শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
২১ কার্তিক ১৪৩৩

জো রুটকে থামানোর পথ খুঁজে পাচ্ছে না শ্রীলঙ্কা

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৭:৩৯

ঘরের মাটিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে রীতিমতো উড়ছেন ইংলিশ ব্যাটার জো রুট। তার ব্যাটে বইছে রান বন্যা। লর্ডসে তো রুটের ব্যাট ছিল সুক্ষ্ম তলোয়ারের মতো। তাকে থামাতে শ্রীলঙ্কার কোনো পরিকল্পনাই কাজে আসছে না। নানা পরিকল্পনা কিংবা ছক একেও ব্যর্থ লঙ্কান শিবির। রুটের সামনে যে কোনো পরিকল্পনাই কাজে আসছে না সেটা অকপটে স্বীকার করে নিলেন না। শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান দিমুথ কারুনারাত্নে।

ইংল্যান্ড সফরে দুই টেস্ট খেলে এখনো জয়ের মুখ দেখেনি শ্রীলঙ্কা। তিন ম্যাচের সিরিজে দুই ম্যাচ হেরে হোয়াইটওয়াশের অপেক্ষায় আছে এখন শ্রীলঙ্কা। এর পেছনের অন্যতম নায়ক সেই জো রুট। দুই ম্যাচেই বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন তিনি। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে প্রথম টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪২ রানে আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৬২ রান করেছিলেন। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্ট ছিল তো পুরোপুরিই রুটময়। জোড়া সেঞ্চুরিতে অনেক রেকর্ডে নিজের নাম লেখান তিনি। ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি শতরানের রেকর্ডে পেছন ফেলে দেন অ্যালেস্টার কুককে।

চার ইনিংসে ১১৬.৬৬ গড়ে রুটের রান এখন ৩৫০। সিরিজে রানের তালিকায় তার পেছনে থাকা কামিন্দু মেন্ডিসের রান কেবল ২০৩। এ সিরিজেই প্রথম নয়, গত কয়েক বছরে বরাবরই শ্রীলঙ্কাকে পেলে রুট হয়ে ওঠেন অপ্রতিরোধ্য। সবশেষ ১১ ইনিংসেই লঙ্কানদের চোখের জল নাকের জল এক করে তিনি সেঞ্চুরি করেছেন ৫টি। তার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি ব্যাটিং গড় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই, ১২ টেস্টে ৬৭.৫৫। সব দেশের মধ্যে সবচেয়ে ভালো ব্যাটিং গড় তার শ্রীলঙ্কাতেই। সেখানে তার গড় ৬৫.৫০, অথচ নিজ দেশে গড় ৫৫.৬৪। সব মিলিয়ে রুট যে লঙ্কানদের জন্য ভয়ঙ্কর এক মাথাব্যথার নাম, সেটি ফুটে উঠল তৃতীয় টেস্টের আগে কারুনারাত্নের কথায়। তিনি বলেন, ‘জো রুটেক থামাতে বেশ কিছু চেষ্টা আমরা করেছি, কিন্তু সবকটিই ব্যর্থ হয়েছে। এই ম্যাচগুলির টার্নিং পয়েন্ট ছিল জো রুটের ইনিংসগুলোই। এমনকি গলে যখন আমরা খেলেছি, তখনও সে বড় ইনিংস খেলেছে। অন্য ব্যাটাররা এত বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। তার রান যতটা সম্ভব কমাতেই হবে আমাদের।’

রুটকে থামানোর সম্ভাব্য একটি পথ বাতলে দিলেন ৯৩ টেস্ট খেলা ব্যাটসম্যান করুনারাত্নে। তিনি বলেন, ‘তার অতীতের পারফরম্যান্স আরও নিবিড়ভাবে দেখতে হবে আমাদের। খেয়াল করতে হবে কীভাবে সে আউট হয়েছে, ক্রিজে সে কোন ধরনের কাজ করে। এসবের ওপর ভিত্তি করে পরিকল্পনা গড়তে হবে আমাদের।’ ‘কখনো কখনো আমরা হয়তো তাকে একটু বেশি আক্রমণ করি, সে সেটার ফায়দা নেয়। অনেক ব্যাটসম্যানই মাঝেমধ্যে কম আগ্রাসী হতে পছন্দ করে না। কখনও কখনও ব্যাটসম্যানদের বিরক্ত করে তোলাও একটি কার্যকর কৌশল।’- যোগ করেন করুণারাত্নে।


নির্বাচিত

ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ২২:০৭
ক্রীড়া ডেস্ক

ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসরে শুভসূচনা করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। বৃহস্পতিবার পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দিনের দ্বিতীয় ও নিজেদের প্রথম ম্যাচে বদলি ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ ইব্রাহিমের একমাত্র গোলে জয় নিশ্চিত করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এর আগে বিকেলে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় পাকিস্তানকে ৩-২ গোলে হারায় ভারত। ওই ম্যাচ শেষে সন্ধ্যায় মাঠে বসে জাঁকজমকপূর্ণ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান; যেখানে আতশবাজির ঝলকানির মধ্য দিয়ে ট্রফি উন্মোচন করেন ২০০৩ সালের সাফজয়ী অধিনায়ক ও বর্তমান সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এই জয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের আধিপত্য আরও বাড়াল বাংলাদেশ; সাফের ইতিহাসে ভুটানের বিপক্ষে আগের সাত দেখায় ছয়টি জয় ও একটি ড্র নিয়ে অপরাজিত থাকার ধারাবাহিকতা বজায় রাখল দলটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই ঘরের মাঠে আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। খেলার ১৭তম মিনিটে প্রথম সুযোগ তৈরি হয়, যখন ডান প্রান্ত থেকে রাকিব হোসেনের চমৎকার ক্রসে ডি-বক্সের সামনে লাফিয়ে হেড নেন এই ম্যাচে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলা ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষ, তবে বল পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। এরপর ২৫তম মিনিটে ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের শট ফিরিয়ে দেন ভুটানের গোলরক্ষক এবং ফিরতি বলে সমিতের জোরালো শট প্রতিপক্ষের রক্ষণে প্রতিহত হয়। ওই মুহূর্তেই পেনাল্টি বক্সে হ্যান্ডবলের দাবি তুলেছিল বাংলাদেশ, তবে রেফারির সাড়া মেলেনি। প্রথমার্ধের ৩৯তম মিনিটে রাকিবের দারুণ এক রক্ষণচেরা পাস ধরে বিশ্বনাথ শট নিলেও তা গোলপোস্টের পাশ দিয়ে চলে যায়, ফলে গোলশূন্য অবস্থাতেই বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতির পর ফাহিমের পরিবর্তে প্রবাসী ফুটবলার ফাহামেদুল ইসলামকে মাঠে নামান প্রধান কোচ থমাস ডুলি। তবে ম্যাচের ৪৫ থেকে ৬৪ মিনিট পর্যন্ত মধ্যমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করে নিয়ে উল্টো বাংলাদেশের রক্ষণভাগে কয়েকবার ভীতি ছড়ায় ভুটান। পরিস্থিতি বদলাতে ৬৫তম মিনিটে একসঙ্গে দুটি পরিবর্তন আনেন কোচ; অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার জায়গায় সোহেল রানা এবং বিশ্বনাথকে তুলে নিয়ে মাঠে নামানো হয় ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে। এই পরিবর্তনের সুফল মেলে দ্রুতই। ওই মিনিটেই বাম প্রান্ত ধরে ফাহামেদুল বক্সে ঢুকে জোরালো শট নিলেও তা ফিস্ট করে ফিরিয়ে দেন ভুটানি গোলরক্ষক গিয়েলশেন জাংপো।

খেলার কাঙ্ক্ষিত মুহূর্তটি আসে ৬৮তম মিনিটে। বক্সের বাইরে থেকে জায়ানের বাড়ানো লম্বা পাসে রাকিবের হেডের পর সমিতের ফিরতি হেড ভুটানের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে সুবিধাজনক স্থানে পেয়ে যান বদলি নামা ইব্রাহিম। ফর্মে থাকা ফর্টিস এফসির এই ফুটবলার নিখুঁত ডান পায়ের শটে বল জালে জড়িয়ে বাংলাদেশকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন। ম্যাচের বাকি সময় এই এক গোলের লিড দক্ষতার সঙ্গে সামলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। গ্রুপ পর্বে নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে আগামী ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ; তার আগে আগামী ৮ নভেম্বর গ্রুপের অন্য ম্যাচে লড়বে শ্রীলঙ্কা ও ভুটান।


নির্বাচিত

বায়ার্নে ২০২৯ পর্যন্ত চুক্তি বাড়ালেন হ্যারি কেইন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অধিনায়ক হ্যারি কেইনের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। পূর্বের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস বাকি থাকতেই এই চুক্তি নবায়ন সম্পন্ন করেছে বাভারিয়ানরা। নতুন চুক্তি অনুযায়ী, ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা স্ট্রাইকার ২০২৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বায়ার্নেই থাকছেন। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বুন্দেসলিগার রেকর্ড চ্যাম্পিয়নরা। নতুন এই চুক্তির মধ্য দিয়ে তিনি ইউরোপের ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত খেলোয়াড় হতে যাচ্ছেন।

ক্লাবের পক্ষ থেকে আর্থিক অঙ্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করা হলেও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, বোনাস ছাড়া বছরে প্রায় ৩১ মিলিয়ন ইউরোর বেশি বেতন পাবেন কেইন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৩৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকার সমান। এর আগে ক্লাবটিতে তাঁর বার্ষিক বেতন ছিল ২৫ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ৩৫০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। এই বেতন বৃদ্ধির ফলে তিনি ইউরোপের সব লিগ মিলিয়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে আয়ের শীর্ষে উঠে এলেন।

দলীয় শিরোপার অন্বেষণে ২০২৩ সালে সাবেক ক্লাব টটেনহ্যাম হটস্পার ছেড়ে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দিয়েছিলেন হ্যারি কেইন। জার্মানিতে আসার পর থেকেই তিনি গোলবন্যার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন এবং ক্লাবটির হয়ে এ পর্যন্ত ১৬১ ম্যাচে অংশ নিয়ে ১৫৬টি গোল করেছেন। বায়ার্নের জার্সিতে তিনি ইতিমধ্যে দুটি বুন্দেসলিগা, একটি জার্মান কাপ এবং দুটি সুপার কাপের শিরোপা জিতেছেন। ব্যক্তিগত অর্জনেও তাঁর সময়টা দারুণ কাটছে; গত সপ্তাহেই পঞ্চম ইংরেজ ফুটবলার হিসেবে ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্বীকৃতি ব্যালন ডি’অর জিতেছেন তিনি।

বায়ার্নের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে যুক্ত থাকতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন হ্যারি কেইন। চুক্তি স্বাক্ষরের পর তিনি জানান, বায়ার্ন মিউনিখ এখন তাঁর ঘরের মতোই হয়ে উঠেছে। ক্লাব, সমর্থক এবং মিউনিখ শহরের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর পরিবারও এই শহরে অত্যন্ত সুখে দিন কাটাচ্ছে। ক্লাবের হয়ে আগামী দিনগুলোতে আরও অনেক বড় শিরোপা জয় করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।


নির্বাচিত

জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে প্রথম দিন শেষে শক্ত অবস্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনে শুরুতে আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত হতাশায় দিন পার করেছে বাংলাদেশ। টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নেমে পেসারদের কল্যাণে শুরুতেই সফরকারীদের চেপে ধরেছিল স্বাগতিকরা। তবে সেই ছন্দ ধরে রাখতে না পারায় আমির জাঙ্গুর দায়িত্বশীল অপরাজিত শতকে ভর করে বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মিরপুর টেস্টের মতো সিলেটেও আলোকস্বল্পতার কারণে দিনের খেলা বেশ আগেই সমাপ্ত ঘোষণা করতে হয়; প্রথম দিনে সব মিলিয়ে মাঠে গড়িয়েছে ৭০ ওভার। দিন শেষে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান সংগ্রহ করেছে ক্যারিবীয়রা।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই তীব্র বিপর্যয়ে পড়েছিল সফরকারী দল। দলীয় ১৩ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর মাত্র ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে তারা। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনার ব্র্যান্ডন কিংকে (৯) বোল্ড করে প্রথম আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। এরপর ক্রিজে এসে টিকতে পারেননি কাভেম হজ; ব্যক্তিগত ১ রানে তিনি অপর পেসার হাসান মাহমুদের বলে বোল্ড হন। নবম ওভারে জশুয়া ডা সিলভাকে (১২) ফিরিয়ে নিজের দ্বিতীয় শিকার নিশ্চিত করেন তাসকিন। দিনের পতন হওয়া চার উইকেটের দুটি করে ভাগ করে নেন এই দুই টাইগার পেসার।

চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে চতুর্থ উইকেটে ১৩১ রানের দুর্দান্ত এক জুটি গড়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন আমির জাঙ্গু ও অভিষিক্ত ব্যাটার কেভিন উইকহ্যাম। ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট খেলতে নেমে আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নেন উইকহ্যাম। উইকহ্যামকে ৬১ রানে বোল্ড করে এই বিপজ্জনক জুটি ভাঙেন হাসান মাহমুদ; ১৪৫ বলের ইনিংসে তিনি ৫টি চারের মার মারেন। উইকহ্যামের বিদায়ের পর পঞ্চম উইকেটে জাস্টিন গ্রিভসকে সঙ্গী করে দলকে এগিয়ে নেন জাঙ্গু। স্পিনার তাইজুল ইসলামের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ১৪৯ বলে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতক তুলে নেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে এশিয়ার মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাত্র তৃতীয় কিপার-ব্যাটার হিসেবে টেস্ট সেঞ্চুরির বিরল কীর্তি গড়েন আমির জাঙ্গু। দিন শেষে ১৭১ বলে ১১টি চার ও দুটি ছক্কায় ১১১ রানে অপরাজিত আছেন জাঙ্গু এবং অপরপ্রান্তে ৬২ বলে ৩৫ রান নিয়ে অপরাজিত রয়েছেন গ্রিভস।

ম্যাচটিতে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ ও একাদশ নির্বাচন নিয়েও নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিলেটের উইকেটে সাধারণত তিন পেসার নিয়ে খেললেও মিরপুর টেস্টে পরাজয়ের পর এই ম্যাচে দুই পেসার ও তিন বিশেষজ্ঞ স্পিনার নিয়ে দল সাজায় বাংলাদেশ। তবে পেসাররা সুযোগ তৈরি করলেও পুরো দিনে স্পিনাররা ছিলেন একেবারেই নিষ্প্রভ। তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাঈম হাসানদের কেউই উইকেটের দেখা পাননি। স্পিনারদের এমন ব্যর্থতায় প্রথম সেশনের সুবিধাজনক অবস্থান হাতছাড়া করে দিনশেষে উল্টো ব্যাকফুটে চলে যেতে হয়েছে বাংলাদেশকে।


নির্বাচিত

সাফের উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্তানকে ৩-২ গোলে হারাল ভারত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্তানকে ৩-২ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে ভারত। এর মধ্য দিয়ে ঠিক ২২ বছর আগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফে হারের প্রতিশোধ নিল দলটি। এর আগে ২০০৩ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী, যেখানে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল পাকিস্তান। দীর্ঘ ২২ বছর পর ২০২৬ সালের সাফে আবারও সেই ঢাকার মাঠেই আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়ে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল ভারত।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিয়ে প্রথমার্ধেই বড় ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারতীয় দল। খেলার ১৩তম মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে বাড়ানো পাসে আলতো ছোঁয়ায় বল জালে জড়িয়ে ভারতকে প্রথম লিড এনে দেন মুহাম্মদ সুহাইল ভাট। এর ঠিক ছয় মিনিট পর অর্থাৎ ১৯তম মিনিটে পাকিস্তানি ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে একক দক্ষতায় নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন তিনি। এরপর ম্যাচের ৩০তম মিনিটে দূরপাল্লার শটে ম্যাংলেংথাম কিপজেন গোল করলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। তবে খেলার ৩৪তম মিনিটে ম্যাচে ফেরার দারুণ এক সুযোগ পায় পাকিস্তান; কিন্তু দলটির খেলোয়াড় শায়ক দোস্তের নেওয়া পেনাল্টি শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে গেলে কোনো গোল না পেয়েই বিরতিতে যেতে হয় তাদের।

দ্বিতীয়ার্ধের নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর্যন্ত তিন গোলের লিড ধরে রাখে ভারত। তবে রেফারি অতিরিক্ত চার মিনিট ইনজুরি সময় যোগ করতেই নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। ম্যাচের ৯১তম মিনিটে চমৎকার এক ফিনিশিংয়ে পাকিস্তানের হয়ে টুর্নামেন্টের প্রথম গোলটি করেন নাজিব উল্লাহ। এর মাত্র দুই মিনিট পর ৯৩তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর থেকে দুর্দান্ত এক ভলিতে আলমগীর গাজী বল জালে জড়ালে স্কোরলাইন ৩-২ হয়ে যায়। ইনজুরি সময়ে এই দুই গোল পাকিস্তান শিবিরে রোমাঞ্চ ফেরালেও শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিসের খেসারত দিয়ে এক গোলের হার নিয়েই তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।

এর আগে ২০০৯ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সাফ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজক হলেও ওই দুই আসরে ভারত ও পাকিস্তান অংশ নেওয়া সত্ত্বেও পরস্পরের মুখোমুখি হতে পারেনি। ফলে ২০০৩ সালের পর এই প্রথম ঢাকার মাটিতে সাফের কোনো ম্যাচে লড়ল দল দুটি। সম্প্রতি ক্রিকেটের ময়দানে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে হাত মেলানো বা হ্যান্ডশেক নিয়ে বিতর্ক দেখা গেলেও এদিনের ফুটবল ম্যাচে উভয় দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে দারুণ সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি দেখা গেছে। ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়রা একে অপরের সঙ্গে করমর্দন করেন এবং খেলা চলাকালে কেউ আহত হলে প্রতিপক্ষ দলের ফুটবলারদের তাৎক্ষণিক সহায়তায় এগিয়ে আসতে দেখা যায়।


নির্বাচিত

জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা রোনালদোর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন আধুনিক ফুটবলের অন্যতম মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার কথা জানান ৪১ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, চলতি নভেম্বর মাসের আন্তর্জাতিক বিরতির ম্যাচগুলো শেষেই তিনি পর্তুগালের জাতীয় দলের ঐতিহ্যবাহী ‘৭ নম্বর’ জার্সিটি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে রাখবেন।

জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ ২৩ বছরের ক্যারিয়ারে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো মোট ২৩৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ১৪৬টি গোল করেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে পুরুষ বিভাগে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা এবং এককভাবে সর্বোচ্চ গোল করার বিশ্বরেকর্ড দুটি এখন পর্যন্ত তাঁর দখলেই রয়েছে। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পর্তুগালের আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন।

রোনালদোর নেতৃত্বেই পর্তুগাল তাদের আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসের সেরা সাফল্যগুলো অর্জন করে। ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে দলকে প্রথমবারের মতো কোনো বড় আন্তর্জাতিক ট্রফি এনে দেন এই অধিনায়ক। এ ছাড়া তাঁর বলিষ্ঠ ভূমিকায় উয়েফা নেশনস লিগের ২০১৯ এবং ২০২৫ সালের আসরের শিরোপা ঘরে তোলে পর্তুগাল, যা ইউরোপিয়ান ফুটবলে দেশটির আধিপত্যকে অনন্য রূপ দেয়।

অবসরের ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন রোনালদো, যার ক্যাপশনে তিনি লেখেন—পর্তুগাল সবসময়ই তাঁর অস্তিত্বের একটি অংশ হয়ে থাকবে। জাতীয় দলের সঙ্গে দীর্ঘ এই পথচলায় নিজের পরিবার, সহখেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং পর্তুগালের জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। আবেগঘন বার্তায় রোনালদো বলেন, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া মোটেও সহজ ছিল না; কারণ কিছু সিদ্ধান্ত কেবল মস্তিষ্ক দিয়ে নেওয়া যায় না, হৃদয় থেকেও নিতে হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তাঁর খেলা বা গোল যদি কখনো সমর্থকদের আনন্দ দিয়ে থাকে, কাউকে জড়িয়ে ধরার উপলক্ষ এনে দেয়, কারও দুঃখ ভোলাতে পারে কিংবা দেশকে নিয়ে গর্বিত করে থাকে—তবেই তাঁর পুরো ক্যারিয়ার সার্থক হয়েছে।


নির্বাচিত

বিগ ব্যাশে প্রথমবার খেলবেন মুস্তাফিজ, দলে নিল মেলবোর্ন রেনেগেডস

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে আলো ছড়ালেও অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগে (বিবিএল) খেলার অভিজ্ঞতা ছিল না বাংলাদেশের অভিজ্ঞ পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রথমবারের মতো বিগ ব্যাশে মাঠে নামতে যাচ্ছেন তিনি। টুর্নামেন্টের আসন্ন আসরের জন্য বাঁহাতি এই তারকা পেসারকে দলে অন্তর্ভুক্ত করেছে মেলবোর্ন রেনেগেডস। ৩১ বছর বয়সী মুস্তাফিজ টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ৩৩১টি ম্যাচ খেলে শিকার করেছেন ৪২৩টি উইকেট। রেনেগেডসের নিয়মিত পেসার জেসন বেহরেনডর্ফ কাঁধের গুরুতর ইনজুরিতে পড়ে পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে যাওয়ায় পেস আক্রমণে বৈচিত্র্য আনতে এই টাইগার পেসারকে দলে নিয়েছে মেলবোর্ন ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টির (আইএলটি-২০) পূর্বনির্ধারিত ব্যস্ততার কারণে পার্থ স্কোর্চার্সের বিপক্ষে রেনেগেডসের আসরের প্রথম ম্যাচে অংশ নিতে পারবেন না মুস্তাফিজ। তবে আগামী ১ জানুয়ারি মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) সিডনি সিক্সার্সের বিপক্ষে এবং ৪ জানুয়ারি মেলবোর্ন স্টার্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। ক্লাবের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে মুস্তাফিজ জানান, প্রথমবারের মতো বিগ ব্যাশে অংশ নিতে তিনি ভীষণ মুখিয়ে আছেন। এমসিজির মতো বিশ্বখ্যাত আইকনিক ভেন্যুকে হোম গ্রাউন্ড হিসেবে পাওয়াকে দারুণ অনুভূতি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সতীর্থদের সঙ্গে যোগ দিতে এবং নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে দলের জয়ে অবদান রাখতে প্রস্তুত বলে জানান।

রেনেগেডসের নতুন প্রধান কোচ লুক রঞ্চি জনি বেয়ারস্টো ও মাইকেল ব্রেসওয়েলের মতো তারকাবহুল স্কোয়াডে মুস্তাফিজের মতো একজন পরীক্ষিত পারফর্মারকে পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রঞ্চি উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে মুস্তাফিজ একজন প্রমাণিত ম্যাচ উইনার। বিশেষ করে ম্যাচের পাওয়ারপ্লে এবং ডেথ ওভারে সমান দক্ষতায় উইকেট শিকার করার যে সহজাত সামর্থ্য তাঁর রয়েছে, দলের বোলিং আক্রমণের সেই নির্দিষ্ট ঘাটতিটি মুস্তাফিজের অন্তর্ভুক্তিতে পূরণ হবে বলে মনে করেন কোচ।

এদিকে মুস্তাফিজের আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঠে টানতে বিশেষ এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মেলবোর্ন রেনেগেডস কর্তৃপক্ষ। আগামী ১ ও ১৬ জানুয়ারি ঐতিহাসিক এমসিজিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য গ্যালারিতে ‘দ্য ফিজ বে’ নামের বিশেষ অঞ্চল নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি লাল-সবুজের সমর্থকদের সুবিধার্থে ‘FIZZBAY’ প্রোমো কোড ব্যবহার করে প্রথম ২০০টি ফ্যামিলি টিকিট ক্রয়ে ৫০ শতাংশ বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এবারের আসরে মুস্তাফিজ ছাড়াও বিগ ব্যাশে দেখা যাবে বাংলাদেশের তরুণ লেগস্পিনার রিশাদ হোসেনকে, যিনি হোবার্ট হ্যারিকেন্সের জার্সিতে মাঠ মাতাবেন। ফলে এবারের বিগ ব্যাশে বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর থাকবে বিশেষভাবে।


নির্বাচিত

এপিএলের ড্রাফটে দল পেলেন সাকিব ও নাহিদ রানা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে অনুষ্ঠিত আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের (এপিএল) খেলোয়াড় ড্রাফটে দল পেয়েছেন বাংলাদেশের দুই তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও নাহিদ রানা। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই ড্রাফটের ডায়মন্ড ক্যাটাগরি থেকে এই দুই ক্রিকেটারকে নিজেদের ডেরায় ভিড়িয়েছে টুর্নামেন্টের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।

ড্রাফটের ডায়মন্ড ক্যাটাগরি থেকে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে দলে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘নাঙ্গাহার কসমিক’। সাকিবের অন্তর্ভুক্তির পরপরই একই ক্যাটাগরি থেকে দল পান বাংলাদেশের তরুণ ডানহাতি গতি তারকা নাহিদ রানা। আসন্ন এই আসরে তাঁকে দেখা যাবে ‘টিম পাকতিয়া’র জার্সিতে।

ড্রাফটের প্রাথমিক পর্বে এই দুই ক্রিকেটার দল পেলেও এখনও অনেকগুলো ক্যাটাগরির খেলোয়াড় নির্বাচন প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে। ফলে চলমান ড্রাফট থেকে আরও বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের বিভিন্ন দলে ডাক পাওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, এবারের এপিএল ড্রাফটে অংশ নিতে চারটি পৃথক ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের মোট ৩০ জন ক্রিকেটার নিবন্ধন করেছিলেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্ল্যাটিনাম ও ডায়মন্ড ক্যাটাগরিতে ছিলেন পাঁচজন করে ক্রিকেটার। এ ছাড়া গোল্ড ক্যাটাগরিতে ১৩ জন এবং সিলভার ক্যাটাগরিতে সাতজন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের নাম রয়েছে।


নির্বাচিত

১৭ মিনিটে ৪ গোলের রেকর্ড গড়ে পিএসজির বড় জয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে স্প্যানিশ ক্লাব ভিয়ালিয়ালকে ৬-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে টানা তৃতীয় শিরোপার মিশনে শতভাগ জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। টুর্নামেন্টের গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়নরা ম্যাচের শুরুর ১৭ মিনিটেই চার গোল করে কার্যত প্রতিপক্ষকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়। জোয়াও নেভেস, দেসিরে দুয়ে ও সেনি মায়ুলুর পর ফ্যাবিয়ান রুইজের লক্ষ্যভেদে মাত্র ১৭ মিনিটেই স্কোরলাইন ৪-০ করে পিএসজি। এর মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে চার গোল করার নতুন রেকর্ড গড়ল ফরাসি জায়ান্টরা। এর আগের রেকর্ডটি ছিল রিয়াল মাদ্রিদের দখলে; ২০১১ সালে ডায়নামো জাগরেবের বিপক্ষে ২০ মিনিটে চার গোল করেছিল তারা।

ম্যাচে পিএসজির করা চতুর্থ গোলটি ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে এনে দিয়েছে আরেকটি অনন্য রেকর্ড। আসরে নিজেদের চার ম্যাচে কোনো দলের সর্বোচ্চ ১৮ গোলের মাইলফলক এটি। আগের ম্যাচগুলোতে স্লোভান ব্রাতিস্লাভাকে ছয়টি এবং ম্যানচেস্টার সিটি ও বার্সেলোনাকে চারটি করে গোল দিয়েছিল পিএসজি। ফলে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা চার ম্যাচে চার বা তার বেশি গোল দেওয়ার বিরল কীর্তি স্থাপন করল তারা। দলের শুরু নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে জানান, ম্যাচের শুরুর ছন্দটাই ছিল সবচেয়ে ইতিবাচক দিক; কারণ চার গোলে দ্রুত পিছিয়ে পড়ার পর যেকোনো প্রতিপক্ষের পক্ষেই ঘুরে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব।

বিরতির পরও নিজেদের আক্রমণের দাপট ধরে রাখে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের ৫০তম মিনিটে নিজের ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ৫-০ করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ফ্যাবিয়ান রুইজ। এরপর ম্যাচের ৭৮তম মিনিটে দলের সবচেয়ে বড় জয় নিশ্চিত করেন ডেভিড বলি। মাঠে নামার মাত্র চার মিনিট আগে ১৭ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডারের চ্যাম্পিয়নস লিগে অভিষেক হয়েছিল এবং অভিষেক ম্যাচেই গোল করে নিজের আগমন স্মরণীয় করে রাখেন তিনি।

স্পেন সফরে নিজেদের সেরা চার নিয়মিত তারকাকে ছাড়াই স্কোয়াডের গভীরতার পরীক্ষা দিয়েছে পিএসজি। ঊরুর চোটের কারণে স্কোয়াডে ছিলেন না উসমান দেম্বেলে, অধিনায়ক মারকুইনহোস ও ডিফেন্ডার নুনো মেন্দেস। এ ছাড়া হাঁটুর এসিএল ইনজুরিতে পড়ে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে রয়েছেন ফরোয়ার্ড খভিচা কভারাৎস্খেলিয়া। চোটের এত ধাক্কা সত্ত্বেও সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা দশম জয় তুলে নিল পিএসজি। আর চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের খেলা চার ম্যাচের সব কটিতে জিতে পূর্ণ ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের একক শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে তারা।


নির্বাচিত

চ্যাম্পিয়নস লিগ: ভিলাকে ৩-০ গোলে হারাল বার্সেলোনা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির কাছে হার এবং ঘরোয়া লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে পরাজয়ের ধাক্কা কাটিয়ে স্বরূপে ফিরেছে বার্সেলোনা। মঙ্গলবার রাতে নিজেদের ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে আসরের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচে ইংলিশ ক্লাব অ্যাস্টন ভিলাকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছে কাতালানরা। এর মধ্য দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের চলতি মৌসুমে ভিলার টানা জয়ের ধারা ভেঙে তাদের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ দিল হান্সি ফ্লিকের দল। শুরুতেই লামিনে ইয়ামালের গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধে জোড়া গোল করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া। ফলে ৫৫তম জন্মদিনে ন্যু ক্যাম্পে এসে ভুলে যাওয়ার মতো এক অভিজ্ঞতা হলো ভিলা কোচ উনাই এমেরির। এ নিয়ে বার্সেলোনার মাঠে ১৬ ম্যাচে ১৫টিতেই হারলেন এই স্প্যানিশ কোচ, যার মধ্যে ৯ বছর আগে পিএসজির ডাগআউটে বসে বিখ্যাত ৬-১ গোলের ‘রেমোন্তাদা’র তিক্ত স্মৃতিও রয়েছে। এমেরির অধীনে ক্লাবের চার বছরের উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করতে এদিন গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন ভিলার একনিষ্ঠ সমর্থক ব্রিটেনের প্রিন্স উইলিয়াম।

ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী বার্সেলোনা সপ্তম মিনিটেই প্রতিপক্ষের উপহার দেওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায়। গোল কিক থেকে অ্যাস্টন ভিলার ডিফেন্ডার জোয়াও গোমেসের মারাত্মক ভুলে বল পেয়ে যান লামিনে ইয়ামাল; ১২ গজ দূর থেকে দারুণ এক কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে মরিয়া আক্রমণ চালায় সফরকারীরা। কর্নার থেকে তৈরি হওয়া জটলায় ম্যাটি ক্যাশের শট ডিফ্লেক্ট হয়ে মাঠের বাইরে চলে যায় এবং এরপর নিজের ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করতে গিয়ে গোমেসের নেওয়া জোরালো শট গোললাইন থেকে নিখুঁতভাবে ব্লক করেন বার্সার ডিফেন্ডার জোয়াও কানসেলো। এরপর ১৯তম মিনিটে ডানপ্রান্ত থেকে নিকোলাস জ্যাকসনের পাস পেয়েও বাইরে বল মারেন জোহান মানজাম্বি। পরে জ্যাকসন ওয়ান-অন-ওয়ানে গোলরক্ষককে পরাস্ত করার সুযোগ পেলেও পোস্ট ছেড়ে এগিয়ে এসে পায়ের ট্যাকলে বল ক্লিয়ার করেন বার্সা গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া, যিনি পরবর্তীতে মানজাম্বির আরেকটি আক্রমণও প্রতিহত করেন।

প্রথমার্ধে একাধিক সহজ সুযোগ হাতছাড়া করার চড়া মাশুল দ্বিতীয়ার্ধে দিতে হয় সফরকারীদের। ম্যাচের ৫২তম মিনিটে বক্সের প্রান্তে ফারমিন লোপেজের বাড়ানো পাস ধরে শট নেন রাফিনিয়া; বল ভিলা ডিফেন্ডার পাউ তোরেসের গোড়ালিতে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালের কোনায় আশ্রয় নিলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সা। এর ঠিক ১২ মিনিট পর অর্থাৎ ৬৪তম মিনিটে ম্যাচের তৃতীয় গোলটি আসে। বাম প্রান্তে জন ম্যাকগিনকে ড্রিবল করে ছিটকে দিয়ে কানসেলো বক্সে নিচু ক্রস বাড়ালে ছয় গজ দূর থেকে অনায়াসে বল জালে জড়িয়ে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন রাফিনিয়া। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৩ ম্যাচে এটি তাঁর ১৯তম গোল।

খেলার শেষভাগে অ্যাস্টন ভিলার জার্মান মিডফিল্ডার লিওন গোরেৎকার একটি দারুণ হেড গোলপোস্টে লেগে ফিরে এলে ব্যবধান কমাতে ব্যর্থ হয় তারা। অন্যদিকে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক জিওন সুজুকির ভুল পাসের সুযোগে ফারমিন শট নিলেও এবার তা রুখে দেন সুজুকি নিজেই। চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার রেকর্ড গড়া ইয়ামাল শেষের দিকে আরও দুটি সুযোগ পেয়েও লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন। এই দাপুটে জয়ের ফলে চার ম্যাচে ভিলার সমান ৯ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বার্সেলোনা, যেখানে পূর্ণ ১২ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে পিএসজি।


নির্বাচিত

জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারতীয় ক্রিকেট দল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

একাধিকবার স্থগিত হওয়ার পর অবশেষে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারতীয় ক্রিকেট দল। এই সফরকে ঘিরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (বিসিসিআই) মধ্যে নিয়মিত ও ইতিবাচক আলোচনা চলছে। সবকিছু চূড়ান্ত হলে জানুয়ারিতে বাংলাদেশের মাটিতে দুই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে সাদা বলের মোট ছয়টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ।

সফরের অগ্রগতি বিষয়ে বিসিবির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জানুয়ারির এই নির্ধারিত সিরিজটি মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা শতভাগ। তিনি উল্লেখ করেন, সিরিজটি আয়োজনের বিষয়ে তাঁরা পুরোপুরি আশাবাদী এবং একেবারে শুরুর দিন থেকেই এ নিয়ে পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী এই সফরে সীমিত ওভারের ক্রিকেটেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে দুই দল এবং দেশের দুটি আন্তর্জাতিক ভেন্যুতে ম্যাচগুলো আয়োজন করা হবে।

এর আগে ভারত দলের এই বাংলাদেশ সফর বেশ কয়েক দফায় পেছানোর ইতিহাস রয়েছে। প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল। কিন্তু নানা কারণে নির্ধারিত সময়ে সিরিজটি মাঠে না গড়ালে তা পিছিয়ে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

পরবর্তীতে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিসিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল যে, সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা ও চট্টগ্রামে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে আসবে ভারত। তবে পরবর্তীতে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে সেই সফরটিও স্থগিত করে দেওয়া হয়। অবশেষে সেই জটিলতা কাটিয়ে নতুন বছরের জানুয়ারিতেই বহুল প্রতীক্ষিত এই দ্বিপাক্ষিক সিরিজটি মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বলে আভাস মিলছে।


নির্বাচিত

সিলেট টেস্টের আগে সতর্ক ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোচ স্যামি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

সিরিজের প্রথম টেস্টে মিরপুরের মাঠে স্বাগতিক বাংলাদেশকে আট উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চেনা স্পিনবান্ধব উইকেটেও প্রতিপক্ষকে চেপে ধরতে ব্যর্থ হন টাইগার বোলাররা। তবে হারের পরও বোলারদের সরাসরি কাঠগড়ায় তোলেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তাঁর মতে, সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল মাঠের লড়াইয়ে সব বিভাগেই ভালো ক্রিকেট খেলে জয় তুলে নিয়েছে।

সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটি আগামী ৫ নভেম্বর থেকে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাচ্ছে। প্রথম ম্যাচের স্পিন উইকেটের তুলনায় সিলেটে খেলা হবে একটি স্পোর্টিং উইকেটে। সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয় ম্যাচটি ক্যারিবীয়দের জন্য সহজ হবে না বলেই মনে করছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি।

বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের রণকৌশল সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিয়ে স্যামি জানান, সমতায় ফিরতে সিমন্স শিষ্যদের নিয়ে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবেন। স্যামি বলেন, সিমন্স সম্পর্কে একটি বিষয় তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, সিমন্স তাঁদের কাজটা কোনোভাবেই সহজ হতে দেবেন না। সিমন্স নিজেও ম্যাচটি জিততে চাইবেন, কারণ আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশেরও নিজস্ব সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে।

এদিকে মিরপুর টেস্টে নিজেদের লড়াকু মানসিকতার জন্য পুরো দলের খেলোয়াড়দের কৃতিত্ব দিয়েছেন ক্যারিবীয় কোচ। তিনি জানান, পুরো দল যেভাবে প্রতিটি সেশনে লড়াই করে খেলায় টিকে ছিল, তার জন্যই জয় পাওয়া সম্ভব হয়েছে। এর পাশাপাশি সিরিজের আগে ভারতে বিশেষ প্রস্তুতি ক্যাম্পের অবদানের কথাও স্মরণ করেন স্যামি। উপমহাদেশের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেন্নাইয়ে বিশেষ অনুশীলনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।


নির্বাচিত

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৩৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের জার্সির পাশাপাশি প্রথম শ্রেণি এবং লিস্ট ‘এ’ ঘরানার ক্রিকেট থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটের দরজা পুরোপুরি বন্ধ করছেন না এই মারকুটে ব্যাটার; ২০২৭-২৮ মৌসুম পর্যন্ত চুক্তি নবায়ন থাকায় অস্ট্রেলিয়ার ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশ লিগে (বিবিএল) মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে খেলা চালিয়ে যাবেন তিনি।

এর আগে গত বছরের জুন মাসে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে কেবল আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলার সিদ্ধান্ত বজায় রেখেছিলেন ম্যাক্সওয়েল। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দলের অংশ ছিলেন তিনি, যদিও তাঁর দল গ্রুপ পর্বের বৈতরণী পার হতে ব্যর্থ হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে আসরে ওমানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচটিই হয়ে রইল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ম্যাক্সওয়েলের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ; যেখানে বল হাতে দুটি উইকেট শিকার করলেও ব্যাট করার সুযোগ পাননি তিনি।

অবসরের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ‘ফাইনাল ওয়ার্ড পডকাস্ট’-এ কথা বলেছেন ম্যাক্সওয়েল। তিনি জানান, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ও পরে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে তাঁর একাধিকবার খোলামেলা আলোচনা হয়েছিল এবং তাদের তরফ থেকে কোনো বাড়তি চাপ ছিল না। নিজের ঘরের মাঠ মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) একটি আনুষ্ঠানিক বিদায়ী ম্যাচ খেলার ক্ষীণ আশা থাকলেও দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে বলে জানান তিনি। ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক সামনে রেখে ম্যানেজমেন্ট এখন থেকেই তরুণদের আন্তর্জাতিক চাপের মুখে তৈরি করার যে নীতি নিয়েছে, তাকে সাধুবাদ জানিয়ে ম্যাক্সওয়েল উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে সুযোগ পেয়ে তরুণ খেলোয়াড়েরা ইতোমধ্যে ভালো পারফর্ম করেছে।

দুইবারের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ী এবং ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে দলের জয়সূচক রান করা এই অলরাউন্ডার ক্যারিয়ারজুড়ে বহু স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৩০টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তিনি করেছেন ২ হাজার ৮৯৭ রান এবং বল হাতে নিয়েছেন ৫১টি উইকেট; এই সংস্করণে তাঁর নামের পাশে রয়েছে পাঁচটি সেঞ্চুরি, যা ভারতীয় তারকা রোহিত শর্মার সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বরেকর্ড। ওয়ানডেতে ১৪৯ ম্যাচ খেলে ৪টি সেঞ্চুরি ও ২৩টি ফিফটিতে তিনি ৩ হাজার ৯৯০ রান সংগ্রহের পাশাপাশি শিকার করেছেন ৭৭টি উইকেট, যেখানে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলা অপরাজিত ২০১ রানের মহাকাব্যিক ইনিংসটি ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ইনিংস হিসেবে বিবেচিত। এ ছাড়া দেশের হয়ে সাতটি টেস্ট খেলে ৩৩৯ রান করেছেন ম্যাক্সওয়েল, যার মধ্যে ২০১৭ সালে রাঁচিতে ভারতের বিপক্ষে খেলা ১০৪ রানের ইনিংসটি ছিল তাঁর একমাত্র টেস্ট শতক।


নির্বাচিত

বিশ্বকাপের ফাইনালের চেয়েও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের চাহিদা বেশি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় আগামী বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় আইসিসি পুরুষ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে টিকিটের ব্যাপক সাড়া তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জানিয়েছে, গত ১ নভেম্বর পর্যন্ত টিকিট চেয়ে বিশ্বজুড়ে ১২ কোটি ৮ লাখ ৯ হাজার ৪৬৭টি আবেদন জমা পড়েছে। ১৯৩টি দেশের প্রায় ২৮ কোটি ভক্ত-সমর্থক টিকিট ক্রয়ের জন্য নিবন্ধন করেছেন এবং এ পর্যন্ত ৩ কোটি ২০ লাখেরও বেশি ম্যাচ নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২১ নভেম্বর টিকিটের এই ব্যালট আবেদন প্রক্রিয়া সমাপ্ত হতে যাচ্ছে। প্রাথমিক চাহিদার পরিসংখ্যানে টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচকেও ছাড়িয়ে গেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার লড়াই।

ব্যালট নিবন্ধনের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে অন্যতম আয়োজক দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা; যার পরের স্থানগুলোতে রয়েছে যুক্তরাজ্য, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। এ ছাড়া তিন আয়োজক দেশসহ পুরো আফ্রিকান মহাদেশ থেকেই মোট ১৪ কোটি ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৭০৮টি টিকিটের আবেদন জমা পড়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার আটটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠেয় ৪১টি ম্যাচের জন্য সাড়ে ১০ কোটির বেশি অনুরোধ এসেছে, যার মধ্যে সুপার সেভেনসহ দক্ষিণ আফ্রিকার নিজস্ব ১১টি ম্যাচ দেখতেই আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ।

বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোর মধ্যে আগামী বছরের ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠেয় ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের জন্য টিকিটের আবেদন জমা পড়েছে ৮০ লাখেরও বেশি। বিপরীতে আগামী ২১ নভেম্বর একই শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল ম্যাচের জন্য আবেদন এসেছে ৭৯ লাখ ৯৪৪টি। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ের ম্যাচগুলোর জন্য মোট ১৩ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার ১৯০টি আবেদন জমা পড়েছে, যার মধ্যে ভিক্টোরিয়া ফলসের নতুন মোসি ওয়া তুনিয়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৪ অক্টোবরের জিম্বাবুয়ে-ভারত ম্যাচের জন্যই এসেছে ৩ কোটি ৩০ লাখের বেশি অনুরোধ। এ ছাড়া নামিবিয়ার উইন্ডহোকে হতে যাওয়া ছয়টি ম্যাচের জন্য ২০ লাখের বেশি আবেদন পড়েছে, যার মধ্যে ৮ অক্টোবরের ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ ম্যাচের টিকিটের চাহিদাই সর্বোচ্চ প্রায় ৯ লাখ।

দীর্ঘ ২৪ বছর পর আফ্রিকার মাটিতে পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রত্যাবর্তনের এই আবহ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন আইসিসির শীর্ষ কর্মকর্তারা। আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার (ইভেন্টস অ্যান্ড ক্রিকেট অপারেশন্স) গৌরব সাক্সেনা উল্লেখ করেন, ক্রিকেটপ্রেমীদের এই বিপুল সাড়া টুর্নামেন্টের বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা এবং আড়াই দশক পর আফ্রিকায় বিশ্বকাপ ফেরার ঐতিহাসিক গুরুত্বকেই প্রতিফলিত করে। বিশ্বকাপের স্থানীয় আয়োজক কমিটির (এলওসি) প্রধান নির্বাহী কোনদিসা এনগোয়েনা জানান, আফ্রিকা মহাদেশসহ সারা বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীদের এমন আগ্রহ টুর্নামেন্টকে সফল করার ক্ষেত্রে দারুণ প্রেরণা জোগাচ্ছে। ১৪টি দল ও ১২টি ভেন্যুর সমন্বয়ে মোট ৫৭টি ম্যাচ নিয়ে আয়োজিত এই আসরটি অঞ্চলের জন্য এক অবিস্মরণীয় প্রদর্শনী হতে চলেছে।


নির্বাচিত

banner close