রোববার, ৪ জুন ২০২৩

দ্বিতীয় মেয়াদে ইউজিসি চেয়ারম্যান হলেন অধ্যাপক শহীদুল্লাহ

অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ। ফাইল ছবি
আপডেটেড
২৫ মে, ২০২৩ ২১:৩৮
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান পদে দ্বিতীয়বারের মতো নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ্। প্রথম মেয়াদ শেষ হওয়ার দিনই নিয়োগ পেলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র বলছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি ইউজিসি চেয়ারম্যান নিয়োগের জন্য অধ্যাপক শহীদুল্লাহ্, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশীদ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমানের নাম যায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাতার সফর থেকে ফিরে বৃহস্পতিবার অধ্যাপক শহীদুল্লাহ্কে নিয়োগ দিয়ে ফাইলে সাক্ষর করেন।

চার বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছেন তিনি। আগামী রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

এর আগে ইউজিসিতে একজনই কেবল দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি অধ্যাপক ড. এম এ বারী। ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। কমিশনের ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে চেয়ারম্যান হলেন অধ্যাপক শহীদুল্লাহ।


রাবিতে বিড়ালের র‍্যাম্প শো

শনিবার সকাল ১০টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ ভবনে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় বিড়ালের ‘র‍্যাম্প শো’। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ৩ জুন, ২০২৩ ২২:০৯
প্রতিনিধি, রাবি

প্রিয় পোষ্যর প্রতি ভালোবাসাই বলুন অথবা আদিখ্যেতা- কোনোটিই কিন্তু কম থাকে না। তাই তো এদের সৌন্দর্য ও কর্মকাণ্ড সবার সামনে উপস্থিত করতে যেন মুখিয়ে ছিলেন এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী। আর রাজশাহী ইউনিভার্সিটি এগ্রিকালচারাল ক্লাব সেই সুযোগটিই করে দিল তাদের জন্য।

শনিবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ ভবনে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় বিড়ালের ‘র‍্যাম্প শো’ ও ‘যেমন খুশি তেমন সাজাও’ প্রতিযোগিতা। এতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী জেলার প্রায় ৭০ জন প্রতিযোগী রেজিস্ট্রেশন করেন।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, এ প্রতিযোগিতায় র‍্যাম্প শো ও বিড়ালকে বিভিন্ন উপায়ে সাজানোর ওপর ভিত্তি করে ছয়জন বিজয়ীকে সনদ ও ক্রেস্ট দেয়া হয়। এ ছাড়া র‍্যাম্প শো শেষে ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়।

সরেজমিন দেখা যায়, র‍্যাম্প শোতে অংশ নিতে আসা বিড়ালগুলোকে বিভিন্ন রকম করে সাজিয়ে এনেছেন প্রতিযোগীরা। কোনোটির চোখে সানগ্লাস, গায়ে শাড়ি, গলায় বিভিন্ন রঙের ফিতা। কোনোটির আবার গায়ে দামি পোশাক, মাথায় টুপি, কোমরে বেল্ট। বৈচিত্র্যপূর্ণ সাজে সজ্জিত এসব বিড়ালকে নিয়ে পুরো অনুষ্ঠান হয়ে উঠেছিল জমজমাট।

একটি বিড়ালকে বর, আরেকটিকে রানি এলিজাবেথ সাজিয়ে ‘যেমন খুশি তেমন সাজাও’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন সাবা সরকার। তিনি বলেন, ‘র‍্যাম্প শো দারুণ এক প্রতিযোগিতা। আমি এই প্রথম এমন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছি। আমার বিড়ালও এখানে খুব ভালো পারফর্ম করেছে।’

রাজশাহীর হেতেম খাঁ বড় মসজিদ থেকে এসেছেন সানজিদা সাজ্জাদ ঐশী। তিনি তার বিড়ালকে চিকিৎসক সাজিয়ে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি জানান, অসম্ভব সুন্দর একটা প্রোগ্রাম ছিল। তার বিড়ালও অনেক উপভোগ করেছে।

বিড়ালকে চিত্রনায়িকা পরীমনি সাজিয়ে পুরস্কার পেয়েছেন রিদিতা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার বিড়াল খুবই শান্তশিষ্ট। তাকে আজকে পরীমনি সাজিয়ে এখানে প্রদর্শন করা হয়েছে। দারুণ পারফর্ম করেছে আমার বিড়াল। তার ভালো পারফরম্যান্সে পুরস্কার পেয়েছি আমি।’

এ প্রতিযোগিতার আয়োজক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এগ্রিকালচারাল ক্লাবের সভাপতি মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা রাজশাহীতে প্রথমবারের মতো বিড়ালের র‍্যাম্প শো আয়োজন করেছি। রাজশাহীতে যারা বিড়াল পোষে তাদের একটা মিলনমেলা করাই আমাদের আসল উদ্দেশ্য ছিল। এ ছাড়া আমরা অংশগ্রহণকারী বিড়ালগুলোকে ফ্রি মেডিকেল চেকআপ, ভ্যাকসিন ও ডিওয়ার্মিং মেডিসিন দিয়েছি। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পশুপ্রেমীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়বে, তথ্যের আদান-প্রদান হবে, পশুপ্রেমীর সংখ্যা বাড়বে- এমনটিই মনে করি আমরা।’

এ প্রোগ্রামের আন্তর্জাতিক সমন্বয়ক ছিলেন ইন্টারন্যাশনয়াল সোসাইটি অব অ্যাপ্লাইড ইথোলজি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন সরদার, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলিম, ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিভাগের সভাপতি ড. মোইজুর রহমান, এগ্রিকালচারাল ক্লাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদসহ প্রায় তিন শতাধিক দর্শক।


গুচ্ছের নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু আগস্টে

ফাইল ছবি
আপডেটেড ৩ জুন, ২০২৩ ২০:১৩
প্রতিবেদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করে আগস্টে ক্লাস শুরু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন গুচ্ছ ভর্তি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক।

শনিবার গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

অধ্যাপক ইমদাদুল হক বলেন, ‘আমরা সফল ও সুন্দরভাবে এবারের গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা শেষ করতে পেরেছি। পরীক্ষার পরপরই ইতোমধ্যে দুইটি ইউনিটের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। তিনদিনের মধ্যে আমরা ‘এ’ ইউনিটের ফলও প্রকাশ করব। জুলাইয়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করব। আর আগস্টে ক্লাস শুরু হবে।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আগে যেসব অসঙ্গতি ছিল, এই বছর তা নেই। এখন পর্যন্ত আমাদের কোনো ঝামেলায় পড়তে হয়নি। সবকিছু সুন্দরভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। আশা করি বাকি কার্যক্রমগুলোও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারব। আগস্টের মধ্যে ক্লাস শুরু করে করোনাকালীন যে সেশনজট সৃষ্টি হয়েছে তা আমরা অন্তত ৬ মাস কমিয়ে আনতে চাই।’


গুচ্ছ পরীক্ষায় ‘প্রেমিকার’ সঙ্গে দেখা করতে এসে যুবক আটক

আটকের পর সাইফুল্লাহর কাছ থেকে মুচলেখা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ৩ জুন, ২০২৩ ২০:১১
প্রতিবেদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের বিজ্ঞান শাখার ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে এসে এক যুবক আটক হয়েছেন। তিনি ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের পঞ্চম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। অন্যের প্রবেশপত্র নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করায় তাকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা চলাকালে তাকে আটক করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত ক্ষমা চেয়ে তিনি ছাড়া পান।

আটক ওই পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীর বাড়ি রাজশাহীর তানোর উপজেলায়।

তিনি জানান, তার প্রেমিকা ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান অনুষদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছিল। প্রেমিকার সঙ্গে মামা পরীক্ষার কেন্দ্রে আসায় দেখা করার সুযোগ পাননি তিনি। প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করার জন্য তিনি তার রুমমেটকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রের সামনে অবস্থান করা এক শিক্ষার্থীর প্রবেশ পত্র নিয়ে কেন্দ্রে ঢোকে। সে দশ মিনিটের জন্য ওই শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রটি ধার নেয়। দেখা করে বের হওয়ার সময় দায়িত্বরত কর্মকর্তারা তাকে আটক করে।

তিনি বলেন, ‘মামার সঙ্গে পরীক্ষা দিতে আসায় বাইরে আমরা দেখা করতে পারিনি। তাই বাধ্য হয়ে একজনকে অনুরোধ করে তার অ্যাডমিট কার্ড ধার করে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে দেখা করেছি। এতে আমার অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল না।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আবেগের বশবর্তী হয়ে ছেলেটি এ ধরনের কাজ করেছে। সে এই অপরাধের জন্য লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছে। ভবিষ্যতে সে আর এমন কাজ করবে না বলে জানিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে লিখিত প্রতিশ্রুতি নিয়ে তাকে আমরা ছেড়ে দিয়েছি।’


‘এ’ ইউনিটের মাধ্যমে গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা শেষ হচ্ছে আজ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ৩ জুন, ২০২৩ ১২:৪৮
প্রতিনিধি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ও বিবিএ প্রথম বর্ষের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বিজ্ঞান শাখার এই ইউনিটের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ বছরের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা। ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি কেন্দ্রে একযোগে শনিবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়ে ১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা ব্যাপী এ ভর্তি পরীক্ষা চলবে।

‘এ’ ইউনিটে অংশ নিচ্ছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৯৩৩ পরীক্ষার্থী। মোট আসন ৯ হাজার ৮৭৫টি। ফলে আসন প্রতি লড়বেন ১৭ পরীক্ষার্থী। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে মোট ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষায় প্রতি প্রশ্নের সঠিক উত্তরে নম্বর থাকবে এক। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে দশমিক ২৫ নম্বর। ১০০ নম্বরের এ ভর্তি পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৩০।

বরাবরের মতোই আবেদনকারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেয়ার জন্য কেন্দ্র হিসেবে পছন্দ করেছেন। কেন্দ্রটিতে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৫৬ হাজার ৫৩৬ জন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, নটরডেম কলেজ, উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ, ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ ও গভ. কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স এই আটটি উপকেন্দ্রে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এবছর গুচ্ছের শেষ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

শনিবার সকাল ৯টা থেকেই শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রে প্রবেশ করেছে। তবে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে নির্ধারিত রুম খোলা হয়। প্রবেশপত্র ও নির্দেশিত অন্যান্য কাগজপত্র প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। কোনো ব্যাগ, মোবাইল কিংবা ইলেকট্রনিকস ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।

এদিকে বাস-ট্রাক-লেগুনা ও রিকশার কারণে সৃষ্ট যানজটের ফলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পৌঁছাতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী সবগুলো রাস্তায় অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের ভিড়ের কারণে যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে। এর ফলশ্রুতিতে মারাত্মক অসুবিধা পড়েছে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা যাত্রীরাও।

এছাড়াও প্রচন্ড দাবদাহে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীরা। তাদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী ভিক্টোরিয়া পার্কে গাছের ছায়ার তলে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। পরীক্ষার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে যানজটের ফলে ভোগান্তিতে পড়ে তীব্র সমালোচনা করছেন পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।

ভর্তি পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত ভাড়া শিক্ষার্থীদের গুনতে হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ নিয়ে বেশ কিছু রিকশাচালক অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে।

ফারুক মিয়া নামের এক রিকশাচালক বলেন, ‘১০-২০ টাকাই তো বেশি চাই। রাস্তা ঘাটে বহুত জ্যাম। একবার ভার্সিটির ওইদিক গেলে সারাদিন লাইগা যায়।’

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের সন্তানরা জ্যামের কারণে পরীক্ষার হলে পর্যন্ত ঢুকতে পারছে না। বাস-রিকশাসহ অনান্য যানবাহন একেবারেই গেটের কাছে যার কারনে জ্যাম বেধে একেবারে নাজেহাল অবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রচণ্ড এই গরমে এমনিতেই মানুষের এত ভিড়, তার মধ্যে এমন জ্যাম।’

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা শিক্ষার্থী হৃদয় মিত্র বলেন, ‘পরীক্ষা শুরুর ৪ ঘণ্টা আগে মোহাম্মদপুর থেকে রওনা দিয়েছি, পরীক্ষা শুরু হতে আরও ৩০ মিনিট বাকি। এই গরমে এভাবে জ্যাম ঠেলে এসে পরীক্ষা দিতে আর মনোবল থাকে না।’

গুচ্ছভুক্ত ২২টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকা), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (কুষ্টিয়া), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিলেট), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুলনা), হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (দিনাজপুর), মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (টাঙ্গাইল), নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোয়াখালী), কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুমিল্লা), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ), যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যশোর), বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (রংপুর), পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবনা), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোপালগঞ্জ), বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (বরিশাল), রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাঙ্গামাটি), রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ (সিরাজগঞ্জ), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি (গাজীপুর), শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় (নেত্রকোনা), বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (জামালপুর), পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পটুয়াখালী), কিশোরগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কিশোরগঞ্জ) এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চাঁদপুর)।


কবি নজরুল কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ওয়াসিম রানা। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

রাজধানীর পুরান ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়াসিম রানার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে অচেতন অবস্থায় ওয়াসিম রানাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তার মৃত্যুর বিষয়টি দৈনিক বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া।

তিনি বলেন, ‘ওয়াসিম রানাকে অচেতন অবস্থায় ঢামেকে আনা হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আমরা জানতে পেরেছি তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন প্রাথমিকভাবে সেটি জানা যায়নি। মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি বংশাল থানাকে জানানো হয়েছে।’

ওয়াসিম রানা কবি নজরুল কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন। তিনি রাজধানীর নিমতলীর চানখাঁরপুর এলাকায় থাকতেন। তার বাড়ি বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায়।

রানার মৃত্যুর খবর পেয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসেন এবং শোক জানান।


গুচ্ছের শেষ পরীক্ষা শনিবার, এক-তৃতীয়াংশ পরীক্ষার্থীই ঢাকায়

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের ভিড়। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

বিজ্ঞান শাখার ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে শনিবার শেষ হচ্ছে দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ও বিবিএ প্রথম বর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা। ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি কেন্দ্র একযোগে এ ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কমিটি সূত্রে জানা যায়, চলতি শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ও বিবিএ প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় মোট তিন লাখ তিন হাজার ২৩১টি আবেদন জমা হয়েছে। এদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেয়ার জন্য কেন্দ্র হিসেবে পছন্দ করেছেন ৯৩ হাজার ৫২২ জন শিক্ষার্থী, যা মোট আবেদনকারীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার আচার্য্য জানান, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান শাখার ‘এ’ ইউনিটে এক লাখ ৬৬ হাজার ৯৩৩টি, মানবিক শাখার ‘বি’ ইউনিটে ৯৬ হাজার ৪৩৪টি ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ‘সি’ ইউনিটে ৩৯ হাজার ৮৬৪টি আবেদন জমা পড়েছে।

ড. উজ্জ্বল বলেন, আবেদনকারীদের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেয়ার জন্য কেন্দ্র হিসেবে পছন্দ করেছেন ৯৩ হাজার ৫২২ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ৫৬ হাজার ৫৩৬ জন, ‘বি’ ইউনিটে ২১ হাজার ৬৫ জন ও ‘সি’ ইউনিটে ১৫ হাজার ৯২১ জন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১২ হাজার ৮৪৫ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেয়ার ধারণক্ষমতা রয়েছে। এর বাইরে এই কেন্দ্রের অধীনে পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন উপকেন্দ্রে আসন বিন্যাস করা হয়। এবারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপকেন্দ্রগুলো হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নটরডেম কলেজ, উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল, উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ, ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গভ. কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স এবং সরকারি বাংলা কলেজ।

দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি লাঘবে ২০১৯ সালে শুরু হয় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা। মূলত একজন শিক্ষার্থীর কোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্র একটি বিষয়ে ভর্তি হতে অনিশ্চয়তা মাথায় নিয়ে দেশময় ছোটাছুটি করে বেড়ানো এবং এ সময়ে পরীক্ষার্থী-অভিভাবকদের হয়রানি, অর্থ ও সময় ব্যয়ের সমাধানে শুরু হয় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা। ফলে সারা দেশে ১৯টিকেন্দ্র থাকার পরও পরীক্ষার্থীরা কেন ঢাকার একটি কেন্দ্র জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়মুখী হচ্ছেন, সে প্রশ্নও থেকেই যায়।

পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা বলছেন, কোচিং বাণিজ্য, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ঢাকার কলেজগুলোর মান ও সব বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছে অন্তর্ভুক্ত না হওয়াই ঢাকামুখী হওয়ার প্রধান কারণ। তবে এতে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার উদ্দেশ্য পূরণ হচ্ছে না, সেটিও মানতে নারাজ সংশ্লিষ্টরা।

ঝিনাইদহের রাবেয়া খাতুন অংশ নিচ্ছেন এবারের গুচ্ছ পরীক্ষায়। পাশের দুই জেলা যশোর ও কুষ্টিয়ায় কেন্দ্র থাকলেও তিনি পছন্দ দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার মাঝের সময়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পড়েছে। শিক্ষার্থীদের ভিড়ে জাহাঙ্গীরনগরের পরীক্ষার সময় যেতে অসুবিধা হতে পারে বিধায় গুচ্ছের কেন্দ্র ঢাকাতে দিয়েছি। আগেভাগে ঢাকা চলে এসেছি, যেন যাতায়াতে কোনো অসুবিধা না হয়।’

নীলফামারী থেকে ছোট ভাইকে নিয়ে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় এসেছেন ফজলে রাব্বি। তিনি বলেন, ‘ছোট ভাইকে ঢাকায় কোচিং করিয়েছি। এ ছাড়াও গুচ্ছের পর জাবির পরীক্ষা রয়েছে। এ কারণেই ঢাকাকে কেন্দ্র হিসেবে পছন্দ করেছি।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. শাহনাজ পারভীন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে জায়গা করে নিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কোচিং-নির্ভরতা রয়েছে এখনো। তাদের বড় অংশই ভর্তি হয় ঢাকার বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে। ঢাকামুখী হওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় প্রভাবক। এর বাইরেও যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হওয়ায় ঢাকার আশপাশের এলাকা, যেমন— গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহের শিক্ষার্থীরাও ঢাকাতে কেন্দ্র পছন্দ করছে।’

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২০১৯ সালের সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, ‘কোচিং করতে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ঢাকা আসে। তাদের কেউ আত্মীয়-স্বজনের বাসায় থাকে, আবার কেউ নিজেদের মতো করে বাসা ঠিক করে। অনেক শিক্ষার্থী মাধ্যমিক শেষে ঢাকার বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হয়। এরা ঢাকায় পরীক্ষা দেবে, সেটাই স্বাভাবিক।’

তবে ভর্তিচ্ছুরা ঢাকামুখী থাকলেও গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার উদ্দেশ্য ও প্রক্রিয়া শতভাগ সফল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পরীক্ষার্থীরা যেখানেই কেন্দ্র পছন্দ করুক, তাদের অন্তত সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা গুচ্ছভুক্ত ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য একাধিক স্থানে ছোটাছুটি করতে হচ্ছে না। ফলে অভিভাবক ও ভর্তিচ্ছুদের হয়রানি ও ভোগান্তি লাঘব হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকুল আরেফিন বলেন, আমরা প্রথমবার পাঁচটি কেন্দ্র পছন্দের সুযোগ রেখেছিলাম। ফলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের অনেকেরই দূরে সিট পড়ছিল। তবে গতবারের মতো এবারও আমরা একটি কেন্দ্র পছন্দের সুযোগ রেখেছিলাম। যে যেখানে পছন্দ করে, সেখানে পরীক্ষা দেবে। মূল কেন্দ্রে জায়গা না হলে কেন্দ্রের পাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে, এটাই ছিল পরিকল্পনা। ঢাকায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন ঢাকায় থাকেন অনেকেই। তাই সেখানে আবেদন বেশি পড়েছে। এটি অস্বাভাবিক নয়।

গুচ্ছের টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. নাছিম আখতার বলেন, ‘আমরা এবার শিক্ষার্থীদের যেখানে পছন্দ সেখানেই পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ দিয়েছি। প্রথমবার কেন্দ্রের সংখ্যা সংকুলান করতে শিক্ষার্থীদের পাঁচটি পছন্দের যেকোনোটিতে দেয়া হয়েছিল। তবে দ্বিতীয় ও তৃতীয়বারের পরীক্ষায় তা করা হয়নি। এত পরীক্ষার্থী ঢাকায় যাওয়ায় চাপ হবে স্বাভাবিক। সেক্ষেত্রে যদি ভোগান্তি হয় ও তারা যদি স্বেচ্ছায় ভোগান্তি নেয়, এটা তাদের বিষয়। আমাদের পক্ষ থেকে ভোগান্তি লাঘবে আমরা শতভাগ সফল। অন্তত আগের মতো শিক্ষার্থীদের সারাদেশে পরীক্ষা দিতে এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে না।’


১০ দিনের গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে যাচ্ছে ইবি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিনিধি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

আগামী শনিবার থেকে ১০ দিনের গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। তবে ছুটির মধ্যেও বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো যথারীতি খোলা থাকবে।

শুক্রবার ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আগামী শনিবার থেকে গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হবে। যা চলবে আগামী ১২ জুন পর্যন্ত। এ সময় ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। ১৩ জুন থেকে পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা চালু হবে। ১২ জুন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ যথারীতি চলবে। ক্যাম্পাস বন্ধ থাকাকালীন জরুরি সেবাসমুহ চালু থাকবে এবং পরিবহন সেবা বন্ধের সিডিউল অনুযায়ী চালু থাকবে।


জাতীয় প্রাথমিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু শনিবার

ফাইল ছবি
আপডেটেড ২ জুন, ২০২৩ ১৯:১৬
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৩’ বিতরণের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক এবং বিষয়ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা আগামী শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে। শুক্রবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং আগামী রোববার ঢাকা পিটিআইতে সাংস্কৃতিক ও বিষয়ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ করবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ।

ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ‘ক’ (১ম ও ২য় শ্রেণি) ও ‘খ’ ( ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণি) বিভাগে ১০ টি বিষয়ে (‘ক’ বিভাগে ৪টি এবং ‘খ’ বিভাগে ৬টি) প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে ‘ক’ বিভাগে ৫টি ও ‘খ’ বিভাগে ৭টিসহ মোট ১২টি বিষয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আর ৪টি বিষয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের যথাক্রমে ৩০, ২৫ ও ২০ হাজার টাকার সঙ্গে ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত জানান, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি শিশুর সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ, শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের মাধ্যমে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।


লিফট কিনতে পাবিপ্রবির ৬ জনের তুরস্কযাত্রা আটকালেন রাষ্ট্রপতি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
আপডেটেড ২ জুন, ২০২৩ ১৭:৩০
প্রতিনিধি, পাবনা

ব্যাপক সমালোচনার মুখে লিফট কিনতে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) প্রতিনিধি দলের বিদেশযাত্রা রাষ্ট্রপতির নির্দেশে স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার দুপুরে পাবিপ্রবির জনসংযোগ দপ্তরের উপপরিচালক ফারুক হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের নির্দেশে পাবিপ্রবি প্রশাসন প্রতিনিধি দলের বিদেশ সফর স্থগিত করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

এর আগে, লিফট কিনতে পাবিপ্রবির ছয় সদস্যের প্রতিধিনি দলের তুরস্কযাত্রার কথা জানাজানি হলে সারা দেশে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান রিজেন্ট বোর্ড সদস্যরাও।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, আগামী ৬ জুন পাবিপ্রবির ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের লিফট প্রাক জাহাজীকরণ পরিদর্শনে তুরস্ক যাওয়ার সফরসূচি নির্ধারিত ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম মোস্তফা কামাল খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কে এম সালাহ উদ্দিন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) ফরিদ আহমেদ, উপ-বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশলী (ইইই) মো. রিপন আলী, উপ-বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশলী জহির মোহা. জিয়াউল আবেদীন, প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) জি এম আজিজুর রহমান।

বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখেও সফর বাতিল না করে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদলিপি পাঠায় পাবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার দুপুরে রাষ্ট্রপতির নির্দেশেই সে সফর স্থগিতের ঘোষণা দেয়া হয়।


মধ্যরাতে চবির হলে তল্লাশি, রড-রামদা উদ্ধার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিনিধি, চবি

দফায় দফায় সংঘর্ষের পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আবাসিক হলে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি। এ সময় কাউকে আটক করা না হলেও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২ থেকে দেড়টা পর্যন্ত শাহ জালাল ও শাহ আমানত হলে এ তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় প্রক্টরিয়াল বডি, প্রভোস্ট ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. নূরুল আজিম সিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মধ্যরাতে তল্লাশি চালিয়ে হকি স্টিক, ক্রিকেট স্ট্যাম্প, রড, কয়েকটি রামদা ও পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কাউকে আটক করা হয়নি। দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে দুইটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

হোটেলে খাবার টেবিলে বসাকে কেন্দ্র করে গত বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার দুপুরে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় শাখা ছাত্রলীগের উপগ্রুপ সিক্সটি নাইন ও সিএফসি গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে। এতে আহত হন উভয় গ্রুপের ২৩ নেতা-কর্মী।


অস্থায়ী রাসায়নিক গুদামের উদ্বোধন ৪ জুন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) একটি অস্থায়ী গুদাম পুরান ঢাকার শ্যামপুরে আগামী ৪ জুন উদ্বোধন করা হবে।

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস গুদামটি উদ্বোধন করবেন।

এ সময় শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, স্থানীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন, শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা, প্রকল্পের ঠিকাদার নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মো. আব্দুল্লাহ আল মাকসুস ও বিসিআইসি চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান উপস্থিত থাকবেন। বিজ্ঞপ্তি


ইস্ট ওয়েস্টে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

নানা আয়োজনে ২০২৩ সালের গ্রীষ্মকালীন সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করল ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আফতাবনগরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠানে ১৪ শরও বেশি শিক্ষার্থীকে বরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শহিদুল হাসান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ জিয়াউল হক মামুন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন অনুষদের ডিন। বিজ্ঞপ্তি


ঢাবিতে পুশকিনের ভাস্কর্যে উপাচার্যের শ্রদ্ধা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাশিয়ার বিখ্যাত কবি ও লেখক আলেকজান্ডার পুশকিনের ২২৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অবস্থিত পুশকিনের ভাস্কর্যে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

এ সময় ঢাকায় রাশিয়ান দূতাবাসের কাউন্সিলর ও রাশিয়ান হাউসের ডিরেক্টর ম্যাক্সিম ডবরোখোতভ উপস্থিত ছিলেন।

পরে ঢাবির আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে পুশকিনের জন্মবার্ষিকী ও রাশিয়ান ল্যাঙ্গুয়েজ ডে উপলক্ষে এক সেমিনারও প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান। বিজ্ঞপ্তি


banner close