বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

একনজরে ফুটবল বিশ্বকাপের ৪৮ দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত : ২ জুন, ২০২৬ ১৬:৫৩

আগামী ১১ জুন পর্দা উঠছে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের। মেক্সিকো সিটিতে উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে স্বাগতিকরা। এবারের আসরে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক দল অংশ নিচ্ছে। মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া এই ৪৮ দলের সবাই ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে।

একনজরে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড-

আলজেরিয়া-

গোলরক্ষক- ওসামা বেনবট, মেলভিন মাস্টিল, লুকা জিদান

ডিফেন্ডার- আশরাফ আবাদা, রায়ান আইত-নুরি, জিনেদ্দিন বেলাইদ, রাফিক বেলঘালি, রামি বেনসেবাইনি, সামির শেরগুই, জাওয়েন হাদজাম, আইসা মান্দি, মোহামেদ তুগাই

মিডফিল্ডার- হৌসেম আওয়ার, নাবিল বেনতালেব, হিচাম বুদাউই, ফারেস শাইবি, ইব্রাহিম মাজা, ইয়াসিন তিত্রাউই, রামিজ জেরুকি

ফরোয়ার্ড- মোহামেদ আমুরা, নাধির বেনবুয়ালি, আদিল বুলবিনা, ফারেস ঘেদজেমিস, আমিন গুইরি, রিয়াদ মাহরেজ, আনিস হাজ মুসা।

আর্জেন্টিনা-

গোলরক্ষক- এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, জেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো

ডিফেন্ডার- নাহুয়েল মোলিনা, গনসালো মন্টিয়েল, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিওনার্দো বালের্দি, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, ফাকুন্দো মেদিনা

মিডফিল্ডার- লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, রদ্রিগো দে পল, জিওভানি লো সেলসো, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, এনজো ফার্নান্দেস, ভ্যালেন্তিন বার্কো

ফরোয়ার্ড- লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্তিনেজ, থিয়াগো আলমাদা, নিকোলাস পাজ, নিকোলাস গনসালেস, জুলিয়ানো সিমিওনে, হোসে ম্যানুয়েল লোপেস।

অস্ট্রেলিয়া-

গোলরক্ষক- প্যাট্রিক বিচ, পল ইজ্জো, ম্যাথিউ রায়ান

ডিফেন্ডার- আজিজ বেহিচ, জর্ডান বস, ক্যামেরন বার্গেস, আলেসান্দ্রো সিরকাতি, মিলোস ডেগেনেক, জেসন গেরিয়া, লুকাস হেরিংটন, জ্যাকব ইতালিয়ানো, হ্যারি সাউতার, কাই ট্রেউইন

মিডফিল্ডার- ক্যামেরন ডেভলিন, আজদিন হ্রুস্টিচ, জ্যাকসন আরভিন, কনর মেটকাফ, পল ওকন-এংস্টলার, এইডেন ও'নিল

ফরোয়ার্ড- নেস্টরি ইরানকুন্ডা, ম্যাথিউ লেকি, আওয়ার মাবিল, মোহামেদ তুরে, নিশান ভেলুপিল্লাই, ক্রিস্টিয়ান ভলপাটো, টেটে ইয়েঙ্গি।

অস্ট্রিয়া-

গোলরক্ষক- প্যাট্রিক পেনৎস, আলেকজান্ডার শ্লাগার, ফ্লোরিয়ান উইগেলে

ডিফেন্ডার- ডেভিড আফেনগ্রুবার, ডেভিড আলাবা, কেভিন ডানসো, মার্কো ফ্রিডল, ফিলিপ লিনহার্ট, ফিলিপ মভেনে, স্টেফান পসখ, আলেকজান্ডার প্রাস, মাইকেল সভোবোদা

মিডফিল্ডার- ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার, কার্নি চুকুয়েমেকা, ফ্লোরিয়ান গ্রিলিচ, কনরাড লাইমার, মার্সেল সাবিৎসার, জাভের শ্লাগার, রোমানো শ্মিড, আলেসান্দ্রো শপফ, নিকোলাস সাইভাল্ড, পল ভানার, প্যাট্রিক ভিমার

ফরোয়ার্ড- মার্কো আরনাউটোভিচ, মাইকেল গ্রেগোরিচ, সাশা কালাইডজিচ।

বেলজিয়াম-

গোলরক্ষক- থিবো কুর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স, মাইক পেন্ডার্স

ডিফেন্ডার- টিমোথি কাস্তানিয়ে, জেনো ডেবাস্ট, ম্যাক্সিম ডে কুইপার, কোনি ডে উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেখেলে, থমাস মুনিয়ে, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেইস, আর্থার থিয়াতে

মিডফিল্ডার- কেভিন ডি ব্রুইনে, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাসকিন, ইউরি টিলেমান্স, হান্স ভানাকেন, অ্যাক্সেল উইটসেল

ফরোয়ার্ড- চার্লস ডে কেতেলায়েরে, জেরেমি ডোকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো, রোমেলু লুকাকু, দোদি লুকেবাকিও, দিয়েগো মোরেইরা, আলেক্সিস সালেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ড।

বসনিয়া-

গোলরক্ষক- ওসমান হাজদিকিচ, নিকোলা ভাসিলজ, মার্টিন জ্লোমিসলিচ

ডিফেন্ডার- নিদাল চেলিক, আমার দেদিচ, ডেনিস হাজদিকাদুনিচ, নিকোলা কাটিচ, সেয়াদ কোলাশিনাচ, তারিক মুহারেমোভিচ, নিহাদ মুজাকিচ, স্তিয়েপান রাদেলিয়িচ

মিডফিল্ডার- কেরিম আলাইবেগোভিচ, এসমির বাইরাকতারেভিচ, ইভান বাসিচ, জেনিস বুরনিচ, আরমিনা গিগোভিচ, আমির হাজদিয়াহমেতোভিচ, এরমিন মাহমিচ, আমার মেমিচ, ইভান শুনজিচ, বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ

ফরোয়ার্ড- সামেদ বাজদার, এরমেদিন দেমিরোভিচ, এদিন জেকো, জোভো লুকিচ, হারিস তাবাকোভিচ।

ব্রাজিল-

গোলরক্ষক- আলিসন, এদেরসন, ওয়েভারতন

ডিফেন্ডার- আলেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ইবানিয়েজ, লেও পেরেইরা, মার্কিনিয়োস, ওয়েসলি

মিডফিল্ডার- ব্রুনো গিমারায়েস, কাসেমিরো, দানিলো সান্তোস, ফাবিনিও, লুকাস পাকেতা

ফরোয়ার্ড- এন্দ্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাতেউস কুনিয়া, নেইমার জুনিয়র, রাফিনিয়া, রায়ান, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

ক্যাপ ভার্দে-

গোলরক্ষক- ভোজিনহা, মার্সিও রোজা, সি. জে. দোস সান্তোস

ডিফেন্ডার- ডিনে বোর্হেস, সিডনি কাব্রাল, লোগান কস্তা, স্টিভেন মোরেরা, ওয়াগনার পিনা, জোয়াও পাওলো ফার্নান্দেস, রবার্তো ‘পিকো’ লোপেস, কেভিন পিরেস, ইআনিকে ‘স্টোপিরা’ তাভারেস

মিডফিল্ডার- টেলমো আরকানজো, লারোস দুয়ার্তে, ডেরয় দুয়ার্তে, জামিরো মন্টেইরো, কেভিন পিনা, ইয়ানিক সেমেদো

ফরোয়ার্ড- গিলসন বেনচিমল, জোভানে কাব্রাল, নুনো দা কস্তা, দাইলন লিভ্রামেন্তো, রায়ান মেন্দেস, গ্যারি রদ্রিগেস, উইলি সেমেদো, হেলিও ভেরেলা

কানাডা-

গোলরক্ষক- ম্যাক্সিম ক্রেপো, ওয়েন গুডম্যান, ডেন স্ট. ক্লেয়ার

ডিফেন্ডার- মোইসে বোম্বিতো, ডেরেক কর্নেলিয়াস, আলফনসো ডেভিস, লুক দ্য ফুয়েরোলেস, অ্যালিস্টার জনস্টন, আলফি জোন্স, রিচি লারিয়া, নিকো সিগুর, জোয়েল ওয়াটারম্যান

মিডফিল্ডার- আলি আহমেদ, তাজন বুকানান, ম্যাথিউ চোইনিয়েরে, স্টিফেন ইউস্তাকিও, ইসমাইল কোনে, লিয়াম মিলার, জনাথন ওসোরিও, নাথান-ডিলান সালিবা, জ্যাকব শ্যাফেলবার্গ

ফরোয়ার্ড- জনাথন ডেভিড, প্রমিস ডেভিড, সাইলে লারিন, তানি ওলুওসেয়ি

কলম্বিয়া-

গোলরক্ষক- আলভারো মন্টেরো, কামিলো ভারগাস, ডেভিড ওসপিনা

ডিফেন্ডার- ড্যানিয়েল মুনোজ, সান্তিয়াগো আরিয়াস, ডেভিনসন সানচেজ, জন লুকুমি, ইয়েরি মিনা, উইলার ডিটা, ডাইভার মাচাদো, জোহান মোকিকা

মিডফিল্ডার- গুস্তাভো পুয়ের্তা, জেমস রদ্রিগেজ, জেফারসন লেরমা, জন আরিয়াস, হোর্হে কারাসকাল, হুয়ান ফার্নান্দো কিন্তেরো, রিচার্ড রিওস, কেভিন কাস্তানো, জামিনটন ক্যাম্পাজ, হুয়ান পোর্তিয়া

ফরোয়ার্ড- লুইস দিয়াজ, লুইস সুয়ারেজ, জন কর্ডোবা, কার্লোস গোমেজ, হুয়ান কামিলো হের্নান্দেজ

কঙ্গো প্রজাতন্ত্র-

গোলরক্ষক- লিওনেল ম্পাসি, থিমোথি ফায়ুলু, ম্যাথিয়ু এপোলো

ডিফেন্ডার- শঁসেল এমবেম্বা, অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, অ্যালেক্স তুয়ানজেবে, আর্থার মাসুয়াকু, জোরিস কায়েম্বে, স্টিভ কাপুয়াদি, অ্যারন তশিবালা, ডিলান বাতুবিনসিকা, গেদিওঁ কালুলু

মিডফিল্ডার- নোয়া সাদিকি, স্যামুয়েল মুতুসামি, এদো কায়েম্বে, ন্যাঙ্গাল’আয়েল মুকাউ, চার্লস পিকেল, নাথানায়েল এমবুকু, ব্রায়ান সিপেঙ্গা, মেশাক এলিয়া, গায়েল কাকুতা

ফরোয়ার্ড- থিও বংগোন্ডা, ফিস্টন মায়েলে, সেড্রিক বাকাম্বু, সিমন বানজা, ইয়োয়ানে উইসা

আইভরি কোস্ট-

গোলরক্ষক- ইয়াহিয়া ফোফানা, মোহামেদ কোনে, আলবান লাফোঁ

ডিফেন্ডার- এমমানুয়েল আগবাদু, ক্রিস্টোফার ওপেরি, ওসমান দিওমান্দে, গ্যুয়েলা দোয়ে, ঘিসলাঁ কোনান, ওডিলন কসুনু, উইলফ্রিড সিঙ্গো, ইভান এনডিক্কা

মিডফিল্ডার- সেকো ফোফানা, পারফে গুইয়াগন, ক্রিস্ট ইনাওয়া ওলাই, ফ্রাঙ্ক কেসিয়ে, ইব্রাহিম সাঙ্গারে, জ্যাঁ-মিশেল সেরি

ফরোয়ার্ড- সাইমন আদিংরা, আঞ্জ-ইয়োয়ান বনি, আমাদ দিওলো, ওমর দিয়াকিতে, ইয়ান দিওমান্দে, ইভান গুয়েসঁদ, নিকোলাস পেপে, বাজারমানা তুরে, এলিয়ে ওয়াহি

ক্রোয়েশিয়া-

গোলরক্ষক- ডমিনিক লিভাকোভিচ, ডমিনিক কোটারস্কি, ইভর পান্দুর

ডিফেন্ডার- ইয়োশকো গভার্দিওল, দুয়ে চালেতা-সার, ইয়োসিপ শুতালো, ইয়োসিপ স্তানিসিচ, মারিন পংরাচিচ, মার্টিন এরলিচ, লুকা ভুসকোভিচ

মিডফিল্ডার- লুকা মদ্রিচ, মাতেও কোভাচিচ, মারিও পাসালিচ, নিকোলা ভ্লাসিচ, লুকা সুচিচ, মার্টিন বাতুরিনা, ক্রিস্তিয়ান ইয়াকিচ, পেতার সুচিচ, নিকোলা মোরো, টনি ফ্রুক

ফরোয়ার্ড- ইভান পেরিসিচ, আন্দ্রেই ক্রামারিচ, আনে বুডিমির, মার্কো পাসালিচ, পেতার মুসা, ইগর মাতানোভিচ

কুরাসাও-

গোলরক্ষক- টাইরিক বডাক, ট্রেভর ডুর্নবুশ, এলয় রুম

ডিফেন্ডার- রিশেদলি বাজোয়ার, জোশুয়া ব্রেনেট, রোশন ভ্যান আইজমা, শেরেল ফ্লোরানুস, ডেভেরন ফোনভিল, জুরিয়েন গারি, আরমান্দো ওবিস্পো, শুরান্দি সাম্বো

মিডফিল্ডার- জুনিনহো বাকুনা, লিয়ান্দ্রো বাকুনা, লিভানো কোমেনেনসিয়া, কেভিন ফেলিদা, আরজানি মার্থা, টাইরিস নসলিন, গডফ্রিড রোমেরাতোয়ে

ফরোয়ার্ড- জেরেমি আন্তোনিসে, তাহিথ চং, কেনজি গোরে, সঁতিয়ে হ্যানসেন, জারভেন কাস্তানিয়ার, ব্র্যান্ডলি কুয়াস, জুর্গেন লোকাদিয়া, জার্ল মার্গারিথা

চেক প্রজাতন্ত্র-

গোলরক্ষক- লুকাস হর্নিচেক, মাতেই কোভার, ইন্দ্রিখ স্তানার্ক

ডিফেন্ডার- ভ্লাদিমির কৌফাল, ডেভিড দৌদেরা, তোমাশ হোলেশ, রবিন হ্রানাচ, স্তেপান চালৌপেক, ডেভিড জুরাসেক, লাদিস্লাভ ক্রেইচি, ইয়ারোস্লাভ জেলেনি, ডেভিড জিমা

মিডফিল্ডার- পাভেল বুচা, লুকাস চের্ভ, ভ্লাদিমির দারিদা, তোমাশ লাদ্রা, লুকাস প্রোভোদ, মিখাল সাদিলেক, হুগো সোচুরেক, আলেক্সান্দ্র সোজকা, তোমাশ সউচেক, পাভেল শুলচ, ডেনিস ভিসিনস্কি

ফরোয়ার্ড- আদাম হ্লোজেক, তোমাশ চোরি, ময়মির খিতিল, ক্রিস্তোফ কাবোঙ্গো, ইয়ান কুখতা, প্যাট্রিক শিক

ইকুয়েডর-

গোলরক্ষক- হেরনান গালিন্দেস, গনসালো ভাল্লে, মোইসেস রামিরেস

ডিফেন্ডার- পিয়েরো হিনকাপিয়ে, উইলিয়ান পাচো, পেরভিস এস্তুপিনিয়ান, অ্যাঞ্জেলো প্রেসিয়াদো, জোয়েল অর্দোনিয়েজ, ফেলিক্স তোরেস, জ্যাকসন পোরোজো, ইয়াইমার মেদিনা

মিডফিল্ডার- মোইসেস কাইসেদো, অ্যালান ফ্রাঙ্কো, গনসালো প্লাতা, কেন্দ্রি পায়েস, পেদ্রো ভিতে, জর্ডি আলসিভার, ডেনিল কাস্তিলো, জন ইয়েবোয়া, নিলসন আঙ্গুলো, অ্যালান মিন্ডা

ফরোয়ার্ড- এন্নার ভালেন্সিয়া, কেভিন রদ্রিগেজ, জর্ডি কাইসেদো, অ্যান্থনি ভালেন্সিয়া, জেরেমি আরেভালো

মিশর-

গোলরক্ষক- মোহামেদ আলা, মোহামেদ এল শেনাওয়ি, মোস্তফা শোবেয়র, এল মাহদি সোলিমান

ডিফেন্ডার- হোসাম আবদেলমাগিদ, মোহামেদ আবদেলমোনেম, তারেক আলা, আহমেদ ফাতহি, কারিম হাফেজ, মোহামেদ হানি, ইয়াসের ইব্রাহিম, রামি রাবিয়া

মিডফিল্ডার- ইমাম আশুর, মারওয়ান আত্তিয়া, নাবিল এমাদ, হামদি ফাথি, হাইথাম হাসান, মোহান্নাদ লাশিন, মাহমুদ সাবের, মাহমুদ হাসান ট্রেজেগুয়েত, মোস্তফা জিকো, আহমেদ সাঈদ জিজো

ফরোয়ার্ড- হামজা আবদুলকরিম, ইব্রাহিম আদেল, ওমর মারমুশ, মোহামেদ সালাহ

ইংল্যান্ড-

গোলরক্ষক- ডিন হেন্ডারসন, জর্ডান পিকফোর্ড, জেমস ট্র্যাফোর্ড

ডিফেন্ডার- ড্যান বার্ন, মার্ক গেহি, রিস জেমস, এজরি কনসা, টিনো লিভরামেন্টো, নিকো ও’রাইলি, জারেল কুয়ানসা, জেড স্পেন্স, জন স্টোনস

মিডফিল্ডার- এলিয়ট অ্যান্ডারসন, জুড বেলিংহাম, এবেরেচি এজে, জর্ডান হেন্ডারসন, কোবি মাইনু, ডেক্লান রাইস, মরগান রজার্স

ফরোয়ার্ড- অ্যান্থনি গর্ডন, হ্যারি কেইন, ননি মাদুয়েকে, মার্কাস র‍্যাশফোর্ড, বুকায়ো সাকা, ইভান টনি, ওলি ওয়াটকিন্স

ফ্রান্স-

গোলরক্ষক- মাইক মেনিয়ান, রবিন রিসার, ব্রিস সাম্বা

ডিফেন্ডার- লুকাস দিন্য, মালো গুস্তো, লুকাস হার্নান্দেজ, থিও হার্নান্দেজ, ইব্রাহিমা কোনাতে, জুল কুন্দে, ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়া, উইলিয়াম সালিবা, দায়ো উপামেকানো

মিডফিল্ডার- এন’গোলো কান্তে, মানু কোনে, আদ্রিয়েন রাবিও, অরেলিয়াঁ শুয়ামেনি, ওয়ারেন জায়ের-এমেরি

ফরোয়ার্ড- মাগনেস আকলিউশ, ব্র্যাডলি বারকোলা, রায়ান শেরকি, উসমান দেম্বেলে, দেজিরে দুয়ে, জ্যঁ-ফিলিপ মাতেতা, কিলিয়ান এমবাপ্পে, মাইকেল ওলিসে, মার্কাস তুরাম

জার্মানি-

গোলরক্ষক-অলিভার বাউমান, ম্যানুয়েল নয়্যার, আলেকজান্ডার নুবেল

ডিফেন্ডার- ওয়াল্ডেমার আন্তন, নাথানিয়েল ব্রাউন, জশুয়া কিমিখ, ডেভিড রাউম, আন্তোনিও রুডিগার, নিকো শ্লটারবেক, জোনাথন তাহ, মালিক থিয়াও

মিডফিল্ডার- নাদিয়েম আমিরি, লেওন গোরেটজকা, পাসকাল গ্রস, লেনার্ট কার্ল, জেমি লেভেলিং, জামাল মুসিয়ালা, ফেলিক্স এনমেচা, আলেকসান্দার পাভলোভিচ, লেরয় সানে, অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, ফ্লোরিয়ান ভির্ট্‌জ

ফরোয়ার্ড- ম্যাক্সিমিলিয়ান বায়ার, কাই হাভার্টজ, ডেনিজ উন্দাভ, নিক ভোল্টেমেড

ঘানা-

গোলরক্ষক- লরেন্স আতি-জিগি, বেঞ্জামিন আসারে, সলোমন আগবাসি, জোসেফ আনাং, পল রেভারসন

ডিফেন্ডার- জোনাস আদজেতে, আবদুল রহমান বাবা, আলেকজান্ডার দিকু, গিদেওন মেনসা, আবদুল মুমিন, জেরোম ওপোকু, কোজো পেপ্রা ওপং, আলিদু সেদু, মার্ভিন সেনায়া

মিডফিল্ডার- অগাস্টিন বোয়াকি, আবদুল ফাতাউ, এলিশা ওয়ুসু, থমাস পার্টে, কওয়াসি সিবো, কামালদিন সুলেমানা, ক্যালেব ইয়িরেনকাই

ফরোয়ার্ড- জর্ডান আয়েউ, ক্রিস্টোফার বোনসু বাহ, প্রিন্স কওয়াবেনা আদু, আর্নেস্ট নুয়ামা, আনতোয়ান সেমেনিও, ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তে, ইনাকি উইলিয়ামস

হাইতি-

গোলরক্ষক- জোস্যু দুভেরজে, আলেক্সান্দ্রে পিয়ের, জনি প্লাসিদ

ডিফেন্ডার- রিকার্দো আডে, কার্লেন্স আর্কুস, হানেস ডেলক্রোয়া, জঁ-কেভিন দুভের্নে, মার্টিন এক্সপেরিয়েন্স, ডিউক ল্যাক্রোয়া, উইলগুয়েন্স পোগাঁ, কেতো থেরমন্সি

মিডফিল্ডার- কার্ল ফ্রেড সাঁত, জঁ-রিকনার বেলগার্দ, লেভারটন পিয়ের, ড্যানলি জাঁ জ্যাক, উডেনস্কি পিয়ের, ডমিনিক সাইমন

ফরোয়ার্ড- জোস্যু কাসিমির, লুইসিয়াস ডিডসন, ডেরিক এত্যিয়েন জুনিয়র, ইয়াসিন ফর্চুন, উইলসন ইসিডর, লেনি জোসেফ, ডুকেন্স নাজঁ, ফ্রাঁৎসদি পিয়েরে, রুবেন প্রভিদঁস

ইরান-

গোলরক্ষক- আলিরেজা বেইরানভান্দ, হোসেইন হোসেইনি, পায়াম নিয়াজমান্দ

ডিফেন্ডার- দানিয়াল ইরি, এহসান হাজসাফি, সালেহ হার্দানি, হোসেইন কানানি, শুজা খলিলজাদে, মিলাদ মোহাম্মাদি, আলি নেমাতি, রামিন রেজায়িয়ান

মিডফিল্ডার- রৌজবেহ চেশমি, সাঈদ এজাতোলাহি, মেহদি ঘাইদি, সামান ঘোদ্দোস, মোহাম্মদ ঘোরবানী, আলিরেজা জাহানবাখশ, মোহাম্মদ মোহেবি, আমির মোহাম্মদ রাজাঘিনিয়া, মেহদি তারেমি, আরিয়া ইউসেফি

ফরোয়ার্ড- আলি আলিপুর, ডেনিস দারঘাহি, আমিরহোসেইন হোসেইনজাদে, শাহরিয়ার মোগানলু, মেহদি তারেমি

ইরাক-

গোলরক্ষক- আহমেদ বাসিল, জালাল হাসান, ফাহাদ তালিব

ডিফেন্ডার- হুসেইন আলি, মেরচাস দোস্কি, আকাম হাসেম, ফ্রান্স পুট্রোস, মুস্তাফা সাদ্দুন, রেবিন সুলাকা, জায়েদ তাহসিন, আহমেদ ইয়াহইয়া, মানাফ ইউনিস

মিডফিল্ডার- আমির আল-আম্মারি, ইউসুফ আমিন, ইব্রাহিম বায়েশ, মার্কো ফারজি, জিদান ইকবাল, জায়েদ ইসমাইল, আলি জাসিম, আহমেদ কাসিম, আইমার শের, কেভিন ইয়াকব

ফরোয়ার্ড- মোহানাদ আলি, আইমেন হুসেইন, আলি আল-হামাদি, আলি ইউসেফ

জাপান-

গোলরক্ষক- তোমোকি হায়াকাওয়া, কেইসুকে ওসাকো, জায়ন সুজুকি

ডিফেন্ডার- কো ইটাকুরা, হিরোকি ইতো, ইউতো নাগাতোমো, আয়ুমু সেকো, ইউকিনারি সুগাওয়ারা, জুনোসুকে সুজুকি, শোগো তানিগুচি, টেকহিরো তমিয়াসু, তসুইয়োশি ওয়াতানাবে

মিডফিল্ডার- রিতসু দোয়ান, ওয়াতারু এন্ডো, জুনিয়া ইতো, দাইচি কামাদা, তাকেফুসা কুবো, কেইতো নাকামুরা, কাইশু সানো, আও তানাকা

ফরোয়ার্ড- কেইসুকে গোটো, দাইজেন মায়েদা, কোকি ওগাওয়া, কেন্তো শিওগাই, ইউইতো সুজুকি, আয়াসে উএদা

জর্ডান-

গোলরক্ষক- ইয়াজিদ আবুলাইলাহ, আবদুল্লাহ আল ফাখুরি, আহমাদ আল জুয়াইদি, নূর বানী আত্তিয়া

ডিফেন্ডার- মোহাম্মাদ আবু আলনাদি, ইউসুফ আবু আল জাজার, হুসাম আবু দাহাব, মোহাম্মাদ আবু হাশিশ, মোহান্নাদ আবু তাহা, ইয়াজান আল আরব, সাঈদ আল রোসান, আহমাদ আসসাফ, আনাস বাদাউই, আবদুল্লাহ নাসিব, ইহসান হাদ্দাদ, সালীম ওবাইদ, মোহাম্মাদ তাহা

মিডফিল্ডার-মোহাম্মাদ আল দাউদ, নিযার আল রাশদান, নূর আল রাওয়াবদেহ, রাজাই আয়েদ, আমের জামুস, ইউসুফ কাশী, ইব্রাহিম সাদেহ

ফরোয়ার্ড- মোহাম্মাদ আবু জুরাইক, মুসা আল তামারি, আলি আজাইজা, ওদেহ ফাখুরি, আলি ওলওয়ান, ইব্রাহিম সাবরা

দক্ষিণ কোরিয়া-

গোলরক্ষক- সঙ বুমগিউন, জো হিউনউ, কিম সেউং-গিউ

ডিফেন্ডার- জেন্স কাস্ত্রোপ, লি হানবেম, পার্ক জিনসিওব, লি কিহিউক, কিম মিন-জে, কিম মুনহোয়ান, কিম তায়েহিউন, লি তাইসোক, সল ইয়ংউ, চো উইজে

মিডফিল্ডার- লি ডংগিয়ং, হোয়াং হি-চান, ইয়াং হিউনজুন, হোয়াং ইনবিওম, লি জায়েসুং, কিম জিনগিউ, উম জিসুং, বে জুনহো, লি কাং-ইন, প্যাক সেউংহো

ফরোয়ার্ড- চো গিউসুং, সন হিউং-মিন, ও হিয়নগিউ

মেক্সিকো-

গোলরক্ষক- কার্লোস আসেভেদো, গিয়েরমো ওচোয়া, রাউল রাঙ্গেল

ডিফেন্ডার- এডসন আলভারেজ, মাতেও চাভেজ, হেসুস গালিয়ার্দো, সেসার মন্তেস, ইসরায়েল রেয়েস, হোর্হে সানচেজ, জোহান ভাসকেস

মিডফিল্ডার- লুইস চাভেজ, আলভারো ফিদালগো, ব্রায়ান গুতিয়েরেস, এরিক লিরা, গিলবার্তো মোরা, লুইস রোমো, ওর্বেলিন পিনেদা, ওবেদ ভার্গাস

ফরোয়ার্ড- রবার্তো আলভারাদো, সান্তিয়াগো হিমেনেস, আরমান্দো গনসালেস, সেসার উয়ার্তা, রাউল হিমেনেস, গিয়েরমো মার্টিনেস, হুলিয়ান কুইনোনেস, আলেক্সিস ভেগা

মরক্কো-

গোলরক্ষক- ইয়াসিন বোনু, মুনির এল কাজুই, রেদা তাগনাউতি

ডিফেন্ডার- নুসাইর মাজরাউই, আনাস সালাহ-এদ্দিন, ইউসুফ বেলামারি, আচরাফ হাকিমি, জাকারিয়া এল ওয়াহদি, নায়েফ আগুয়ের্ড, চাদি রিয়াদ, রেদোয়ান হালহাল, ইসা দিয়োপ

মিডফিল্ডার- সামির এল মরাবেত, আয়্যুব বোউআদি, নীল এল আয়নাউই, সোফিয়ান আম্রাবাত, আজজেদিন উনাহি, বিলাল এল খান্নুস, ইসমাইল সাইবারি

ফরোয়ার্ড- আবদে এজালজুলি, শেমসদিন তালবি, সুফিয়ান রহিমি, আয়্যুব এল কাবি, ব্রাহিম দিয়াজ, গেসিম ইয়াসিন, আয়ুব আমাইমুনি

নেদারল্যান্ডস-

গোলরক্ষক- মার্ক ফ্লেকেন, রবিন রোয়েফস, বার্থ ফারব্রুগেন

ডিফেন্ডার- নাথান আক, ডেনজেল ডামফ্রিস, জোরেল হাটো, জুরিয়েন টিম্বার, ইয়ান পল ভ্যান হেক, ভার্জিল ভ্যান ডাইক, মিকি ভ্যান ডে ভেন

মিডফিল্ডার- ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, মার্টেন ডে রুন, রায়ান গ্রাভেনবার্খ, টেইন কুপমেইনার্স, তিজানি রেইনডার্স, গুস টিল, কুইন্টেন টিম্বার, ম্যাটস উইফার

ফরোয়ার্ড- ব্রায়ান ব্রোবি, মেমফিস ডিপাই, কোডি গাকপো, জাস্টিন ক্লুইভার্ট, নোয়া ল্যাং, ডনিয়েল মালেন, ক্রেসেনসিও সামারভিল, ওউট ভেগহর্স্ট

নিউজিল্যান্ড-

গোলরক্ষক- ম্যাক্স ক্রোকম্ব, অ্যালেক্স পলসেন, মাইকেল উড

ডিফেন্ডার- টাইলার বিন্ডন, মাইকেল বক্সঅল, লিবারাতো কাকাচে, ফ্রান্সিস দে ভ্রিস, ক্যালান এলিয়ট, টিম পেইন, ন্যান্ডো পাইনাকার, টমি স্মিথ, ফিন সারম্যান

মিডফিল্ডার- ল্যাচলান বেইলিস, জো বেল, ম্যাট গারবেট, এলি জাস্ট, ক্যালাম ম্যাককাওয়াট, বেন ওল্ড, অ্যালেক্স রুফার, মার্কো স্ট্যামেনিচ, স্যারপ্রিত সিং, রায়ান থমাস

ফরোয়ার্ড- কোস্টা বারবারোসেস, জেসি র‍্যান্ডাল, বেন ওয়েইন, ক্রিস উড

নরওয়ে-

গোলরক্ষক- অরিয়ান হাস্কিয়োল্ড নাইল্যান্ড, এগিল সেলভিক, সান্ডার ট্যাংভিক

ডিফেন্ডার- ক্রিস্টোফার ভাসবাক আয়ের, ফ্রেডরিক বিয়র্কান, হেনরিক ফালকেনার, সন্ড্রে ল্যাংগাস, তোরবিয়র্ন হেগগেম, মার্কুস হোমগ্রেন পেদারসেন, জুলিয়ান রাইয়েরসন, ডেভিড মোলার উলফ, লেও অস্টিগার্ড

মিডফিল্ডার- থেলোনিয়াস আসগার্ড, ফ্রেডরিক অউরেস্নেস, প্যাট্রিক বার্গ, সান্ডার বার্গে, অস্কার বব, জেন্স পেটার হাউগে, আন্তোনিও নুসা, আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, মর্টেন থর্সবাই, ক্রিস্টিয়ান থর্স্টভেড্ট, মার্টিন ওডেগার্ড

ফরোয়ার্ড- এরলিং হালান্ড, জর্গেন স্ট্র্যান্ড লারসেন, আলেকসান্ডার সোরলোথ

পানামা-

গোলরক্ষক- অরল্যান্ডো মস্কেরা, লুইস মেহিয়া, সিজার সামুডিও

ডিফেন্ডার- সিজার ব্ল্যাকম্যান, হোর্হে গুতিয়েরেস, আমির মুরিলো, ফিদেল এসকোবার, আন্দ্রেস আন্দ্রাদে, এদগার্দো ফারিনা, হোসে কর্ডোবা, এরিক ডেভিস, জিওভানি রামোস, রডেরিক মিলার

মিডফিল্ডার- আনিবাল গোদয়, আদালবের্তো কারাসকিয়া, কার্লোস হার্ভে, ক্রিস্টিয়ান মার্টিনেস, হোসে লুইস রদ্রিগেজ, সিজার ইয়ানিস, ইয়োয়েল বার্সেনাস, আলবের্তো কুইন্টারো, আজারিয়াস লন্ডোনো

ফরোয়ার্ড- ইসমাইল দিয়াজ, সেসিলিও ওয়াটারম্যান, হোসে ফাজার্দো, তোমাস রদ্রিগেজ

প্যারাগুয়ে-

গোলরক্ষক- অরল্যান্ডো গিল, রবার্তো ফার্নান্দেস, গাস্তন ওলভেইরা

ডিফেন্ডার- হুয়ান কাসেরেস, গুস্তাভো ভেলাসকেস, গুস্তাভো গোমেস, জুনিয়র আলোনসো, হোসে কানালে, ওমার আলদেরেতে, আলেক্সান্দ্রো মাইদানা, ফাবিয়ান বালবুয়েনা

মিডফিল্ডার- দিয়েগো গোমেস, মৌরিসিও মাগালায়েস, দামিয়ান বোবাডিয়া, ব্রায়ান ওহেদা, আন্দ্রেস কুবাস, মাতিয়াস গালারজা, আলেহান্দ্রো গামাররা

ফরোয়ার্ড- গুস্তাভো কাবালেরো, রামন সোসা, আলেক্স আরসে, ইসিদ্রো পিত্তা, গ্যাব্রিয়েল আভালোস, মিগেল আলমিরন, হুলিও এনসিসো, আন্তোনিও সানাব্রিয়া

পর্তুগাল-

গোলরক্ষক- দিয়োগো কোস্তা, হোসে সা, রুই সিলভা, রিকার্দো ভেলহো

ডিফেন্ডার- তোমাস আরাউজো, জোয়াও ক্যানসেলো, দিয়োগো দালোত, রুবেন দিয়াস, গনসালো ইনাসিও, নুনো মেন্ডেস, মাতেউস নুনেস, নেলসন সেমেদো, রেনাতো ভেইগা

মিডফিল্ডার- স্যামুয়েল কোস্তা, ব্রুনো ফার্নান্দেস, জোয়াও নেভেস, রুবেন নেভেস, বার্নার্দো সিলভা, ভিতিনিয়া

ফরোয়ার্ড- ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও, জোয়াও ফেলিক্স, গনসালো গেদেস, রাফায়েল লেও, পেদ্রো নেটো, গনসালো রামোস, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও

কাতার-

গোলরক্ষক- মাহমুদ আবুনাদা, শেহাব আল লিথি, মেশাল বারশাম, সালাহ জাকারিয়া

ডিফেন্ডার- রায়ান আল আলি, আল হাশেমি আল হুসেইন, আয়ুব আল আলাওয়ি, বাসাম আল রাওয়ি, হোমাম আল আমিন, সুলতান আল ব্রাক, বুয়ালেম খুকি, নিয়াল মেসন, লুকাস মেন্ডেস, পেদ্রো মিগুয়েল, তারেক সালমান

মিডফিল্ডার- করিম বৌদিয়াফ, আহমেদ ফাতহি, জাসেম গাবের, আবদুলআজিজ হাতেম, ইসা লাই, আসিম মাদিবো, মোহাম্মদ মানাই, তাহসিন মোহাম্মদ, মোহাম্মদ ওয়াদ

ফরোয়ার্ড- ইউসুফ আবদেলরিসাক, আকরাম আফিফ, আহমেদ আলাএদ্দিন, হাসান আল হায়দোস, আলমোয়েজ আলি, আহমেদ আল জানহি, এডমিলসন জুনিয়র, মোহাম্মদ মুনতারি, মুবারক শানান, সেবাস্তিয়ান সোরিয়া

সৌদি আরব-

গোলরক্ষক- আহমেদ আল কাসার, মোহাম্মেদ আল ওয়াইস, নাওয়াফ আল আকিদি, আবদুলকুদুস আতিয়া

ডিফেন্ডার- সাউদ আবদুলহামিদ, মোহাম্মেদ আবু আল শামাত, খালিদ আল ঘান্নাম, মোতেব আল হারবি, আবদুল্লাহ আল আমরি, নাওয়াফ বউশাল, জাকারিয়া হাওয়াসাভি, হাসান কাদেশ, আলি লাজামি, আলি মাজারাশি, হাসান তাম্বাকতি, জেহাদ থিকরি

মিডফিল্ডার- নাসের আল দাওসারি, আলা আল হাজ্জি, জিয়াদ আল জোহানি, মুসআব আল জুয়াইর, আবদুল্লাহ আল খাবাইরি, সালেহ আবু আল শামাত, মোহাম্মেদ কান্নো, সুলতান মানদাশ, আয়মান ইয়াহিয়া

ফরোয়ার্ড- ফেরাস আল ব্রিকান, সালেম আল দাওসারি, আবদুল্লাহ আল হামদান, আবদুল্লাহ আল সালেম, সালেহ আল শেহরি

স্কটল্যান্ড-

গোলরক্ষক- ক্রেগ গর্ডন, অ্যাঙ্গাস গান, লিয়াম কেলি

ডিফেন্ডার- গ্রান্ট হ্যানলি, জ্যাক হেনড্রি, অ্যারন হিকি, ডম হাইয়াম, স্কট ম্যাককেনা, নাথান প্যাটারসন, অ্যান্থনি রালস্টন, অ্যান্ডি রবার্টসন, জন সাউটার, কিয়েরান টিয়ার্নি

মিডফিল্ডার- রায়ান ক্রিস্টি, ফিন্ডলে কার্টিস, লুইস ফার্গুসন, টাইলার ফ্লেচার, বেন গ্যানন-ডোয়াক, জন ম্যাকগিন, কেনি ম্যাকলিন, স্কট ম্যাকটমিনে

ফরোয়ার্ড- চে অ্যাডামস, লিন্ডন ডাইक्स, জর্জ হার্স্ট, লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড, রস স্টুয়ার্ট

সেনেগাল-

গোলরক্ষক- মোরি দিয়াও, ইয়েভান ডিওফ, এদোয়ার্দ মেন্ডি

ডিফেন্ডার- ইলাই কামারা, ক্রেপিন দিয়াত্তা, এল হাদজি মালিক দিয়ুফ, ইসমাইল জাকবস, কালিদু কুলিবালি, মুস্তাফা এমবো, আন্তোয়ান মেন্ডি, মুসা নিয়াখাতে, মামাদু সার, আবদুলাই সেক

মিডফিল্ডার- লামিন কামারা, পাথে সিস, হাবিব দিয়ারা, ইদ্রিসা গানা গেই, পাপে গেই, পাপে মাতার সার, বারা সাপোকো নিয়ায়ে

ফরোয়ার্ড-আসানে দিয়াও, বাম্বা দিয়েং, নিকোলাস জ্যাকসন, সাদিও মানে, ইব্রাহিম মবায়ে, শেরিফ নিয়ায়ে, ইলিমান নিয়ায়ে, ইসমাইলা সার

দক্ষিণ আফ্রিকা-

গোলরক্ষক- রনওয়েন উইলিয়ামস, রিকার্ডো গস, সিফো শেইনে

ডিফেন্ডার- খুলিসো মুদাউ, ওলওয়েথু মাখানিয়া, ব্র্যাডলি ক্রস, অব্রি মোদিবা, থাবাং মাতুলুদি, নকোসিনাথি সিবিসি, খুলুমানি এনডামানে, আইমে ওকন, সামুকেলে কাবিনি, মবেকেজেলি এমবোকাজি, কামোগেলো সেবেলেবে

মিডফিল্ডার- তেবোহো মোকোয়েনা, জেইডেন অ্যাডামস, থালেন্তে এমবাথা, স্পেপেলো সিথোলি

ফরোয়ার্ড- ওসউইন অ্যাপোলিস, চেপাং মোরেমি, এভিডেন্স মাকগোপা, লাইল ফস্টার, ইকরাাম রায়নার্স, রিলেহবিলে মোফোকেং, থেম্বা জ্বানে, থাপেলো মাশেকো

স্পেন

গোলরক্ষক- উনাই সিমোন, ডেভিড রায়া, জোয়ান গার্সিয়া

ডিফেন্ডার- পেদ্রো পোরো, মার্কোস লরেন্তে, আয়মেরিক লাপোর্তে, পাউ কুবারসি, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো

মিডফিল্ডার- রদ্রি (রদ্রিগো হার্নান্দেজ), মার্টিন জুবিমেন্ডি, পেদ্রি গনসালেস, ফাবিয়ান রুইজ, মিকেল মেরিনো, পাবলো পায়েজ ‘গাভি’, আলেক্স বায়েনা

ফরোয়ার্ড- মিকেল ওয়ারিয়াবাল, লামিনে ইয়ামাল, ফেরান তোরেস, বোরহা ইগলেসিয়াস, দানি ওলমো, ভিক্টর মুনিয়োস, নিকো উইলিয়ামস, এরেমি পিনো

সুইডেন-

গোলরক্ষক- ভিক্টর ইয়োহানসন, গুস্তাফ লাগারবিয়েলকে, ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট, জ্যাকব জেটারস্ট্রম

ডিফেন্ডার- হ্যালমার একডাল, গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, ইসাক হিয়েন, ভিক্টর লিন্ডেলফ, এরিক স্মিথ, কার্ল স্টারফেল্ট, ড্যানিয়েল সুয়েনসন

মিডফিল্ডার- ইয়াসিন আয়ারি, লুকাস বের্গভাল, ইয়েসপার কার্লস্ট্রম, বেঞ্জামিন নাইগ্রেন, কেন সেমা, এলিয়ট স্ট্রাউড, ম্যাটিয়াস স্ভানবার্গ, বেসফর্ট জেনেলি

ফরোয়ার্ড- তাহা আলি, আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন, অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ভিক্টর গিয়োকেরেস, আলেকজান্ডার ইসাক, গুস্তাফ নিলসন

সুইজারল্যান্ড-

গোলরক্ষক- গ্রেগর কোবেল, মারভিন কেলার, ইয়ভঁ ম্ভোগো

ডিফেন্ডার- ম্যানুয়েল আকাঞ্জি, অরেল আমেন্ডা, এরায় কোর্মেট, নিকো এলভেদি, লুকা ইয়াকেজ, মিরো মুইহেম, রিকার্ডো রদ্রিগেজ, সিলভান উইডমার

মিডফিল্ডার- মিশেল আয়েবিশার, ক্রিশ্চিয়ান ফাসনাখট, রেমো ফ্রয়লার, সেড্রিক ইতেন, আরদন জাশারি, ফ্যাবিয়ান রাইডার, দ্যব্রিল সাও, গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া

ফরোয়ার্ড- জেকি আমদুনি, ব্রিল এমবলো, জোহান মানজাম্বি, ড্যান এনডয়ে, নোয়া ওকাফর, রুবেন ভারগাস

তিউনিশিয়া-

গোলরক্ষক- সাবরি বেন হাসান, আবদেলমউহিব চামাখ, আয়মান দাহমেনে

ডিফেন্ডার- আলি আবদি, মোহামেদ আমিন বেন হামিদা, আদেম আরৌস, ডিলান ব্রোন, রায়েদ চিকাহুই, মউতাজ নেফাতি, ওমর রেকিক, মন্তাসার তালবি, ইয়ান ভ্যালেরি

মিডফিল্ডার- মরতাদা বেন ওয়ানেস, আনিস বেন স্লিমান, ইসমাইল ঘারবি, রানি খেদিরা, হাদজ মাহমুদ, হানিবাল মেজব্রি, এলিয়েস স্কিরি

ফরোয়ার্ড- এলিয়াস আচৌরি, খলিল আয়ারি, ফিরাস শাওয়াত, রায়ান এল্লুমি, হাযেম মাস্তুরি, এলিয়াস সাদ, সেবাস্তিয়ান তৌনেকতি

তুর্কি-

গোলরক্ষক- আলতায় বাইয়িন্দির, এরসিন দেস্তানোউলু, মের্ত গুনক, মুহাম্মেদ শেংজের, উগুরচান চাকির

ডিফেন্ডার- আবদুলকেরিম বারদাকচি, আহমেতজান কাপলান, চাগলার সোয়ুনচু, এরেন এলমালি, ফেরদি কাদিওগ্লু, মেরিহ দেমিরাল, মের্ত মুলদুর, মুস্তাফা এস্কিহেল্লাচ, ওজান কাবাক, সামেত আকায়দিন, ইউসুফ আকচিচেক, জেকি চেলিক

মিডফিল্ডার- আতাকান কারাজোর, দেমির এজে তিকনাজ, হাকান চালহানওগ্লু, ইসমাইল ইউকশেক, কান আয়হান, ওরকুন কোকচু, সালিহ ওজকান

ফরোয়ার্ড- আরাল সিমসির, আর্দা গুলের, বারিশ আলপার ইলমাজ, ক্যান উজুন, ডেনিজ গুল, ইরফান কান কাহভেচি, কেনান ইয়িলদিজ, কেরেম আক্তুরকোগলু, ওগুজ আয়দিন, ইউনুস আকগুন, ইউসুফ সারি

উরুগুয়ে-

গোলরক্ষক- সান্তিয়াগো মেলে, ফার্নান্দো মুস্লেরা, সার্জিও রোচেত

ডিফেন্ডার- রোনাল্ড আরাউহো, সান্তিয়াগো বুয়েনো, সেবাস্তিয়ান কাসেরেস, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, মাতিয়াস অলিভেরা, জোয়াকিন পিকেরেজ, গুইয়ের্মো ভ্যারেলা, মাতিয়াস ভিনা

মিডফিল্ডার- ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, জর্জিয়ান দে আরাসকায়েতা, রদ্রিগো বেন্টানকুর, আগুস্তিন ক্যানোবিও, নিকোলাস দে লা ক্রুজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ফাকুন্দো পেলিস্ত্রি, ব্রায়ান রদ্রিগেজ, হুয়ান ম্যানুয়েল সানাব্রিয়া, ম্যানুয়েল উগার্তে, ফেদেরিকো ভালভার্দে, রদ্রিগো জালাজার

ফরোয়ার্ড- রদ্রিগো আগুইরে, ফেদেরিকো ভিনাস, ডারউইন নুনিয়েজ

যুক্তরাষ্ট্র-

গোলরক্ষক- ক্রিস ব্র্যাডি, ম্যাট ফ্রিস, ম্যাট টার্নার

ডিফেন্ডার- ম্যাক্স আর্ফস্টেন, সার্জিনো ডেস্ট, অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, মার্ক ম্যাকেঞ্জি, টিম রিম, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টোনি রবিনসন, মাইলস রবিনসন, জো স্ক্যালি, অস্টন ট্রাস্টি

মিডফিল্ডার- টাইলার অ্যাডামস, সেবাস্তিয়ান বেরহাল্টার, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, ক্রিশ্চিয়ান রোলদান, ব্রেন্ডেন অ্যারনসন, ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, জিও রেয়না, মালিক টিলম্যান, টিমোথি ওয়াহ, আলেহান্দ্রো জেনদেজাস

ফরোয়ার্ড- ফোলারিন বালোগুন, রিকার্ডো পেপি, হাজি রাইট

উজবেকিস্তান-

গোলরক্ষক- বোটিরালি এরগাশেভ, আব্দুভোহিদ নেমাতভ, উতকির ইউসুপভ

ডিফেন্ডার- আব্দুল্লাহ আব্দুল্লায়েভ, খোজিয়াকবার আলিজোনভ, রুস্তমজন আশুরমাতভ, উমারবেক এশমুরাদভ, বেখরুজ কারিমভ, আব্দুকোদির খুসানোভ, শেরজোদ নাসরুল্লায়েভ, উমারালি রাহমোনালিয়েভ, ফাররুখ সাইফিয়েভ, আভাজবেক উলমাসালিয়েভ, জাখোংগির উরোজভ, রুসলানবেক ইয়িয়ানোভ

মিডফিল্ডার- শেরজোদ এসানোভ, আজিজবেক গানিয়েভ, দোস্তনবেক হামদামভ, ওদিলজন হামরোবেকভ, জামশিদ ইসকান্দেরভ, জাশুর জালোলিদ্দিনভ, আকমাল মোজগোভয়, ওতাবেক শুকুরভ

ফরোয়ার্ড- আজিজবেক আমোনভ, আব্বাসবেক ফাইজুল্লায়েভ, জালোলিদ্দিন মাশারিপভ, এলদোর শোমুরোদভ, ইগর সের্গিয়েভ, শেরজোদ তেমিরভ, অস্টন উরুনভ


বুমরাহকে বিশ্রাম তবে রোহিত-কোহলি আছেন ভারতীয় দলে

আপডেটেড ২০ মে, ২০২৬ ১৭:৪২
ক্রীড়া ডেস্ক

আগামী জুন মাসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে অনুষ্ঠিতব্য একমাত্র টেস্ট ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। ঘোষিত এই দুই ফরম্যাটেই ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেবেন তরুণ তারকা ব্যাটার শুবমান গিল। টেস্ট স্কোয়াডে বড় পরিবর্তন হিসেবে ঋষভ পান্তের স্থলাভিষিক্ত হয়ে সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন লোকেশ (কেএল) রাহুল। গত নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে টেস্ট সিরিজ হারার পর ভারতের জন্য এটিই হবে সাদা পোশাকে প্রথম পরীক্ষা। আগামী ৬ থেকে ১০ জুন নতুন চণ্ডীগড়ে দুই দলের মধ্যকার একমাত্র টেস্টটি অনুষ্ঠিত হবে।

ঘোষিত টেস্ট দল থেকে প্রধান চমক হিসেবে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে দলের দুই মহাতারকা জাসপ্রিত বুমরাহ এবং অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজাকে। দীর্ঘ মৌসুমের ধকল সামলাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বুমরাহ-জাদেজা ছাড়াও গত টেস্ট স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন অক্ষর প্যাটেল ও পেসার আকাশ দীপ। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফর্ম করে প্রথমবারের মতো জাতীয় টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন রাজস্থানের বাঁহাতি স্পিনার মানব সুথার এবং পাঞ্জাবের পেসার গুরনুর ব্রার। এছাড়া বিদর্ভের বাঁহাতি স্পিনার হার্ষ দুবেকেও নির্বাচকরা প্রথমবারের মতো টেস্ট ক্যাপ পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।

ওয়ানডে সিরিজের স্কোয়াডেও বড় ধরণের রদবদল লক্ষ্য করা গেছে। নিউজিল্যান্ডের কাছে সবশেষ সিরিজ হারার পর এই সংস্করণের দলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে হার্দিক পান্ডিয়া ও ইশান কিশানকে। তবে ওয়ানডে দল থেকে বাদ পড়েছেন ঋষভ পান্ত, রবীন্দ্র জাদেজা, মোহাম্মদ সিরাজ এবং হার্শিত রানার মতো ক্রিকেটাররা। ওয়ানডে ফরম্যাটে শুবমান গিলের ডেপুটি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন শ্রেয়াস আইয়ার। অভিজ্ঞতার গুরুত্ব বিবেচনায় ওয়ানডে স্কোয়াডে রাখা হয়েছে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলিকে। ওয়ানডে ম্যাচগুলো যথাক্রমে ১৩, ১৭ ও ২০ জুন ধর্মশালা, লক্ষ্ণৌ এবং চেন্নাইতে অনুষ্ঠিত হবে।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ে ভারত কাগজে-কলমে এগিয়ে থাকলেও নির্বাচকরা কোনো ধরণের ঝুঁকি নিতে নারাজ। ২০১৮ সালে দুই দলের মধ্যকার প্রথম টেস্টে ভারত ইনিংস ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল, সেই দাপট বজায় রাখাই এখন গিলের দলের প্রধান লক্ষ্য। নতুন ডাক পাওয়া মানব সুথার ও গুরনুর ব্রারদের জন্য এটি হবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের প্রমাণের বড় সুযোগ। অন্যদিকে ওয়ানডেতে পান্ডিয়া ও কিশানের প্রত্যাবর্তন দলের মিডল অর্ডারকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে তরুণ ও অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল নিয়ে আফগানদের মোকাবিলা করার পরিকল্পনা করেছে ভারত।

ভারতের পূর্ণাঙ্গ টেস্ট স্কোয়াডে রয়েছেন শুবমান গিল (অধিনায়ক), যশস্বী জয়সওয়াল, কেএল রাহুল (সহ-অধিনায়ক), সাই সুদর্শন, ঋষভ পান্ত, দেবদত্ত পাডিক্কাল, নীতীশ কুমার রেড্ডি, ওয়াশিংটন সুন্দর, কুলদীপ যাদব, মোহাম্মদ সিরাজ, প্রসিধ কৃষ্ণা, মানব সুথার, গুরনুর ব্রার, হার্ষ দুবে এবং ধ্রুব জুরেল। অন্যদিকে ওয়ানডে স্কোয়াডে গিলের সাথে থাকছেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার (সহ-অধিনায়ক), কেএল রাহুল, ইশান কিশান, হার্দিক পান্ডিয়া, নীতীশ কুমার রেড্ডি, ওয়াশিংটন সুন্দর, কুলদীপ যাদব, আর্শদীপ সিং, প্রসিধ কৃষ্ণা, প্রিন্স যাদব, গুরনুর ব্রার এবং হার্ষ দুবে। এখন ক্রীড়া প্রেমীদের নজর জুনের এই টানটান উত্তেজনার সিরিজের দিকে।


রাজমিস্ত্রির সহকারী থেকে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে দারিদ্র্য জয় করে বিশ্বজয়ের নায়ক হওয়ার গল্প অনেক থাকলেও, ২০২৬ বিশ্বকাপের স্কোয়াডে সুযোগ পাওয়া ইগর থিয়াগোর জীবনকাহিনি যেন সব রূপকথাকেও হার মানায়। মাত্র ২৪ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার যখন কোচ কার্লো আনচেলত্তির ২৬ জনের চূড়ান্ত দলে জায়গা করে নিলেন, তখন বিশ্ববাসী দেখল ব্রাসিলিয়ার এক উপশহর থেকে উঠে আসা লড়াকু এক যুবকের অভাবনীয় উত্থান। শৈশবে চরম অনটন, বাবার অকাল মৃত্যু আর রাজমিস্ত্রির সহকারীর কাজ করা সেই কিশোর আজ পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের প্রধান ভরসা হয়ে বিশ্বমঞ্চে পা রাখছেন।

ইগর থিয়াগোর শৈশব কেটেছে ব্রাসিলিয়ার উপশহর গামায় চরম দারিদ্র্যের মাঝে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে বাবাকে হারানোর পর তাঁর পরিবার অকুল পাথারে পড়ে। সংসার চালাতে তাঁর মা মারিয়া দিভাকে রাস্তায় ঝাড়ুদারের কাজ করতে হয়েছে। অভাবের তাড়নায় দিনের পর দিন বিদ্যুৎহীন ঘরে থাকা এবং আত্মীয়স্বজনের কাছে অপমানিত হওয়া ছিল তাঁদের নিত্যদিনের সঙ্গী। মায়ের এই কষ্ট দূর করার সংকল্প নিয়ে ইগর কিশোর বয়সেই রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন, পাশাপাশি বাজারে ফল বিক্রি এবং লিফলেট বিলির কাজও করেছেন। ফুটবলের প্রতি তাঁর আবেগ থাকলেও বারবার বিভিন্ন ক্লাবের ট্রায়াল থেকে ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসে একপর্যায়ে খেলা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি দমে যাননি এবং কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে গেছেন।

ইগরের সাফল্যের যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে ভেরে ক্লাবের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে ১৩ গোল করার মাধ্যমে। এরপর তিনি ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ক্রুজেইরোতে যোগ দেন, কিন্তু সেখানেও পরিস্থিতি তাঁর অনুকূলে ছিল না। ক্লাবটি আর্থিক সংকটে পড়ে রেলিগেটেড হয়ে গেলে ইগরকে তীব্র সমালোচনার শিকার হতে হয়। তবে কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদো নাজারিও ক্লাবটির মালিকানা নেওয়ার পর ইগরের প্রতিভা চিনতে ভুল করেননি এবং তাকে ৭ লাখ ডলারে বুলগেরিয়ার ক্লাব লুদোগোরেতসে বিক্রি করেন। ইউরোপে পা রাখাই ছিল ইগরের জীবনের টার্নিং পয়েন্ট; সেখানে ট্রেবল জেতার পর বেলজিয়ামের ক্লাব ব্রুগাতে গিয়ে এক মৌসুমে ২৯ গোল করে তিনি সবার নজর কাড়েন।

২০২৪ সালে ৩০ মিলিয়ন পাউন্ডের রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ব্রেন্টফোর্ডে যোগ দেন ইগর। তবে ইংল্যান্ডে যাওয়ার পর এক বিরল জয়েন্ট ইনফেকশন এবং হাঁটুর চোটের কারণে টানা ২৭৩ দিন মাঠের বাইরে থাকতে হয় তাঁকে। কিন্তু অদম্য ইগর চোট কাটিয়ে ২০২৫-২৬ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে দুর্দান্তভাবে ফিরে আসেন। এই মৌসুমে তিনি একাই ২২ গোল করেন, যা কোনো ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়ের প্রিমিয়ার লিগে করা এক মৌসুমের সর্বোচ্চ গোল। এমনকি আর্লিং হালান্ডকে পেছনে ফেলে তিনি মাসসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও অর্জন করেন। গত মার্চে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জাতীয় দলের হয়ে পেনাল্টি থেকে করা গোলটি ছিল তাঁর দীর্ঘ লড়াই ও ত্যাগের এক সার্থক বহিঃপ্রকাশ।

৬ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতার ইগর থিয়াগো বর্তমানে ব্রাজিলের একজন ক্লাসিক ‘নম্বর নাইন’ হিসেবে পরিচিত। এরিয়াল বলে আধিপত্য, শক্তিশালী ফিজিক্যাল প্লে এবং প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে গোল করার অসাধারণ ক্ষমতা তাঁকে আনচেলত্তির কৌশলী পরিকল্পনার প্রধান অংশ করে তুলেছে। যারা একসময় তাঁকে সামর্থ্য নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিল, আজ তারা ইগরের বিশ্বজয়ের অপেক্ষায়। নিজের মেধা আর বিশ্বাসের জোরে রাজমিস্ত্রির সহকারী থেকে আজ বিশ্বকাপের মূল আসরে ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করতে যাওয়া এই তরুণ এখন কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা।


উইম্বলডন থেকে ছিটকে গেলেন দুবারের চ্যাম্পিয়ন আলকারাজ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্ব টেনিসের অন্যতম মহাতারকা ও বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় কার্লোস আলকারাজ ইনজুরির কারণে আসন্ন উইম্বলডন টুর্নামেন্ট থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফ্রেঞ্চ ওপেন মিস করার পর এবার ঘাসের কোর্টের এই মর্যাদাপূর্ণ গ্র্যান্ড স্লাম থেকেও তাঁর ছিটকে যাওয়ার খবর টেনিস বিশ্বের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে এসেছে। শুধু উইম্বলডনই নয়, এর আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে খ্যাত কুইন্স ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপেও অংশ নিতে পারবেন না দুবারের এই শিরোপাজয়ী তারকা। মূলত শারীরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে না পাওয়ায় এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

গত মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে আলকারাজ নিজেই তাঁর এই সিদ্ধান্তের কথা ভক্তদের জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে তাঁর পুনর্বাসন প্রক্রিয়া বেশ ইতিবাচকভাবেই এগোচ্ছে এবং তিনি আগের চেয়ে অনেক ভালো অনুভব করছেন। তবে দীর্ঘস্থায়ী ইনজুরি কাটিয়ে পুনরায় প্রতিযোগিতামূলক টেনিসে ফেরার জন্য তাঁর শরীর এখনো শতভাগ প্রস্তুত নয়। অত্যন্ত প্রিয় দুটি টুর্নামেন্টে অংশ নিতে না পারার বেদনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব কোর্টে ফেরার জন্য তিনি এবং তাঁর চিকিৎসক দল নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

আলকারাজের এই দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতির মূলে রয়েছে তাঁর কবজির গুরুতর চোট। গত মাসে বার্সেলোনা ওপেনের প্রথম রাউন্ডে খেলার সময় তিনি এই অনাকাঙ্ক্ষিত আঘাত পান। সেই সময় থেকেই তিনি মাঠের বাইরে রয়েছেন এবং একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট মিস করছেন। এই কবজির চোট আলকারাজের পুরো বছরের পরিকল্পনাই ওলটপালট করে দিয়েছে। বিশেষ করে বছরের এই সময়ে যখন তিনি ঘাসের কোর্টে নিজের আধিপত্য বজায় রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন এই ইনজুরি তাঁর ক্যারিয়ারে বড় এক প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অথচ ২০২৬ সালের শুরুটা আলকারাজ করেছিলেন রাজকীয়ভাবে। বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ের মাধ্যমে তিনি ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে ‘ক্যারিয়ার গ্র্যান্ড স্লাম’ পূর্ণ করার অনন্য এক রেকর্ড গড়েছিলেন। সেই ফর্ম বজায় রেখে মৌসুমে আরও বড় অর্জনের লক্ষ্য থাকলেও ইনজুরি এখন তাঁর প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। টেনিস বিশ্লেষকদের মতে, আলকারাজের অনুপস্থিতিতে এবারের উইম্বলডনের জৌলুস যেমন কিছুটা কমবে, তেমনি শিরোপার লড়াই এখন অন্যান্য শীর্ষ তারকাদের জন্য অনেক বেশি উন্মুক্ত হয়ে পড়ল।

উইম্বলডন কর্তৃপক্ষ আলকারাজের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে এবং জানিয়েছে যে, তরুণ এই প্রতিভার অভাব মাঠের লড়াইয়ে স্পষ্টভাবে অনুভূত হবে। ভক্তরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এই স্প্যানিশ তারকার কোর্টে প্রত্যাবর্তনের জন্য। আলকারাজের এই বিরতি তাঁকে মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী করবে এবং পূর্ণ সুস্থতা নিয়ে তিনি আবারও টেনিস বিশ্বের শীর্ষে ফিরবেন—এমনটাই প্রত্যাশা তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীদের। আপাতত নিবিড় চিকিৎসায় থাকা এই তারকাকে আরও কয়েক সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে।


দীর্ঘ ২২ বছর পর ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

দীর্ঘ ২২ বছরের প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের রাজত্ব ফিরে পেল আর্সেনাল। মঙ্গলবার রাতে লিগের অন্য এক ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটি পয়েন্ট হারানোয় এক ম্যাচ হাতে রেখেই শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায় গানার্সদের। মিকেল আর্তেতার শিষ্যদের এই অর্জন উত্তর লন্ডনের ক্লাবটির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত, কারণ তারা সর্বশেষ ২০০৩-০৪ মৌসুমে ‘দ্য ইনভিন্সিবলস’ খ্যাত সেই অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল। এরপর দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে পুনরায় প্রিমিয়ার লিগের সোনালী ট্রফিটি এমিরেটস স্টেডিয়ামে ফিরছে।

পয়েন্ট টেবিলের বর্তমান সমীকরণ অনুযায়ী, ৩৭ ম্যাচ শেষে আর্সেনালের সংগ্রহ এখন ৮২ পয়েন্ট। অন্যদিকে, সমান সংখ্যক ম্যাচ খেলে ম্যানচেস্টার সিটি অর্জন করতে পেরেছে ৭৮ পয়েন্ট। লিগে দুই দলেরই এখন মাত্র একটি করে ম্যাচ বাকি রয়েছে। ফলে গাণিতিকভাবেই সিটির পক্ষে আর আর্সেনালকে টপকানো সম্ভব নয়। এই ৪ পয়েন্টের ব্যবধান আর্সেনালকে লিগের শেষ ম্যাচে মাঠে নামার আগেই ‘চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছে। বিগত কয়েকটি মৌসুমে আর্সেনাল একদম শেষ দিকে এসে হোঁচট খেলেও এবার তারা ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে।

আর্সেনালের এই শিরোপা জয়ের পথটি প্রশস্ত হয়েছে ভাইটালিটি স্টেডিয়ামে ম্যানচেস্টার সিটির পয়েন্ট হারানোর মধ্য দিয়ে। বোর্নমাউথের বিপক্ষে সেই ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না পেপ গার্দিওলার শিষ্যদের সামনে। কিন্তু প্রথমার্ধেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের শেষ দিকে আর্লিং হালান্ড গোল করে দলকে সমতায় ফেরালেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। ১-১ ব্যবধানে ম্যাচটি ড্র হওয়ার সাথে সাথেই নিশ্চিত হয়ে যায় যে, প্রিমিয়ার লিগ এবার নতুন এক চ্যাম্পিয়ন পেতে যাচ্ছে। সিটির এই হোঁচট আর্সেনাল সমর্থকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটায়।

আগামী রোববার ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে লিগের শেষ ম্যাচটি এখন আর্সেনালের জন্য কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়েছে। সেলহার্স্ট পার্কে অনুষ্ঠিতব্য সেই ম্যাচটি কোনো স্নায়ুচাপের লড়াই নয়, বরং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আর্সেনালের উৎসবের মঞ্চ হয়ে উঠবে। এই ম্যাচের পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে গানার্সদের হাতে প্রিমিয়ার লিগের ট্রফি তুলে দেওয়া হবে। ঘরোয়া এই সাফল্য উত্তর লন্ডনের ফুটবল প্রেমীদের মাঝে এক নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে, যারা গত কয়েক বছর ধরে শিরোপার খুব কাছে গিয়েও ব্যর্থ হওয়ার গ্লানি সহ্য করে আসছিলেন।

লিগ শিরোপা জয় করলেও আর্সেনালের মৌসুমটি এখনই শেষ হয়ে যাচ্ছে না। আর্তেতার দল এখন ‘ডাবল’ শিরোপা জয়ের এক বিরল রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আগামী ৩০ মে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের হাইভোল্টেজ ফাইনালে ফরাসি জায়ান্ট প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি)-এর মুখোমুখি হবে তারা। প্রিমিয়ার লিগের এই জয় খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা তাদের প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বপ্নে বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগাবে। আপাতত পুরো ফুটবল বিশ্ব আর্সেনালের এই নতুন উত্থানকে অভিবাদন জানাচ্ছে।


প্রথমবারের মতো টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ের সাত নম্বরে বাংলাদেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। মিরপুর এবং সিলেটের মাটিতে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো সিরিজ হোয়াইটওয়াশ করার পুরস্কার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) থেকে বড় সুখবর এসেছে। টাইগাররা তাদের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ের সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে। এর আগে বাংলাদেশ কখনো এই উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি। মূলত ঘরের মাঠে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দাপুটে পারফরম্যান্সের সুবাদেই আইসিসি রেটিং পয়েন্টে বড় উন্নতি হয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।

এই ঐতিহাসিক অর্জনের নেপথ্যে ছিল বাংলাদেশ দলের সাহসী কৌশলগত পরিবর্তন। ঐতিহ্যগতভাবে মিরপুরের মন্থর ও স্পিন সহায়ক উইকেটের পরিবর্তে এবার পেস বোলিং এবং ব্যাটারদের জন্য অনুকূল পিচ বেছে নেওয়া হয়েছিল। নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দল এই নতুন চ্যালেঞ্জে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে। কোচ ফিল সিমন্সের অধীনে ব্যাটে-বলে সুসংহত পারফরম্যান্স দেখিয়ে তারা পাকিস্তানকে দুই ম্যাচেই কোণঠাসা করে রাখে। এই আগ্রাসী মানসিকতা ও জয়ের ক্ষুধা শেষ পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত করেছে।

আইসিসি-র সর্বশেষ হালনাগাদকৃত র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী, বাংলাদেশ এখন টেস্টের দুই সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। টাইগাররা এখন শ্রীলঙ্কার ঠিক নিচেই অবস্থান করছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের কাছে সিরিজ হেরে বড় ধাক্কা খেয়েছে পাকিস্তান দল। তারা দুই ধাপ পিছিয়ে বর্তমানে র‌্যাঙ্কিংয়ের অষ্টম স্থানে নেমে গেছে। একইভাবে ক্যারিবিয়ান দল ওয়েস্ট ইন্ডিজও এক ধাপ পিছিয়ে নবম স্থানে চলে গেছে। এই বড় ধরণের রদবদল প্রমাণ করে যে ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণে বাংলাদেশ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত ও শক্তিশালী।

র‌্যাঙ্কিংয়ের নিচের দিকে বড় পরিবর্তন এলেও শীর্ষ পাঁচ দলের অবস্থানে কোনো নড়চড় হয়নি। বর্তমানে ১৩১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এককভাবে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে অস্ট্রেলিয়া। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং তাদের ঠিক পরেই তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড যথাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা এক ধাপ এগিয়ে ষষ্ঠ স্থানে উঠে আসায় বাংলাদেশের ঠিক ওপরেই তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়েছে। এই নতুন সমীকরণ বাংলাদেশের ক্রিকেটে এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।


ইতিহাস গড়ল টাইগাররা: প্রথমবার ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টেস্ট ক্রিকেটের এক নতুন ইতিহাস লিখেছে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে। মিরপুর টেস্টে জয়ের পর সিলেটেও দাপট বজায় রেখে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিল টাইগাররা। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এই প্রথম ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার গৌরব অর্জন করল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। পঞ্চম দিনের রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে অভিজ্ঞ স্পিনার তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে খেই হারিয়ে ফেলে সফরকারী পাকিস্তান।

ম্যাচের পঞ্চম তথা শেষ দিনের সকালে পাকিস্তান কিছুটা ভীতি ছড়িয়েছিল স্বাগতিক শিবিরে। ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। জয়ের জন্য শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩ উইকেট, আর পাকিস্তানের দরকার ছিল ১২১ রান। দিনের শুরুতে উইকেটে থিতু হয়ে বসা মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান লড়াকু ব্যাটিং চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এমনকি ইনিংসের শুরুতেই রিজওয়ানের একটি ক্যাচ সলিপে মেহেদী হাসান মিরাজ মিস করলে পাকিস্তান শিবিরে অলৌকিক জয়ের আশা তৈরি হয়েছিল। তবে সেই আশাকে বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি টাইগার বোলাররা।

চাপের মুখে বাংলাদেশের ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হন বামহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। সাজিদ খানকে ২৮ রানে বোল্ড করে তিনি তাঁর ক্যারিয়ারের আরও একটি ‘ফাইফার’ বা পাঁচ উইকেট শিকার পূর্ণ করেন। সাজিদের বিদায়ের পর পাকিস্তানের প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে। এক প্রান্ত আগলে রাখা রিজওয়ান শতকের খুব কাছে পৌঁছে গেলেও ৯৪ রানে শরিফুল ইসলামের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন। ১৬৬ বলে ১০টি চারের সাহায্যে সাজানো রিজওয়ানের এই দায়িত্বশীল ইনিংসটি শেষ পর্যন্ত বৃথা যায়। এরপর খুররাম শেহজাদকে আউট করে পাকিস্তানের শেষ উইকেটটি তুলে নেন তাইজুল, ফলে ৩৫৮ রানেই গুটিয়ে যায় সফরকারীদের ইনিংস।

পুরো ম্যাচজুড়ে তাইজুল ইসলামের পারফরম্যান্স ছিল অনবদ্য। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৪.২ ওভার বল করে ১২০ রানের বিনিময়ে তিনি একাই শিকার করেন ৬টি উইকেট। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন পেসার নাহিদ রানা, যিনি দুই উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের টপ অর্ডারে ধস নামিয়েছিলেন। এছাড়া শরিফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ একটি করে উইকেট লাভ করেন। এর আগে প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের সেঞ্চুরি এবং দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের ১৩৭ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস বাংলাদেশকে বড় রানের পাহাড় গড়তে সাহায্য করেছিল। ব্যাটে-বলের এই সুষম সমন্বয়েই বাংলাদেশ ঐতিহাসিক এই জয় নিশ্চিত করে।

সিলেট টেস্টের এই জয় বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান সংগ্রহের পর পাকিস্তানকে ২৩২ রানে আটকে দিয়ে ৪৬ রানের লিড পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের প্রায় অসম্ভব লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় টাইগাররা। শক্তিশালী পাকিস্তান দলকে তাঁদেরই চেনা কন্ডিশনে এবং নিজেদের মাটিতে এভাবে পর্যুদস্ত করা বাংলাদেশের ক্রিকেটের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে। বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের এই আধিপত্য এবং হোয়াইটওয়াশের সাফল্য এখন ক্রীড়া মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।


পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করে বাংলাদেশের ইতিহাস

আপডেটেড ২০ মে, ২০২৬ ১২:০৩
ক্রীড়া ডেস্ক

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে পরাজিত করে ২-০ ব্যবধানে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই করল পাকিস্তানকে। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা চার ম্যাচ জেতার এক অনন্য ও গৌরবময় কীর্তি গড়ল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। পঞ্চম ও শেষ দিনে জয়ের জন্য ৪৩৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৫৮ রানে অলআউট হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে স্পিনার তাইজুল ইসলাম ৬টি উইকেট শিকার করেন।

ম্যাচের শেষ দিকে পাকিস্তানের পক্ষে মোহাম্মদ রিজওয়ান ৯৪ রানের এক লড়াকু ইনিংস খেলে দলের আশা জিইয়ে রাখার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। শরীফুল ইসলামের বলে মিরাজকে ক্যাচ দিয়ে শতক থেকে মাত্র ৬ রান দূরে থাকতেই বিদায় নিতে হয় তাঁকে। এছাড়া শান মাসুদ ৭১ এবং সালমান আগা ৭১ রান করেন। রিজওয়ান ও সাজিদের বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জুটি ভেঙে বাংলাদেশের জয় ত্বরান্বিত করেন তাইজুল। মাঠের আম্পায়ার রিচার্ড কেটলবরো এবং কুমার ধর্মসেনার তত্ত্বাবধানে চলা এই ম্যাচে বাংলাদেশের বোলার ও ফিল্ডারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছিল চোখে পড়ার মতো।

এর আগে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ৩৯০ রান সংগ্রহ করে বড় লিড নিশ্চিত করে। দলের হয়ে রেকর্ড সৃষ্টিকারী ১৩৭ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন মুশফিকুর রহিম। এই ইনিংসের মাধ্যমেই তিনি মুমিনুল হককে টপকে টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৪টি সেঞ্চুরির মালিক হন। একই ম্যাচে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। প্রথম ইনিংসে ১২৬ রানের অনবদ্য সেঞ্চুরি করা লিটন দাস দ্বিতীয় ইনিংসেও ৬৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণে খুররম শাহজাদ ৪টি এবং সাজিদ খান ৩টি উইকেট শিকার করলেও তা বাংলাদেশের জয়রথ থামাতে যথেষ্ট ছিল না। অভিষেক টেস্টে তানজিদ হাসান প্রথম ইনিংসে ২৬ রান করে আশার আলো দেখালেও তাঁর আউট হওয়ার ধরণকে অনেকে “আত্মহত্যা” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে, তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলাম দুই ইনিংসেই পাকিস্তানের টপ অর্ডারকে শুরুতেই বিপদে ফেলে বাংলাদেশের জয় সুগম করেন। সিলেটের প্রতিকূল আবহাওয়া ও বৃষ্টির শঙ্কা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত টাইগারদের এই ঐতিহাসিক সিরিজ জয় দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করল।


পাকিস্তানকে ঐতিহাসিক হোয়াইটওয়াশের সুবাস: ৩ উইকেট দূরে বাংলাদেশ

আপডেটেড ১৯ মে, ২০২৬ ১৭:৫৯
ক্রীড়া ডেস্ক

পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যকার সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে ঐতিহাসিক জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সফরকারী পাকিস্তান তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান সংগ্রহ করেছে। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী পঞ্চম ও শেষ দিনে বাংলাদেশকে জয় এবং পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে আর মাত্র ৩টি উইকেট তুলে নিতে হবে। অন্যদিকে, জয়ের জন্য পাকিস্তানের এখনো প্রয়োজন ১২১ রান, যা তাঁদের বর্তমান ব্যাটিং অর্ডারের শেষ দিকের খেলোয়াড়দের জন্য এক পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ।

চতুর্থ দিনের শেষ সেশনে পাকিস্তানের হয়ে লড়াকু প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন সালমান আলি আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। এই অভিজ্ঞ দুই ব্যাটার উইকেটে থিতু হয়ে ১৩৪ রানের এক বিশাল জুটি গড়ে বাংলাদেশের জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। এই জুটি দীর্ঘক্ষণ অবিচ্ছিন্ন থাকায় এক পর্যায়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাত থেকে ফসকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। সালমান ও রিজওয়ানের ব্যাটিং দৃঢ়তায় পাকিস্তান শিবিরে এক সময় ম্যাচ বাঁচানোর ক্ষীণ আশা তৈরি হলেও দিনের শেষভাগে চিত্রটি নাটকীয়ভাবে বদলে যায়।

টাইগার শিবিরের কাঙ্ক্ষিত সেই ব্রেকথ্রু এনে দেন অভিজ্ঞ স্পিনার তাইজুল ইসলাম। দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ৭১ রান করা সালমান আলি আগাকে বোল্ড করে লড়াকু জুটির অবসান ঘটান এই বাঁহাতি স্পিনার। সালমানের বিদায়ের পর পাকিস্তানের বিপদ আরও ঘনীভূত হয় যখন নতুন ব্যাটার হিসেবে নামা হাসান আলিও ক্রিজে টিকতে পারেননি। মাত্র ৬ বল মোকাবিলা করে তাইজুলের করা পরের ওভারে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন হাসান। শেষ বিকেলে মাত্র ৮ বলের ব্যবধানে ২ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান পুরোপুরি ব্যাকফুটে চলে যায়।

চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৮৬ ওভারে ৩১৬ রান। ক্রিজে এখনো এক প্রান্ত আগলে রাখা মোহাম্মদ রিজওয়ান বড় এক বাধা হয়ে থাকলেও যোগ্য সঙ্গীর অভাবে পাকিস্তান চরম চাপে রয়েছে। বাংলাদেশের বোলাররা শেষ মুহূর্তের জোড়া সাফল্যে নতুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন। আগামীকালের প্রথম সেশনেই দ্রুত বাকি ৩টি উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবার সিরিজ হোয়াইটওয়াশ করার বিরল রেকর্ড গড়তে চায় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দর্শকদেরও এখন গভীর কৌতূহল, শেষ দিনের রোমাঞ্চে জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা ইতিহাস গড়তে পারে কি না।


দুই ভাইকে নিয়ে কুরাসাওয়ের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের ছোট দেশ কুরাসাও ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে এক নতুন ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে। সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ হিসেবে প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে তারা। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই অভিষেক আসরকে সামনে রেখে গত সোমবার কুরাসাও তাদের ২৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। গ্রুপ ‘ই’-তে থাকা কুরাসাওকে লড়তে হবে জার্মানি, ইকুয়েডর এবং আইভরি কোস্টের মতো শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে। প্রথমবার সুযোগ পেলেও একটি লড়াকু দল নিয়ে বিশ্ববাসীকে চমকে দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে দেশটি।

কুরাসাওয়ের এই ঐতিহাসিক যাত্রায় ডাগআউটে দেখা যাবে অভিজ্ঞ ডাচ ট্যাকটিশিয়ান ডিক অ্যাডভোকাটকে। দেশটিকে বিশ্বকাপে তোলার পর গত ফেব্রুয়ারিতে তিনি পদত্যাগ করলেও সম্প্রতি আবারও কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এর ফলে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক কোচ হওয়ার এক অনন্য রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন। অ্যাডভোকাট তাঁর স্কোয়াডে মূলত সেই খেলোয়াড়দেরই অগ্রাধিকার দিয়েছেন, যাঁরা বাছাইপর্বে অসাধারণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দলকে মূল পর্বে নিয়ে এসেছেন। তাঁর অভিজ্ঞ পরিচালনা দলের তরুণ ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের মধ্যে সঠিক সমন্বয় তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঘোষিত স্কোয়াডে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন বাকুনা ভ্রাতৃদ্বয়। লিয়েন্দ্রো বাকুনা এবং জুনিনহো বাকুনা—এই দুই ভাই দলের মধ্যমাঠ বা মিডফিল্ডের দায়িত্ব সামলাবেন। লিয়েন্দ্রো বাকুনাকে দলের অধিনায়ক মনোনীত করা হয়েছে, অন্যদিকে বাছাইপর্বে তিন গোল করা তাঁর ভাই জুনিনহোও রয়েছেন দুর্দান্ত ফর্মে। রক্ষণভাগ সুসংহত করতে কোচ আস্থা রেখেছেন জুরিয়েন গারি এবং রোশন ভ্যান ইজমার ওপর। এছাড়া গোলপোস্ট রক্ষার গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ সময় খেলা নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক এলোয় রুমকে।

কুরাসাওয়ের আক্রমণভাগ এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের প্রতিপক্ষদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। বাছাইপর্বে আটটি করে গোল করা জারভেনে কাস্তানির ও কেনজি গোরি দলের গোল স্কোরিংয়ের প্রধান ভরসা। তাঁদের সাথে আক্রমণভাগে যোগ দেবেন অভিজ্ঞ জুর্গেন লোকাডিয়া এবং জের্ল মারগারিথা। এছাড়া ২০২৫ সালে অভিষেক হওয়া তরুণ তারকা তাহিথ চং দ্রুত গতিতে আক্রমণ সাজিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে বিশেষ পারদর্শী। এই শক্তিশালী আক্রমণভাগ নিয়েই বড় বড় দলের রক্ষণব্যূহ ভাঙার পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন অ্যাডভোকাট।

২৬ সদস্যের এই পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াডে গোলরক্ষক হিসেবে আরও থাকছেন টাইরিক বোডাক ও ট্রেভর ডোর্নবুশ। রক্ষণভাগে রিশেডলি বাজোয়ার, জশুয়া ব্রেনেট এবং আরমান্দো ওবিস্পোর মতো দক্ষ ডিফেন্ডাররা জায়গা পেয়েছেন। সব মিলিয়ে কুরাসাওয়ের এই স্কোয়াডটি তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার এক সুষম সমন্বয়। যদিও জার্মানি বা আইভরি কোস্টের মতো পরাশক্তিদের মোকাবিলা করা তাদের জন্য কঠিন হবে, তবুও কুরাসাওয়ের ফুটবলাররা নিজেদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চ প্রমাণ দিতে এবং বৈশ্বিক মঞ্চে নিজেদের জাত চেনাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এখন কেবল মাঠের লড়াইয়ে এই ছোট দেশটির বড় স্বপ্ন পূরণের অপেক্ষা।


আর্জেন্টিনার গ্রুপসঙ্গী জর্ডান ও অস্ট্রিয়ার বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আগামী ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার গ্রুপসঙ্গী হিসেবে অস্ট্রিয়া ও জর্ডান তাদের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। রাল্ফ রাগনিকের কোচিংয়ে দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফেরার আনন্দে ভাসছে ইউরোপীয় দেশ অস্ট্রিয়া। সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পর এবারই প্রথম তারা বৈশ্বিক মঞ্চে সুযোগ পেল। অস্ট্রিয়া ইতোমধ্যে তাদের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড প্রকাশ করেছে। এই দলে বড় আকর্ষণ হিসেবে রয়েছেন জাতীয় দলের আইকন ও অধিনায়ক ডেভিড আলাবা। অভিজ্ঞ মার্কো আরনাউটোভিচ, মাইকেল গ্রেগোরিটস এবং মার্সেল সাবিৎজারের মতো তারকাদের ওপর ভরসা রেখেই দল সাজিয়েছেন রাগনিক।

অস্ট্রিয়ার ঘোষিত দলে বেশ কিছু চমকপ্রদ অন্তর্ভুক্তি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে গত মার্চে ইংল্যান্ড ও জার্মানি থেকে নাগরিকত্ব ও ফুটবল জাতীয়তা পরিবর্তন করা দুই প্রতিভাবান মিডফিল্ডার কার্নি চুকুয়েমেকা ও পল ওয়ানারকে চূড়ান্ত দলে রাখা হয়েছে। ১৬ জুন জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে। পরবর্তীতে তারা ২২ জুন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবং ২৭ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হবে। রাগনিকের এই তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণ বিশ্বকাপে বড় কোনো চমক দেখানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই ফুটবল বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

অন্যদিকে এশীয় শক্তি জর্ডান তাদের ৩০ সদস্যের একটি প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। এই দলে সবচেয়ে বড় তারকা হিসেবে যথারীতি জায়গা পেয়েছেন জনপ্রিয় ফরোয়ার্ড মুসা আল তামারি। জর্ডান শিবিরে বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছেন অভিজ্ঞ অধিনায়ক এহসান হাদ্দাদ। দীর্ঘ এক বছর ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে থাকার পর পুনরায় দলে ফিরেছেন তিনি। তবে জর্ডান ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ হলো গত বছর আরব কাপে হাঁটুর চোটে পড়া নির্ভরযোগ্য স্ট্রাইকার ইয়াজান আল নাইমাত পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় এই প্রাথমিক তালিকায় জায়গা পাননি।

জর্ডানের এই ৩০ জনের প্রাথমিক তালিকায় ৪ জন গোলরক্ষক, ১২ জন ডিফেন্ডার, ৭ জন মিডফিল্ডার এবং ৬ জন ফরোয়ার্ডকে রাখা হয়েছে। তাদের বিশ্বকাপ সূচি অনুযায়ী ১৬ জুন তারা অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটি খেলবে। এরপর ২২ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে লড়াই করে গ্রুপ পর্বের চূড়ান্ত ম্যাচে ২৭ জুন লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার মোকাবিলা করবে তারা। জর্ডান কোচ আশা করছেন, এই প্রাথমিক তালিকা থেকে সেরা ২৬ জনকে বাছাই করে একটি লড়াকু দল গঠন করা সম্ভব হবে যারা বিশ্বমঞ্চে বিশেষ কোনো ছাপ ফেলতে পারবে।

আর্জেন্টিনার এই গ্রুপটি বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একদিকে অভিজ্ঞ অস্ট্রিয়া দীর্ঘ বিরতির পর ফিরে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণে মরিয়া, অন্যদিকে জর্ডান তাদের সাম্প্রতিক মহাদেশীয় সাফল্যের ধারা বিশ্বমঞ্চেও বজায় রাখতে চায়। দুই দেশই তাদের সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে সুনিপুণ রণকৌশল সাজাচ্ছে যাতে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রুখে দিয়ে নকআউট পর্বে যাওয়ার পথ সুগম করা যায়। মূলত ডেভিড আলাবা ও মুসা আল তমারির মতো বিশ্বখ্যাত তারকাদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে অস্ট্রিয়া ও জর্ডানের ফুটবল প্রেমীরা।


ম্যানচেস্টার সিটিতে পেপ গার্দিওলা যুগের অবসান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির প্রধান কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পেপ গার্দিওলা। বর্তমান মৌসুম শেষেই তিনি ইতিহাদ স্টেডিয়ামের ডাগআউট ছাড়বেন বলে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি মেইল ও দ্য অ্যাথলেটিক নিশ্চিত করেছে। যদিও ক্লাবের সাথে তাঁর বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত ছিল, তবুও এক বছর আগেই দায়িত্ব ছাড়ার চূড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ৫৫ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ মাস্টারমাইন্ড। এর মাধ্যমে সিটির সাথে তাঁর দীর্ঘ ১০ বছরের এক অবিস্মরণীয় সম্পর্কের অবসান হতে যাচ্ছে।

২০১৬ সালে ইংল্যান্ডে আসার পর থেকে গার্দিওলা ম্যানচেস্টার সিটিকে সাফল্যের অনন্য শিখরে নিয়ে গেছেন। তাঁর অধীনে ক্লাবটি এ পর্যন্ত ছয়টি প্রিমিয়ার লিগ শিরোপাসহ মোট ২০টি ট্রফি জিতেছে। এর মধ্যে সিটির ইতিহাসের বহুকাঙ্ক্ষিত প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়টি ছিল অন্যতম বড় অর্জন। চলতি মৌসুমেও সিটির সামনে আরও একটি লিগ শিরোপা জয়ের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। বোর্নমাউথ ও অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে শেষ দুটি ম্যাচে জয় পেলে এবং আর্সেনাল যদি ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে পয়েন্ট হারায়, তবে গার্দিওলা আরও একটি ট্রফি হাতে নিয়েই তাঁর সফলতম অধ্যায়টি শেষ করতে পারবেন।

গার্দিওলার বিদায়ের বিষয়টি ক্লাব কর্তৃপক্ষ কিংবা কোচের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তবে ব্রিটিশ গণমাধ্যমগুলো দাবি করেছে যে, বিষয়টি এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ব্যাপার এবং সিটি কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই তাঁদের বিভিন্ন বাণিজ্যিক অংশীদার ও স্পন্সরদের সাথে এ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন করেছে। এই মহান কোচকে রাজকীয় বিদায় দিতে বিশেষ সংবর্ধনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্লাব ম্যানেজমেন্ট। যার অংশ হিসেবে ম্যানচেস্টারের রাস্তায় একটি বর্ণাঢ্য বিজয় প্যারেডের আয়োজন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যেখানে হাজারো সমর্থক তাঁদের প্রিয় কোচের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাবেন।

গার্দিওলা চলে যাওয়ার পর সিটির শূন্য সিংহাসনে কে বসবেন তা নিয়ে ফুটবল মহলে ইতোমধ্যেই ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত গার্দিওলার উত্তরসূরি হিসেবে সবচেয়ে জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে ইতালিয়ান কোচ এনজো মারেসকার নাম। মারেসকা এর আগে পেপের সহকারী হিসেবে সিটিতে কাজ করায় ক্লাবের খেলার ধরণ ও দর্শন সম্পর্কে তাঁর স্বচ্ছ ধারণা রয়েছে। এর আগে তিনি চেলসির ডাগআউটে দেড় বছর দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তবে ক্লাব মালিকদের সাথে মতভেদের কারণে ২০২৬ সালের শুরুতে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এখন সিটির ভবিষ্যৎ কাণ্ডারি হিসেবে মারেসকাই সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।


নেইমারকে রেখেই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

রিও ডি জেনিরোর ‘মিউজিয়াম অব টুমরো’তে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে ব্রাজিল। ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ সন্ধ্যায় এই তালিকা প্রকাশ করেন। নির্ধারিত সময়ের কিছু পরে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন মহাতারকা নেইমার জুনিয়র। ৫৫ জনের প্রাথমিক তালিকায় থাকলেও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নেইমার জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা কাজ করছিল। শেষ পর্যন্ত আনচেলত্তির মুখে নেইমারের নাম শোনার পর স্বস্তি ফিরেছে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের মাঝে।

দীর্ঘ আড়াই বছর পর সফলভাবে জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন ঘটল নেইমার জুনিয়রের। ২০২৩ সালের পর চোট ও ক্লাব পরিবর্তনের জটিলতায় ব্রাজিলের জার্সি গায়ে তিনি খুব বেশি ম্যাচে অংশ নিতে পারেননি। তবে বিশ্বকাপের এই বিশেষ আসরে অংশ নিতে ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড গত কয়েক মাস ধরে নিজের ফিটনেসের প্রমাণ দিতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তাঁর এই ফেরা ব্রাজিলের আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী ও অভিজ্ঞ করবে বলে ফুটবল বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। অন্যদিকে, এবারের দল ঘোষণার বড় চমক ছিল তারকা ফরোয়ার্ড রদ্রিগোর অনুপস্থিতি। তবে চোটের কারণে তাঁর বাদ পড়া অনেকটা নিশ্চিতই ছিল।

এবারের বিশ্বকাপ দলে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তারুণ্যকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছেন কোচ আনচেলত্তি। আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া এবং মার্তিনেল্লির মতো পরীক্ষিত তারকাদের পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন প্রতিভাবান তরুণ এন্দ্রিক, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিক ও রায়ানের মতো নতুন মুখ। গোলরক্ষক হিসেবে আলিসন, এদেরসন ও ওয়েভারটনের ওপর আস্থা রাখা হয়েছে। রক্ষণভাগে মার্কুইনহোস, দানিলো, অ্যালেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার ও মাগালিয়ায়েসের মতো নির্ভরযোগ্যদের রাখা হয়েছে। মধ্যমাঠের নিয়ন্ত্রণে থাকবেন কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারায়েস, ফ্যাবিনিয়ো এবং লুকাস পাকেতার মতো কৌশলী ফুটবলাররা।

২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল ‘সি’ গ্রুপে অবস্থান করছে। মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের হেক্সা বা ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের মূল মিশন। প্রথম ম্যাচেই আফ্রিকার শক্তিশালী দল মরক্কোর বিপক্ষে সেলেসাওদের এক কঠিন অগ্নিপরীক্ষার মোকাবিলা করতে হবে। গ্রুপের বাকি দুই ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে হাইতি ও স্কটল্যান্ড। প্রতিটি বিশ্বকাপের মতো এবারও একমাত্র দেশ হিসেবে সব আসরে অংশগ্রহণের রেকর্ড ধরে রেখেই মাঠে নামছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। নতুন উদ্যম এবং শক্তিশালী এই বহর নিয়ে বিশ্বজয়ের লক্ষ্যে এখন থেকেই নিবিড় প্রস্তুতি শুরু করবে ব্রাজিল দল।


সিলেট টেস্ট জিততে পাকিস্তানের পাহাড়সম লক্ষ্য ৪৩৭, জয়ের সুবাসে বাংলাদেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ঢাকা টেস্টে দাপুটে জয়ের পর সিলেট টেস্টেও জয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। লড়াকু ব্যাটিং নৈপুণ্যে সফরকারী পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের এক বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ, যার ফলে পাকিস্তানের সামনে জয়ের জন্য পাহাড়সম লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে। দিনের শেষ বিকেলে মাত্র দুই ওভার ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়েছে পাকিস্তান। কোনো রান সংগ্রহ না করেই আজান আওয়াইজ ও আব্দুল্লাহ ফজল অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন। হাতে আরও দুই দিন এবং ১০টি উইকেট থাকলেও সফরকারীদের জন্য এই পথ পাড়ি দেওয়া হবে অত্যন্ত দুরূহ।

বাংলাদেশের এই বড় লিড পাওয়ার নেপথ্যে প্রধান কারিগর ছিলেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তিনি তাঁর ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি করার মাধ্যমে তৃতীয় দিনটি নিজের করে নেন। ইনিংসের শুরুতে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত মাত্র ১৫ রানে ফিরলে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছিল, কিন্তু মুশফিক ও লিটন দাসের ১২৩ রানের জুটি সেই চাপ কাটিয়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে নিয়ে যায়। লিটন ৬৯ রান করে আউট হলেও মুশফিক হাল ছাড়েননি। পরবর্তীতে তাইজুল ইসলামকে সাথে নিয়ে তিনি আরও ৭৭ রানের একটি কার্যকর জুটি গড়েন। শেষ পর্যন্ত ১৩৭ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলে মুশফিক সাজঘরে ফিরলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের যবনিকা ঘটে। এর আগে ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়ের ৫২ রানের ইনিংসটি বাংলাদেশের ভিত শক্ত করতে সাহায্য করেছিল।

সিলেটের মাঠের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে পাকিস্তানের জন্য এই লক্ষ্য তাড়া করা প্রায় অসম্ভব বলেই মনে হয়। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়া পাঁচটি টেস্টে চতুর্থ ইনিংসে সফলভাবে রান তাড়া করার ঘটনা ঘটেছে মাত্র একবার। গত বছর জিম্বাবুয়ে ১৭৪ রান তাড়া করে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন উইকেটে জয় পেয়েছিল। ইতিহাস বলছে, এই মাঠে চতুর্থ ইনিংসে লক্ষ্য ৩০০ রান অতিক্রম করলেই ব্যাটিং দলকে বড় ব্যবধানে হারের মুখ দেখতে হয়েছে। এমনকি বাংলাদেশের নিজের রেকর্ডও এই ভেন্যুতে খুব একটা ভালো নয়। অতীতে ৩২১, ৩৩২ কিংবা শ্রীলঙ্কার দেওয়া ৫১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছে টাইগারদের।

সমগ্র বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ৩৫০ রানের বেশি তাড়া করে জেতার নজিরও অত্যন্ত বিরল। বাংলাদেশের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রান তাড়া করার রেকর্ডটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের দখলে, যারা ২০২১ সালে ৩৯৫ রান তাড়া করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল। পাকিস্তানের বর্তমান ব্যাটিং লাইনআপ এবং মাঠের পরিস্থিতি বিবেচনা করলে ৪৩৭ রান তাড়া করে জেতা হবে এক বিরল বিশ্বরেকর্ড। যদিও সিলেটের উইকেট এখনও ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ সহায়ক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা, তবুও চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে বাংলাদেশি স্পিনার ও পেসারদের মোকাবিলা করে এই রান তোলা পাকিস্তানের জন্য চরম অগ্নিপরীক্ষার শামিল হবে।

আগামী দুই দিন ম্যাচের ভাগ্য কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন সবার নজর। বাংলাদেশ চাইবে দ্রুত পাকিস্তানের উইকেট তুলে নিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করতে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের লক্ষ্য থাকবে দীর্ঘ সময় উইকেটে টিকে থেকে ম্যাচটি অন্তত ড্র করা অথবা অভাবনীয় ব্যাটিং চমক দেখিয়ে জয়ের ইতিহাস গড়া। শান্তর দল যেভাবে সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে জয়ের পাল্লা বাংলাদেশের দিকেই বেশি ভারী বলে মনে হচ্ছে। তবে ক্রিকেট গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা হওয়ায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।


banner close