আগামী ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করা হবে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়’। অনুষ্ঠানে মূল বক্তা থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান।
গত সোমবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন। বিজ্ঞপ্তি
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশব্যাপী ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এর ঘোষণা দিয়েছে প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। এ কার্যক্রমের আওতায় ওয়ালটনের নির্দিষ্ট পণ্য কিনে ক্রেতারা আবারো মিলিয়নেয়ার হওয়ার সুযোগ পাবেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল, ২০২৬) রাজধানীতে প্রতিষ্ঠানটির কর্পোরেট অফিসে আজ এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ফ্রিজের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বিদ্যা সিনহা মিম ও ‘ফেস অব ওয়ালটন এসি’ হিসেবে যুক্ত জাতীয় দলের পেসার তাসকিন আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ঈদুল আজহা পর্যন্ত ক্যাম্পেইনটি চলবে। এ সময়ে দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম বা অনলাইন প্লাটফর্ম ‘ই-প্লাজা’ থেকে ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন বা বিএলডিসি ফ্যান কিনলে ক্রেতারা বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।
অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, “ওয়ালটন একটি ক্রেতাবান্ধব ব্র্যান্ড। প্রতিটি বড় উৎসবেই ক্রেতাদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে আসছে ওয়ালটন। এরই ধারবাহিকতায় আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে ওয়ালটন পণ্যে আবারো মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এরইমধ্যে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আগের কয়েকটি সিজনে ওয়ালটন পণ্য কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন ৪৪ জন ক্রেতা। ওয়ালটন থেকে পাওয়া ১০ লাখ টাকায় তাদের জীবনযাত্রার উন্নয়ন ঘটেছে। ফলে দেশব্যাপী ব্যাপক গ্রাহকপ্রিয়তা পেয়েছে ওয়ালটনের এই মিলিয়নিয়ার ক্যাম্পেইন। পূর্বের মতো ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের এই সিজনও গ্রাহকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে শতভাগ সফল হবে বলে তিনি আশাবাদী।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ চলাকালীন ক্রেতারা দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা ও পরিবেশক শোরুম থেকে ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন অথবা বিএলডিসি ফ্যান কেনার পর ক্রেতার নাম, মোবাইল নাম্বার ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের বার কোড ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হচ্ছে। এরপর সম্পূর্ণ কম্পিউটারাইজড সিস্টেমে ওয়ালটনের কাছ থেকে ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে ক্রেতাদের ১০ লাখ টাকা, বিভিন্ন অঙ্কের ক্যাশ ভাউচার অথবা আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবলের দলের জার্সিসহ নিশ্চিত উপহার পাওয়ার তথ্য জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ওয়ালটন প্লাজা বা শোরুম কর্তৃপক্ষ ক্রেতাদেরকে সেসব উপহার বুঝিয়ে দিচ্ছেন।
বিক্রয়োত্তর সেবা কার্যক্রমকে অটোমেশনের আওতায় আনতে ‘ডিজিটাল কাস্টমার ডাটাবেজ’ গড়ে তুলছে ওয়ালটন। সেজন্য দেশব্যাপী ওয়ালটন পণ্য কেনার পর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর এবং পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য ওয়ালটনের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে, ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে গেলেও দেশের যেকোনো ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। অন্যদিকে, সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারছেন। এ কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় গ্রাহকদের নানান সুবিধা দিয়ে আসছে ওয়ালটন।
এনআরবিসি ব্যাংকের সাধারণ ব্যাংকিং ও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও ঝুঁকিমুক্ত করতে রাজশাহীতে আউটরিচ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে ব্যাংকের হিউম্যান রিসোর্স ট্রেনিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (এইচআরটিডিসি)।
গত ৪, ৫ ও ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে যথাক্রমে ‘জেনারেল ব্যাংকিং অপারেশন অ্যান্ড এনআই অ্যাক্ট’, “মাইক্রোফাইন্যান্স ক্রেডিট অপারেশন ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট” এবং ‘এড্রেসিং চ্যালেঞ্জেস ইন ব্যাংকিং অপারেশন ফর অ্যাচিভিং সার্ভিস এক্সিলেন্স’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ ৩টির আয়োজান করা হয়।
প্রশিক্ষণে এইচআরটিডিসির প্রধান এসইভিপি মিসেস ফাহমিদা চৌধুরী, চিফ লিগ্যাল অফিসার (সিএলও) ও এসভিপি শেখ তারেক নেওয়াজ, এসএমই বিজনেস বিভাগের প্রধান ও ভিপি মো. রমজান আলী ভূইঁয়া, রাজশাহী জোনের প্রধান ও এসভিপি অসীম কুমার দাস উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণে রাজশাহী জোনের শাখা ও উপশাখার কর্মকর্তারা অংশ নেন।
প্রশিক্ষণে জেনারেল ব্যাংকিং অপারেশন কার্যক্রম, ঋণ আদায়সহ বিভিন্ন প্রেক্ষিতে আইনগত পদক্ষেপ, এসএমই ও মাইক্রোফাইন্যান্স খাতে ঋণ বিতরণ, তদারকি, আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহক মূল্যায়ন, কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কৌশল, ব্যাংকিং আইনকানুন ও নীতি-নৈতিকতার প্রয়োজনীতা ও চর্চাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এইচআরটিডিসির প্রধান মিসেস ফাহমিদা চৌধুরী বলেন, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও দক্ষতা বৃদ্ধি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। ব্যাংকের সকল কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনার লক্ষে ও বিভিন্ন অঞ্চলের প্রয়োজনীয়তা সরাসরি পূরণের লক্ষ্যে এ ধরনের আউটরিচ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে।
চিফ লিগ্যাল অফিসার শেখ তারেক নেওয়াজ বলেন, ঋণগ্রহীতার আর্থিক সক্ষমতা যাচাই, যথাযথ ডকুমেন্টেশন, মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদারকরণ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেভাগে চিহ্নিত করতে নির্ধারিত ব্যাংকিং পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। খেলাপি ঋণ কমাতে ঋণ আদায় বৃদ্ধির লক্ষে আইনগুলো সম্পর্কে অবগত থাকা এবং যথাযথ প্রক্রিয়া তার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। মামলা দায়ের ও পরিচলনার ক্ষেত্রে করণীয় বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করেন তিনি।
এসএমই বিজনেস বিভাগের প্রধান মো. রমজান আলী ভূইঁয়া বলেন, সকল মানুষের জন্য ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে অন্তর্ভূক্তিমূলক ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিকল্প নেই। ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করার সুযোগ রয়েছে। ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের ক্ষেত্রে গ্রাহক বাছাই, ঋণ প্রদান, তদারকি ও আদায় কার্যক্রম যথাযথভাবে করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক (ইডি) জনাব মামুনুর রহমানকে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেডের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। গত ২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে তিনি ব্যাংকটির এই শীর্ষ পদে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জনাব মামুনুর রহমানকে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালনের জন্য প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি ব্যাংকিং খাতের একজন অভিজ্ঞ ও প্রাজ্ঞ পেশাজীবী হিসেবে সুপরিচিত। ১৯৯৯ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ, ইন্টারনাল অডিট ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি এবং খুলনা অফিসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদানের পূর্বে তিনি আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এবং পুবালী ব্যাংক পিএলসিতেও কর্মরত ছিলেন।
শিক্ষাগত জীবনে জনাব মামুনুর রহমান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর এবং আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি দি ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (আইবিবি) থেকে ডিএআইবিবি (DAIBB) সনদ অর্জন করেছেন।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণ প্রসঙ্গে জনাব মামুনুর রহমান বলেন, “আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেড-এর সাথে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। ব্যাংকটির মাধ্যমে গ্রাহকসেবার মান উন্নয়ন এবং শরীয়াহভিত্তিক আধুনিক ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।”
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর ৯টি জোন ও ৪টি কর্পোরেট শাখার ত্রৈমাসিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন বুধবার (৮ এপ্রিল) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্মেলনে ব্যাংকের ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ মাসের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খাঁন সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ আলতাফ হুসাইন, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও ড. এম কামাল উদ্দীন জসীম, ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টরবৃন্দসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ, ৯টি জোনের জোনপ্রধান ও ৪টি কর্পোরেট শাখার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খাঁন সভাপতির ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন দুটি স্লোগান ছিল ইসলামী শরী’আহ মোতাবেক পরিচালিত এবং কল্যাণমুখী ব্যাংকি ধারার প্রবর্তক যা আজও আমাদের পথচলার মূল আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করছে। আমদানি-রপ্তানিসহ ব্যবসা সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তিনির্ভর রেমিট্যান্স সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও ভূমিকা পালন করার নির্দেশনা দেন।
পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ১৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (০৮ এপ্রিল) বেলা ১১টায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ড রুমে শারীরিক উপস্থিতি ও ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদের সদস্য— হাবিবুর রহমান, আজিজুর রহমান, এম. কবিরুজ্জামান ইয়াকুব এফসিএমএ (ইউকে), সিজিএমএ, মোস্তফা আহমদ, আয়শা ফারহা চৌধুরী, রুনা ফৌজিয়া হাফিজ, আসিফ এ. চৌধুরী, আহমেদ সালাহ্ সাত্তার, নাদির আহমেদ, মোহাম্মদ নওশাদ আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী, পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডার ও ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান এবং ব্যাংকের সিএফও ও মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ লিটন মিয়া এফসিএ।
এ সময় পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, মহাব্যবস্থাপক মো. শাহ্ আলম ও কোম্পানি সচিব গণপতি কুমার বিশ্বাস এফসিএস উপস্থিত ছিলেন।
জিপিএইচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল সফলভাবে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ২০২৬ আয়োজন করেছে। দিনব্যাপী এই আয়োজনের সমাপনী পর্ব হিসেবে মুন্সিগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে এক বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সম্মানিত অতিথিদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিয়ারসনের বাংলাদেশ ও নেপালের আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যবস্থাপক জনাব লিটন আবদুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ব্যবসা উন্নয়ন পরিচালক মিস তাহনী ইয়াসমিন। এছাড়াও স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ও জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আলমগীর কবির এবং ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস কামরুন নাহারসহ অন্যান্য সম্মানিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর সৃজনশীল “ড্রেস অ্যাজ ইউ লাইক” ইভেন্টে উৎসাহের সঙ্গে খুদে ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে। বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হলে আনন্দঘন পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
সাংস্কৃতিক পর্বে নৃত্য, সঙ্গীত, আবৃত্তি এবং ম্যাজিক শোর মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা অনুষ্ঠানকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত ও সৃজনশীল উপস্থাপনা উপস্থিত দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করে।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে উৎসাহ প্রদান করেন। চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আলমগীর কবির শিক্ষার্থীদের সাফল্যের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এমন আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্কুলের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খন্দকার ফারহাদ হোসেন (অব.) অতিথিদের স্বাগত জানান এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে, যা অংশগ্রহণকারীদের মনে রেখে যায় আনন্দময় স্মৃতি এবং সামগ্রিক শিক্ষার প্রতি বিদ্যালয়ের অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করে।
ইন্সপায়ারিং বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্স রান ২০২৬’ -এর চতুর্থ আসরের সকল নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীর জন্য রিল তৈরি প্রতিযোগিতার ঘোষণা দিয়েছে অনার বাংলাদেশ। আয়োজনটিতে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে যুক্ত রয়েছে অনার।
‘রান ফর হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ‘ফিট নেশন’ -এর সহযোগিতায় ইভেন্টটি আয়োজন করছে ‘ইন্সপায়ারিং বাংলাদেশ’। ৩ হাজারেরও বেশি নিবন্ধিত প্রতিযোগী নিয়ে আগামী ১০ এপ্রিল হাতিরঝিলে এই কমিউনিটি ম্যারাথনটি অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজনের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলেও, নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকছে নতুন এই সুযোগ। ইভেন্ট চলাকালীন সময়ে ম্যারাথনের দারুণ সব অভিজ্ঞতা ক্যামেরাবন্দি করে রিল তৈরি ও পোস্ট করতে অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।
ইভেন্টের পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে রিলে আসা মোট ভিউয়ের ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিযোগিতার বিজয়ী নির্বাচন করা হবে। রিল প্রতিযোগিতার বিজয়ী পুরস্কার হিসেবে পাবেন একটি অনার এক্স৬সি স্মার্টফোন। এছাড়া, রিল প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বাকি সবাই পাবেন একটি করে অনার স্মার্ট এআইওটি ডিভাইস।
ম্যারাথনে তিনটি আলাদা ক্যাটাগরি আছে: অভিজ্ঞ অ্যাথলেটদের জন্য ১৫ কিলোমিটারের ‘প্রো রান’, স্বাস্থ্য সচেতন পরিবারগুলোর জন্য সাড়ে ৭ কিলোমিটারের ‘ফ্যামিলি রান’ এবং অনভিজ্ঞ অ্যাথলেট ও ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য ২ কিলোমিটারের ‘ফান রান’।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে অনার বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ল্যাং গুও বলেন, “এই কমিউনিটি ইভেন্টটি সত্যিই প্রশংসনীয়। তরুণদের মাঝে সুস্থ ও সক্রিয় জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এটি একটি চমৎকার উদ্যোগ। এমন একটি উদ্যোগের পাশে থাকতে পেরে অনার অত্যন্ত গর্বিত।”
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (স্টেম) গবেষণায় নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে টানা ষষ্ঠবারের মতো সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি দিচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। ‘উইমেন ইন স্টেম’ শীর্ষক এই বিশেষ কর্মসূচিটি মূলত ব্রিটিশ কাউন্সিলের ‘গোয়িং গ্লোবাল পার্টনারশিপস’ উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এই বৃত্তির আওতায় নারী শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্টেম সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এক বছর মেয়াদী স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন। এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য হলো বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী খাতে নারীদের বিচরণ বৃদ্ধি করা এবং লিঙ্গ-বৈষম্য দূর করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রতিনিধিত্বমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা। এ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের ৪৩টি নামী বিশ্ববিদ্যালয় এই কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে এবং প্রায় ৫০০ জন শিক্ষার্থী এই মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি লাভ করেছেন।
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রতিটি স্কলারশিপের সর্বনিম্ন আর্থিক মূল্য ধরা হয়েছে ৪০ হাজার পাউন্ড। সম্পূর্ণ অর্থায়নের অধীনে শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি, আবাসন ও জীবনযাত্রার ভাতা, ভ্রমণ ও ভিসা খরচ, স্বাস্থ্যসেবা ফি এবং ইংরেজি ভাষা শেখার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বিশ্বমানের ল্যাবে পড়াশোনার পাশাপাশি স্টেম খাতের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ পাবেন। এছাড়া যুক্তরাজ্যের গ্লোবাল অ্যালামনাই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ারও সুযোগ থাকবে তাদের সামনে।
এ বছর সারাবিশ্বের ৩০টি দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৯০টি বৃত্তি বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের জন্য রয়েছে ২৫টি বৃত্তি, যার মাধ্যমে এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যের পাঁচটি নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে পারবেন।
এই কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিটিশ কাউন্সিলের গ্লোবাল হেড অফ এনাবলিং রিসার্চ অ্যান্ড সায়েন্স ড. জেন বার্ডসলি বলেন, “২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে উইমেন ইন স্টেম স্কলারশিপ কর্মসূচি চালিয়ে যেতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই উদ্যোগ স্টেম খাতে নারীদের ক্যারিয়ার গড়ার পথে থাকা প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সহায়তা করছে এবং বিজ্ঞানে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈচিত্র্যময় কণ্ঠস্বর তৈরি করছে। এর ফলে বিজ্ঞান খাত আরও সমৃদ্ধ হবে এবং সবার জন্য ইতিবাচক ফলাফল নিয়ে আসবে।”
ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ-এর হেড অফ এডুকেশন তৌফিক হাসান বলেন, “বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর করতে মেধা, সুযোগ এবং নেতৃত্বে ধারাবাহিক বিনিয়োগ প্রয়োজন। যুক্তরাজ্যের বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনী জগতের সাথে উদীয়মান নারী নেত্রীদের যুক্ত করার মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী স্টেম পরিবেশ গড়ে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ব্রিটিশ কাউন্সিলের ‘উইমেন ইন স্টেম’ স্কলারশিপ আমাদের সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।”
বাংলাদেশের স্টেম স্কলার সাদিয়া জামান নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “ব্রিটিশ কাউন্সিলের ‘উইমেন ইন স্টেম’ স্কলার হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা সত্যিই জীবন বদলে দেওয়ার মতো। এতে আমার গবেষণার দক্ষতা ও নারীবাদী চর্চা আরও শক্তিশালী হয়েছে। পাশাপাশি নীতি-নির্ধারণী আলোচনায় অংশ নেওয়ার আত্মবিশ্বাস পেয়েছি এবং স্টেম খাতে আগ্রহী অন্য নারীদের অনুপ্রাণিত করতে পেরেছি।”
এই বৃত্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এবং তালিকাভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নাম জানতে ব্রিটিশ কাউন্সিলের বৈশ্বিক ও বাংলাদেশি ওয়েবসাইট ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগ্রহী নারী শিক্ষার্থীদের আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে বলে গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।
আবাসন খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগদান করেছেন বর্তমানে রিয়েল এস্টেট খাতের আইকন সাব্বির হোসেন খাঁন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রূপায়ণ গ্রুপের বোর্ড অব ডিরেক্টরস তাকে নতুন এ পদে পদায়ন করে।
এর আগে সাব্বির হোসেন খাঁন রূপায়ণ হোটেল এন্ড রিসোর্ট এর সিইও হিসেবে সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ডরিন ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড সিইও হিসেব দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উচ্চপদে কাজ করেন কনকর্ড ও র্যাংগস প্রপার্টিজ লিমিটেডে।
দেশের আবাসন খাতের বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে নির্মাণ, সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং, কাস্টমার সার্ভিসসহ ব্যবস্থাপনা পরিচালনায় ৩২ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজী সাহিত্যে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন।
নতুন এ দায়িত্ব পাওয়ার পর সাব্বির হোসেন খাঁন বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও নির্মাণসামগ্রীর আকাশছোঁয়া দামের কারণে অন্যান্য খাতের মতো চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছে আবাসন শিল্প। এতসবের মধ্যেও আন্তর্জাতিক মানের আর্কিটেকচারাল ডিজাইনের মাধ্যমে মেগা গেটেড কমিউনিটিসহ আধুনিক বিশ্বমানের প্রকল্প নির্মাণ করছে রূপায়ণ গ্রুপ। আর তাই রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের ক্রেতাদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতে কাজ করবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
লালমাই উপজেলার ২ নং বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়নের পোহনকুছা পশ্চিম পাড়ার ১২ বছর বয়সী অসহায় মেয়ে সামিয়া আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় রিটেইল প্রতিষ্ঠান স্বপ্ন।
স্বপ্ন মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে অসহায় সামিয়ার জন্য প্রতি মাসে ৫,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদানের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এই সহায়তার মাধ্যমে সামিয়ার নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ এবং তার সার্বিক জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। স্বপ্ন সবসময়ই সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এবং এই উদ্যোগ সেই প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ।
এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ২ নং বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লোকমান হোসেন, মহিলা সদস্য শাহিদা বেগম, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং স্বপ্ন-এর কর্মকর্তা বৃন্দ। চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন, সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক কর্তব্য। স্বপ্ন-এর এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছে। এই উদ্যোগ তারই একটি ধারাবাহিকতা, যা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। স্বপ্ন বিশ্বাস করে, ছোট কিন্তু নিয়মিত সহায়তাই একজন মানুষের জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন আনতে পারে।
প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন মো. জিয়াউর রহমান। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্যাংকের বোর্ড সভায় তাকে এ পদোন্নতি দেওয়া হয়।
ব্যাংকিং খাতে ৩০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মো. জিয়াউর রহমান বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। বৈচিত্রময় কর্ম জীবনে তিনি ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, হেড অব ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, হেড অব সিন্ডিকেট অ্যান্ড স্ট্রাকচারড ফাইন্যান্সিং ও হেড অব করপোরেট বিজনেস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ব্যাংকের কমপ্লায়েন্স বিষয়ে তিনি অত্যন্ত অভিজ্ঞ। প্রাইম ব্যাংকে ডিএমডি হিসেবে যোগদানের পূর্বে তিনি ঢাকা ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংকের বিভিন্ন নেতৃস্থানীয় পদে কর্মরত ছিলেন।
পদোন্নতির আগে তিনি ২০২১ সাল থেকে ব্যাংকটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। বর্তমানে তিনি প্রাইম ব্যাংকের চিফ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার এবং চিফ রিস্ক অফিসার (সিআরও) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
প্রতিবারের মতো এবারও ১লা বৈশাখ উদযাপনের কেনাকাটাকে আনন্দময় ও সাশ্রয়ী করতে আকর্ষণীয় সব ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক অফার নিয়ে এসেছে বিকাশ। প্রিয়জনদের কিংবা নিজের জন্য কেনাকাটায় পছন্দের লাইফস্টাইল, ফুড, টিকেট ও ট্রাভেল, গ্যাজেটস, অনলাইন শপিংসহ দেশজুড়ে ১৫ হাজারের বেশি আউটলেটে বিকাশ পেমেন্টে থাকছে ১,৩৫০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক। বিস্তারিত জানা যাবে এই লিংকে - https://www.bkash.com/campaign/boishakhi-shopping-with-bkash।
উল্ল্যেখযোগ্য অফার -
লাইফস্টাইল: দর্জি বাড়ি, এক্সটেসি, বারকোড, ফ্যাব্রিলাইফ, কে ক্রাফট, রঙ, র নেশন, শৈল্পিক, স্মার্টেক্স সহ আরও বেশ কিছু ব্র্যান্ডে কেনাকাটায় পাওয়া যাচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। বিকাশ অ্যাপ থেকে ন্যূনতম ১,৫০০ টাকা পেমেন্টের সময় ‘D1’ কোড দিলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন ১০০ টাকা ডিসকাউন্ট। অন্য দিকে *২৪৭# ডায়াল করে পেমেন্টে থাকছে ৫% করে ক্যাশব্যাক, ১০০ টাকা পর্যন্ত। ক্যাম্পেইন চলাকালীন একজন গ্রাহক ২ বার এই ডিসকাউন্ট বা ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন। আড়ং-এ কেনাকাটায় ‘A3’ কোড দিয়ে ন্যূনতম ৩,০০০ টাকার পেমেন্ট বিকাশ করলে গ্রাহকরা পাচ্ছেন ১০০ টাকা ডিসকাউন্ট। অফারটি একবার উপভোগ করা যাবে। পাশাপাশি, রিচম্যান, ইনফিনিটি মেগা মল ও লুবনান এর যেকোনো আউটলেটে কেনাকাটায় বিকাশ অ্যাপে ‘D8’ কোড যোগ করে পেমেন্টে থাকছে ১০০ টাকা ডিসকাউন্ট আর *২৪৭# ডায়াল করে পেমেন্টে ১০০ টাকা ক্যাশব্যাক। এক্ষেত্রে ন্যূনতম ২,৫০০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে। অফারটি একবার উপভোগ করা যাবে। অফার চলবে ১৫ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত।
অনলাইন মার্কেটপ্লেস: পিকাবু, সারা লাইফস্টাইল, গ্যাজেট ও গিয়ার, লুবনান, মাঞ্চিস, লোটো, মুন স্কিন সহ নির্দিষ্ট অনলাইন শপ থেকে যেকোনো কেনাকাটায় ন্যূনতম ৬০০ টাকার পেমেন্ট বিকাশ করলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন ৫% অথবা ১০% করে ক্যাশব্যাক, ১০০ টাকা পর্যন্ত। গ্রাহক দিনে ১ বারে ১০০ টাকা পর্যন্ত এবং অফার চলাকালীন ১৫০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন।
ফুড ও বেভারেজ: নববর্ষে জনপ্রিয় ফুড ডেলিভারি অ্যাপ ফুডি-তে ন্যূনতম ৩০০ টাকা বিকাশ পেমেন্টে থাকছে ১০% করে ক্যাশব্যাক। ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পেইনে একজন গ্রাহক দিনে ১ বারে ৫০ টাকা পর্যন্ত, মাসে ১৫০ টাকা এবং অফার চলাকালীন সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাবেন। এদিকে, দেশি খাবারের স্বাদ নিতে কুকআপস এর অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে থেকে খাবার অর্ডারে বিকাশ পেমেন্টে থাকছে সর্বোচ্চ ৭% ডিসকাউন্ট। নির্দিষ্ট কুপন কোড অনুযায়ী নির্ধারিত পেমেন্ট অ্যামাউন্টের খাবারের অর্ডারে গ্রাহকরা পাচ্ছেন ৩, ৫ ও ৭% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পেইনে গ্রাহকরা প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ২ বার ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন। বিস্তারিত জানা যাবে এই লিংকে - https://www.bkash.com/campaign/payment-cookups-feb26।
গ্যাজেটস: স্টার টেক এর যেকোনো আউটলেট থেকে ন্যূনতম ১,২০০ টাকা বিকাশ পেমেন্টে কেনাকাটায় গ্রাহকরা পাচ্ছেন ২০০ টাকা ক্যাশব্যাক। ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পেইনে একজন গ্রাহক দিনে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। এছাড়া, ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত গোজায়ান-এ ফ্লাইট বুক করে পেমেন্ট বিকাশ করলে ডমেস্টিক ফ্লাইটে ৯% এবং ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইটে ১০% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়া যাচ্ছে।
দেশের অন্যতম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক জনতা ব্যাংক পিএলসি’র পরিচালনা পর্ষদের ৮৮০তম সভা সম্পন্ন হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে এই সভায় পর্ষদের সম্মানিত পরিচালকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন পর্ষদ পরিচালক মুনir ফেরদৌস, ড. মোঃ আব্দুস সবুর, আব্দুল মজিদ শেখ, আব্দুল আউয়াল সরকার, ড. মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, মোঃ আহসান কবীর এবং মোঃ কাউসার আলম। এছাড়া সভায় অধ্যাপক ড. এ. এ. মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমানও উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী এই আলোচনায় উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আব্দুর রহমান ও মো. ফয়েজ আলমও অংশ নেন।
অনুষ্ঠিত এই সভায় ব্যাংকের বর্তমান আর্থিক সূচকগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় শ্রেণীকৃত খেলাপি ঋণ আদায়ের ওপর। এছাড়া ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।