বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
৩০ বৈশাখ ১৪৩৩

শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্র-নজরুলজয়ন্তী

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২৩ ১১:০২

শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিতে রবীন্দ্র-নজরুলজয়ন্তী-১৪৩০ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন অ্যান্ড পারফর্মিং আর্টস অনুষদ।

ফাইন অ্যান্ড পারফর্মিং আর্টস অনুষদের ডিন ও সংগীত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক প্রদীপ নন্দীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শিল্পী মোস্তাফিজুল হক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ-ই-আলমসহ রেজিস্ট্রার ও ট্রেজারার এবং বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের ডিন ও বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি


স্থানীয় রিটেইলারদের মাধ্যমে এখন টফি সাবস্ক্রিপশন নিতে পারবেন সব অপারেটরের গ্রাহক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে ডিজিটাল বিনোদন পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে নতুন এক যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক এবং জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম টফি। এখন থেকে শুধু বাংলালিংক নয়, বরং যেকোনো মোবাইল অপারেটরের গ্রাহক সারা দেশের স্থানীয় রিটেইল পয়েন্ট বা নিকটস্থ দোকান থেকে সহজেই টফির সাবস্ক্রিপশন কিনতে পারবেন। আজ ১৩ মে ২০২৬ তারিখে এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ডিজিটাল পেমেন্টে অভ্যস্ত নন এমন গ্রাহকদের জন্যও প্রিমিয়াম কন্টেন্ট উপভোগ করার পথ সুগম হলো।

সাধারণত ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সাবস্ক্রিপশন কেনার জন্য ক্রেডিট কার্ড, অ্যাপ স্টোর অ্যাকাউন্ট বা ডিজিটাল ওয়ালেটের প্রয়োজন হয়, যা অনেক সাধারণ গ্রাহকের জন্য জটিল ও সময়সাপেক্ষ। এই প্রযুক্তিগত ও আর্থিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতেই টফি ও বাংলালিংক দেশজুড়ে সর্বপ্রথম টেলিকম-চালিত রিটেইল ওটিটি সাবস্ক্রিপশন উদ্যোগ চালু করেছে। এখন কোনো কার্ড বা জটিল অ্যাপ সেটিংয়ের ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি নগদ টাকার মাধ্যমে রিটেইল পয়েন্ট থেকে সাবস্ক্রিপশন কেনা যাবে। এই সহজ পদ্ধতিটি গ্রামীণ ও মফস্বল এলাকার গ্রাহকদের ডিজিটাল বিনোদনের মূল ধারায় যুক্ত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

বর্তমানে টফিতে দেশি-বিদেশি অসংখ্য সিনেমা, জনপ্রিয় টিভি সিরিজ এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্টুডিও ‘লায়ন্সগেট’-এর কন্টেন্ট রয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের সব ম্যাচ সরাসরি দেখার সুবিধাও পাচ্ছেন দর্শকেরা। বাংলালিংকের চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, তাঁরা সব সময় ‘পিপল-ফার্স্ট’ দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্বাস করেন। মানসম্মত বিনোদন যেন কেবল নির্দিষ্ট কিছু মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাঁদের বিস্তৃত রিটেইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এই প্রক্রিয়াকে সহজ করার মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল বিভাজন কমানো সম্ভব হবে।

এই উদ্যোগের ফলে ওটিটি সাবস্ক্রিপশন ব্যবস্থা এখন আর কেবল ডিজিটাল ওয়ালেটের সীমাবদ্ধতায় আটকে নেই। বাংলালিংক ও টফি প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা দূর করে সব বাংলাদেশির কাছে প্রিমিয়াম কন্টেন্ট পৌঁছে দিতে একটি স্মার্ট ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে কাজ করছে। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় এই সেবা পৌঁছে দেওয়ায় ডিজিটাল লেনদেনের জটিলতা কমে আসবে এবং গ্রাহক সন্তুষ্টি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। মূলত একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যেই এই উদ্ভাবনী সেবার সূচনা করা হয়েছে।


টেনিস টুর্নামেন্ট ২০২৬: শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় মাঠে নামছে ২০০ খেলোয়াড়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের উদ্যোগে এবং শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র পৃষ্ঠপোষকতায় আগামীকাল ১৪ মে থেকে শুরু হতে যাচ্ছে "শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক উন্মুক্ত ও জুনিয়র টেনিস টুর্নামেন্ট-২০২৬"। ঢাকার রমনা সংলগ্ন জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্সে সাত দিনব্যাপী এই ক্রীড়া উৎসব চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত। এই টুর্নামেন্ট উপলক্ষে আজ ১৩ মে জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্টের সার্বিক প্রস্তুতি, অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের তালিকা এবং খেলার নিয়মাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হয়।

এবারের টুর্নামেন্টে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দুই শতাধিক টেনিস খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করছেন, যা দেশের টেনিস অঙ্গনে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিযোগিতায় জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্স ও বিকেএসপির পাশাপাশি রাজশাহী, সিলেট, ঝালকাঠি, মাদারীপুর, জামালপুর, মাগুরা ও শরিয়তপুর টেনিস ক্লাব অংশ নিচ্ছে। এছাড়া ঢাকার গুলশান ইয়ুথ ক্লাব, গুলশান ক্লাব, উত্তরা ক্লাব, অফিসার্স ক্লাব এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ক্লাবের মতো নামী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিভাবান খেলোয়াড়রাও এই প্রতিযোগিতায় নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন।

পুরো প্রতিযোগিতাটি মোট ৮টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে এবং নক-আউট পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে পুরুষ ও মহিলাদের একক ও দ্বৈত লড়াই। পাশাপাশি উদীয়মান কিশোর খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে অনূর্ধ্ব-১২ এবং অনূর্ধ্ব-১৬ বালক ও বালিকা এককের বিশেষ বিভাগ রাখা হয়েছে। আজ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ (কারেন), টুর্নামেন্ট ডিরেক্টর শফিকুল ইসলাম সোহেল এবং শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র জনসংযোগ ও ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রধান কে. এম. হারুনুর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাত দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আগামী ২০ মে বুধবার জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্সেই অনুষ্ঠিত হবে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মনে করছে, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ক্রীড়া ক্ষেত্রে এই ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা দেশের টেনিস খেলোয়াড়দের মানোন্নয়নে এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে খেলাধুলা ও সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংবাদ সম্মেলনে কর্মকর্তারা সফল আয়োজনের জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।


মা দিবস উপলক্ষে প্রাইম ব্যাংক ও প্যান্ডামার্টের বিশেষ আয়োজন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

মা দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে সম্প্রতি দেশের অন্যতম জনপ্রিয় অনলাইন গ্রোসারি প্ল্যাটফর্ম প্যান্ডামার্ট এবং প্রাইম ব্যাংক পিএলসি যৌথভাবে একটি বিশেষ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাহকদের যেমন উৎসাহিত করা হয়েছে, তেমনি মায়েদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি ভিন্নধর্মী সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখে এই ক্যাম্পেইনের সফল সমাপ্তি উপলক্ষে বিজয়ীদের নিয়ে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এই ক্যাম্পেইনের আওতায় গত ৮ মে প্যান্ডামার্ট প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে বেশি মূল্যের অর্ডার করা ১০ জন গ্রাহককে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করা হয়। বিশেষ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে গ্রাহকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেনাকাটা করেন এবং সর্বোচ্চ ব্যয়কারী হিসেবে তারা নিজেদের স্থান নিশ্চিত করেন। প্যান্ডামার্ট এবং প্রাইম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এই ১০ জন গ্রাহকের মায়েদের বিশেষ সম্মাননা প্রদানের জন্য এই ক্যাম্পেইনটি ডিজাইন করেছিল।

বিজয়ী ১০ জন গ্রাহকের মায়েদের সম্মানে রাজধানীর জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট ‘তার্কা’তে একটি বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। মায়েদের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিজয়ী গ্রাহক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই নৈশভোজের মাধ্যমে মায়েদের বিশেষ সম্মান জানানো হয়, যা উপস্থিত সবার মধ্যে এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করে।

প্যান্ডামার্ট এবং প্রাইম ব্যাংকের এই যৌথ সহযোগিতা মূলত গ্রাহকসেবাকে আরও উন্নত ও প্রাণবন্ত করার একটি প্রয়াস। বিশেষ দিবসে গ্রাহকদের এমন সম্মাননা ও সুযোগ প্রদান ডিজিটাল লেনদেন এবং অনলাইন শপিংয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, ভবিষ্যতে গ্রাহকদের জন্য এমন আরও উদ্ভাবনী ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন ক্যাম্পেইন আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক সম্পর্কের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়টিও ফুটে উঠেছে।


শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল সেবা নিশ্চিতে প্রাইম ব্যাংকের নতুন উদ্যোগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি এবং হযরত শাহ আলী মহিলা কলেজের মধ্যে সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ব্যাংকের ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ ‘প্রাইমএকাডেমিয়া’-এর আওতায় এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়। এই অংশীদারিত্বের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করা এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবাকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। বুধবার (১৩ মে) উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

এই চুক্তির আওতায় হযরত শাহ আলী মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিউশন ফি প্রদানের বিশেষ সুবিধা চালু করা হবে। এর ফলে অভিভাবকরা কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই আধুনিক ডিজিটাল মাধ্যমে ফি পরিশোধ করতে পারবেন, যা সময় সাশ্রয়ী এবং নিরাপদ হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের জন্য থাকবে বিশেষায়িত ব্যাংকিং সেবা, যা তাদের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনকে আরও সহজতর করে তুলবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস পেমেন্ট ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের একটি প্রধান দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মীদের জন্য আকর্ষণীয় ‘পেরোল ব্যাংকিং’ সুবিধা নিশ্চিত করবে প্রাইম ব্যাংক। এর মাধ্যমে কর্মীরা অত্যন্ত সহজ শর্তে বিভিন্ন ধরনের ঋণ সুবিধা এবং এক্সক্লুসিভ ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। আধুনিক ব্যাংকিং পণ্যের এই সমাহার কর্মীদের ব্যক্তিগত আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। হযরত শাহ আলী মহিলা কলেজের প্রাতিষ্ঠানিক প্রবৃদ্ধিতে এবং কর্মীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই সহযোগিতা দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-র পক্ষে অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব কনজিউমার অ্যান্ড এসএমই ব্যাংকিং ডিভিশন এম. নজীম এ. চৌধুরী এবং হযরত শাহ আলী মহিলা কলেজের পক্ষে অধ্যক্ষ রানা ফেরদৌস রত্না নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের হয়ে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পক্ষ থেকে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব লায়াবিলিটি শায়লা আবেদিন এবং সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড স্কুল ব্যাংকিং এম এম মাহবুব হাসানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‘প্রাইমএকাডেমিয়া’র মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক মূলত দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উন্নত প্রযুক্তিগত এবং নিরবচ্ছিন্ন আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে। এই নতুন অংশীদারিত্ব ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়ক হবে। আধুনিক ব্যাংকিং প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অভিভাবকদের আস্থা অর্জনই এই প্রকল্পের মূল দর্শন। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তাদের অঙ্গীকার পুনরায় ব্যক্ত করল।


প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী ২০২৬ উদযাপিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

অদ্য ১৩ মে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে অত্যন্ত মর্যাদার সাথে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মানবতার বাণী এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের দ্রোহ, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার চেতনাকে একই মঞ্চে নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব প্রাঙ্গণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস এক অনন্য সাংস্কৃতিক আবহে রূপ নেয়। এই আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের সামনে দুই কবির সাহিত্যকর্ম ও আদর্শকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির জন্য এই অনুষ্ঠানটি কেবল একটি বার্ষিক উৎসব ছিল না, বরং এটি ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই দীর্ঘমেয়াদী অঙ্গীকারের প্রতিফলন যেখানে শিক্ষার পাশাপাশি দেশীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে ধারণ করা হয়। আয়োজকদের মতে, শিক্ষা মানে কেবল ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং জাতীয় ঐতিহ্য ও মানবিক চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করা। অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় বক্তারা রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের দর্শন বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে কতটা প্রাসঙ্গিক, তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীরা দুই কবির কালজয়ী সৃষ্টিগুলোকে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সম্মানিত প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইজার প্রফেসর ড. মো. আনোয়ারুল কবির, রেজিস্ট্রার মো. সাকির হোসেন এবং স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ডিন প্রফেসর ড. শহিদুল ইসলাম খান। আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় আরও ছিলেন স্কুল অব বিজনেস-এর ডিন প্রফেসর আবুল কালাম, স্কুল অব ল’-এর ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো: জাহেদুর রহমান। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্যে ডিরেক্টর (অ্যাডমিন ও স্টুডেন্টস অ্যাফেয়ার্স) আফরোজা হেলেনসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ এই জয়ন্তী উৎসবে অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী বলেন, এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। তিনি মনে করেন, এ ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সৃজনশীলতা এবং জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করা সম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে রবীন্দ্র-নজরুলের জীবনদর্শন অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বিশ্বাস করেন, দুই কবির সাম্য ও মানবতার আদর্শই একটি সুন্দর সমাজ গঠনে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যাফেয়ার্স দপ্তর এবং প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাব যৌথভাবে এই চমৎকার উৎসবটি সফলভাবে সম্পন্ন করে। পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে রবীন্দ্রনাথের গান ও কবিতার স্নিগ্ধতা এবং নজরুলের তেজস্বী সৃষ্টির এক মেলবন্ধন লক্ষ্য করা গেছে। শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে কর্মকর্তা-কর্মচারী—সবাই এই সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় শামিল হয়ে দুই বরেণ্য কবির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সব মিলিয়ে এই রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী ক্যাম্পাসে এক পজিটিভ ও সৃজনশীল পরিবেশের আবহ তৈরি করেছে।


এনআরবি ব্যাংক ও কনকর্ড ডায়াগনস্টিকস-এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি স্বাক্ষর

আপডেটেড ১৩ মে, ২০২৬ ১৭:৩২
কর্পোরেট ডেস্ক

এনআরবি ব্যাংক পিএলসি তাদের কর্মকর্তা এবং গ্রাহকদের আধুনিক ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কনকর্ড ডায়াগনস্টিকস অ্যান্ড মলিকুলার ল্যাব বিডি লিমিটেড এবং ইডব্লিউ ভিলা মেডিকা বাংলাদেশের সাথে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো ব্যাংকের কর্মী ও কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য উচ্চমানের ডায়াগনস্টিক, মলিকুলার টেস্ট এবং রিজেনারেটিভ স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা। সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন হয়।

এই চুক্তির আওতায় এনআরবি ব্যাংকের সকল কর্মকর্তা, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারী গ্রাহক এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। ল্যাবরেটরি পরীক্ষা, রেডিওলজি, কার্ডিয়াক ইমেজিং এবং ওয়েলনেস সেবার পাশাপাশি এ্যাসথেটিক ও চর্মরোগের উন্নত চিকিৎসায় এই আকর্ষণীয় মূল্য ছাড় প্রযোজ্য হবে। এর ফলে ব্যাংকটির অংশীজনরা এখন থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক মানের রোগ নির্ণয় ও স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানে এনআরবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব তারেক রিয়াজ খান এবং কনকর্ড ডায়াগনস্টিকস ও ইডব্লিউ ভিলা মেডিকার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং নোয়াপাড়া গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব মো. ফাইজুর রহমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে এই সহযোগিতামূলক উদ্যোগকে স্বাগত জানান। কর্মকর্তাদের মতে, এই ধরনের অংশীদারিত্ব গ্রাহকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও আস্থার সম্পর্ক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এনআরবি ব্যাংক সবসময় তাদের গ্রাহক ও কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্ভাবনী সেবা যুক্ত করতে সচেষ্ট থাকে। কনকর্ড ডায়াগনস্টিকস এবং ইডব্লিউ ভিলা মেডিকার সাথে এই নতুন সমন্বয় ব্যাংকটির লাইফস্টাইল ব্যাংকিং সেবাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের চিকিৎসা খাতের আধুনিকায়নেও অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গ্রাহকসেবা প্রসারের পরিকল্পনা রয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের।


এনআরবিসি ব্যাংকের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

এনআরবিসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ২৩৬তম সভায় ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়েছে। মঙ্গলবার, ১২ মে রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়ার সভাপতিত্বে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পর্ষদ সদস্যরা ব্যাংকের গত তিন মাসের ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং আর্থিক অর্জনগুলো নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করেন। উক্ত সভায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. নুরুল হক, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. তৌহিদুল আলম খানসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুমোদিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বছরের প্রথম তিন মাসে এনআরবিসি ব্যাংকের মুনাফায় বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। একক ভিত্তিতে ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ০.১৬৭ টাকা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল মাত্র ০.০৬২ টাকা। একইভাবে সমন্বিত ভিত্তিতেও ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় গত বছরের ০.০৮০ টাকা থেকে বেড়ে ০.১৩০ টাকায় উন্নীত হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মূলত বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ থেকে আসা আয় বৃদ্ধি পাওয়া এবং ঋণের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণের ব্যয় হ্রাস পাওয়ার ফলে নিট মুনাফায় এই শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে।

মুনাফার পাশাপাশি ব্যাংকটির নগদ প্রবাহ বা অপারেটিং ক্যাশ ফ্লোতে অভাবনীয় উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। গত বছরের প্রথম প্রান্তিকে যেখানে শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহ একক ও সমন্বিত উভয় ক্ষেত্রেই বড় ধরনের ঋণাত্মক অবস্থানে ছিল, সেখানে এবার তা ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। একক ভিত্তিতে শেয়ারপ্রতি নিট অপারেটিং নগদ প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ০.৮৬৫ টাকা এবং সমন্বিত ভিত্তিতে এটি হয়েছে ০.৬২৫ টাকা। মূলত বিনিয়োগ থেকে নিয়মিত আয় বৃদ্ধি এবং ঋণের পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে আনার কৌশলী সিদ্ধান্তের ফলে নগদ প্রবাহের এই বড় ব্যবধান ঘুচিয়ে ব্যাংকটি শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।

আর্থিক প্রতিবেদনে ব্যাংকের নিট সম্পদের স্থিতিশীল চিত্রও ফুটে উঠেছে। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত তথ্যানুযায়ী, একক ভিত্তিতে ব্যাংকের নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৩৮৫.৬৯ কোটি টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৬.৭২ টাকা। সমন্বিত ভিত্তিতে এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৪০৪.১৭ কোটি টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৬.৯৫ টাকা। সার্বিকভাবে ব্যাংকটির মূলধন কাঠামো ও সম্পদের গুণমান আগের চেয়ে অনেক বেশি সুসংহত হয়েছে। সভায় পর্ষদ সদস্যরা ব্যাংকের এই ধারাবাহিক সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আগামীতেও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে এই ধারা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


জনতা ব্যাংক নোয়াখালী বিভাগীয় কার্যালয়ের শাখা ব্যবস্থাপক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

জনতা ব্যাংক পিএলসি-র নোয়াখালী বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে শাখা ব্যবস্থাপকদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক সম্মেলন গত সোমবার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ের ব্যাংকিং কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং ২০২৬ সালের কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের উদ্দেশ্যে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এই সভায় নোয়াখালী অঞ্চলের ব্যাংকিং খাতের সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং গ্রাহক সেবার মানোন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনতা ব্যাংক পিএলসি-র পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মহঃ ফজলুর রহমান সিএসপি। তিনি তাঁর বক্তব্যে ব্যাংকের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি এবং জাতীয় অর্থনীতিতে জনতা ব্যাংকের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। শাখা ব্যবস্থাপকদের প্রতি বিশেষ দিকনির্দেশনা প্রদান করে তিনি বলেন, আধুনিক ও ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে শাখা পর্যায়ে কর্মকর্তাদের আরও সজাগ ও আন্তরিক হতে হবে। একই সঙ্গে তিনি খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করা এবং নতুন আমানত সংগ্রহের মাধ্যমে ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নোয়াখালী বিভাগীয় কার্যালয়ের জিএম ইন-চার্জ সুলতানা রাজিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আব্দুর রহমান। তিনি ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং লাভজনক খাতগুলোতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য শাখা ব্যবস্থাপকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। সভায় সভাপতির বক্তব্যে সুলতানা রাজিয়া নোয়াখালী বিভাগের বর্তমান ব্যবসায়িক চিত্র তুলে ধরেন এবং বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতা কামনা করেন।

সম্মেলনে নোয়াখালী বিভাগীয় কার্যালয় ও আওতাধীন এরিয়া অফিসগুলোর নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোর ব্যবস্থাপকগণ অংশগ্রহণ করেন। সভায় গত অর্থবছরের ব্যবসায়িক পারফরম্যান্স গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হয় এবং চলতি বছরের বাকি সময়ের জন্য কার্যকর কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে (এসএমই) ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধি, বৈদেশিক রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানো এবং তৃণমূল পর্যায়ে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবাকে জনপ্রিয় করার বিষয়ে সভায় বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়।

দিনব্যাপী এই সম্মেলনে কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের মান উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। উপস্থিত শাখা ব্যবস্থাপকরা তাদের মাঠ পর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জগুলো শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে তুলে ধরেন এবং তা সমাধানে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস পান। পরিশেষে, একটি স্বচ্ছ, আধুনিক এবং সেবাবান্ধব ব্যাংকিং কাঠামো গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে এই সম্মেলনের সফল সমাপ্তি ঘটে।


শক্তিশালী ব্যাটারি ও আকর্ষণীয় ডিজাইনে বাজারে এলো রিয়েলমি সি১০০আই

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

তরুণ প্রজন্মের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি তাদের নতুন স্মার্টফোন ‘রিয়েলমি সি১০০আই’ দেশজুড়ে বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে। গত ৭ থেকে ৯ মে পর্যন্ত চলা ফার্স্ট সেল ক্যাম্পেইনে ক্রেতাদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি এখন সকল ব্র্যান্ড স্টোর ও অথোরাইজড রিসেলার আউটলেটে ডিভাইসটি সহজলভ্য করেছে। এর আগে যারা ডিভাইসটি প্রি-বুক করেছিলেন, তাদের কাছেও সফলভাবে ডেলিভারি সম্পন্ন করা হয়েছে। শক্তিশালী ব্যাটারি এবং আধুনিক ফিচারের সমন্বয়ে তৈরি এই ফোনটি এরই মধ্যে স্মার্টফোন বাজারে বেশ আলোচনা তৈরি করেছে।

এই স্মার্টফোনটিকে মূলত ‘ব্যাটারি চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে রিয়েলমি, কারণ এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল টাইটান ব্যাটারি। একবার পূর্ণ চার্জে এই ফোনটি টানা তিনদিন পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে সক্ষম, যা সাধারণ স্মার্টফোনের তুলনায় অনেক বেশি। রিয়েলমির তথ্য অনুযায়ী, এই ডিভাইসে ২১ ঘণ্টা পর্যন্ত ইউটিউব স্ট্রিমিং এবং প্রায় ৯৬ ঘণ্টার বেশি মিউজিক প্লেব্যাক করা সম্ভব। এত বড় ব্যাটারি থাকার পরেও ফোনটি মাত্র ৮.৩৮ মিলিমিটার স্লিম, যা এই সেগমেন্টের অন্যান্য ফোনের তুলনায় বেশ পাতলা ও স্টাইলিশ।

রিয়েলমি সি১০০আই-এর ৬.৮ ইঞ্চির বড় ডিসপ্লেতে ১২০ হার্জ আলট্রা-স্মুথ রিফ্রেশ রেট ব্যবহার করা হয়েছে, যা গেমিং, ভিডিও দেখা এবং স্ক্রলিংয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত মসৃণ অভিজ্ঞতা প্রদান করে। শব্দ শোনার ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা দিতে এতে রয়েছে ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত ভলিউম বাড়ানো ও আলট্রা-ক্লিয়ার স্পিকার। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে ডিভাইসটিতে ৪৮ মাসের ফ্লুয়েন্সি প্রোটেকশন ও আইপি৬৪ ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিজট্যান্স যুক্ত করা হয়েছে। এর ডিউরেবল আর্মারশেল প্রোটেকশন ফোনটিকে বাহ্যিক আঘাত থেকে রক্ষা করবে এবং এর ব্যাটারি লাইফস্প্যান প্রায় ৬ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হবে।

স্মার্টফোনটি বাজারে ডন পার্পল ও ডাস্ক গ্রে—এই দুটি আকর্ষণীয় রঙে পাওয়া যাচ্ছে। গ্রাহকদের সামর্থ্য ও চাহিদার কথা বিবেচনা করে ডিভাইসটি দুটি ভ্যারিয়েন্টে আনা হয়েছে। এর ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫,৯৯৯ টাকা। অন্যদিকে, ৪ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টটির দাম পড়বে ১৭,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ব্যাকআপ এবং প্রিমিয়াম ডিজাইনের কারণে এই বাজেটে রিয়েলমি সি১০০আই স্মার্টফোনপ্রেমীদের কাছে একটি অন্যতম আকর্ষণীয় ডিভাইসে পরিণত হয়েছে।


ওয়ালটনের এআই সমৃদ্ধ নতুন ৪ মডেলের ওয়াশিং মেশিন উন্মোচন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস ব্র্যান্ড ওয়ালটন আধুনিক জীবনযাত্রার প্রয়োজন মেটাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমৃদ্ধ ৪টি নতুন মডেলের স্মার্ট ওয়াশিং মেশিন বাজারে এনেছে। মঙ্গলবার (১২ মে, ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির এই নতুন মডেলগুলো উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) আব্দুল্লাহ-আল-জুনায়েদ এবং ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান উপস্থিত থেকে পণ্যগুলোর উদ্বোধন করেন। আধুনিক ঘরবাড়ির লন্ড্রি সল্যুশনকে আরও সহজ ও স্মার্ট করার লক্ষ্যেই এই উন্নত প্রযুক্তির মেশিনগুলো আনা হয়েছে।

নতুন এই মডেলগুলোর অন্যতম আকর্ষণ হলো এআই প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট ওয়াশ ফিচার। বিশেষ করে ৮ ও ৯ কেজি ধারণক্ষমতার টপ-লোডিং মডেল দুটিতে (ডডগ-অঞঞ৮০ ও ডডগ-অঞঞ৯০) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির ফলে মেশিনটি কাপড়ের ধরন ও ওজন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে এবং সে অনুযায়ী উপযুক্ত ওয়াশ সেটিং নির্বাচন করে। এর ফলে গ্রাহকদের কাপড় ধোয়ার ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা পোহাতে হবে না এবং ঝামেলামুক্ত অভিজ্ঞতার পাশাপাশি কাপড়ের মানও বজায় থাকবে। এছাড়া ফ্রন্ট-লোডিং সিস্টেমে স্টেইন ওয়াশ ও স্টিম ওয়াশ ফিচারের বিভিন্ন মডেলও এই কালেকশনে যুক্ত করা হয়েছে।

ওয়ালটন এবার ১২ কেজি ধারণক্ষমতার একটি বিশেষ ওয়াশার-ড্রায়ার কম্বো মডেলও (ডডগ-অঋঈ১২গ) বাজারে এনেছে। নির্দিষ্ট কিছু মডেলে ইনভার্টার ও ডাইরেক্ট ড্রাইভ মোটর ব্যবহার করায় এগুলো বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি অত্যন্ত নিঃশব্দে দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ বলেন, গ্রাহকদের স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সের প্রতি আগ্রহ বিবেচনা করেই আন্তর্জাতিক মানের এই ফিচারগুলো যুক্ত করা হয়েছে। ইউরোপীয় স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে তৈরি এই দৃষ্টিনন্দন ওয়াশিং মেশিনগুলো দ্রুত ও সময়সাশ্রয়ী লন্ড্রি অভিজ্ঞতা প্রদানে সক্ষম।

অনুষ্ঠানে জয়া আহসান ওয়ালটনের রিসার্চ ও ইনোভেশন টিমের প্রকৌশলীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ওয়ালটন কেবল স্থানীয় বাজারেই সফল নয়, বরং তাদের উৎপাদিত পণ্য বর্তমানে এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকাসহ ৫৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। ওয়ালটন বর্তমানে গাজীপুরের চন্দ্রায় নিজস্ব ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টে ৩০টিরও বেশি মডেলের অটোমেটিক ও সেমি-অটোমেটিক ওয়াশিং মেশিন উৎপাদন করছে। টাচ-স্ক্রিন প্যানেল এবং স্টেইনলেস স্টিলের টেকসই কাঠামোর কারণে এসব পণ্য দীর্ঘস্থায়ী এবং গুণগত মানের দিক থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সমকক্ষ হয়ে উঠেছে।


ব্যাংক এশিয়া পিএলসি’র রিটেইল ব্যাংকিং রিওয়ার্ডস ২০২৬ অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (Q1) রিটেইল ব্যাংকিং খাতে আশাতীত সাফল্য এবং নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশেষ অবদান রাখায় কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করেছে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি। ব্যাংকের ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে বেগবান করতে কর্মকর্তাদের নিরলস প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দিতেই মূলত এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিতে রিটেইল ব্যাংকিং সেক্টরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এই বিশেষ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত ব্যাংক এশিয়া টাওয়ারে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও পুরস্কার তুলে দেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং জনাব সৈয়দ জুলকার নাইন। এ সময় ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের অন্যান্য সদস্য এবং বিভাগীয় প্রধানরা সেখানে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান।

বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের কাজের প্রতি নিষ্ঠা এবং অসাধারণ অর্জনের ভূয়সী প্রশংসা করেন জনাব সৈয়দ জুলকার নাইন। তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, কর্মকর্তাদের কঠোর পরিশ্রম এবং সময়োপযোগী সঠিক সিদ্ধান্তের ফলেই বছরের প্রথম প্রান্তিকে রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে এই অর্জনের ধারা অব্যাহত রেখে ব্যাংককে আরও উচ্চশিখরে নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি সবার প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান এবং সাফল্যের নতুন পথ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও রিটেইল ব্যাংকিংয়ের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এবং ব্যাংক এশিয়ার কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা মনে করেন, এই ধরনের স্বীকৃতি ও কাজের মূল্যায়ন কর্মকর্তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ এবং কর্মস্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ব্যাংক এশিয়া সবসময়ই তার দক্ষ জনবলকে যথাযথ মূল্যায়ন করে থাকে এবং তাঁদের পেশাদারিত্বের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে, যা দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনে।

পরিশেষে, ব্যাংক এশিয়া তাদের রিটেইল ব্যাংকিং সেবাকে আরও গ্রাহকবান্ধব, আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। প্রথম প্রান্তিকের এই অর্জন বছরের বাকি সময়গুলোর জন্য এক নতুন অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন। উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে, যা কর্মকর্তাদের মধ্যে টিম স্পিরিট বা দলীয় সংহতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাবকে আরও দৃঢ় করেছে।


ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের আবাসন খাতের শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের প্রস্তাব করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। পর্ষদ কর্তৃক এই সুপারিশকৃত লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য আগামী ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে, যেখানে শেয়ারহোল্ডারদের উপস্থিতিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

সমাপ্ত অর্থবছরে ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের আর্থিক চিত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি ২০২৫ অর্থবছরে ৯৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা কর-পরবর্তী নিট মুনাফা অর্জন করেছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৬৯ পয়সা, যা পূর্ববর্তী বছরে ছিল ৪ টাকা ৯৭ পয়সা। তবে মুনাফায় সামান্য পরিবর্তন এলেও প্রতিষ্ঠানের সার্বিক আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী রয়েছে। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য বা এনএভি দাঁড়িয়েছে ৪৯ টাকা ৫৫ পয়সা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৪৬ টাকা ৩০ পয়সা।

প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সূচকগুলোও বেশ ইতিবাচক। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে ডিবিএইচের ক্যাপিটাল অ্যাডিকোয়েসি রেশিও বা সিএআর দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং রিটার্ন অন ইকুইটি বা আরওই দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। ১৯৯৬ সালে যাত্রা শুরু করা ডিবিএইচ গত ৩০ বছর ধরে দেশের আবাসন খাতে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে চলেছে। এই দীর্ঘ সময়ে প্রতিষ্ঠানটি দেশের প্রায় ৬৩ হাজারেরও বেশি পরিবারকে ১৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকার অধিক গৃহঋণ সহায়তা প্রদান করেছে, যা সাধারণ মানুষের নিজস্ব আবাসন স্বপ্ন পূরণে সহায়ক হয়েছে।

বর্তমানে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স বাংলাদেশের সকল বিভাগীয় শহরসহ মোট ১৭টি শাখার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গ্রাহকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ হোম লোনের পাশাপাশি ইসলামিক হাউজিং ফাইন্যান্স, সাশ্রয়ী আবাসন লোন এবং আকর্ষণীয় আমানত সেবা বা ডিপোজিট সুবিধা প্রদান করছে। সেবার মান এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনার ফলে প্রতিষ্ঠানটি দেশের আর্থিক খাতে একটি আস্থার জায়গায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।

ডিবিএইচের অন্যতম বড় সাফল্য হলো তাদের ঋণের গুণগত মান বজায় রাখা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ মোট পোর্টফোলিও’র মাত্র ১ শতাংশের কাছাকাছি, যা দেশের আর্থিক খাতের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত বিরল ও ঈর্ষণীয়। এছাড়া ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা এবং দৃঢ় আর্থিক সক্ষমতার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিষ্ঠানটি গত ২০ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ ক্রেডিট রেটিং ‘ট্রিপল এ’ (AAA) অর্জন করে আসছে। এই সাফল্য ও ধারাবাহিকতা আগামী দিনেও বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি।


দেশের ব্যাংকিং সেক্টরের প্রতিবন্ধকতা নিরসনে গভর্নরের সাথে বিএবি’র বৈঠক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জনাব মো. মোস্তাকুর রহমান, এফসিএমএ-এর সাথে বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)-এর এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মে, ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে গভর্নরের কার্যালয়ে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি সম্পন্ন হয়। বিএবি’র সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল হাই সরকারের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। মূলত দেশের ব্যাংকিং খাতের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়।

বৈঠকে দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে বিদ্যমান বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা এবং সেগুলো কাটিয়ে ওঠার কার্যকর উপায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়। ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সাধারণ গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে ব্যাংকগুলোর করণীয় সম্পর্কে উভয় পক্ষ নিজেদের মতামত বিনিময় করেন। দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে ব্যাংকিং সেক্টরকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

সভার অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল ব্যাংক কোম্পানি আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনীসমূহ। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে এই আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং আধুনিকায়নের বিষয়ে বিএবি প্রতিনিধিদল ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর বিস্তারিত পর্যালোচনা করেন। প্রস্তাবিত এই সংশোধনীগুলো বাস্তবায়িত হলে তা ব্যাংকিং খাতের সুশাসন এবং সামগ্রিক পরিচালনা ব্যবস্থায় কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, সেই বিষয়েও সভায় অংশীজনরা তাদের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন।

এছাড়া সমসাময়িক বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও ব্যাংকিং সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে সভায় উপস্থিত সদস্যরা মতবিনিময় করেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির মাধ্যমে সামগ্রিক আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সভায় একমত পোষণ করা হয়। গভর্নর বিএবি’র পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলোর কথা শোনেন এবং উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

পরিশেষে, ব্যাংকিং খাতের টেকসই উন্নয়ন এবং পরিচালনাগত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএবি চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল হাই সরকার এবং গভর্নর জনাব মো. মোস্তাকুর রহমান উভয়ই আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ ধরনের নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমে ব্যাংকিং সেক্টরের বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে। এই ফলপ্রসূ বৈঠকের মাধ্যমে দেশের আর্থিক খাতের বর্তমান সংস্কার প্রক্রিয়া আরও বেগবান হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


banner close