সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

নতুন নামে এনজিওদের শিক্ষাজোটের যাত্রা শুরু

বুধবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দিনব্যাপী শিক্ষা সম্মেলন-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

কোভিড পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফেরাতে গঠিত ‘নিরাপদ ইশকুলে ফিরি’ জোট নতুন নামে যাত্রা শুরু করেছে। এডুকেশন অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ (ইএবি) নামের এই জোট সবার জন্য একীভূত মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে কাজ করবে।

বুধবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দিনব্যাপী আয়োজিত শিক্ষা সম্মেলন ২০২৩-এ এই ঘোষণা দেয়া হয়।

সম্মেলনে সূচনা পর্বে সেভ দ্য চিল্ড্রেন ইন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর অনো ভ্যান ম্যানেন বলেন, এই জোটের মূল লক্ষ্য হচ্ছে একসাথে কাজ করা চালিয়ে যাওয়া যেন একত্রে মিলে আমরা আরও বেশি শিশুদের কাছে পৌঁছাতে পারি, যাদের আমাদের সহায়তা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। নীতিনির্ধারকদের কাছে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি নিয়ে যাওয়া আমাদের দায়িত্ব সকলের সমন্বিত দায়িত্ব। এই প্ল্যাটফর্মের মধ্য দিয়ে শুধু আমাদেরই নয়, শিশুদের কণ্ঠ তুলে ধরার জায়গায়ও তৈরি করে দিতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষ র্বে গণস্বাক্ষর অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, সংগঠিত হওয়ার কোন বিকল্প নেই। সবাই মিলে আরও শক্তিশালীভাবে শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সম্মেলনের শেষে ঘোষণাপত্রে বলা হয়, এই জোট মানসম্মত ও একীভূত শিক্ষার চ্যালেঞ্জগুলো দূর করে শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সরকারকে সহায়তা করবে।

‘সবার জন্য একীভূত মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ’ স্লোগান নিয়ে এই জোট কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা জনপ্রিয় করতেও উদ্যোগ নেবে। পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশকে আনন্দদায়ক করতে কাজ করা ব্যক্তি বা সংস্থার সাথে অংশীদারত্ব গড়ে তুলবে।

কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় শিক্ষাক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে গণসচেতনতামূলক প্রচারণা জরুরি হয়ে পড়ে। লকডাউনের কারণে বাধ্যতামূলক এই ছুটি গ্রাম-শহর নির্বিশেষে শিক্ষার্থীদেরকে বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার দিকে ঠেলে দিয়ে শিশুশ্রম ও বাল্যবিয়ে বাড়িয়ে দিয়েছিল।

এই অবস্থায় সমন্বিত কণ্ঠে আওয়াজ তুলতে বাংলাদেশের শিক্ষা নিয়ে কাজ করা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ‘নিরাপদ স্কুলে ফিরি’ শীর্ষক জোট তৈরি করে।

জাতীয় পর্যায়ে ২০১৯-২০২২ সময়ে পরিচালিত এই জোটের করা একটি গবেষণার ফলাফল সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, কোভিডের বাধ্যতামূলক ছুটি শেষে স্কুল খোলার তিন সপ্তাহ পর উপস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সবচেয়ে কম উপস্থিতি চতুর্থ শ্রেণিতে (৬৫ শতাংশ) আর সবচেয়ে বেশি প্রথম শ্রেণিতে (৮৬ শতাংশ)।

মাধ্যমিক পর্যায়ে সবচেয়ে কম উপস্থিতি নবম শ্রেণিতে (৫৭ শতাংশ) এবং সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি ষষ্ঠ শ্রেণিতে (৬৯ শতাংশ)।

স্কুলে অনুপস্থিতির পেছনে রয়েছে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পরা, বাল্যবিয়ে, পরিবার অন্য জায়গায় চলে যাওয়া, অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসায় চলে যাওয়া, পড়ালেখায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলা।

গবেষণায় উঠে এসেছে, লকডাউন চলাকালে শিক্ষার্থীরা বিরক্তি, একাকীত্ব, বিচ্ছিন্নতা, ও মানসিক চাপে ভুগেছে। স্কুল খোলার পর এ সব সমস্যা কমে আসে। কিন্তু কিছু নতুন সমস্যা দেখা দেয় যেমন, শেখায় অসুবিধা, পড়া বুঝতে সমস্যা, অন্যদের সাথে মেলামেশায় অসুবিধা, ইত্যাদি।

এই গবেষণায় ভবিষ্যতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশভিত্তিক শিক্ষার জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি ‘ইমার্জেন্সি রিসার্চ ফ্রেমওয়ার্ক’ গড়ে তুলতে সুপারিশ করা হয়।

জোটে থাকা সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্র্যাক, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ, গণসাক্ষরতা অভিযান, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, এডুকো বাংলাদেশ, এফআইভিডিবি, ফ্রেন্ডশিপ, হ্যাবিট্যাট ফর হিউম্যানিটি বাংলাদেশ, হিউম্যানিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন, জাগরনী চক্র ফাউন্ডেশন, এলসি ইউকে, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, রুম টু রিড, সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ, সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ, সাইট সেভার্স বাংলাদেশ, স্ট্রমী ফাউন্ডেশন, টিচ ফর বাংলাদেশ, ভিএসও, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং ইপসা।

বিষয়:

সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রথম কমিটি

সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি ইয়াছিন মোল্লা (বাঁয়ে) ও সাধারণ সম্পাদক শেখ জাহাঙ্গীর। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

কলেজ প্রতিষ্ঠার ৭৩ বছর পর প্রথমবারের মতো রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির (সোককসাস) পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। দৈনিক নয়া শতাব্দীর প্রতিবেদক ইয়াছিন মোল্লা ১৯ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতি ও দৈনিক আশ্রয় প্রতিদিনের প্রতিবেদক শেখ জাহাঙ্গীর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

রোববার সংগঠনটির বার্ষিক আলোচনা সভা শেষে সমিতির সমন্বয়ক ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলার নিজস্ব প্রতিবেদক বীর সাহাবী এ নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। সোমবার সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক আকবর চৌধুরীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কমিটিতে সহসভাপতি পদে সিএনএন বাংলা টিভির সাদিয়া ইসলাম ও দৈনিক সকালের সময়ের তৌহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে সাপ্তাহিক শীর্ষ খবরের জয়ন্ত চক্রবর্তী ও দৈনিক ভোরের ডাকের লিখন হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দৈনিক আই বার্তার রাসেল মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক পদে সাপ্তাহিক বার্তা বিচিত্র পত্রিকার আকবর চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক পদে দৈনিক আমার বার্তার অপূর্ব চক্রবর্তী, নারী সম্পাদক পদে সাপ্তাহিক শীর্ষ খবরের আশিকা জান্নাত, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের ফয়সাল আহমেদ হানিফ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে একুশে সংবাদের জাহিদ হাসান, ক্রীড়া সম্পাদক পদে দ্য বাংলাদেশ মোমেন্টসের মো. সাজ্জাদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে দৈনিক অধিকারের মাহমুদুল সাকিব, আপ্যায়ন সম্পাদক পদে বঙ্গবাজারের হাসিব ইথুন এবং কল্যাণ সম্পাদক পদে দৈনিক দেশ দেশান্তরের শামসুদ্দিন খান নির্বাচিত হয়েছেন।

কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সংবাদের আমিরুল ইসলাম, দৈনিক নতুন দিগন্তের শহিদুল ইসলাম ও দৈনিক আগামীর সংবাদের অবান্তিকা সাহা।

এর আগে ২০২২ সালের ২০ এপ্রিল ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির গঠন করা হয়। প্রায় এক বছর পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি নির্বাচিত হলো।


ট্রাক থামিয়ে ছিনতাই: ৩ ঢাবি শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

গ্রেপ্তার তিন ঢাবি শিক্ষার্থী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিনিধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বুয়েট মসজিদের সামনের রাস্তায় ট্রাক থামিয়ে ১৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হয়েছে আজ।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় ওই তিন শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের পকেট থেকে পাঁচ হাজার করে মোট ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে ভুক্তভোগীকে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর মোহাম্মদ বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে সেটিকে মামলা হিসেবে গ্রহণ করে তিন শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। রোববার তাদের আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

গ্রেপ্তার তিন শিক্ষার্থী হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ফজলে নাবিদ সাকিল, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মো. রাহাত রহমান এবং সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাদিক আহাম্মদ। তারা তিনজনই ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ফজলে নাবিদ ও সাদিক আহমেদ ছাত্রলীগ কর্মী। তারা দুজন ঢাবির বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের অনুসারী বলে নিজেদের পরিচয় দিয়ে থাকেন। অন্যদিকে রাহাত রহমান চকবাজারের একটি ভাড়া বাসায় থাকেন, তার রাজনৈতিক পরিচয় জানা যায়নি।

ভুক্তভোগীর এজাহার থেকে জানা যায়, ট্রাকচালক আবু তাহের জুয়েল তার ছোট ভাইকে নিয়ে লালবাগ থেকে টঙ্গী যাওয়ার পথে বুয়েট মসজিদের সামনে পাকা রাস্তায় পৌঁছালে আসামিরা দুটি মোটরসাইকেলে করে তাদের গতিরোধ করে নামতে বলেন। এরপর তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করে তাদের পকেটে থাকা নগদ ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন। জুয়েল ও তার ছোট ভাইয়ের চিৎকারে আসামিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় সেখানে টহলে থাকা শাহবাগ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ওমর ছানী নাঈম তাদের আটক করেন।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওমর ছানী নাঈম বলেন, শনিবার দিবাগত রাতে বুয়েট এলাকায় টহল ডিউটি করার সময় তাদের হাতেনাতে আটক করি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের আটক করে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আদালত আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।


খুবির সাবেক ভিসির দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আওয়াল শেখ, খুলনা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের বিরুদ্ধে নিয়ম-বহির্ভূতভাবে পছন্দের লোককে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। দীর্ঘ ৮ মাস পর ওই তদন্ত কমিটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার জন্য রেজিস্টারের কার্যালয়ে চিঠি দিয়েছে।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ডিসিপ্লিনে (বিভাগ) ওয়ালিউল হাসানাত নামের একজন অধ্যাপকের নিয়োগে দুর্নীতির আশ্রয় নেয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় ২০২২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে ইউজিসির চেয়ারম্যানকে একটি চিঠি দিয়ে ওই শিক্ষককের নিয়ম-বর্হিভূত নিয়োগের ব্যাপারটি জানিয়ে তা তদন্ত করার অনুরোধ করা হয়। সে পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ৫ জুন ইউজিসি তদন্ত কমিটি করে। তবে র্দীঘদিন ধরে ওই তদন্ত কমিটির সদস্যদের অগ্রগতি ছিল না। এ নিয়ে ২০২২ সালের ৫ অক্টোবর দৈনিক বাংলায় ‘সাবেক উপাচার্যের নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে গড়িমসি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। অবশেষে সেই তদন্ত কমিটি তাদের কার্যক্রম শুরু করছে।

সম্প্রতি ইউজিসির ইন্সপেকশন ও মনিটরিং শাখা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে জানানো হয়েছে যে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি কমিটির সদস্যরা সরেজমিনে বিষয়টি তদন্তে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবেন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে কমিটি এ দিন দুপুর ১২টায় প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনা করবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করবে।

পরিদর্শন শেষে কমিটির সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রারসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সভায় মিলিত হবেন। ওই দিন দালিলিক প্রমাণাদিসহ অভিযোগপত্রে বর্ণিত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার খান গোলাম কুদ্দুস ইউজিসির এই তদন্ত কমিটির আগমনের চিঠিপ্রাপ্তির কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘ইউজিসির চিঠি হাতে পেয়েছি। তাদের তদন্তের জন্য তাদের সব রকমের সহায়তা করা হবে।’

ইউজিসি গঠিত ওই তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে আছেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) প্রাক্তন অধ্যাপক বাসুদেব চন্দ্র ঘোষ। কমিটির বাকি দুজন সদস্য হলেন ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ফজলুর রহমান ও ইউজিসির ইন্সপেকশন ও মনিটরিং শাখার সিনিয়র সহকারী পরিচালক গোলাম দস্তগীর।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ওয়ালিউল হাসানাতের নিয়োগ-সংক্রান্ত কিছু কাগজ দৈনিক বাংলার হাতে এসেছে। ওই কাগজ বিশ্লেষণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওয়ালিউল হাসনাত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি তাকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ওই নিয়োগের ক্ষেত্রে অন্য সব যোগ্যতা ও শর্তের সঙ্গে সহযোগী অধ্যাপক পদে কমপক্ষে ৪ বছরের বাস্তব শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক ছিল।

কিন্তু ওয়ালিউল হাসানাতকে সরাসরি অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেয়ার সময় তা মানা হয়নি। অধ্যাপক পদের আবেদনপত্রে দেখা যায়, সহযোগী অধ্যাপক পদে তার বাস্তব অভিজ্ঞতা ৩ বছর ৬ মাস ৭ দিন। তিনি ১০ মাস ১৪ দিন লিয়েনে (শর্তসাপেক্ষে ছুটি) ছিলেন। ওই কার্যকালকে অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখিয়ে তাকে অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এমনকি নিয়োগের ক্ষেত্রে আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়নি।

ওয়ালিউল হাসানাতের নিয়োগ প্রক্রিয়াও হয়েছে খুব দ্রুততার সঙ্গে। ২০১৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর ওই ডিসিপ্লিনের একমাত্র অধ্যাপক পদের বিপরীতে নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হয়। ৩১ ডিসেম্বর সিন্ডিকেটের ১৮৯তম সভায় সেটি উপস্থাপন করে অনুমোদন করিয়ে নেয়া হয়। পরদিন ১ জানুয়ারি তিনি যোগদান করেন।

শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সিন্ডিকেট সভার অনুমোদনের পর সেটি রেজল্যুশন করতে হয়। তার পর শিক্ষককে যোগদান করার জন্য চিঠি পাঠাতে হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তার কিছুই করা হয়নি। রেজল্যুশন করার আগেই ওয়ালিউল হাসানাত রেজিস্ট্রারের কাছে চিঠি দিয়ে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে খুবি রেজিস্ট্রার অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে দুদক থেকে চিঠি পাঠিয়ে ওয়ালিউল হাসানাতের নিয়োগ-সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র চাওয়া হয়। ওই কাগজগুলো যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে কিছু অনিয়মের তথ্য দেখা যায়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগবিধি অনুযায়ী লিয়েনে থাকা সময়কে অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখানোর সুযোগ নেই। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা দেখানো হয়েছিল। অন্যদিকে রেজল্যুশন না করেই তাকে যোগদান করতে দেয়া হয়।’

বিষয়:

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে নবীনবরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে (বিইউ) গতকাল রোববার নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আদাবরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত নবীনবরণে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, রেনেসাঁ গ্রুপের পরিচালক আয়েশা আক্তার ডালিয়া, বিইউর ভারপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, রেজিস্ট্রার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহাবুবুল হক (অব.), বিইউর পরিচালক কাজী তাইফ সাদাত ও বিজনেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. তাজুল ইসলামসহ অনেকে।


রাজস্ব সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দুই দিনব্যাপী রাজস্ব সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা
আপডেটেড ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৪:২৪
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

দুই দিনব্যাপী রাজস্ব সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন সরকারপ্রধান। এরপর তিনি স্টল এবং রাজস্ব মিউজিয়াম ঘুরে দেখেন। খবর বাসসের।

অনুষ্ঠানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনীম, সদস্য ড. আব্দুল মান্নান শিকদার ও প্রদ্যুৎ কুমার সরকার বক্তব্য দেন।

এ সময় এনবিআরের কার্যক্রমের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।

সম্মেলন উপলক্ষে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), শুল্ক ও আয়করবিষয়ক তিনটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।


দাবি আদায়ে এবার মূল ক্যাম্পাসে চারুকলার শিক্ষার্থীরা

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান করছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৪:২৭
প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

শহরের ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণার পর দাবি আদায়ে এবার মূল ক্যাম্পাসে আন্দোলন করছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) চারুকলার শিক্ষার্থীরা। রোববার সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান নেন তারা। এ সময় তাদের প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘চারুকলা ক্যাম্পাসে চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ে চাই’।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, এতদিন তারা শহরের ক্যাম্পাসে আন্দোলন করে আসছিলেন। কিন্তু শহরের ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়ায় বাধ্য হয়ে মূল ক্যাম্পাসে আন্দোলন করছেন।

আন্দোলনকারী চারুকলা স্নাতকোত্তর বর্ষের শিক্ষার্থী মো. শহীদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শহরের ক্যাম্পাস ও ছাত্রাবাস এক মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। ফলে সেখানে আন্দোলন করতে পারিনি বিধায় মূল ক্যাম্পাসে এসে আন্দোলন করছি।

আন্দোলনকারী আরেক শিক্ষার্থী ভাস্কর এলাহী বলেন, চারুকলা সংস্কার নিয়ে আমাদের কোনো দাবি নেই। আমরা চাই মূল ক্যাম্পাসে ফিরতে। শহরের ক্যাম্পাসে আমরা বিভিন্ন ক্লাবসহ নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাই আমরা মূল ক্যাম্পাসেই আসতে চাই।

এর আগে গত বছরের ২ নভেম্বর থেকে ২২ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি ও ক্লাসবর্জন শুরু করেন চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। প্রথমে প্রশাসন দাবি মানতে ইতিবাচক সাড়া দিলেও পরে ২২ দফা দাবি হঠাৎই মূল ক্যাম্পাসে ফেরার এক দফা দাবিতে রূপ নেয়।

গত ২১ জানুয়ারি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা উপমন্ত্রী। ২২ জানুয়ারি জেলা প্রশাসক ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের সঙ্গে আলোচনার পর আন্দোলন স্থগিত করে শর্তসাপেক্ষে ক্লাসে ফিরে যান শিক্ষার্থীরা। তবে শর্তপূরণ না হওয়ায় গত ৩১ জানুয়ারি ফের আন্দোলনে নামেন তারা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার সংস্কারকাজের জন্য ক্যাম্পাস ও হোস্টেল এক মাসের জন্য বন্ধের ঘোষণা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস শহর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে হাটহাজারীতে অবস্থিত। ২০১০ সালে চবি চারুকলা বিভাগ এবং চট্টগ্রাম সরকারি চারুকলা কলেজকে একীভূত করার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি চারুকলা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। ২০১১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি নগরীর বাদশাহ মিয়া চৌধুরী সড়কে বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।


সোনালী ও জনতা ব্যাংকে চাকরি

আপডেটেড ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৪:৩০
ক্যারিয়ার ডেস্ক

ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত সোনালী ও জনতা ব্যাংকে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এ দুটি ব্যাংকে অফিসার (আইটি) পদে ৪৬৮ জন নেয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র দাখিল ও ফি প্রদানের শেষ তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি। তবে ভ্যারিফাই পেমেন্ট ও ট্র্যাকিং পেজ সংগ্রহের শেষ তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি। এ পদে নিয়োগ পেলে বেতন হবে ১০ম গ্রেডে (১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা)।

৪৬৮ জনের মধ্যে সোনালী ব্যাংকে ৩০৭ জন এবং জনতা ব্যাংকে ১৬১ জন আইটি অফিসার নেয়া হবে। আবেদনের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান/কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল/ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি/ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং/ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং/ইনফরমেশন টেকনোলজি/কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং/কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতকোত্তর অথবা চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/সমমান এবং তদূর্ধ্ব পর্যায়ের পরীক্ষাগুলোয় কমপক্ষে একটিতে প্রথম শ্রেণি/সমমানের সিজিপিএ থাকতে হবে।

বয়স

আবেদনের সর্বোচ্চ বয়স ৩০ বছর। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী আবেদনকারীর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বছর। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তারিখে যারা সর্বোচ্চ বয়সসীমায় পৌঁছেছেন, তারাও আবেদন করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের (https://erecruitment.bb.org.bd/) মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি বাবদ ২০০ টাকা ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং রকেটের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।


১৩৩ টিকিট কালেক্টর নেবে রেলওয়ে

আপডেটেড ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৪:৩৫
ক্যারিয়ার ডেস্ক

বাংলাদেশ রেলওয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত টিকিট কালেক্টর পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এ পদে ১৩৩ জন নেয়া হবে। সব জেলার প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন। এ পদের জন্য আবেদন শুরু হবে ১৩ ফেব্রুয়ারি। আবেদনপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ আগামী ২০ মার্চ।

বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আবেদনের জন্য এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি হতে হবে। প্রার্থীর বয়স ১৩ ফেব্রুয়ারি তারিখে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বছর।

অনলাইনে এই ওয়েবসাইটের (http://br.teletalk.com.bd/) মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। পরীক্ষার ফি বাবদ মোট ২২৩ টাকা আবেদন করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জমা দিতে হবে।

নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি বিদ্যমান বিধি ও কোটাপদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত প্রার্থীদের অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। বাংলাদেশ রেলওয়েতে যারা কমপক্ষে ২০ বছর চাকরি করেছেন, তাদের সন্তানরা পোষ্য কোটার সুবিধা পাবেন।

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে মৌখিক পরীক্ষার সময় সব সনদের মূল কপিসহ এক সেট সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে এবং পূরণকৃত আবেদন ফরমসহ সত্যায়িত এক সেট ফটোকপি জমা দিতে হবে।

জেলার স্থায়ী বাসিন্দার প্রমাণক হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলরের স্বাক্ষরসহ নাগরিকত্ব সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি ও মুক্তিযোদ্ধা কোটার ক্ষেত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধা সনদের মূল কপি জমা দিতে হবে।


ঢাবি'র পরিসংখ্যান বিভাগ অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিসংখ্যান বিভাগ অ্যালামনাই এসোসিয়েশন (DUSDAA) এর ৭ম পুনর্মিলনী কাজী মোতাহার হোসেন ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩। সকাল সাড়ে দশটায় বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রফেসর ড. মোঃ আখতারুজ্জামান। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছেন জনাব মাহবুব জামান, সভাপতি, ট্রাস্টি বোর্ড, DUSDAA।

এর আগে সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রফেসর ড. মোঃ আখতারুজ্জামান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিসংখ্যান বিভাগ অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের এক্সিকিউটিভ কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল এবং পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. জাহিদা গুলশানের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিসংখ্যান বিভাগ অ্যালামনাই এসোসিয়েশন (DUSDAA) এর ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি, জনাব মাহবুব জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক এবং DUSDAA ট্রাস্টি বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডঃ সৈয়দ শাহাদত হোসেন, পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক সায়েমা শারমীন, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক এবং DUSDAA এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক লুতফর রহমান।

সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের প্রায় তিন শতাধিক গ্রাজুয়েট তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। করোনার কারণে দুই বছর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে বিপুল সংখ্যক গ্র্যাজুয়েট এবারের অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন। বিপুল আনন্দ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপিত হয়। বড়দের জন্য স্মৃতিচারণ সহ বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজনের পাশাপাশি পাপেট, বল হাউজ, জাম্পিং ক্যাসল, বেলুন ফুটানো সহ ছোটদের জন্য করা নানা আয়োজনে দিনভর মুখরিত ছিল কাজী মোতাহার হোসেন ভবন প্রাঙ্গণ।

দুপুরে আনন্দ ভোজ, বিকেলে চা চক্রের সাথে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল অন্যতম মূল আকর্ষণ। সন্ধ্যায় র‍্যাফল ড্র এবং সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এই আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে এশিয়া ফাইবার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সিটি ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড।


ইউআইইউতে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৪:৩৮
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে নতুন ভর্তি হওয়া নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান গত শুক্রবার ইউআইইউ খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকস, স্কুল অব সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং স্কুল অব হিউম্যানিটিস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সের সদ্য ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া, ইউআইইউ সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ও ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড কো-অপারেশন সেন্টারের পরিচালক ড. এ কে এম মুজাহিদুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ডা. জুলফিকার রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক এ এস এম সালাহউদ্দিন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও পরিচালকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরা। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

ঢাবিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন

আপডেটেড ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৪:৪০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘মলিকুলস্ অব লাইফ ফর সাসটেইনাবিলিটি’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন গত শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন।

বাংলাদেশ সোসাইটি ফর বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি, ঢাবি প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ এবং দিল্লিস্থ সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

অধ্যাপক ড. হাসিনা খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহবুব হাসান, নিউ দিল্লির সাউথ এশিয়া ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. সেনথিল কুমার ভানুগোপাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞানের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক, বিভাগের অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও অধ্যাপক ড. এ এইচ এম নুরুন নবী। বিজ্ঞপ্তি


সুই-সুতার আগ্রহ এনে দিল সাফল্য

কাজী শাহনেওয়াজ আফরিন সিমি।
আপডেটেড ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২১:৫৫
আনিসুল ইসলাম নাঈম

কাজী শাহনেওয়াজ আফরিন সিমি। জন্ম ও বেড়ে ওঠা পঞ্চগড় সদর উপজেলার গলেহাকান্তমনি গ্রামে। বিয়ে হয়ে যায় অল্প বয়সেই। জন্ম দেন সন্তান। তবু পড়ালেখা চালিয়ে গেছেন। পড়ালেখা শেষ করলেও সন্তানের কথা ভেবে চাকরির পথে পা বাড়াতে পারেননি। ইচ্ছা ছিল নিজের কিছু করারও। ছোটবেলা থেকেই সুই-সুতার বুননে ছিল আগ্রহ। শেষ পর্যন্ত সেই আগ্রহ সঙ্গী করেই নিজের ইচ্ছার পথে পা বাড়ান। অদম্য মনোবল নিয়ে লেগে থেকেছেন, আস্থা হারাননি নিজের ওপর। এখন নিজেই তৈরি করেন পোশাক, বিপণন করেন অনলাইনে। মাসে দুই লাখ টাকারও বেশি আয় করা সিমিকে এখন সফল উদ্যোক্তা বলাই যায়।

উদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রার শুরুর গল্প জানতে চাইলে সিমি বলেন, “অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে যায়। সংসার, স্বামী, সন্তান মিলিয়ে ব্যস্ত থাকায় কিছু করার সাহস হয়ে উঠছিল না। কিন্তু কিছু একটা করার তাগিদটাও হারিয়ে যায়নি। করোনার সময় যখন স্বামীর অফিস বন্ধ ছিল, ভেবেছিলাম কোনো ব্যবসা শুরু করব। ঘরে তৈরি খাবার নিয়ে কাজ করলেও শারীরিক সমস্যার কারণে চালিয়ে যাওয়া হয়নি। এরপর ‘জুনাইরাস সিক্রেট’ নামে ফেসবুকে পেজ খুলে জামদানি শাড়ি ও অন্য পোশাক নিয়ে কাজ শুরু করি।”

শুরুর দিকে ১০ হাজার টাকার পণ্য কিনে একটিও বিক্রি করতে পারেননি সিমি। কিন্তু নিজের ওপর আস্থা হারাননি তিনি। ছোটবেলা থেকেই দর্জিকে দিয়ে নিজের পছন্দমতো পোশাক বানিয়ে সেগুলোয় সুই-সুতা দিয়ে নিজেই বুনতেন নকশা। অনলাইন পেজে প্রথম দিকের ব্যর্থতা ঘোচাতে সেই ছোটবেলার আগ্রহের জায়গাতেই ফিরে যান সিমি। শুরু করেন নিজের নকশার পোশাক তৈরি করতে। জামদানি শাড়ির পাশাপাশি বুটিক ড্রেস ও নিজের প্রোডাকশনের কাস্টমাইজ ড্রেস নিয়ে হাজির হন। ধীরে ধীরে তার সেই কাজ সাড়া ফেলে। এখন নিজের পেজ থেকে খুচরা তো বটেই, পাইকারি হিসেবেও পোশাক বিক্রি করছেন তিনি। সিমি জানালেন, তার সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন পোশাকের মধ্যে রয়েছে হিজাবি ও নন-হিজাবি গাউন।

সিমি দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘সুই-সুতার প্রতি আগ্রহ থেকেই নিজের নকশা করা ড্রেস, ওয়ান পিস ও গাউন নিয়ে কাজ শুরু করি। প্রথমেই গাউন, কটি ও হিজাবগুলো বাজিমাত করতে থাকে। ডিজাইন করা গাউনগুলো হিজাব ও ওয়েস্টার্ন দুভাবেই পরা যায় বলে ব্যাপক সাড়া পাই। কাপড় ও সেলাইয়ের মান ভালো হওয়ায় রিপিট কাস্টমার বাড়তে থাকে। এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে লন্ডন, আমেরিকা, ফ্রান্স, ইতালি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, স্পেনসহ বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে আমার তৈরি পোশাক। সেখানেও আমার রিপিট কাস্টমার তৈরি হচ্ছে। লন্ডন, ইতালি ও আমেরিকায় পাইকারিতে যাচ্ছে আমার পোশাক।’

উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হতে গ্রাহক বা ক্রেতার আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনকেই মূলমন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করেন সিমি। বলেন, ‘আমার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো আমি ক্রেতার বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পেরেছি। তাই আমার রিপিট কাস্টমারের সংখ্যা অনেক বেশি। এমন অনেক ক্রেতা আছেন যারা প্রতি মাসেই আমার কাছ থেকে পোশাক কিনে থাকেন। অনেকে পেজে নতুন কোনো পণ্য দেখার সঙ্গে সঙ্গে অর্ডার করে রাখেন। আবার কেউ কেউ আগেই বলে রাখেন, নতুন কোনো কালেকশন এলে যেন তাদের দিই। ক্রেতাদের এমন আস্থা ও ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় পুঁজি।’

এখন সিমির কাছ থেকে পাইকারি হিসেবে পোশাক নিয়ে অনেকে ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন বলেও জানালেন তিনি। নিজের এমন সাফল্যে ভীষণ সন্তুষ্ট সিমি। তবে এই সাফল্যের পথে শুরুতেই প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছে বলে আক্ষেপও রয়েছে তার। জানালেন, কারও কাছ থেকে নিজের মতো করে কিছু করার মতো সামান্য উৎসাহও পাননি। বরং নিজে ব্যবসা শুরু করার পর অনেকের কাছে কটূ কথা শুনেছেন। এ ক্ষেত্রে কেবল স্বামীর সমর্থন পেয়েছেন তিনি।

সিমি বলেন, ‘শত বাধার পরও নিজের দুই সন্তান, সংসার ও ব্যবসাকে সমানতালে একা হাতে চালিয়ে নিয়েছি। স্বামী চাকরি নিয়ে ব্যস্ত। তাই প্রোডাক্ট সোর্সিং, মার্কেটিং, কাস্টমার দেখাশোনা, ডেলিভারি- সবকিছু আমাকে একা করতে হতো। তবে স্বামী মানসিকভাবে ভীষণ সমর্থন দিয়েছেন। আর আগে যাদের কাছে নেতিবাচক কথা শুনতাম, ব্যবসা দাঁড়িয়ে যাওয়ার পর এখন তারাও উৎসাহ দেয়। তাই সব ধরনের নেতিবাচকতা এড়িয়ে লড়াই করে টিকে থাকাটাই মূল কথা।’

নিজের নকশা করার পোশাকের পাশাপাশি সিমি তার পেজে নারায়ণগঞ্জের জামদানি পল্লি থেকে সংগ্রহ করা শাড়ি বিক্রি করেন। টাঙ্গাইল ও তাঁতের শাড়ির চাহিদাও তার পেজে কম নয়। ক্রেতাদের চাহিদা মিটিয়ে ব্যবসা আরও বড় করার পরিকল্পনা রয়েছে সিমির। তিনি বলেন, ‘একটি কারখানা দেয়ার স্বপ্ন রয়েছে, যেখান থেকে আমার নকশায় তৈরি পোশাক দেশের নানা প্রান্তের উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে। পাশাপাশি ইচ্ছা ও আগ্রহ থাকলেও যারা অর্থ ও যথাযথ নির্দেশনার অভাবে পিছিয়ে রয়েছে, তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করতে চাই।’ তবে আপাতত ক্রেতাদের সন্তুষ্টি ধরে রাখাকেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে সেই চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে বদ্ধ পরিকর সিমি।

পেজের লিংক: fb.com/junayrasecrets.net


যেভাবে নতুন ক্ষেত্রে চাকরির জন্য তৈরি হবেন

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৪:৫৭
ক্যারিয়ার ডেস্ক

আমরা খুব সাধারণভাবে এক বিষয়ে পড়াশোনা করেই সেই বিষয়নির্ভর চাকরির দিকে ছুটি। কেউ হয়তো ব্যবসায় শিক্ষায় পড়ছি, সেই ভাবে মার্কেটিং বা সেলস বিভাগে চাকরি খুঁজি। আবার কেউ কম্পিউটার প্রকৌশলে পড়ে সেই খাতেই চাকরি বা সুযোগ খুঁজি। এখনকার বাস্তবতায় আসলে পড়ালেখানির্ভর ক্যারিয়ারের চেয়ে অন্য খাতেও চাকরির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। হার্ভার্ড বিজনেজ রিভিউ অবলম্বনে জানাচ্ছেন ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের এইআইএফ প্রোগ্রাম ভয়েসেস অব বাংলাদেশের গবেষক আশা জাহিদ

কেন অন্য খাতে ক্যারিয়ার

এখন কর্মক্ষেত্রের বিস্তৃতি যেমন বাড়ছে, তেমনি চাকরির প্রতিযোগিতা আরও গভীর হচ্ছে। শুধু পড়াশোনা করেই যেন নিজের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। বিষয়ভিত্তিক চাকরির সুযোগ যেমন সংকীর্ণ হচ্ছে, তেমনি বিপরীতভাবে নিজের কাজের সুযোগ অন্য ক্ষেত্রে বাড়ছে। ক্যারিয়ার পরিবর্তন বিষয়টি পশ্চিমা দুনিয়া বেশ সাধারণ হিসেবে দেখা হলেও আমাদের দেশে বিষয়টি নতুন বলা যায়। নতুন বলেই বিষয়টি নিয়ে পরিকল্পনা করে সামনে এগোতে হবে। নিজের দক্ষতা অন্য খাতে প্রকাশের জন্য আমরা ক্যারিয়ার পরিবর্তন করি। আবার চলার পথে নতুন কোনো দক্ষতা আমাদের সামনে নতুন কাজের সুযোগ তৈরি করে। অনেক সময় দারুণ কোনো সুযোগ আমাদের ভিন্নভাবে চিন্তা করতে উজ্জীবিত করে বলেই আমরা অন্যপথে পা বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ জয় করার চেষ্টা করি।

চলার পথের মানচিত্র

হুট করেই কিন্তু ক্যারিয়ার পরিবর্তনের বিষয়টি বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। নানান পরিস্থিতিতে আমরা হুটহাট সিদ্ধান্ত নিতে পারি। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য ক্যারিয়ার পরিবর্তনের জন্য সামনের মানচিত্র তৈরি করুন। আগে ভিন্ন খাতে ক্যারিয়ার গড়তে আমরা শুধু দক্ষতাকেই গুরুত্ব দিতাম। এখন কিন্তু সেই চিত্র বদলে গেছে। নতুন যে ক্যারিয়ারে যাবেন সেই দুনিয়ার পথরেখাগুলো বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করুন। যারা এখন সফল তাদের লিংকডইন বায়ো কিংবা ক্যারিয়ারবিষয়ক ইন্টারভিউ পড়ার মাধ্যমে তাদের পথচলা সম্পর্কে জানুন। জেনেশুনে পথরেখা তৈরি করলে সামনের চ্যালেঞ্জ জয় করা কিন্তু সহজ।

জানার চেষ্টা

বহু বছর আগে পেশার ক্ষেত্রে তরুণ নির্বাহী হিসেবে যোগদানের পথরেখা সুস্থির ছিল। কেউ নির্বাহী হিসেবে যোগদান করলেই জানতেন যেন ৩০ বছর চাকরি করলে ৫০ বছর বয়সে তিনি প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ পদগুলোতে আসীন হবেন। বর্তমানের ক্যারিয়ার অনেক বদলে যাচ্ছে। প্রযুক্তি আর পরিবর্তিত পৃথিবীর চ্যালেঞ্জ সব পরিকল্পনাকে বদলে দিচ্ছে। এখন ৩০ বছরে অনেকেই অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রধান নির্বাহী হিসেবে যোগদান করছেন। আবার বয়স ৫৫ বছরে অনেকেই নতুন নতুন স্টার্টআপ বা উদ্যোগে পরামর্শক হিসেবে কাজ শুরু করছেন। ক্যারিয়ার পরিবর্তনের সময় যে খাতে কাজ শুরু করবেন তার ভবিষ্যতের গতিপ্রকৃতি জানার চেষ্টা করুন। এটা অনেকটা নতুন দেশে যাওয়ার আগে সেই দেশের আবহাওয়া আর খাবার সম্পর্কে তথ্যাদি জানার মতো।

নেটওয়ার্কিং

আপনি নতুন পেশায় যাওয়ার সময় নেটওয়ার্কিং বিষয়টি গুরুত্ব দিন। নতুন পেশায় যাওয়ার মানে হচ্ছে আমরা সেই ক্ষেত্রের মানুষের সঙ্গে অনেক কম জানা-পরিচয় থাকবে। খুব দ্রুত নতুন পেশার পেশাজীবীদের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিন। তাদের ভাষায় ভাবতে শিখুন। নিজেকে দলবদ্ধভাবে তাদের সঙ্গে সংযুক্ত করুন। নেটওয়ার্কিং করার মাধ্যমে পেশাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ সম্পর্কে জানার অনেক সুযোগ মেলে। নতুন পেশায় পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করুন। শুধু নিজের প্রতিষ্ঠানেই নয়, অন্য প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করুন। অনেক সময় নতুনদের অনেকেই গ্রহণ করতে চান না, এ ক্ষেত্রে লেগে থাকতে হবে। যারা ইতিবাচকভাবে সহায়তা করেন তাদের সহযোগিতা গ্রহণ করুন।

সুযোগ তৈরি করুন

আপনি হয়তো বাংলা বিষয়ে পড়েছেন, দীর্ঘদিন ব্যাংকে কাজ করেছেন। এখন করপোরেট প্রতিষ্ঠানে যোগদান করতে চান। এ ক্ষেত্রে করপোরেট দুনিয়াতে আপনার কী কী সুযোগ আছে, তা জানার চেষ্টা করুন। আপনি যে খাতে নতুনভাবে নিজেকে সংযুক্ত করবেন সেই খাতে কী কী দক্ষতা প্রয়োজন হচ্ছে তা জানুন। নিজের সুযোগ নিজেই তৈরির জন্য প্রতিষ্ঠানের কাজের ধরন বুঝে কিছুটা সময় দিয়ে নিজেকে তৈরি করতে পারেন। নতুনভাবে নিজেকে আবিষ্কার করে নিজেকে নতুন পেশায় নতুনভাবে সংযুক্ত করার মানসিকতা তৈরি করুন।

বিষয়:

banner close