সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
৯ আষাঢ় ১৪৩৩

কম্বিনেশনের খোঁজে টাইগাররা

নাজমুল সাগর
প্রকাশিত
নাজমুল সাগর
প্রকাশিত : ২১ মে, ২০২৪ ১৩:১১

দরজায় কড়া নাড়ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের এই ছোট সংস্করণের মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে মার্তিন মুল্লুকে। ক্রিকেটের নতুন এ দেশের কন্ডিশন কিংবা উইকেট সম্পর্কে ধারণা নেই কোনো দেশেরই। তবে টাইগারদের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি রাখতে চায় না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তাই স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিশ্বকাপের ঠিক আগে তিন ম্যাচের দ্বিপক্ষীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের আয়োজন করেছে। যার প্রথমটি মাঠে গড়াবে আজ মঙ্গলবার রাত ৯টায়। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাইরি ভিউ ক্রিকেট কমপ্লেক্স ‘হিউস্টনে’। ম্যাচের চলতি ধারাবিবরণী সরাসরি প্রচার করবে বাংলাদেশ বেতার।

এ ম্যাচে বাংলাদেশের দুঃসংবাদ একটাই; পেসার তাসকিন আহমেদের অনুপস্থিতি। বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগেই জানা গিয়েছিল সাইডস্টেন ইনজুরিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলা হবে ঢাকা এক্সপ্রেসের। তাসকিন মিস করতে পারেন বিশ্বকাপের শুরুর দিকের কয়েকটি ম্যাচও।

বিশ্বকাপের দল ঘোষণা হয়ে গেছে ইতোমধ্যেই; মূল লড়াইয়ে মাঠে নামার আগে টাইগারদের এটাই শেষ প্রস্তুতি সিরিজ। এরপর আছে শুধু দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ। তাই এ সিরিজে বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য হওয়া প্রয়োজন দলের সঠিক কম্বিনেশন খুঁজে বের করা; ১৫ সদস্যের স্কোয়াডের বাইরের কোনো ক্রিকেটারকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে।

পেস আক্রমণে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে বেশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে। বর্তমানে টাইগারদের পেস আক্রমণ যেকোনো দলের জন্যই কিছুটা হলেও চিন্তার কারণ। তাই বাংলাদেশের স্কোয়াড কিংবা বিশ্বকাপের কন্ডিশন; দুইটাই বলছে বাংলাদেশ তিন পেসার নিয়েই মাঠে নামবে। বাংলাদেশ যদি পরীক্ষা-নিরীক্ষায় না যায়, তাহলে তাসকিনের অনুপুস্থিতিতে মোস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম আর তানজিম হাসান সাকিবকে দেখা যাবে একাদশে।

তবে এ ম্যাচে কন্ডিশন বাংলাদেশের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। কারণ ম্যাচটি শুরু হবে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায়। আর সময়ের হিসাব বলছে বাংলাদেশে তখন ঘরির কাটা থাকবে ১০টার ঘরে। সাধারণত এ সময়ে কোনো সিরিজ খেলে না বাংলাদেশ। এটার কথা চিন্তা করেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি রাখা হয়েছিল সকাল ১০টায়।

শক্তির বিচারে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে থাকবে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান নবম। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ১৯তম।

তবে এ ম্যাচটা তানজিম হাসান সাকিবের জন্য হবে নিজেকে প্রমাণের বড় মঞ্চ। নতুন কন্ডিশনে তাসকিনের পরিবর্তে সুযোগ পেলে তিনি কেমন করেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।

কম্বিনেশন খুঁজতে পরিবর্তন আসতে পারে ব্যাটিং অর্ডারেও। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে ব্যাটিংয়ে প্রিয় তিন নম্বর পজিশনটা ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে সাকিব আল হাসানকে। এক ধাপ করে নিচে নেমে যেতে হবে সবাইকে।

এককথায় সারাংশ টানলে বলা যায়, রেজাল্ট কিংবা বড় কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সঠিক কম্বিনেশন খোঁজাটাই মূল লক্ষ্য হবে টাইগারদের।


নির্বাচিত

সৌদি আরবকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে টেবিলের শীর্ষে স্পেন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

প্রথম ম্যাচে তুলনামূলক দুর্বল কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের হতাশা ভুলে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের চেনা রূপে ফিরেছে স্পেন। গ্রুপ ‘এইচ’-এ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে সৌদি আরবের রক্ষণভাগকে ছিন্নভিন্ন করে ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় তুলে নিয়েছে স্প্যানিশরা। এই দাপুটে জয়ের মধ্য দিয়ে ২ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান নিজেদের দখলে নিয়েছে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

এর আগে আসরের প্রথম ম্যাচে নবাগত কেপ ভার্দের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পয়েন্ট হারিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল স্পেন। তবে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা ‘টিকিটাকা’ আর আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে তারা। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে আজ শুরুর একাদশে ফিরেই স্পেনের আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেন তরুণ বিস্ময় বালক লামিনে ইয়ামাল। ম্যাচের দশম মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালের ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে স্পেনকে প্রথম লিড এনে দেন এই ফরোয়ার্ড।

প্রথম গোলের ধাক্কা সৌদি আরব সামলে ওঠার আগেই শুরু হয় ওয়ারজাবাল ঝড়। ম্যাচের ২১ এবং ২৪ মিনিটে মাত্র ৩ মিনিটের ব্যবধানে পর পর দুটি চোখধাঁধানো গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন রিয়াল সোসিয়েনদাদের এই ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের পকেটে পুরে নেয় স্পেন। এরপর দ্বিতীয়ার্থের শুরুতে ম্যাচের ৪৯ মিনিটে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়ার একটি জোরালো শট ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন সৌদি ডিফেন্ডার হাসান আল-তামবাক্তি।

এই আত্মঘাতী গোলের পর ম্যাচের ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০। বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর সৌদি আরব রক্ষণভাগ কিছুটা সামলে নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ স্পেনের আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়ে স্পেন আরও একবার বল জালে পাঠালেও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর (VAR)-এর মাধ্যমে সেই গোলটি বাতিল করেন রেফারি। ফলে ৪-০ ব্যবধানের স্বস্তিদায়ক জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্প্যানিশরা। এই হারের পর গ্রুপের অন্য তিন দলের পয়েন্ট সমান ১ থাকায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে স্পেন।


নির্বাচিত

ব্যাটিং ব্যর্থতায় অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে চট্টগ্রামে গেলেও ভেন্যু ও ফরম্যাট বদলের সাথে সাথে বদলে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পারফরম্যান্স। ব্যাটারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় প্রথম দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ খুইয়েছিল স্বাগতিকরা। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ সিরিজের শেষ ম্যাচটি ছিল বাংলাদেশের জন্য মান বাঁচানোর লড়াই। তবে এই ম্যাচেও সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৫৪ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হলো ফিল সিমন্সের শিষ্যরা।

ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু চট্টগ্রামের রানবন্যার উইকেটেও ডট বল আর উইকেট হারানোর মহড়ায় লিপ্ত হন টাইগার ব্যাটাররা। দলের বিপর্যয়ের মুখে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের ৫১ বলে খেলা অপরাজিত ৬১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬ রান করেন রিশাদ হোসেন। অধিনায়ক হৃদয়ের এই লড়াকু ইনিংসের কল্যাণে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টিতে সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের লজ্জা থেকে কোনোমতে মুক্তি পায় লাল-সবুজের দল।

বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটা ছিল চরম বিপর্যয়কর। দ্বিতীয় ওভারেই মাত্র ১ রান করে দুর্ভাগ্যজনক রান আউটের শিকার হন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। একই ওভারের পঞ্চম বলে স্পেনসার জনসনের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান (৯ বলে ১ রান)। পাওয়ার প্লে-তে ডট বলের মহড়া দিয়ে ১৩ বলে মাত্র ১ রান করে নাথান এলিসের শিকার হন পারভেজ হোসেন ইমন। এর ফলে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে অন্তত ১০ বল খেলা ব্যাটারদের মধ্যে সর্বনিম্ন স্ট্রাইকরেটের লজ্জার রেকর্ডে নাম লেখান ইমন। পঞ্চম ওভার শেষে মাত্র ১১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।

পরবর্তীতে মিডল অর্ডারে নুরুল হাসান সোহান ৮ বলে ৬ রান করে অ্যাডাম জাম্পার বলে বোল্ড হন এবং শামীম পাটোয়ারী মাত্র ৩ রান করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ৩৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসা দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন হৃদয় ও রিশাদ জুটি। রিশাদ ১৪ বলে ১৬ রান করে আউট হওয়ার পর শরিফুল ও তাসকিনকে সঙ্গে নিয়ে স্কোরবোর্ডে আরও ৪৪ রান যোগ করেন হৃদয়। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন স্পেনসার জনসন। এছাড়া নাথান এলিস ও জাম্পা দুটি করে এবং নিখিল চৌধুরী একটি উইকেট লাভ করেন।

১১০ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই শরিফুল ইসলামের বল থেকে ৪টি চারে ১৭ রান তুলে ঝোড়ো সূচনা করে অস্ট্রেলিয়া। অজি ওপেনার মিচেল মার্শ একাই বাংলাদেশি বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে মাত্র ২৮ বলে ৬০ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। মার্শের এই ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে মাত্র ১১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেন একটি করে উইকেট শিকার করলেও তা পরাজয়ের ব্যবধান কমানো ছাড়া কোনো অবদান রাখতে পারেনি।


নির্বাচিত

১১ বলে ফিফটির বিশ্বরেকর্ড বৈভবের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম ফিফটির নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ভারতের ১৫ বছর বয়সী তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী। ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে এই অনন্য কীর্তি স্থাপন করেন তিনি। মাত্র ১১ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করে ক্রিকেট ইতিহাসের রেকর্ড বইয়ে নিজের নাম লেখান এই বাঁহাতি বিস্ময়বালক।

ফাইনালে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং প্রদর্শন করেন বৈভব। লঙ্কান বোলিং আক্রমণকে সম্পূর্ণ ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে প্রথম ১১ বলের মধ্যে ১০টি বলেই বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। রেকর্ড গড়ার এই ইনিংসে মাত্র একটি ডট বল খেলেন বৈভব, যার বিপরীতে তার ব্যাট থেকে আসে ৫টি চার ও ৫টি আকর্ষণীয় ছক্কা।

রেকর্ড ফিফটির পর শতকের দিকেও দারুণ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন এই তরুণ ওপেনার। তবে মাত্র ৬ রানের আক্ষেপ নিয়ে শতক বঞ্চিত হয়ে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৯৪ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলে সাহান আরাচ্চিগের বলে মিড-অফে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। মাঠ ছাড়ার আগে তার নামের পাশে যোগ হয় মোট ১০টি চার ও ৮টি ছক্কা।

চলতি টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে অবশ্য নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি বৈভব। এর আগের পাঁচটি ইনিংসে সুপার ওভারসহ ব্যাট করতে নেমে তিনি মাত্র তিনটি ছক্কা হাঁকাতে পেরেছিলেন। তবে ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একাই ৮টি ছক্কা মেরে নিজের আসল ব্যাটিং সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন এই উদীয়মান ক্রিকেটার।

উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগের ম্যাচটিতে মাঠের আচরণ নিয়ে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন বৈভব। সুপার ওভারে ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর লঙ্কান ক্রিকেটার বিশেন হালাম্বাগেকে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় ক্রিকেট মহলে তিনি বেশ সমালোচিত হন। মাঠের সেই বিতর্কের পর ফাইনাল ম্যাচে ব্যাট হাতে লঙ্কান বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে যেন সেই সমালোচনার জবাব দিলেন ১৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার।


নির্বাচিত

সুইডেনকে ৫-১ ব্যবধানে ওড়াল নেদারল্যান্ডস

আপডেটেড ২১ জুন, ২০২৬ ১৫:১৮
ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এফ’-এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সুইডেনের রক্ষণভাগকে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিয়েছে নেদারল্যান্ডস। হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে সুইডিশদের গোলবন্যায় ভাসিয়ে দিয়ে ৫-১ ব্যবধানের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে রোনাল্ড কোম্যানের দল। প্রথমার্ধে তরুণ স্ট্রাইকার ব্রায়ান ব্রবি এবং দ্বিতীয়ার্ধে উইঙ্গার কোডি গাকপোর অনবদ্য জোড়া গোলের সুবাদে ডাচরা এক দাপুটে ফুটবল প্রদর্শনীর মাধ্যমে মাঠ ছাড়ে।

খেলার শুরু থেকেই সুইডিশ ডিফেন্স লাইনের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে ডাচ ফরোয়ার্ডরা। ম্যাচের মাত্র পঞ্চম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় তারা; লিভারপুল উইঙ্গার কোডি গাকপোর একটি চমৎকার মাপা পাস থেকে বক্সের ভেতর বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল উৎসবের খাতা খোলেন আয়াক্সের তরুণ স্ট্রাইকার ব্রায়ান ব্রবি। ডাচদের এই শুরুর আক্রমণাত্মক ঝড় বজায় রেখে খেলার ১৭তম মিনিটে নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন ব্রবি। এবার ডান প্রান্ত থেকে তাঁকে চমৎকারভাবে বলের জোগান দেন রাইট-ব্যাক ডেনজেল ডামফ্রিস। প্রথমার্ধে এই ২-০ ব্যবধানের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় নেদারল্যান্ডস।

বিরতির পর মাঠে নেমে সুইডেনের জালে গোল দেওয়ার ধারা অব্যাহত রাখে অরেঞ্জ আর্মিরা। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে না হতেই সুইডেনের জালে দলের তৃতীয় গোলটি জড়ান কোডি গাকপো। এরপর ম্যাচের ৫৩তম মিনিটে সুইডেনের কফিনে চতুর্থ পেরেকটি ঠুকে দেন সেই গাকপোই। নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করার পাশাপাশি ডাচদের ৪-০ গোলের বিশাল লিড এনে দেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। চার গোল হজম করে কোণঠাসা হয়ে পড়ার পর ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে সুইডেনের হয়ে একটি সান্ত্বনাসূচক গোল শোধ করেন বদলি হিসেবে মাঠে নামা ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি ইলাঙ্গা। গোল শোধের পর সুইডিশরা আরও বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালালেও নেদারল্যান্ডসের জমাট ডিফেন্সের সামনে গিয়ে ব্যর্থ হয়।

খেলার একদম শেষ মুহূর্তে আরেকটি চমৎকার গোল আদায় করে নেয় নেদারল্যান্ডস, যার ফলে ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় কোম্যানের দলের। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে জাপানের সাথে ২-২ গোলে নাটকীয় ড্র করে পয়েন্ট হারানো নেদারল্যান্ডস এই বড় জয়ের মাধ্যমে কেবল ৩ পয়েন্টই অর্জন করেনি, বরং গোল ব্যবধানে নিজেদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থানে যাওয়ার রাস্তা পরিষ্কার করে ফেলল। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে উড়ানো সুইডেনকে আজ ডাচদের এই গতিময় ফুটবল আর নিখুঁত ফিনিশিংয়ের সামনে পুরো ৯০ মিনিট কেবল চেয়ে চেয়ে দেখতে হয়েছে।


নির্বাচিত

বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ৪–০ গোলে উড়িয়ে দিল জাপান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপের দীর্ঘ পথচলায় এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করল জাপান ও তিউনিসিয়ার মধ্যকার লড়াইটি। ১৯৩০ সালে মেক্সিকো-ফ্রান্স এবং যুক্তরাষ্ট্র-বেলজিয়ামের হাত ধরে যে মহাযজ্ঞের শুরু হয়েছিল, আজ সেই বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। তেরোটি দল নিয়ে শুরু হওয়া সেই টুর্নামেন্ট এখন ৪৮ দলের এক বিশাল আসরে রূপ নিয়েছে। এই ঐতিহাসিক ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ৪-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিল এশিয়ান পরাশক্তি জাপান।

ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর তিউনিসিয়াকে গুছিয়ে ওঠার কোনো সুযোগই দেয়নি নীল সামুরাইরা। খেলার মাত্র ৪ মিনিটের মাথায় দাইচি কামাদা এক দুর্দান্ত শটে দলকে লিড এনে দেন। শুরুর এই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ৩১তম মিনিটে ফের গোল উৎসবে মেতে ওঠে জাপান। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তিউনিসিয়ার ডিফেন্ডারদের পরাস্ত করে লক্ষ্যভেদ করেন আয়াসে উয়েদা। প্রথমার্ধ শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ‘এফ’ গ্রুপের দলটি।

দ্বিতীয়ার্ধেও জাপানের আক্রমণের ধার কমেনি। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রেখে একের পর এক সুযোগ তৈরি করতে থাকে তারা। ৬৯তম মিনিটে জুনিয়া ইতোর গোলে জয়ের পথ আরও সুগম করে নেয় জাপান। তবে তিউনিসিয়ার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন আয়াসে উয়েদা। ৮৩তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোলটি করে তিউনিসিয়ার রক্ষণকে পুরোপুরি ধসিয়ে দেন তিনি।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে হাজারতম ম্যাচ হিসেবে এই লড়াইটি ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছিল। সেই বিশেষ ক্ষণে জাপানি ফুটবলারদের এমন দৃষ্টিনন্দন ও দাপুটে ফুটবল পারফরম্যান্স বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে। শেষ পর্যন্ত একতরফা লড়াইয়ে ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জাপান।


নির্বাচিত

আইভরি কোস্টকে হারিয়ে টানা দুই জয়ে নকআউটে জার্মানি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ম্যাচের প্রথমার্ধে আইভরি কোস্টের দাপটেই যেন স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। শুরুর ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতেই পিছিয়ে পড়ে ইউরোপের দলটি। তবে ফুটবল যে শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত অনিশ্চয়তার খেলা, সেটিই আবারও প্রমাণ করল জার্মানরা। বিরতির পর বদলে যাওয়া এক জার্মানি দারুণ প্রত্যাবর্তন করে ডেনিজ উন্দাভের জোড়া গোলে আইভরি কোস্টকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে নিশ্চিত করেছে দ্বিতীয় পর্ব।

এই জয়ে দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘এফ’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে গেছে জার্মানি। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আইভরি কোস্ট। ফলে টানা দুই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে জুলিয়ান নাগেলসমানের দল।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল সমানতালে লড়াই করলেও প্রথমার্ধে আক্রমণে বেশি ধার দেখায় আইভরি কোস্ট। ৩০তম মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে জার্মান রক্ষণ ভেঙে এগিয়ে যায় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। বাম প্রান্ত দিয়ে গড়ে ওঠা আক্রমণে ডি-বক্সের ভেতরে বল পেয়ে নিখুঁত শটে জাল কাঁপান ফ্রাঙ্ক কেসি। তাতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আইভরি কোস্ট।

অবশ্য গোল হজমের আগে ও পরে দুবার বল জালে জড়িয়েও হতাশ হতে হয় জার্মানিকে। ২১তম মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে আলেকজান্ডার পাভলোভিচ গোল করলেও ফাউলের অভিযোগে ভিডিও সহকারী রেফারির সহায়তায় সেটি বাতিল করা হয়। বিরতির ঠিক আগে লেরয় সানের নিচু ক্রস থেকে কাই হাভার্টজ বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেই গোলও টেকেনি। ফলে ১-০ ব্যবধানের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় আইভরি কোস্ট।

দ্বিতীয়ার্ধে পুরো চিত্রটাই বদলে দেন জার্মান কোচ নাগেলসমান। ৬১তম মিনিটে একসঙ্গে তিন বদলি নামিয়ে আক্রমণে নতুন গতি আনেন তিনি, আর সেখান থেকেই ম্যাচে ফেরার পথ খুঁজে পায় জার্মানি। ৬৮তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে নাদিয়েম আমিরির বাড়ানো নিখুঁত ক্রসে দারুণ ভলিতে সমতায় ফেরান বদলি হিসেবে নামা ডেনিজ উন্দাভ।

সমতায় ফেরার পর জার্মানদের চাপ আরও বাড়তে থাকে। অন্যদিকে আইভরি কোস্টের রক্ষণে দেখা দেয় অস্থিরতা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের বড় ভুলের সুযোগ নেন উন্দাভ। তাঁর দ্বিতীয় গোলেই পূর্ণতা পায় জার্মানির দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইউরোপের দলটি।

জয়ের পাশাপাশি এই ম্যাচে জার্মানি দেখিয়েছে তাদের মানসিক দৃঢ়তাও। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়া, দুই গোল বাতিল হওয়া, প্রতিপক্ষের চাপ সামলানো, সবকিছুর পরও দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের ছন্দে ফিরে এসে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়া নাগেলসমানের দলের সামর্থ্যেরই প্রমাণ। আর সেই শক্তিতেই বিশ্বমঞ্চে দ্বিতীয় পর্বের টিকিট কেটে ফেলল জার্মানরা।


নির্বাচিত

১০ জনের লড়াকু প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে তুরস্কের বিদায়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে টিকে থাকার মরণপণ লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল প্যারাগুয়ে ও তুরস্ক। প্রথম ম্যাচে উভয় দলই পরাজয়ের স্বাদ পাওয়ায় এই ম্যাচটি ছিল তাদের জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। মাঠের সেই উত্তেজনাকর লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ১০ জনের দল নিয়ে ১-০ গোলের নাটকীয় জয় ছিনিয়ে নিয়েছে প্যারাগুয়ে। অন্যদিকে, এই হারের ফলে আসর থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেল তুরস্কের।

ম্যাচের শুরুতেই ফুটবল বিশ্ব প্রত্যক্ষ করে এক অভাবনীয় মুহূর্ত। খেলার মাত্র ৬৪ সেকেন্ডের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া এক দর্শনীয় শটে তুরস্কের গোলরক্ষক উগুরকান চেকিরকে পরাস্ত করে গোল উৎসবের সূচনা করেন প্যারাগুয়ের মাতিয়াস গালার্জা। এই গোলের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে দ্রুততম গোলের এক নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি। মজার ব্যাপার হলো, মাত্র ঘণ্টা চারেক আগে ইসমাইল সাইবারির গড়া রেকর্ডটি একদিনও স্থায়ী হতে দেননি গালার্জা। পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফিরতে মরিয়া তুরস্কের একটি প্রচেষ্টা ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে আক্ষেপে পোড়ে তুর্কি সমর্থকরা। মের্ত মুলদুরের নেওয়া সেই হেডটি প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালের দিকে যাচ্ছিল, কিন্তু ভাগ্য এদিন তুরস্কের সহায় ছিল না।

ম্যাচের প্রথমার্ধেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে এবং প্যারাগুয়ের কোচিং স্টাফের একজনকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। তবে সবচেয়ে বড় নাটকীয়তার সৃষ্টি হয় প্যারাগুয়ের স্ট্রাইকার পিত্তাকে ফাউল করার পর। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হলে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে ওঠে। সেই জটলার মধ্যেই মুখ ঢেকে তুরস্কের এক খেলোয়াড়কে কিছু মন্তব্য করেন প্যারাগুয়ের মিগেল আলমিরন। ভিএআর (VAR) পরীক্ষা শেষে রেফারি তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন। মুখ ঢেকে কথা বলার বিপরীতে ফিফার প্রবর্তিত নতুন কঠোর নিয়মে এটিই বিশ্বকাপের প্রথম লাল কার্ডের ঘটনা। বিরতির বাঁশি বাজার পরেও দুই দলের খেলোয়াড় ও স্টাফদের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় চলতে দেখা যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে এক জন কম নিয়েও প্যারাগুয়ে তাদের রক্ষণ ও আক্রমণ ধরে রাখার চেষ্টা করে। এনসিসো ব্যবধান বাড়ানোর সহজ সুযোগ নষ্ট করলেও ম্যাচের শেষ বাঁশি পর্যন্ত লিড ধরে রাখে দক্ষিণ আমেরিকার এই দলটি। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে মেরিহ দেমিরালের একটি হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে সমতায় ফেরার শেষ আশাটুকুও মিলিয়ে যায় তুরস্কের। মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন হতাশ দেমিরাল। শেষ পর্যন্ত ১০ জনের বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ে ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে প্যারাগুয়ে, আর বিদায়ের বিষাদ নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করতে হয় তুরস্ককে।


নির্বাচিত

প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় নেইমার, কবে মাঠে নামবেন জানালেন কোচ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

বিগত দুই ম্যাচ ধরে যার অভাব তীব্রভাবে অনুভব করছে ব্রাজিল ফুটবল দল ও পুরো বিশ্বকাপ আসর, সেই নেইমারের মাঠে ফেরার সময় অবশেষে ঘনিয়ে এসেছে। ইনজুরি জয় করে ব্রাজিলের এই প্রাণভোমরা সবুজ গালিচায় ফিরতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। হাইতির বিরুদ্ধে ৩-০ ব্যবধানের সহজ জয়ের পর দলের প্রধান তারকা নেইমারের বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত জানান ব্রাজিলীয় কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে লড়াইয়ে নেইমারকে একাদশে দেখা যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

এই ইতালীয় মাস্টারমাইন্ড আরও উল্লেখ করেন যে, আসন্ন শনিবার এককভাবে ঘাম ঝরাবেন নেইমার। এরপর সোমবার থেকে মূল দলের সাথে পুরোদমে অনুশীলনে যোগ দেবেন তিনি এবং স্কটল্যান্ড ম্যাচের জন্য নিজেকে ফিট করে তুলবেন। মূলত ডান পায়ের কাফ পেশির চোটের কারণে প্রায় মাসখানেক ফুটবলের বাইরে রয়েছেন এই ব্রাজিলীয় মহাতারকা। সান্তোসের জার্সি গায়ে কোরিতিবার বিপক্ষে ঘরোয়া লিগের ম্যাচে তিনি এই ইনজুরিতে পড়েছিলেন। এরপর থেকেই নিবিড় পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এ কারণেই ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে দলের সঙ্গী হতে পারেননি তিনি; বরং নিউ জার্সিতে দলের ক্যাম্পেই অবস্থান করছিলেন।

হাইতির বিপক্ষে লড়াইয়ের প্রাক্কালে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন নেইমারের কঠোর অনুশীলনের কিছু স্থিরচিত্র প্রকাশ করে। সেখানে দেখা যায়, নিউ জার্সির দ্য রিজ হোটেল ও কলাম্বিয়া পার্ক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিজের ফিটনেস পুনরুদ্ধারে নিরলস কাজ করছেন তিনি। ফিটনেস কোচ ক্রিশ্চিয়ানো নুনেস ও মিনো ফুলকোর তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন দুই ধাপে চলছে তার এই কসরত। তবে তার ফেরা নিয়ে কোনো প্রকার তাড়াহুড়ো বা ঝুঁকি নিতে নারাজ টিম ম্যানেজমেন্ট। পূর্ণ সুস্থতা নিশ্চিত করেই তাকে মাঠে নামানোর পরিকল্পনা কোচের। বর্তমানে চার পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে সেলেসাওরা। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র করতে পারলেই পরবর্তী রাউন্ড নিশ্চিত হবে তাদের, আর সেই মাহেন্দ্রক্ষণেই ভক্তদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মাঠে ফিরতে পারেন নেইমার।


নির্বাচিত

সাইবারির দ্রুততম গোলে স্কটল্যান্ডকে হারাল মরক্কো

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখেছেন মরক্কোর ইসমায়েল সাইবারি। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই গোল করে চলতি আসরের দ্রুততম গোলের রেকর্ড নিজের নামে লিখিয়েছেন এই মরক্কান তারকা। তার গোলে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল মরক্কো।

শনিবার ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে ফক্সবোরোর বোস্টন স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় মরক্কো ও স্কটল্যান্ড। ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পরপরই আক্রমণে যায় মরক্কো। মাত্র ৭১ সেকেন্ডের মাথায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সাইবারি। রেফারির শুরুর বাঁশির ১৪ সেকেন্ড পর বল পায় মরক্কো, এরপর দ্রুত আক্রমণ গড়ে স্কটিশ রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করে তারা। মাঝমাঠ থেকে সতীর্থের বাড়ানো উড়ন্ত বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সে ঢুকে জোরালো শটে স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গুনকে পরাস্ত করেন সাইবারি।

এই গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলদাতা হয়ে গেলেন মরক্কোর এই আক্রমণাত্মক মধ্যমাঠের খেলোয়াড়। একই সঙ্গে আফ্রিকার দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচেই গোল করার কীর্তিও গড়েছেন তিনি। এর আগে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে মিশরের মোহাম্মদ সালাহ প্রথম আফ্রিকান ফুটবলার হিসেবে এমন কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন।

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেও দলের হয়ে জ্বলে উঠেছিলেন সাইবারি। ব্রাজিলের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ২১ মিনিটে দারুণ এক ভলিতে গোল করে মরক্কোকে এগিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই ম্যাচ ১-১ সমতায় শেষ হয়। এবার স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুতেই গোল করে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে দিলেন এই তারকা।

প্রথমার্ধে মরক্কো শুধু গোলেই এগিয়ে ছিল না, খেলায়ও ছিল পরিষ্কার আধিপত্য। বল দখলে তাদের ছিল ৬২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ। ব্রাজিলের বিপক্ষে ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করা মরক্কো স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপপর্বে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে চাইছে। সাইবারির দুরন্ত ফর্ম সেই লক্ষ্য পূরণে বড় ভরসা হয়ে উঠছে মরক্কোর জন্য।


নির্বাচিত

অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে নকআউটে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ ইনজুরিতে থাকলেও থেমে থাকেনি যুক্তরাষ্ট্র। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা স্বাগতিকদের অন্যতম এই দলটি টানা দ্বিতীয় জয়ে নিশ্চিত করেছে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব। শনিবার অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে রাউন্ড অব থার্টি টুতে জায়গা করে নিয়েছে মার্কিনরা।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম আসরের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে ১৯৯৪ সালে নিজেদের মাটিতে আয়োজিত বিশ্বকাপে তারা সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর একটি হিসেবে পরের পর্বে উঠেছিল। তবে সেবার শেষ ষোলোতেই বিদায় নিতে হয়েছিল ব্রাজিলের কাছে হেরে।

এবার অবশ্য শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলছে যুক্তরাষ্ট্র। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ১১ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। বাঁ দিক দিয়ে ফোলারিন বালোগুনের দারুণ এক আক্রমণ থেকে আসে গোলটি। বালোগুন রিকার্ডো পেপির উদ্দেশে বল বাড়ালেও, তার আগেই অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার ক্যামেরন বার্গেসের গায়ে লেগে বল জড়িয়ে যায় নিজেদের জালে। আত্মঘাতী সেই গোলেই লিড পায় যুক্তরাষ্ট্র।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে মার্কিনরা। ৪৩ মিনিটে সেটপিস থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে সার্জিনো ডেস্টের ডিফ্লেক্টেড শট হেডে জালে পাঠান ২১ বছর বয়সী অ্যালেক্স ফ্রিম্যান। পরে ভিডিও রিভিউয়ে গোলটি নিশ্চিত করা হয়। বিশ্বকাপ মঞ্চে এটি ছিল ফ্রিম্যানের প্রথম গোল, আর সেটিই যুক্তরাষ্ট্রকে আরও স্বস্তি এনে দেয়।

টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে স্বাগতিকরা। নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে তারা শুধু নকআউট নিশ্চিত করেনি, গ্রুপপর্বেও শক্ত বার্তা দিয়েছে। এর আগে আরেক স্বাগতিক মেক্সিকোও প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সবার আগে শেষ বত্রিশে জায়গা করে নিয়েছিল। এবার সেই তালিকায় নাম লেখাল যুক্তরাষ্ট্রও।

পুলিসিচকে ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের এই সাফল্য দলটির গভীরতা, আত্মবিশ্বাস এবং সামগ্রিক শক্তিরই প্রমাণ। সামনে নকআউট পর্বে তাদের আসল পরীক্ষা অপেক্ষা করছে, তবে আপাতত টানা দুই জয়ে দারুণ স্বস্তিতে মার্কিন শিবির।


নির্বাচিত

হাইতিকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ড পুনর্দখল করল ব্রাজিল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২০ জুন, ২০২৬ ১০:২৬
ক্রীড়া ডেস্ক

মরক্কোর বিপক্ষে হতাশাজনক ড্রয়ের পর সমালোচনায় পড়েছিল ব্রাজিল। তবে হাইতির বিপক্ষে মাঠে নেমে সেই সমালোচনার জবাবই দিল সেলেসাওরা। ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোল আর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের এক গোলের সুবাদে হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে গেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে ব্রাজিল। প্রথমার্ধেই তিন গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় তারা। ২৩ মিনিটে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন ম্যাথিউস কুনহা। গুইমারেসের পাস থেকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নেওয়া শট হাইতির গোলরক্ষক পুরোপুরি ঠেকাতে পারেননি। ফিরতি বলে সহজেই জালে বল পাঠান কুনহা।

এর ১৩ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্রাজিল। দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নিখুঁত পাস পেয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন কুনহা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোলের তালিকায় নাম লেখান ভিনিসিয়ুস নিজেও। পাকেতার বাড়ানো বল ধরে গতিতে বক্সে ঢুকে দারুণ প্লেসিং শটে হাইতির জালে বল জড়ান তিনি। তাতেই বিরতিতে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও বড় জয়ের আশা জেগেছিল ব্রাজিল সমর্থকদের। তবে একাধিক সুযোগ নষ্ট, দুটি গোল বাতিল এবং পোস্টে বল লাগায় ব্যবধান আর বাড়েনি। তা সত্ত্বেও জয় পেতে খুব একটা সমস্যা হয়নি সেলেসাওদের। যদিও স্কোরলাইন একতরফা, দ্বিতীয়ার্ধে হাইতিও বেশ কয়েকবার ব্রাজিলের রক্ষণে চাপ তৈরি করে। ব্রাজিলের গোলরক্ষক কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ ঠেকিয়েছেন, একটি গোললাইন সেভও করতে হয়েছে দলটিকে।

দুই ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের পয়েন্ট এখন ৪। সমান পয়েন্ট থাকলেও গোলব্যবধানে এগিয়ে থেকে গ্রুপের শীর্ষে উঠেছে তারা। মরক্কোও দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট পেয়েছে, তবে গোলব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় নেমে গেছে দ্বিতীয় স্থানে। অন্যদিকে স্কটল্যান্ডের সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট। শেষ ম্যাচে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষও স্কটল্যান্ড, ফলে গ্রুপসেরার লড়াই জমে উঠছে আরও।

এই জয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কীর্তিও গড়েছে ব্রাজিল। হাইতির বিপক্ষে তিন গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় আবারও শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছে তারা। এখন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা ২৪১, যা জার্মানির ২৩৯ গোলকে ছাড়িয়ে গেছে। তৃতীয় স্থানে থাকা আর্জেন্টিনার গোলসংখ্যা ১৫৫।

সমালোচনার জবাব, গ্রুপের শীর্ষস্থান এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসের গোলের রেকর্ড পুনর্দখল, সব মিলিয়ে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচটি ব্রাজিলের জন্য স্বস্তি আর আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার ম্যাচ হয়ে থাকল।


নির্বাচিত

বিশ্বকাপ শেষে  ফুটবল থেকে আবার অবসরে যাবেন ম্যানুয়াল নয়্যার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার ঘোষণা করেছেন যে, চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপই তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। ২০২৪ ইউরোর পর একবার অবসর নিলেও কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যানের অনুরোধে দলে ফিরেছিলেন ৪০ বছর বয়সী এই তারকা। তবে এবার তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দুই বছর পর হতে যাওয়া পরবর্তী ইউরোতে খেলার কোনো পরিকল্পনা তাঁর নেই।

নয়্যার জানান, জাতীয় দলে ফেরার সিদ্ধান্ত নিলেও বাড়তি শারীরিক ও মানসিক চাপ আর নিতে চান না; বরং দেশের জার্সিতে শেষ ম্যাচগুলো তিনি স্রেফ উপভোগ করতে চান। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে দাঁড়িয়ে বায়ার্ন মিউনিখের এই মহানায়কের এখন একমাত্র লক্ষ্য—দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি জিতে আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে এক রাজকীয় বিদায় নেওয়া। সম্প্রতি জাতীয় দলে ফিরেই কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ৭-১ গোলের জয়ে নিজের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন এই বিশ্বস্ত দেয়াল।


নির্বাচিত

আশা জাগিয়ে ৭ রানে হারল বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার রান পাহাড় তাড়া করতে গিয়ে দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত জয় হাতছাড়া করল বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৭ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে টাইগারদের। এই জয়ের ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৯ রান তুলতে সক্ষম হয় তাওহিদ হৃদয়ের দল।

এদিন টসে জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। ওপেনার ম্যাট রেনশর বিধ্বংসী এক ইনিংসের ওপর ভর করে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে অজিরা। রেনশ ৫২ বলে ৮৯ রান করে অপরাজিত থাকেন, যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস। এছাড়া মাঝপথে টিম ডেভিড ২৬ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের বড় সংগ্রহ নিশ্চিত করেন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে নাসুম আহমেদ ৪ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করে সবচেয়ে সফল ছিলেন। তবে অন্য বোলাররা ছিলেন বেশ খরুচে, বিশেষ করে মোস্তাফিজুর রহমানের করা শেষ ওভার থেকে ১৮ রান তুলে নেয় অজিরা।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিলেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। তানজিদ ১৫ বলে ৩০ রান করে সাজঘরে ফিরলে সাইফ ইনিংসের হাল ধরেন। তিনি ব্যক্তিগত ৪২ রান করে বিদায় নেওয়ার আগে পারভেজ হোসেন ইমনের সঙ্গে জুটি গড়েন। পারভেজ ৩৬ রানের একটি কার্যকর ইনিংস খেলে আউট হলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা আলগা হয়ে যায়। এর আগে সৌম্য সরকার ১৫ রান করে অ্যাডাম জাম্পার শিকার হন।

ম্যাচের শেষ ৪ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৪৪ রান। উইকেটে ছিলেন তাওহিদ হৃদয় ও শামীম পাটোয়ারী। তবে ১৭তম ওভারে অজি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ২ রান আসে এবং শামীম কোনো রান না করেই আউট হলে সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। শেষ মুহূর্তের লড়াই সত্ত্বেও ১৮৯ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। উল্লেখ্য, সিরিজে টিকে থাকার লক্ষ্যে এই ম্যাচে বাংলাদেশ দলে দুটি পরিবর্তন এনেছিল; শরীফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসানের জায়গায় খেলানো হয়েছিল নাহিদ রানা ও নাসুম আহমেদকে। তবে এই পরিবর্তনগুলো শেষ পর্যন্ত হার এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। এর আগে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও ৪ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ।


নির্বাচিত

banner close