শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
৬ আষাঢ় ১৪৩৩

অবসর ভেঙে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে চান ওয়ার্নার

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১০ জুলাই, ২০২৪ ১৬:৪৭

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ডেভিড ওয়ার্নার অবসর নিয়ে ফেলেছেন। গত বছর ভারতের মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের পরই ৫০ ওভারের খেলাকে বিদায় জানিয়েছিলেন তিনি। এরপর এ বছরের জানুয়ারিতে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলে এ অজি ওপেনার। আর টি-টোয়েন্টিকে বিদায় জানিয়েছেন সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে।

কিন্তু শেষ হয়েও যেন শেষ হওয়ার নয় ডেভিড ওয়ার্নারের গল্প। তাই অবসর ভেঙে আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফেরার ইঙ্গিতও দিয়ে রাখলেন তিনি। তবে সেটা শুধু আগামী বছর হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্যই। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলার আগ্রহের কথা আগেও জানিয়েছিলেন তিনি। নতুন করে আবারও সেই আগ্রহের কথা জানালেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজনে ৫০ ওভারের ফরম্যাটে আবার ফিরতে চান তিনি। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে নিজের ভবিষ্যতের কথা তুলে ধরে ওয়ার্নার বলেছেন, আপাতত ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট চালিয়ে যাবেন, ‘দীর্ঘ পরিসরে এতদিন ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতাটা অবিশ্বাস্য। অস্ট্রেলিয়াই ছিল আমার দল। আমার ক্যারিয়ারের বড় অংশই ছিল আন্তর্জাতিক পর্যায়ের। সেখানে খেলতে পারাটা ছিল গর্বের।’

ভবিষ্যৎ নিয়ে বলতে গিয়ে ওয়ার্নার তারপর একপর্যায়ে বলেছেন, ‘কিছু সময়ের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট চালিয়ে যেতে চাই। পাশাপাশি সুযোগ পেলে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও খেলতে চাই আমি।’

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ড সফর করবে। তারপর নভেম্বর যাবে পাকিস্তান সফরে। সেখানে টপ-অর্ডারের জন্য নতুন প্রজন্মের প্রতিভার দিকেই তাকিয়ে থাকবে অজিরা। সেক্ষেত্রে ওই দুই সিরিজে জেইক ফ্রেজার-ম্যাগার্কের সম্ভাবনা আছে ওয়ার্নারের জায়গা নেওয়ার। তাই ওয়ার্নারের এমন চাওয়া শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয় কি না, সেটাই দেখার বিষয়।

তবে ওয়ার্নারের আশা যে একেবারেই শেষ নয়, তেমনটা জানা গিয়েছিল প্যাট কামিন্সের কথায়। গত জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়ক কথা বলেছিলেন ওয়ার্নারের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে। ওয়ার্নার চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে থাকতে পারেন কি না, সে প্রশ্নের উত্তরে কামিন্স বলেছিলেন, ‘এখন সময় অন্যদের ওয়ানডেতে সুযোগ দেওয়ার, তবে সে যেহেতু ক্রিকেট চালিয়ে যাবে, একদম জরুরি পরিস্থিতিতে তার কথা তো চিন্তা করতেই পারি। তবে ডেভিডকে (ওয়ার্নার) বিশ্বের কোথাও না কোথাও রান করে যেতে হবে। তাই আপনি বলতে পারেন না এটাই শেষ।’

ওয়ানডেকে বিদায় বলা ওয়ার্নারের সংগ্রহ ৬ হাজার ৯৩২ রান। গড় ৪৫.৩০। আছে ২২টি সেঞ্চুরি। অজিদের হয়ে এই ফরম্যাটে সর্বকালের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির তালিকায় রিকি পন্টিংয়ের পরেই তার অবস্থান। ওয়ানডেতে পন্টিংয়ের সেঞ্চুরি ৩০টি।

বিষয়:

নির্বাচিত

হাইতিকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ড পুনর্দখল করল ব্রাজিল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২০ জুন, ২০২৬ ১০:২৬
ক্রীড়া ডেস্ক

মরক্কোর বিপক্ষে হতাশাজনক ড্রয়ের পর সমালোচনায় পড়েছিল ব্রাজিল। তবে হাইতির বিপক্ষে মাঠে নেমে সেই সমালোচনার জবাবই দিল সেলেসাওরা। ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোল আর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের এক গোলের সুবাদে হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে গেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে ব্রাজিল। প্রথমার্ধেই তিন গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় তারা। ২৩ মিনিটে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন ম্যাথিউস কুনহা। গুইমারেসের পাস থেকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নেওয়া শট হাইতির গোলরক্ষক পুরোপুরি ঠেকাতে পারেননি। ফিরতি বলে সহজেই জালে বল পাঠান কুনহা।

এর ১৩ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্রাজিল। দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নিখুঁত পাস পেয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন কুনহা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোলের তালিকায় নাম লেখান ভিনিসিয়ুস নিজেও। পাকেতার বাড়ানো বল ধরে গতিতে বক্সে ঢুকে দারুণ প্লেসিং শটে হাইতির জালে বল জড়ান তিনি। তাতেই বিরতিতে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও বড় জয়ের আশা জেগেছিল ব্রাজিল সমর্থকদের। তবে একাধিক সুযোগ নষ্ট, দুটি গোল বাতিল এবং পোস্টে বল লাগায় ব্যবধান আর বাড়েনি। তা সত্ত্বেও জয় পেতে খুব একটা সমস্যা হয়নি সেলেসাওদের। যদিও স্কোরলাইন একতরফা, দ্বিতীয়ার্ধে হাইতিও বেশ কয়েকবার ব্রাজিলের রক্ষণে চাপ তৈরি করে। ব্রাজিলের গোলরক্ষক কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ ঠেকিয়েছেন, একটি গোললাইন সেভও করতে হয়েছে দলটিকে।

দুই ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের পয়েন্ট এখন ৪। সমান পয়েন্ট থাকলেও গোলব্যবধানে এগিয়ে থেকে গ্রুপের শীর্ষে উঠেছে তারা। মরক্কোও দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট পেয়েছে, তবে গোলব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় নেমে গেছে দ্বিতীয় স্থানে। অন্যদিকে স্কটল্যান্ডের সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট। শেষ ম্যাচে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষও স্কটল্যান্ড, ফলে গ্রুপসেরার লড়াই জমে উঠছে আরও।

এই জয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কীর্তিও গড়েছে ব্রাজিল। হাইতির বিপক্ষে তিন গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় আবারও শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছে তারা। এখন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা ২৪১, যা জার্মানির ২৩৯ গোলকে ছাড়িয়ে গেছে। তৃতীয় স্থানে থাকা আর্জেন্টিনার গোলসংখ্যা ১৫৫।

সমালোচনার জবাব, গ্রুপের শীর্ষস্থান এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসের গোলের রেকর্ড পুনর্দখল, সব মিলিয়ে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচটি ব্রাজিলের জন্য স্বস্তি আর আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার ম্যাচ হয়ে থাকল।


নির্বাচিত

বিশ্বকাপ শেষে  ফুটবল থেকে আবার অবসরে যাবেন ম্যানুয়াল নয়্যার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার ঘোষণা করেছেন যে, চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপই তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। ২০২৪ ইউরোর পর একবার অবসর নিলেও কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যানের অনুরোধে দলে ফিরেছিলেন ৪০ বছর বয়সী এই তারকা। তবে এবার তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দুই বছর পর হতে যাওয়া পরবর্তী ইউরোতে খেলার কোনো পরিকল্পনা তাঁর নেই।

নয়্যার জানান, জাতীয় দলে ফেরার সিদ্ধান্ত নিলেও বাড়তি শারীরিক ও মানসিক চাপ আর নিতে চান না; বরং দেশের জার্সিতে শেষ ম্যাচগুলো তিনি স্রেফ উপভোগ করতে চান। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে দাঁড়িয়ে বায়ার্ন মিউনিখের এই মহানায়কের এখন একমাত্র লক্ষ্য—দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি জিতে আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে এক রাজকীয় বিদায় নেওয়া। সম্প্রতি জাতীয় দলে ফিরেই কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ৭-১ গোলের জয়ে নিজের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন এই বিশ্বস্ত দেয়াল।


নির্বাচিত

আশা জাগিয়ে ৭ রানে হারল বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার রান পাহাড় তাড়া করতে গিয়ে দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত জয় হাতছাড়া করল বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৭ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে টাইগারদের। এই জয়ের ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৯ রান তুলতে সক্ষম হয় তাওহিদ হৃদয়ের দল।

এদিন টসে জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। ওপেনার ম্যাট রেনশর বিধ্বংসী এক ইনিংসের ওপর ভর করে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে অজিরা। রেনশ ৫২ বলে ৮৯ রান করে অপরাজিত থাকেন, যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস। এছাড়া মাঝপথে টিম ডেভিড ২৬ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের বড় সংগ্রহ নিশ্চিত করেন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে নাসুম আহমেদ ৪ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করে সবচেয়ে সফল ছিলেন। তবে অন্য বোলাররা ছিলেন বেশ খরুচে, বিশেষ করে মোস্তাফিজুর রহমানের করা শেষ ওভার থেকে ১৮ রান তুলে নেয় অজিরা।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিলেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। তানজিদ ১৫ বলে ৩০ রান করে সাজঘরে ফিরলে সাইফ ইনিংসের হাল ধরেন। তিনি ব্যক্তিগত ৪২ রান করে বিদায় নেওয়ার আগে পারভেজ হোসেন ইমনের সঙ্গে জুটি গড়েন। পারভেজ ৩৬ রানের একটি কার্যকর ইনিংস খেলে আউট হলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা আলগা হয়ে যায়। এর আগে সৌম্য সরকার ১৫ রান করে অ্যাডাম জাম্পার শিকার হন।

ম্যাচের শেষ ৪ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৪৪ রান। উইকেটে ছিলেন তাওহিদ হৃদয় ও শামীম পাটোয়ারী। তবে ১৭তম ওভারে অজি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ২ রান আসে এবং শামীম কোনো রান না করেই আউট হলে সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। শেষ মুহূর্তের লড়াই সত্ত্বেও ১৮৯ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। উল্লেখ্য, সিরিজে টিকে থাকার লক্ষ্যে এই ম্যাচে বাংলাদেশ দলে দুটি পরিবর্তন এনেছিল; শরীফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসানের জায়গায় খেলানো হয়েছিল নাহিদ রানা ও নাসুম আহমেদকে। তবে এই পরিবর্তনগুলো শেষ পর্যন্ত হার এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। এর আগে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও ৪ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ।


নির্বাচিত

দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে মেক্সিকো

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে টানা জয় তুলে নিয়ে প্রথম দল হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে মেক্সিকো। শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত এক হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে তারা দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোল ব্যবধানে পরাজিত করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে মেক্সিকানরা শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করার পাশাপাশি টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্তিশালী অবস্থানের জানান দিল।

স্তাদিও গোয়াডালাজামায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও বিরতির পরপরই কাঙ্ক্ষিত গোলটি পেয়ে যায় মেক্সিকো। ম্যাচের ৫০তম মিনিটে লুইস রোমো দলের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন। তবে এই গোলের নেপথ্যে বড় দায় ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার ৩৫ বছর বয়সী অভিজ্ঞ গোলরক্ষক কিম সিউং জিও’র এক মারাত্মক ভুল। ডি-বক্সের ভেতর আসা একটি উচু বল লাফিয়ে ধরতে গিয়ে তিনি ভারসাম্য হারিয়ে ফেললে বলটি তার হাত থেকে ফসকে যায়। সামনে থাকা রোমো সুযোগটি লুফে নিয়ে বল জালে জড়াতে কোনো ভুল করেননি।

পিছিয়ে পড়ার পর গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে ওঠে সন হিউং মিনদের দল। অন্তত দুবার তারা নিশ্চিত গোলের সুযোগ তৈরি করলেও মেক্সিকোর ২৬ বছর বয়সী তরুণ গোলরক্ষক রাউল র‌্যাঞ্জেলের অসামান্য দৃঢ়তায় সমতায় ফেরা সম্ভব হয়নি। মেক্সিকোর রক্ষণভাগও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কোরিয়ান আক্রমণভাগকে রুখে দিতে সক্ষম হয়।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১৯টি আসরে অংশ নেওয়া মেক্সিকো গত কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল। তবে এবার এক আসরের বিরতি দিয়ে আবারও নকআউট পর্বে জায়গা করে নিল তারা। এর আগে টানা সাতটি আসরে নকআউট খেলার গৌরবময় রেকর্ড ছিল মেক্সিকোর। অন্যদিকে, টানা দুই ম্যাচে পরাজিত হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার পথ এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।


নির্বাচিত

কাতারকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে কানাডার ঐতিহাসিক জয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে কাতারকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিয়েছে টুর্নামেন্টের সহ-স্বাগতিক কানাডা। ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে কাতারের রক্ষণভাগকে এক প্রকার গুঁড়িয়ে দিয়ে ৬-০ ব্যবধানের বিশাল জয় পায় কানাডিয়ানরা। জোনাথন ডেভিডের চমৎকার হ্যাটট্রিক এবং কাতারের দুই ফুটবলারের লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার ঘটনা ম্যাচটিকে একপেশে করে তোলে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে কানাডা। লারিনের গোলে লিড নেওয়ার পর জোনাথন ডেভিড ২৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। কাতারের জন্য ম্যাচটি আরও কঠিন হয়ে পড়ে যখন ৩০ মিনিটের মাথায় ডিফেন্ডার হোমাম আহমেদ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। বিরতির ঠিক আগে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ডেভিড। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৫৩ মিনিটে আসিম মাদিবো সরাসরি লাল কার্ড পেলে ৯ জনের দলে পরিণত হয় কাতার। এর পরপরই ৬৪ মিনিটে নাথান সালিবা ফ্রি-কিক থেকে জালের দেখা পান।

৭৫ মিনিটে কাতারের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ মানাইয়ের আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান আরও বাড়ে। ম্যাচের শেষ দিকে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে কানাডার ৬-০ গোলের বড় জয় নিশ্চিত করেন জোনাথন ডেভিড। লিওনেল মেসির পর এবারের আসরে এটি দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। এই দাপুটে জয়ের মাধ্যমে কানাডা নকআউট পর্বের দৌড়ে টিকে রইল, অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় পরাজয়ে কাতারের বিশ্বকাপ মিশন এখন খাদের কিনারায়।


নির্বাচিত

বসনিয়াকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে নকআউটের পথে সুইজারল্যান্ড

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৯ জুন, ২০২৬ ১০:৪১
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে সুইজারল্যান্ড। শুরুতে দুই দলের মধ্যে সমানতালে লড়াই হলেও দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ম্যাচের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় সুইসরা। এই জয়ে নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করেছে তারা।

প্রথমার্ধে উভয় দলই কয়েকটি সম্ভাবনাময় আক্রমণ গড়ে তুললেও গোলের দেখা মেলেনি। বিরতির পর খেলার চিত্র বদলে যায়। সুইজারল্যান্ড আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এবং মিডফিল্ডে অধিনায়ক গ্রানিত জাকার নেতৃত্ব ও বদলি খেলোয়াড়দের কার্যকর অবদান দলকে এগিয়ে নেয়।

ম্যাচের শেষ দিকে সুইসদের লাগাতার আক্রমণের মুখে বসনিয়ার রক্ষণভাগ ভেঙে পড়ে। পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে যখন লাল কার্ড দেখে একজন খেলোয়াড় মাঠ ছাড়ায় ১০ জনের দলে পরিণত হয় বসনিয়া। সংখ্যাগত সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক গোল করে বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে সুইজারল্যান্ড।

দাপুটে এই জয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার পথে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করল সুইসরা।


নির্বাচিত

শেষ মুহূর্তের নাটকীয় ড্রয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আটলান্টা স্টেডিয়ামে জয়ের খুব কাছে গিয়েও এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে চেক প্রজাতন্ত্রকে। ম্যাচের ৮২ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি ভাগ্যে নাটকীয় এক ড্র আদায় করে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১-১ গোলের এই ড্রয়ে গ্রুপ ‘এ’-র সমীকরণ এখন বেশ কঠিন হয়ে পড়ল। দুই ম্যাচ শেষে দুই দলেরই সংগ্রহ এখন ১ পয়েন্ট করে।

ম্যাচের শুরুটা ছিল চেক প্রজাতন্ত্রের জন্য ইতিহাস গড়া। মিডফিল্ডার মিখাল সাদিলেক মাত্র ৫ মিনিট ৭ সেকেন্ডে গোল করে চলতি বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়েন। আলেকসান্দ্র সোইকার সঙ্গে চমৎকারএকবলআদান-প্রদানশেষেনিচুশটেলক্ষ্যভেদকরেনতিনি।শুরুতেইপিছিয়েপড়াদক্ষিণআফ্রিকাএরপরতাদেররক্ষণভাগসামলেওঠারচেষ্টাকরে।

দক্ষিণ আফ্রিকার ফরোয়ার্ড থাপেলো মাসেকোর একটি শট বক্সে থাকা চেক খেলোয়াড় পাভেল শুলৎসের হাতে লাগলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ৮৩ মিনিটে সেই পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান তেবোহো মোকোয়েনা। হারের মুখ থেকে এক পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়ে পরের রাউন্ডে ওঠার লড়াইয়ে টিকে রইল দক্ষিণ আফ্রিকা।

ফুটবলীয় রোমাঞ্চের পাশাপাশি এই ম্যাচটি ইতিহাসের পাতায়ও জায়গা করে নিয়েছে। ছেলেদের বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো কোনো ম্যাচে মাঠের দায়িত্ব পালন করেছেন তিন নারী অফিশিয়াল। যুক্তরাষ্ট্রের টরি পেনসো, ব্রুক মায়ো ও ক্যাথরিন নেসবিট অত্যন্ত নিপুণভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি পরিচালনা করেন।

বর্তমানে গ্রুপ ‘এ’-তে মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়া সমান ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের প্রথম দুই অবস্থানে রয়েছে। ২ ম্যাচে ১ পয়েন্ট পাওয়া চেক প্রজাতন্ত্র গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে তিনে এবং সমান পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা চারে অবস্থান।


নির্বাচিত

এবার মেসির রেকর্ডে নজর এমবাপ্পের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে জোড়া গোল করে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাত্র ২৭ বছর বয়সেই অলিভিয়ে জিরুডকে টপকে ফ্রান্স ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় লিখিয়েছেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। সেনেগালের বিপক্ষে করা এই জোড়া গোলের সুবাদে দেশের হয়ে এমবাপ্পের মোট আন্তর্জাতিক গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮টিতে, যা জিরুডের ৫৭ গোলের পূর্বের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে তাঁকে এককভাবে ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসনে বসিয়েছে।

ঐতিহাসিক এই অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে ফরাসি জাতীয় দলের সতীর্থরা এমবাপ্পেকে ‘৫৮’ নম্বর লেখা একটি বিশেষ জার্সি উপহার দিয়ে বরণ করে নেন। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের এই অবিস্মরণীয় অনুভূতি প্রকাশ করে ফরাসি অধিনায়ক লেখেন, “৫৮ গোল। আমাদের জাতীয় দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে পারাটা এক বিশাল গর্বের বিষয়, যে দেশে অতীতে এত এত মহান ফুটবলার খেলে গেছেন। প্রথম দিন থেকে আমার ওপর চিরন্তন আস্থা রাখার জন্য সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনকে ধন্যবাদ। আমাদের এই যাত্রা চলতেই থাকবে, কারণ এখনও অনেক কিছু অর্জন করা বাকি রয়েছে।”

দেশের রেকর্ড নিজের পকেটে পুরে ফরাসি ফরোয়ার্ডের লক্ষ্য এবার বৈশ্বিক ফুটবলের সবচেয়ে বড় ও মর্যাদাপূর্ণ রেকর্ডটির দিকে। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোলের পর ফুটবল বিশ্বকাপে এমবাপ্পের মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪-তে। ম্যাচ শেষে তিনি সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর পরবর্তী লক্ষ্য এবার আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসি এবং জার্মানির কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার বিশ্বকাপের সর্বকালীন সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি নিজের করে নেওয়া। চলতি আসরে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে মেসি এবং ক্লোসা বর্তমানে ১৬টি গোল নিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসের যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন। আর মাত্র দুটি গোল করলেই এমবাপ্পে তাঁদের এই মহাকাব্যিক রেকর্ড স্পর্শ করবেন।

বর্তমান দুর্দান্ত ফর্ম এবং মাত্র ২৭ বছর বয়সের সমীকরণ বিবেচনা করে ফুটবল বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মেসি ও ক্লোসার এই বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে দেওয়া এমবাপ্পের জন্য এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার। হয়তো চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপেই মেসিকে ছাড়িয়ে এককভাবে বিশ্বমঞ্চের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসন নিজের করে নেবেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। প্রথম ম্যাচেই এমন রেকর্ড গড়া শুরু করা এমবাপ্পের এই আগ্রাসী ক্ষুধা ফরাসি দলকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি ধরে রাখার অভিযানে মানসিকভাবে আরও বহুগুণ শক্তিশালী করে তুলবে।


নির্বাচিত

উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে কলম্বিয়ার দাপুটে বিশ্বকাপ শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিয়ে বড় কোনো চমক দেখানোর রঙিন স্বপ্ন ছিল নবাগত উজবেকিস্তানের। তবে তাদের সেই স্বপ্নকে লাতিন আমেরিকার মাঠের কঠোর বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিল শক্তিশালী কলম্বিয়া। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে উজবেক ডিফেন্সের প্রতিরোধ ভেঙে ৩-১ গোলের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে কলম্বিয়া। এই জয়ের সুবাদে গ্রুপে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে জায়গা করে নিল লাতিন আমেরিকার দেশটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের চেনা লাতিন ছন্দের আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে কলম্বিয়া। তবে প্রথমার্ধে উজবেকিস্তানের ডিফেন্ডাররা সুশৃঙ্খলভাবে কলম্বিয়ার ফরোয়ার্ডদের আটকে রেখেছিলেন। অবশেষে প্রথম গোলের দেখা পেতে কলম্বিয়াকে ম্যাচের ৪০তম মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। খেলার ৪০তম মিনিটে দলের তারকা ফরোয়ার্ড লুইস দিয়াজের নিখুঁত এক পাস থেকে বল পেয়ে চমৎকার গোল করে কলম্বিয়াকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন ড্যানিয়াল মুনোজ। এই এক গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় লাতিন দেশটি।

বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচে সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে আক্রমণের তীব্রতা বাড়াতে থাকে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা উজবেকিস্তান। সার্থকভাবে রক্ষণভাগ সামলে তারা পাল্টা আক্রমণ চালাতে শুরু করে এবং সেই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। উজবেকিস্তানের হয়ে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে সমতাসূচক গোলটি করেন আববোসবেক ফয়জুললভ। তবে এশিয়ান দলটির সেই আনন্দের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র পাঁচ মিনিট। খেলার ৬৫তম মিনিটে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করে কলম্বিয়াকে আবারও ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন লুইস দিয়াজ।

২-১ গোলে পিছিয়ে পড়ে দ্বিতীয়বার সমতায় ফিরতে উন্মুখ হয়ে ওঠে উজবেকিস্তানের আক্রমণভাগ। তবে ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে উজবেকদের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন জেমিনটন ক্যাম্পাজ। তাঁর দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে কলম্বিয়ার ৩-১ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। প্রথম ম্যাচেই এমন জয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করল কলম্বিয়া, অন্যদিকে হারের মুখ দেখে টেবিলের তলানিতে গিয়ে ঠেকতে হলো নবাগত উজবেকিস্তানকে।


নির্বাচিত

৯৫তম মিনিটের নাটকীয় গোলে পানামাকে হারাল ঘানা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘এল’-এর প্রথম ম্যাচে শেষ মুহূর্তের এক নাটকীয় গোলে পানামাকে হারিয়ে ১-০ ব্যবধানে শুভসূচনা করেছে আফ্রিকান পরাশক্তি ঘানা। কানাডার টরন্টোতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম পয়েন্ট পাওয়ার একেবারেই দ্বারপ্রান্তে ছিল পানামা। তবে ম্যাচজুড়ে চমৎকার খেলেও শেষরক্ষা হয়নি তাদের; যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে (৯৫ মিনিট) গোল হজম করে আক্ষেপ ও হারের ক্ষত নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে সেন্ট্রাল আমেরিকার এই দলটিকে।

অথচ পুরো ম্যাচজুড়ে বলের দখল ও আক্রমণের দিক থেকে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল পানামার। প্রায় ৬২ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখে তারা ঘানার গোলপোস্ট লক্ষ্য করে মোট ১১টি শট নিয়েছিল, যার বিপরীতে ঘানার শট ছিল মাত্র ৮টি। প্রথমার্ধের শুরুর দিকেই খেলার মাত্র দ্বিতীয় মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে বিপজ্জনক সুযোগটি তৈরি করেছিল পানামা। আমির মুরিলোর নিচু ক্রস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের মাঝখান থেকে জোরালো শট নিয়েছিলেন পানামা ফরোয়ার্ড সিসিলিও ওয়াটারম্যান। তবে ঘানার গোলরক্ষক লরেন্স আতি-জিগি ঝাঁপিয়ে পড়ে চমৎকার দক্ষতায় গোল হজম করা থেকে দলকে রক্ষা করেন। কয়েকটি শারীরিক সংঘর্ষের ধাক্কা সামলানোর পর আতি-জিগি প্রথমার্ধের বিরতিতেই মাঠ ছাড়লে ঘানার গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ান বদলি গোলরক্ষক বেঞ্জামিন আসারে।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে ম্যাচজুড়ে আসল নায়কের ভূমিকা পালন করেন বদলি গোলকিপার বেঞ্জামিন আসারে। শেষ ৪৫ মিনিটে গোলপোস্টে অতন্দ্র প্রহরী হয়ে তিনি পানামার নিশ্চিত তিনটি শট প্রতিহত করেন, যার মধ্যে দুটি ছিল ডি-বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া জোরালো আক্রমণ। আসারের এই দুর্দান্ত বীরত্বের পর ম্যাচের যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে কাঙ্ক্ষিত সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আসে ঘানার জন্য। বদলি খেলোয়াড় ব্রান্ডন থমাস আসান্তে আলগা বল পেয়ে বাম প্রান্ত দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে চমৎকারভাবে বল গোলমুখে ঠেলে দেন। সেখান থেকে ফরোয়ার্ড কালেব ইয়েরেঙ্কি এক নিখুঁত টোকায় বল জালে জড়িয়ে টরন্টোর স্টেডিয়ামে ঘানাকে ঐতিহাসিক জয় এনে দেন।

এই ম্যাচে ঘানা মাঠে নেমেছিল তাদের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার টমাস পার্টিকে ছাড়াই। ধর্ষণের অভিযোগে ভিসা-জটিলতায় পড়ে কানাডায় প্রবেশ করতে না পারায় বস্টনে দলের বেস ক্যাম্পেই অবস্থান করতে হয়েছে সাবেক এই আর্সেনাল তারকাকে। তবে পার্টির অনুপস্থিতিতেও ২০১০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালিস্ট ঘানা শেষ মুহূর্তের জয় নিয়ে গ্রুপ ‘এল’-এর গুরুত্বপূর্ণ ৩ পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়েছে। অন্য দিকে, ভালো পারফরম্যান্স দেখানোর পরও শেষ মুহূর্তের অসাবধানতায় ১ পয়েন্ট হাতছাড়া হওয়ায় মাঠ ছাড়ার সময় পানামার খেলোয়াড়দের চোখে-মুখে হতাশার ছাপ স্পষ্ট ছিল।


নির্বাচিত

কেইনের জোড়া গোলের রাতে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারাল ইংল্যান্ড

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার পাশাপাশি দুর্দান্ত জয়ে আসর শুরু করেছে ইংল্যান্ড। গ্রুপ ‘এল’-এর হাইভোল্টেজ ম্যাচে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের জোড়া গোল ও অসামান্য নৈপুণ্যে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়েছে ‘থ্রি লায়ন্স’রা। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হারের দীর্ঘদিনের আক্ষেপ কিছুটা হলেও মেটাতে পেরেছে ইংলিশরা। একই সঙ্গে গ্রুপ ‘এল’-এর পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান দখল করে পরবর্তী রাউন্ডের পথ সহজ করে রাখল থমাস টুখেলের শিষ্যরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের তীব্র আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে লড়াই জমে ওঠে। খেলার ১২তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর ননি মাদুয়েকেকে ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক লুকা মদরিচ ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। হ্যারি কেইনের প্রথম পেনাল্টি শটটি ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক দমিনিক লিভাকোভিচ ঠেকিয়ে দিলেও, শট নেওয়ার পূর্বে তিনি গোললাইন ছেড়ে বেরিয়ে আসায় রেফারি পুনরায় পেনাল্টি নেওয়ার নির্দেশ দেন। দ্বিতীয় সুযোগে অবশ্য কোনো ভুল করেননি কেইন; চমৎকার শটে গোল করে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বকাপের ইতিহাসে (টাইব্রেকার বাদে) সর্বোচ্চ ৫টি পেনাল্টি গোল করার একক বিশ্ব রেকর্ড গড়েন তিনি। তবে ৩৬তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে মার্তিন বাতুরিনার চোখধাঁধানো শটে ১-১ সমতায় ফেরে ক্রোয়েশিয়া। এরপর প্রথমার্ধের শেষভাগে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে দারুণ হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন কেইন। যদিও প্রথমার্ধের যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে (৪৫+৫ মিনিট) পেতার মুসা গোল করলে ২-২ সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।

গোল ও নাটকীয়তায় ভরা প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারও চালকের আসনে বসে ইংল্যান্ড। খেলার ৪৭তম মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে এককভাবে দ্রুতগতিতে ক্রোয়েশিয়ার ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন জুড বেলিংহাম এবং এক কোনাকুনি শটে বল জালে জড়িয়ে দলকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে নেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। দ্বিতীয়বার পিছিয়ে পড়ার পর ক্রোয়েশিয়া সমতায় ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা চালালেও ইংলিশ রক্ষণভাগের সতর্ক অবস্থানের কারণে সফল হতে পারেনি। পরবর্তীতে ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে স্কোরলাইন ৪-২ করেন ফরোয়ার্ড মার্কাস রাশফোর্ড। তাঁর এই দুর্দান্ত গোলের সুবাদেই ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের বড় জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।

এদিন ইংল্যান্ডের শুরুর একাদশে জর্ডান পিকফোর্ড, রিস জেমস, জন স্টোনস ও ডেকলান রাইসের মতো নিয়মিত তারকাদের পাশাপাশি তরুণেরা দলে ছিলেন, অন্য দিকে ক্রোয়েশিয়ার হয়ে মাঠে নেমেছিলেন ইওস্কো গভার্দিওল, ইভান পেরিসিচ, মারিও পাসালিচ এবং অধিনায়ক লুকা মদরিচের মতো অভিজ্ঞ ফুটবলাররা। তবে শেষ পর্যন্ত ক্রোয়াটদের অভিজ্ঞ স্কোয়াডকে পরাস্ত করে গুরুত্বপূর্ণ ৩ পয়েন্ট তুলে নেয় ইংল্যান্ড। প্রথম ম্যাচেই এমন বড় জয়ে আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে যাওয়া ইংল্যান্ডের লক্ষ্য এখন আগামী ম্যাচগুলোতেও এই জয়ের ধারা বজায় রাখা।


নির্বাচিত

পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ডিআর কঙ্গোর ঐতিহাসিক ড্র

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের অন্যতম শক্তিশালী দল পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ঐতিহাসিক এক ড্র আদায় করে নিয়েছে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ৪৮তম স্থানে থাকা ডিআর কঙ্গো। বুধবার (১৭ জুন) রাতে অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের এই ম্যাচটি ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয়েছে। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে গোল করে দুর্দান্ত সূচনা করলেও পরবর্তীতে কঙ্গোর রক্ষণভাগ ভাঙতে ব্যর্থ হন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও ভিতিনাহরা। এই ড্রয়ের মাধ্যমে পর্তুগাল পয়েন্ট ভাগাভাগি করে তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করলেও ডিআর কঙ্গো অর্জন করেছে তাদের ফুটবল ইতিহাসের এক গৌরবময় মাইলফলক।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য বজায় রাখে পর্তুগাল। এরই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের মাত্র ষষ্ঠ মিনিটে গোল পেয়ে এগিয়ে যায় তারা। বাম দিক থেকে পর্তুগিজ উইঙ্গার পেদ্রো নেতোর একটি নিখুঁত ক্রসে দারুণ হেডে বল কঙ্গোর জালে জড়িয়ে দেন তরুণ মিডফিল্ডার জোয়াও নেভেস। শুরুর এই গোলের পরও পর্তুগাল খেলার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখলেও ডিফেন্ডার ও অধিনায়ক চ্যান্সেল এমবেম্বার নেতৃত্বে কঙ্গোর রক্ষণভাগ ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ায় এবং তাদের আক্রমণভাগের ফুটবলার ইয়োয়ান উইসা বেশ কয়েকটি পাল্টা আক্রমণ শানাতে শুরু করেন।

প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয় কঙ্গো। অতিরিক্ত সময়ের চতুর্থ মিনিটে (৪৫+৪ মিনিট) একটি কর্নার আদায় করে নেয় আফ্রিকার দলটি। ডান দিক থেকে উড়ে আসা ক্রসে ফার পোস্টে সম্পূর্ণ ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা উইসা দারুণভাবে উঁচুতে লাফিয়ে এক শক্তিশালী হেডে লক্ষ্যভেদ করেন। এই গোলের মাধ্যমে পর্তুগালের বিপক্ষে সমতা ফেরার পাশাপাশি রচিত হয়েছে নতুন এক ইতিহাস। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই ডিআর কঙ্গোর প্রথম গোল। এর আগে একটি আসরে অংশ নিলেও কোনো গোল করতে পারেনি দলটি, উল্টো ১৪টি গোল হজম করতে হয়েছিল তাদের।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে সমতা ভাঙার জন্য আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেয় পর্তুগাল। একের পর এক আক্রমণ তৈরি করলেও স্ট্রাইকারদের ফিনিশিংয়ের দুর্বলতার কারণে গোলমুখ উন্মুক্ত করতে পারছিল না ফেভারিটরা। বিপরীতে কঙ্গো তাদের রক্ষণভাগ জমাট রেখে অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে পাল্টা আক্রমণের ওপর জোর দেয়। পর্তুগালের আক্রমণগুলো বারবার কঙ্গোর ডিফেন্ডারদের প্রতিরোধে প্রতিহত হয়ে যায়। শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত কোনো দলই আর গোল করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।


নির্বাচিত

প্রথম টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারাল অস্ট্রেলিয়া

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে টি-টুয়েন্টি সিরিজ শুরু করলেও প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছে বাংলাদেশ দল। তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪ উইকেটের ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিকেরা। নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসের ইনজুরির কারণে এই ম্যাচে প্রথমবারের মতো অধিনায়কত্ব করতে নামেন তাওহিদ হৃদয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৯ ওভারে ১৩১ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। জবাবে ১০ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।

এদিন প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিলেও বেশি দূর এগোতে পারেনি বাংলাদেশের টপ-অর্ডার। ৩ ওভারের মাথায় তানজিদ হাসান তামিম আউট হওয়ার পর সাইফ হাসান ১৪ বলে ২০ রান করে বিদায় নেন। এরপর তাওহিদ হৃদয় ও সৌম্য সরকার দ্রুত ফিরে গেলে ৬৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। পাঁচে নামা পারভেজ হোসেন ১০ রান এবং শামীম হোসেন ১ রান করে আউট হলে ব্যাটিং লাইনআপ বেশ চাপের মুখে পড়ে। অভিষিক্ত আবদুল গাফফার সাকলায়েন ১০ রান করে আউট হলে এক শ পার করার আগেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে টাইগাররা। তবে শেষ জুটিতে মেহেদী হাসানের ২২ বলে অপরাজিত ২৯ রানের সময়োপযোগী ইনিংসে ভর করে ১৩১ রানের লড়াই করার মতো পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

১৩২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে অজিরা কিছুটা চাপে পড়লেও তরুণ অলরাউন্ডার কুপার কনোলির ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ম্যাচ সহজেই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় তারা। দলীয় ১৩ রানে ওপেনার জস ইংলিশকে বোল্ড করে প্রথম আঘাত হানেন শরীফুল ইসলাম। এরপর ১৩ রান করা অধিনায়ক মিচেল মার্শকে সাজঘরে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। তবে আগের ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করা ২২ বছর বয়সী কুপার কনোলি টি-টুয়েন্টিতেও তাঁর আগ্রাসী ফর্ম বজায় রাখেন। আউট হওয়ার আগে ২৭ বলে ৪৭ রানের এক কার্যকর ও বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন তিনি।

শেষদিকে টিম ডেভিডকে ফিরিয়ে দিয়ে লড়াই জমিয়ে তোলার চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ। বিশেষ করে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা পেস বোলিং অলরাউন্ডার আবদুল গাফফার সাকলায়েন ৪৭ রান করা কনোলিসহ মোট ২টি উইকেট শিকার করে নজর কেড়েছেন। তবে বোলারদের নিয়ন্ত্রিত নৈপুণ্য সত্ত্বেও অজিদের জয়ের পথে বড় বাধা সৃষ্টি করা যায়নি। ১০ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে গাফফার ২টি এবং শরীফুল, মোস্তাফিজ ও শেখ মেহেদী ১টি করে উইকেট নেন। এই হারের পর সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে পরের ম্যাচে কঠোর পরীক্ষা দিতে হবে তাওহিদ হৃদয়ের দলকে।


নির্বাচিত

banner close