শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
৫ আষাঢ় ১৪৩৩

মিরাজকেই ভবিষ্যতের সাকিব মনে করেন হাথুরু

ফাইল ছবি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ২১:০৭

দেশের ক্রিকেটে গত কয়েক দিনের আলোচিত নাম মেহেদী হাসান মিরাজ। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্যই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন মিরাজ। ব্যাট-বল- দুই বিভাগেই মিরাজ এখন আস্থার নাম। তাই অনেকেই তাকে আগামী দিনের সাকিব আল হাসান মনে করছেন। সেই সুরে সুর মেলালেন প্রধান কোচ হাথুরু সিংহেও। মিরাজকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সাকিব মনে করেন তিনি।

আগামী বৃহস্পতিবার ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ। এর আগে আজ সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন প্রধান কোচ হাথুরু সিংহে। সেখানেই এক প্রশ্নের জবাবে হাথুরু সিংহে এ কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে এক ফাঁকে প্রশ্ন করা হয়- সাকিবের ভূমিকা পরবর্তীতে কে নেবেন? এই সময় মেহেদী হাসান মিরাজের কথা জানিয়ে হাথুরু বলেন, ‘আমার কাছে সে গত পাঁচ বা ছয় বছরে বাংলাদেশের সবচেয়ে উন্নতি করা ক্রিকেটার। সত্যিকার অর্থেই সে (ভবিষ্যতে) সাকিবের ভূমিকা নেওয়ার জন্য তৈরি। সে তার ব্যাটিং তো বটেই, নিশ্চিত করেই যেটা তার বড় শক্তির জায়গা, সেই বোলিংয়েরও উন্নতি ঘটিয়েছে। এখন সে নিজের ব্যাটিংয়ের উন্নতি ঘটিয়েছে। সে অসাধারণ এককজন ফিল্ডারও।’

ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে চ্যালেঞ্জ জানালেও টেস্টে দুই দলের পার্থক্যটা স্পষ্ট। লাল বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশ এখনো ঢের পিছিয়ে ভারতের চেয়ে। পরিসংখ্যানও সে কথাই বলে। তাই ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ঘুরেফিরে বাংলাদেশের চাপে থাকার প্রশ্নই আসে বারবার। তবে সেই চাপকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ, ‘এই চাপকে সুবিধা হিসেবে দেখছি। আমার মনে হয় এটা আমাদের অনেক বেশি উদ্বুদ্ধ করে এবং আরও বেশি সামনে তাকানোর সুযোগ করে দেয়। তখন আমরা নিজেদের শক্তি ও সীমাবদ্ধতা ও অবস্থান সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে পারি।’

বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৩ দল- ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। কিন্তু নানা ইস্যুতেই তাদের সঙ্গে খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ হয় না বাংলাদেশের। তাদের বিপক্ষে পরিসংখ্যানও ভালো নয় বাংলাদেশের। পরিসংখ্যান বা ম্যাচের ফলাফল যাই হোক, হাথুরুসিংহে মনে করেন, বড় দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ যত বেশি টেস্ট খেলবে, ততই অনুপ্রাণিত হবে এবং নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাবে।

টাইগার গুরু বলেন, ‘বিশ্বের সেরা দলের বিপক্ষে (টেস্ট) খেলতে পারলে আমরা আরও উৎসাহিত হই। যেমন- ভারতে এসে ভারতের বিপক্ষে খেলা। এখনকার দিনে ক্রিকেটে এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই সেরাদের বিপক্ষে খেলা সব সময় আপনাকে এই অনুভূতি দেয় যে, আপনি একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন। আমরা এখন সেই চ্যালেঞ্জের দিকেই তাকিয়ে।’


নির্বাচিত

কাতারকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে কানাডার ঐতিহাসিক জয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে কাতারকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিয়েছে টুর্নামেন্টের সহ-স্বাগতিক কানাডা। ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে কাতারের রক্ষণভাগকে এক প্রকার গুঁড়িয়ে দিয়ে ৬-০ ব্যবধানের বিশাল জয় পায় কানাডিয়ানরা। জোনাথন ডেভিডের চমৎকার হ্যাটট্রিক এবং কাতারের দুই ফুটবলারের লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার ঘটনা ম্যাচটিকে একপেশে করে তোলে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে কানাডা। লারিনের গোলে লিড নেওয়ার পর জোনাথন ডেভিড ২৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। কাতারের জন্য ম্যাচটি আরও কঠিন হয়ে পড়ে যখন ৩০ মিনিটের মাথায় ডিফেন্ডার হোমাম আহমেদ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। বিরতির ঠিক আগে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ডেভিড। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৫৩ মিনিটে আসিম মাদিবো সরাসরি লাল কার্ড পেলে ৯ জনের দলে পরিণত হয় কাতার। এর পরপরই ৬৪ মিনিটে নাথান সালিবা ফ্রি-কিক থেকে জালের দেখা পান।

৭৫ মিনিটে কাতারের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ মানাইয়ের আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান আরও বাড়ে। ম্যাচের শেষ দিকে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে কানাডার ৬-০ গোলের বড় জয় নিশ্চিত করেন জোনাথন ডেভিড। লিওনেল মেসির পর এবারের আসরে এটি দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। এই দাপুটে জয়ের মাধ্যমে কানাডা নকআউট পর্বের দৌড়ে টিকে রইল, অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় পরাজয়ে কাতারের বিশ্বকাপ মিশন এখন খাদের কিনারায়।


নির্বাচিত

বসনিয়াকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে নকআউটের পথে সুইজারল্যান্ড

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৯ জুন, ২০২৬ ১০:৪১
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে সুইজারল্যান্ড। শুরুতে দুই দলের মধ্যে সমানতালে লড়াই হলেও দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ম্যাচের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় সুইসরা। এই জয়ে নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করেছে তারা।

প্রথমার্ধে উভয় দলই কয়েকটি সম্ভাবনাময় আক্রমণ গড়ে তুললেও গোলের দেখা মেলেনি। বিরতির পর খেলার চিত্র বদলে যায়। সুইজারল্যান্ড আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এবং মিডফিল্ডে অধিনায়ক গ্রানিত জাকার নেতৃত্ব ও বদলি খেলোয়াড়দের কার্যকর অবদান দলকে এগিয়ে নেয়।

ম্যাচের শেষ দিকে সুইসদের লাগাতার আক্রমণের মুখে বসনিয়ার রক্ষণভাগ ভেঙে পড়ে। পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে যখন লাল কার্ড দেখে একজন খেলোয়াড় মাঠ ছাড়ায় ১০ জনের দলে পরিণত হয় বসনিয়া। সংখ্যাগত সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক গোল করে বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে সুইজারল্যান্ড।

দাপুটে এই জয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার পথে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করল সুইসরা।


নির্বাচিত

শেষ মুহূর্তের নাটকীয় ড্রয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আটলান্টা স্টেডিয়ামে জয়ের খুব কাছে গিয়েও এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে চেক প্রজাতন্ত্রকে। ম্যাচের ৮২ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি ভাগ্যে নাটকীয় এক ড্র আদায় করে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১-১ গোলের এই ড্রয়ে গ্রুপ ‘এ’-র সমীকরণ এখন বেশ কঠিন হয়ে পড়ল। দুই ম্যাচ শেষে দুই দলেরই সংগ্রহ এখন ১ পয়েন্ট করে।

ম্যাচের শুরুটা ছিল চেক প্রজাতন্ত্রের জন্য ইতিহাস গড়া। মিডফিল্ডার মিখাল সাদিলেক মাত্র ৫ মিনিট ৭ সেকেন্ডে গোল করে চলতি বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়েন। আলেকসান্দ্র সোইকার সঙ্গে চমৎকারএকবলআদান-প্রদানশেষেনিচুশটেলক্ষ্যভেদকরেনতিনি।শুরুতেইপিছিয়েপড়াদক্ষিণআফ্রিকাএরপরতাদেররক্ষণভাগসামলেওঠারচেষ্টাকরে।

দক্ষিণ আফ্রিকার ফরোয়ার্ড থাপেলো মাসেকোর একটি শট বক্সে থাকা চেক খেলোয়াড় পাভেল শুলৎসের হাতে লাগলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ৮৩ মিনিটে সেই পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান তেবোহো মোকোয়েনা। হারের মুখ থেকে এক পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়ে পরের রাউন্ডে ওঠার লড়াইয়ে টিকে রইল দক্ষিণ আফ্রিকা।

ফুটবলীয় রোমাঞ্চের পাশাপাশি এই ম্যাচটি ইতিহাসের পাতায়ও জায়গা করে নিয়েছে। ছেলেদের বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো কোনো ম্যাচে মাঠের দায়িত্ব পালন করেছেন তিন নারী অফিশিয়াল। যুক্তরাষ্ট্রের টরি পেনসো, ব্রুক মায়ো ও ক্যাথরিন নেসবিট অত্যন্ত নিপুণভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি পরিচালনা করেন।

বর্তমানে গ্রুপ ‘এ’-তে মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়া সমান ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের প্রথম দুই অবস্থানে রয়েছে। ২ ম্যাচে ১ পয়েন্ট পাওয়া চেক প্রজাতন্ত্র গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে তিনে এবং সমান পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা চারে অবস্থান।


নির্বাচিত

এবার মেসির রেকর্ডে নজর এমবাপ্পের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে জোড়া গোল করে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাত্র ২৭ বছর বয়সেই অলিভিয়ে জিরুডকে টপকে ফ্রান্স ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় লিখিয়েছেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। সেনেগালের বিপক্ষে করা এই জোড়া গোলের সুবাদে দেশের হয়ে এমবাপ্পের মোট আন্তর্জাতিক গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮টিতে, যা জিরুডের ৫৭ গোলের পূর্বের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে তাঁকে এককভাবে ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসনে বসিয়েছে।

ঐতিহাসিক এই অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে ফরাসি জাতীয় দলের সতীর্থরা এমবাপ্পেকে ‘৫৮’ নম্বর লেখা একটি বিশেষ জার্সি উপহার দিয়ে বরণ করে নেন। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের এই অবিস্মরণীয় অনুভূতি প্রকাশ করে ফরাসি অধিনায়ক লেখেন, “৫৮ গোল। আমাদের জাতীয় দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে পারাটা এক বিশাল গর্বের বিষয়, যে দেশে অতীতে এত এত মহান ফুটবলার খেলে গেছেন। প্রথম দিন থেকে আমার ওপর চিরন্তন আস্থা রাখার জন্য সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনকে ধন্যবাদ। আমাদের এই যাত্রা চলতেই থাকবে, কারণ এখনও অনেক কিছু অর্জন করা বাকি রয়েছে।”

দেশের রেকর্ড নিজের পকেটে পুরে ফরাসি ফরোয়ার্ডের লক্ষ্য এবার বৈশ্বিক ফুটবলের সবচেয়ে বড় ও মর্যাদাপূর্ণ রেকর্ডটির দিকে। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোলের পর ফুটবল বিশ্বকাপে এমবাপ্পের মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪-তে। ম্যাচ শেষে তিনি সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর পরবর্তী লক্ষ্য এবার আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসি এবং জার্মানির কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার বিশ্বকাপের সর্বকালীন সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি নিজের করে নেওয়া। চলতি আসরে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে মেসি এবং ক্লোসা বর্তমানে ১৬টি গোল নিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসের যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন। আর মাত্র দুটি গোল করলেই এমবাপ্পে তাঁদের এই মহাকাব্যিক রেকর্ড স্পর্শ করবেন।

বর্তমান দুর্দান্ত ফর্ম এবং মাত্র ২৭ বছর বয়সের সমীকরণ বিবেচনা করে ফুটবল বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মেসি ও ক্লোসার এই বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে দেওয়া এমবাপ্পের জন্য এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার। হয়তো চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপেই মেসিকে ছাড়িয়ে এককভাবে বিশ্বমঞ্চের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসন নিজের করে নেবেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। প্রথম ম্যাচেই এমন রেকর্ড গড়া শুরু করা এমবাপ্পের এই আগ্রাসী ক্ষুধা ফরাসি দলকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি ধরে রাখার অভিযানে মানসিকভাবে আরও বহুগুণ শক্তিশালী করে তুলবে।


নির্বাচিত

উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে কলম্বিয়ার দাপুটে বিশ্বকাপ শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিয়ে বড় কোনো চমক দেখানোর রঙিন স্বপ্ন ছিল নবাগত উজবেকিস্তানের। তবে তাদের সেই স্বপ্নকে লাতিন আমেরিকার মাঠের কঠোর বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিল শক্তিশালী কলম্বিয়া। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে উজবেক ডিফেন্সের প্রতিরোধ ভেঙে ৩-১ গোলের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে কলম্বিয়া। এই জয়ের সুবাদে গ্রুপে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে জায়গা করে নিল লাতিন আমেরিকার দেশটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের চেনা লাতিন ছন্দের আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে কলম্বিয়া। তবে প্রথমার্ধে উজবেকিস্তানের ডিফেন্ডাররা সুশৃঙ্খলভাবে কলম্বিয়ার ফরোয়ার্ডদের আটকে রেখেছিলেন। অবশেষে প্রথম গোলের দেখা পেতে কলম্বিয়াকে ম্যাচের ৪০তম মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। খেলার ৪০তম মিনিটে দলের তারকা ফরোয়ার্ড লুইস দিয়াজের নিখুঁত এক পাস থেকে বল পেয়ে চমৎকার গোল করে কলম্বিয়াকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন ড্যানিয়াল মুনোজ। এই এক গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় লাতিন দেশটি।

বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচে সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে আক্রমণের তীব্রতা বাড়াতে থাকে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা উজবেকিস্তান। সার্থকভাবে রক্ষণভাগ সামলে তারা পাল্টা আক্রমণ চালাতে শুরু করে এবং সেই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। উজবেকিস্তানের হয়ে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে সমতাসূচক গোলটি করেন আববোসবেক ফয়জুললভ। তবে এশিয়ান দলটির সেই আনন্দের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র পাঁচ মিনিট। খেলার ৬৫তম মিনিটে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করে কলম্বিয়াকে আবারও ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন লুইস দিয়াজ।

২-১ গোলে পিছিয়ে পড়ে দ্বিতীয়বার সমতায় ফিরতে উন্মুখ হয়ে ওঠে উজবেকিস্তানের আক্রমণভাগ। তবে ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে উজবেকদের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন জেমিনটন ক্যাম্পাজ। তাঁর দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে কলম্বিয়ার ৩-১ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। প্রথম ম্যাচেই এমন জয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করল কলম্বিয়া, অন্যদিকে হারের মুখ দেখে টেবিলের তলানিতে গিয়ে ঠেকতে হলো নবাগত উজবেকিস্তানকে।


নির্বাচিত

৯৫তম মিনিটের নাটকীয় গোলে পানামাকে হারাল ঘানা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘এল’-এর প্রথম ম্যাচে শেষ মুহূর্তের এক নাটকীয় গোলে পানামাকে হারিয়ে ১-০ ব্যবধানে শুভসূচনা করেছে আফ্রিকান পরাশক্তি ঘানা। কানাডার টরন্টোতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম পয়েন্ট পাওয়ার একেবারেই দ্বারপ্রান্তে ছিল পানামা। তবে ম্যাচজুড়ে চমৎকার খেলেও শেষরক্ষা হয়নি তাদের; যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে (৯৫ মিনিট) গোল হজম করে আক্ষেপ ও হারের ক্ষত নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে সেন্ট্রাল আমেরিকার এই দলটিকে।

অথচ পুরো ম্যাচজুড়ে বলের দখল ও আক্রমণের দিক থেকে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল পানামার। প্রায় ৬২ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখে তারা ঘানার গোলপোস্ট লক্ষ্য করে মোট ১১টি শট নিয়েছিল, যার বিপরীতে ঘানার শট ছিল মাত্র ৮টি। প্রথমার্ধের শুরুর দিকেই খেলার মাত্র দ্বিতীয় মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে বিপজ্জনক সুযোগটি তৈরি করেছিল পানামা। আমির মুরিলোর নিচু ক্রস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের মাঝখান থেকে জোরালো শট নিয়েছিলেন পানামা ফরোয়ার্ড সিসিলিও ওয়াটারম্যান। তবে ঘানার গোলরক্ষক লরেন্স আতি-জিগি ঝাঁপিয়ে পড়ে চমৎকার দক্ষতায় গোল হজম করা থেকে দলকে রক্ষা করেন। কয়েকটি শারীরিক সংঘর্ষের ধাক্কা সামলানোর পর আতি-জিগি প্রথমার্ধের বিরতিতেই মাঠ ছাড়লে ঘানার গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ান বদলি গোলরক্ষক বেঞ্জামিন আসারে।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে ম্যাচজুড়ে আসল নায়কের ভূমিকা পালন করেন বদলি গোলকিপার বেঞ্জামিন আসারে। শেষ ৪৫ মিনিটে গোলপোস্টে অতন্দ্র প্রহরী হয়ে তিনি পানামার নিশ্চিত তিনটি শট প্রতিহত করেন, যার মধ্যে দুটি ছিল ডি-বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া জোরালো আক্রমণ। আসারের এই দুর্দান্ত বীরত্বের পর ম্যাচের যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে কাঙ্ক্ষিত সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আসে ঘানার জন্য। বদলি খেলোয়াড় ব্রান্ডন থমাস আসান্তে আলগা বল পেয়ে বাম প্রান্ত দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে চমৎকারভাবে বল গোলমুখে ঠেলে দেন। সেখান থেকে ফরোয়ার্ড কালেব ইয়েরেঙ্কি এক নিখুঁত টোকায় বল জালে জড়িয়ে টরন্টোর স্টেডিয়ামে ঘানাকে ঐতিহাসিক জয় এনে দেন।

এই ম্যাচে ঘানা মাঠে নেমেছিল তাদের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার টমাস পার্টিকে ছাড়াই। ধর্ষণের অভিযোগে ভিসা-জটিলতায় পড়ে কানাডায় প্রবেশ করতে না পারায় বস্টনে দলের বেস ক্যাম্পেই অবস্থান করতে হয়েছে সাবেক এই আর্সেনাল তারকাকে। তবে পার্টির অনুপস্থিতিতেও ২০১০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালিস্ট ঘানা শেষ মুহূর্তের জয় নিয়ে গ্রুপ ‘এল’-এর গুরুত্বপূর্ণ ৩ পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়েছে। অন্য দিকে, ভালো পারফরম্যান্স দেখানোর পরও শেষ মুহূর্তের অসাবধানতায় ১ পয়েন্ট হাতছাড়া হওয়ায় মাঠ ছাড়ার সময় পানামার খেলোয়াড়দের চোখে-মুখে হতাশার ছাপ স্পষ্ট ছিল।


নির্বাচিত

কেইনের জোড়া গোলের রাতে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারাল ইংল্যান্ড

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার পাশাপাশি দুর্দান্ত জয়ে আসর শুরু করেছে ইংল্যান্ড। গ্রুপ ‘এল’-এর হাইভোল্টেজ ম্যাচে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের জোড়া গোল ও অসামান্য নৈপুণ্যে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়েছে ‘থ্রি লায়ন্স’রা। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হারের দীর্ঘদিনের আক্ষেপ কিছুটা হলেও মেটাতে পেরেছে ইংলিশরা। একই সঙ্গে গ্রুপ ‘এল’-এর পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান দখল করে পরবর্তী রাউন্ডের পথ সহজ করে রাখল থমাস টুখেলের শিষ্যরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের তীব্র আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে লড়াই জমে ওঠে। খেলার ১২তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর ননি মাদুয়েকেকে ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক লুকা মদরিচ ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। হ্যারি কেইনের প্রথম পেনাল্টি শটটি ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক দমিনিক লিভাকোভিচ ঠেকিয়ে দিলেও, শট নেওয়ার পূর্বে তিনি গোললাইন ছেড়ে বেরিয়ে আসায় রেফারি পুনরায় পেনাল্টি নেওয়ার নির্দেশ দেন। দ্বিতীয় সুযোগে অবশ্য কোনো ভুল করেননি কেইন; চমৎকার শটে গোল করে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বকাপের ইতিহাসে (টাইব্রেকার বাদে) সর্বোচ্চ ৫টি পেনাল্টি গোল করার একক বিশ্ব রেকর্ড গড়েন তিনি। তবে ৩৬তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে মার্তিন বাতুরিনার চোখধাঁধানো শটে ১-১ সমতায় ফেরে ক্রোয়েশিয়া। এরপর প্রথমার্ধের শেষভাগে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে দারুণ হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন কেইন। যদিও প্রথমার্ধের যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে (৪৫+৫ মিনিট) পেতার মুসা গোল করলে ২-২ সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।

গোল ও নাটকীয়তায় ভরা প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারও চালকের আসনে বসে ইংল্যান্ড। খেলার ৪৭তম মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে এককভাবে দ্রুতগতিতে ক্রোয়েশিয়ার ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন জুড বেলিংহাম এবং এক কোনাকুনি শটে বল জালে জড়িয়ে দলকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে নেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। দ্বিতীয়বার পিছিয়ে পড়ার পর ক্রোয়েশিয়া সমতায় ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা চালালেও ইংলিশ রক্ষণভাগের সতর্ক অবস্থানের কারণে সফল হতে পারেনি। পরবর্তীতে ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে স্কোরলাইন ৪-২ করেন ফরোয়ার্ড মার্কাস রাশফোর্ড। তাঁর এই দুর্দান্ত গোলের সুবাদেই ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের বড় জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।

এদিন ইংল্যান্ডের শুরুর একাদশে জর্ডান পিকফোর্ড, রিস জেমস, জন স্টোনস ও ডেকলান রাইসের মতো নিয়মিত তারকাদের পাশাপাশি তরুণেরা দলে ছিলেন, অন্য দিকে ক্রোয়েশিয়ার হয়ে মাঠে নেমেছিলেন ইওস্কো গভার্দিওল, ইভান পেরিসিচ, মারিও পাসালিচ এবং অধিনায়ক লুকা মদরিচের মতো অভিজ্ঞ ফুটবলাররা। তবে শেষ পর্যন্ত ক্রোয়াটদের অভিজ্ঞ স্কোয়াডকে পরাস্ত করে গুরুত্বপূর্ণ ৩ পয়েন্ট তুলে নেয় ইংল্যান্ড। প্রথম ম্যাচেই এমন বড় জয়ে আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে যাওয়া ইংল্যান্ডের লক্ষ্য এখন আগামী ম্যাচগুলোতেও এই জয়ের ধারা বজায় রাখা।


নির্বাচিত

পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ডিআর কঙ্গোর ঐতিহাসিক ড্র

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের অন্যতম শক্তিশালী দল পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ঐতিহাসিক এক ড্র আদায় করে নিয়েছে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ৪৮তম স্থানে থাকা ডিআর কঙ্গো। বুধবার (১৭ জুন) রাতে অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের এই ম্যাচটি ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয়েছে। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে গোল করে দুর্দান্ত সূচনা করলেও পরবর্তীতে কঙ্গোর রক্ষণভাগ ভাঙতে ব্যর্থ হন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও ভিতিনাহরা। এই ড্রয়ের মাধ্যমে পর্তুগাল পয়েন্ট ভাগাভাগি করে তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করলেও ডিআর কঙ্গো অর্জন করেছে তাদের ফুটবল ইতিহাসের এক গৌরবময় মাইলফলক।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য বজায় রাখে পর্তুগাল। এরই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের মাত্র ষষ্ঠ মিনিটে গোল পেয়ে এগিয়ে যায় তারা। বাম দিক থেকে পর্তুগিজ উইঙ্গার পেদ্রো নেতোর একটি নিখুঁত ক্রসে দারুণ হেডে বল কঙ্গোর জালে জড়িয়ে দেন তরুণ মিডফিল্ডার জোয়াও নেভেস। শুরুর এই গোলের পরও পর্তুগাল খেলার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখলেও ডিফেন্ডার ও অধিনায়ক চ্যান্সেল এমবেম্বার নেতৃত্বে কঙ্গোর রক্ষণভাগ ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ায় এবং তাদের আক্রমণভাগের ফুটবলার ইয়োয়ান উইসা বেশ কয়েকটি পাল্টা আক্রমণ শানাতে শুরু করেন।

প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয় কঙ্গো। অতিরিক্ত সময়ের চতুর্থ মিনিটে (৪৫+৪ মিনিট) একটি কর্নার আদায় করে নেয় আফ্রিকার দলটি। ডান দিক থেকে উড়ে আসা ক্রসে ফার পোস্টে সম্পূর্ণ ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা উইসা দারুণভাবে উঁচুতে লাফিয়ে এক শক্তিশালী হেডে লক্ষ্যভেদ করেন। এই গোলের মাধ্যমে পর্তুগালের বিপক্ষে সমতা ফেরার পাশাপাশি রচিত হয়েছে নতুন এক ইতিহাস। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই ডিআর কঙ্গোর প্রথম গোল। এর আগে একটি আসরে অংশ নিলেও কোনো গোল করতে পারেনি দলটি, উল্টো ১৪টি গোল হজম করতে হয়েছিল তাদের।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে সমতা ভাঙার জন্য আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেয় পর্তুগাল। একের পর এক আক্রমণ তৈরি করলেও স্ট্রাইকারদের ফিনিশিংয়ের দুর্বলতার কারণে গোলমুখ উন্মুক্ত করতে পারছিল না ফেভারিটরা। বিপরীতে কঙ্গো তাদের রক্ষণভাগ জমাট রেখে অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে পাল্টা আক্রমণের ওপর জোর দেয়। পর্তুগালের আক্রমণগুলো বারবার কঙ্গোর ডিফেন্ডারদের প্রতিরোধে প্রতিহত হয়ে যায়। শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত কোনো দলই আর গোল করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।


নির্বাচিত

প্রথম টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারাল অস্ট্রেলিয়া

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে টি-টুয়েন্টি সিরিজ শুরু করলেও প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছে বাংলাদেশ দল। তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪ উইকেটের ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিকেরা। নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসের ইনজুরির কারণে এই ম্যাচে প্রথমবারের মতো অধিনায়কত্ব করতে নামেন তাওহিদ হৃদয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৯ ওভারে ১৩১ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। জবাবে ১০ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।

এদিন প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিলেও বেশি দূর এগোতে পারেনি বাংলাদেশের টপ-অর্ডার। ৩ ওভারের মাথায় তানজিদ হাসান তামিম আউট হওয়ার পর সাইফ হাসান ১৪ বলে ২০ রান করে বিদায় নেন। এরপর তাওহিদ হৃদয় ও সৌম্য সরকার দ্রুত ফিরে গেলে ৬৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। পাঁচে নামা পারভেজ হোসেন ১০ রান এবং শামীম হোসেন ১ রান করে আউট হলে ব্যাটিং লাইনআপ বেশ চাপের মুখে পড়ে। অভিষিক্ত আবদুল গাফফার সাকলায়েন ১০ রান করে আউট হলে এক শ পার করার আগেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে টাইগাররা। তবে শেষ জুটিতে মেহেদী হাসানের ২২ বলে অপরাজিত ২৯ রানের সময়োপযোগী ইনিংসে ভর করে ১৩১ রানের লড়াই করার মতো পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

১৩২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে অজিরা কিছুটা চাপে পড়লেও তরুণ অলরাউন্ডার কুপার কনোলির ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ম্যাচ সহজেই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় তারা। দলীয় ১৩ রানে ওপেনার জস ইংলিশকে বোল্ড করে প্রথম আঘাত হানেন শরীফুল ইসলাম। এরপর ১৩ রান করা অধিনায়ক মিচেল মার্শকে সাজঘরে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। তবে আগের ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করা ২২ বছর বয়সী কুপার কনোলি টি-টুয়েন্টিতেও তাঁর আগ্রাসী ফর্ম বজায় রাখেন। আউট হওয়ার আগে ২৭ বলে ৪৭ রানের এক কার্যকর ও বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন তিনি।

শেষদিকে টিম ডেভিডকে ফিরিয়ে দিয়ে লড়াই জমিয়ে তোলার চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ। বিশেষ করে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা পেস বোলিং অলরাউন্ডার আবদুল গাফফার সাকলায়েন ৪৭ রান করা কনোলিসহ মোট ২টি উইকেট শিকার করে নজর কেড়েছেন। তবে বোলারদের নিয়ন্ত্রিত নৈপুণ্য সত্ত্বেও অজিদের জয়ের পথে বড় বাধা সৃষ্টি করা যায়নি। ১০ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে গাফফার ২টি এবং শরীফুল, মোস্তাফিজ ও শেখ মেহেদী ১টি করে উইকেট নেন। এই হারের পর সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে পরের ম্যাচে কঠোর পরীক্ষা দিতে হবে তাওহিদ হৃদয়ের দলকে।


নির্বাচিত

বাকৃবির হলের দেয়ালে ঠাঁই পেল ম্যারাডোনা-পেলে

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাকৃবি প্রতিনিধি

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরে অনুষ্ঠিত এই মহাযজ্ঞের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসেও। তবে শুধু বর্তমান সময়ের তারকা লিওনেল মেসি ও নেইমার জুনিয়র নন, ফুটবল ইতিহাসের দুই কিংবদন্তি পেলে ও ম্যারাডোনার গ্রাফিতি এঁকে বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন বাকৃবির শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলের কমনরুমের দেয়ালে ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার প্রতিকৃতি অঙ্কন করেছেন ভেটেরিনারি অনুষদের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী রেজওয়ানুল হক শান্ত। অন্যদিকে ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলের প্রতিকৃতি এঁকেছেন পশুপালন অনুষদের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ ফারাবি।

মেসি-নেইমারদের পাশাপাশি পেলে-ম্যারাডোনাকে কেন্দ্র করে আঁকা দেয়ালচিত্র দুটি বাকৃবির বিশ্বকাপ উন্মাদনায় এনেছে ভিন্ন আমেজ। গ্রাফিতিগুলো দেখতে ও ছবি তুলতে প্রতিদিনই বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলে ভিড় করছেন বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা।

পেলের গ্রাফিতি অঙ্কনকারী ব্রাজিল সমর্থক ফারাবি বলেন, 'আমার কাছে পেলে ফুটবল ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়। তিনিই একমাত্র ফুটবলার, যাঁর হাতে তিনটি বিশ্বকাপের ট্রফি উঠেছে। ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হিসেবে তিনি যে কীর্তি গড়েছেন, তা আজও অনন্য।'

প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার গ্রাফিতি তৈরির সময় ও পরিশ্রমের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, 'পুরো কাজটি শেষ করতে আমার প্রায় তিন দিন ও তিন রাত লেগেছে। প্রথম দিন স্কেচ করতেই কেটে যায়। পরের দুই দিন রঙের কাজ করেছি। এখানে প্রায় ১৮ ধরনের রং ব্যবহার করা হয়েছে। ক্লাস শেষ করে বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিদিন আমার কাজ করতে হয়েছে।

এদিকে ম্যারাডোনার গ্রাফিতি অঙ্কনকারী আর্জেন্টিনা সমর্থক রেজওয়ানুল হক শান্ত বলেন, 'প্রতি চার বছর পর পর বিশ্বকাপ এলে ক্যাম্পাসে একটা উৎসবের মতো পরিবেশ তৈরি হয়। সেই আনন্দকে আরও বাড়াতেই আমরা এই গ্রাফিতির উদ্যোগ নিই।'

শান্ত জানান, প্রায় ১১ ফুট উচ্চতার ম্যারাডোনার গ্রাফিতিটি আঁকতে তার প্রায় দুই দিন সময় লেগেছে। এতে জুনিয়র শিক্ষার্থীরাও তাকে সহযোগিতা করেছে। হলের আর্জেন্টিনা ফ্যান ক্লাবের সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অর্থায়নেই গ্রাফিতিটির যাবতীয় খরচ বহন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

শুধু শাহজালাল হলই নয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী হল, সোহরাওয়ার্দী হল ও ঈশা খাঁ হলের দেয়ালেও শিক্ষার্থীরা ফুটিয়ে তুলেছেন বিশ্বকাপের হরেক রঙ। তবে চলতি প্রজন্মের তারকাদের ভিড়ে পেলে ও ম্যারাডোনার এই গ্রাফিতি দুটি ক্যাম্পাসে এনেছে নস্টালজিক হাওয়া।

আঁকার পর থেকেই তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন এই দুই শিক্ষার্থী।


নির্বাচিত

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হৃদয়ের নেতৃত্বে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে ঐতিহাসিক ২-১ ব্যবধানে হারানোর পর আজ টি-টোয়েন্টি সিরিজেও জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে টাইগাররা। এই ম্যাচের মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের ১৩তম টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হলো তরুণ তুর্কি তাওহীদ হৃদয়ের।

নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস তৃতীয় ওয়ানডেতে পাওয়া চোটের কারণে আজকের ম্যাচে খেলতে পারছেন না। তার অনুপস্থিতিতে উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্ব সামলাবেন পারভেজ হোসেন। এদিকে আজকের ম্যাচে জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হচ্ছে পেস বোলিং অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলাইনের। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে ২৪ ম্যাচে ২৪ উইকেট নেওয়া এই ক্রিকেটার লোয়ার অর্ডারে দ্রুত রান তুলতে সক্ষম। একাদশে আরও জায়গা করে নিয়েছেন একদিন আগে হুট করে দলে যুক্ত হওয়া অভিজ্ঞ ব্যাটার সৌম্য সরকার।

বাংলাদেশ দলে স্পিন আক্রমণে থাকছেন রিশাদ হোসেন ও মেহেদী হাসান এবং পেস বিভাগে মুস্তাফিজুর রহমান ও শরীফুল ইসলামের সাথে যোগ দেবেন নবাগত আব্দুল গাফফার। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে আজ নতুন ইতিহাস গড়তে মুখিয়ে আছে স্বাগতিকরা। ২০০৫ সালের পর এবারই প্রথম অজিদের বিপক্ষে কোনো সিরিজ জয়ের গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ, যা দলের আত্মবিশ্বাসকে তুঙ্গে রেখেছে। চট্টগ্রামের উইকেটে বড় রান সংগ্রহ করে সফরকারীদের চাপে ফেলাই এখন অধিনায়ক হৃদয়ের প্রধান লক্ষ্য।


নির্বাচিত

‘আল্লাহু আকবার’ খচিত ইরাকের পতাকা মাটিতে নামাল না ফিফা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রচলিত প্রথা ভেঙে ধর্মীয় অনুভূতি ও জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে ফিফা। সৌদি আরবের পর এবার ইরাকের জাতীয় পতাকার ক্ষেত্রেও বিশেষ মর্যাদা নিশ্চিত করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ এই নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

সাধারণত বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ শুরুর আগে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর বিশালাকার পতাকা মাঠে নামিয়ে প্রদর্শন করার নিয়ম রয়েছে। তবে সৌদি আরবের পতাকায় পবিত্র ‘কালিমা’ খচিত থাকায় ফিফা সেটি মাটি স্পর্শ করতে দেয়নি, যা নিয়ে আগেই ব্যাপক ইতিবাচক আলোচনা হয়েছিল। এবার ইরাকের পতাকার ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণ করল ফিফা। ইরাকি পতাকায় পবিত্র ‘আল্লাহু আকবার’ বাণী লেখা থাকায় সেটিও মাটিতে না নামিয়ে উঁচিয়ে প্রদর্শন করা হয়েছে।

ফিফা শুরুতে ওজনজনিত কারণে মাঠের ঘাস নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় এই অনুরোধটি বাতিল করার কথা ভাবলেও শেষ পর্যন্ত তারা প্রাক-ম্যাচ অনুষ্ঠানে ইরাকের পতাকাটি সসম্মানে উঁচিয়ে রাখার ব্যবস্থা করে। তবে কেবল একটি দেশের পতাকাকে বিশেষ মর্যাদা দিলে অন্য দলের প্রতি বৈষম্য হতে পারে—এমন বিতর্ক এড়াতে ফিফা অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ও নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়। ইরাকের পাশাপাশি তাদের প্রতিপক্ষ নরওয়ের জাতীয় পতাকাটিও পুরো অনুষ্ঠান চলাকালীন সমান উচ্চতায় উঁচিয়ে রাখা হয়। এর ফলে মাঠে উভয় দেশের প্রতি সমান মর্যাদা ও এক অনন্য ভ্রাতৃত্বের আবহ তৈরি হয়।

উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র সৌদি আরব ও ইরাকের জাতীয় পতাকায় ধর্মীয় পবিত্র লিপি বা বাণী খচিত রয়েছে। ফিফার এই সময়োপযোগী ও সংবেদনশীল পদক্ষেপটি বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সমাদৃত হচ্ছে।


নির্বাচিত

জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রিয়ার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

দীর্ঘ ২৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরেই রাজকীয় জয় তুলে নিয়েছে অস্ট্রিয়া। সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ খেলা দলটি উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নবাগত জর্ডানকে ৩-১ গোল ব্যবধানে পরাজিত করেছে। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বমঞ্চে ফেরার ম্যাচে অস্ট্রিয়ানদের এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাসকে অনেক বাড়িয়ে দিল।

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়া জর্ডানের বিপক্ষে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল অস্ট্রিয়া। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে ২১তম মিনিটে রোমানো শ্মিডের গোলে তারা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। প্রথমার্ধ এই ব্যবধানেই শেষ হয়। তবে বিরতির পর জর্ডান পাল্টা আক্রমণ শুরু করে এবং দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র পাঁচ মিনিটের মাথায় আলি ওলওয়ানের গোলে সমতায় ফিরে চমকে দেয় অস্ট্রিয়াকে।

জর্ডানের এই খুশির আমেজ বেশিক্ষণ টেকেনি। ৭৬তম মিনিটে দুর্ভাগ্যজনকভাবে এক আত্মঘাতী গোল করে আবারও পিছিয়ে পড়ে জর্ডান। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে অস্ট্রিয়া তাদের তৃতীয় গোলটি আদায় করে নিলে জর্ডানের ফেরার সব পথ বন্ধ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানের সহজ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রিয়া।

এই জয়ের ফলে গ্রুপ পর্বে শুভসূচনা করল অস্ট্রিয়া। তবে তাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে, কারণ পরের ম্যাচেই তাদের লড়তে হবে শক্তিশালী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে জর্ডান।


নির্বাচিত

banner close