেলসি ছেড়ে চীনে পাড়ি জমান ততদিন নীল জার্সিতে খেলে ফেলেছেন ২০০ ম্যাচ। এরপর হঠাৎ করেই একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন অস্কার। তবে সেটাকে নির্দিষ্ট করে ‘ভুল’ বলাটা বেশ কঠিন।

ব্রাজিলের এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম অস্কারের। হয়তো তার চাওয়া ছিল দ্রুতই একটু বেশি উপার্জন পরিবারকে সুখে রাখা। সে সময়ে চীনেও খেলার অবস্থা কিংবা বিশ্ব মিডিয়ার আলোচনায় না থাকলেও; চলছিল কাঁড়িকাঁড়ি টাকার প্রলোভন। এমনটা চাওয়া নিশ্চয়ই ভুল কিছু নয়। তবে তিনি হয়তো সেটা ইউরোপে থেকেই পারতেন। তবে তাতে হয়তো খানিক কালক্ষেপণ হতো। অথবা তিনি হয়তো নিজের সামর্থ্যের ওপর ভরসা করতে পারেননি।

মাত্র ২৫ বছর বয়সেই চাইনিজ সুপার লিগ দল সাংঘাইয়ের জার্সি গায়ে জড়ান তিনি ৬৭ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে। তার সাপ্তাহিক বেতন ছিল আরও চমকে দেওয়ার মতো। প্রায় পাঁচ লাখ ডলার। যা কি না তাকে বানিয়েছিল সে সময়ের পঞ্চম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া ফুটবলার।

এর পরে চেলসিতে ফিরতে চাইলেও সেটা আর সম্ভব হয়নি। বিশ্ব মিডিয়ার কাভারেজ না থাকায় আর আলোতেও আসেননি অস্কার। প্রস্ফুটিত হওয়ার আগেই ব্রাজিলের ফুটবল বাগান থেকে ঝড়ে যায় আরেকটি ফুল।


ইতালির ডিফেন্স সম্রাট পাওলো মালদিনি

পাওলো মালদিনি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

ইতালির মিলান শহরের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম মালদিনির। আরেকটু স্পষ্ট করে বললে, ফুটবল পরিবারেই জন্ম। বাবা ছিলেন এসি মিলানের একজন লিজেন্ডারি ফুটবলার। দলটির মাঠ নেমেছেন ৪১২ ম্যাচে; জয় করেছেন ৪টি সিরি-আ এবং একটি ইউরোপিয়া কাপ।

তবে তরুণ মালদিনির ভালোবাসা ছিল প্রতিপক্ষ ক্লাব জুভেন্তাসের প্রতি; কিন্তু বয়সেরসঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন আসে মালদিনির ভালোবাসায়, প্রেমে পড়তে শুরু করেন নিজ জন্মভূমির ক্লাব এসি মিলানের। এরপর তার বাবা একদিন জানতে চান কোন ক্লাবের হয়ে ট্রায়াল দিতে চান তিনি। পাওলো সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল মিলান, অবশ্যই আমি আমার নিজের জন্মভূমির হয়ে খেলতে চাই।

ট্রায়ালের দিন ঠিক হয়ে গেল, পাওলো খুব সকালে তাঁর বুট নিয়ে মাঠে পৌছে গেল। কোচরা তাঁর পজিশন সম্পর্কে জানতে চাইল। কিন্তু মালদিনির কোনো সঠিক পজিশন ছিল না সে উত্তর দিল ‘আমার পছন্দের তেমন কোনো পজিশন নেই।’ ক্লাবে তখন রাইট উইং এর অভাব ছিল কোচরা পাওলো কে ঐ পজিশনে খেলাল এবং মুগ্ধ হয়ে ঐ দিনই তাকে সাইন করিয়ে নিল।

১৯৮৫ সালের ২০ জানুয়ারি মাত্র ১৬ বছর বয়সে উদিনেসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সিরি-আ তে অভিষেক হয় তার। মৌসুমে ওই এক ম্যাচেই সুযোগ হয়েছিল তার। অবশ্য পরের সিজন থেকেই নিয়মিত মাঠে নামেন এসি মিলানের হয়ে। ৩ নম্বর জার্সিতে পাকাপোক্ত করেন লেফট ব্যাক।

১৯৮৮ সালে আসে পাওলো মালদিনির জীবনের অন্যতম মাহেন্দ্রক্ষণ। মিলানের হয়ে দুর্দান্ত খেলার পুরস্কার হিসেবে যাক আসে ইতালির জাতীয় দল থেকে। যুগোস্লাভয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ইতালির জার্সিতে মাঠে নামেন তিনি।

১৪ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষে ২০০২ সালে জাতীয় দলকে বিদায় জানায় পাওলো মালদিনি। ২০০৮-৯ মৌসুম শেষে বিদায় জানান সব ধরনের ফুটবল থেকে।

পাওলো মালদিনি ছিলেন ডিফেন্স সম্রাট। মুভমেন্ট, পজিশনিং, মার্কিং, ক্রস, অ্যাটাকারদেরসঙ্গে ট্রান্জিশনাল প্লের কাজ করা, গতি দিয়ে লেফট ফ্ল্যাংকে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের জন্যও হুমকি ছিলো মালদিনি।

পুরো নাম- পাওলো সিজার মালদিনি।

জন্ম- ২৬ জুন ১৯৬৮ সাল।

জন্মস্থান- মিলান, ইতালি।

রাশি: কর্কটরাশি।

প্রিয় খেলা: ফুটবল।

প্রিয় খাবার: তিরামিসু, প্যানেটোন।

প্রিয় পানীয়: বিয়ার।

প্রিয় রং: কালো, সাদা।

প্রিয় ফুটবলার: সিজার মালদিনি।

প্রিয় ফুটবল দল: ইতালি, এসি মিলান।

প্রিয় সতীর্থ: ফ্রাংকো বারেসি।

প্রিয় গাড়ি: রোলস রয়েস।

প্রিয় শখ: ভ্রমণ, গান শোনা।

প্রিয় জুতার ব্র‌্যান্ড: অ্যাডিডাস।


১১ ম্যাচ নিষিদ্ধ আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ইনজুরির কারণে নিজ ক্লাব টাইগ্রেস ইউএএনএলের হয়ে মাঠে নামা হয়নি আর্জেন্টাইন গোল রক্ষক নাহুয়েল গুসমানের। কিন্তু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তিনিই। তবে সেটা সুখকর নয়, শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্যই আলোচনায় এসেছেন তিনি। পেয়েছেন বড় শাস্তিও।

স্ট্যান্ড থেকে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকসহ খেলোয়াড়দের দিকে লেজার লাইট মারার অপরাধে আর্জেন্টাইন এ গোলরক্ষককে ১১ ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে মেক্সিকান ফুটবল ফেডারেশন (এফএমএফ)।

মেক্সিকোর শীর্ষ প্রতিযোগিতা লিগা এমএক্সে টাইগ্রেস ইউএএনএল ক্লাবের হয়ে খেলেন নাহুয়েল গুসমান। চোটের জন্য গত রোববার মনটেরির বিপক্ষে ছিলেন না তিনি। কিন্তু নিজ দলের খেলা দেখেছেন গ্যালারিতে বসে।

স্ট্যান্ড থেকে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক এস্তেবান আন্দ্রাদাসহ অন্য খেলোয়াড়দের দিকে লেজার মারতে দেখা যায় তাকে। তার এই কাণ্ড দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সমালোচনার মুখে পড়েন নেটিজেনদের। পরে অবশ্য এমন কাণ্ডের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন ৩৮ বছর বয়সি এই গোলরক্ষক। কিন্তু শাস্তির মুখে তাকে পড়তেই হলো।

নিজেদের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিবৃতিতে ফেডারেশন থেকে দেওয়া গুসমানের শাস্তি মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছে তার ক্লাব টাইগ্রেস। একই সঙ্গে এই ফুটবলারকে আরও সুশৃঙ্খল করার কথাও বলেছে তারা।

শুধু গুসমানই নয়, শাস্তি পেয়েছেন আন্দ্রাদাও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুসমানকে সমকামী বলে মন্তব্য করায় তাকে জরিমানা করেছে মেক্সিকান ফুটবল ফেডারেশন।


বিশেষ লক্ষ্যে ‘নিয়তি’ টানছে মার্টিনেজকে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক:

২০১০ সালে আর্সেনালের বয়সভিত্তিক দলে যোগ দেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। দুই বছর পর সুযোগ পান মূল দলে। কিন্তু ২০২০ সালে অ্যাস্টন ভিলায় যোগ দেওয়ার আগে ৮ বছরে গানারদের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছেন মাত্র ১৫ ম্যাচ। এমনকি সে সময় গোলকিপার-সংকট থাকতেও তাকে বিবেচনা করা হয়নি।

তবে মার্টিনেজের ভাগ্যটা পাল্টাতে শুরু করে ভিলায় যোগ দেওয়ার পর। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে সুযোগ পান ও কোপা আমেরিকা জয়ে রাখেন বড় ভূমিকা। ভালো খেলেন লা ফিনালিসিমাতেও। আর ২০২২ বিশ্বকাপটা হয়ে আসে রূপকথার মতো করেই!

ফাইনালে ১২৩ মিনিটে কোলোমুয়ানির শট ঠেকিয়ে দেন অবিশ্বাস্যভাবে, টাইব্রেকার পেরিয়ে অবশেষে আরেকটি বিশ্বকাপ জেতে আর্জেন্টিনা। আর মার্টিনেজের হাতে ওঠে সেরা গোলকিপারের পুরস্কার। বড় দলে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ারটা আরও বড় করতে আর কী চাই!

তবে মার্টিনেজ ভুলে যাননি ভিলার কথা। বড় ক্লাব থেকে প্রস্তাব ছুড়ে ফেলে থেকে যান ভিলা পার্কেই। সাফ জানিয়ে দেন, ‘এই ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর আমার ক্যারিয়ার চূড়া ছুঁয়েছে। আমি সব সময়ই বলে এসেছি, এই ক্লাবের কাছে আমি কৃতজ্ঞ এবং এখানে থাকতে ভালোবাসি।’

বিশ্বকাপজয়ী গোল রক্ষকের কথায় স্পষ্ট; পছন্দের এ ক্লাবকে কিছু ফিরিয়েও দিতে চান। সেই পথে গতকাল রাতে ভিলাকে বড় একটা ধাপ পার করাতে দারুণ সহায়তা করলেন মার্টিনেজ। ফরাসি ক্লাব লিলের বিপক্ষে ইউরোপা কনফারেন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে দুটি পেনাল্টি ঠেকিয়ে দলকে তুললেন সেমিফাইনালে।

প্রথম লেগ ২-১ গোলে জিতেছিল অ্যাস্টন ভিলা। ফিরতি লেগ লিল ২-১ গোলে জেতায় দুই লেগ মিলিয়ে দুই দল ৩-৩ গোলে সমতায় থাকায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে লিলের নাবিল বেনতালেব ও বেনঞ্জামিন আন্দ্রের শট রুখে দেন মার্টিনেজ। টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলের জয়ে ১৯৮২ সালের পর এবার প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান কোনো বড় টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠল অ্যাস্টন ভিলা।

ম্যাচ শেষে মার্টিনেজ বলেছেন, ‘অনেক উত্থান-পতন নিয়েই দুর্দান্ত একটা ক্যারিয়ার কাটছে আমার। আমি বিশ্বাসী মানুষ এবং কঠোর পরিশ্রমী। আর আজ এটাই ছিল আমার নিয়তি। মনে হচ্ছে, এবার আমরা বিশেষ কিছুই করব। সেটা চ্যাম্পিয়নস লিগ না কনফারেন্স লিগ- তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই। আমরা ক্লাবকে আরেকটু এগিয়ে নিতে সবটুকুই উজাড় করে দিচ্ছি।’


ফুটবলার থেকে বাইশ গজের নায়ক মাইক গ্যাটিং

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

হেঁটেছিলেন ছোট ভাইয়ের মতো একই পথে। খেলার প্রতি ভালোবাসাটা জন্মেছিল ফুটবল দিয়ে। কিন্তু বাদ সাধে শারীরিক গঠন। উচ্চতা কম থাকায় বাদ পড়েন ফুটবলের এক ট্রায়াল থেকে। অবশ্য সেটাই ক্রিকেটকে দিয়েছিল এক কিংবদন্তির জন্ম। ফুটবল ছেড়ে নাম লেখালেন ক্রিকেটে। হয়ে গেলেন কাউন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ব্যাটার; রচনা করলেন এক নতুন ইতিহাস। তিনি সাবেক ইংলিশ তারকা ক্রিকেটার মাইক গ্যাটিং।

পুরো ক্যারিয়ারজুড়ে ঘরোয়া ক্রিকেটের হয়ে ২২ গজ শাসন করেছেন মিডলসেক্সের হয়ে। প্রায় ১৫ বছর সামলেছেন অধিনায়কের দায়িত্বও। ইংল্যান্ডের এই কিংবদন্তি আবার স্বীকার হয়েছিলেন শেন ওয়ার্নের বল অব দ্য সেঞ্চুরির। সবমিলিয়ে মাইক গ্যাটিং ছিলেন ইংল্যান্ড ক্রিকেটের এক বর্ণাঢ্য চরিত্র।

কাউন্টি দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে ১৯৭৮ সালে ক্রিকেটের অভিজাত ফরম্যাট টেস্টে অভিষেক হয় এ ডানহাতি ব্যাটারের। কিন্তু কাউন্টির সেই ফর্ম তিনি হারিয়ে খুঁজছিলেন। কোনোভাবেই পাচ্ছিলেন না বড় ইনিংসের দেখা। টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি আসে ৫৪তম ইনিংসে।

তার ক্যারিয়ারটাকে স্পষ্ট তিন ভাগে ভাগ করা যায়- প্রথম যুগের সেঞ্চুরিহীন সাত বছরের ৫৩ ইনিংস, পরের ২৮ টেস্টে ৬৩ গড়ে করা তিনটি সেঞ্চুরি, শেষ ধাপে ৫১টি টেস্টে এক সেঞ্চুরি। ধারাবাহিকভাবে ব্যাটিং করতে পারলে হয়তো তিনি ইতিহাসের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন হিসেবে বিবেচিত হতেন।

তবে আস্তে আস্তে ইংল্যান্ডে ব্যাটিং লাইন আপের ভরসা হয় উঠেছিলেন তিনি। সবমিলিয়ে ৭৯ টেস্টে ৩৫.৫৫ গড়ে করেছেন ৪ হাজার ৪০৯ রান। নামের পাশে ১০টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি লেখা আছে একটি ডাবল সেঞ্চুরিও। রঙিন পোশাকের ক্রিকেট ৯২ ওয়ানেডেতে করেছেন ২ হাজার ৯৫ রান। এক সেঞ্চুরির পাশাপাশি করেছেন ৯টি হাফসেঞ্চুরি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রায় ৫০ গড়ে করেছেন ৩৬ হাজারের বেশি রান। লিস্ট এ ক্রিকেটেও ১৪ হাজার রানের মালিক তিনি।

পুরো নাম : মাইকেল মাইক উইলিয়াম গ্যাটিং

জন্ম : ৬ জুন, ১৯৫৭ সাল

জন্মস্থানম : কিংসবারি, লন্ডন, ইংল্যান্ড

রাশি: মিথুন

প্রিয় খেলা: ক্রিকেট, ফুটবল

প্রিয় খাবার: গুজবেরি, চেরি পাই, চাইনিজ।

প্রিয় পানীয়: বিয়ার।

প্রিয় রং: সাদা, লাল।

প্রিয় ক্রিকেটার: রিচার্ড হ্যাডলি।

প্রিয় ক্রিকেট দল: ইংল্যান্ড

প্রিয় সতীর্থ: ব্রায়ান রোজ

প্রিয় গাড়ি: টয়োটা

প্রিয় শখ: ফুটবল খেলা, গান শোনা।

প্রিয় জুতার ব্র‌্যান্ড: অ্যাডিডাস।


আইপিএলের সমালোচনায় রহিত শর্মা  

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

আইপিএল ‘ক্রিকেটকে ধ্বংস করে দিচ্ছে’ কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের এমন মন্তব্য বেশ পুরোনো। অনেকবারই তারা সরব হয়েছেন এসব নিয়ে। আইপিএলে এমন কিছু নিয়ম বাস্তবায়ন করা হয়, যেটাতে ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়ে। এবার আইপিএলের নতুন নিয়ম নিয়ে সমালোচনা করলেন স্বয়ং ভারত ক্রিকেট দলের অধিনায়ক রহিম শর্মা। এর আগে অজি তারকা রিকি পন্টিংও সমালোচনা করেছিলেন এটি নিয়ে।

চলমান আইপিএলে চলছে রান রান উৎসব। ভাঙছে একের পর এক রেকর্ড। আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তিনটি দলীয় স্কোর এসেছে এ বছর। আবার সর্বোচ্চ পাঁচটির মধ্যে চারটিই এ বছর এসেছে। এবারই প্রথম আইপিএলে রান উঠেছে ওভারপ্রতি ৯–এর বেশি।

কেন এমন রান উঠছে, সেই প্রশ্নে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইপিএলের ইমপ্যাক্ট-সাব বা ইমপ্যাক্ট-বদলির নিয়ম ভালোভাবে কাজে লাগানোর ফলেই এমন রানপ্রসবা মৌসুম দেখা যাচ্ছে। এই নিয়ম নিয়ে বিতর্ক আছে। ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মাই এই নিয়মের পক্ষে নন।

‘ক্লাব প্রেইরি ফায়ার’ পডকাস্টে রহিত শর্মার কাছে অ্যাডাস গিলক্রিস্ট ‘ইমপ্যাক্ট’ নিয়ম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ইমপ্যাক্ট–সাব নিয়মের আমি ভক্ত নই। এটা অলরাউন্ডারদের পেছনে টেনে ধরবে, আর দিন শেষে ক্রিকেট ১১ জনের খেলা, ১২ জনের নয়। আশপাশের মানুষের জন্য বিনোদনমূলক করার জন্য আপনি খেলা থেকে অনেক কিছু নিয়ে নিচ্ছেন।’

ইমপ্যাক্ট-সাব নিয়মের কারণে অলরাউন্ডারদের ওপর এর প্রভাব বেশ ভয়ঙ্কর হতে পারে সেটাই জানালেন রহিত। তিনি বলেন, ‘শিবম দুবে, ওয়াশিংটন সুন্দররা বল করছে না, যেটা আমাদের জন্য ভালো নয়। সত্যি বলতে আমি এর ভক্ত নই। তবে এটা বিনোদনমূলক।’

এরপর গিলক্রিস্টও বলেন, ‘এটা মূলত দর্শকদের জন্যই। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সফল কারণ, এটা ক্রিকেটের মূল বিষয়ের সঙ্গে আপস করেনি। এটা ১১ বনাম ১১ জনের খেলা, একই মাঠ, ফিল্ড রেস্ট্রিকশনও সমান, অর্থাৎ কোনো চমকের প্রয়োজন হয়নি। সম্ভবত এটা (ইমপ্যাক্ট নিয়ম) ভবিষ্যতের জন্য নয়।’

এর আগে ইমপ্যাক্ট–সাব নিয়ে সমালোচনা করেছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের কোচ রিকি পন্টিংও। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় দলগুলো যেভাবে ব্যাটিং করছে, এর পেছনে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মের বড় প্রভাব আছে। গত (১৫ এপ্রিল) দেখেছেন কীভাবে ট্রাভিস হেড ব্যাটিং করেছে। পরের ব্যাটসম্যানদের ওপর আত্মবিশ্বাস না থাকলে এভাবে ব্যাটিং করা যায় না।’

বিষয়:

বাংলাদেশ দলে ১৫ বছরের হাবিবা

হাবিবা ইসলাম
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। আগামী ২৮ এপ্রিল প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে দুই দল। এবারের সিরিজের সবগুলো ম্যাচই হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এই সিরিজে বাংলাদেশ স্কোয়াডে রয়েছে এক নতুন মুখ। অফস্পিনার সুমাইয়া আক্তারের বদলে বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন ১৫ বছর বয়সী তরুণী হাবিবা ইসলাম।

এ ছাড়া এই সিরিজে দলে ফিরেছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার রুবাইয়া হায়দার। তাকে ফারজানা আক্তারের বদলে স্কোয়াডে আনা হয়েছে। বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক সাজ্জাদ আহমেদ বলেন, ‘আমরা দলে তেমন পরিবর্তন আনিনি। যেহেতু আমরা সিলেটে স্পোর্টিং উইকেটে খেলছি, তাই আমরা একজন অতিরিক্ত পেস বোলার নিয়েছি। আমাদের ওপেনিং ব্যাটার ও উইকেটরক্ষক রুবিয়া হায়দারও আছে, চোট কাটিয়ে ফিরেছেন। এটা একটা ভালো খবর।’

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি, ‘ভারতের বিপক্ষে এই সিরিজ থেকেই আমাদের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শুরু হবে। আমাদের দল গঠন, পরিকল্পনা এবং কৌশল বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত। আমরা এখন থেকে অন্য কোনো ফরম্যাটে খেলছি না। আমরা এখনো বলতে পারি না যে, এটাই বিশ্বকাপের জন্য আমাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড। আমাদের সামনে এশিয়া কাপ, বিশ্বকাপের আগে আমরা আরেকটি হোম সিরিজ খেলার পরিকল্পনা করছি।


‘আইপিএল জেতাবে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং’

রিকি পন্টিং। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

এবারের আইপিএল নতুন নতুন রেকর্ডের জন্ম দিচ্ছে। শুরুর দিকে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে ২৭৭ রান তুলে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড গড়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। গত পরশু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে নিজেদের সেই রেকর্ড ভেঙে হায়দরাবাদ তুলেছে ৩ উইকেটে ২৮৭ রান। জবাবে বেঙ্গালুরু করেছে ২৬২ রান। দুই দলের সম্মিলিত ৫৪৯ রান যেকোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই সর্বোচ্চ। ওভারপ্রতি এই মৌসুমেই রান উঠছে সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ বোলারদের নিস্তার নেই। অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি ও দিল্লি ক্যাপিটালসের কোচ রিকি পন্টিং মনে করেন, এবারের আইপিএল জয়ের মূল চাবিকাঠি হতে পারে এই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং।

এবার আইপিএলে এখন পর্যন্ত ম্যাচ হয়েছে ৩১টি। যেখানে রান উঠেছে ওভারপ্রতি ৯.৪৮ করে। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল ২০২৩ সালে, ওভারপ্রতি ৮.৯৯ রান করে। গতকাল রাজস্থান কলকাতার ২২৩ রানও তাড়া করেছে, যা আইপিএলে যৌথভাবে সর্বোচ্চ রান তাড়া করার রেকর্ড। আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তিনটি দলীয় স্কোর এসেছে এ বছর, সর্বোচ্চ পাঁচটির মধ্যে অবশ্য চারটিই এ বছর এসেছে। কেন এমন রান উঠছে- সেই প্রশ্নে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইপিএলের ইমপ্যাক্ট-সাব বা ইমপ্যাক্ট-বদলির নিয়ম ভালোভাবে কাজে লাগানোর ফলেই এমন রানপ্রসবা মৌসুম দেখা যাচ্ছে।

গতকাল ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে পন্টিংও তেমন কথাই বলেছেন। পন্টিংয়ের দাবি, আক্রমণাত্মক ব্যাটিং এবার শিরোপা এনে দিতে পারে। আর এই কৌশলে ব্যাটসম্যানরা খেলতে পারছেন ইমপ্যাক্ট-সাব নিয়মের কারণে।

পন্টিং বলেছেন, ‘দু-একট বড় সংগ্রহের কারণ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। কলকাতা আমাদের বিপক্ষে ২৬০ (২৭২/৭)-এর মতো করেছিল। আমার মনে হয়, দলগুলো যেভাবে ব্যাটিং করছে এর পেছনে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মের বড় প্রভাব আছে। গতকাল (পরশু) দেখেছেন কীভাবে ট্রাভিস হেড ব্যাটিং করেছে। পরের ব্যাটসম্যানদের ওপর আত্মবিশ্বাস না থাকলে এভাবে ব্যাটিং করা যায় না।’

অধিনায়ক হিসেবে দুবার বিশ্বকাপজয়ী পন্টিং ব্যাখ্যা করেন, ‘আইপিএল কিংবা অস্ট্রেলিয়ায় বিগ ব্যাশের মতো টুর্নামেন্টে প্রায়ই সেরা রক্ষণাত্মক বোলিং বিভাগের দলই জিতেছে। তবে এবার নতুন নিয়মে যেভাবে আইপিএল এগোচ্ছে, মনে হচ্ছে যারা বোলারদের ওপর বেশি আক্রমণ করতে চায়, বড় সংগ্রহ তুলতে চায়, তারাই জিতবে। আমার মনে হয়, এবার রক্ষণাত্মক বোলিংয়ের চেয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়েই আইপিএল জেতার সম্ভাবনা বেশি।’

বিষয়:

অবহেলা দমাতে পারেনি দিপক প্যাটেলকে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাজমুল সাগর

দিপক প্যাটেলের নিউজিল্যান্ড জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়াটা ছিল বেশ নাটকীয়। ১৯৫৮ সালে প্যাটেলের জন্ম কেনিয়াতে। তার ১০ বছর পরেই পাড়ি জমান ইংল্যান্ডে। সেখানেই শুরু করেন ক্রিকেট খেলা। আট বছর পরে ১৯৭৬ সালে ওরচেস্টারশায়ারের হয়ে অভিষেক হয় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে। সেখান দ্যুতি ছড়াতে থাকেন ব্যাট এবং বল হাতে। ১০ বছরে ২৩৬টি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মাঠে নেমে ২৯ এর বেশি গড়ে ব্যাট হাতে করেন প্রায় দশ হাজার রান। পাশাপাশি বল হাতে ৩৬.৬৬ গড়ে শিকার করেন ৩৫৭টি উইকেট।

তবে প্যাটেলের এমন পারফরম্যান্স মন গলাতে পারেনি ব্রিটিশ নির্বাচকদের। সুযোগ হয়নি ইংল্যান্ড জাতীয় দলে। তাই ১৯৮৬ সালে পাড়ি জমান নিউজিল্যান্ডে। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে অকল্যান্ডের হয়ে অভিষেক হয় নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে। অভিষেক ম্যাচেই খেলেন ১৭৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। সেই ইনিংসেই নজর কাড়েন কিউই নির্বাচকদের। এরপর আর খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। ছয় মাস পড়েই সুযোগ পেয়ে যান কিউইদের জার্সিতে।

১৯৮৭ সালে সাদা পোষাকের ক্রিকেট টেস্টে অভিষেক হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। সে ম্যাচে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি তিনি। তবুও সেই সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই গায়ে জড়ান ওয়ানডের রঙিন পোশাকের জার্সিও। অভিষেকের পাঁচ বছর পড়ে এসে ক্যারিয়ার সেরা ৯৯ রানের ইনিংসটি খেলেন। সে বছরই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেরা বোলিং ফিগার ৫০ রানে ৬ উইকেট নেন।

প্যাটেল বল হাতে সবচেয়ে বেশি কার্যকর ছিলেন ১৯৯২ বিশ্বকাপে। তৎকালীন অধিনায়ক মার্টিন ক্রো তাকে সঠিকভাবে ব্যবহার। ১৯৯২ সালে এই ডানহাতি অলরাউন্ডার বিদায় বলেন ক্রিকেটকে। তবে ক্রিকেট থেকে দূরে সরে জাননি। শুরু করেন কোচিং ক্যারিয়ার।

এর আগে ৩৭টি টেস্ট ম্যাচে ব্যাট হাতে করেন ১ হাজার ২০০ রান। বল হাতে শিকার করেন ৭৫টি উইকেট। ৭৫টি ওয়ানডে ম্যাচে ব্যাট হাতে করেন ৬২৩ রান। বল হাতে শিকার করেন ৪৫টি উইকেট।

পুরো নাম: দিপক নরশিভাই প্যাটেল।

জন্ম: ২৫ অক্টোম্বর, ১৯৫৮ সাল।

জন্মস্থান: নাইরোবি, কেনিয়া।

রাশি: বৃষ

প্রিয় খেলা: ক্রিকেট।

প্রিয় খাবার: চিকেন।

প্রিয় পানীয়: ফ্রুট জুস।

প্রিয় রং: কালো, সাদা।

প্রিয় ক্রিকেটার: মার্টিন ক্রো।

প্রিয় ক্রিকেট দল: নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।

প্রিয় অলরাউন্ডার: স্যার ইয়ান বোথাম, ড্যানিয়েল ভেট্টোরি।

প্রিয় সতীর্থ: রস টেইলর

প্রিয় গাড়ি: মার্সিডিজ, বিএম ডব্লিউ

প্রিয় স্টেডিয়াম: বেসিন রিজার্ভ, ওয়েলিংটন।

প্রিয় শখ: গান শোনা, ওয়ার্ক আউট।

প্রিয় জুতার ব্র্যান্ড: পিউমা।


মুশতাক আহমেদ টাইগারদের নতুন স্পিন কোচ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক তারকা লেগস্পিনার মুশতাক আহমেদকে টাইগারদের স্পিন কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কার সাবেক তারকা স্পিনার রঙ্গনা হেরাথের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি শেষ হয় গত ৩০ নভেম্বর। এরপর থেকে টাইগাররা স্পিন বোলিং কোচ ছাড়াই এতদিন সিরিজ খেলে আসছিল। অবশেষে নতুন করে স্পিনারদের অভিভাবক বেছে নেওয়ার কাজ সেরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

আজ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বিসিবি। চলতি মাসের শেষদিকে জিম্বাবুয়ে সিরিজের জন্য প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু করবে বাংলাদেশ। ওই সময় থেকেই টাইগার শিবিরে যোগদানের কথা রয়েছে মুশতাকের। টাইগারদের নতুন এই স্পিন কোচের চুক্তির মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষ পর্যন্ত। আগামী জুনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে বসবে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই আন্তর্জাতিক আসর।

এর আগে ৫৩ বছর বয়সী সাবেক এই পাকিস্তানি তারকা বেশ কয়েকটি জাতীয় দলের স্পিন বিভাগ সামলেছেন। ২০০৮–১৪ ইংল্যান্ড, ২০১৮-১৯ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ২০২০-২২ পাকিস্তান জাতীয় দলের স্পিন কোচ ছিলেন মুশতাক আহমেদ। এছাড়া ২০১৪-১৬ সময়কালে তিনি বোলিং পরামর্শক ছিলেন পাকিস্তানের।

বিসিবির দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে মুশতাক আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ দলের স্পিন বোলিং কোচ হওয়া আমার জন্য অনেক বেশি সম্মানের। আমি আমার দায়িত্ব পালনের দিকে পুরো মনোযোগ দিচ্ছি এবং অর্জিত অভিজ্ঞতা ক্রিকেটারদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাই। আমি সবসময়ই বিশ্বাস করি তারা (বাংলাদেশ) বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর দলগুলোর একটি।’

বাংলাদেশকে নিয়ে মুশতাক আহমেদ বলেন, ‘তারা যেকোনো দলকেই হারাতে পারে, কারণ তাদের সেই সামর্থ্য, সম্পদ ও প্রতিভা আছে। আমি চেষ্টা করব আমার এই বিশ্বাসটাই তাদের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে। বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি বেশ রোমাঞ্চিত।’

উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে পাকিস্তানের একমাত্র ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক মুশতাক আহমেদ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৪৪ ওয়ানডে খেলে তার শিকার ১৬১ উইকেট। এছাড়া ৫২ টেস্ট খেলে এই লেগস্পিনার ১৮৫ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩০৯ ম্যাচ খেলে তার উইকেট ১ হাজার ৪০৭টি। ইনিংসে চার উইকেট নিয়েছেন ১০৪ বার, ম্যাচে ১০ উইকেট ৩২ বার।


মুস্তাফিজকে পুরো সময় আইপিএলে চান আকরাম খান

পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাজমুল সাগর

চলমান ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) দারুণ ফর্মে আছেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। ৫ ম্যাচ থেকে ১০ উইকেট নিয়ে আছেন উইকেট শিকারিদের তালিকার ৩ নম্বরে। প্রথম ম্যাচেই হয়েছিলেন ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচও’। বোলারদের শ্মশানঘাটখ্যাত আইপিএলে মুস্তাফিজের এমন পারফরম্যান্স বেশ ভালোভাবেই দেখছেন ক্রিকেট বোদ্ধারা। ফিজের এমন পারফরম্যান্স বেশ কাজে দেবে এ বছরই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।

তবে বিপত্তি বেধেছে আগামী মাসে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর নিয়ে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেই সিরিজের জন্য মুস্তাফিজকে অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয়েছে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর দেশে ফিরে ফিজকে খেলতে হবে জাতীয় দলের হয়ে। তবে অনেকেই মনে করেন বিশ্বকাপের জন্য সঠিক প্রস্তুতি নিতে মুস্তাফিজকে জিম্বাবুয়ে নয় আইপিএলে খেলতে দেওয়া উচিত। সেজন্য এ বাঁহাতি পেসারের অনাপত্তিপত্রের মেয়াদ বাড়ানো উচিত বিসিবির।

যদিও একদিন বাড়িয়ে ১ মে পর্যন্ত করা হয়েছে ফিজের ছুটি। তবে মুস্তাফিজকে পুরো সময়ের জন্যই আইপিএলে খেলানোর পক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবি পরিচালক আকরাম খান। তার মতে, মোস্তাফিজ আইপিএলে থাকলে বাংলাদেশই লাভবান হবে। গতকাল মিরপুরে গণমাধ্যমকে বলেন আকরাম খান।

তিনি বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে, সে চেন্নাইয়ের হয়ে যত ম্যাচ খেলবে, ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হবে, তার সঙ্গে বাংলাদেশও লাভবান হবে। কারণ, জিম্বাবুয়ের সঙ্গে খেলার চেয়ে সেখানে খেললে অনেক কিছু শিখতে পারবে। ড্রেসিংরুমের ব্যাপার আছে, বড় খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলবে। সেখানকার মান ভালো, বিভিন্ন উইকেট, বিভিন্ন মানের খেলোয়াড়ের সঙ্গে খেলবে। আমার মনে হয়, ওর সুযোগ পাওয়া উচিত।’

আকরাম খান আরও বলেন, ‘আমার কাছে যেটা মনে হচ্ছে, মোস্তাফিজের পারফরম্যান্স নিয়ে আমরা চিন্তিত ছিলাম। কারণ, সে গত এক বছর ধরে ধুঁকছিল। আইপিএলে কিন্তু ওর পারফরম্যান্স ভালোর দিকেই যাচ্ছে, একদম যে ভালো হচ্ছে, তা না।’

সাবেক এ অধিনায়কের মতে, ‘যেহেতু সে (মুস্তাফিজ) লঙ্গার ভার্সনে খেলে না, আইপিএলে গিয়ে যদি এ রকম ভালো করতে থাকে তাহলে বিশ্বকাপে আমরা বেশি লাভবান হব। এই জিনিসটা চিন্তা করতে পারে বোর্ড। তারপরও এটা নির্ভর করছে কোচিং স্টাফ, নির্বাচকদের চিন্তা-ভাবনার ওপর। কিন্তু সে যে ভালো করছে, এটা বাংলাদেশের জন্য ভালো।’


banner close