শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
২ শ্রাবণ ১৪৩৩

আজ জানা যাবে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত : ১২ মে, ২০২৪ ১৫:১৫

দরজায় কড়া নাড়ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাকি নেই এক মাস সময়ও। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপের দল পাঠিয়েছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো। অনেকেই সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণাও করেছে। তবে ব্যতিক্রম ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ এখনো পর্যন্ত জানানো হয়নি। তবে দর্শকদের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে আজ রোববার। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ বিকেলে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।

প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘সবকিছু চূড়ান্ত, এখন ক্রিকেট অপরারেশন্সের সবুজ সংকেত পেলেই আমরা দল দেব। আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুত রয়েছি। কাল ম্যাচ শেষে বিকেলের দিকে হয়তো ঘোষণা করব, যদি আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়।’

একই কথা জানিয়েছেন সহকারী নির্বাচক হান্নান সরকারও। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত আছি দল ঘোষণা করার জন্য। বাকিটা বোর্ডের সিদ্ধান্ত। যেহেতু কাল ম্যাচ আছে, বোর্ড যখন বলবে তখন দল দেব। সেটা কাল হোক আর পরশু হোক।’

তবে কেমন হতে পারে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল সেটার আভাস দিয়ে রেখেছিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শ্রীলঙ্কার আর জিম্বাবুয়ে সিরিজের বেশির ভাগ ক্রিকেটারেরই নাম থাকবে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে।

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল কেমন হতে পারে, সে সম্পর্কে আভাস অবশ্য আগেই মিলেছিল অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কথায়। দলের এই টপ-অর্ডার ব্যাটার বলেছিলেন, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে সিরিজের দলের বেশির ভাগ সদস্য যাবেন বিশ্বকাপে।


নির্বাচিত

শিরোপাজয়ী দলের জন্য প্রথমবারের মতো বিশেষ ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’

চ্যাম্পিয়নশিপ রিং। ছবি: ফিফা
আপডেটেড ১৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:১১
ক্রীড়া ডেস্ক

ফিফা বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে এক নতুন ও আভিজাত্যপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। এবারই প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টের শিরোপাজয়ী দল ট্রফি ও স্বর্ণপদকের পাশাপাশি বিশেষভাবে তৈরি ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’ লাভ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় ক্রীড়া সংস্কৃতির অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই সম্মানটি এবার বিশ্ব ফুটবলের মঞ্চেও যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফা। সংস্থাটির পক্ষ হতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘোষণাটি দেওয়া হয়েছে।

আগামী রবিবার (১৯ জুলাই) রাতে নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য মহাগুরুত্বপূর্ণ ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচে বিজয়ীর মুকুট যারা পরবেন, তাঁদের হাতেই তুলে দেওয়া হবে এই আকর্ষণীয় স্মারক রিং। ফিফা জানিয়েছে যে, এবারের আসরকে স্মরণীয় রাখতে মোট ২ হাজার ২৬টি সীমিত সংস্করণের রিং তৈরি করা হয়েছে, যার প্রতিটি স্বতন্ত্র সিরিয়াল নম্বরযুক্ত। এর মধ্যে কেবল ৩০টি রিং চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। অবশিষ্ট ১ হাজার ৯৯৬টি রিং বিশ্বের সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিক্রয় করা হবে, যাতে তাঁরা এই ঐতিহাসিক মূহূর্তের অংশীদার হতে পারেন।

রিংয়ের নকশায় থাকবে শৈল্পিক ছোঁয়া; যার এক পাশে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতিকৃতি এবং অন্য পাশে চ্যাম্পিয়ন দলের বিশেষ পরিচয় খোদাই করা থাকবে। প্রতিটি রিং ব্যবহারকারীর আঙ্গুলের মাপ অনুযায়ী কাস্টমাইজ করে তৈরি করা হবে এবং সাথে থাকবে একটি সত্যতা নিশ্চিতকারী সনদ। ফাইনাল শেষ হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে বিজয়ী দলের অধিনায়ক ও প্রধান কোচকে একটি প্রতীকী রিং প্রদান করা হবে এবং পরবর্তীতে বাকি রিংগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে।

উল্লেখ্য যে, এনবিএ বা সুপার বোলের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান ক্রীড়া ইভেন্টগুলোতে চ্যাম্পিয়নশিপ রিং প্রদানের সুদীর্ঘ ঐতিহ্য থাকলেও ফুটবলের বিশ্ব আসরে এটিই প্রথম। ফিফার মতে, এই রিংটি বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবকে খেলোয়াড়দের জন্য আজীবন এক অস্পৃশ্য স্মারক হিসেবে ধরে রাখবে। এই নতুন সংযোজন বিশ্বকাপ ফুটবলকে আরও বেশি মহিমান্বিত করবে বলে ফুটবল বোদ্ধারা মনে করছেন।


নির্বাচিত

বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারির বাঁশি স্লোভেনিয়ার স্লাভকো ভিনচিচের হাতে

স্লাভকো ভিনচিচ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী মহারণের মহাগুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন স্লোভেনিয়ার অভিজ্ঞ রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। আগামী রোববার নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার হাইভোল্টেজ ফাইনাল ম্যাচটি পরিচালনা করবেন ৪৬ বছর বয়সী এই রেফারি। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে চূড়ান্ত এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। মাঠের লড়াইয়ে প্রধান রেফারি ভিনচিচকে সহায়তা করবেন তাঁরই স্বদেশি দুই সহকারী তোমাজ ক্লানচনিক ও আন্দ্রাজ কোভাচিচ। এছাড়া চতুর্থ রেফারির ভূমিকায় থাকবেন জর্ডানের আধহাম মাখাদমেহ এবং রিজার্ভ সহকারী রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কাতারের মোহাম্মদ আলকালাফ।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রেফারিংয়ে ভিনচিচের অভিজ্ঞতা বেশ দীর্ঘ। ২০১০ সালে ফিফার তালিকাভুক্ত রেফারি হওয়ার পর থেকে প্রায় ১৫ বছর ধরে তিনি ইউরোপীয় ও আন্তর্জাতিক ফুটবলের বড় বড় আসরে সফলতার সাথে বাঁশি বাজাচ্ছেন। ক্লাব ফুটবলেও তাঁর সাফল্যের ঝুলি বেশ সমৃদ্ধ, যার অন্যতম উদাহরণ ২০২৪ সালে রিয়াল মাদ্রিদ ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের মধ্যকার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল ম্যাচটি পরিচালনা করা। ফিফা বিশ্বকাপে তাঁর পথচলা শুরু হয়েছিল ২০২২ সালে কাতার আসর দিয়ে। এবারের আসরে ইতিমধ্যে তিনি তিনটি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে গ্রুপ পর্বের ব্রাজিল-মরক্কো ও জর্ডান-আলজেরিয়া এবং শেষ বত্রিশের মেক্সিকো-ইকুয়েডর ম্যাচ। আর্জেন্টিনা বনাম স্পেনের মধ্যকার ফাইনালটি হতে যাচ্ছে ভিনচিচের ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ম্যাচ এবং চলমান আসরের চতুর্থ ম্যাচ।

লিওনেল মেসির নেতৃত্বাধীন আর্জেন্টিনার ম্যাচে ভিনচিচ এখন পর্যন্ত মাত্র একবারই দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে সৌদি আরবের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ২-১ গোলে পরাজিত হয়ে ৩৬ ম্যাচের অপরাজিত থাকার গৌরব হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। রয়টার্স-এর তথ্য অনুযায়ী, সেই ম্যাচের সপ্তম মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে ফাউল করার প্রেক্ষিতে পেনাল্টির নির্দেশ দিয়েছিলেন ভিনচিচ, যা থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়েছিলেন মেসি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সেই খেলায় সৌদি আরবের ছয়জন খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখালেও আর্জেন্টিনার কোনো খেলোয়াড়কে কার্ড দেখাননি তিনি।

স্পেনের ফুটবলের সাথে ভিনচিচের পরিচয় দীর্ঘদিনের এবং বেশ ইতিবাচক। ২০১৭ সালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে এক প্রীতি ম্যাচ পরিচালনার মাধ্যমে স্প্যানিশ ফুটবলে তাঁর যাত্রা শুরু। এরপর ২০২০ ইউরোয় স্পেন-সুইডেন লড়াই এবং ২০২৩ উয়েফা নেশনস লিগের সেমিফাইনালে স্পেন-ইতালি ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতাও তাঁর রয়েছে। স্পেনের তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামালের ক্যারিয়ারের দুটি স্মরণীয় ম্যাচেও রেফারির ভূমিকায় ছিলেন তিনি। ২০২৪ ইউরোতে ইতালির বিপক্ষে জয় এবং ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ইয়ামালের সেই অভাবনীয় দূরপাল্লার গোলের রাতেও বাঁশি ছিল ভিনচিচের হাতে। এএফপি-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পেনের গুরুত্বপূর্ণ জয়গুলোতে ভিনচিচের ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা দলটির জন্য পরিচিত এক আবহাওয়া তৈরি করবে। সব মিলিয়ে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এক রোমাঞ্চকর ফাইনালের অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।


নির্বাচিত

ব্যাটিং বিপর্যয়ে জিম্বাবুয়ের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেও হারল বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আইসিসির র‍্যাঙ্কিংয়ে তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুর্দান্ত আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও, এবারের সফরে চরম ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে আছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সফরের শুরু থেকেই টানা ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে হালে পানি পাচ্ছে না টাইগাররা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেও স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের কাছে ৩২ রানের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। বুধবার বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টাইগার ব্যাটারদের ছন্নছাড়া ব্যাটিং ও চরম দায়িত্বহীনতার কারণেই মূলত এই হতাশার হারের স্বাদ পেতে হয়েছে সফরকারীদের।

জিম্বাবুয়ে সফরের শুরুটা মোটেও সুখকর হয়নি বাংলাদেশের জন্য। একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হারের পর টানা দুই ওয়ানডে হেরে সিরিজ হাতছাড়া করে তারা; যদিও শেষ ওয়ানডেতে জিতে কোনোমতে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে সক্ষম হয়। এই হতাশা পেছনে ফেলে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে বুধবার মাঠে নামে বাংলাদেশ। ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক এবং স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠান। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে জিম্বাবুয়ে ১৭০ রানের একটি চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে তোলে, যেখানে বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করে একাই ৪টি উইকেট শিকার করেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা।

জয়ের জন্য ১২০ বলে ১৭১ রানের কঠিন লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। দলের স্বীকৃত ও অভিজ্ঞ ব্যাটাররা কেউই চাপের মুখে নিজেদের দায়িত্বশীলতার প্রমাণ দিতে পারেননি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ধীরে ধীরে ছিটকে যেতে থাকে টাইগাররা। একের পর এক ব্যাটারের আসা-যাওয়ার মিছিলে ১৯ ওভারে মাত্র ১৩৮ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের মতো একটি তুলনামূলক খর্বশক্তির দলের বিপক্ষে এমন অসহায় আত্মসমর্পণ ও ব্যাটিং ব্যর্থতা গোটা দলের আত্মবিশ্বাস এবং পরিকল্পনাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে।

দলের এই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝেও ব্যাট হাতে একাই লড়াই চালিয়ে যান ইয়াসির আলী। তিনি ৩৮ বল মোকাবিলা করে দুটি চার ও তিনটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কার সাহায্যে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৪ রানের একটি লড়াকু ইনিংস খেলেন। এছাড়া শেখ মেহেদী হাসান ১৯ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায় তা দলের জয়ে কোনো ভূমিকাই রাখতে পারেনি। অন্যদিকে, জিম্বাবুয়ের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত ও আগ্রাসী বোলিংয়ের সামনে রীতিমতো দিশেহারা ছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। স্বাগতিকদের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করে ব্লেসিং মুজারাবানি এবং রিচার্ড নাগারাভা উভয়েই ৪টি করে উইকেট শিকার করে বাংলাদেশের পরাজয় নিশ্চিত করেন এবং দলকে দারুণ এক জয় এনে দেন।


নির্বাচিত

সভাপতি হিসেবে আইসিসির স্বীকৃতি পেলেন তামিম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদকে আনুষ্ঠানিক বৈধতা দিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির ফলে আইসিসির বোর্ড সদস্য হিসেবে চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছেন বিসিবির নবনির্বাচিত সভাপতি তামিম ইকবাল। সম্প্রতি স্কটল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসির বার্ষিক সাধারণ সভা শেষ হওয়ার পর গত বুধবার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আইসিসির পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বিসিবির শীর্ষ পদে তামিমের অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আনুষ্ঠানিকভাবে সুসংহত হলো।

স্কটল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসির এই গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক সাধারণ সভায় তামিম ইকবাল নিজেই সশরীরে অংশগ্রহণ করেন। বিসিবি সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর এটিই ছিল আইসিসির কোনো সভায় তার প্রথম আনুষ্ঠানিক যোগদান। সভা শেষে প্রকাশিত আইসিসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ‘আইসিসি সদস্যপদ সংক্রান্ত বিষয়’ অংশে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে নিয়ে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নবনির্বাচিত সভাপতিকে সদস্যদের পূর্ণ সদস্য পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টিকে আইসিসি বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে।

এর আগে গত ৭ জুন অনুষ্ঠিত বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হন জাতীয় দলের সাবেক এই তারকা ক্রিকেটার। এরপর একই দিনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বোর্ডের সভাপতি পদেও নির্বাচিত হন তামিম ইকবাল। তবে আইসিসির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাওয়া নিয়ে কিছুটা জটিলতা থাকায়, আইসিসি বোর্ডে এতদিন পর্যন্ত বিসিবির প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজাম উদ্দিন চৌধুরী। এবার তামিম ইকবালের এই স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের সেই আইনি ও কাঠামোগত জটিলতার পুরোপুরি অবসান ঘটল।

বিসিবির সদস্যপদ ও স্বীকৃতির পাশাপাশি আইসিসির ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে চলমান সংকটের মাঝে যত দ্রুত সম্ভব একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তার ওপর পুনরায় জোরারোপ করেছে আইসিসি। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, একটি বৈধ বোর্ড নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত আইসিসির কোনো বোর্ড সভায় শ্রীলঙ্কা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিনিধিত্ব করার কোনো সুযোগ পাবে না।


নির্বাচিত

তিন সেঞ্চুরি ও ৫১ ছক্কার টি-টোয়েন্টি: ২৬৬ রান তাড়া করে ওয়াশিংটন ফ্রিডমের বিশ্বরেকর্ড

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

মেজর লিগ ক্রিকেটের (এমএলসি) প্রথম এলিমিনেটর ম্যাচে টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রান তাড়ার বিশ্বরেকর্ড গড়েছে ওয়াশিংটন ফ্রিডম। ওকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত রান বন্যার এই ম্যাচে এমআই নিউইয়র্কের দেওয়া ২৬৬ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে ২৭০ রান তুলে অবিশ্বাস্য এক জয় ছিনিয়ে নেয় দলটি। অবিশ্বাস্য এই জয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে টিকে থাকার পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে ওয়াশিংটন, যা এবারের আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে পাঞ্জাব কিংসের ২৬৪ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডকে ভেঙে দিয়েছে। চরম উত্তেজনার এই ম্যাচে দুই দল মিলিয়ে মোট ৫১টি ছক্কা হাঁকিয়েছে, যা টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ছক্কার নতুন বিশ্বরেকর্ড।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এমআই নিউইয়র্ক নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৬৬ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায়, যা মেজর লিগ ক্রিকেটের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ইনিংসের শুরুতেই ওপেনার মোনাঙ্ক প্যাটেলকে হারালেও দ্বিতীয় উইকেটে ৪২ বলে ১১৮ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেন কুইন্টন ডি কক ও নিকোলাস পুরান। ডি কক ২৪ বলে ৫১ রান করে আউট হলেও পুরান রীতিমতো তাণ্ডব চালান। মাত্র ১৪ বলে ফিফটি এবং ৩১ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে এমএলসির ইতিহাসে দ্রুততম শতরানের রেকর্ড গড়েন তিনি; শেষ পর্যন্ত ১৩টি ছক্কায় ৩৩ বলে ১০৬ রান করে আউট হন। এরপর কাইরন পোলার্ডের ১৭ বলে ফিফটির সাহায্যে ২৫ বলে খেলা ৬৪ রানের ইনিংস এবং শেষ দিকে ট্রেন্ট বোল্টের ১০ বলে ২২ রানের সুবাদে নিউইয়র্ক বড় পুঁজি পায়। এই রানের জোয়ারের মধ্যেও ওয়াশিংটনের অষ্টম বোলার হিসেবে আক্রমণে এসে ৪ ওভারে মাত্র ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন রাচিন রাভিন্দ্রা।

পাহাড়সম এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় ওয়াশিংটন ফ্রিডম। প্রথম ও দ্বিতীয় ওভারেই বল হাতে তোপ দাগেন নিউইয়র্কের বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। প্রথম ওভারে মিচেল ওয়েন এবং পরের ওভারে রাচিন রাভিন্দ্রাকে বোল্ড করে ওয়াশিংটনকে মাত্র ১০ রানেই ২ উইকেটের মারাত্মক বিপর্যয়ে ফেলে দেন তিনি। এই ম্যাচে ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন সাকিব। তবে শুরুর এই বিপর্যয়ের পরই ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি পাল্টে যায়। খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলে পাল্টা আক্রমণের এক চোখধাঁধানো প্রদর্শনী শুরু করেন স্টিভেন স্মিথ এবং আন্দ্রিয়েস হাউস। সাকিবের ওভারেই ছক্কা মেরে নিজেদের আগ্রাসী মনোভাবের জানান দেন স্মিথ এবং এরপর পুরো মাঠজুড়ে চার-ছক্কার প্লাবন বইয়ে দেন এই যুগল।

তৃতীয় উইকেটে স্মিথ ও হাউস মিলে ৮৯ বলে ২৪১ রানের এক ঐতিহাসিক ও রেকর্ডগড়া জুটি গড়েন, যা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যেকোনো উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং তৃতীয় উইকেটে বিশ্বরেকর্ড। হাউস মাত্র ১১ বলের ব্যবধানে ফিফটি থেকে সেঞ্চুরিতে পৌঁছে ৫১ বলে ১২টি ছক্কা ও ১০টি চারের সাহায্যে ১৩২ রানের এক ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেন, যা এমএলসিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যাটসম্যানের প্রথম সেঞ্চুরি। অন্যদিকে ঠিক ৪০ বলে নিজের দ্রুততম সেঞ্চুরি পূরণ করে ৯টি ছক্কায় ৪৮ বলে ১১০ রানে অপরাজিত থাকেন অজি তারকা স্মিথ। এক পর্যায়ে ১২ ওভার শেষে রান যখন ১৪৪, তখন পরবর্তী তিন ওভারেই ৮১ রান তুলে সমীকরণ একেবারেই নাগালে নিয়ে আসেন তারা। শেষ পর্যন্ত গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ছক্কায় ৪ উইকেটে ২৭০ রান তুলে এক দাপুটে ও অবিস্মরণীয় জয় নিশ্চিত করে ওয়াশিংটন ফ্রিডম।


নির্বাচিত

ফুয়েন্তের ছোঁয়ায় স্বপ্নের পথে স্পেন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

স্পেনের ২০২৬ বিশ্বকাপ অভিযান নিয়ে আলোচনা হলেই সাধারণত লামিনে ইয়ামাল, রদ্রি কিংবা পাঁচ গোল করা মিকেল ওইয়ারসাবালের মতো তারকাদের নাম সবার আগে উঠে আসে। ফুটবল মাঠে খেলোয়াড়দের জাদুকরী পায়ের কাজ বা মুগ্ধকর রক্ষণভাগ সবার নজর কাড়লেও, এই অপ্রতিরোধ্য স্পেনের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গাটি হলো ডাগআউটে থাকা এক নেপথ্যের কারিগর। ক্যামেরার আলো থেকে সাধারণত আড়ালেই থেকে যান এই রূপকার, যার নাম লুইস দে লা ফুয়েন্তে। দলের অনেক খেলোয়াড়ের কৈশোর নিজের চোখে দেখা এই স্প্যানিশ কোচের নিখুঁত কৌশল ও সাহসী দিকনির্দেশনার ওপর ভর করেই ১৬ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিশ্বজয়ের স্বপ্ন বুনছে স্পেন। আগামী ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে মেগা ফাইনালে শক্তিশালী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে তার অপ্রতিরোধ্য দলটি।

চলতি বিশ্বকাপে স্পেনের সবচেয়ে বড় সাফল্য শুধু ম্যাচ জেতাই নয়, বরং পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেদের খেলার ধরনে আমূল পরিবর্তন আনতে পারা। এর আগে ইউরো জয়ের সময় দলটি দুই উইঙ্গারের গতির ওপর ভর করে দ্রুত আক্রমণে উঠত, কিন্তু বিশ্বকাপে এসে ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা ইয়ামাল কিছুটা ধার হারালে কোচ ফুয়েন্তে পুরো দর্শনই বদলে ফেলেন। বর্তমান স্পেন দলটি বল দখলে রেখে চরম ধৈর্যের সঙ্গে সুযোগের অপেক্ষায় থাকে এবং বল হারালে মুহূর্তের মধ্যেই জমাট রক্ষণে ফিরে যায়। এছাড়া রদ্রিকে সেরা ছন্দে ফেরানো, দানি অলমোকে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া এবং মিকেল মেরিনোর সঠিক ব্যবহার—কোচের নেওয়া এমন প্রতিটি সাহসী সিদ্ধান্তই স্পেনের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দেখা দিয়েছে। হাই ইনটেনসিটি আর এমন নিখুঁত কৌশলের কারণে এই স্পেনকে ভাঙা প্রতিপক্ষের জন্য কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার পথে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফ্রান্স প্রতিপক্ষের জালে ১৬ বার বল জড়িয়েছিল এবং তাদের আক্রমণভাগকে মনে হচ্ছিল রীতিমতো অপ্রতিরোধ্য। কিন্তু ডালাসে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে স্পেন ২-০ গোলের দাপুটে জয়ে প্রমাণ করে দেয় যে, সঠিক কৌশল ও পরিকল্পনা থাকলে যেকোনো আক্রমণই থামানো সম্ভব। এই জয়ের মধ্য দিয়ে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার এক অনন্য ইতিহাস গড়েছে স্প্যানিশরা। এমন অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে থাকা ঘাম ঝরানো পরিশ্রমের গল্প বলতে গিয়ে ফুয়েন্তে জানান, এটি কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়, বরং এর পেছনে লুকিয়ে আছে প্রতিভার বিকাশ, কঠোর পরিশ্রম, আত্মত্যাগ এবং প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার অদম্য মানসিকতা, যা কখনোই বিনা মূল্যে আসে না।

নিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ কে হবে, তা নিয়ে কোচের মধ্যে আগে থেকেই কোনো বাড়তি চাপ বা হিসাব-নিকাশ ছিল না। শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, যাদের কোচ লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে ফুয়েন্তের দারুণ ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব রয়েছে। প্রতিপক্ষ প্রসঙ্গে স্প্যানিশ কোচ আগেই জানিয়েছিলেন যে আর্জেন্টিনা বা ইংল্যান্ড—যেই আসুক না কেন, দুই হাত খুলে তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত তার দল। ফুটবলে সাধারণত গোলদাতা ও বড় তারকারাই খবরের শিরোনাম হন, কিন্তু একটি দলকে চ্যাম্পিয়ন করার পেছনে কোচের যে সীমাহীন পরিশ্রম ও ত্যাগ থাকে, তা স্পেনের এই যাত্রায় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা, ফুয়েন্তের এই জাদুকরী ছোঁয়ায় দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপ ট্রফি স্পেনের ঘরে যায় কি না, তা দেখার জন্য মুখিয়ে আছে গোটা বিশ্ব।


নির্বাচিত

বিশ্বকাপ জিতলে কত টাকা পাবে চ্যাম্পিয়ন দল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপের মেগা ফাইনালে বিশ্বজয়ের সোনালী শিরোপা উঁচিয়ে ধরার গৌরবের পাশাপাশি এবার চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য অপেক্ষা করছে ইতিহাস গড়া রেকর্ড অঙ্কের অর্থ পুরস্কার। আগামী ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্ব সেরার চূড়ান্ত লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবং ইউরোপের পরাশক্তি স্পেন। ফাইনালের এই মহারণে যে দল শেষ হাসি হাসবে এবং শিরোপা নিজেদের করে নেবে, তারা ফিফার পক্ষ থেকে পুরস্কার হিসেবে পাবে নগদ ৫ কোটি মার্কিন ডলার। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী বাংলাদেশি মুদ্রায় এই বিশাল অর্থ পুরস্কারের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৬১০ কোটি টাকা, যা ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে যেকোনো চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য সর্বোচ্চ প্রাপ্তি।

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দুই দলই মাঠের পারফরম্যান্সে দুর্দান্ত আধিপত্য দেখিয়েছে। সেমিফাইনালের হাইভোল্টেজ ম্যাচে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-০ গোলের ব্যবধানে অনায়াসে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনাল নিশ্চিত করেছিল স্পেন। অন্যদিকে, আটলান্টায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এক অবিশ্বাস্য ও নাটকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। শেষ মুহূর্তের জাদুতে এনসো ফের্নান্দেস ও লাউতারো মার্তিনেসের ব্যাক-টু-ব্যাক গোল করে ২-১ ব্যবধানের জয় ছিনিয়ে নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পা রাখে আলবিসেলেস্তেরা।

চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর জন্য প্রাইজমানির দিক থেকে ফিফা এবার নজিরবিহীন উদারতা দেখিয়েছে। এবারের আসরে মোট ৭২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের রেকর্ড পরিমাণ অর্থ পুরস্কার দিচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এই বিপুল প্রাইজমানি ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি, যেখানে কাতার বিশ্বকাপের মোট প্রাইজমানি বাজেট ছিল ৪৪ কোটি মার্কিন ডলার। ফিফার এই ঐতিহাসিক বাজেট বৃদ্ধির ফলে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দলগুলোর মাঝে এক ধরনের বাড়তি অনুপ্রেরণা ও তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ করা গেছে, যার চূড়ান্ত প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে মাঠের খেলায়।

অর্থের এই বিশাল ঝনঝনানি কেবল চ্যাম্পিয়ন দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং রানার্সআপসহ শীর্ষ চার দলের প্রত্যেকেই পাচ্ছে মোটা অঙ্কের অর্থ। ফাইনালে হেরে যাওয়া রানার্সআপ দলের সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে রাখা হয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। এছাড়া তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জয়ী দল ঘরে তুলবে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার এবং চতুর্থ স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এমনকি এই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই প্রাইজমানির অংশীদার হয়েছে; শুধুমাত্র মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার কারণে প্রতিটি দেশ নিশ্চিতভাবে পেয়েছে ৯০ লাখ ডলার এবং এর বাইরে দলগুলোর প্রস্তুতি ও আনুষঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের জন্য ফিফা অতিরিক্ত আরও ২০ লাখ ডলার করে বরাদ্দ দিয়েছে।


নির্বাচিত

আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে পিটিশনে ৯৮ লাখ স্বাক্ষর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

চলমান বিশ্বকাপে ম্যাচ অফিশিয়াল ও রেফারির মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে অন্যায্য সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের টুর্নামেন্ট থেকে বহিষ্কারের দাবি উঠেছে। এই দাবিতে খোলা একটি অনলাইন পিটিশনে ইতিমধ্যে ৯৮ লাখের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। 'আর্জেন্টিনা আউট ডটকম' (argentinaout.com) নামক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই পিটিশনটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক তোলপাড় ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

পিটিশনে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ফিফা এবং ম্যাচ পরিচালনাকারীরা টুর্নামেন্টজুড়ে আর্জেন্টিনা ও তাদের অধিনায়ক লিওনেল মেসির প্রতি স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব প্রদর্শন করছেন। সেখানে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় প্রশ্ন তোলা হয়েছে, ‘বিজয়ী যদি আগেই নির্ধারিত থাকে, তাহলে অন্য দলগুলো কেন প্রতিযোগিতা করবে? আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কার করে সবাইকে সমান সুযোগ দিন।’ মূলত শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচটিকে কেন্দ্র করেই এই চরম অসন্তোষের সূত্রপাত হয়েছে। ওই ম্যাচে ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকার পর শেষ মুহূর্তের ঝড়ে ৩-২ ব্যবধানে জয় পায় আর্জেন্টিনা।

তবে ম্যাচ শেষে ক্ষোভে ফেটে পড়ে মিশরীয় শিবির। তাদের দাবি অনুযায়ী, ভিএআর-এর মাধ্যমে মিশরের একটি বৈধ গোল বাতিল করা হলেও আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের ঠিক আগে তাদের তারকা ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহর ওপর হওয়া ফাউলটি ভিএআর-এ পর্যালোচনা করা হয়নি। মিশরের দাবি, আর্জেন্টিনার সেই গোলটি বাতিল করে উল্টো তাদেরকেই পেনাল্টি দেওয়া উচিত ছিল। এ প্রসঙ্গে মিশরের কোচ হোসাম হাসান সরাসরি ফিফাকে অভিযুক্ত করে বলেন, ‘আমি পরিণতির কথা না ভেবেই বলছি—এটি সাজানো ম্যাচ। যদি আর্জেন্টিনাকেই জেতাতে হয়, তাহলে অন্য দলগুলো কেন বিশ্বকাপে আনার দরকার কী? ফিফা শুধু মেসিকে টুর্নামেন্টে রাখতে চায়। তারা 'ফেয়ার প্লে'র কথা বলে, কিন্তু আমরা মাঠে তার কোনো প্রমাণ দেখিনি।‘

অন্যদিকে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি এসব অভিযোগকে পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁর মতে, আধুনিক প্রযুক্তির যুগে পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই এবং এসব সমালোচনা স্রেফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রটনা ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি যুক্তি দেন যে, বর্তমান ফুটবলে ভিএআর প্রযুক্তির উপস্থিতিতে কোনো নির্দিষ্ট দলকে ইচ্ছাকৃতভাবে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া কার্যত অসম্ভব। ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে স্কালোনি আরও মন্তব্য করেন যে, ১৯৮৬ সালেও যখন আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, তখনও এমন অভিযোগ উঠেছিল; তাই বর্তমান পরিস্থিতি তাঁদের জন্য নতুন কিছু নয়।


নির্বাচিত

তীব্র অর্থসংকটে রোনালদোর ক্লাব, আটকে গেছে বেতন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

মাঠে ও মাঠের বাইরে সময়টা এখন মোটেও ভালো যাচ্ছে না পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে স্পেনের কাছে হেরে পর্তুগালের বিদায়ের পর তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে এটিই ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। জাতীয় দলের এই বড় হতাশার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তাঁর বর্তমান ক্লাব সৌদি আরবের অন্যতম শীর্ষ দল আল নাসরকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন অস্থিরতা। সম্প্রতি তীব্র এক আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে এই সৌদি জায়ান্ট ক্লাবটি। তারল্য সংকটের কারণে ক্লাবের প্রথম সারির খেলোয়াড়দের জুন মাসের পুরো বেতন পর্যন্ত পরিশোধ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে নতুন মৌসুমের আগে দলে নতুন খেলোয়াড় ভেড়ানোর সব ধরনের কার্যক্রমও আপাতত স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছে আল নাসর।

সৌদি আরবের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম আল-রিয়াদিয়াহ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আকস্মিক নগদ অর্থের সংকট ক্লাবের দৈনন্দিন স্বাভাবিক কার্যক্রমেও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। মূল দলের বেশ কয়েকজন তারকা খেলোয়াড় তাঁদের জুন মাসের বেতনের মাত্র আংশিক অর্থ হাতে পেয়েছেন এবং বাকি বকেয়া দ্রুত পরিশোধের জন্য ক্লাব কর্তৃপক্ষের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আল নাসরে যোগ দেওয়া ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বর্তমানে পেশাদার ফুটবলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন, যা বছরে প্রায় ২১ কোটি ডলারের বেশি। রোনালদোকে দলে ভেড়ানোর পর থেকে আল নাসর বিভিন্ন বিশ্বমানের খেলোয়াড় ক্রয় এবং ক্লাবের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিপুল অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করেছিল। তবে এত বড় বড় বিনিয়োগের পরও হঠাৎ করে কেন এই তারল্য সংকটের সৃষ্টি হলো, তার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক সংকটের সবচেয়ে বড় ও সরাসরি প্রভাব পড়েছে ক্লাবের আসন্ন দলবদল কার্যক্রমে। নতুন মৌসুমকে সামনে রেখে খেলোয়াড় কেনাবেচার সব ধরনের আলোচনা ও চুক্তি আপাতত পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে দল ছেড়ে চলে গেছেন ক্লাবের ক্রোয়েশিয়ান অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার মার্সেলো ব্রোজোভিচ। তাঁর এই বিদায়ে দলের মাঝমাঠে যে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে, অর্থাভাবের কারণে বিকল্প কোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে আলোচনা বা চুক্তির প্রক্রিয়া সামনের দিকে এগোতে পারছে না ক্লাবটি। ফলে নতুন মৌসুম শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে শক্তিশালী একটি দল গঠন করা আল নাসরের জন্য রীতিমতো অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সার্বিক এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে চলতি মৌসুমে আল নাসরের দায়িত্ব নেওয়া নতুন কোচ অ্যাঞ্জ পোস্তেকোগলু শুরুতেই এক কঠিন ও অনাকাঙ্ক্ষিত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। আগামী মৌসুমে আল নাসরকে সৌদি প্রো লিগ, কিংস কাপ, সৌদি সুপার কাপ এবং এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ এলিটসহ মোট চারটি গুরুত্বপূর্ণ ও বড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হবে। এমন ব্যস্ত ও কঠিন সূচির সামনে দাঁড়িয়ে দ্রুত আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জন করতে না পারলে এবং দলে প্রয়োজনীয় নতুন খেলোয়াড় যুক্ত করতে ব্যর্থ হলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে ঘাটতি নিয়েই মাঠে নামতে হবে দলকে। সব মিলিয়ে সৌদি চ্যাম্পিয়নদের নতুন মৌসুমের প্রস্তুতি এখন এক চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে নিপতিত হয়েছে।


নির্বাচিত

লাল কার্ডে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের কারণেই হেরেছে যুক্তরাষ্ট্র!

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর আসরে বেলজিয়ামের কাছে ৪-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্টের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে অন্যতম আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। তবে মাঠের এই হতাশার চেয়েও বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ঘিরে সৃষ্ট নজিরবিহীন বিতর্ক। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হস্তক্ষেপে ফিফা এই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করলেও, তা দলের জন্য কোনো ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারেনি। বরং মাঠের বাইরের এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক ও চাপ খোদ যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড়দের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল বলে এবার অকপটে স্বীকার করেছেন স্বয়ং বালোগান।

ঘটনার সূত্রপাত হয় বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের জয়ের ম্যাচে। ওই ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে বসনিয়ান ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচকে বাজেভাবে ট্যাকল করার অপরাধে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন ফোলারিন বালোগান। ফুটবলের প্রচলিত ও কঠোর নিয়ম অনুযায়ী, সরাসরি লাল কার্ড দেখার কারণে পরের ম্যাচে তার জন্য এক ম্যাচের স্বয়ংক্রিয় নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হওয়ার কথা ছিল এবং সে অনুযায়ী বেলজিয়ামের বিপক্ষে তার খেলার কোনো সুযোগই ছিল না। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভাবনীয় হস্তক্ষেপে ফিফা তাদের ডিসিপ্লিনারি কোডের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বালোগানের সেই নিষেধাজ্ঞা এক বছরের জন্য স্থগিত করে, যা পুরো ফুটবল বিশ্বেই ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

সম্প্রতি ‘সিবিএস মর্নিংস’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে পুরো বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন বালোগান। তিনি জানান, ফিফার এই সিদ্ধান্তের পর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় দলে ফিরতে পারার খবরে তিনি উচ্ছ্বসিত হলেও, পরে গভীরভাবে ভেবে বুঝতে পারেন যে এটি কত বড় বিতর্কের জন্ম দিতে যাচ্ছে। দলের ভেতরের বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, লাল কার্ড দেখার পর নিয়ম অনুযায়ী দল তাকে ছাড়াই অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছিল এবং তিনি কেবল দলের মনোবল ধরে রাখার জন্য সতীর্থদের পাশে ছিলেন। হঠাৎ করে নিয়ম বদলে তার দলে অন্তর্ভুক্তি খেলোয়াড়দের কৌশলগত ও মানসিক প্রস্তুতিতে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটায়।

“আমি আমার সতীর্থদের মধ্যেও কিছুটা স্নায়ুচাপ দেখতে পাচ্ছিলাম। কারণ এমন ঘটনা খুবই ব্যতিক্রমী,” সিবিএস মর্নিংস-এ এভাবেই দলের ভেতরের চিত্র তুলে ধরেন বালোগান।

তিনি আরও জানান, ম্যাচ যত ঘনিয়ে আসছিল, তিনি ততটাই খেলায় মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন; কিন্তু বাইরের এত আলোচনা ও প্রবল চাপ পুরোপুরি এড়িয়ে চলা তাদের জন্য একপ্রকার অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে ফিফার নিয়ম বদলে বালোগানকে দলে ফিরিয়েও কোনো লাভ হয়নি। মাঠের লড়াইয়ে বেলজিয়াম বা 'রেড ডেভিলস'-এর সামনে পাত্তাই পায়নি যুক্তরাষ্ট্র। মাঠের বাইরের এই প্রবল বিতর্ককে সঙ্গী করে শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের এক তিক্ত ও বিধ্বস্ত হওয়ার স্মৃতি নিয়েই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে স্বাগতিকদের।


নির্বাচিত

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় বদলে গেল রেলস্টেশনের নাম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা কেবল আর মাঠের সবুজ গালিচাতেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে মাঠের বাইরেও। ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে ইংলিশ সমর্থকদের মাঝে বিরাজমান এই তীব্র উন্মাদনার অভিনব বহিঃপ্রকাশ হিসেবে এবার খোদ একটি রেলস্টেশনের নামই সাময়িকভাবে বদলে ফেলা হয়েছে। ইংল্যান্ডের চেশায়ারে অবস্থিত ‘হোমস চ্যাপেল’ রেলস্টেশনের সাইনবোর্ডে এখন মূল নামের পরিবর্তে জ্বলজ্বল করছে—‘ইটস কামিং হোমস চ্যাপেল’। ইংল্যান্ড ফুটবল দলের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আবেগের স্লোগান ‘ইটস কামিং হোম’-এর সঙ্গে দারুণভাবে মিল রেখে সাময়িকভাবে স্টেশনের এই চমকপ্রদ নামকরণ করা হয়েছে বলে দেশটির রেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান নর্দার্ন রেল আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।

লাতিন পরাশক্তি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের মহাগুরুত্বপূর্ণ বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল মাঠে গড়ানোর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে নর্দার্ন রেলের পক্ষ থেকে এই বিশেষ ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়। এই হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচের চূড়ান্ত ফলই নির্ধারণ করে দেবে, ফুটবল বিশ্বকাপের চলমান আসরের শিরোপা নির্ধারণী মেগা ফাইনালে ইংল্যান্ড জায়গা করে নিতে পারবে কি না। দীর্ঘ ৬০ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার অপেক্ষায় থাকা ইংলিশ সমর্থকদের স্বপ্ন ও আবেগকে আরও কিছুটা উসকে দিতেই মূলত রেল কর্তৃপক্ষের এই অভিনব আয়োজন, যা ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষ ও ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

স্টেশনের নাম পরিবর্তনের এই অভিনব উদ্যোগ প্রসঙ্গে নর্দার্ন রেলের বাণিজ্যিক পরিচালক অ্যালেক্স হর্নবি গণমাধ্যমের কাছে তাদের মূল উদ্দেশ্য তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, তারা মূলত চেয়েছিলেন ফুটবলপ্রেমী যাত্রীরা যখন খেলা দেখতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ট্রেনে যাত্রা করবেন, তখন যেন তারা পথে এমন কিছু দেখতে পান যা তাদের মুখে আনন্দের হাসি এনে দেয়। জাতীয় দলের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি নিজ দেশের খেলোয়াড়দের উৎসাহ দিয়ে আরও বলেন, ‘চলো ইংল্যান্ড। ইটস কামিং হোমস চ্যাপেল।’ মূলত দেশের সাধারণ নাগরিক ও ফুটবল সমর্থকদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতেই বাণিজ্যিক এই প্রতিষ্ঠানটি এমন সময়োপযোগী উদ্যোগ নিয়েছে।

‘ইটস কামিং হোম’ মূলত ইংল্যান্ডের ফুটবল সংস্কৃতির অত্যন্ত সুপরিচিত ও আবেগময় একটি স্লোগান, যা ইংলিশ সমর্থকদের হৃদয়ের খুব কাছের। ১৯৯৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ উপলক্ষে প্রথমবার এই গান বা স্লোগানটি তৈরি করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে তখন বোঝানো হয়েছিল যে দীর্ঘ অপেক্ষার পর ইংল্যান্ডে আবার বড় কোনো আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্ট ফিরে এসেছে। তবে রেলওয়ে স্টেশনটির এই নাম পরিবর্তন সম্পূর্ণ সাময়িক একটি বিষয়। নর্দার্ন রেলের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, চলমান বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড দলের অভিযান শেষ হওয়ার পরপরই স্টেশনের নতুন সাইনবোর্ডটি সরিয়ে আবারও তার আগের মূল রূপে ফিরিয়ে আনা হবে।


নির্বাচিত

বিশ্বকাপের ফাইনালে পারফর্ম করবেন ইউটিউবার আইশোস্পিড

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের মেগা ফাইনালকে আরও আকর্ষণীয় ও বর্ণাঢ্য করে তুলতে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এক বিশেষ জমকালো আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে। নিউইয়র্ক-নিউ জার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই মহাগুরুত্বপূর্ণ ফাইনালের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন একঝাঁক বিশ্বখ্যাত তারকা। এই তারকাখচিত তালিকায় অন্যতম বড় চমক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন বর্তমান প্রজন্মের তুমুল জনপ্রিয় ইউটিউবার ও স্ট্রিমার আইশোস্পিড। ফিফার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুযায়ী, বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল ম্যাচটি স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা) শুরু হলেও, এর আগে স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টায় (বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টা) আইশোস্পিডের পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে বর্ণিল এই অনুষ্ঠান শুরু হবে।

ফাইনালের এই জমকালো আয়োজনে আইশোস্পিড ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন বিনোদন জগতের আরও অনেক প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেতা টম ক্রুজ, প্রখ্যাত গায়িকা নিকোল শেরজিঙ্গার এবং ইতালীয় সংগীতশিল্পী লরা পাউসিনির মতো তারকাদের। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এবারের বিশাল এই বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর যাত্রাকে মহাসমারোহে উদ্‌যাপন করতেই মূলত ফিফার এই বিশেষ উদ্যোগ। এছাড়া মেগা ফাইনালের মূল লড়াই শুরুর ঠিক আগে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে স্টেডিয়ামের দর্শকদের মুগ্ধ করবেন তুমুল জনপ্রিয় গায়িকা জেনিফার হাডসন।

বিশ্বকাপের ফাইনালে এবারই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় ঘরোয়া আসর সুপার বোলের আদলে ১১ মিনিটের একটি বিশেষ হাফটাইম শোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা দর্শকদের জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতার জন্ম দেবে। এই হাফটাইম শোতে কানাডিয়ান পপ তারকা জাস্টিন বিবারসহ আরও কয়েকজন বিশ্বখ্যাত শিল্পীর পারফর্ম করার কথা রয়েছে। ফাইনালের টিকিটধারী সৌভাগ্যবান দর্শকেরা মূল ম্যাচ শুরুর প্রায় চার ঘণ্টা আগে থেকেই স্টেডিয়ামে প্রবেশ করার সুযোগ পাবেন এবং দীর্ঘ এই সময়ে তাদের আনন্দ দিতে স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত প্রাক্-ম্যাচ বিনোদনেরও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

মাঠের বাইরে এতসব জমকালো আয়োজনের প্রস্তুতি চললেও, মেটলাইফ স্টেডিয়ামের এই মেগা ফাইনালে শিরোপার লড়াইয়ে কারা মুখোমুখি হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আজ দিবাগত রাতে ফাইনালের প্রথম টিকিট নিশ্চিত করার মহারণে মাঠে নামবে ইউরোপের দুই পরাশক্তি ফ্রান্স ও স্পেন। অন্যদিকে, আগামীকাল দ্বিতীয় সেমিফাইনালে একই রকম এক কঠিন লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে লাতিন পরাশক্তি আর্জেন্টিনা ও শক্তিশালী ইংল্যান্ড। এই দুটি হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচ থেকে জয়ী হয়ে আসা দুটি দলই শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের এই মহোৎসবে একে অপরের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে লড়বে।


নির্বাচিত

৪৩৩৩ দিন পর এজবাস্টনে ওয়ানডেতে হারল ইংল্যান্ড

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

দীর্ঘ ৪৩৩৩ দিন পর এজবাস্টনে ওয়ানডে ফরম্যাটে হারের তিক্ত স্বাদ পেল স্বাগতিক ইংল্যান্ড। ২০১৫ সাল থেকে বার্মিংহামের এই ভেন্যুতে ওয়ানডেতে সম্পূর্ণ অপ্রতিরোধ্য থাকা ইংলিশরা এই মাঠে তাদের শেষ আটটি ম্যাচের মধ্যে প্রথম হারের মুখ দেখল। কাকতালীয়ভাবে, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে এই মাঠে তারা সর্বশেষ যাদের কাছে ওয়ানডে হেরেছিল, এত বছর পর সেই ভারতের বিপক্ষেই ওয়ানডেতে নিজেদের অপরাজেয় যাত্রার সমাপ্তি দেখল তারা। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে স্বাগতিকদের ৬ উইকেটে পরাজিত করে ভারত, যা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে তাদের টানা ষষ্ঠ জয়ের রেকর্ড এবং এটিই দলটির বিপক্ষে ভারতের সর্বোচ্চ টানা জয়ের কীর্তি।

টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ইংল্যান্ডের শুরুটা বেশ আশাব্যঞ্জক হলেও দ্রুতই তারা এক ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। ওপেনার বেন ডাকেট ও জ্যাকব বেথেলের উদ্বোধীন জুটিতে ৬১ রান তোলার পর মাত্র ১৯ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে চরম সংকটে পড়ে স্বাগতিকরা। মাত্র ৮০ রানে ৫ উইকেট হারানো দলটিকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলেন অভিজ্ঞ জো রুট ও লিয়াম ডওসন। এই দুজনের ১২১ রানের দুর্দান্ত জুটিতে ভর করে ইংল্যান্ড ৪৭.৫ ওভারে ২৫৮ রানে অলআউট হতে সক্ষম হয়। লিয়াম ডওসন ৮৩ বলে ৬৮ রান করে আউট হলেও, জো রুট ৭৬ বলে ৬টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৭৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। বল হাতে ভারতের হয়ে অক্ষর প্যাটেল ৯.৫ ওভারে ৬২ রান দিয়ে একাই সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট শিকার করেন।

২৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের শুরুটা খুব একটা মসৃণ ছিল না। ওপেনার শুভমান গিল ইতিবাচক শুরু এনে দিলেও অধিনায়ক রোহিত শর্মা দ্রুতই স্যাম কারানের শিকারে পরিণত হন এবং ঠিক পরের ওভারেই জোফরা আর্চারের বলে সাজঘরে ফেরেন তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলি। এরপর গিল ও শ্রেয়াস আইয়ার দলের হাল ধরেন এবং ১০১ রানের একটি শক্ত জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। ব্যক্তিগত ৮০ রানে শুভমান গিল রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়লে এবং এরপর হ্যারি ব্রুকের দুর্দান্ত থ্রোতে আইয়ার রান আউট ও জশ টাংয়ের বলে লোকেশ রাহুল বোল্ড হলে ম্যাচে ফেরার কিছুটা আভাস দেয় ইংল্যান্ড, যখন ভারতের জয়ের জন্য আরও ৯৯ রানের প্রয়োজন ছিল।

তবে চাপ সামলে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে দারুণ বুদ্ধিমত্তা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন ভারতের দুই স্পিনিং অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দর ও অক্ষর প্যাটেল। আস্কিং রেট সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির মিশেলে এক দারুণ অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তারা। ৩৯ বলে অক্ষর প্যাটেল নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন এবং ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজের ফিফটিও পূর্ণ করেন ওয়াশিংটন সুন্দর। তাদের এই দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ৪৫.২ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে ২৬২ রান তুলে অনায়াসেই জয় নিশ্চিত করে ভারত। এই দুর্দান্ত জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সফরকারীরা, যার পরবর্তী দুটি ম্যাচ যথাক্রমে ১৬ জুলাই কার্ডিফে এবং ১৯ জুলাই লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে।


নির্বাচিত

banner close