বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ইংল্যান্ড লায়ন্সের প্রধান কোচ হলেন জনাথন ট্রট

ছবি: সংগৃহীত
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:০৩

ইংল্যান্ডের ‘এ’ দলখ্যাত ইংল্যান্ড লায়ন্সের প্রধান কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক ইংলিশ ব্যাটার জনাথন ট্রট। সাবেক অলরাউন্ডার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ পদটি ছেড়ে দেওয়ার পর এবার তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন ৪৫ বছর বয়সী ট্রট। এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ইংল্যান্ড লায়ন্সের সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছিলেন তিনি। তাঁর তত্ত্বাবধানে ওই সিরিজে ২-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে লায়ন্স, যার সুবাদে এবার দীর্ঘমেয়াদে দলটির স্থায়ী প্রধান কোচ হিসেবে তাঁর ওপর আস্থা রাখল ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রধান কোচ হিসেবে ট্রটের অতীত অভিজ্ঞতা বেশ সমৃদ্ধ। ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ট্রটের দিকনির্দেশনাতেই ২০২৪ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়ে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে খেলার ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করেছিল আফগানরা। এ ছাড়া ইতিপূর্বে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের কোচিং স্টাফ হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর এবং চলতি বছরের জুলাই মাসে আয়ারল্যান্ড দলের সঙ্গেও স্বল্পমেয়াদে পরামর্শক হিসেবে যুক্ত ছিলেন তিনি।

খেলোয়াড়ি জীবনে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য টপ-অর্ডার ব্যাটার ছিলেন জনাথন ট্রট। জাতীয় দলের জার্সিতে ৫২টি টেস্ট এবং ৭৫টি সাদা বলের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক তিনবারের অ্যাশেজজয়ী দলের সদস্য ট্রট এবার ‘এ’ দলের দায়িত্ব নিয়ে প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জন্য তৈরি করার বড় চ্যালেঞ্জ সামলাবেন।

প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরই বেশ ব্যস্ত শীতকালীন সূচি পার করতে হবে ট্রটকে। ইংল্যান্ড লায়ন্সের আসন্ন সূচিতে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কা সফর। আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে সীমিত ওভারের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে লায়ন্স। এরপর ২৫ নভেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ওয়ানডে ও প্রথম শ্রেণির ম্যাচে অংশ নেবে দলটি। সবশেষে ২০২৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা সফরের মধ্য দিয়ে তাদের এই ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সফর শেষ হবে।


নির্বাচিত

ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে এমবাপ্পেকে এগিয়ে রাখলেন ওয়েন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২০
ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পেকে অন্যতম শীর্ষ দাবিদার হিসেবে দেখছেন ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার মাইকেল ওয়েন। ২০০১ সালে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারজয়ী ওয়েনের মতে, স্প্যানিশ লা লিগা ও ফিফা বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার সুবাদে এবারের ব্যালন ডি’অর এমবাপ্পের হাতে ওঠার উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘গেট ফ্রেঞ্চ ফুটবল নিউজ’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ওয়েন সরাসরি মন্তব্য করেন যে, এবারের ট্রফিটি জয়ের ক্ষেত্রে এমবাপ্পের বেশ বড় সুযোগ রয়েছে।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলা মৌসুমে ৪০টি গোল করা এবং বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের প্রসঙ্গ টেনে এমবাপ্পের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন ওয়েন। তিনি উল্লেখ করেন, একই মৌসুমে লা লিগা ও বিশ্বকাপের মতো বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দুই আসরে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার অবিশ্বাস্য কীর্তি কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এমন ব্যক্তিগত সাফল্যের কারণে পুরস্কার প্রদানকারী বিচারক ও ফুটবলবোদ্ধাদের অবশ্যই এমবাপ্পের নাম অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

তবে ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের পাশাপাশি এমবাপ্পের অর্জনের পথে বড় বাধার দিকটিও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন ওয়েন। সাবেক এই ইংলিশ তারকার মতে, একটি বিশ্বকাপ চলাকালীন বছরে বড় কোনো দলগত শিরোপা জিততে না পারা এমবাপ্পের বিরুদ্ধে বড় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হতে না পারা এবং ক্লাবের হয়ে লা লিগা কিংবা উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফি উঁচিয়ে ধরতে ব্যর্থ হওয়া ভোটের ক্ষেত্রে ঘাটতি তৈরি করতে পারে। তবে দলগত সাফল্য হাতছাড়া হলেও এমবাপ্পের ব্যক্তিগত ব্যক্তিগত নজির তাঁকে এই পুরস্কারের বড় দাবিদারদের কাতারেই রাখবে।

২০০১ সালে নিজের ব্যালন ডি’অর জয়ের স্মৃতিচারণ করে মাইকেল ওয়েন উল্লেখ করেন, ফুটবলের সর্বোচ্চ এই ব্যক্তিগত সম্মাননা ঘরে তুলতে গেলে কেবল ব্যক্তিগত নৈপুণ্যই যথেষ্ট নয়, এর সঙ্গে দলগত সাফল্যের সংযোগও অনস্বীকার্য। তাঁর মতে, কোনো ফুটবলারের জন্য ব্যালন ডি’অর জেতার মতো বিরল মুহূর্ত আসতে হলে মাঠের পারফরম্যান্স ও পরিস্থিতি—সবকিছুর এক অদ্ভুত সমন্বয় থাকতে হয়। দলগত শিরোপার খরা সত্ত্বেও অসাধারণ গোলবন্যার কারণে এমবাপ্পে এই লড়াইয়ের কেন্দ্রে থাকবেন বলে মনে করেন তিনি।


নির্বাচিত

ভারতের বিপক্ষে লড়াই করে ২ রানে হারল জাপান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারতকে প্রায় স্তব্ধ করে দিয়েছিল আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ের ৪১তম দল জাপান। মঙ্গলবার জাপানের সানোতে বৃষ্টির কারণে ৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে অঘটনের একেবারে দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত মাত্র ২ রানে হেরেছে স্বাগতিকেরা। র‍্যাঙ্কিংয়ের দুইয়ে থাকা প্রথম সারির ভারতীয় দলকে মাত্র ৩২ রানে আটকে দেওয়ার পর লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩০ রান তুলতে সক্ষম হয় জাপানিরা।

বৃষ্টির কারণে দীর্ঘ সময় নষ্ট হওয়ায় ম্যাচের দৈর্ঘ্য নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কমিয়ে প্রতি দলের জন্য ৫ ওভারে নামিয়ে আনা হয়। টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত, তবে ব্যাটিংয়ে নেমে চরম বিপর্যয়ে পড়ে দলটি। ভারতীয় ইনিংসের শুরুতে গোল্ডেন ডাকের শিকার হন ওপেনার অভিষেক শর্মা এবং অন্য প্রান্তে থাকা ইশান কিশানও ৬ বলে মাত্র ৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন। সাঞ্জু স্যামসন একটি চারের সাহায্যে ৯ রান করলেও বাকিদের ব্যর্থতার দিনে একমাত্র অভিজ্ঞ ব্যাটার শ্রেয়াস আইয়ার দুই অঙ্কের কোটায় পৌঁছান। তাঁর ১২ বলে করা ১৬ রানের ইনিংসে ভর করেই নির্ধারিত ৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩২ রানের সংগ্রহ পায় ভারত।

জবাবে ৩৩ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ৭ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে জাপান। ওপেনার ইয়ামামুতু-লা দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর তিনে নামা ইব্রাহিম এক বাউন্ডারিতে ৪ রান করে আউট হন। তবে এরপরই দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন কাদাওকি-ফ্লেমিং এবং ইটু-ডেভিস। তাঁদের কার্যকর জুটিতে একপর্যায়ে ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অঘটনের স্পষ্ট সম্ভাবনা জেগে ওঠে এবং ম্যাচটি রূপ নেয় চরম রোমাঞ্চে।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য জাপানের প্রয়োজন ছিল ৮ রান। কিন্তু ভারতীয় বোলারদের নিখুঁত বোলিংয়ের মুখে সেই সমীকরণ মেলাতে পারেনি তারা। শেষ পর্যন্ত কাদাওকি-ফ্লেমিং ১২ বলে ১২ রান করে আউট হলেও ইটু-ডেভিস ৮ বলে ৯ রানে অপরাজিত থাকেন। মাত্র ২ রানের ব্যবধানে পরাজিত হলেও শক্তিশালী ভারতকে শেষ বল পর্যন্ত কাঁপিয়ে দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে জাপান।


নির্বাচিত

ডেনমার্কের সঙ্গে ড্র করল বাংলাদেশ দাবা দল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

উজবেকিস্তানের ঐতিহাসিক সমরখন্দ শহরে চলমান ৪৬তম ফিদে দাবা অলিম্পিয়াডের পঞ্চম রাউন্ডে দুর্দান্ত লড়াই উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ। ওপেন বিভাগে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ডেনমার্কের সঙ্গে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ২-২ গেম পয়েন্টে ড্র করেছে লাল-সবুজের দল। দলের পক্ষে প্রবীণ গ্র্যান্ড মাস্টার নিয়াজ মোরশেদ দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে ডেনমার্কের আন্তর্জাতিক মাস্টার ওলসেন ফিলিপ বোয়েকে পরাজিত করেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক মাস্টার মনন রেজা নীড় ডেনমার্কের গ্র্যান্ড মাস্টার থিবো জেসপার সন্ডারগার্ডের সঙ্গে এবং ফিদে মাস্টার তাহসিন তাজওয়ার জিয়া প্রতিপক্ষের গ্র্যান্ড মাস্টার অ্যান্ডারসেন ম্যাডসের সঙ্গে ড্র করে পয়েন্ট ভাগাভাগি নিশ্চিত করেন; তবে অপর ম্যাচে ডেনিশ গ্র্যান্ড মাস্টার বিয়েরে জোনাস বুলের কাছে হেরে যান বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মাস্টার মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান।

একই রাউন্ডের খেলায় নারীদের বিভাগেও দারুণ সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। পঞ্চম রাউন্ডে হন্ডুরাস নারী দলকে ৩-১ গেম পয়েন্টের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে বাংলাদেশের নারী দাবাড়ুরা। দলের পক্ষে মহিলা আন্তর্জাতিক মাস্টার ওয়াদিফা আহমেদ প্রতিপক্ষের মহিলা ফিদে মাস্টার টোরেস হার্নান্দেজ লেসলি ক্যারোলিনকে হারান। অন্য দুই ম্যাচে মহিলা ফিদে মাস্টার নোশিন আঞ্জুম জয়ী হন প্রতিপক্ষের মহিলা ফিদে মাস্টার ভিয়েনা ভ্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে এবং মহিলা ক্যান্ডিডেট মাস্টার নুশরাত জাহান আলো পরাজিত করেন হন্ডুরাসের মহিলা ক্যান্ডিডেট মাস্টার বোবাদিয়া দিয়ানাকে। তবে লাল-সবুজের প্রতিনিধি মহিলা ক্যান্ডিডেট মাস্টার ওয়ালিজা আহমেদ প্রতিপক্ষ মেহিয়া কামিলার কাছে ম্যাচটিতে পরাজিত হন।

আসরের প্রথম পাঁচ রাউন্ড শেষে বাংলাদেশের পুরুষ ও নারী উভয় দলই ভালো অবস্থানে রয়েছে। ওপেন বিভাগে পাঁচ ম্যাচে ছয় পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ দল। অন্যদিকে সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে নারীদের বিভাগেও ছয় পয়েন্ট অর্জন করে নিজেদের অবস্থান সংহত রেখেছে বাংলাদেশ নারী দল।

আন্তর্জাতিক এই শীর্ষ ক্রীড়াযজ্ঞে দলগুলোর পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে এসেছে দেশের আর্থিক খাত। ব্যাংকটির করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচীর আওতায় সমরখন্দে অনুষ্ঠিত এই বৈশ্বিক আসরে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ ওপেন ও নারী দলকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)।


নির্বাচিত

পাকিস্তানের কাছে হেরে ব্রোঞ্জ হাতছাড়া টাইগ্রেসদের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেটে ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে পাকিস্তানের কাছে ৩১ রানে হেরে পদক হাতছাড়া করেছে বাংলাদেশ। জাপানের নাগোয়ার কারোগি স্পোর্টস পার্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের হতাশ করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানে থেমে যায় নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। গত হাংজু এশিয়ান গেমসে এই পাকিস্তানকেই হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতেছিল বাংলাদেশ। তবে সাম্প্রতিক নারী এশিয়া কাপের ব্যর্থতার ধারা অব্যাহত রেখে এবার খালি হাতেই টুর্নামেন্ট শেষ করতে হলো লাল-সবুজের মেয়েদের।

বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার সুবাদে চীনকে পেছনে ফেলে সেমিফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ দল। এরপর ভারতের কাছে ১১৪ রানের বড় ব্যবধানে হেরে ব্রোঞ্জ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয় তারা। আধুনিক টি-টোয়েন্টির বিচারে পাকিস্তানের দেওয়া ১৪৬ রানের লক্ষ্য খুব বড় ছিল না। মাত্র দুই দিন আগেই এই মাঠে পাকিস্তানের ১৭০ রানের বেশি তাড়া করে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা এবং এখানেই আসরের প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন ভারতের শেফালি ভার্মা। তবে অন্য দলগুলোর তুলনায় বাংলাদেশি ব্যাটারদের ব্যর্থতার ধারা এই ম্যাচেও অব্যাহত থাকে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ২০ রানেই প্রথম তিন ব্যাটারকে হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ভুল শট নির্বাচনে উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার পর অধিনায়ক জ্যোতি ও শারমিন আক্তার সুপ্তা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তাঁদের জুটিতে ৪৭ রান এলেও ওভারপ্রতি প্রয়োজনীয় রানের চাপ ক্রমাগত বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত বড় শট খেলতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে জ্যোতি ফিরে গেলে দলের জয়ের আশা কার্যত শেষ হয়ে যায়। এরপর সুপ্তা এক প্রান্ত আগলে রাখলেও বাকি ব্যাটাররা ছিলেন আসা-যাওয়ার মিছিলে। বল হাতে ৪ ওভারে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারে ধস নামান পাকিস্তানি স্পিনার উম্মে হানি।

ম্যাচটিতে দুই দলের ফিল্ডিং বড় ব্যবধান গড়ে দিয়েছিল। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ফাতিমা সানা ইনিংসের শুরুতেই একটি সহজ ক্যাচ তুলে দিলেও তা লুফে নিতে পারেননি বাংলাদেশি ফিল্ডাররা। জীবন পেয়ে তিনি দ্রুতগতির ইনিংস খেলে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান। বিপরীতে দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে দুটি কঠিন ক্যাচ তালুবন্দি করে পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন ফিল্ডাররা। সব মিলিয়ে আসরে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা দুই ম্যাচেই ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—কোনো বিভাগেই ইতিবাচক মানসিকতা বা লড়াইয়ের মেজাজ দেখাতে পারেনি বাংলাদেশ।


নির্বাচিত

আইপিএলে চেন্নাইয়ের দায়িত্বে জহির খান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সফলতম ফ্র্যাঞ্চাইজি চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) নতুন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ভারতের সাবেক বাঁহাতি পেসার জহির খান। আগামী ২০২৭ সালের আইপিএল মৌসুমকে সামনে রেখে তাঁকে এই দায়িত্ব দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে দলটির প্রধান কোচের দায়িত্ব সামলানো নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক স্টিফেন ফ্লেমিং পদটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয় জহিরকে। খেলোয়াড়ি জীবনে ১৪ বছরের সমৃদ্ধ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ও ২০১১ সালে ভারতের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলেও কোচিং ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম কোনো দলের প্রধান কোচের গুরুদায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন তিনি।

প্রধান কোচ হিসেবে নতুন হলেও আইপিএলের দল পরিচালনা ও কৌশলগত বিভাগে কাজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে জহির খানের। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের ক্রিকেট পরিচালক ও গ্লোবাল হেড অব ডেভেলপমেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি লখনউ সুপার জায়ান্টসের মেন্টর হিসেবে কাজ করেছেন, যার মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে। সিএসকের মতো ঐতিহ্যবাহী দলের দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জহির জানান, আইপিএলের অন্যতম সফল দলের অংশ হতে পারা তাঁর জন্য বড় সম্মানের। খেলোয়াড় হিসেবে চেন্নাইয়ের মুখোমুখি হওয়া এবং দলটির ঘরের মাঠ চিপাকের ‘সুপারফ্যানদের’ তৈরি করা উদ্দীপনাময় আবহ সবসময় উপভোগ করেছেন জানিয়ে তিনি এই নতুন অধ্যায় শুরুর অপেক্ষায় মুখিয়ে আছেন বলে উল্লেখ করেন।

আইপিএলে বোলার হিসেবেও উজ্জ্বল অতীত ছিল জহির খানের। টুর্নামেন্টটিতে তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, মুম্বাই ইন্ডিয়ানস ও দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন। ১০০টি আইপিএল ম্যাচে অংশ নিয়ে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ১০২টি উইকেট। বিশেষ করে ২০১০ ও ২০১১ সালের আইপিএল ফাইনালে খেলেছিলেন এই পেসার এবং উভয় আসরের ফাইনালেই তাঁর দলের প্রতিপক্ষ ছিল আজকের দল চেন্নাই সুপার কিংস।

মাঠের ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না চেন্নাই সুপার কিংসের। ২০২৩ সালের আসরে শিরোপা জয়ের পর আর কোনো মৌসুমেই প্লে-অফে পৌঁছাতে পারেনি পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। এমনকি ২০২৫ মৌসুমে পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থেকে টুর্নামেন্ট শেষ করার পর তরুণ ক্রিকেটারদের ঘিরে দল পুনর্গঠনের পরিকল্পনা হাতে নেয় ম্যানেজমেন্ট। এর অংশ হিসেবে আয়ুশ মাহাতরে, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ও কার্তিক শর্মার মতো তরুণ প্রতিভাবানদের দলে ভেড়ানো হলেও প্রত্যাশিত সাফল্য এখনো ধরা দেয়নি। ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে চেন্নাইকে পুনরায় শীর্ষ লড়াইয়ে ফেরানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়েই যাত্রা শুরু করছেন জহির খান।


নির্বাচিত

প্রিমিয়ার লিগে মুখোমুখি হওয়া ২৫ দলের বিপক্ষেই গোল হালান্ডের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন আর্লিং হালান্ড। রোববার ঘরের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে লক্ষ্যভেদের মধ্য দিয়ে লিগে এ পর্যন্ত মুখোমুখি হওয়া ২৫টি ক্লাবের প্রতিটির বিপক্ষেই গোল করার বিরল কীর্তি গড়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই নরওয়েজীয় স্ট্রাইকার। ম্যাচটিতে সান্ডারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিটিজেনরা ৫-৩ ব্যবধানের রোমাঞ্চকর জয় পায়, যেখানে ম্যাচের ৮১তম মিনিটে গোল করে প্রিমিয়ার লিগে নিজের সব প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠানোর শতভাগ রেকর্ড পূর্ণ করেন তিনি।

২০২২ সালের আগস্টে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই গোলের অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন হালান্ড। প্রিমিয়ার লিগে এখন পর্যন্ত ১৩৭টি ম্যাচ খেলে ১১৭টি গোল করেছেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। ১৯৯২ সালে প্রিমিয়ার লিগের নতুনভাবে যাত্রা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সার্বিক গোলসংখ্যার দিক থেকে ইতিহাসজুড়ে কেবল ২২ জন ফুটবলার তাঁর চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।

চলতি ২০২৬-২৭ মৌসুমেও বরাবরের মতো দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন এই সিটি তারকা। চলতি মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ইতোমধ্যে সাত ম্যাচে সাতটি গোল আদায় করে নিয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত রেকর্ডের পাশাপাশি ক্লাবের ইতিহাসেও নিজের নাম লিখিয়ে চলেছেন হালান্ড; গত সপ্তাহেই সাবেক তারকা টমি জনসনকে ছাড়িয়ে গিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন তিনি।

ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে এখন পর্যন্ত সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২০৫টি ম্যাচে মাঠে নেমে ১৬৯টি গোল করেছেন হালান্ড। সিটির হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় তাঁর সামনে এখন রয়েছেন ১৭৭ গোল করা সাবেক ফুটবলার এরিক ব্রুক। তবে ক্লাবের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পথে এখনো অনেকটা পথ বাকি হালান্ডের, যেখানে ২৬০টি গোল নিয়ে তালিকার শীর্ষে একচ্ছত্র অবস্থান ধরে রেখেছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি সার্জিও আগুয়েরো।


নির্বাচিত

মিয়ানমারের সঙ্গে ড্র করে এশিয়ান গেমস শেষ বাংলাদেশের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

মিয়ানমারের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে এশিয়ান গেমস নারী ফুটবল থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। জাপানের ওসাকার নাগাই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার হতাশায় এক পয়েন্ট নিয়েই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেতে হলো লাল-সবুজের মেয়েদের। প্রায় দেড় বছর আগে মিয়ানমারকে তাদের মাটিতে হারিয়েই প্রথমবারের মতো নারী এশিয়া কাপের মূল পর্বে খেলার গৌরব অর্জন করেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এবার গোলের দেখা পায়নি দল। ফলে ড্রয়ের এক পয়েন্ট পেলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে গ্রুপের চতুর্থ দল হয়েই শেষ হলো বাংলাদেশের এশিয়ান গেমস যাত্রা।

ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলা জমে ওঠে। প্রথম মিনিটেই গোলের সুযোগ তৈরি করে মিয়ানমার এবং ম্যাচের দশম মিনিটে বাংলাদেশের গোলরক্ষককে একা পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হয় তাদের ফরোয়ার্ড। এরপর ম্যাচের ৩৮তম মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পায় বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের ভুলে বক্সের ঠিক সামনে বল পান বাংলাদেশের তারকা ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা, তবে তাঁর জোরালো শট পোস্টের সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায়। অতীতে মিয়ানমারের বিপক্ষে জোড়া গোল করে দেশকে জেতানো এবং দেশটির ঘরোয়া লিগে খেলার অভিজ্ঞতা থাকায় চেনা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পুরো ম্যাচেই দ্যুতি ছড়ান ঋতুপর্ণা। এমনকি প্রথমার্ধের শেষ দিকে বাজে ট্যাকলের শিকার হয়েও মাঠ ছাড়েননি তিনি, পুরো সময় লড়াই চালিয়ে গেছেন।

দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় বাংলাদেশ সেভাবে কোনো আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি। বিপরীতে ৭৭ মিনিটে নিশ্চিত গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে মিয়ানমার। বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপ্না চাকমাকে গোলপোস্টের সামনে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেনি মিয়ানমারের আক্রমণভাগ। ম্যাচের বাকিটা সময় আধিপত্য বজায় রেখে একের পর এক চেষ্টা করলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি তারা। ফলে কোনো দলই গোল করতে না পারায় সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি।

উল্লেখ্য, গত হাংজু আসর থেকে এশিয়ান গেমসের নারী ফুটবলে নিয়মিত অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। সেবার শক্তিশালী জাপান ও ভিয়েতনামের বিপক্ষে পরাজিত হলেও নেপালের সঙ্গে ড্র করে এক পয়েন্ট পেয়েছিল দল। এবারের আসরেও বাংলাদেশের প্রাপ্তি সীমাবদ্ধ থাকল সেই একটি ড্রয়েই। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয় দলের পয়েন্ট সমান এক হলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার কারণে টেবিলের তলানিতে থেকে শূন্য হাতেই বিদায় নিতে হলো বাংলাদেশকে।


নির্বাচিত

ইংল্যান্ডের নেশনস লিগ স্কোয়াডে পরিবর্তন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

পেশির চোটের কারণে ইংল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দল থেকে ছিটকে গেছেন চেলসির ফরোয়ার্ড কোল পালমার। আসন্ন উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচগুলোকে সামনে রেখে ঘোষিত স্কোয়াডে জায়গা পেলেও চোটের কারণে মাঠে নামা হচ্ছে না এই তারকার। এর আগে বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়ার পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে জাতীয় দলের জার্সিতে ফেরার বড় সুযোগ তৈরি হয়েছিল তাঁর সামনে। তবে শারীরিক এই সমস্যার কারণে আপাতত সেই প্রত্যাবর্তনের সুযোগ হাতছাড়া হলো ইংলিশ ফরোয়ার্ডের।

চলতি মৌসুমে চেলসির জার্সিতে আক্রমণভাগে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন পালমার। লন্ডনের ক্লাবটির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সাতটি ম্যাচ খেলে চারটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও দুটি গোল। ছন্দে থাকা পালমারের এমন আকস্মিক অনুপস্থিতিতে দলের আক্রমণভাগ ঠিক রাখতে বিকল্প হিসেবে নটিংহাম ফরেস্টের মিডফিল্ডার মরগান গিবস-হোয়াইটকে দলে অন্তর্ভুক্ত করেছেন ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ থমাস টুখেল।

নেশনস লিগের জন্য ঘোষিত ইংল্যান্ডের প্রাথমিক তালিকায় ২৬ বছর বয়সী গিবস-হোয়াইটের জায়গা হয়নি। তবে নটিংহাম ফরেস্টের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে ধারাবাহিক ও নজরকাড়া পারফরম্যান্সের সুবাদে শেষ পর্যন্ত জাতীয় দলে ফেরার ডাক পেলেন তিনি। গত মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে নটিংহামের হয়ে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছিলেন এই মিডফিল্ডার, যেখানে ১৫টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে চারটি গোল করিয়েছিলেন তিনি।

নেশনস লিগে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে নিজেদের আনুষ্ঠানিক অভিযান শুরু করবে ইংল্যান্ড। এরপর সূচি অনুযায়ী আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর চেক প্রজাতন্ত্রের মুখোমুখি হবে থ্রি লায়ন্সরা। পরবর্তীতে ৩ অক্টোবর শক্তিশালী ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার পর আগামী ৬ অক্টোবর ফিরতি লেগে আবারও চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে থমাস টুখেলের দল।


নির্বাচিত

রিয়ালকে হারিয়ে লা লিগার দুইয়ে আতলেতিকো

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

উত্তেজনায় ঠাসা মাদ্রিদ ডার্বিতে নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে স্প্যানিশ লা লিগার পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। ঘরের মাঠে পাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ জয়ে পয়েন্ট টেবিলে রিয়ালকে টপকে গেল দিয়েগো সিমিওনের দল। অন্যদিকে এই হারের ফলে শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার চেয়ে ছয় পয়েন্ট পিছিয়ে পড়ল রিয়াল মাদ্রিদ। লিগে নিজেদের সব ম্যাচ জিতে শীর্ষস্থান মজবুত রেখেছে বার্সা, আর আতলেতিকোর চেয়ে এক পয়েন্ট পিছিয়ে এখন টেবিলের তিনে অবস্থান করছে রিয়াল।

ম্যাচের গতিপথ পুরোপুরি বদলে যায় রিয়াল মাদ্রিদের রক্ষণভাগের একটি ভুলে। বক্সের ঠিক বাইরে দুর্দান্ত গতিতে ঢোকা জুলিয়ানো সিমিওনেকে বেআইনিভাবে ফেলে দেন ডিফেন্ডার ডিন হুইসেন। রেফারি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সাহায্য নিয়ে হুইসেনকে সরাসরি লাল কার্ড দেখালে দশ জনের দলে পরিণত হয় রিয়াল মাদ্রিদ। এরপর পাওয়া পেনাল্টি থেকে নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে আতলেতিকোকে এগিয়ে দেন আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো।

একজন কম থাকার সুযোগ নিয়ে রিয়ালের ওপর চাপ বাড়ায় স্বাগতিকরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই সিমিওনের বাড়ানো দারুণ এক ক্রস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জনাথন ডেভিড। লা লিগায় টানা তিন ম্যাচে এটি এই কানাডিয়ান ফরোয়ার্ডের তৃতীয় গোল, যা আতলেতিকোর জয় অনেকটাই সময়ের ব্যাপার করে তোলে। এরপর স্বাগতিক কোচ বদলি হিসেবে জুলিয়ান আলভারেজকে মাঠে নামালে গ্যালারিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। গ্রীষ্মকালীন দলবদলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করায় আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ডকে নিজ দলের সমর্থকদের একাংশের কাছ থেকে দুয়োধ্বনি শুনতে হয়।

ম্যাচের শেষ দিকে ব্যবধান কমিয়ে লড়াই জমিয়ে তোলার আভাস দিয়েছিল রিয়াল। বার্নার্দো সিলভার নিখুঁত ফ্রি-কিক থেকে দারুণ হেডে লক্ষ্যভেদ করে দলের হয়ে এক গোল শোধ করেন জার্মান ডিফেন্ডার আন্তোনিও রুডিগার। তবে বাকি সময়ে ম্যাচে সমতা ফেরানোর মতো আর কোনো সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। ফলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে আতলেতিকো।


নির্বাচিত

কুনহার শেষ মুহূর্তের গোলে হার এড়াল ম্যানইউ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে টানা তৃতীয় পরাজয়ের মুখ থেকে কোনোমতে রক্ষা পেয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। রোববার রাতে ফুলহ্যামের মাঠ ক্র্যাভেন কটেজে অদ্ভুত এক আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ার পর শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ১-১ ব্যবধানে ড্র করেছে রেড ডেভিলরা। ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজের অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলে স্বাগতিক ফুলহ্যাম ঘরের মাঠে প্রথম জয়ের স্বপ্ন দেখছিল। তবে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার মাত্র এক মিনিট আগে লক্ষ্যভেদ করে দলকে পরাজয়ের হাত থেকে বাঁচান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ম্যাথিউস কুনহা।

ম্যাচে ফুলহ্যামকে এগিয়ে দেওয়া গোলটিতে ম্যানইউর রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের মারাত্মক সমন্বয়হীনতা ফুটে ওঠে। গোলটি মার্টিনেজের নামের পাশে আত্মঘাতী হিসেবে লেখা হলেও পুরো দায় শুধু এই আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের ছিল না। ফুলহ্যামের ক্যালভিন বাসির নেওয়া শটটি ম্যানইউ গোলরক্ষক সেনে লামেন্স হাত দিয়ে ধরতে পারতেন, কিন্তু তিনি উরু দিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তা মার্টিনেজের কাছে চলে যায় এবং তাঁর ভুল ব্যাকপাস ঠেকাতে গিয়েও বিশৃঙ্খল এক প্রচেষ্টায় গোল হজম করেন কিপার লামেন্স। এমনকি আক্রমণের সূচনালগ্নে মাঝমাঠে বল হারিয়ে বাসিকে বিনা বাধায় বক্সে প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়ার ভুলটিও ছিল কুনহার।

শুরুতে করা সেই মারাত্মক ভুলের প্রায়শ্চিত্ত অবশ্য শেষ দিকে নিজেই করেছেন ম্যাথিউস কুনহা। টানা দুই হারের পর হ্যাটট্রিক হারের দ্বারপ্রান্তে থাকা দলকে উদ্ধারে ম্যাচের ৮৯তম মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে জোরালো শট নেন তিনি। বলটি প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার ডেভিড আফেনগ্রুবারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে ফুলহ্যামের জালে জড়ালে নিশ্চিত পরাজয় এড়ায় ম্যানইউ।

এই ড্রয়ের ফলে টানা তিন ম্যাচে জয়হীন রইল কোচ মাইকেল ক্যারিকের দল। লিগের চলতি মৌসুমে ৫ ম্যাচ খেলে মাত্র ৫ পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগ টেবিলের নিচের অর্ধে ১২ নম্বর অবস্থানে রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। দলগত দুর্বলতা ও মাঠের বিবর্ণ পারফরম্যান্সের এমন হতাশা নিয়েই এখন আন্তর্জাতিক বিরতিতে যেতে হচ্ছে তাদের।


নির্বাচিত

নতুন ক্লাবে সালাহর প্রথম হ্যাটট্রিক, বড় জয় ত্রাবজোনস্পোরের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল ছেড়ে তুরস্কের দল ত্রাবজোনস্পোরে যোগ দিয়ে দারুণ ফর্মের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন মিশরীয় ফরোয়ার্ড মোহামেদ সালাহ। তাঁর দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক ও একটি অ্যাসিস্টের ওপর ভর করে তুরস্ক সুপার লিগের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন গালাতাসারাইকে ৪-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে ত্রাবজোনস্পোর। এই ম্যাচের আগে টানা পাঁচ ম্যাচ অপরাজিত থাকা গালাতাসারাইকে চলতি মৌসুমে প্রথম হারের তিক্ত স্বাদ দিল তারা। এই বড় জয়ে ছয় ম্যাচে তিন জয় তুলে নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ত্রাবজোনস্পোর; যেখানে শীর্ষে থাকা গালাতাসারাইয়ের চেয়ে মাত্র ৩ পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে তারা।

ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করেন সালাহ। খেলার মাত্র চতুর্থ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে একাই প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে ঢুকে ঠাণ্ডা মাথায় লক্ষ্যভেদ করে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। এরপর ৩৯তম মিনিটে সালাহর চমৎকার পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নোয়াহ সাভিওলো। প্রথমার্ধের বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে ৪৪তম মিনিটে ফ্রাঙ্কুলিনো জুর বাড়ানো বল পেয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে দলকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন এই তারকা।

দ্বিতীয়ার্ধের ৮০তম মিনিটে দর্শনীয় এক গোলে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সালাহ। মাঠের অর্ধেকেরও বেশি অংশ একাই দৌড়ে অতিক্রম করে নিজের ট্রেডমার্ক সাইড-ফুট শটে বল জালে জড়ান তিনি। এর আগে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে ক্ষোভ প্রকাশ করায় ৭১তম মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন গালাতাসারাইয়ের কোচ ওকান বুরুক। এরপর ম্যাচের ৮৭তম মিনিটে দলটির মিডফিল্ডার লেসলি উগোচুকু লাল কার্ড দেখলে শেষ পর্যন্ত ১০ জনের দলে পরিণত হয় গালাতাসারাই।

এই জাদুকরী পারফরম্যান্সের সুবাদে ত্রাবজোনস্পোরের জার্সিতে নতুন এক রেকর্ড গড়েছেন মোহামেদ সালাহ। ২০০০-০১ মৌসুমের পর প্রথম বিদেশি ফুটবলার হিসেবে ক্লাবের ঘরের মাঠে নিজের প্রথম তিন ম্যাচের প্রতিটিতেই গোল করার কৃতিত্ব দেখালেন তিনি। ঘরের মাঠের প্রথম তিন ম্যাচে ছয় গোল করার পাশাপাশি এই ক্লাবের হয়ে প্রথম হ্যাটট্রিকের কীর্তিও নিজের করে নিলেন এই মিশরীয় তারকা।


নির্বাচিত

চার দিনে রাফিনিয়ার টানা দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক, শীর্ষে বার্সেলোনা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

স্প্যানিশ লা লিগায় নিজেদের অপরাজিত যাত্রা অব্যাহত রেখে সেভিয়াকে তাদেরই ঘরের মাঠে ৩-১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে বার্সেলোনা। রামোন সানচেজ পিজুয়ানে এক গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়ার চমৎকার হ্যাটট্রিকে জয় নিশ্চিত করে কাতালানরা। এই জয়ের মাধ্যমে চলতি লিগ মৌসুমে টানা সাত ম্যাচের সবকটিতে জিতে পূর্ণ ২১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের একক শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল বার্সেলোনা; যা সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মৌসুমে তাদের অষ্টম জয়।

গত সপ্তাহে রেসিং সান্তান্দারের বিপক্ষে বার্সেলোনার ৭-২ গোলের জয়ে হ্যাটট্রিক করেছিলেন রাফিনিয়া। সেই ধারাবাহিকতায় মাত্র চার দিনের ব্যবধানে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নিজের ফর্মের জানান দিলেন ২৯ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। সেভিয়ার বিপক্ষে এই তিন গোলের সুবাদে চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে রাফিনিয়ার ব্যক্তিগত গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪টিতে।

ম্যাচের ১৯তম মিনিটে ইউসুফ ফোফানার হেডে লিড নিয়ে স্বাগতিক সেভিয়া ঘরের মাঠে এগিয়ে যায়। তবে পিছিয়ে পড়ার মাত্র তিন মিনিটের মাথায় আন্দ্রেস ক্রিস্টেনসেনের পাস থেকে নিচু ও কোনাকুনি শটে বার্সেলোনাকে সমতায় ফেরান রাফিনিয়া। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের সপ্তম মিনিটে লামিন ইয়ামালের বাড়ানো বল থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। খেলার ৬৪তম মিনিটে রাফিনিয়ার একটি প্রচেষ্টা পোস্টে লেগে প্রতিহত হলেও ৬৯তম মিনিটে লক্ষ্যভেদ করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি।

ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে রাফিনিয়ার বদলি হিসেবে নামা কারিম আদেয়েমি শেষ মুহূর্তে দলের পক্ষে চতুর্থ গোল করার দারুণ সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হন; তাঁর শট সরাসরি প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের হাতে জমা হয়। সাত ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে বার্সেলোনা শীর্ষে অবস্থান করলেও সমান ১৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ এবং অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।


নির্বাচিত

banner close