মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৩ উপলক্ষে গত রোববার সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এ ছাড়াও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তা জাহিদ হাসানসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। এর আগে সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনসহ ছিল নানা আয়োজন। বিজ্ঞপ্তি
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া ও শামসুন নাহার হলের ছাত্রীদের নিয়ে সাইবার সুরক্ষা ও নিরাপদ লেনদেন বিষয়ক ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজন করলো সিআইডি ও বিকাশ। ১,১০০ জন ছাত্রীর অংশগ্রহণে কর্মশালাগুলোতে ভার্চ্যুয়াল জগতে ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবায় প্রতারণার ফাঁদ এড়ানোর কৌশল বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন সিআইডি-র সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) ও বিকাশ-এর এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স এর কর্মকর্তারা।
কর্মশালাগুলোতে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) নিরাপদ ব্যবহারের নিয়মাবলি এবং সাইবার ঝুঁকির বিভিন্ন বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে পিন ও ওটিপি কারও সঙ্গে শেয়ার না করা, লোভনীয় অফারের ফিশিং লিংক চেনার উপায় এবং প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত অফিশিয়াল চ্যানেলে অভিযোগ জানানোর প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ ছাড়া ইন্টারনেটে যেকোনো তথ্য বা খবর শেয়ার করার আগে তা যাচাই করে গুজব প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
ধারাবাহিক এই কর্মসূচির প্রথম সেশনটি অনুষ্ঠিত হয় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে, যেখানে অংশ নেন প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৬৫০ ছাত্রী। এতে সাইবার পুলিশ সেন্টার, সিআইডির অ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. জাহিদুল ইসলাম, বিপিএম-সেবা, সাইবার অপরাধের ধরন, ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা, প্রতারণা ও ঝুঁকি মোকাবিলার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিপিসি, সিআইডির ডিআইজি সানা শামিনুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বিকাশ-এর ইভিপি ও হেড অব এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স মেজর এ কে এম মনিরুল করিম (অব.)।
পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া ও শামসুন নাহার হলে পৃথক দুটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ৪৫০ ছাত্রী অংশ নেন। দুটি কর্মশালাতেই প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিসি, সিআইডির ভারপ্রাপ্ত ডিআইজি মো. সাইফউদ্দিন শাহীন। সেশন দুটিতে সভাপতিত্ব করেন যথাক্রমে, রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম এবং শামসুন নাহার হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা।
পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মশালা পরিচালনা করা হবে বলে জানান আয়োজকরা।
কেবল প্রযুক্তি বা আইন প্রয়োগ নয়, নিরাপদ ডিজিটাল পরিসর গড়তে সবার আগে প্রয়োজন সচেতন ব্যবহারকারী। এই লক্ষ্যে ২০১৭ সাল থেকেই পুলিশ, ডিবি, সিআইডি, পিবিআই -এর মতো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং তাদের সহযোগিতায় দেশজুড়ে এজেন্টদের নিয়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কর্মশালা করে আসছে বিকাশ। একটি নিরাপদ ডিজিটাল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে এবার তরুণ শিক্ষার্থীদের সচেতন করার বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যা দেশজুড়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অব্যাহত থাকবে।
রাষ্ট্র মালিকানাধীন শরিয়াহভিত্তিক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর ট্রেনিং ও রিসার্চ একাডেমির আয়োজনে ‘মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ’ বিষয়ক কর্মশালা ১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান কাজি শায়রুল হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদুর রহমান সিকদার। ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চীফ অপারেটিং অফিসার আহ্মেদ জাফরুল হাসানসহ ঊর্ধ্বতন নির্বাহীগণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় মানিলন্ডারিং প্রিভেনশন অ্যাক্ট ও এন্টি টেরোরিজম অ্যাক্টসহ ক্রেডিট-ব্যাকড এবং ট্রেড-বেজড ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং তা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিভিন্ন সেশন পরিচালিত হয়।
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এবং তুরাগ অ্যাকটিভ এর মধ্যে ১১ অক্টোবর ২০২৬ইং তারিখে ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: জাফর ছাদেক, এফসিএ এবং তুরাগ অ্যাকটিভ এর সিওও জনাব মোহাম্মদ নাঈম আখতার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ্যে উক্ত সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষরের পর ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: জাফর ছাদেক, এফসিএ তুরাগ অ্যাকটিভ এর সিওও জনাব মোহাম্মদ নাঈম আখতার এর সাথে ডকুমেন্ট হস্তান্তর করেন। উক্ত চুক্তির আওতায় শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ভিসা ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ডহোল্ডারগণ এখন থেকে তুরাগ অ্যাকটিভ থেকে বিভিন্ন ধরণের পণ্যক্রয়ে ২০ শতাংশ ডিসকাউন্ট সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ব্যাংকের মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান জনাব এ. কে. এম. হাসান রহিম, হেড অব রিটেইল বিজনেস জনাব মো: খিরকিল নওয়াজ, রিটেইল ইনভেস্টমেন্ট ডিপার্টমেন্ট এর প্রধান জনাব এস. এম. মহিউদ্দীন, ব্যাংকের কার্ড ডিভিশনের প্রধান জনাব মো: রিয়াদ হোসেন, কার্ড ডিভিশনের এভিপি জনাব মো: শফিউল ইসলাম, ব্যাংকের জনসংযোগ ও ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রধান জনাব কে. এম. হারুনুর রশীদ এবং ওয়েব রাইডার্স লিমিটেড এর সিওও জনাব আহমদ মনসুর রউফ-সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে বিভাগাধীন শাখাসমূহের ব্যবসায়িক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি বিভাগীয় কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। তিনি ‘ঋণ বিতরণ বর্ষ ২০২৬’ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন, ঋণ বিতরণ কার্যক্রম জোরদার এবং শ্রেণিকৃত ঋণ আদায়ে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে ব্যাংকের সার্বিক ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক মো. নিজাম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান কার্যালয়ের আদায় বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক মো. মাহমুদুল ইসলাম।
এছাড়াও বিভাগাধীন তিনটি জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক ও জোনাল ম্যানেজার মো. গোলাম নবী, প্রকাশ কুমার সাহা ও এস এ কে এম জাকির হোসেন এবং রাজশাহী কর্পোরেট শাখার শাখা প্রধান ফাইজা আক্তারসহ সহকারী মহাব্যবস্থাপক, কর্পোরেট শাখার নির্বাহীসহ সকল শাখা ও উপশাখার ব্যবস্থাপকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা সাহিত্যের প্রসারে সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪-২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে। এতে প্রখ্যাত গবেষক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (২০২৪) এবং কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন (২০২৫) ‘আজীবন সম্মাননা’ পান।
২০২৪ সালে প্রবন্ধ ও অনুবাদে আবুল আহসান চৌধুরী, কবিতা-কথাসাহিত্যে আনোয়ারা সৈয়দ হক এবং তরুণ সাহিত্যিক হিসেবে নিজাম বিশ্বাস বিজয়ী হন। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে প্রবন্ধে নাসরীন জাহান, কবিতা-কথাসাহিত্যে শাহীন আখতার এবং তরুণ সাহিত্যিক হিসেবে মাহবুব ময়ূখ রিশাদ পুরস্কার পান। চার সদস্যের জুরি বোর্ড মোট ৯৭০টি বই থেকে বাছাই করে বিজয়ীদের নির্বাচন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ, এএমডি সৈয়দ আব্দুল মোমেন, সমকাল সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী ও টাইমস মিডিয়ার এমডি এ. কে. আজাদ। আজীবন সম্মাননায় ৫ লাখ, অন্যান্য শ্রেণিতে ৩ লাখ এবং তরুণ সাহিত্যিককে ২ লাখ টাকাসহ সম্মাননা দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং আন্তর্জাতিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এলসেভিয়ার কর্তৃক অবমুক্ত বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ গবেষকের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি) এর ১২ জন গবেষক। গত ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে এই তালিকাটি প্রকাশ করা হয়।
তালিকায় স্থান পাওয়া আইইউবিএটির গৌরবময় গবেষকেরা হলেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. গোলাম রাসুল; সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শুভাশ চন্দ্র পাল; রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও সমন্বয়কারী ড. মো. হারুন উর রশিদ; কলেজ অব অ্যাগ্রিকালচারাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম সরকার; কলেজ অব ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক ও প্রধান ড. মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা তালুকদার; ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান; মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাঈম হোসেন; ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শওকাত হোসেন; কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আলামিন তালুকদার এবং কলেজ অব নার্সিংয়ের মোস্তাক করিম খান রনি। পাশাপাশি আইইউবিএটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. মাহমুদ জোবায়ের এবং মো. মোবারক হোসেনও এই সম্মানজনক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
আইইউবিএটির এই অসাধারণ সাফল্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করেছে। বিশ্বমানের গবেষণায় অনন্য অবদান রাখা এই গুণী শিক্ষকদের অর্জন কেবল আইইউবিএটির জন্যই নয়, বরং গোটা বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা খাতের জন্য একটি গৌরবদীপ্ত প্রাপ্তি।
শিক্ষকদের এই অসামান্য কীর্তিতে আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুর রব এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস সংশ্লিষ্ট গবেষকদের আন্তরিক সাধুবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই অর্জনের পেছনে থাকা শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সাথে শিক্ষার মানোন্নয়ন, নতুন উদ্ভাবন ও প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ্বমানের পর্যায়ে ধরে রাখার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে।
উল্লেখ্য, দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ১৯৯১ সালে প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. আলিমুল্লাহ মিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি) প্রতিষ্ঠা করেন। রাজধানীর উত্তরার মনোরম সবুজ ক্যাম্পাসে অবস্থিত এই বিদ্যাপীঠটি বর্তমানে ব্যবসায় প্রশাসন, কৃষি, প্রকৌশল, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও নার্সিংসহ নানান বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের পাঠদান পরিচালনা করছে। দক্ষ, সৎ ও আন্তর্জাতিক মানের গ্র্যাজুয়েট গড়ে তোলাই আইইউবিএটির মূল লক্ষ্য।
গ্লোবাল টেকনোলজি ব্র্যান্ড ও বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড শাওমি, ‘পূজার ফেস্ট, শাওমি’তে বেস্ট’ স্লোগানে বিশেষ পূজা ক্যাম্পেইন নিয়ে এসেছে। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ক্রেতারা নির্ধারিত শাওমি ফোনে বাড়তি খরচ ছাড়াই কার্ডবিহীন কিস্তি সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। দুর্গাপূজার উৎসবমুখর উদযাপনে বাড়তি আনন্দ যোগ করতে স্মার্টফোন কেনাকাটাকে আরও সহজলভ্য করা শাওমির লক্ষ্য।
উৎসবের মৌসুমে প্রযুক্তিকে সবার হাতের নাগালে নিয়ে আসতে এই ক্যাম্পেইনে নির্ধারিত কিছু শাওমি স্মার্টফোনে আকর্ষণীয় অফারের পাশাপাশি, বাড়তি খরচ ছাড়াই কার্ডবিহীন কিস্তি সুবিধা নিয়ে আসা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাড়তি ইন্টারেস্টের চাপ ছাড়াই ক্রেতারা তাদের পছন্দের স্মার্টফোন কিনতে পারবেন, যা তাদের পূজার কেনাকাটা আরও স্বাচ্ছ্যন্দময় করে তুলবে।
পূজার উদ্দীপনা আরও বাড়াতে নোট সিরিজের নতুন রেডমি নোট ১৭ ফাইভজি নিয়ে এসেছে শাওমি। ডিভাইসটিতে শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৪ জেন ৫ চিপসেট, সুবিশাল ৭,৭০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি ও ৪৫ ওয়াট টার্বো চার্জিং ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য স্মুথ স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, স্মার্টফোনটিতে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই প্রোটেকশন সহ ৬.৯৯ ইঞ্চি অ্যামোলেড ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। রেডমি নোট ১৭ ফাইভজি একটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে (৮ জিবি + ২৫৬ জিবি) পাওয়া যাচ্ছে, যার দাম ৪২,৯৯৯ টাকা মাত্র।
এই ক্যাম্পেইনের আওতায়, রেডমি নোট ১৭ প্রো সিরিজ কেনার মাধ্যমে ক্রেতারা কার্ডলেস ইএমআই সুবিধার পাশাপাশি, ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধা পাবেন। এছাড়াও, আকর্ষণীয় পুরস্কারসহ রেডমি হেডফোন নিও, রেডমি বাডস ৮ লাইট ও ব্যাগ বান্ডেল (ট্রাভেল ব্যাগ + থার্মাল ফ্লাস্ক) উপভোগ করতে পারবেন।
৭৫% ডাউন পেমেন্টে কোনো বাড়তি খরচ ছাড়াই বাকি ২৫% টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করে ক্রেতারা রেডমি নোট ১৭ ৫জি (৮ জিবি + ২৫৬ জিবি) কিনতে পারবেন। এর সঙ্গে থাকছে একটি রেডমি বাডস ৬ প্লে সম্পূর্ণ ফ্রি। এছাড়া, রেডমি নোট ১৭ (৮ জিবি + ২৫৬ জিবি), রেডমি নোট ১৭ (৬ জিবি + ১২৮ জিবি) এবং রেডমি এ৭ (৩ জিবি + ৬৪ জিবি) স্মার্টফোনগুলো কেনার ক্ষেত্রেও ৭৫% ডাউন পেমেন্ট দিয়ে বাকি ২৫% টাকা কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই ৩–৪ মাসের কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ থাকছে। পূজা উপলক্ষে যারা স্মার্টফোন আপগ্রেড করার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এই বিশেষ অফারটি হতে পারে আকর্ষণীয় একটি সুযোগ।
ক্যাম্পেইনের আনন্দ আরও বাড়াতে, শাওমি ১৭টি ও রেডমি নোট ১৫ প্রো প্লাস ফাইভজিতে ক্রেতাদের জন্য থাকছে একটি ফ্রি রেডমি বাডস ৬ প্লে, যা উৎসবপ্রেমী ক্রেতাদের শাওমির স্মার্ট ডিভাইস ইকোসিস্টেমের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে।
এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “শাওমিতে প্রযুক্তি ও স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা সবার জন্য সহজলভ্য করা সবসময়ই আমাদের মূল লক্ষ্য। পূজা ফেস্ট ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বাড়তি খরচ ছাড়াই কার্ডবিহীন কিস্তি সুবিধা ও আকর্ষণীয় অফারের মাধ্যমে আমরা উৎসবের কেনাকাটাকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে চাই। বাড়তি সুবিধা, আনন্দ ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শাওমি ফ্যানরা যেন সহজেই তাদের পছন্দের প্রযুক্তি পেতে পারেন তার জন্যই এই ক্যাম্পেইন।”
সহজ পেমেন্ট সুবিধা, ক্যাশব্যাক ও ফ্রি উপহারের সমন্বয়ে শাওমির পূজা ক্যাম্পেইন স্মার্টফোন কেনাকাটায় নতুন মাত্রা যোগ করবে, যা বাংলাদেশি ক্রেতাদের কাছে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্র্যান্ডটির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং টেকসই ব্যবসায়িক কার্যক্রমে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে “উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও গ্রিন ব্যাংকিং” বিষয়ে দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করেছে এনসিসি ব্যাংক। নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের জন্য ব্যাংকিং ও অর্থায়ন সুবিধা আরও সহজলভ্য করার ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এনসিসি ব্যাংকের দেশব্যাপী বিস্তৃত সকল শাখা ও উপ-শাখার মাধ্যমে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। ৩০০০ জন নারী উদ্দোক্তাকে প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ৯৯টি শাখায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে এবং এতে মোট ২,৪৯০ জন নারী উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেছেন।
সম্প্রতি ব্যাংকের এলিফ্যান্ট রোড শাখায় আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ইভিপি ও সাসটেইনেবল ব্যাংকিং এবং উইমেন’স ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান নিঘাত মমতাজ এবং এসইভিপি ও আউটস্কার্টস ঢাকা রিজিয়নের রিজিওনাল হেড মো. জসিমউদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের এলিফ্যান্ট রোড শাখার ভিপি ও হেড অব বিজনেস অ্যান্ড ব্রাঞ্চ হেলাল উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনসিসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, নারী গ্রাহকদের জন্য পরমা-তে রয়েছে বিশেষায়িত নারী ব্যাংকিং সেবা, আকর্ষণীয় সঞ্চয় ও অর্থায়ন সুবিধা—যা তাদের আর্থিক অগ্রযাত্রাকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠা ও সম্প্রসারণে ব্যাংকের দায়িত্ব শুধু অর্থায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; উপযুক্ত আর্থিক পরামর্শ, সহজ ব্যাংকিং সেবা ও ডিজিটাল সমাধানের মাধ্যমে তাদের ব্যবসায়িক সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।তিনি আরও বলেন, এনসিসি ব্যাংক নারী উদ্যোক্তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংকিং ও অর্থায়ন সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি “এনসিসি অলওয়েজ” অ্যাপ, ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট ওপেনিং ও বাংলঅ কিউআর-এর মতো প্রযুক্তিনির্ভর সেবা দিচ্ছে। এসব সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসার লেনদেন আরও সহজ, নিরাপদ ও গতিশীল করতে পারবেন।
এনসিসি ব্যাংকের ইভিপি ও হেড অব সাসটেইনেবল ব্যাংকিং এবং উইমেন’স ব্যাংকিং নিঘাত মমতাজ বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়নে অর্থায়নের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দক্ষতা, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন উদ্যোগে ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, ব্যাংকের শাখা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশব্যাপী পরিচালিত এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির লক্ষ্য হলো নারী উদ্যোক্তাদের উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও গ্রিন ব্যাংকিং বিষয়ে ব্যবহারিক জ্ঞান বৃদ্ধি এবং টেকসই ব্যবসায়িক চর্চায় উৎসাহিত করা। এছাড়াও তিনি এনসিসি ব্যাংকের গ্রিন ব্যাংকিং রিফাইন্যান্স সুবিধা এবং পরমার কনভেনশনাল ও ইসলামিক ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন পণ্যের কথা তুলে ধরেন, যা আকর্ষণীয় হারে নারী উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনভিত্তিক আর্থিক সমাধান প্রদান করছে।
কর্মীদের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক ডিজিটাল সম্পদ সুরক্ষায় দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি। জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে রাজধানীর লালমাটিয়াস্থ ব্যাংক এশিয়া ইনস্টিটিউট ফর ট্রেনিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিএআইটিডি)-এ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ সাব্বির হোসেন এবং এতে সেশন পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক (আইসিটি) জনাব এস এম তোফায়েল আহমেদ। সেশনে সাইবার নিরাপত্তা সুশাসন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রত্যাশা, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব, সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি, কর্মীদের দায়দায়িত্ব এবং উত্তম নিরাপত্তাচর্চা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা উপস্থাপন করা হয়।
ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের টিম-লিডার, বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও শাখা প্রধানগণ সরাসরি প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন এবং অন্যান্য কর্মীবৃন্দ অনলাইনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।
ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা মাস উপলক্ষে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা নারীদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ১১ই অক্টোবর থেকে ১৮ই অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত, শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিনামূল্যে স্তন স্বাস্থ্য পরীক্ষা কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।
ব্রেস্ট ক্যান্সার নারীদের মধ্যে একটি সাধারণ রোগ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ জীবন রক্ষা করতে পারে। এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে নারীরা হাসপাতালের ব্রেস্ট ক্লিনিক ও মাস্টার হেলথ চেক ইউনিটে এসে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তাদের স্তন স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন। পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে প্রাথমিক শারীরিক পরীক্ষা, পরামর্শ, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় পরবর্তী চিকিৎসা পরামর্শ।
এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার মেডিক্যাল অনকোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. ফেরদৌস শাহরিয়ার সাঈদ বলেন, “বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্তন ক্যান্সার দেরিতে শনাক্ত হওয়ার কারণে চিকিৎসা জটিল হয়ে পড়ে। অথচ নিয়মিত স্ব-পরীক্ষা এবং বছরে একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা অনেক নারীর জীবন বাঁচাতে পারে। এভারকেয়ার এই বার্তাটিই দিতে চায়- সচেতন হোন, নিজেকে সময় দিন।”
এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য্য বলেন, “আমরা চাই প্রতিটি নারী নিজের যত্ন নেওয়াকে অগ্রাধিকার দিক। অনেক সময় পরিবার, কাজ বা সামাজিক ব্যস্ততার কারণে নারীরা নিজের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে পারেন না অথচ সুস্থ থাকাটাই পুরো পরিবারের শক্তি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা নারীদের সেই যত্ন ও সচেতনতার পথে এক ধাপ এগিয়ে নিতে চাই।”
গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ বলেন, "এভারকেয়ার হসপিটালস-এ, আমরা বিশ্বাস করি যে প্রাথমিক চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষত স্তন ক্যান্সারের মতো রোগের ক্ষেত্রে। এই ফ্রি ব্রেস্ট হেলথ চেকআপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা নারীদের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিতে এবং সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করতে চাই। প্রাথমিক শনাক্তকরণ এবং সচেতনতা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। আমরা নারীদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে সবসময় তাদের পাশে আছি এবং তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে সর্বোচ্চ মানের সেবা প্রদান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১২,০০০-এর বেশি নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন, যাদের বড় অংশই চিকিৎসা নেন রোগের একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাথমিক শনাক্তকরণ ও সচেতনতা বৃদ্ধিই হলো ক্যান্সার প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর কৌশল। এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা বিশ্বমানের চিকিৎসা, অত্যাধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা, অভিজ্ঞ অনকোলজিস্ট এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক কেয়ার মডেলের মাধ্যমে নারীর সার্বিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিস্তারিত জানতে বা চেকআপ বুকিংয়ের জন্য, নারীদের এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা -এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
সম্প্রতি ২১টি ফিনটেক উদ্যোগকে সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে গত ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হলো ৪র্থ বাংলাদেশ ফিনটেক অ্যাওয়ার্ড ২০২৬। মাস্টারকার্ডের সৌজন্যে, ঢাকা ব্যাংক পিএলসির সঞ্চালনায় এবং উপায়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ১৩টি ক্যাটেগরিতে ১৩টি উদ্যোগ উইনার এবং ৮টি উদ্যোগ অনারেবল মেনশন মর্যাদা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ফিনটেক ফোরামের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই গালায় দেশের আর্থিক প্রযুক্তি খাতকে এগিয়ে নেওয়া উদ্যোগগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
উদ্ভাবনের মাধ্যমে আর্থিক সেবার মান উন্নয়ন, আরও বেশি মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং দেশের ডিজিটাল আর্থিক খাতের অগ্রগতিতে অবদান রাখা উদ্যোগগুলোকে সম্মাননা দেওয়াই এই আয়োজনের লক্ষ্য।
এ বছর সম্মাননাটির জন্য ২০৭টি মনোনয়ন জমা পড়ে। অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত ৪টি গ্র্যান্ড জুরি প্যানেলের মাধ্যমে মনোনয়নগুলো ধাপে ধাপে পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা হয়। খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে উইনার এবং অনারেবল মেনশন নির্বাচন করা হয়।
স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের প্রতিষ্ঠাতা শরিফুল ইসলাম বলেন, “ফিনটেক উদ্ভাবনের মূল্য নির্ভর করে তা মানুষ ও ব্যবসার জন্য কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে, তার ওপর। আর্থিক সেবাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর করতে যেসব দল কাজ করছে, এই সম্মাননা তাদের প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। আমরা আশা করি, তাদের অর্জন মানুষের বাস্তব প্রয়োজন মেটাতে পারে এমন নতুন ধারণায় বিনিয়োগ বাড়াবে এবং বাংলাদেশের আর্থিক ভবিষ্যৎকে আরও শক্তিশালী করবে।”
দিনের প্রথম ভাগে একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হয় ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ ফিনটেক সামিট। দিনব্যাপী এই আয়োজনে ব্যাংকিং ও ফিনটেক খাতের শীর্ষ কর্মকর্তা, বিনিয়োগকারী, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, স্টার্টআপ উদ্যোক্তা এবং শিক্ষক ও গবেষকরা অংশ নেন।
সামিটে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য আর্থিক অবকাঠামো গড়ে তোলা, আরও বেশি মানুষকে আর্থিক সেবার আওতায় আনা এবং গ্রাহকের আস্থা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ বছরের সামিট অনুষ্ঠিত হয় ২টি কিনোট সেশন, ৩টি প্যানেল ডিসকাশন, ১টি এক্সপার্ট ডিপ ডাইভ, ১টি ইনসাইট সেশন এবং ১টি কেইস স্টাডির সমন্বয়ে।
কিনোট সেশনগুলোতে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নওশাদ হুসেইন, চিফ ব্যাংকিং অ্যান্ড নেটওয়ার্ক অফিসার, ট্রান্সফাই গ্লোবাল; ফর্মার গ্রুপ চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার, লাইটনেট গ্রুপ; ফর্মার মেম্বার অব দ্য বোর্ড অব ডিরেক্টরস, ইনসেপশন টেকনোলজি কো. লিমিটেড; ফর্মার ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব গ্লোবাল রিটেইল পেমেন্টস, সিআইএমবি গ্রুপ; খুয়ান ইউ লি, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, রিজিওনাল হেড অব প্রোডাক্ট, জিএক্সব্যাংক, জিএক্সএস ব্যাংক অ্যান্ড গ্র্যাব; ফর্মার সিনিয়র প্রোডাক্ট লিডার, গ্লোবাল পেমেন্টস ফর আলিবাবা, অ্যান্ট গ্রুপ।
নওশাদ হুসেইনের কিনোট সেশনে আঞ্চলিক ব্যাংকিং খাতের পরিবর্তন ও পারস্পরিক সংযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। খুয়ান ইউ লির কিনোট সেশনে গ্রাহকের আস্থা অর্জন করে একটি ডিজিটাল ব্যাংক গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। অন্যান্য আলোচনায় উঠে আসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল ব্যাংকিং, নগদবিহীন লেনদেন, বিভিন্ন আর্থিক সেবার মধ্যে সংযোগ, নিরাপদ আর্থিক অবকাঠামো এবং দায়িত্বশীল উদ্ভাবনের জন্য প্রয়োজনীয় নীতি ও তদারকির বিষয়গুলো।
মাস্টারকার্ডের সৌজন্যে, ঢাকা ব্যাংক পিএলসির সঞ্চালনায় এবং উপায়ের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ফিনটেক সামিটের ৬ষ্ঠ ও বাংলাদেশ ফিনটেক অ্যাওয়ার্ডের ৪র্থ সংস্করণটি বাংলাদেশ ফিনটেক ফোরামের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনে ছিল বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম। সাপোর্টেড বাই - ব্রেইন স্টেশন ২৩; ইনোভেশন পার্টনার - বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভ; অফিশিয়াল ক্যারিয়ার পার্টনার - টার্কিশ এয়ারলাইন্স; হসপিটালিটি পার্টনার - র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেল, ঢাকা; এবং পিআর পার্টনার - ব্যাকপেজ পি আর।
মানসিক স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করতে ‘হিলিং কল’ নামে একটি উদ্যোগ চালু করেছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। এখন থেকে গার্ডিয়ানের কল সেন্টার ১৬৬২২-তে ফোন করে ৮ চাপলে মানসিক সহায়তা হেল্পলাইন ‘কান পেতে রই’ এবং ‘দ্যা পার্পললাইন’-এর পেশাজীবীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারবেন সেবাগ্রহীতারা। প্রতিদিন দুপুর ৩টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত এই সেবা পাওয়া যাবে। মানসিক চাপ, উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা ও ব্যক্তিগত নানা বিষয়ে তাঁদের কাছ থেকে পরামর্শ ও সহায়তা নেওয়া যাবে।
বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য এখনও অনেকের কাছে একটি ট্যাবু ও সংবেদনশীল বিষয়। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথ-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় তিন কোটি মানুষ কোনো না কোনো ধরনের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। সামাজিক নেতিবাচক ধারণা ও অন্যের সমালোচনার শিকার হওয়ার ভয়ে অনেকেই নিজের সমস্যার কথা বলতে বা প্রয়োজনীয় সহায়তা নিতে সংকোচ বোধ করেন।
‘হিলিং কল’-এর মাধ্যমে এমন একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে মানসিক চাপ বা ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তার সময়ে নির্ভয়ে নিজের মনের কথা জানানো যায়। অনেকেরই হয়তো মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলার মতো কেউ নেই। তাঁদের জন্য ‘হিলিং কল’ হতে পারে প্রয়োজনের সময়ে সহায়তা পাওয়ার একটি নির্ভরযোগ্য ও সহজ মাধ্যম।
আর্থিক সুরক্ষার পাশাপাশি মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার বিষয়টিও সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখে গার্ডিয়ান। এরই অংশ হিসেবে চালু করা হয়েছে ‘হিলিং কল’। আরও বেশি মানুষের কাছে সহজে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কল সেন্টার, অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মতো নিজেদের প্ল্যাটফর্মগুলো কাজে লাগাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
‘কান পেতে রই’ ও ‘দ্যা পার্পললাইন’-এর সঙ্গে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের পরিধি ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে গার্ডিয়ানের। মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করা আরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবীদের এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলে দেশের আরও বেশি মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় মানসিক সহায়তা পৌঁছে দিতে চায় গার্ডিয়ান।
আকর্ষণীয় ডিজাইন, শক্তিশালী ব্যাটারি ও টেকসই গঠনের পাশাপাশি ভিভো ওয়াই৩২ কেনার অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও আনন্দদায়ক করতে থাকছে বিশেষ প্রি-অর্ডার সুবিধা। বাংলাদেশে ৭ থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত ক্রেতারা ফোনটি অগ্রিম বুকিং দিয়ে এই সুবিধাগুলো উপভোগ করতে পারবেন।
কেনাকাটা আরও সহজ করতে প্রি-অর্ডার চলাকালে হায়ার পারচেজ সুবিধা দিচ্ছে ভিভো। আর্থিক যাচাই ও প্রযোজ্য শর্তসাপেক্ষে ক্রেতারা ন্যূনতম ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে সর্বোচ্চ ৯ মাসের কিস্তিতে ফোনটি কিনতে পারবেন।
প্রি-অর্ডার করা ক্রেতারা লাকি ড্রয়ের মাধ্যমে জিতে নিতে পারবেন রিরো প্যাড, ডব্লিউ২০ স্মার্টওয়াচ, এস৯০ পাওয়ার ব্যাংক অথবা চার বছরের ব্যাটারি ওয়ারেন্টি। পাশাপাশি, নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী প্রত্যেক ক্রেতা নিশ্চিত উপহার হিসেবে পাবেন সিলভার মেম্বারশিপ।
ভিভো ওয়াই৩২-এর অন্যতম আকর্ষণ এর শক্তিশালী ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ারের ব্লুভোল্ট ব্যাটারি, যা সারাদিন নির্ভরযোগ্যভাবে ফোন ব্যবহারের সুযোগ দেয়। ব্যবসায়িক কাজ, অফিসের মিটিং, গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ কিংবা চলার পথে কাজের জন্যও ফোনটি দীর্ঘ সময় ব্যবহারের উপযোগী।
ফোনটিতে রয়েছে এমন ব্যাটারি প্রযুক্তি, যা ছয় বছর পর্যন্ত ভালো পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারে এবং ১,৫০০ বার চার্জ দেওয়ার পরও ব্যাটারির অন্তত ৮০ শতাংশ সক্ষমতা বজায় রাখে। দ্রুত চার্জের জন্য রয়েছে ৪৪ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা। এমনকি ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেও ফোনটি দিয়ে টানা ১৪ ঘণ্টা নেভিগেশন, ২০ ঘণ্টা শর্টস ভিডিও দেখা এবং ৩৬ ঘণ্টা কথা বলা সম্ভব।
নকশাতেও রয়েছে বাংলাদেশের প্রাণবন্ত পরিবেশের ছাপ। টুইলাইট রেড রঙে ফুটে উঠেছে ঢাকার প্রাণবন্ত নগরজীবনের উষ্ণ ও উদ্যমী রঙ, আর সানসেট অরেঞ্জ অনুপ্রাণিত কক্সবাজারের উপকূলীয় সূর্যাস্তের উজ্জ্বল রঙে। এর সঙ্গে রয়েছে ধাতব ক্যামেরা নকশা ও ডায়নামিক লাইট।
দৈনন্দিন ব্যবহারে বাড়তি সুরক্ষার জন্য ফোনটিতে রয়েছে আইপি৬৮ ও আইপি৬৯ ধুলা ও পানি প্রতিরোধী সক্ষমতা এবং অ্যান্টি-ড্রপ আর্মার নকশা। ফোনটি সর্বোচ্চ ৩ মিটার পানিতে ৩০ মিনিট পর্যন্ত ডুবে থাকলেও টিকে থাকতে পারে।
দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি, আকর্ষণীয় ডিজাইন ও টেকসই গঠনের সমন্বয়ে ভিভো ওয়াই৩২ হতে পারে দৈনন্দিন কাজ, ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও বিনোদনের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। এর ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ারের ব্লুভোল্ট ব্যাটারি এবং সহজে কেনার সুবিধা ফোনটিকে দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য আরও উপযোগী করে তুলেছে।