আগামী ১১ জুন পর্দা উঠছে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের। মেক্সিকো সিটিতে উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে স্বাগতিকরা। এবারের আসরে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক দল অংশ নিচ্ছে। মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া এই ৪৮ দলের সবাই ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে।
একনজরে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড-
আলজেরিয়া-
গোলরক্ষক- ওসামা বেনবট, মেলভিন মাস্টিল, লুকা জিদান
ডিফেন্ডার- আশরাফ আবাদা, রায়ান আইত-নুরি, জিনেদ্দিন বেলাইদ, রাফিক বেলঘালি, রামি বেনসেবাইনি, সামির শেরগুই, জাওয়েন হাদজাম, আইসা মান্দি, মোহামেদ তুগাই
মিডফিল্ডার- হৌসেম আওয়ার, নাবিল বেনতালেব, হিচাম বুদাউই, ফারেস শাইবি, ইব্রাহিম মাজা, ইয়াসিন তিত্রাউই, রামিজ জেরুকি
ফরোয়ার্ড- মোহামেদ আমুরা, নাধির বেনবুয়ালি, আদিল বুলবিনা, ফারেস ঘেদজেমিস, আমিন গুইরি, রিয়াদ মাহরেজ, আনিস হাজ মুসা।
আর্জেন্টিনা-
গোলরক্ষক- এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, জেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো
ডিফেন্ডার- নাহুয়েল মোলিনা, গনসালো মন্টিয়েল, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিওনার্দো বালের্দি, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, ফাকুন্দো মেদিনা
মিডফিল্ডার- লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, রদ্রিগো দে পল, জিওভানি লো সেলসো, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, এনজো ফার্নান্দেস, ভ্যালেন্তিন বার্কো
ফরোয়ার্ড- লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্তিনেজ, থিয়াগো আলমাদা, নিকোলাস পাজ, নিকোলাস গনসালেস, জুলিয়ানো সিমিওনে, হোসে ম্যানুয়েল লোপেস।
অস্ট্রেলিয়া-
গোলরক্ষক- প্যাট্রিক বিচ, পল ইজ্জো, ম্যাথিউ রায়ান
ডিফেন্ডার- আজিজ বেহিচ, জর্ডান বস, ক্যামেরন বার্গেস, আলেসান্দ্রো সিরকাতি, মিলোস ডেগেনেক, জেসন গেরিয়া, লুকাস হেরিংটন, জ্যাকব ইতালিয়ানো, হ্যারি সাউতার, কাই ট্রেউইন
মিডফিল্ডার- ক্যামেরন ডেভলিন, আজদিন হ্রুস্টিচ, জ্যাকসন আরভিন, কনর মেটকাফ, পল ওকন-এংস্টলার, এইডেন ও'নিল
ফরোয়ার্ড- নেস্টরি ইরানকুন্ডা, ম্যাথিউ লেকি, আওয়ার মাবিল, মোহামেদ তুরে, নিশান ভেলুপিল্লাই, ক্রিস্টিয়ান ভলপাটো, টেটে ইয়েঙ্গি।
অস্ট্রিয়া-
গোলরক্ষক- প্যাট্রিক পেনৎস, আলেকজান্ডার শ্লাগার, ফ্লোরিয়ান উইগেলে
ডিফেন্ডার- ডেভিড আফেনগ্রুবার, ডেভিড আলাবা, কেভিন ডানসো, মার্কো ফ্রিডল, ফিলিপ লিনহার্ট, ফিলিপ মভেনে, স্টেফান পসখ, আলেকজান্ডার প্রাস, মাইকেল সভোবোদা
মিডফিল্ডার- ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার, কার্নি চুকুয়েমেকা, ফ্লোরিয়ান গ্রিলিচ, কনরাড লাইমার, মার্সেল সাবিৎসার, জাভের শ্লাগার, রোমানো শ্মিড, আলেসান্দ্রো শপফ, নিকোলাস সাইভাল্ড, পল ভানার, প্যাট্রিক ভিমার
ফরোয়ার্ড- মার্কো আরনাউটোভিচ, মাইকেল গ্রেগোরিচ, সাশা কালাইডজিচ।
বেলজিয়াম-
গোলরক্ষক- থিবো কুর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স, মাইক পেন্ডার্স
ডিফেন্ডার- টিমোথি কাস্তানিয়ে, জেনো ডেবাস্ট, ম্যাক্সিম ডে কুইপার, কোনি ডে উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেখেলে, থমাস মুনিয়ে, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেইস, আর্থার থিয়াতে
মিডফিল্ডার- কেভিন ডি ব্রুইনে, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাসকিন, ইউরি টিলেমান্স, হান্স ভানাকেন, অ্যাক্সেল উইটসেল
ফরোয়ার্ড- চার্লস ডে কেতেলায়েরে, জেরেমি ডোকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো, রোমেলু লুকাকু, দোদি লুকেবাকিও, দিয়েগো মোরেইরা, আলেক্সিস সালেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ড।
বসনিয়া-
গোলরক্ষক- ওসমান হাজদিকিচ, নিকোলা ভাসিলজ, মার্টিন জ্লোমিসলিচ
ডিফেন্ডার- নিদাল চেলিক, আমার দেদিচ, ডেনিস হাজদিকাদুনিচ, নিকোলা কাটিচ, সেয়াদ কোলাশিনাচ, তারিক মুহারেমোভিচ, নিহাদ মুজাকিচ, স্তিয়েপান রাদেলিয়িচ
মিডফিল্ডার- কেরিম আলাইবেগোভিচ, এসমির বাইরাকতারেভিচ, ইভান বাসিচ, জেনিস বুরনিচ, আরমিনা গিগোভিচ, আমির হাজদিয়াহমেতোভিচ, এরমিন মাহমিচ, আমার মেমিচ, ইভান শুনজিচ, বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ
ফরোয়ার্ড- সামেদ বাজদার, এরমেদিন দেমিরোভিচ, এদিন জেকো, জোভো লুকিচ, হারিস তাবাকোভিচ।
ব্রাজিল-
গোলরক্ষক- আলিসন, এদেরসন, ওয়েভারতন
ডিফেন্ডার- আলেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ইবানিয়েজ, লেও পেরেইরা, মার্কিনিয়োস, ওয়েসলি
মিডফিল্ডার- ব্রুনো গিমারায়েস, কাসেমিরো, দানিলো সান্তোস, ফাবিনিও, লুকাস পাকেতা
ফরোয়ার্ড- এন্দ্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাতেউস কুনিয়া, নেইমার জুনিয়র, রাফিনিয়া, রায়ান, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
ক্যাপ ভার্দে-
গোলরক্ষক- ভোজিনহা, মার্সিও রোজা, সি. জে. দোস সান্তোস
ডিফেন্ডার- ডিনে বোর্হেস, সিডনি কাব্রাল, লোগান কস্তা, স্টিভেন মোরেরা, ওয়াগনার পিনা, জোয়াও পাওলো ফার্নান্দেস, রবার্তো ‘পিকো’ লোপেস, কেভিন পিরেস, ইআনিকে ‘স্টোপিরা’ তাভারেস
মিডফিল্ডার- টেলমো আরকানজো, লারোস দুয়ার্তে, ডেরয় দুয়ার্তে, জামিরো মন্টেইরো, কেভিন পিনা, ইয়ানিক সেমেদো
ফরোয়ার্ড- গিলসন বেনচিমল, জোভানে কাব্রাল, নুনো দা কস্তা, দাইলন লিভ্রামেন্তো, রায়ান মেন্দেস, গ্যারি রদ্রিগেস, উইলি সেমেদো, হেলিও ভেরেলা
কানাডা-
গোলরক্ষক- ম্যাক্সিম ক্রেপো, ওয়েন গুডম্যান, ডেন স্ট. ক্লেয়ার
ডিফেন্ডার- মোইসে বোম্বিতো, ডেরেক কর্নেলিয়াস, আলফনসো ডেভিস, লুক দ্য ফুয়েরোলেস, অ্যালিস্টার জনস্টন, আলফি জোন্স, রিচি লারিয়া, নিকো সিগুর, জোয়েল ওয়াটারম্যান
মিডফিল্ডার- আলি আহমেদ, তাজন বুকানান, ম্যাথিউ চোইনিয়েরে, স্টিফেন ইউস্তাকিও, ইসমাইল কোনে, লিয়াম মিলার, জনাথন ওসোরিও, নাথান-ডিলান সালিবা, জ্যাকব শ্যাফেলবার্গ
ফরোয়ার্ড- জনাথন ডেভিড, প্রমিস ডেভিড, সাইলে লারিন, তানি ওলুওসেয়ি
কলম্বিয়া-
গোলরক্ষক- আলভারো মন্টেরো, কামিলো ভারগাস, ডেভিড ওসপিনা
ডিফেন্ডার- ড্যানিয়েল মুনোজ, সান্তিয়াগো আরিয়াস, ডেভিনসন সানচেজ, জন লুকুমি, ইয়েরি মিনা, উইলার ডিটা, ডাইভার মাচাদো, জোহান মোকিকা
মিডফিল্ডার- গুস্তাভো পুয়ের্তা, জেমস রদ্রিগেজ, জেফারসন লেরমা, জন আরিয়াস, হোর্হে কারাসকাল, হুয়ান ফার্নান্দো কিন্তেরো, রিচার্ড রিওস, কেভিন কাস্তানো, জামিনটন ক্যাম্পাজ, হুয়ান পোর্তিয়া
ফরোয়ার্ড- লুইস দিয়াজ, লুইস সুয়ারেজ, জন কর্ডোবা, কার্লোস গোমেজ, হুয়ান কামিলো হের্নান্দেজ
কঙ্গো প্রজাতন্ত্র-
গোলরক্ষক- লিওনেল ম্পাসি, থিমোথি ফায়ুলু, ম্যাথিয়ু এপোলো
ডিফেন্ডার- শঁসেল এমবেম্বা, অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, অ্যালেক্স তুয়ানজেবে, আর্থার মাসুয়াকু, জোরিস কায়েম্বে, স্টিভ কাপুয়াদি, অ্যারন তশিবালা, ডিলান বাতুবিনসিকা, গেদিওঁ কালুলু
মিডফিল্ডার- নোয়া সাদিকি, স্যামুয়েল মুতুসামি, এদো কায়েম্বে, ন্যাঙ্গাল’আয়েল মুকাউ, চার্লস পিকেল, নাথানায়েল এমবুকু, ব্রায়ান সিপেঙ্গা, মেশাক এলিয়া, গায়েল কাকুতা
ফরোয়ার্ড- থিও বংগোন্ডা, ফিস্টন মায়েলে, সেড্রিক বাকাম্বু, সিমন বানজা, ইয়োয়ানে উইসা
আইভরি কোস্ট-
গোলরক্ষক- ইয়াহিয়া ফোফানা, মোহামেদ কোনে, আলবান লাফোঁ
ডিফেন্ডার- এমমানুয়েল আগবাদু, ক্রিস্টোফার ওপেরি, ওসমান দিওমান্দে, গ্যুয়েলা দোয়ে, ঘিসলাঁ কোনান, ওডিলন কসুনু, উইলফ্রিড সিঙ্গো, ইভান এনডিক্কা
মিডফিল্ডার- সেকো ফোফানা, পারফে গুইয়াগন, ক্রিস্ট ইনাওয়া ওলাই, ফ্রাঙ্ক কেসিয়ে, ইব্রাহিম সাঙ্গারে, জ্যাঁ-মিশেল সেরি
ফরোয়ার্ড- সাইমন আদিংরা, আঞ্জ-ইয়োয়ান বনি, আমাদ দিওলো, ওমর দিয়াকিতে, ইয়ান দিওমান্দে, ইভান গুয়েসঁদ, নিকোলাস পেপে, বাজারমানা তুরে, এলিয়ে ওয়াহি
ক্রোয়েশিয়া-
গোলরক্ষক- ডমিনিক লিভাকোভিচ, ডমিনিক কোটারস্কি, ইভর পান্দুর
ডিফেন্ডার- ইয়োশকো গভার্দিওল, দুয়ে চালেতা-সার, ইয়োসিপ শুতালো, ইয়োসিপ স্তানিসিচ, মারিন পংরাচিচ, মার্টিন এরলিচ, লুকা ভুসকোভিচ
মিডফিল্ডার- লুকা মদ্রিচ, মাতেও কোভাচিচ, মারিও পাসালিচ, নিকোলা ভ্লাসিচ, লুকা সুচিচ, মার্টিন বাতুরিনা, ক্রিস্তিয়ান ইয়াকিচ, পেতার সুচিচ, নিকোলা মোরো, টনি ফ্রুক
ফরোয়ার্ড- ইভান পেরিসিচ, আন্দ্রেই ক্রামারিচ, আনে বুডিমির, মার্কো পাসালিচ, পেতার মুসা, ইগর মাতানোভিচ
কুরাসাও-
গোলরক্ষক- টাইরিক বডাক, ট্রেভর ডুর্নবুশ, এলয় রুম
ডিফেন্ডার- রিশেদলি বাজোয়ার, জোশুয়া ব্রেনেট, রোশন ভ্যান আইজমা, শেরেল ফ্লোরানুস, ডেভেরন ফোনভিল, জুরিয়েন গারি, আরমান্দো ওবিস্পো, শুরান্দি সাম্বো
মিডফিল্ডার- জুনিনহো বাকুনা, লিয়ান্দ্রো বাকুনা, লিভানো কোমেনেনসিয়া, কেভিন ফেলিদা, আরজানি মার্থা, টাইরিস নসলিন, গডফ্রিড রোমেরাতোয়ে
ফরোয়ার্ড- জেরেমি আন্তোনিসে, তাহিথ চং, কেনজি গোরে, সঁতিয়ে হ্যানসেন, জারভেন কাস্তানিয়ার, ব্র্যান্ডলি কুয়াস, জুর্গেন লোকাদিয়া, জার্ল মার্গারিথা
চেক প্রজাতন্ত্র-
গোলরক্ষক- লুকাস হর্নিচেক, মাতেই কোভার, ইন্দ্রিখ স্তানার্ক
ডিফেন্ডার- ভ্লাদিমির কৌফাল, ডেভিড দৌদেরা, তোমাশ হোলেশ, রবিন হ্রানাচ, স্তেপান চালৌপেক, ডেভিড জুরাসেক, লাদিস্লাভ ক্রেইচি, ইয়ারোস্লাভ জেলেনি, ডেভিড জিমা
মিডফিল্ডার- পাভেল বুচা, লুকাস চের্ভ, ভ্লাদিমির দারিদা, তোমাশ লাদ্রা, লুকাস প্রোভোদ, মিখাল সাদিলেক, হুগো সোচুরেক, আলেক্সান্দ্র সোজকা, তোমাশ সউচেক, পাভেল শুলচ, ডেনিস ভিসিনস্কি
ফরোয়ার্ড- আদাম হ্লোজেক, তোমাশ চোরি, ময়মির খিতিল, ক্রিস্তোফ কাবোঙ্গো, ইয়ান কুখতা, প্যাট্রিক শিক
ইকুয়েডর-
গোলরক্ষক- হেরনান গালিন্দেস, গনসালো ভাল্লে, মোইসেস রামিরেস
ডিফেন্ডার- পিয়েরো হিনকাপিয়ে, উইলিয়ান পাচো, পেরভিস এস্তুপিনিয়ান, অ্যাঞ্জেলো প্রেসিয়াদো, জোয়েল অর্দোনিয়েজ, ফেলিক্স তোরেস, জ্যাকসন পোরোজো, ইয়াইমার মেদিনা
মিডফিল্ডার- মোইসেস কাইসেদো, অ্যালান ফ্রাঙ্কো, গনসালো প্লাতা, কেন্দ্রি পায়েস, পেদ্রো ভিতে, জর্ডি আলসিভার, ডেনিল কাস্তিলো, জন ইয়েবোয়া, নিলসন আঙ্গুলো, অ্যালান মিন্ডা
ফরোয়ার্ড- এন্নার ভালেন্সিয়া, কেভিন রদ্রিগেজ, জর্ডি কাইসেদো, অ্যান্থনি ভালেন্সিয়া, জেরেমি আরেভালো
মিশর-
গোলরক্ষক- মোহামেদ আলা, মোহামেদ এল শেনাওয়ি, মোস্তফা শোবেয়র, এল মাহদি সোলিমান
ডিফেন্ডার- হোসাম আবদেলমাগিদ, মোহামেদ আবদেলমোনেম, তারেক আলা, আহমেদ ফাতহি, কারিম হাফেজ, মোহামেদ হানি, ইয়াসের ইব্রাহিম, রামি রাবিয়া
মিডফিল্ডার- ইমাম আশুর, মারওয়ান আত্তিয়া, নাবিল এমাদ, হামদি ফাথি, হাইথাম হাসান, মোহান্নাদ লাশিন, মাহমুদ সাবের, মাহমুদ হাসান ট্রেজেগুয়েত, মোস্তফা জিকো, আহমেদ সাঈদ জিজো
ফরোয়ার্ড- হামজা আবদুলকরিম, ইব্রাহিম আদেল, ওমর মারমুশ, মোহামেদ সালাহ
ইংল্যান্ড-
গোলরক্ষক- ডিন হেন্ডারসন, জর্ডান পিকফোর্ড, জেমস ট্র্যাফোর্ড
ডিফেন্ডার- ড্যান বার্ন, মার্ক গেহি, রিস জেমস, এজরি কনসা, টিনো লিভরামেন্টো, নিকো ও’রাইলি, জারেল কুয়ানসা, জেড স্পেন্স, জন স্টোনস
মিডফিল্ডার- এলিয়ট অ্যান্ডারসন, জুড বেলিংহাম, এবেরেচি এজে, জর্ডান হেন্ডারসন, কোবি মাইনু, ডেক্লান রাইস, মরগান রজার্স
ফরোয়ার্ড- অ্যান্থনি গর্ডন, হ্যারি কেইন, ননি মাদুয়েকে, মার্কাস র্যাশফোর্ড, বুকায়ো সাকা, ইভান টনি, ওলি ওয়াটকিন্স
ফ্রান্স-
গোলরক্ষক- মাইক মেনিয়ান, রবিন রিসার, ব্রিস সাম্বা
ডিফেন্ডার- লুকাস দিন্য, মালো গুস্তো, লুকাস হার্নান্দেজ, থিও হার্নান্দেজ, ইব্রাহিমা কোনাতে, জুল কুন্দে, ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়া, উইলিয়াম সালিবা, দায়ো উপামেকানো
মিডফিল্ডার- এন’গোলো কান্তে, মানু কোনে, আদ্রিয়েন রাবিও, অরেলিয়াঁ শুয়ামেনি, ওয়ারেন জায়ের-এমেরি
ফরোয়ার্ড- মাগনেস আকলিউশ, ব্র্যাডলি বারকোলা, রায়ান শেরকি, উসমান দেম্বেলে, দেজিরে দুয়ে, জ্যঁ-ফিলিপ মাতেতা, কিলিয়ান এমবাপ্পে, মাইকেল ওলিসে, মার্কাস তুরাম
জার্মানি-
গোলরক্ষক-অলিভার বাউমান, ম্যানুয়েল নয়্যার, আলেকজান্ডার নুবেল
ডিফেন্ডার- ওয়াল্ডেমার আন্তন, নাথানিয়েল ব্রাউন, জশুয়া কিমিখ, ডেভিড রাউম, আন্তোনিও রুডিগার, নিকো শ্লটারবেক, জোনাথন তাহ, মালিক থিয়াও
মিডফিল্ডার- নাদিয়েম আমিরি, লেওন গোরেটজকা, পাসকাল গ্রস, লেনার্ট কার্ল, জেমি লেভেলিং, জামাল মুসিয়ালা, ফেলিক্স এনমেচা, আলেকসান্দার পাভলোভিচ, লেরয় সানে, অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, ফ্লোরিয়ান ভির্ট্জ
ফরোয়ার্ড- ম্যাক্সিমিলিয়ান বায়ার, কাই হাভার্টজ, ডেনিজ উন্দাভ, নিক ভোল্টেমেড
ঘানা-
গোলরক্ষক- লরেন্স আতি-জিগি, বেঞ্জামিন আসারে, সলোমন আগবাসি, জোসেফ আনাং, পল রেভারসন
ডিফেন্ডার- জোনাস আদজেতে, আবদুল রহমান বাবা, আলেকজান্ডার দিকু, গিদেওন মেনসা, আবদুল মুমিন, জেরোম ওপোকু, কোজো পেপ্রা ওপং, আলিদু সেদু, মার্ভিন সেনায়া
মিডফিল্ডার- অগাস্টিন বোয়াকি, আবদুল ফাতাউ, এলিশা ওয়ুসু, থমাস পার্টে, কওয়াসি সিবো, কামালদিন সুলেমানা, ক্যালেব ইয়িরেনকাই
ফরোয়ার্ড- জর্ডান আয়েউ, ক্রিস্টোফার বোনসু বাহ, প্রিন্স কওয়াবেনা আদু, আর্নেস্ট নুয়ামা, আনতোয়ান সেমেনিও, ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তে, ইনাকি উইলিয়ামস
হাইতি-
গোলরক্ষক- জোস্যু দুভেরজে, আলেক্সান্দ্রে পিয়ের, জনি প্লাসিদ
ডিফেন্ডার- রিকার্দো আডে, কার্লেন্স আর্কুস, হানেস ডেলক্রোয়া, জঁ-কেভিন দুভের্নে, মার্টিন এক্সপেরিয়েন্স, ডিউক ল্যাক্রোয়া, উইলগুয়েন্স পোগাঁ, কেতো থেরমন্সি
মিডফিল্ডার- কার্ল ফ্রেড সাঁত, জঁ-রিকনার বেলগার্দ, লেভারটন পিয়ের, ড্যানলি জাঁ জ্যাক, উডেনস্কি পিয়ের, ডমিনিক সাইমন
ফরোয়ার্ড- জোস্যু কাসিমির, লুইসিয়াস ডিডসন, ডেরিক এত্যিয়েন জুনিয়র, ইয়াসিন ফর্চুন, উইলসন ইসিডর, লেনি জোসেফ, ডুকেন্স নাজঁ, ফ্রাঁৎসদি পিয়েরে, রুবেন প্রভিদঁস
ইরান-
গোলরক্ষক- আলিরেজা বেইরানভান্দ, হোসেইন হোসেইনি, পায়াম নিয়াজমান্দ
ডিফেন্ডার- দানিয়াল ইরি, এহসান হাজসাফি, সালেহ হার্দানি, হোসেইন কানানি, শুজা খলিলজাদে, মিলাদ মোহাম্মাদি, আলি নেমাতি, রামিন রেজায়িয়ান
মিডফিল্ডার- রৌজবেহ চেশমি, সাঈদ এজাতোলাহি, মেহদি ঘাইদি, সামান ঘোদ্দোস, মোহাম্মদ ঘোরবানী, আলিরেজা জাহানবাখশ, মোহাম্মদ মোহেবি, আমির মোহাম্মদ রাজাঘিনিয়া, মেহদি তারেমি, আরিয়া ইউসেফি
ফরোয়ার্ড- আলি আলিপুর, ডেনিস দারঘাহি, আমিরহোসেইন হোসেইনজাদে, শাহরিয়ার মোগানলু, মেহদি তারেমি
ইরাক-
গোলরক্ষক- আহমেদ বাসিল, জালাল হাসান, ফাহাদ তালিব
ডিফেন্ডার- হুসেইন আলি, মেরচাস দোস্কি, আকাম হাসেম, ফ্রান্স পুট্রোস, মুস্তাফা সাদ্দুন, রেবিন সুলাকা, জায়েদ তাহসিন, আহমেদ ইয়াহইয়া, মানাফ ইউনিস
মিডফিল্ডার- আমির আল-আম্মারি, ইউসুফ আমিন, ইব্রাহিম বায়েশ, মার্কো ফারজি, জিদান ইকবাল, জায়েদ ইসমাইল, আলি জাসিম, আহমেদ কাসিম, আইমার শের, কেভিন ইয়াকব
ফরোয়ার্ড- মোহানাদ আলি, আইমেন হুসেইন, আলি আল-হামাদি, আলি ইউসেফ
জাপান-
গোলরক্ষক- তোমোকি হায়াকাওয়া, কেইসুকে ওসাকো, জায়ন সুজুকি
ডিফেন্ডার- কো ইটাকুরা, হিরোকি ইতো, ইউতো নাগাতোমো, আয়ুমু সেকো, ইউকিনারি সুগাওয়ারা, জুনোসুকে সুজুকি, শোগো তানিগুচি, টেকহিরো তমিয়াসু, তসুইয়োশি ওয়াতানাবে
মিডফিল্ডার- রিতসু দোয়ান, ওয়াতারু এন্ডো, জুনিয়া ইতো, দাইচি কামাদা, তাকেফুসা কুবো, কেইতো নাকামুরা, কাইশু সানো, আও তানাকা
ফরোয়ার্ড- কেইসুকে গোটো, দাইজেন মায়েদা, কোকি ওগাওয়া, কেন্তো শিওগাই, ইউইতো সুজুকি, আয়াসে উএদা
জর্ডান-
গোলরক্ষক- ইয়াজিদ আবুলাইলাহ, আবদুল্লাহ আল ফাখুরি, আহমাদ আল জুয়াইদি, নূর বানী আত্তিয়া
ডিফেন্ডার- মোহাম্মাদ আবু আলনাদি, ইউসুফ আবু আল জাজার, হুসাম আবু দাহাব, মোহাম্মাদ আবু হাশিশ, মোহান্নাদ আবু তাহা, ইয়াজান আল আরব, সাঈদ আল রোসান, আহমাদ আসসাফ, আনাস বাদাউই, আবদুল্লাহ নাসিব, ইহসান হাদ্দাদ, সালীম ওবাইদ, মোহাম্মাদ তাহা
মিডফিল্ডার-মোহাম্মাদ আল দাউদ, নিযার আল রাশদান, নূর আল রাওয়াবদেহ, রাজাই আয়েদ, আমের জামুস, ইউসুফ কাশী, ইব্রাহিম সাদেহ
ফরোয়ার্ড- মোহাম্মাদ আবু জুরাইক, মুসা আল তামারি, আলি আজাইজা, ওদেহ ফাখুরি, আলি ওলওয়ান, ইব্রাহিম সাবরা
দক্ষিণ কোরিয়া-
গোলরক্ষক- সঙ বুমগিউন, জো হিউনউ, কিম সেউং-গিউ
ডিফেন্ডার- জেন্স কাস্ত্রোপ, লি হানবেম, পার্ক জিনসিওব, লি কিহিউক, কিম মিন-জে, কিম মুনহোয়ান, কিম তায়েহিউন, লি তাইসোক, সল ইয়ংউ, চো উইজে
মিডফিল্ডার- লি ডংগিয়ং, হোয়াং হি-চান, ইয়াং হিউনজুন, হোয়াং ইনবিওম, লি জায়েসুং, কিম জিনগিউ, উম জিসুং, বে জুনহো, লি কাং-ইন, প্যাক সেউংহো
ফরোয়ার্ড- চো গিউসুং, সন হিউং-মিন, ও হিয়নগিউ
মেক্সিকো-
গোলরক্ষক- কার্লোস আসেভেদো, গিয়েরমো ওচোয়া, রাউল রাঙ্গেল
ডিফেন্ডার- এডসন আলভারেজ, মাতেও চাভেজ, হেসুস গালিয়ার্দো, সেসার মন্তেস, ইসরায়েল রেয়েস, হোর্হে সানচেজ, জোহান ভাসকেস
মিডফিল্ডার- লুইস চাভেজ, আলভারো ফিদালগো, ব্রায়ান গুতিয়েরেস, এরিক লিরা, গিলবার্তো মোরা, লুইস রোমো, ওর্বেলিন পিনেদা, ওবেদ ভার্গাস
ফরোয়ার্ড- রবার্তো আলভারাদো, সান্তিয়াগো হিমেনেস, আরমান্দো গনসালেস, সেসার উয়ার্তা, রাউল হিমেনেস, গিয়েরমো মার্টিনেস, হুলিয়ান কুইনোনেস, আলেক্সিস ভেগা
মরক্কো-
গোলরক্ষক- ইয়াসিন বোনু, মুনির এল কাজুই, রেদা তাগনাউতি
ডিফেন্ডার- নুসাইর মাজরাউই, আনাস সালাহ-এদ্দিন, ইউসুফ বেলামারি, আচরাফ হাকিমি, জাকারিয়া এল ওয়াহদি, নায়েফ আগুয়ের্ড, চাদি রিয়াদ, রেদোয়ান হালহাল, ইসা দিয়োপ
মিডফিল্ডার- সামির এল মরাবেত, আয়্যুব বোউআদি, নীল এল আয়নাউই, সোফিয়ান আম্রাবাত, আজজেদিন উনাহি, বিলাল এল খান্নুস, ইসমাইল সাইবারি
ফরোয়ার্ড- আবদে এজালজুলি, শেমসদিন তালবি, সুফিয়ান রহিমি, আয়্যুব এল কাবি, ব্রাহিম দিয়াজ, গেসিম ইয়াসিন, আয়ুব আমাইমুনি
নেদারল্যান্ডস-
গোলরক্ষক- মার্ক ফ্লেকেন, রবিন রোয়েফস, বার্থ ফারব্রুগেন
ডিফেন্ডার- নাথান আক, ডেনজেল ডামফ্রিস, জোরেল হাটো, জুরিয়েন টিম্বার, ইয়ান পল ভ্যান হেক, ভার্জিল ভ্যান ডাইক, মিকি ভ্যান ডে ভেন
মিডফিল্ডার- ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, মার্টেন ডে রুন, রায়ান গ্রাভেনবার্খ, টেইন কুপমেইনার্স, তিজানি রেইনডার্স, গুস টিল, কুইন্টেন টিম্বার, ম্যাটস উইফার
ফরোয়ার্ড- ব্রায়ান ব্রোবি, মেমফিস ডিপাই, কোডি গাকপো, জাস্টিন ক্লুইভার্ট, নোয়া ল্যাং, ডনিয়েল মালেন, ক্রেসেনসিও সামারভিল, ওউট ভেগহর্স্ট
নিউজিল্যান্ড-
গোলরক্ষক- ম্যাক্স ক্রোকম্ব, অ্যালেক্স পলসেন, মাইকেল উড
ডিফেন্ডার- টাইলার বিন্ডন, মাইকেল বক্সঅল, লিবারাতো কাকাচে, ফ্রান্সিস দে ভ্রিস, ক্যালান এলিয়ট, টিম পেইন, ন্যান্ডো পাইনাকার, টমি স্মিথ, ফিন সারম্যান
মিডফিল্ডার- ল্যাচলান বেইলিস, জো বেল, ম্যাট গারবেট, এলি জাস্ট, ক্যালাম ম্যাককাওয়াট, বেন ওল্ড, অ্যালেক্স রুফার, মার্কো স্ট্যামেনিচ, স্যারপ্রিত সিং, রায়ান থমাস
ফরোয়ার্ড- কোস্টা বারবারোসেস, জেসি র্যান্ডাল, বেন ওয়েইন, ক্রিস উড
নরওয়ে-
গোলরক্ষক- অরিয়ান হাস্কিয়োল্ড নাইল্যান্ড, এগিল সেলভিক, সান্ডার ট্যাংভিক
ডিফেন্ডার- ক্রিস্টোফার ভাসবাক আয়ের, ফ্রেডরিক বিয়র্কান, হেনরিক ফালকেনার, সন্ড্রে ল্যাংগাস, তোরবিয়র্ন হেগগেম, মার্কুস হোমগ্রেন পেদারসেন, জুলিয়ান রাইয়েরসন, ডেভিড মোলার উলফ, লেও অস্টিগার্ড
মিডফিল্ডার- থেলোনিয়াস আসগার্ড, ফ্রেডরিক অউরেস্নেস, প্যাট্রিক বার্গ, সান্ডার বার্গে, অস্কার বব, জেন্স পেটার হাউগে, আন্তোনিও নুসা, আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, মর্টেন থর্সবাই, ক্রিস্টিয়ান থর্স্টভেড্ট, মার্টিন ওডেগার্ড
ফরোয়ার্ড- এরলিং হালান্ড, জর্গেন স্ট্র্যান্ড লারসেন, আলেকসান্ডার সোরলোথ
পানামা-
গোলরক্ষক- অরল্যান্ডো মস্কেরা, লুইস মেহিয়া, সিজার সামুডিও
ডিফেন্ডার- সিজার ব্ল্যাকম্যান, হোর্হে গুতিয়েরেস, আমির মুরিলো, ফিদেল এসকোবার, আন্দ্রেস আন্দ্রাদে, এদগার্দো ফারিনা, হোসে কর্ডোবা, এরিক ডেভিস, জিওভানি রামোস, রডেরিক মিলার
মিডফিল্ডার- আনিবাল গোদয়, আদালবের্তো কারাসকিয়া, কার্লোস হার্ভে, ক্রিস্টিয়ান মার্টিনেস, হোসে লুইস রদ্রিগেজ, সিজার ইয়ানিস, ইয়োয়েল বার্সেনাস, আলবের্তো কুইন্টারো, আজারিয়াস লন্ডোনো
ফরোয়ার্ড- ইসমাইল দিয়াজ, সেসিলিও ওয়াটারম্যান, হোসে ফাজার্দো, তোমাস রদ্রিগেজ
প্যারাগুয়ে-
গোলরক্ষক- অরল্যান্ডো গিল, রবার্তো ফার্নান্দেস, গাস্তন ওলভেইরা
ডিফেন্ডার- হুয়ান কাসেরেস, গুস্তাভো ভেলাসকেস, গুস্তাভো গোমেস, জুনিয়র আলোনসো, হোসে কানালে, ওমার আলদেরেতে, আলেক্সান্দ্রো মাইদানা, ফাবিয়ান বালবুয়েনা
মিডফিল্ডার- দিয়েগো গোমেস, মৌরিসিও মাগালায়েস, দামিয়ান বোবাডিয়া, ব্রায়ান ওহেদা, আন্দ্রেস কুবাস, মাতিয়াস গালারজা, আলেহান্দ্রো গামাররা
ফরোয়ার্ড- গুস্তাভো কাবালেরো, রামন সোসা, আলেক্স আরসে, ইসিদ্রো পিত্তা, গ্যাব্রিয়েল আভালোস, মিগেল আলমিরন, হুলিও এনসিসো, আন্তোনিও সানাব্রিয়া
পর্তুগাল-
গোলরক্ষক- দিয়োগো কোস্তা, হোসে সা, রুই সিলভা, রিকার্দো ভেলহো
ডিফেন্ডার- তোমাস আরাউজো, জোয়াও ক্যানসেলো, দিয়োগো দালোত, রুবেন দিয়াস, গনসালো ইনাসিও, নুনো মেন্ডেস, মাতেউস নুনেস, নেলসন সেমেদো, রেনাতো ভেইগা
মিডফিল্ডার- স্যামুয়েল কোস্তা, ব্রুনো ফার্নান্দেস, জোয়াও নেভেস, রুবেন নেভেস, বার্নার্দো সিলভা, ভিতিনিয়া
ফরোয়ার্ড- ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও, জোয়াও ফেলিক্স, গনসালো গেদেস, রাফায়েল লেও, পেদ্রো নেটো, গনসালো রামোস, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও
কাতার-
গোলরক্ষক- মাহমুদ আবুনাদা, শেহাব আল লিথি, মেশাল বারশাম, সালাহ জাকারিয়া
ডিফেন্ডার- রায়ান আল আলি, আল হাশেমি আল হুসেইন, আয়ুব আল আলাওয়ি, বাসাম আল রাওয়ি, হোমাম আল আমিন, সুলতান আল ব্রাক, বুয়ালেম খুকি, নিয়াল মেসন, লুকাস মেন্ডেস, পেদ্রো মিগুয়েল, তারেক সালমান
মিডফিল্ডার- করিম বৌদিয়াফ, আহমেদ ফাতহি, জাসেম গাবের, আবদুলআজিজ হাতেম, ইসা লাই, আসিম মাদিবো, মোহাম্মদ মানাই, তাহসিন মোহাম্মদ, মোহাম্মদ ওয়াদ
ফরোয়ার্ড- ইউসুফ আবদেলরিসাক, আকরাম আফিফ, আহমেদ আলাএদ্দিন, হাসান আল হায়দোস, আলমোয়েজ আলি, আহমেদ আল জানহি, এডমিলসন জুনিয়র, মোহাম্মদ মুনতারি, মুবারক শানান, সেবাস্তিয়ান সোরিয়া
সৌদি আরব-
গোলরক্ষক- আহমেদ আল কাসার, মোহাম্মেদ আল ওয়াইস, নাওয়াফ আল আকিদি, আবদুলকুদুস আতিয়া
ডিফেন্ডার- সাউদ আবদুলহামিদ, মোহাম্মেদ আবু আল শামাত, খালিদ আল ঘান্নাম, মোতেব আল হারবি, আবদুল্লাহ আল আমরি, নাওয়াফ বউশাল, জাকারিয়া হাওয়াসাভি, হাসান কাদেশ, আলি লাজামি, আলি মাজারাশি, হাসান তাম্বাকতি, জেহাদ থিকরি
মিডফিল্ডার- নাসের আল দাওসারি, আলা আল হাজ্জি, জিয়াদ আল জোহানি, মুসআব আল জুয়াইর, আবদুল্লাহ আল খাবাইরি, সালেহ আবু আল শামাত, মোহাম্মেদ কান্নো, সুলতান মানদাশ, আয়মান ইয়াহিয়া
ফরোয়ার্ড- ফেরাস আল ব্রিকান, সালেম আল দাওসারি, আবদুল্লাহ আল হামদান, আবদুল্লাহ আল সালেম, সালেহ আল শেহরি
স্কটল্যান্ড-
গোলরক্ষক- ক্রেগ গর্ডন, অ্যাঙ্গাস গান, লিয়াম কেলি
ডিফেন্ডার- গ্রান্ট হ্যানলি, জ্যাক হেনড্রি, অ্যারন হিকি, ডম হাইয়াম, স্কট ম্যাককেনা, নাথান প্যাটারসন, অ্যান্থনি রালস্টন, অ্যান্ডি রবার্টসন, জন সাউটার, কিয়েরান টিয়ার্নি
মিডফিল্ডার- রায়ান ক্রিস্টি, ফিন্ডলে কার্টিস, লুইস ফার্গুসন, টাইলার ফ্লেচার, বেন গ্যানন-ডোয়াক, জন ম্যাকগিন, কেনি ম্যাকলিন, স্কট ম্যাকটমিনে
ফরোয়ার্ড- চে অ্যাডামস, লিন্ডন ডাইक्स, জর্জ হার্স্ট, লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড, রস স্টুয়ার্ট
সেনেগাল-
গোলরক্ষক- মোরি দিয়াও, ইয়েভান ডিওফ, এদোয়ার্দ মেন্ডি
ডিফেন্ডার- ইলাই কামারা, ক্রেপিন দিয়াত্তা, এল হাদজি মালিক দিয়ুফ, ইসমাইল জাকবস, কালিদু কুলিবালি, মুস্তাফা এমবো, আন্তোয়ান মেন্ডি, মুসা নিয়াখাতে, মামাদু সার, আবদুলাই সেক
মিডফিল্ডার- লামিন কামারা, পাথে সিস, হাবিব দিয়ারা, ইদ্রিসা গানা গেই, পাপে গেই, পাপে মাতার সার, বারা সাপোকো নিয়ায়ে
ফরোয়ার্ড-আসানে দিয়াও, বাম্বা দিয়েং, নিকোলাস জ্যাকসন, সাদিও মানে, ইব্রাহিম মবায়ে, শেরিফ নিয়ায়ে, ইলিমান নিয়ায়ে, ইসমাইলা সার
দক্ষিণ আফ্রিকা-
গোলরক্ষক- রনওয়েন উইলিয়ামস, রিকার্ডো গস, সিফো শেইনে
ডিফেন্ডার- খুলিসো মুদাউ, ওলওয়েথু মাখানিয়া, ব্র্যাডলি ক্রস, অব্রি মোদিবা, থাবাং মাতুলুদি, নকোসিনাথি সিবিসি, খুলুমানি এনডামানে, আইমে ওকন, সামুকেলে কাবিনি, মবেকেজেলি এমবোকাজি, কামোগেলো সেবেলেবে
মিডফিল্ডার- তেবোহো মোকোয়েনা, জেইডেন অ্যাডামস, থালেন্তে এমবাথা, স্পেপেলো সিথোলি
ফরোয়ার্ড- ওসউইন অ্যাপোলিস, চেপাং মোরেমি, এভিডেন্স মাকগোপা, লাইল ফস্টার, ইকরাাম রায়নার্স, রিলেহবিলে মোফোকেং, থেম্বা জ্বানে, থাপেলো মাশেকো
স্পেন
গোলরক্ষক- উনাই সিমোন, ডেভিড রায়া, জোয়ান গার্সিয়া
ডিফেন্ডার- পেদ্রো পোরো, মার্কোস লরেন্তে, আয়মেরিক লাপোর্তে, পাউ কুবারসি, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো
মিডফিল্ডার- রদ্রি (রদ্রিগো হার্নান্দেজ), মার্টিন জুবিমেন্ডি, পেদ্রি গনসালেস, ফাবিয়ান রুইজ, মিকেল মেরিনো, পাবলো পায়েজ ‘গাভি’, আলেক্স বায়েনা
ফরোয়ার্ড- মিকেল ওয়ারিয়াবাল, লামিনে ইয়ামাল, ফেরান তোরেস, বোরহা ইগলেসিয়াস, দানি ওলমো, ভিক্টর মুনিয়োস, নিকো উইলিয়ামস, এরেমি পিনো
সুইডেন-
গোলরক্ষক- ভিক্টর ইয়োহানসন, গুস্তাফ লাগারবিয়েলকে, ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট, জ্যাকব জেটারস্ট্রম
ডিফেন্ডার- হ্যালমার একডাল, গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, ইসাক হিয়েন, ভিক্টর লিন্ডেলফ, এরিক স্মিথ, কার্ল স্টারফেল্ট, ড্যানিয়েল সুয়েনসন
মিডফিল্ডার- ইয়াসিন আয়ারি, লুকাস বের্গভাল, ইয়েসপার কার্লস্ট্রম, বেঞ্জামিন নাইগ্রেন, কেন সেমা, এলিয়ট স্ট্রাউড, ম্যাটিয়াস স্ভানবার্গ, বেসফর্ট জেনেলি
ফরোয়ার্ড- তাহা আলি, আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন, অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ভিক্টর গিয়োকেরেস, আলেকজান্ডার ইসাক, গুস্তাফ নিলসন
সুইজারল্যান্ড-
গোলরক্ষক- গ্রেগর কোবেল, মারভিন কেলার, ইয়ভঁ ম্ভোগো
ডিফেন্ডার- ম্যানুয়েল আকাঞ্জি, অরেল আমেন্ডা, এরায় কোর্মেট, নিকো এলভেদি, লুকা ইয়াকেজ, মিরো মুইহেম, রিকার্ডো রদ্রিগেজ, সিলভান উইডমার
মিডফিল্ডার- মিশেল আয়েবিশার, ক্রিশ্চিয়ান ফাসনাখট, রেমো ফ্রয়লার, সেড্রিক ইতেন, আরদন জাশারি, ফ্যাবিয়ান রাইডার, দ্যব্রিল সাও, গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া
ফরোয়ার্ড- জেকি আমদুনি, ব্রিল এমবলো, জোহান মানজাম্বি, ড্যান এনডয়ে, নোয়া ওকাফর, রুবেন ভারগাস
তিউনিশিয়া-
গোলরক্ষক- সাবরি বেন হাসান, আবদেলমউহিব চামাখ, আয়মান দাহমেনে
ডিফেন্ডার- আলি আবদি, মোহামেদ আমিন বেন হামিদা, আদেম আরৌস, ডিলান ব্রোন, রায়েদ চিকাহুই, মউতাজ নেফাতি, ওমর রেকিক, মন্তাসার তালবি, ইয়ান ভ্যালেরি
মিডফিল্ডার- মরতাদা বেন ওয়ানেস, আনিস বেন স্লিমান, ইসমাইল ঘারবি, রানি খেদিরা, হাদজ মাহমুদ, হানিবাল মেজব্রি, এলিয়েস স্কিরি
ফরোয়ার্ড- এলিয়াস আচৌরি, খলিল আয়ারি, ফিরাস শাওয়াত, রায়ান এল্লুমি, হাযেম মাস্তুরি, এলিয়াস সাদ, সেবাস্তিয়ান তৌনেকতি
তুর্কি-
গোলরক্ষক- আলতায় বাইয়িন্দির, এরসিন দেস্তানোউলু, মের্ত গুনক, মুহাম্মেদ শেংজের, উগুরচান চাকির
ডিফেন্ডার- আবদুলকেরিম বারদাকচি, আহমেতজান কাপলান, চাগলার সোয়ুনচু, এরেন এলমালি, ফেরদি কাদিওগ্লু, মেরিহ দেমিরাল, মের্ত মুলদুর, মুস্তাফা এস্কিহেল্লাচ, ওজান কাবাক, সামেত আকায়দিন, ইউসুফ আকচিচেক, জেকি চেলিক
মিডফিল্ডার- আতাকান কারাজোর, দেমির এজে তিকনাজ, হাকান চালহানওগ্লু, ইসমাইল ইউকশেক, কান আয়হান, ওরকুন কোকচু, সালিহ ওজকান
ফরোয়ার্ড- আরাল সিমসির, আর্দা গুলের, বারিশ আলপার ইলমাজ, ক্যান উজুন, ডেনিজ গুল, ইরফান কান কাহভেচি, কেনান ইয়িলদিজ, কেরেম আক্তুরকোগলু, ওগুজ আয়দিন, ইউনুস আকগুন, ইউসুফ সারি
উরুগুয়ে-
গোলরক্ষক- সান্তিয়াগো মেলে, ফার্নান্দো মুস্লেরা, সার্জিও রোচেত
ডিফেন্ডার- রোনাল্ড আরাউহো, সান্তিয়াগো বুয়েনো, সেবাস্তিয়ান কাসেরেস, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, মাতিয়াস অলিভেরা, জোয়াকিন পিকেরেজ, গুইয়ের্মো ভ্যারেলা, মাতিয়াস ভিনা
মিডফিল্ডার- ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, জর্জিয়ান দে আরাসকায়েতা, রদ্রিগো বেন্টানকুর, আগুস্তিন ক্যানোবিও, নিকোলাস দে লা ক্রুজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ফাকুন্দো পেলিস্ত্রি, ব্রায়ান রদ্রিগেজ, হুয়ান ম্যানুয়েল সানাব্রিয়া, ম্যানুয়েল উগার্তে, ফেদেরিকো ভালভার্দে, রদ্রিগো জালাজার
ফরোয়ার্ড- রদ্রিগো আগুইরে, ফেদেরিকো ভিনাস, ডারউইন নুনিয়েজ
যুক্তরাষ্ট্র-
গোলরক্ষক- ক্রিস ব্র্যাডি, ম্যাট ফ্রিস, ম্যাট টার্নার
ডিফেন্ডার- ম্যাক্স আর্ফস্টেন, সার্জিনো ডেস্ট, অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, মার্ক ম্যাকেঞ্জি, টিম রিম, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টোনি রবিনসন, মাইলস রবিনসন, জো স্ক্যালি, অস্টন ট্রাস্টি
মিডফিল্ডার- টাইলার অ্যাডামস, সেবাস্তিয়ান বেরহাল্টার, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, ক্রিশ্চিয়ান রোলদান, ব্রেন্ডেন অ্যারনসন, ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, জিও রেয়না, মালিক টিলম্যান, টিমোথি ওয়াহ, আলেহান্দ্রো জেনদেজাস
ফরোয়ার্ড- ফোলারিন বালোগুন, রিকার্ডো পেপি, হাজি রাইট
উজবেকিস্তান-
গোলরক্ষক- বোটিরালি এরগাশেভ, আব্দুভোহিদ নেমাতভ, উতকির ইউসুপভ
ডিফেন্ডার- আব্দুল্লাহ আব্দুল্লায়েভ, খোজিয়াকবার আলিজোনভ, রুস্তমজন আশুরমাতভ, উমারবেক এশমুরাদভ, বেখরুজ কারিমভ, আব্দুকোদির খুসানোভ, শেরজোদ নাসরুল্লায়েভ, উমারালি রাহমোনালিয়েভ, ফাররুখ সাইফিয়েভ, আভাজবেক উলমাসালিয়েভ, জাখোংগির উরোজভ, রুসলানবেক ইয়িয়ানোভ
মিডফিল্ডার- শেরজোদ এসানোভ, আজিজবেক গানিয়েভ, দোস্তনবেক হামদামভ, ওদিলজন হামরোবেকভ, জামশিদ ইসকান্দেরভ, জাশুর জালোলিদ্দিনভ, আকমাল মোজগোভয়, ওতাবেক শুকুরভ
ফরোয়ার্ড- আজিজবেক আমোনভ, আব্বাসবেক ফাইজুল্লায়েভ, জালোলিদ্দিন মাশারিপভ, এলদোর শোমুরোদভ, ইগর সের্গিয়েভ, শেরজোদ তেমিরভ, অস্টন উরুনভ
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অফ-স্পিনার নাঈম হাসানকে ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) পরিচয়ে মারধর ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১২ জুন) রাতে চট্টগ্রাম নগরীর লালখানবাজার ফ্লাইওভারের মুখে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
জানা গেছে, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ম্যাচ খেলে বিমানযোগে চট্টগ্রাম পৌঁছান নাঈম। বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাসায় ফেরার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে লালখানবাজার এলাকায় তার গতিরোধ করা হয়। নাঈম হাসানের অভিযোগ, সাদা পোশাকে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি ও পুলিশ সদস্যরা তাকে অটোরিকশা থেকে জোর করে নামিয়ে নিজেদের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করেন। তিনি নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, গলা টিপে ধরা এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
পরবর্তীতে তাকে খুলশী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ঘটনার পর চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে তিনি নিজ বাসায় অবস্থান করছেন।
ভুক্তভোগী নাঈম হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, "আমি পুলিশকে ব্যাগ তল্লাশি করার অনুমতি দিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই আমার গলা চেপে ধরা হয় এবং মারধর করা হয়। স্থানীয়রা আমাকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে পরিচয় দিলেও তারা শোনেনি।"
ঘটনার বিষয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, "আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। নাঈম হাসান অবশ্যই ন্যায়বিচার পাবেন। পুলিশ সদস্য যেই হোক না কেন, এ ধরনের আচরণে আমাদের 'জিরো টলারেন্স'। কারণ এর সঙ্গে পুলিশের ভাবমূর্তি জড়িত।" তিনি আরও জানান, চোরাচালান সংক্রান্ত একটি তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে গিয়েছিল, তবে পুরো প্রক্রিয়াটি আইনসম্মত ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারের ওপর এমন অমানবিক আচরণের ঘটনায় শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বিসিবি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "জাতীয় দলের একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ও অগ্রহণযোগ্য। বিসিবি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছে।"
বিসিবি আরও জানিয়েছে, তারা নাঈম হাসান ও তার পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানে চট্টগ্রাম প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
দেশের একজন কৃতি অ্যাথলেটের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন আচরণের খবর ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। অনেকেই এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় যৌথভাবে চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা নতুন করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে কানাডার উদ্বোধনী ম্যাচের আগে টরন্টো স্টেডিয়ামের কাছে এক দল বিক্ষোভকারী ইসরায়েলের সঙ্গে ফিফার সম্পর্কের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ব্যস্ততম গার্ডিনার এক্সপ্রেসওয়ের পাশে বিশ্বকাপের একটি আনুষ্ঠানিক লোগো সম্পূর্ণ ঢেকে দিয়ে সেখানে ‘ফিফা থেকে ইসরায়েলকে বের করে দাও’ লেখা একটি বিশাল ব্যানার ঝুলিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা।
এই বিক্ষোভ কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলনকারীরা ফিফার নেতৃত্বের কাছে একটি অত্যন্ত জোরালো ও সরাসরি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র ফয়সাল ইব্রাহিম ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের নৃশংস কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেন এবং ফিফাকে এতে পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার জন্য অভিযুক্ত করেন। তিনি জানান, অবৈধভাবে দখলকৃত পশ্চিম তীর ও সিরিয়ার ভূখণ্ডে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন নিয়মিত ম্যাচ আয়োজন করলেও ফিফা শুধু চোখ বন্ধ করেই রাখেনি, বরং সক্রিয়ভাবে সেসব ম্যাচ সম্প্রচারও করে যাচ্ছে। এছাড়া বিক্ষোভকারীদের আরেকটি অন্যতম দাবি ছিল ২০২৪ সালের শেষের দিকে গাজায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী কর্তৃক আটককৃত বিশিষ্ট ফিলিস্তিনি চিকিৎসক হুসাম আবু সাফিয়ার দ্রুত মুক্তি।
ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ববর্তী এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত মার্চ মাসে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা জানিয়েছিল, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে (পশ্চিম তীর) খেলা চালিয়ে যাওয়া ইসরায়েলি ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে তারা কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে না। আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে পশ্চিম তীরের অমীমাংসিত আইনি অবস্থার কথা উল্লেখ করে ফিফা তখন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে ফিফার এমন নিষ্ক্রিয় ভূমিকা আন্তর্জাতিক স্তরে ফুটবলপ্রেমী ও সাধারণ মানবাধিকার কর্মীদের আরও বেশি ক্ষুব্ধ করে তুলেছে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৭২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যার ফলে সেখানে মারাত্মক দুর্ভিক্ষ ও অমানবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরাও ইতিমধ্যেই ফিফা ও উয়েফার কাছে ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার আবেদন জানিয়েছেন। এমতাবস্থায়, চলমান বিশ্বকাপের মঞ্চকে কেন্দ্র করে টরন্টোর রাস্তায় এই বিক্ষোভ ফিফার ওপর ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নতুন আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করছে।
সহ-স্বাগতিক হিসেবে ঘরের মাঠে দারুণ জয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘ডি’-এর প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ফুটবলের প্রদর্শনী করে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে তারা। ফোলারিন বালোগানের জোড়া গোল, একটি আত্মঘাতী গোল এবং শেষ মুহূর্তে জিওভানি রেইনার দৃষ্টিনন্দন ফিনিশিংয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে টুর্নামেন্টে উড়ন্ত সূচনা করেছে প্রধান কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনোর শিষ্যরা।
সোফি স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখে স্বাগতিকেরা। খেলার মাত্র সপ্তম মিনিটেই সেই আধিপত্যের প্রতিফলন ঘটে, যখন ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিকের সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু-ওয়ান পাসিংয়ের পর ওয়েস্টন ম্যাককেনির কাটব্যাক ঠেকাতে গিয়ে বল নিজেদের জালে জড়িয়ে দেন প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার দামিয়ান বোবাদিয়া। এর মাধ্যমে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম আত্মঘাতী গোলের অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়েন তিনি। ম্যাচের ২৮ মিনিটে পুলিসিকের পাস থেকে বালোগান বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে ভিএআরে (VAR) তা বাতিল হয়। তবে তিন মিনিট পরেই অর্থাৎ ৩১তম মিনিটে পুলিসিকের রক্ষণচেরা পাস থেকে গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন বালোগান। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে (৪৫+৫ মিনিট) মালিক টিলম্যানের থ্রু-পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করে স্বাগতিকদের ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন বালোগান।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচে কিছুটা নাটকীয়তা তৈরি হয়। ৫০তম মিনিটে প্যারাগুয়ের ফরোয়ার্ড মিগুয়েল আলমিরনকে ফাউল করার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের অধিনায়ক টিম রিমকে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। তবে ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায়, কোনো স্পর্শ ছাড়াই আলমিরন ডাইভ দিয়েছিলেন; ফলে রিমের কার্ড বাতিল করে ডাইভিংয়ের দায়ে উল্টো আলমিরনকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়। ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে ব্যবধান কিছুটা কমায় প্যারাগুয়ে। গোলরক্ষকের লম্বা পাস থেকে শুরু হওয়া আক্রমণে এনসিসোর বাড়ানো বল ধরে বদলি খেলোয়াড় মাউরিসিও চমৎকার এক কোনাকুনি শটে গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন।
তবে ম্যাচে প্যারাগুয়ের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা বেশি দূর এগোতে দেয়নি স্বাগতিকেরা। ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে অতিরিক্ত সময়ে ফ্রিম্যানের নিখুঁত পাস থেকে ডি-বক্সের প্রান্তে বল নিয়ন্ত্রণে নেন জিওভানি রেইনা। এরপর দারুণ এক বাঁকানো শটে প্যারাগুয়ের জালে বল জড়িয়ে দলের ৪-১ গোলের বড় জয় নিশ্চিত করেন তিনি। ঘরের মাঠে অনবদ্য এই জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের শুরুতেই গ্রুপ পর্বের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করল পচেত্তিনোর দল।
পুরুষদের ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার আড়ালে বেশ নিভৃতেই শুরু হয়েছে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচেই রেকর্ড গড়া পারফরম্যান্সে বিশ্ব ক্রিকেটে শোরগোল ফেলে দিয়েছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড নারী দল। বার্মিংহামের ঐতিহ্যবাহী এজবাস্টন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত প্রথম ম্যাচে লঙ্কান মেয়েদের কোনো পাত্তাই দেয়নি ইংলিশরা। শ্রীলঙ্কা নারী দলের বিপক্ষে ১ উইকেটে ২১৯ রানের পাহাড় গড়ে ৮৭ রানের বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে আসরে শুভ সূচনা করেছে ইংল্যান্ড।
টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১ উইকেটে ২১৯ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে যেকোনো দলের জন্য সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের নতুন রেকর্ড। এর আগে ২০২৩ সালের আসরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ২১৩ রানের রেকর্ডটিও ছিল ইংলিশ মেয়েদের দখলে। আজ নিজেদের সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েছেন তারা। ইংল্যান্ডের এই রেকর্ড রান পাহাড়ের মূল কারিগর ছিলেন দুই ওপেনার অ্যামি জোন্স ও ড্যানি ওয়াট। জোন্স ৫৩ রান করে আউট হলেও, অন্যপ্রান্তে অপরাজিত ১০৫ রানের বিধ্বংসী এক সেঞ্চুরি ইনিংস খেলেন ম্যাচসেরা ড্যানি ওয়াট। এছাড়া অধিনায়ক নাটালি সিভার ৪৬ রানে অপরাজিত থেকে দলকে বড় পুঁজি এনে দিতে সহায়তা করেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে একমাত্র উইকেটটি নেন মাদারা।
রেকর্ড রান তাড়া করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় শ্রীলঙ্কা নারী দল। ইংলিশ বোলাদের নিয়ন্ত্রিত ও আক্রমণাত্মক বোলিংয়ের মুখে লঙ্কান ব্যাটাররা কোনো বড় জুটি গড়তে পারেননি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন নিলাকশিকা এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান আসে সামারাবিক্রমার ব্যাট থেকে। বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত ১৩২ রানেই অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করে মাত্র ২২ রান দিয়ে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন ফ্রেইয়া কেম্প। এছাড়া সোফি একলেস্টোন ও চার্লি ডিন দুটি করে উইকেট নিয়ে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন।
প্রথম ম্যাচেই ৮৭ রানের বিশাল জয় এবং টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড গড়ে ট্রফি জয়ের অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে নিজেদের প্রথম দিনেই প্রমাণ করেছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। ফুটবল বিশ্বকাপের মাতাল হাওয়ার মাঝেও ইংলিশ মেয়েদের এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রতি ক্রীড়াপ্রেমীদের নতুন করে আকর্ষিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ছক্কা মেরে বাংলাদেশের সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপরই হাসপাতালে যেতে হয়েছিল বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ককে। হাসপাতাল থেকে অবশ্য আজ শুক্রবার বাসায় ফিরেছেন মাথায় আঘাত পাওয়া মিরাজ। আর তাকে নিয়েই শেষ ওয়ানডের জন্য দল ঘোষণা করেছে বিসিবি।
গতকাল মাথায় আঘাত নিয়েই বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন মিরাজ। সতর্কতার স্বার্থে ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই হাসপাতালে পাঠানো হয় তাকে। দুইবার স্ক্যান করানো হলেও সেখানে খারাপ কিছু ধরা পড়েনি। ১২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে থাকার পর বাসায় ফিরেছেন মিরাজ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় দলের ম্যানেজার নাফিস ইকবাল।
বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘মিরাজ বাসায় ফিরেছে। ১২ ঘণ্টার মতো পর্যবেক্ষণে ছিল। তার মাথায় একটা বাউন্সারে আঘাত লেগেছিল, তারপর একটু বমি হয়। যেটা কিছুটা চিন্তার ছিল। এরপরও সে খেলা চালিয়ে যায়। খেলার পর দ্রুতই বিসিবির ডাক্তার, ফিজিওরা সিদ্ধান্ত নেন তাকে এভারকেয়ারে পাঠানো হবে।’
দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে ২-০ তে ঐতিহাসিক সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য তাদের।
তৃতীয় ওয়ানডের জন্য বাংলাদেশের দল-
মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, লিটন দাস, মোসাদ্দেক হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভির ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম এবং নাহিদ রানা।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বড় ধরনের ধাক্কা খেল পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য তারকা নেইমার জুনিয়রকে ছাড়াই প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামতে হচ্ছে সেলেসাওদের। পেশির চোট কাটিয়ে এখনও পুরোপুরি সুস্থ হতে না পারায় বাংলাদেশ সময় রবিবার ভোর ৪টার এই ম্যাচে নেইমারের খেলা হচ্ছে না। তবে স্বস্তির খবর হলো, বর্তমানে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার শেষ ধাপে থাকা নেইমার দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং আগামী সপ্তাহেই তাঁর দলীয় অনুশীলনে ফেরার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ব্রাজিলের অভিজ্ঞ কোচ কার্লো আনচেলত্তি নেইমারের মাঠে ফেরার গুরুত্ব এবং তাঁর অভিজ্ঞতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি জানান, নেইমার মাঠে ফেরার জন্য অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং ড্রেসিংরুম ও মাঠ—উভয় জায়গায় তাঁর অনস্বীকার্য কারিগরি দক্ষতা ও নেতৃত্ব দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে দারুণ ভূমিকা রাখবে। প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ মরক্কোকে নিয়ে বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন আনচেলত্তি। গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্টদের সমীহ করে তিনি বলেন, আধুনিক ফুটবলে কোনো দলকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই এবং মরক্কো প্রতিটি বিভাগেই মানসম্পন্ন খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত অত্যন্ত সুসংগঠিত একটি দল।
মরক্কোর শক্তিশালী রক্ষণভাগের বিপক্ষে কাঙ্ক্ষিত জয় পেতে ব্রাজিল তাদের সেট-পিস কৌশলের ওপর আলাদা গুরুত্ব আরোপ করেছে। কোচ আনচেলত্তি মনে করিয়ে দেন যে, আধুনিক ফুটবলের প্রায় ৩০ শতাংশ গোলই আসে সেট-পিস থেকে। ব্রাজিলের স্কোয়াডে নিখুঁত কর্নার নেওয়ার মতো স্পেশালিস্ট ও দক্ষ হেডার থাকার কারণে এই ম্যাচে সেই সুযোগটি সম্পূর্ণ কাজে লাগাতে চায় দল। এছাড়া মাঠের খেলায় ফুটবলারদের স্বাভাবিক ছন্দ ও গোল উদযাপনের চিরাচরিত নাচ নিয়েও নিজের ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন ব্রাজিলীয় কোচ।
বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চের চাপ ও ভয় সামলানো প্রসঙ্গে কিছুটা দার্শনিক ঢঙে কোচের বক্তব্য ছিল বেশ আশাব্যঞ্জক। তিনি মনে করেন, ভয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মানুষকে সতর্ক রাখতে সাহায্য করে এবং ম্যাচ নিয়ে মনে কিছুটা উদ্বেগ থাকা খেলোয়াড়দের মাঠে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে উদ্বুদ্ধ করে। তাছাড়া, এবারের টুর্নামেন্টে স্পেনকে অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার মনে করলেও কোনো একক দলকে ফেবারিট মানতে নারাজ এই ইতালিয়ান কোচ। তাঁর মতে, এবারের আসরটি হবে অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ, যেখানে অনেক দলেরই শেষ পর্যন্ত লড়াই করার এবং শিরোপা জেতার সমান সুযোগ রয়েছে।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের প্রথম হোম ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছেড়েছে টুর্নামেন্টের অন্যতম সহ-আয়োজক কানাডা। টরন্টোর স্টেডিয়ামে হাজার হাজার চেনা দর্শকের উপস্থিতিতে জয় দিয়ে মাঠ রাঙাতে না পারলেও, প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পর চমৎকার এক প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখেছে স্বাগতিকেরা। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার হয়ে জোভো লুকিচ প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে নিলেও, শেষ দিকে কাইল লারিনের গোলে ১-১ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে জেসি মার্শের দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ ও বল দখলের লড়াইয়ে কানাডা স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে ছিল, তবে ট্যাকটিক্যাল কাউন্টার অ্যাটাকে কানাডিয়ান ডিফেন্সকে বেশ ভালোই ব্যস্ত রেখেছিল বসনিয়ার ফরোয়ার্ডরা। খেলার ১৭তম মিনিটে কানাডার তারকা ফরোয়ার্ড জোনাথান ডেভিডের একটি সহজ সুযোগ মিসের খেসারত দিতে হয় স্বাগতিকদের। এর ঠিক তিন মিনিট পর অর্থাৎ ২১তম মিনিটে বসনিয়ার একটি নিচু ও নিখুঁত কর্নার কিক থেকে বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হয় কানাডার রক্ষণভাগ। সেই সুযোগে ওত পেতে থাকা ফরোয়ার্ড জোভো লুকিচ নিখুঁত হেডে বল জালে জড়িয়ে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন এবং ১-০-তে দলকে বিরতিতে নিয়ে যান।
এক গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে অল-আউট অ্যাটাকে যায় কানাডা। বিশেষ করে ম্যাচের গতি ও আক্রমণের ধার বাড়াতে ৬০তম মিনিটে কোচ জেসি মার্শ আক্রমণভাগে একাধিক কৌশলগত পরিবর্তন আনেন। অবশেষে ম্যাচের কাঙ্ক্ষিত ৭৭তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত; ডি-বক্সের ভেতর দারুণ এক আক্রমণ থেকে বল পান বদলি হিসেবে মাঠে নামা ফরোয়ার্ড কাইল লারিন। বসনিয়ার ডিফেন্ডারদের পরাস্ত করে নিখুঁত এক কোনাকুনি শটে বল প্রতিপক্ষের জালে জড়িয়ে দিতে ভুল করেননি তিনি, যা পুরো টরন্টো স্টেডিয়ামকে উল্লাসে ভাসিয়ে দেয়।
ম্যাচে ১-১ সমতা ফেরার পর শেষ দিকে জয়সূচক গোলের জন্য দুই দলই বেশ কয়েকটি তীব্র আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ চালায়। তবে শেষ মূহূর্তে বসনিয়ার রক্ষণভাগ এবং কানাডার গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় আর কোনো গোল হয়নি। ফলে গ্রুপ ‘বি’র এই গুরুত্বপূর্ণ প্রথম লড়াইয়ে ১-১ গোলের সমতা ও পয়েন্ট ভাগাভাগির মধ্য দিয়েই বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচ শেষ করে দুই দল।
আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের ঠিক আগমুহূর্তে বড় ধরনের দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। দলটির আস্থার অন্যতম স্তম্ভ, গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস আঙুলের চোট সারিয়ে এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় চিকিৎসকরা তাকে মাঠে নামার জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত বলে ছাড়পত্র দিয়েছেন।
গত কয়েক দিন ধরে এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষকের চোট নিয়ে আলবিসেলেস্তে শিবিরে এক ধরনের উৎকণ্ঠা বিরাজ করছিল। তবে চিকিৎসকদের ইতিবাচক বার্তার পর সেই শঙ্কার মেঘ কেটে গেছে। দলের চিকিৎসকদের পক্ষ থেকেও তাকে ম্যাচ খেলার সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে।
আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ৩৩ বছর বয়সী এই অতন্দ্র প্রহরী প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত সময়ের মধ্যে চোট কাটিয়ে উঠেছেন। ফলে বিশ্বমঞ্চের শুরু থেকেই তাকে শুরুর একাদশে পাওয়ার বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী কোচ লিওনেল স্কালোনি ও তার সহকারীরা।
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ে মার্তিনেসের অবদান ছিল অনস্বীকার্য। বিশেষ করে নকআউট পর্বের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তার অতিমানবীয় সেভ এবং টাইব্রেকারের নৈপুণ্য দলকে ট্রফি জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচে শেষ মুহূর্তের সেই অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্স ফুটবল ইতিহাসে আজও অমলিন।
বিশ্বকাপের মতো মেগা আসরের আগে মার্তিনেসের সুস্থতা আর্জেন্টাইন শিবিরে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। গোলপোস্টের নিচে প্রধান ভরসাকে ফিরে পাওয়ায় স্কালোনির দল এখন অনেকটাই নির্ভার হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিতে পারছে।
বিশ্বকাপের মূল লড়াই শুরু হওয়ার আগেই বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে মরক্কো শিবির। চোটের কারণে নিজেদের স্কোয়াডে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়েছে উত্তর আফ্রিকার দলটি। দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য উইঙ্গার আবদে এজালজুলি এবং রক্ষণভাগের অতন্দ্র প্রহরী নায়েফ অগার্ড ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন।
রিয়াল বেটিসের ফরোয়ার্ড এজালজুলি গত সপ্তাহে নরওয়ের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে অংশ নিতে গিয়ে হাঁটুর চোটে পড়েন। ফিফার হালনাগাদ করা খেলোয়াড় তালিকা অনুযায়ী, তার পরিবর্তে মরক্কো দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এ্যাঙ্গার্সের ফুটবলার আমিনে সাবাইকে।
অন্যদিকে, মার্সেইর সেন্টার-ব্যাক নায়েফ অগার্ডের ঊরুর অস্ত্রোপচার হয়েছিল গত মার্চ মাসে, এরপর থেকে তিনি আর প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে ফিরতে পারেননি। আসন্ন আসরে তাকে নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি না নিতেই এই ডিফেন্ডারকে স্কোয়াডের বাইরে রেখেছে মরক্কো। অগার্ডের শূন্যস্থান পূরণে দলে ডাক পেয়েছেন মারওয়ানে সাদানে।
দলের এই পরিবর্তন নিয়ে মরক্কোর টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া না গেলেও, অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি তার দুই সতীর্থের ছিটকে যাওয়ার ঘটনায় আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পিএসজি তারকা হাকিমি লিখেছেন, ‘ফুটবল অনেক সময় নিষ্ঠুর হতে পারে। প্রথম দিন থেকে তুমি দলকে যা দিয়েছো তার জন্য ধন্যবাদ। আমরা সবাই তোমাদের জন্য লড়াই করবো। আমরা তোমাদের ভালোবাসি।’
আগামী শনিবার দিবাগত রাতে নিউ জার্সিতে গ্রুপ-সি’র হাইভোল্টেজ ম্যাচে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে মরক্কো।
চলমান ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের অন্তিম রাউন্ডের লড়াই শুক্রবার মাঠে গড়িয়েছিল। শিরোপার দৌড়ে টিকে ছিল তিনটি শক্তিশালী দল, যেখানে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সমীকরণ ছিল বেশ কঠিন। শিরোপা জিততে তাদের নিজেদের জয়ের পাশাপাশি প্রয়োজন ছিল প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের পরাজয়। বৃষ্টির বাগড়া দেওয়া দিনে নাটকীয়ভাবে নিজেদের ম্যাচে জয় তুলে নেয় মোহামেডান, আর অন্যদিকে হেরে যায় প্রাইম ব্যাংক।
এই জয়ের মাধ্যমে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় অর্থাৎ ১৬ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করল মোহামেডান। দেশের ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবটি এর আগে সর্বশেষ ২০০৯-১০ মৌসুমে শিরোপার স্বাদ পেয়েছিল। সব মিলিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটের এই মর্যাদাপূর্ণ আসরে এটি তাদের দশম শিরোপা জয়।
বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে লিগের শেষ দিনে আবাহনী লিমিটেডের মুখোমুখি হয়ে নির্ধারিত ওভারে ৪০৬ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ গড়ে মোহামেডান। জবাবে আবাহনী ২৪.৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান সংগ্রহ করার পর বজ্রপাত ও প্রবল বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি আর চালানো সম্ভব হয়নি। এমতাবস্থায় ডাকওয়ার্থ লুইস স্টার্ন পদ্ধতিতে মোহামেডানকে ৬৩ রানে জয়ী ঘোষণা করেন ম্যাচ কর্মকর্তারা।
একই সময়ে পাশের মাঠে ঢাকা লেপার্ডসের বিপক্ষে লড়াইয়ে নামে শিরোপাপ্রত্যাশী অন্য দল প্রাইম ব্যাংক। তারা প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৬৬ রান সংগ্রহ করে। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লেপার্ডস ২৯.১ ওভারে ৩ উইকেটে ১৪২ রান তোলার পর আবহাওয়া প্রতিকূল হয়ে পড়লে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় অপেক্ষার পর ডাকওয়ার্থ লুইস স্টার্ন পদ্ধতিতে লেপার্ডসকে ৮ রানে জয়ী ঘোষণা করা হয়।
লিগের ১১টি ম্যাচ শেষে ৯টি জয়ে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থেকে শিরোপা নিশ্চিত করে মোহামেডান। অন্যদিকে সমান ৮টি করে জয় নিয়ে ১৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করে আবাহনী ও প্রাইম ব্যাংক। তবে মুখোমুখি লড়াইয়ের (হেড টু হেড) সমীকরণে এগিয়ে থাকায় রানার্স-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে আবাহনী।
দলের এই ঐতিহাসিক সাফল্যে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন্য জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকা অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় নিজের আবেগ সংবরণ করতে পারেননি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘১৬ বছর পর!! হ্যাঁ, দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন হলো মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। আমার খুব ইচ্ছে ছিল এখন দলের সঙ্গে থাকার। আমি ওদের খুব মিস করছি, মিস করছি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার উদযাপন আর অবশ্যই মিস করছি ট্রফিটা। দলের অধিনায়ক হিসেবে আমি ওদের জন্য অত্যন্ত গর্বিত, ওদের জন্য অনেক আনন্দিত এবং আনন্দের এই মুহূর্তে আমিও দূর থেকে ওদের সাথেই চোখে জল ফেলছি। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সকল ভক্ত-সমর্থকদের অনেক অনেক অভিনন্দন.. ।‘
এদিকে ক্লাবের এই অনন্য অর্জনে মোহামেডান তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পেজে এক বার্তায় জানিয়েছে, ‘অত্যন্ত আনন্দ ও উল্লাসের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের ২০২৫-২০২৬ সিজনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী লিমিটেডকে পরাজিত করে একটি গৌরবময় চ্যাম্পিয়নশিপ জয় অর্জন করেছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড। এই অসাধারণ সাফল্যের জন্য খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট পরিচালক, কর্মকর্তা, সমর্থক ও সম্মানিত সদস্যদের প্রতি রইল আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা।’
বিশ্বকাপের মঞ্চে সর্বাধিকবার অংশ নিয়ে ইতিহাস গড়ার চেয়ে নিজ দেশ ব্রাজিলকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করাকেই বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছেন দলটির অতন্দ্র প্রহরী অ্যালিসন বেকার। নিজের ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ অভিযানে নামার আগে এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক স্পষ্ট করেছেন যে, ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে ট্রফিজয়ী দলের অংশ হওয়াটাই তার কাছে বড় স্বপ্ন।
এক সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ও সেলেসাওদের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন লিভারপুলের এই ৩৩ বছর বয়সী তারকা। যেখানে তিনি ব্রাজিলের বর্তমান অবস্থা ও লক্ষ্য নিয়ে আলোকপাত করেন।
চলমান বিশ্বকাপ নিয়ে করা বিভিন্ন জরিপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স কিংবা স্পেন ও আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে রাখা হলেও ব্রাজিলকে নিয়ে আলোচনা কিছুটা স্তিমিত। এই বিষয়টি নিয়ে অ্যালিসন বলেন, ফেভারিট হিসেবে বিবেচিত হওয়া কোনো নিশ্চয়তা নয়। বরং এটি দলের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। আসল বিষয় হলো, প্রথম ম্যাচের সময় আপনি কতটা প্রস্তুত। আমরা প্রস্তুত।
চোটের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে মাঠের বাইরে থাকলেও বিশ্বকাপের আগে নিজেকে সম্পূর্ণ ফিট দাবি করেছেন এই গোলরক্ষক। আগামী ১৪ জুন নিউজার্সির মাঠে মরক্কোর মুখোমুখি হওয়ার মাধ্যমে নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে পাঁচবারের বিশ্বসেরারা।
ব্রাজিলের গোলরক্ষক হিসেবে তিনটি বা তার বেশি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে রেকর্ডের পাতায় নাম লেখানোর হাতছানি রয়েছে তার সামনে। তবে রেকর্ড নিয়ে নির্লিপ্ত অ্যালিসন তার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমি বরং আরেকটি বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হতে চাই।’
বাছাইপর্বের বন্ধুর পথ পাড়ি দেওয়ার অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেন তিনি। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের পয়েন্ট তালিকায় পঞ্চম স্থানে থেকে মূল পর্বের টিকিট নিশ্চিত করা ব্রাজিল বর্তমানে ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে নতুন উদ্দীপনায় খেলছে। কোচের প্রশংসা করে অ্যালিসন জানান, শেষ বাছাইপর্ব আমাদের জন্য কঠিন ছিল। কিন্তু আনচেলত্তি আসার পরে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। তার উপস্থিতি দলকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে।
আসন্ন টুর্নামেন্টে রক্ষণভাগকে আরও সুসংহত করতে কোচ আনচেলত্তি বিশেষ কাজ করছেন বলে জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে অ্যালিসন বলেন, কিছু গোল আমরা এড়াতে পারতাম। এসব বিষয় নিয়েই কাজ করছি। বিশ্বকাপ ছোট পরিসরের টুর্নামেন্ট। আমরা জানি, আমাদের দলে এমন মানের খেলোয়াড় রয়েছে যারা সুযোগ তৈরি করতে এবং গোল করতে সক্ষম।
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসের সফলতম ব্যাটার কেন উইলিয়ামসন ১৬ বছরের এক দীর্ঘ ও গৌরবময় পথচলার ইতি টেনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। কিউইদের হয়ে সর্বাধিক রানের মালিক হিসেবেই তিনি তার ক্যারিয়ারের পরিসমাপ্তি ঘটালেন।
৩৫ বছর বয়সী এই তারকা ক্রিকেটার নিউজিল্যান্ডের জার্সিতে সর্বমোট ৩৭৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নেমেছেন। তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৯,৩৪৬ রান, যার মধ্যে ৪৮টি সেঞ্চুরি এবং ৬টি ডাবল সেঞ্চুরি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মাঠে ব্যাটের জাদুই নয়, দল পরিচালনায়ও উইলিয়ামসন ছিলেন অবিস্মরণীয়। ২০১৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের তিন ফরম্যাটের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে কিউইরা দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনাল ও তিনটি সেমিফাইনাল খেলার পাশাপাশি ২০২১ সালে প্রথম আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করে।
বিদায়বেলায় উইলিয়ামসন জানান, ‘আমি বিষয়টি নিয়ে অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম। গত কয়েক দিনে পরিষ্কার হয়ে গেছে যে এখনই সরে দাঁড়ানোর সঠিক সময়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রতি আমার সবসময়ই প্রবল আবেগ ও ক্ষুধা ছিল। নিউজিল্যান্ডের হয়ে প্রতিটি ম্যাচে আমি আমার সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’
তিনি ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বলেন, ‘আমি সৌভাগ্যবান যে নিজের শর্তেই বিদায় নিতে পারছি। এই দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি আশাবাদী। এখানে অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার রয়েছে এবং তারা বিশেষ কিছু অর্জনের জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
ব্ল্যাকক্যাপসদের প্রধান কোচ রব ওয়াল্টার তার বিদায়ে স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘কেন (উইলিয়ামসন) শুধু একজন অসাধারণ ক্রিকেটারই নন, তিনি একজন অসাধারণ মানুষও। তার পরিসংখ্যানই তার দক্ষতার প্রমাণ দেয়, তবে দলের সংস্কৃতি ও মানদণ্ড গড়ে তুলতে তার অবদানই হবে তার প্রকৃত উত্তরাধিকার।’
উইলিয়ামসনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে নিউজিল্যান্ডের কিংবদন্তি স্যার রিচার্ড হ্যাডলি মন্তব্য করেন, ‘তিনি ছিলেন একজন দুর্দান্ত খেলোয়াড় ও অনুকরণীয় নেতা। নিজের খেলাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে তিনি সবসময় কঠোর পরিশ্রম করেছেন। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের অনেক স্মরণীয় মুহূর্তের অন্যতম স্থপতি তিনি।’
ব্যক্তিগত অর্জনের খাতায় উইলিয়ামসন ২০১৫ সালে আইসিসি ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার এবং ২০১৯ সালে আইসিসি টেস্ট ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়াও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সম্মানজনক পদক ‘স্যার রিচার্ড হ্যাডলি মেডেল’ তিনি রেকর্ড চারবার নিজের করে নিয়েছেন।
অবসরের এই সিদ্ধান্তের ফলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলমান টেস্ট সিরিজে উইলিয়ামসনকে আর খেলতে দেখা যাবে না। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড শিগগিরই তার স্থলাভিষিক্ত খেলোয়াড়ের নাম প্রকাশ করবে।
ব্রাজিল ফুটবলের সোনালি যুগের অবসান ঘটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম নায়ক ব্রিতো। মৃত্যুকালে এই কিংবদন্তি ডিফেন্ডারের বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) এক বিবৃতির মাধ্যমে এই মহান ফুটবলারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ব্রাজিলের রক্ষণভাগের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত ব্রিতো ১৯৬৪ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে ৬১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। তিনি ১৯৬৬ এবং ১৯৭০—টানা দুটি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করেন। বিশেষ করে ১৯৭০ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে উইলসন পিয়াজার সঙ্গে মিলে তিনি গড়ে তুলেছিলেন এক দুর্ভেদ্য রক্ষণভাগ, যা ব্রাজিলকে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বসেরার মুকুট জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশ্বকাপ ছাড়াও জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ১৯৭১ সালে কোপা রোকা এবং ১৯৭২ সালে তাসা ইন্ডিপেনদেন্সিয়া শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছেন তিনি।
ব্রিতোর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সিবিএফ সভাপতি সামির জাউদ। শোকবার্তায় তিনি বলেন, “ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম সেরা রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে ব্রিতো আমাদের ছেড়ে গেলেন। ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপ জয়ে তার অবদান ফুটবল বিশ্ব চিরকাল কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ রাখবে। তার লড়াকু মানসিকতা ও নিবেদন নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের জন্য আজীবন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।”
ব্রাজিল ফুটবলের এক গৌরবময় অধ্যায়ের সাক্ষী ছিলেন ব্রিতো। তার প্রয়াণে বিশ্ব ফুটবল অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তার ফুটবলীয় দক্ষতা ও বীরত্বের কথা স্মরণে রাখবে।