রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

দুই ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৬:২৮

দুই ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল বাংলার বাঘীনিরা। স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা নারী-এ দলের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৭ উইকেটে, দ্বিতীয়টিতে ১০৪ রানের বিশাল ব্যবধানে জয়ের পর সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ১০ রানে জিতেছে বাংলাদেশ।

আজ রোববার সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ৯৭ রানের স্বল্প পুঁজি গড়েছিল বাংলাদেশ। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে ৮৭ রানের বেশি করতে পারেনি শ্রীলঙ্কার নারী-এ দল।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দিনটা ভালো যায়নি টাইগ্রেস ব্যাটারদের। স্বাগতিক দলের বোলারদের তোপে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে সফরকারী মেয়েরা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৯৭ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ ২১ বলে ২৬ রানের ইনিংস খেলেছেন দিলারা আক্তার।

দুই ম্যাচ হেরে ব্যাকফুটে থাকা লঙ্কান মেয়েদের সামনে সিরিজ বাঁচানোর দারুণ সুযোগ ছিল। ব্যাটিং ব্যর্থতায় তারাও বেশিদূর এগোতে পারেনি। ৮ উইকেটে ৮৭ রানে থেমে গেছে তাদের ইনিংস। ১০ রানের জয়ে সিরিজ নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। ১৭ সেপ্টেম্বর চতুর্থ ম্যাচ থ্রুস্টান এবং ১৯ সেপ্টেম্বর সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি কল্টসে।

আগামী অক্টোবরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। কাগজে-কলমে ‘এ’ দলের সিরিজ হলেও আসন্ন নারী বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই জাতীয় দলের প্রায় সব ক্রিকেটারকে নিয়েই শ্রীলঙ্কা সফরে খেলছে বাংলাদেশ। জাতীয় দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ছাড়াও আছেন অভিজ্ঞ জাহানারা ও শামীমা সুলতানারাও।


নির্বাচিত

হাসানের হ্যাটট্রিকে আফগানিস্তানকে গুটিয়ে ১০৬ রানের লিড পেল বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:২৩
ক্রীড়া ডেস্ক

আবুধাবি টেস্টের প্রথম ইনিংসে আফগানিস্তানকে ২৪০ রানে অলআউট করে ১০৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড অর্জন করেছে বাংলাদেশ। পেসার হাসান মাহমুদের ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক ও বিধ্বংসী বোলিংয়ের মুখে ম্যাচের তৃতীয় দিনের শুরুতেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে মাত্র ১ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারায় আফগানরা। সফরকারী বোলারদের তোপের মুখে অন্যপ্রান্তে লড়াই চালিয়ে রহমত শাহ শতক হাঁকালেও দলের বড় পতন এড়াতে পারেননি।

এর আগে রহমত শাহ ও ইকরাম আলিখিলের ২১১ বলের দৃঢ়তাপূর্ণ ৮০ রানের জুটি ভেঙে দিনের শুরুতেই বাংলাদেশকে পথ দেখান এবাদত হোসেন। ৩২ রান করা ইকরামকে চমৎকার ডেলিভারিতে সরাসরি বোল্ড করেন তিনি। এরপরই বল হাতে দৃশ্যপটে আসেন হাসান মাহমুদ। ইনিংসের ৮৩তম ওভারের তৃতীয় বলে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ১ রান করা ইসমত আলমের অফস্টাম্প উপড়ে দেন এই পেসার। পরের বলেই অসাধারণ সুইংয়ের ফাঁদে ফেলে রানের খাতা খোলার আগেই কায়েস আহমেদকে উইকেটের পেছনে লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করেন তিনি।

টানা দুই উইকেটের পর ওভারের পঞ্চম বলে নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়। জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে ক্যাচের আবেদনে মাঠের আম্পায়ার সাড়া না দিলে কালবিলম্ব না করে রিভিউ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায় বল ব্যাটে না লাগলেও সরাসরি প্যাডে লেগেছে এবং সেটি অফস্টাম্পে আঘাত হানত। আম্পায়ার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এলবিডব্লিউ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বোল্ড, ক্যাচ ও এলবিডব্লিউয়ের এক নিখুঁত মেলবন্ধনে হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন হাসান।

এই অসাধারণ কীর্তির মাধ্যমে দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম ফাস্ট বোলার এবং সব মিলিয়ে তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে টেস্টে হ্যাটট্রিকের অনন্য নজির স্থাপন করলেন হাসান মাহমুদ। এর আগে ২০০৩ সালে পাকিস্তানের পেশোয়ারে অলক কাপালি এবং ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন স্পিনার সোহাগ গাজী। হ্যাটট্রিকের পর ফিরে এসে ইয়ামিন আহমেদজাইকে লিটনের গ্লাভসবন্দি করে টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফাইফার পূর্ণ করেন হাসান। শেষ পর্যন্ত হাসান ৫৫ রানে ৫টি এবং এবাদত ৫৬ রানে ৪টি উইকেট শিকার করেন, আর বাকি উইকেটটি জমা হয় মেহেদী হাসান মিরাজের ঝুলিতে। আফগানদের পক্ষে একাকী লড়াই করে ২১৬ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় ১০৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ব্যাটার রহমত শাহ।


নির্বাচিত

টেস্টে প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে হাসান মাহমুদের হ্যাটট্রিক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আবুধাবি টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ দলের করা ৩৪৬ রানের জবাবে শক্ত অবস্থানে থেকেই দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল আফগানিস্তান। দিনশেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ২১১ রান। তবে ম্যাচের তৃতীয় দিনের সকালের সেশনেই পেসার এবাদত হোসেন ও হাসান মাহমুদের বিধ্বংসী বোলিং তোপে চরম বিপর্যয়ে পড়ে আফগানরা। মাত্র এক রানের ব্যবধানে সফরকারী বোলাররা তুলে নেন দ্রুত চারটি উইকেট, যার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল পেসার হাসানের ঐতিহাসিক এক হ্যাটট্রিক।

দিনের তৃতীয় ওভারেই প্রথম সাফল্য এনে দেন এবাদত হোসেন। দারুণ এক ডেলিভারিতে ৩২ রান করা আফগান ব্যাটার ইকরাম আলি খিলকে সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরের পথ দেখান তিনি। এরপর ইনিংসের ৮৩তম ওভারে বল হাতে ইতিহাস রচনা করেন হাসান মাহমুদ। ওভারের তৃতীয় বলে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ১ রান করা ইসমত আলমের অফস্টাম্প উপড়ে দেন তিনি। ঠিক পরের বলে দুর্দান্ত সুইংয়ের ফাঁদে ফেলে কায়েস আহমেদকে রানের খাতা খোলার আগেই উইকেটরক্ষক লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করেন।

টানা দুই উইকেটের পর ওভারের পঞ্চম বলে শুরু হয় তীব্র নাটকীয়তা। বল আফগান ব্যাটার জিয়া–উর–রেহমানের প্যাডে আঘাত হানলে জোরালো আবেদন জানায় বাংলাদেশ দল, তবে তাতে সায় দেননি মাঠের আম্পায়ার। কালবিলম্ব না করে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ নেওয়ার সংকেত দেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। রিভিউয়ের বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায়, বল ব্যাটে না লেগে সরাসরি প্যাডে আঘাত হেনে অফস্টাম্পে আঘাত করত। আম্পায়ার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে আউটের ঘোষণা দিতেই লাল বলের ক্রিকেটে অবিস্মরণীয় এক হ্যাটট্রিকের বাঁধভাঙা উল্লাসে মাতে টাইগার শিবির।

এই অনন্য কীর্তির মাধ্যমে দীর্ঘ পরিসরের টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে হ্যাটট্রিক করার ইতিহাস গড়লেন হাসান মাহমুদ। এর মধ্য দিয়ে টেস্ট ফরম্যাটে সামগ্রিকভাবে তৃতীয় বাংলাদেশি বোলার হিসেবে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখিয়ে নিলেন এই ডানহাতি পেসার।


নির্বাচিত

দ্বিতীয় দিনে আফগানদের দাপট, ব্যাকফুটে বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আবুধাবি টেস্টের দ্বিতীয় দিনে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সুবাদে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করে নিয়েছে আফগানিস্তান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে সংগৃহীত ৩৪৬ রানের জবাবে দিন শেষে ৪ উইকেটে ২১১ রান তুলেছে আফগানরা। হাতে ৬ উইকেট রেখে তারা এখনো ১৩৫ রানে পিছিয়ে থাকলেও স্বাগতিক বোলারদের নির্বিষ বোলিংয়ের সুযোগ নিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই দিনের খেলা শেষ করেছে সফরকারী দল।

দিনের শেষ ভাগে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে দলকে পথ দেখান অধিনায়ক রহমত শাহ ও উইকেটকিপার-ব্যাটার ইকরাম আলিখিল। পঞ্চম উইকেট জুটিতে এই দুই ব্যাটার ইতোমধ্যে অবিচ্ছিন্ন ৭২ রান যোগ করেছেন। ক্যারিয়ারের আরেকটি শতকের পথে থাকা রহমত ৮৪ এবং ইকরাম ২৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। এর আগে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নেওয়া ওপেনার আবদুল মালিক ১২০ বলে ৬২ রানের ইনিংস খেলে তৃতীয় উইকেটে রহমতের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে আফগানদের শক্ত ভিত এনে দেন।

চা-বিরতির পর টানা দুই ওভারে দুই উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। পেসার এবাদত হোসেনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন থিতু হওয়া মালিক। পরের ওভারেই স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের বলে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন হাশমতউল্লাহ শহীদি। তবে এই জোড়া সাফল্যের পর আর কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেননি বোলাররা। বাংলাদেশের পক্ষে এবাদত দুটি এবং হাসান মাহমুদ ও মিরাজ একটি করে উইকেট শিকার করলেও দুই স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও নাঈম হাসান ছিলেন সম্পূর্ণ উইকেটশূন্য।

এর আগে সকালে প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ দল। প্রথম দিন শেষে ২ উইকেটে ২২১ রান তুলে বিশাল সংগ্রহের স্বপ্ন দেখা দলটি শেষ পর্যন্ত বাকি ১২৫ রান যোগ করতেই শেষ ৮টি উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। দলের হয়ে তানজিদ হাসান তামিম ৮৩, ওপেনার সাদমান ইসলাম ৬৭ এবং লিটন দাস ৫৩ রান করেন। বল হাতে আফগানিস্তানের পেসার মোহাম্মদ সালিম ৪টি এবং ইয়ামিন আহমদজাই ৩টি উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে দিতে বড় ভূমিকা রাখেন।


নির্বাচিত

হোপের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড রান তাড়ায় ভারতের হার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

অধিনায়ক শাই হোপের বিধ্বংসী শতকে ভর করে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রাঁচিতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৯ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই এই স্মরণীয় জয় তুলে নিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল সফরকারীরা। পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার ২৫৭ রান তাড়া করার পর এটিই কোনো দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সফল রান তাড়ার নজির এবং ক্যারিবীয়দের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সর্বোচ্চ। দুই দল মিলিয়ে ম্যাচে মোট ৫০১ রান সংগৃহীত হয়, যা ভারতের বিপক্ষে যেকোনো দলের এর আগের সর্বোচ্চ ২২৩ রান তাড়ার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪৯ রানের পাহাড় গড়েছিল ভারত। ওপেনার অভিষেক শর্মা ১২ বলে ২০ রান করে বিদায় নেওয়ার পর সঞ্জু স্যামসন ও ইশান কিষাণ দ্বিতীয় উইকেটে ৪৩ বলে ৯৭ রানের জুটি গড়েন। ব্যক্তিগত ৬ ও ৪২ রানে জীবন পাওয়া স্যামসন স্রেফ ২১ বলে ফিফটি স্পর্শ করে শেষ পর্যন্ত ৪১ বলে ৯টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৮২ রানের ইনিংস খেলেন। ইশান কিষাণ ২২ বলে করেন ৪৩ রান। রান উৎসবের এই ম্যাচে ক্যারিবীয়দের পক্ষে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন অফস্পিনার রোস্টন চেজ; তিনি ৪ ওভারে মাত্র ২৪ রান দিয়ে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন।

ইশান ও স্যামসনের বিদায়ের পর শিভাম দুবেও (৭) দ্রুত সাজঘরে ফিরলে কিছুটা লাগাম টানে ক্যারিবীয়রা। তবে পঞ্চম উইকেটে অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ও তিলক ভার্মা মাত্র ৩৩ বলে ৮৩ রানের বিস্ফোরক জুটি গড়ে দলকে আড়াইশর কাছাকাছি নিয়ে যান। আইয়ার ১৮ বলে ৩টি করে চার ও ছক্কায় ৪০ রান করেন এবং সমান সংখ্যক বাউন্ডারিতে ১৮ বলে ৪৪ রান তোলেন তিলক। ফলে বড় সংগ্রহের স্বস্তি নিয়ে ইনিংস শেষ করে ভারতীয় দল।

জবাবে ২৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই দুটি এবং পাওয়ারপ্লেতে তিনটি উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখান থেকে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে চতুর্থ উইকেটে ৫৪ বলে ১২০ রানের জুটি গড়েন হোপ ও শেরফান রাদারফোর্ড। রাদারফোর্ড ৩৭ বলে ৭টি চার ও ৭টি ছক্কায় ৮৪ রান করে ফিরে গেলে ভাঙে এই জুটি। এরপর রোমারিও শেফার্ডকে সঙ্গে নিয়ে হোপ মাত্র ২৬ বলে অবিচ্ছিন্ন ৭৪ রানের ঝড়ো পার্টনারশিপ গড়ে ম্যাচ নিজেদের মুঠোয় নেন। শেফার্ড ১৩ বলে ৩টি করে চার ও ছক্কায় করেন অপরাজিত ৩৪ রান।

ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেতে অপরাজিত ১৬২ রানের পর এবার টি-টোয়েন্টিতেও সেঞ্চুরি হাঁকালেন হোপ। মাত্র ৪৫ বলে ৬টি চার ও ৯টি ছক্কায় অপরাজিত ১০২ রানের নান্দনিক ইনিংসে তিনি ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন। ভারতের বোলারদের মধ্যে পেসার মায়াঙ্ক যাদব একাই সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট লাভ করেন।


নির্বাচিত

ভিসা জটিলতায় পিছাল অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ওমান যাত্রা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে ওমান যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে ভিসা জটিলতার কারণে যাত্রা পিছিয়ে গেছে বাংলাদেশ যুব দলের। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দেশ ছাড়ার কথা ছিল। তবে দলের কয়েকজন ক্রিকেটারের ভিসা প্রাপ্তিতে জটিলতা দেখা দেওয়ায় আজকের ফ্লাইট স্থগিত করতে হয়। বিসিবির বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, সমস্যাটির দ্রুত সমাধান হতে যাচ্ছে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল রোববার ওমানের উদ্দেশে দেশ ছাড়বে পুরো দল।

সিরিজের সবগুলো ম্যাচ ওমান ক্রিকেট একাডেমি মাঠে আয়োজিত হবে। ভ্রমণসূচিতে সাময়িক এই বিলম্ব হলেও মূল খেলার সূচিতে কোনো পরিবর্তনের কথা জানা যায়নি। সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৩ অক্টোবর প্রথম ওয়ানডেতে আফগান যুবাদের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এরপর সিরিজের বাকি চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ১৫, ১৮, ২০ এবং ২৩ অক্টোবর।

আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে এই সিরিজকে সামনে রেখে দিন দুয়েক আগে ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘোষিত এই যুব দলে নেতৃত্বের ভার দেওয়া হয়েছে তরুণ ক্রিকেটার ফরিদ হাসান ফয়সালের কাঁধে।

অধিনায়ক ফয়সাল ছাড়াও ওমান সফরের এই স্কোয়াডে সুযোগ পাওয়া অন্য সদস্যরা হলেন—আব্দুল্লাহ আল মুহি, আহসান আল মুমিন, আল আমীন হোসেন রনি, আল রফি, ফারহান সাদিক, কাওসার আহমেদ, আল আমীন হোসেন, শাকিল খান, মেহেরাব হাসান সিজান, রকিবুল হাসান, রবিউল হাসান অনিক, রুবাই ইসলাম রিজন, শেখ আতিকুর রহমান আকাশ এবং শেখ জারিফ সিয়াম।


নির্বাচিত

ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ দল ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে চলতি মাসেই সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ওয়ানডে ফরম্যাটের ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শনিবার (১০ অক্টোবর) ঘোষিত এই স্কোয়াডে নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাসের কাঁধে। এই সিরিজে তাঁর ডেপুটি বা সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন তরুণ ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়।

ঘোষিত এই স্কোয়াডে সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন স্পিনার আলিস আল ইসলাম। এর আগে জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ এশিয়ান গেমসের দলেও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এই রহস্য স্পিনার। তবে চোটের কারণে দলের বাইরে থাকতে হচ্ছে তরুণ গতিময় পেসার নাহিদ রানাকে। ইনজুরির কারণে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে খেলতে না পারা এই পেসার এবার ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকেও ছিটকে গেলেন।

অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয়ে গঠিত এই দলের ব্যাটিং ও অলরাউন্ড বিভাগে রয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও উইকেটকিপার-ব্যাটার নুরুল হাসান সোহান। স্পিন বিভাগে আলিস আল ইসলামের সঙ্গী হিসেবে থাকছেন রিশাদ হোসেন ও তানভীর ইসলাম। এছাড়া দলের পেস আক্রমণ সামলাবেন অভিজ্ঞ তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম।

আগামী ১৭ অক্টোবর আবুধাবিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে এই ত্রিদেশীয় সিরিজের। একই ভেন্যুতে ১৯ অক্টোবর নিজেদের ম্যাচে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান। এরপর ২১ অক্টোবর শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আফগানদের মোকাবিলা করবে টাইগাররা। গ্রুপ পর্বের খেলা শেষে আগামী ২৩ অক্টোবর শারজাহতেই অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল।


নির্বাচিত

ক্লাবে ফিরেই রোনালদোর গোল, জিতল আল নাসর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

পর্তুগাল জাতীয় দলের সাম্প্রতিক বিতর্ক পেছনে ফেলে সৌদি প্রো লিগে ফিরেই গোলের দেখা পেয়েছেন তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তাঁর দল আল নাসর ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে আল দিরিয়াহকে। ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে রোনালদোর পা থেকে, যা তাঁর পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারের ৯৮০তম গোল। বায়ার্ন মিউনিখের সাবেক ফরাসি উইঙ্গার কিংসলে কোম্যানের দারুণ এক দৌড়ের পর নেওয়া জোরালো শট আল দিরিয়াহর গোলরক্ষক ওয়ালিদ আলী ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারলে ফিরতি বলে অনায়াসে লক্ষ্যভেদ করেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা।

ম্যাচের ৩৫ মিনিটে আরেক পর্তুগিজ ফুটবলার সামু কস্তা গোল করে আল নাসরের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এরপর ৭৭ মিনিটে দলের পক্ষে তৃতীয় ও শেষ গোলটি করে বড় জয় নিশ্চিত করেন কোম্যান। এই জয়ে সৌদি প্রো লিগের পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে থাকা আল কাদসিয়ার সমান ১৯ পয়েন্ট অর্জন করল আল নাসর। তবে গোল পার্থক্যে পিছিয়ে থাকায় বর্তমানে তারা টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ম্যাচ জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গোল উদ্‌যাপনের ছবি দিয়ে রোনালদো লেখেন, দায়িত্ব শেষ করে তিনি এখন পরবর্তী ম্যাচের দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন।

ক্লাবের জার্সিতে ছন্দে ফিরলেও জাতীয় দলে রোনালদোকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। মলিন পারফরম্যান্সের কারণে দল থেকে বাদ পড়ার পাশাপাশি কোচ জর্জে জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে আসায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। রোনালদোর অভিযোগ ছিল, কোচ জেসুস তাঁকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি; যদিও গত মৌসুমে এই জেসুসের অধীনেই সৌদি আরবের ঘরোয়া শিরোপা জিতেছিল আল নাসর।

আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা রোনালদো পর্তুগালের হয়ে এখন পর্যন্ত ২৩৪ ম্যাচে রেকর্ড ১৪৬টি গোল করেছেন। চলতি সপ্তাহের শুরুতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি স্পষ্ট করেন যে, জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামতে তিনি এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে চলমান ক্যাম্প ছেড়ে আকস্মিকভাবে চলে আসার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে কি না, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি।


নির্বাচিত

চতুর্থ মেয়াদে ফিফা সভাপতি হওয়ার দৌড়ে ইনফান্তিনো

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ফিফা সভাপতি হিসেবে চতুর্থবারের মতো দায়িত্ব নেওয়ার পথে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সামনে থাকা বড় একটি চ্যালেঞ্জ দূর হয়েছে। তাঁর অন্যতম সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী ও কনকাকাফ প্রধান ভিক্টর মন্তাগলিয়ানি বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ পদের নির্বাচনে না লড়ে নিজ অঞ্চলেই দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মন্তাগলিয়ানির এই সিদ্ধান্তের ফলে ইনফান্তিনোর নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া তুলনামূলক সহজ হতে পারে।

আগামী ২০২৭ সালের ১৮ মার্চ মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ফিফার পরবর্তী সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ইনফান্তিনো গত মে মাসেই পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। কানাডার নাগরিক মন্তাগলিয়ানিকে দীর্ঘ দিন ধরে ইনফান্তিনোর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হলেও, কনকাকাফ কর্মীদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি নিজ অঞ্চলের ফুটবলের উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আগামী বছর কনকাকাফের নিজস্ব সভাপতি নির্বাচন থাকায় তিনি বর্তমান দায়িত্বে বহাল থাকাই সমীচীন মনে করেছেন।

তবে মন্তাগলিয়ানি সরে দাঁড়ালেও ফিফায় ইনফান্তিনোর একক নেতৃত্বের বিরোধিতা পুরোপুরি থামেনি। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফাসহ এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) শুরু থেকেই বিশ্ব ফুটবলের পরিচালন পদ্ধতিতে সংস্কার এবং নেতৃত্বে পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আসছে। বিশেষ করে বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের যুক্ত করার বিতর্কিত প্রস্তাব কনফেডারেশনগুলোর তীব্র বিরোধিতার মুখে ফিফা বাতিল করতে বাধ্য হলেও তা ইনফান্তিনোর নেতৃত্বকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলে। উয়েফা জানিয়েছে, ৫৫টি সদস্য দেশের মধ্যে আজারবাইজান বাদে বাকি ৫৪টি দেশই ফিফায় বড় ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

এদিকে সাবেক সুইস ফুটবলার রামন ভেগা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ দেখালেও প্রার্থিতার আবশ্যিক শর্ত তিনি পূরণ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। ফিফা সভাপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারিত রয়েছে আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে নতুন কোনো বিকল্প প্রার্থী মাঠে নামেন কি না এবং বিশ্ব ফুটবলের সংস্থাগুলোর চলমান অসন্তোষ ইনফান্তিনোর ভবিষ্যৎকে কোন দিকে নিয়ে যায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।


নির্বাচিত

জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়ায় নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

জাতীয় ফুটবল দলের আবাসিক ক্যাম্প ত্যাগ করার ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়তে পারেন পর্তুগালের তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের আচরণবিধি অনুযায়ী এই শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে তাঁর সর্বোচ্চ ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা হতে পারে। তবে নিজের ভুলের দায় নিঃশর্তভাবে স্বীকার করায় শাস্তির মেয়াদ কমে সর্বোচ্চ তিন মাসে নেমে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন এক আইন বিশেষজ্ঞ।

গত মাসে জাতীয় দলের কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে পর্তুগাল দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান রোনালদো। আন্তর্জাতিক বিরতিতে কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে ডেনমার্কের বিপক্ষে পর্তুগাল ৪-২ গোলে জয় পেলেও শুরুর একাদশে সুযোগ পাননি সিআরসেভেন। এর পরপরই তিনি ক্যাম্প ত্যাগ করার মতো চরম সিদ্ধান্ত নেন। পরবর্তীতে নিজের এই অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের জন্য সামাজিক মাধ্যমে সতীর্থ ও সমর্থকদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চান তিনি এবং আরোপিত যেকোনো জরিমানা মেনে নেওয়ার কথা জানান।

পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলাবিধির ১৬০ নম্বর ধারা অনুসারে, কোনো খেলোয়াড় যৌক্তিক কারণ ছাড়া ম্যাচ, প্রশিক্ষণ কিংবা দলীয় কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকলে তাঁকে এক থেকে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি আর্থিক দণ্ড দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম ‘আ বোলা’র আইন বিশেষজ্ঞ এবং ফিফার সাবেক বিচারক গঞ্জালো আলমেইদা জানিয়েছেন, রোনালদোর ক্ষেত্রে ক্যাম্প ছাড়ার সময় থেকেই শাস্তির মেয়াদ গণনা শুরু হয়ে থাকতে পারে। শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি তাঁকে বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

তবে ফেডারেশনের বিধিমালার ২৪৪ নম্বর ধারার সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে এই মহাতারকার। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় তদন্তাধীন অভিযোগের সত্যতা শর্তহীনভাবে স্বীকার করে নিলে শাস্তির মেয়াদ অর্ধেক কমিয়ে আনার বিধান রয়েছে। আলমেইদার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যেহেতু রোনালদো প্রকাশ্যে নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়েছেন, তাই তাঁর ক্ষেত্রে ছয় মাসের সর্বোচ্চ নিষেধাজ্ঞা কমে তিন মাসে সীমাবদ্ধ হতে পারে।


নির্বাচিত

আফগানিস্তানের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট লড়াইয়ে টস ভাগ্যে জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ। টস জিতে প্রতিপক্ষকে ফিল্ডিংয়ে পাঠিয়ে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এই ম্যাচের মাধ্যমে দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো আফগান দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রহমত শাহ।

প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেওয়ার পেছনে কন্ডিশনের প্রভাব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শান্ত জানান, ‘উইকেট বেশ শুকনো দেখাচ্ছে। এখানকার আবহাওয়া বেশ গরম। আমার মনে হয়, দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা ব্যাটারদের জন্য একটু কঠিন হবে।’ সাম্প্রতিক ফর্ম ও দলের খেলার ধারাবাহিকতা রক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই, আমার মনে হয় আমরা বেশ ভালো ক্রিকেট খেলছি। তবে দল হিসেবে আমাদের যথেষ্ট ধারাবাহিক হতে হবে। নিজেদের দক্ষতা দেখানোর আরেকটি সুযোগ এটি। আমি আশা করি, ছেলেরা গত কয়েক দিন ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে। আমরা এখানে ভালো ক্রিকেট খেলব।’

প্রতিপক্ষের শক্তিশালী স্পিন বিভাগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং দলীয় প্রস্তুতি নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘তারা খুব ভালো দল, এটা আমরা সবাই জানি। তাদের কিছু মানসম্পন্ন স্পিনারও আছে। তাই দেশে যেভাবে অনুশীলন করি, এখানেও একইভাবে করেছি। আমাদেরও কিছু মানসম্পন্ন স্পিনার আছে। প্রস্তুতি নিয়ে আমরা বেশ খুশি। আশা করি, আমরা ভালো ক্রিকেট খেলব।’ ম্যাচের গতিপ্রকৃতি ও পিচের আচরণ সম্পর্কে তিনি আরও যোগ করেন, ‘উইকেট শুকনো দেখাচ্ছে। আমার মনে হয়, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনে বল ঘুরতে শুরু করবে। তখন উইকেট এখানকার স্বাভাবিকের চেয়ে একটু ধীর হয়ে যাবে।’ একাদশের বোলিং লাইনআপের রূপরেখা জানিয়ে শান্ত উল্লেখ করেন, ‘আমরা তিন স্পিনার ও দুই পেসার নিয়ে খেলছি।’

দুই দলের একাদশ

বাংলাদেশ একাদশ: সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম ও ইবাদত হোসেন।

আফগানিস্তান একাদশ: আবদুল মালিক, সেদিকউল্লাহ আতাল, রহমত শাহ (অধিনায়ক), হাশমতউল্লাহ শহীদি, ইকরাম আলিখিল (উইকেটকিপার), জিয়া-উর-রহমান , শহিদুল্লাহ কামাল, ইয়ামিন আহমদজাই, কাইস আহমেদ, মোহাম্মদ সেলিম সাফি ও ইসমত আলম।


নির্বাচিত

ইনজুরি কাটিয়ে ফিরে নেইমারের জোড়া গোল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ডান পায়ের ঊরুর চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেই পেনাল্টি থেকে জোড়া গোল করে সান্তোসকে নাটকীয় সমতায় ফিরিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। সান্তোসের ঘরের মাঠ ভিলা বেলমিরোয় ব্রাজিলিয়ান সিরি আ-র ম্যাচে ফ্ল্যামেঙ্গোর বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নামেন তিনি। শেষ পর্যন্ত তাঁর দারুণ নৈপুণ্যে ম্যাচটি ২-২ গোলে অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়। এই ড্রয়ের ফলে সান্তোসের টানা সাত এবং ফ্ল্যামেঙ্গোর টানা পাঁচ ম্যাচের জয়ের ধারা ভেঙে গেল।

খেলার প্রথমার্ধে স্পষ্ট আধিপত্য বিস্তার করে ফ্ল্যামেঙ্গো। ৪৩ মিনিটে দানিলো এবং প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে লুকাস পাকেতা গোল করে সফরকারীদের দুই গোলের লিড এনে দেন। ম্যাচ ফিটনেসের ঘাটতি থাকায় শুরুর একাদশে জায়গা না পাওয়া নেইমারকে বিরতির পর ফিলিপে কুতিনিওর বদলি হিসেবে মাঠে নামান কোচ কুকা। মাঠে নামার দশ মিনিটের মাথায় রেফারির সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে তিনি হলুদ কার্ড দেখেন এবং একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ মিডফিল্ডার পাকেতার সঙ্গেও বিতর্কে জড়ান। তবে চোটগ্রস্ত ডান পায়ের সুরক্ষায় পুরো ম্যাচেই তিনি ছিলেন সতর্ক; ফ্রি-কিক বাঁ পায়ে নিলেও পেনাল্টি শটে ঠিকই ডান পায়ের শৈলী প্রদর্শন করেন।

ম্যাচের শেষ ভাগে নাটকীয় মোড় নেয় খেলা। নিজেদের বক্সে ফ্ল্যামেঙ্গোর ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার জর্জিনিও হ্যান্ডবল করলে দীর্ঘ ৯ মিনিট ৫৬ সেকেন্ড ভিএআর পর্যালোচনা শেষে রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন এবং জর্জিনিওকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠছাড়া করেন। ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ২০১৯ সালে ভিএআর চালুর পর এটিই সবচেয়ে দীর্ঘ সময় খেলা স্থগিত থাকার ঘটনা। ৮২তম মিনিটে সেই পেনাল্টি থেকে সফল লক্ষ্যভেদে ব্যবধান ২-১ করেন নেইমার। এর মাত্র চার মিনিট পর বক্সে সান্তোস ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল বারবোসাকে ফাউল করেন ফ্ল্যামেঙ্গো উইঙ্গার লুইস আরাউহো। ৮৮তম মিনিটে পাওয়া দ্বিতীয় পেনাল্টি থেকেও নিখুঁত ফিনিশিংয়ে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করে সান্তোসকে সমতায় ফেরান নেইমার।


নির্বাচিত

স্মৃতি মান্দানাকে অধিনায়ক করে ভারতের দল ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ভারতীয় নারী ক্রিকেটে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে তিন সংস্করণেই জাতীয় দলের পূর্ণাঙ্গ অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তারকা ব্যাটার স্মৃতি মান্দানা। সাবেক অধিনায়ক হারমানপ্রিত কৌর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর মান্দানার কাঁধে এই গুরুভার তুলে দেওয়া হয়েছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন সীমিত ওভারের সিরিজ দিয়েই তাঁর নেতৃত্বকালীন প্রথম মিশন শুরু হতে যাচ্ছে। নারী ক্রিকেটের ইতিহাসে এটিই ভারত ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার প্রথম কোনো আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৬, ১৮ ও ২০ অক্টোবর ভারতের রায়পুরে অনুষ্ঠিত হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ এবং পরবর্তীতে ভাদোদরায় ২৩, ২৫ ও ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।

নতুন এই নেতৃত্বে দুই ফরম্যাটের জন্য আলাদা দুজন সহ-অধিনায়ক ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে মান্দানার সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ওপেনার শেফালি ভার্মা এবং ওয়ানডেতে সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার দীপ্তি শর্মা। তবে নেতৃত্ব ছাড়লেও সাধারণ খেলোয়াড় হিসেবে উভয় দলের স্কোয়াডেই নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছেন হারমানপ্রিত কৌর। সম্প্রতি এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী ভারতীয় স্কোয়াড থেকে টি-টোয়েন্টি দলে বড় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে; যেখানে জায়গা হয়নি ভারতী ফুলমালি, শ্রেয়াঙ্কা পাতিল, রেণুকা সিং ও রাধা যাদবের। তাঁদের পরিবর্তে টি-টোয়েন্টি দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে মিনু মণি ও অনুষ্কা শর্মাকে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই সিরিজে তরুণ প্রতিভাদের সুযোগ দিয়ে পরখ করার কৌশল নিয়েছে নির্বাচকমণ্ডলী। টি-টোয়েন্টি দলে সম্পূর্ণ নতুন মুখ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন নিকি প্রসাদ ও জিন্তিমণি কালিতা। অন্যদিকে ৫০ ওভারের ওয়ানডে স্কোয়াডে নতুন মুখ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন নন্দনী শর্মা; যদিও এর আগে জাতীয় দলের জার্সিতে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

ঘোষিত ১৫ সদস্যের শক্তিশালী টি-টোয়েন্টি দলে অধিনায়ক মান্দানা ও সহ-অধিনায়ক শেফালির সঙ্গে রয়েছেন হারমানপ্রিত কৌর, নিকি প্রসাদ, অনুষ্কা শর্মা, উইকেটরক্ষক রিচা ঘোষ, জি কামালিনী, দীপ্তি শর্মা, প্রেমা রাওয়াত, শ্রী চরানি, নন্দনী শর্মা, ক্রান্তি গৌড়, অরুন্ধতী রেড্ডি, জিন্তিমণি কালিতা এবং মিনু মণি। অপরদিকে ওয়ানডে স্কোয়াডে অধিনায়ক মান্দানা ও সহ-অধিনায়ক দীপ্তির পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন শেফালি ভার্মা, প্রতিকা রাওয়াল, হারমানপ্রিত কৌর, হারলিন দেওল, তেজল হাসাবনিস, রিচা ঘোষ, ইয়াস্তিকা ভাটিয়া, বৈষ্ণবী শর্মা, নন্দনী শর্মা, শ্রী চরানি, ক্রান্তি গৌড়, সায়ালি সাতঘারে এবং পেসার রেণুকা ঠাকুর।


নির্বাচিত

মেসির বিদায়ে আবেগঘন বার্তা রোনালদিনহোর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের জার্সিতে ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার পর এক আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদিনহো। স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনায় মেসির পেশাদার ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোতে তাঁর অন্যতম অগ্রজ সতীর্থ, পথপ্রদর্শক ও ঘনিষ্ঠ শুভাকাঙ্ক্ষী ছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। জাতীয় দলের দীর্ঘ অধ্যায় সমাপ্তির দিনে তাঁদের সেই পুরোনো সম্পর্কের সোনালী স্মৃতি রোমন্থন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই আন্তরিক শুভকামনা জানান রোনালদিনহো।

সম্প্রতি বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের রাজকীয় জয়ের ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে নিজের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি খেলেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। বিদায়ী মঞ্চেও তিনি ছিলেন স্বমহিমায় উজ্জ্বল; নিজে একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও দুটি গোল। এই স্মরণীয় ম্যাচের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ফুটবলের এক গৌরবময় আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল, যেখানে আর্জেন্টিনার হয়ে মোট ২০৮টি ম্যাচ খেলে ১২৬টি গোল ও ৭০টি অ্যাসিস্টের অবিশ্বাস্য রেকর্ড নিয়ে নিজের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই অধিনায়ক।

মেসির বিদায়লগ্নে দেওয়া আবেগঘন বার্তায় রোনালদিনহো উল্লেখ করেন, ক্যারিয়ারের প্রথম দিন থেকেই মেসির এই মহাকাব্যিক যাত্রার অংশ হতে পারাটা তাঁর নিজের জন্য ছিল পরম আনন্দ ও গর্বের বিষয়। আর্জেন্টাইন তারকাকে ‘ভাই’ সম্বোধন করে তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে মানুষকে ফুটবল উপভোগ করার এবং নিখাদ আনন্দ পাওয়ার অফুরন্ত সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন মেসি। রোনালদিনহোর ভাষায়, মেসির নাম কেবল তাঁর নিজ দেশের ইতিহাসেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং গোটা বিশ্বের ক্রীড়া ইতিহাসে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ এবং দেশের ফুটবলে তাঁর নিঃস্বার্থ অবদানের প্রশংসা করে পরিবারকে প্রাধান্য দিয়ে জীবনের এই নতুন অধ্যায় উপভোগ করার আহ্বান জানান তিনি।

জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলের ময়দানে এখনই থামছে না লিওনেল মেসির জাদুকরী ছন্দ। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল চালিয়ে যাবেন তিনি। তাঁর বর্তমান ক্লাব ইন্টার মায়ামিও এক বার্তায় ভক্তদের আশ্বস্ত করে নিশ্চিত করেছে যে, আর্জেন্টিনার হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের সমাপ্তি ঘটলেও ক্লাব আঙিনায় মেসির ফুটবল জীবনের ‘শেষ বাঁশি’ এখনো বেজে ওঠেনি।


নির্বাচিত

banner close