মোনাশ ইউনিভার্সিটির সিএমও ফ্যাবিয়ান মেরোন ও ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং অ্যান্ড রিক্রুটমেন্ট ডিরেক্টর জেনি ম্যাকহেন্ড্রি সম্প্রতি ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি) পরিদর্শন করেছেন।
মোনাশ কলেজ পাথওয়ের কোর্স মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার (এমইউএফওয়াই) এবং বিজনেস, আইটি ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা প্রদান করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে বিশ্বমানের শিক্ষা নিশ্চিত করছে এসটিএস গ্রুপের এই প্রতিষ্ঠান।
এ সময় দুপক্ষই মোনাশ পাথওয়ে প্রোগ্রাম, গ্র্যাজুয়েটদের নিয়োগের হার এবং স্কলারশিপ প্রোগ্রামসহ আরও বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন। বিজ্ঞপ্তি
২৯ নভেম্বর শেরাটন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ব্র্যাক ব্যাংক-দ্য ডেইলি স্টার আইসিটি অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫। দেশের আইসিটি খাতে অসামান্য অবদান রাখার জন্য তিন ব্যক্তি ও চার প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয় এই আয়োজনের দশম আসরে।
সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্যে অগমেডিক্স বাংলাদেশ ‘আইসিটি সল্যুশন প্রোভাইডার অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতে, দারাজ বাংলাদেশ লিমিটেড ‘ডিজিটাল কমার্স অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতে, প্রগতি সিস্টেমস লিমিটেডের টালিখাতা ছোট ব্যবসার বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকার জন্য ‘আইসিটি স্টার্ট-আপ অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতে এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঠাও ‘স্পেশাল রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড’ ক্যাটাগরিতে সম্মাননা লাভ করে।
ফুডপান্ডা বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড কো-ফাউন্ডার আমবারীন রেজা আইসিটি ওম্যান অব দ্য ইয়ার, বিকাশ-এর ফাউন্ডার অ্যান্ড সিইও কামাল কাদীর আইসিটি বিজনেস পারসন অব দ্য ইয়ার এবং বিডিজবস ডটকম-এর সিইও এ.কে.এম. ফাহিম মাশরুর আইসিটি পাইওনিয়ার সম্মাননা লাভ করেন।
আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম এবং ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “ব্র্যাক ব্যাংকের আইসিটি খাতে প্রতিশ্রুতির মূল প্রতিপাদ্য হলো, ব্র্যাক ব্যাংক দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রযুক্তিই একটি জাতিকে অপ্রতিরোধ্য করে তোলে। এই বিশ্বাস থেকেই আমরা আইসিটি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত করছি। আইসিটি উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সল্যুশন, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্ব বা ডিজিটাল ব্যবসা-উপযোগী অর্থায়ন সুবিধা— সবকিছুতেই আমাদের বার্তা একটিই: আমরা আপনাদের সক্ষমতায় বিশ্বাস করি এবং আমরা আপনাদের পাশে আছি।”
এক দশকের পথচলায় এবারের আসরে সেসব উদ্যোক্তাদের সম্মাননা জানানো হয়েছে, যারা স্মার্ট ও ডিজিটালি-সক্ষম বাংলাদেশের রূপকল্পকে সামনে এগিয়ে নিতে অবদান রাখছেন।
২৯ নভেম্বর ২০২৫ ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে অত্যন্ত সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলো ৪র্থ IEEE Conference on Biomedical Engineering, Computer and Information Technology for Health (BECITHCON) 2025 সম্মেলন। সম্মেলনের প্রথম দিনের সব কার্যক্রম নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে সারাদিনজুড়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত গবেষক, শিক্ষাবিদ, এবং শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে আয়োজনটি ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেছেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. এম. এম. শহিদুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ড. সেলিয়া শাহনাজ, ড. শাইখ এ. ফাত্তাহ এবং ড. মুহাম্মদ ইমামুল হাসান ভূঁইয়া, যারা সকলেই BUET-এর ইইই বিভাগের অধ্যাপক এবং IEEE-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত। উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সম্মেলনের সংগঠক কমিটির চেয়ারম্যান ও ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির প্রযুক্তি ও প্রকৌশলী অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মো. মাহফুজুর রহমান। বক্তারা স্বাস্থ্য প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন এবং তরুণ গবেষকদের নতুন উদ্ভাবনে উদ্বুদ্ধ করেন।
এই বছরের সম্মেলনের তিনজন আন্তর্জাতিক কী-নোট স্পিকার অনলাইনের মাধ্যমে তাদের বক্তব্য প্রদান করেন। তারা হলেন ড. মো. তৌহিদুল ইসলাম, Assistant Professor, Department of Radiation Oncology (Medical Physics), Stanford University, USA, তিনি “Next-Generation AI for High-Dimensional Biomedical Data: Towards Interpretable and Data-Efficient Discovery” শীর্ষক আলোচনায় স্বাস্থ্যসেবায় উচ্চমাত্রিক ডেটা বিশ্লেষণে উদ্ভাবনী ও ব্যাখ্যাযোগ্য এআই প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন।; ড. রোশান জয় মার্টিস, Associate Professor, Department of Electronics and Communication Engineering, Manipal Institute of Technology, Bengaluru, India, তিনি “Intelligent Processing of Biomedical Signals: A Technological Perspective” শীর্ষক বক্তব্যে বায়োমেডিক্যাল সিগন্যাল প্রসেসিং-এ আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং ড. আশির আহমেদ, Associate Professor, Faculty of Information Science and Electrical Engineering, Kyushu University, Japan, তিনি “Digital Transformation for Healthcare Productivity: Lessons from PHC, AI, and Global South Innovation” শীর্ষক বক্তৃতায় ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা, পোর্টেবল হেলথ ক্লিনিক, এবং AI-চালিত ট্রায়াজ ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
দিনব্যাপী প্যারালাল সেশনগুলোতে অংশগ্রহণকারীরা উপস্থাপন করেন বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, স্মার্ট হেলথ সিস্টেম, স্বাস্থ্যসেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং উদীয়মান প্রযুক্তি-নির্ভর গবেষণা। সারাদিনজুড়ে গবেষক, শিক্ষক, পেশাজীবী এবং শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে পরিবেশ ছিল অত্যন্ত জ্ঞানসমৃদ্ধ ও ইতিবাচক।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল এক্টিভিটিস কংগ্রেস (INDCon) ২০২৫- এর কো-লোকেটেড এক্টিভিটিজ প্রোগ্রাম। আইইইই ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ এবং আইইইই মিলিটারি ইন্সটিটিউশন অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত প্রজেক্ট শোকেসিং, কুইজ প্রতিযোগিতা, আইডিয়া প্রতিযোগিতা, একাধিক শিক্ষামূলক ও প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদেরকে নতুন কিছু শেখা, জানা, উদ্ভাবন ও অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে দেয়। এতে সরাসরি এবং অনলাইন উপস্থিতি মিলিয়ে প্রায় ২৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আনুমানিক ৯০জন ছাত্র – ছাত্রী অংশগ্রহন করেছে।
গঠনমূলক আলোচনা, গবেষণা উপস্থাপনা এবং সহযোগিতামূলক মতবিনিময়ের মাধ্যমে সম্মেলনের প্রথম দিনের কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা অগ্রগতি, উচ্চশিক্ষায় উৎকর্ষতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি আরও একবার সুদৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছে এই আয়োজন।
IEEE BECITHCON 2025-এর দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ভার্চুয়াল সেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে, যাতে দেশ-বিদেশের আরও গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।
সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে প্রান্তিক কৃষকদের কৃষিকাজে পানির চাহিদা পূরণে রংপুরের পীরগাছায় ব্যাংক এশিয়া স্থাপন করেছে আধুনিক দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সৌরশক্তি চালিত সেচ প্রকল্প। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (আরডিএ), বগুড়া।
২৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় কৃষক সমিতির কাছে প্রকল্পটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়ার মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. এ, কে, এম অলি উল্যা। ব্যাংক এশিয়ার রংপুর শাখা প্রধান জনাব এম. এ. হামিদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক এশিয়ার এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব রাশেদ মাহমুদ ও আরডিএ’ বগুড়ার পরিচালক জনাব ফেরদৌস খান। এ সময় স্থানীয় কৃষক সমিতির সদস্যসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সৌরশক্তি চালিত এ সেচ প্রকল্পটি ভূ-গর্ভ থেকে প্রতি ঘন্টায় ৫০,০০০ লিটার পানি উত্তোলন ও সরবরাহে সক্ষম, যা কৃষকদের কৃষির চাহিদা মিটিয়ে বাসাবাড়ির গৃহস্থালি কাজে বিশুদ্ধ পানির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর নির্বাহী কমিটির ৯০৮তম সভা সম্প্রতি ব্যাংকের কর্পোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান জনাব আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা। সভায় বিভিন্ন খাতে অর্থায়ন এবং ব্যাংকিং সম্পর্কিত বিষয়াবলী নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব ফকির আখতারুজ্জামান, ব্যাংকের পরিচালক ও কমিটির সদস্যবৃন্দ জনাব মো: সানাউল্লাহ সাহিদ, জনাব মহিউদ্দিন আহমেদ, ইঞ্জি. মো: তৌহীদুর রহমান, জনাব মোহাম্মদ ইউনুছ এবং জনাব খন্দকার শাকিব আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ এবং কোম্পানি সচিব জনাব মো: আবুল বাশার উপস্থিত ছিলেন।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্প-২ (এসএমইডিপি-২) এর আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে অংশীদারত্বমূলক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। এই চুক্তির মাধ্যমে সারা দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী সুদে ঋণ সুবিধা সম্প্রসারণ ও এসএমই খাতের সার্বিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাদের সহায়তায় পরিচালিত বাংলাদেশ ব্যাংকের এ ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্পটি এসএমই খাতের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-১) এস. এম. আবদুল হাকিম এর উপস্থিতিতে জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স সেন্টারে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর ও চুক্তিপত্র বিনিময় করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (এসএমইডিপি-২) মুনিরা ইসলাম এবং কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) কিমিয়া সাআদত।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক (এসএমইডিপি-২) মোঃ তরিকুল ইসলাম এবং কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর হেড করপোরেট ব্যাংকিং ও হেড অব বিজনেস (ব্রাঞ্চ) ড. মোঃ আরিফুল ইসলাম, হেড অব এসএমই অ্যান্ড এগ্রিকালচার শরীফ হাসান মামুনসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও কমিউনিটি ব্যাংকের অন্যান্য সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ।
সুজুকি মোটরবাইক’স (র্যানকন মোটর বাইকস লিমিটেড) রাজধানী ঢাকার বিজয় সরণিতে তাদের নতুন অত্যাধুনিক ৪র্থ ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট উদ্বোধন করেছে। এটি ঢাকায় সুজুকির ৩য় ফ্ল্যাগশিপ শোরুম এবং রাজধানীর গ্রাহকদের জন্য প্রিমিয়াম মোটরসাইকেল অভিজ্ঞতায় নতুন এক মাত্রা যোগ করবে।
এই নতুন আউটলেটটি সুজুকি বাংলাদেশের দেশব্যাপী শক্তিশালী রিটেইল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রচেষ্টার অংশ। এর মাধ্যমে সুজুকি গ্রাহকদের উন্নত সেবা, প্রিমিয়াম শোরুম পরিবেশ এবং বিশ্বমানের মোটরসাইকেল সুবিধা এক ছাদের নিচে নিশ্চিত করবে।
নতুন ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটটি সুজুকির সর্বশেষ মডেলগুলো প্রদর্শন করবে, যেখানে গ্রাহকরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং ডিজাইনের অভিজ্ঞতা পাবেন।
শোরুমের আধুনিক কনসেপ্টে সুজুকির জনপ্রিয় মোটরসাইকেল মডেলগুলোর পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তিনির্ভর মোটরসাইকেলও প্রদর্শিত থাকবে। এর সাথে গ্রাহকদের জন্য থাকবে সুজুকির অফিসিয়াল মার্চেন্ডাইজ কর্নার, যেখানে রাইডিং গিয়ার, ব্র্যান্ডেড অ্যাপারেল এবং প্রিমিয়াম হেলমেট পাওয়া যাবে, যা মোটরসাইকেল লাইফস্টাইলের একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।
বিজয় সরণির এই নতুন ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটটি সুজুকি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি দেশের গ্রাহকদের জন্য সর্বোচ্চ মানের শোরুম সুবিধা এবং উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে সুজুকি বাংলাদেশ তাদের ফ্ল্যাগশিপ নেটওয়ার্ক দ্রুত সম্প্রসারণ করছে।
Interior Designers Association of Bangladesh (IDAB) দেশের ইন্টেরিয়র ডিজাইন পেশার উৎকর্ষতাকে সামনে নিয়ে আসার জন্য আয়োজন করেছে মর্যাদাপূর্ণ “IDAB Excellence in Interior Design Award 2024”। যেখানে, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চারটি ক্যাটাগরিতে দেশের সেরা ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটি আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল-এ অনুষ্ঠিত হয়। বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, স্থাপত্য ও ইন্টেরিয়র সেক্টরের শীর্ষ কন্সালট্যান্টরা, পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট সেক্টরের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সম্মানিত অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী ভাষণে IDAB-এর প্রেসিডেন্ট সৈয়দ কামরুল আহসান বলেন, বাংলাদেশের ইন্টেরিয়র ডিজাইনের পরিধি দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং এই ক্ষেত্রটি এখন সৃজনশীলতা, আধুনিক নকশা ভাবনা এবং দেশীয় ঐতিহ্যের সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক মান অর্জনের পথে অগ্রসর। তিনি আরো জানান, প্রতি বছর এই অ্যাওয়ার্ড আয়োজনের মাধ্যমে প্রতিভাবান ডিজাইনারদের স্বীকৃতি প্রদান, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ইন্টেরিয়র ডিজাইন সেক্টরকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে IDAB কাজ করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে, অ্যাওয়ার্ড কমিটির চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য, মূল্যায়ন কাঠামো এবং বিচারের মানদন্ডের উপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। জুরি বোর্ডের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট ইন্টেরিয়র ডিজাইনার নাসরিন জামির। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট (IAB)-এর সভাপতি স্থপতি ড. আবু সাঈদ এম আহমেদ, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মো: আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের প্রধান ড. এস এম নাজমুল ইমাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দেশের স্থাপত্য জগতের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব আর্কিটেক্ট শামসুল ওয়ারেস। তিনি তরুণ ডিজাইনারদের সৃজনশীলতাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং এই শিল্পের উন্নয়ন ও কাঠামোবদ্ধ বিকাশের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
এ বছরের প্রতিযোগিতায় চারটি ক্যাটাগরি—রেসিডেন্স, কর্পোরেট, হসপিটালিটি এবং রিটেল—থেকে জমা পড়া অসংখ্য কাজের মধ্য থেকে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে তিনজনকে পুরস্কৃত করা হয়।
রেসিডেন্স ক্যাটাগরিতে, তৃতীয় পুরস্কার প্রদান করেন মাসুদ পারভেজ, গ্যাসডাম এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন ইরিনা খান মুমু। দ্বিতীয় পুরস্কার প্রদান করেন শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের রুবানা সাদিয়া আলম এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত হলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, রাফিদ রিয়াসাদ এবং এম ডি সিবাত আহনাফ। প্রথম পুরস্কার প্রদান করেন প্রধান অতিথি আর্কিটেক্ট শামসুল ওয়ারেস এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন সারোয়াত ইকবাল টিসা, মনন বিন ইউনুস, এবং রাজিব আহমেদ ।
করপোরেট ক্যাটাগরিতে, তৃতীয় পুরস্কার প্রদান করেন এশিয়ান পেইন্টস-এর সিইও কে এস এম মিনহাজ এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত হলেন সারওয়াত ইকবাল টিসা, মনন বিন ইউনুস এবং রাজিব আহমেদ। দ্বিতীয় পুরস্কার প্রদান করেন বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের প্রধান ড. এস এম নাজমুল ইমাম এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত হলেন আর্কিটেক্ট নাজিউর ইসলাম। প্রথম পুরস্কার প্রদান করেন IAB-এর সভাপতি ড. আবু সাঈদ এম আহমেদ এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন আর্কিটেক্ট ড্যানিয়েল হক।
হসপিটালিটি ক্যাটাগরিতে, তৃতীয় পুরস্কার প্রদান করেন মার্বেল ডি কারারা (প্রা.) লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদুর রহমান এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন কাজি জাহিদুল ইসলাম। দ্বিতীয় পুরস্কার প্রদান করেন এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিটেকচার বিভাগের প্রধান ড. এম ডি নওরোজ ফাতিমি এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত হলেন রাফিয়া মারিয়ম আহমেদ। প্রথম পুরস্কার প্রদান করেন IDAB প্রেসিডেন্ট সৈয়দ কামরুল আহসান এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন আর্কিটেক্ট ফাতিহা পলিন।
রিটেল ক্যাটাগরিতে, তৃতীয় পুরস্কার প্রদান করেন উড টেক সলিউশন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়ামুল হোসাইন খান এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন রাফিয়া মারিয়ম আহমেদ। দ্বিতীয় পুরস্কার প্রদান করেন সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির আর্কিটেকচার বিভাগের প্রধান ড. মাসুদুর রহমান এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত হলেন ফারহানা আলিয়া। প্রথম পুরস্কার প্রদান করেন সুইশ গ্লোবাল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইসমাইল হোসেন এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন আর্কিটেক্ট মাহমুদুল আনোয়ার রিয়াদ ।
এছাড়াও, জুরি বোর্ডের সদস্যদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। জুরি সদস্যরা, তাঁদের মূল্যায়ন অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের ইন্টেরিয়র ডিজাইন শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। স্পন্সর সম্মাননা প্রদান পর্বে বক্তব্য রাখেন, সুইস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইসমাইল হোসেন এবং এশিয়ান পেইন্টস-এর সিইও কে এস এম মিনহাজ।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে, দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘জলের গান’ মনোমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশনা এবং পরবর্তীতে, ডিনারের পরিবেশনের মধ্য দিয়ে পুরো আয়োজনের সমাপ্তি টানা হয়। জমকালো এই অনুষ্ঠানটি সফল করতে যেসব প্রতিষ্ঠান সহায়তা করেছে তারা হচ্ছে—Powered By পার্টনার সুইস, Sustainable Business Hospitality Partner ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা, Exclusive Toilet Partner গ্যাসডাম, Exclusive Paint Partner এশিয়ান পেইন্টস, Exclusive Floor Partner মার্বেল ডি কারারা (প্রা.) লিমিটেড এবং Platinum Partner উড টেক সল্যুশন লিমিটেড (WTS)।
জাপানের নাম্বার ওয়ান ব্র্যান্ড আনল "সোফি এন্টি ব্যাকটেরিয়া স্যানিটারি প্যাড " এবং বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পিত পিরিয়ড এডুকেশন প্রোগ্রাম- "মন-এর কথা উইথ সোফি "
ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২৫ বৈশ্বিক নারী স্বাস্থ্যের প্রতি প্রতিশ্রুতি আরও শক্তিশালী করে এবং বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ ব্যবসায়িক যাত্রা শুরু করে, বৈশ্বিক ফেমিনিন কেয়ার বাজারের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড ইউনিচার্ম গ্রুপ দেশে প্রথমবারের মতো স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত নতুন স্যানিটারি ন্যাপকিন "সোফি এন্টি ব্যাকটেরিয়া" বাজারে আনছে।
এটি একটি "দ্বিমুখী প্রতিশ্রুতি"-
১) বাংলাদেশের নারীদের প্রয়োজন বিবেচনায় তৈরি "সোফি এন্টি ব্যাকটেরিয়া স্যানিটারি প্যাড"-এর স্থানীয় উৎপাদন;
২) এবং একই সঙ্গে দেশের ১০ লক্ষ কিশোরীকে পৌঁছে যাবে এমন একটি বিস্তৃত পিরিয়ড এডুকেশন উদ্যোগ "মন-এর কথা উইথ সোফি" এর উদ্বোধন।
বাংলাদেশের নারীদের চাহিদা অনুযায়ী বিশেষভাবে তৈরি এই পণ্যটি দেশের নিজস্ব কারখানায় উৎপাদন করা হবে। স্থানীয় উৎপাদনের মাধ্যমে ইউনিচার্ম প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে আরও বেশি ভোক্তার কাছে ধারাবাহিকভাবে উচ্চমানের, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পণ্য পৌঁছে দেওয়ার। পিরিয়ড -এর প্রতিটি দিনে নারীদের আরাম, পরিচ্ছন্নতা ও আত্মবিশ্বাস নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।
ইউনিচার্ম বিশ্বাস করে-
"পিরিয়ড যেন নারীর স্বাধীনতার পথে বাধা না হয় এবং পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন যেন সবার অধিকার হয়।"
পিরিয়ড এডুকেশন নিয়ে ইউনিচার্ম এর বৈশ্বিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার বাংলাদেশেও শুরু হচ্ছে বড় পরিসরের উদ্যোগ। নারীর শরীর, পিরিয়ড সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান, কীভাবে পিরিয়ড সামলাতে হয়, এবং সঠিক পণ্য নির্বাচন-এসব বিষয়ে ১০ লক্ষ মেয়েদের কাছে পৌঁছাতে ডিজিটাল মিডিয়ার পাশাপাশি স্কুল পর্যায়ের মুখোমুখি সেশনও থাকবে।
প্রোগ্রামটি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হবে সোফি-এর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে অনলাইন ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে। বাংলাদেশের গাইনি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে ফেসবুক লাইভ সেশনসহ বিভিন্ন ডিজিটাল কন্টেন্টের মাধ্যমে সঠিক তথ্য দেশের নানা প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সরাসরি শিক্ষামূলক সেশন চালু হবে, যেখানে মেয়েরা বাস্তবমুখী জ্ঞান ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলতে পারবে।
এই উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশে সোফি-এর অফিসিয়াল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সায়ারা তোটিনি-কে ঘোষণা করা হয়েছে।
ইউজির ইকেদা সান-এর মন্তব্য
(কর্পোরেট অফিসার, ইউনিচার্ম কর্পোরেশন ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইউনিচার্ম ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড)
"জাপানে জন্ম নেওয়া এবং বিশ্বজুড়ে কোটি নারীর ভালোবাসায় সমৃদ্ধ 'েসাফি' ব্র্যান্ডের সেরা নারীর স্বাস্থ্যের পণ্য বাংলাদেশে উপস্থাপন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। আমরা দুইটি মূল প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে এই যাত্রা শুরু করেছি-
প্রথমত, স্থানীয়ভাবে তৈরি উদ্ভাবনী 'সোফি এন্টি ব্যাকটেরিয়া'-এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ মানের হাইজিন নিশ্চিত করা; এবং দ্বিতীয়ত, বিস্তৃত পিরিয়ড হেলথ এডুকেশন-এর মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মকে সচেতন করে তোলা।
আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি মেয়ের অসীম সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের উন্নত জাপানি প্রযুক্তি নিশ্চিত করবে যে, পিরিয়ড কোনোভাবেই তাদের অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।"
ইউনিচার্ম ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড এর সেলস সিনিয়র ডিরেক্টর, অশীষ কুমার ভার্মা-বলেন ,
"আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে আমাদের ফ্ল্যাগশিপ ব্র্যান্ড সোফি-কে বাংলাদেশে স্থানীয় উৎপাদনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গভাবে উপস্থাপন করতে পারছি। আমাদের মূল্যবান ডিস্ট্রিবিউশন ও হোলসেল পার্টনাররা-যাদের সঙ্গে বহু বছরের আস্থার সম্পর্ক রয়েছে-বাংলাদেশের প্রতিটি নারীর কাছে 'সোফি এন্টি ব্যাকটেরিয়া' পৌঁছে দিতে গুরুত্ব¡পূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষত, আজ এখানে উপস্থিত প্রধান হোলসেলারদের গভীর বাজার-জ্ঞান এবং শক্তিশালী বিতরণ নেটওয়ার্কই আমাদের পণ্যকে নির্ভরযোগ্যভাবে প্রতিটি ভোক্তারের কাছে পৌঁছে দেবে।
ইউনিচার্ম শুধু ভোক্তাদের নয়, আমাদের পার্টনারদেরও উন্নতির মূল্য দিতে বিশ্বাস করে। একসঙ্গে আমরা সোফি-কে বাংলাদেশের বাজারে শীর্ষ ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করব-এবং এমন ভবিষ্যৎ তৈরি করব যেখানে প্রতিটি মেয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারবে।"
মো. নাবীর হোসেন,ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জেএস গ্রুপ বলেন,
"বাংলাদেশের নারীদের জন্য মানসম্মত পিরিয়ড কেয়ার নিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার। সোফি শুধু একটি স্যানিটারি প্যাড নয়-এটি আরাম, নিরাপত্তা ও আত্মবিশ্বাসের প্রতিশ্রুতি। বাংলাদেশের বাজারে সোফি-এর পূর্ণাঙ্গ যাত্রা শুরু হওয়াকে আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখি। আমরা বিশ্বাস করি-নারীর সক্ষমতাই দেশের অগ্রগতির কেন্দ্রবিন্দু। পিরিয়ড হেলথ নিয়ে নীরবতা ও লজ্জা দূর করা, এবং সঠিক জ্ঞানের প্রসার ঘটানো আমাদের মূল লক্ষ্য। কোনো মেয়ে যেন পিরিয়ড-এর কারণে শিক্ষা বা দৈনন্দিন জীবন থেকে পিছিয়ে না পড়ে-এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি।ইউনিচার্ম-এর আস্থা এবং এই কৌশলগত পার্টনারশিপ আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। শক্তিশালী মার্কেটিং, দক্ষ ডিস্ট্রিবিউশন ও প্রিমিয়াম ভোক্তা-অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমরা সফি-কে বাংলাদেশের সর্বত্র পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সোফি -তে আপনাদের বিশ্বাসের জন্য ধন্যবাদ। একসঙ্গে আমরা একটি আরও সচেতন, আত্মবিশ্বাসী ও অগ্রসর বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।"
ক্লাব নটরডেমিয়ান্স বাংলাদেশ লিমিটেড-এর আয়োজনে গত ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ অনুষ্ঠিত হলো প্রেসিডেন্ট কাপ ইনডোর টুর্নামেন্ট ২০২৫-এর পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ১৫ নভেম্বর ২০২৫ মাসব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলা ও স্পোর্টসম্যানশিপের সমন্বয়ে সিএনবিএল প্রেসিডেন্ট কাপ ইনডোর টুর্নামেন্ট ২০২৫ সমাপ্ত হয়। ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলা এই টুর্নামেন্টে মোট ১১৫ জন ক্লাব সদস্য পাঁচটি ইভেন্টে অংশ নেন টেবিল টেনিস, দাবা, ক্যারম, ৮-বল পুল এবং স্নুকার।
ফলাফল:
টেবিল টেনিস (সিঙ্গেলস): চ্যাম্পিয়ন: বদরুল হাসান (৯১ ব্যাচ), রানার-আপ: ফয়সাল মাহমুদ সজিব (২০০৩ ব্যাচ)
টেবিল টেনিস (ডাবলস): চ্যাম্পিয়ন: সুজন মাহমুদ (৯৪ ব্যাচ) ও ফয়সাল মাহমুদ সজিব (২০০৩ ব্যাচ), রানার-আপ: সাইফুল আলম ও জিয়াউল হক রাজীব (৯৮ ব্যাচ)
দাবা: চ্যাম্পিয়ন: আসাদুজ্জামান (৯৯ ব্যাচ), রানার-আপ: আনিসুর রহমান
ক্যারম (সিঙ্গেলস): চ্যাম্পিয়ন: জুয়েল গোমেজ (৯৯ ব্যাচ), রানার-আপ: মাহফুজুর রহমান (৯৫ ব্যাচ)
ক্যারম (ডাবলস): চ্যাম্পিয়ন: মাহফুজুর রহমান (৯৫ ব্যাচ) ও জুয়েল গোমেজ (৯৯ ব্যাচ), রানার-আপ: চন্দন চন্দ্র দাস (৯৪ ব্যাচ) ও মোহাম্মদ আবু নাদের আল মোকাদ্দেস (৯৪ ব্যাচ)
৮-বল পুল: চ্যাম্পিয়ন: তানিম মো. মাশরুর আলম, রানার-আপ: মো. খালেদ বিন সালাম
স্নুকার (সিএনবিএলের প্রথম স্নুকার টুর্নামেন্ট): চ্যাম্পিয়ন: মো. সাইফুল আলম দিপু (৯৮ ব্যাচ), রানার-আপ: আশওয়ার হোসেন শান্ত (৯৮ ব্যাচ)
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মো. রিফায়েত উল্লাহ, প্রেসিডেন্ট, ক্লাব নটরডেমিয়ান বাংলাদেশ লিমিটেড। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সৈয়দ আবু বাসের বখতিয়ার, চেয়ারম্যান, অগ্রণী ব্যাংক। ইসি (স্পোর্টস) মো. খালেদ বিন সালাম এবং নির্বাহী কমিটির সকল সদস্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সিএনবিএল প্রেসিডেন্ট ক্লাবের ক্রীড়া কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে ইসি (স্পোর্টস) মো. খালেদ বিন সালামের নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি সকল অংশগ্রহণকারীদের খেলাধুলার মনোভাবের প্রশংসা করে বলেন, এমন আয়োজন সদস্যদের আরও কাছাকাছি আনে, সম্পর্ক দৃঢ় করে এবং নেটওয়ার্কিংকে সমৃদ্ধ করে। তিনি নিয়মিত এমন আয়োজন করার আশা ব্যক্ত করেন। ইসি (স্পোর্টস) মো. খালেদ বিন সালাম টুর্নামেন্টকে সফল ও প্রাণবন্ত করে তুলতে সকল অংশগ্রহণকারীর সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি তার স্পোর্টস কমিটির সদস্য আবু সায়েম, শাখাওয়াত পারভেজ, মো. সাইফুল আলম দিপু ও সুজন মাহমুদ এর সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দেশের ঐতিহ্যকে আধুনিক প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরতে এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ব্র্যাক ব্যাংক আয়োজন করেছে ‘ঐতিহ্যের হাট ২০২৫’।
গ্লোবাল অন্ট্রপ্রেনরশিপ উইকের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই ইভেন্টের আয়োজন করা হয়, যেখানে এক মঞ্চে প্রদর্শিত হয়েছিল বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, পণ্য ও খাবারের অনন্য বৈচিত্র্যতা।
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কীভাবে তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে পারে, এ বছরের থিম ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’-এর মাধ্যমে সেটিই তুলে ধরা হয়েছে।
দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন অ্যান্ড অন্ট্রপ্রেনরশিপ ডিপার্টমেন্টের ও ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতায়। ইভেন্টে গ্রাম-বাংলার পণ্য, হ্যান্ডিক্রাফট, আঞ্চলিক খাবার ও লোকজ ঐতিহ্য তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ব্র্যান্ডিং প্রজেক্ট ও স্টার্টআপ আইডিয়াগুলোও তুলে ধরা হয়েছে। আয়োজনে প্রায় ৫,০০০ শিক্ষার্থী উদ্যোগ, ব্র্যান্ডিং, মার্কেটিং, গ্রাহক সম্পৃক্ততা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, যা দেশে নতুন ব্যবসায় তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করে সংস্লিষ্টরা।
২৩ নভেম্বর ২০২৫ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. আর. কবির, উপ-উপাচার্য প্রফেসর মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, ট্রেজারার ড. হামিদুল হক খান এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব এসএমই স্ট্র্যাটেজি, ইনোভেশন অ্যান্ড নিউ বিজনেস জাকিরুল ইসলাম এবং হেড অব এসএমই বিজনেস সাপোর্ট মো. মহসিনুর রহমান। এছাড়াও আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন ফ্যাকাল্টি মেম্বার, শিক্ষার্থী, শিল্প নেতৃবৃন্দ, ও তরুণ উদ্যোক্তারা।
২০২২ সালে শুরু হওয়া ‘ঐতিহ্যের হাট’ বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্ট, যা কালচারাল ব্র্যান্ডিং ও তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তায় একটি উল্লেখযোগ্য মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ বছরের আয়োজনে প্রায় ৭০,০০০ শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই, উদ্যোক্তা এবং দর্শনার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এই ইভেন্ট গ্রামীণ কারুশিল্পী ও যুব-নেতৃত্বাধীন উদ্যোগগুলোর মধ্যে অর্থপূর্ণ সংযোগ তৈরি করতে ভূমিকা রেখেছে, যা কারুশিল্পের মার্কেট তৈরি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে।
তরুণ-কেন্দ্রিক উদ্যোগ সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, “ব্র্যাক ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে এসএমই উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে সহায়তা করে আসছে। ঐতিহ্যের হাট স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনাকে তুলে ধরার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। আমরা তরুণদের উদ্যোক্তা স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তাঁদের সহায়তায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করতে এবং বাংলাদেশে উদ্ভাবন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
দেশের প্রথম জেসিআই স্বীকৃত হাসপাতাল, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা- এর শিশু হৃদরোগ বিভাগ বিনামূল্যে শিশুদের হৃদরোগ চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে নরসিংদী জেলায় দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেছে। এই কার্যক্রমটি দেশের মানুষের জন্য বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে হাসপাতালের প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ।
২৮ ও ২৯ নভেম্বর নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলার ভাটেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পটি দুই দিনব্যাপী চলে। ক্যাম্পের নেতৃত্ব দেন এভারকেয়ার হসপিটালস, বাংলাদেশ (ঢাকা ও চট্টগ্রাম)-এর শিশু হৃদরোগ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. তাহেরা নাজরীন। তিনি বিনামূল্যে হৃদরোগে আক্রান্ত শতাধিক শিশুদের আউটডোর স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেন এবং ২ডি ও কালার ডপলার ইকোকার্ডিওগ্রাফি করেন। ডা. সোহেল আহমেদ, সিনিয়র কনসালটেন্ট, কার্ডিওথোরাসিক এন্ড ভাস্কুলার সার্জারি ডিপার্টমেন্ট, এভারকেয়ার হসপিটালস, বাংলাদেশ (ঢাকা ও চট্টগ্রাম) সার্জারি রোগীদের সেবা প্রদান করেন। উক্ত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন করেন নরসিংদী জেলার সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ আমিরুল হক । অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খান নূরউদ্দিন মো: জাহাঙ্গীর; সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বেলাবো, নরসিংদী আবু তারেক মো: আ: আল হোসাইন; এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা- এর শিশু হৃদরোগ বিভাগের ডাক্তারগণ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।
এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা সর্বস্তরের মানুষের জন্য সাধ্যের মধ্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে থাকে। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে বিনামূল্যে এই মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। যেখানে উল্লেখযোগ্য একটি সেবা ছিল, বিশ্বমানের মেশিনের সাহায্যে বিনামূল্যে ইকোকার্ডিওগ্রাফি পরীক্ষার মাধ্যমে শিশুদের রোগ নির্ণয় ও পরবর্তী চিকিৎসা প্রদান করা। এছাড়াও, রোগীদের ডাক্তার অ্যাপয়েন্টমেন্ট, ভর্তি-পূর্ব সহায়তা এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরের ব্যবস্থাও করা হয়। এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার শিশু হৃদরোগ বিভাগটি শিশুদের সেরা মানের জন্মগত হৃদরোগ চিকিৎসা প্রদানে বিনামূল্যে ডিভাইস, বেলুন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করে যেন তারা সঠিকভাবে হৃদরোগের চিকিৎসা পেতে পারে।
ক্লিনিক্যাল ও ইন্টারভেনশনাল পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজিস্ট ডা. তাহেরা নাজরীন বলেন, “বিশ্বে এক হাজার জন বাচ্চার মধ্যে ৮ থেকে ১২ জন বাচ্চা হৃদরোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। আমাদের দেশে জন্মগত হৃদরোগ চিকিৎসা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এভারকেয়ার হসপিটালের শিশু হৃদরোগ বিভাগটি অক্লান্তভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত সর্বস্তরের শিশুদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করছে। এই বিভাগটি বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে বিশ্বমানের সেবা প্রদান করতে বদ্ধপরিকর। এ মানবিক উদ্যোগে সরকারি ও বেসরকারি সব পক্ষকে একসাথে কাজ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।”
জুন ২০২৫ সিরিজের কেমব্রিজ পরীক্ষায় অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য দেশের ১২৪ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন গ্রুপ ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘আউটস্ট্যান্ডিং কেমব্রিজ লার্নার অ্যাওয়ার্ডস (ওসিএলএ)’ অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। আজ ২৭ নভেম্বর রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ঢাকায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
জুন ২০২৫ কেমব্রিজ পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদযাপন করতেই এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বিশ্বব্যাপী ৪০টিরও বেশি দেশে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন। প্রতিষ্ঠানটি ১৬০ বছরের বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পরিচালনা করে আসছে।
‘টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড,’ ‘হাই অ্যাচিভমেন্ট,’ ‘টপ ইন কান্ট্রি,’ ও ‘বস্ট অ্যাক্রোস,’ এই চারটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ বছর বাংলাদেশের ১২৪ জন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯৪ জন পেয়েছে ‘টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ অ্যাওয়ার্ড, যারা নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশ্বে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে। এছাড়াও, দেশে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ায় ৪১ শিক্ষার্থী পেয়েছে ‘টপ ইন বাংলাদেশ’ অ্যাওয়ার্ড।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট, বাংলাদেশের কান্ট্রি লিড সারওয়াত রেজা। স্বাগত বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের সাফল্যের প্রশংসা করেন। পরবর্তী পর্বে ভিডিও বার্তা দেন কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর রড স্মিথ। ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর মার্টিন ডসন দেশের শিক্ষার মানোন্নয়নে যুক্তরাজ্যের সহায়তার অঙ্গীকার এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে তার বক্তব্যে ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের রিজিওনাল ডিরেক্টর (সাউথ এশিয়া) বিনয় শর্মা বলেন, “কেমব্রিজ লার্নাররা আমাদের সকল কার্যক্রমের প্রাণস্বরুপ। শিক্ষাক্রম প্রণয়ন ও পাঠদান থেকে শুরু করে মূল্যায়ন, প্রতিটি ধাপই আমরা এমনভাবে ডিজাইন করি, যেন শিক্ষার্থীরা তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে সাফল্য অর্জন করতে পারেন। জুন ২০২৫ -এর পরীক্ষায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই অসাধারণ সাফল্যের জন্য আমরা আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।”
ব্রিটিশ কাউন্সিলের এক্সামস ডিরেক্টর বাংলাদেশ ম্যাক্সিম রেইম্যান বলেন, “সকল কৃতী শিক্ষার্থীরা যারা অসাধারণ এ সাফল্য অর্জনে নিষ্ঠা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও মানসিক দৃঢ়তার প্রমাণ দিয়েছেন তাদের আমি আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। । কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে পরীক্ষা আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। নানা উদ্ভাবনী পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে নেওয়া এ পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জন্য সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়, শিক্ষকদের মানোন্নয়নে সহায়তা করে এবং কৃতীদের সাফল্যকে স্বীকৃতি প্রদান করে।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবীর। তিনি শিক্ষার্থীদের মানসম্পন্ন শিক্ষা, অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষ এবং ভবিষ্যৎ গঠনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়াও, অনুষ্ঠানে কয়েকজন সফল কেমব্রিজ অ্যালামনাই বক্তব্য দেন। প্লেপেনের সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমান বুয়েট শিক্ষার্থী রিজক আমিন খান, মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমান আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থী সামিহা শেহমীম খান এবং বিএএফ শাহীন ইংলিশ মিডিয়াম কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হিশাম তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় ছিল একটি মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক আয়োজন।
এরপরে, অনুষ্ঠানে অসামান্য অ্যাকাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ পর্বে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘হাই অ্যাচিভমেন্ট’ ও ‘টপ ইন কান্ট্রি’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ডিরেক্টর অব অপারেশনস জুনায়েদ আহমেদ এবং কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের অ্যাকাডেমিক অ্যাডভাইজর জুলিয়েট গোমেজ। এরপর টপ ইন কান্ট্রি পুরস্কার প্রদান করেন কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের রিজিওনাল ডিরেক্টর ফর ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন (সাউথ এশিয়া) বিনয় শর্মা এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর তাহনী ইয়াসমিন। সমাপনী বক্তব্যে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তাহনী ইয়াসমিন।
বিশিষ্ট কবি ও চিন্তক মোঃ ফয়েজ আলমের কবিতা নিয়ে এবার চারুকণ্ঠ আবৃত্তি সংসদের ত্রৈমাসিক আবৃত্তি আয়োজন ‘বিনম্র রোদের ছায়া’র ৩৭তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে। গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠানে অতিথি আলোচক ছিলেন কবি ও কথাশিল্পী জোহরা পারুল এবং গবেষক ও নাট্যসমালোচক আবু সাঈদ তুলু।
আয়োজনের প্রথম পর্বে চারুকণ্ঠের আবৃত্তিশিল্পীবৃন্দ ও আমন্ত্রিত আবৃত্তিশিল্পীরা কবির কবিতা আবৃত্তি করেন। দ্বিতীয় পর্বে কবির কবিতা ও চিন্তাজগতের নানাবিধ বিষয় নিয়ে তথ্য ও তত্ত্বগত বিষয়ে আলোকপাত করেন গবেষক ও নাট্যসমালোচক আবু সাঈদ তুলু এবং কবির লেখার জগৎ ও পারিবারিক জীবন নিয়ে কথা বলেন কবি ও কথাশিল্পী জোহরা পারুল। অনুষ্ঠানে কবি খলিল মজিদ, মামুন খানসহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই চারুকণ্ঠের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জি এম মোরশেদ স্বাগত বক্তব্যে ‘বিনম্র রোদের ছায়া’র প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। এরপর চারুকণ্ঠের সাধারণ সম্পাদক ফারজানা রোজি কবির সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন। কবিতা আবৃত্তি পর্বে দেশ বরেণ্য কবি ও আবৃত্তিকার ফয়জুল আলম পাপপু ও রফিকুল ইসলামসহ পর্যায়ক্রমে কবির কবিতা আবৃত্তি করেন দিলশাদ জাহান পিউলী, সুসমিতা হক, রুবাইয়া রুমকি, আনোয়ার পারভেজ, কাজী রাজেশ, অনন্যা সাহা, মুরাদ হোসেন,সৈয়দ আশিকুল ইসলাম, মোফাজ্জেল হোসেন সবুজ, জেসমিন বন্যা, হিমেল অনার্য, আসমা মালিহা, জিএম মোরশেদ, শিখা সেনগুপ্ত, মুহ. সিদ্দিকুর রহমান পারভেজ ও ফারজানা রোজী।
দ্বিতীয় ও শেষ ভাগের শুরুতে কবি ও অতিথিদের শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে উত্তরীয় ও ক্রেস্ট তুলে দেন চারুকণ্ঠের সদস্যরা। এ পর্বে সভপতিত্ব করেন চারুকণ্ঠের সহ-সভাপতি আনোয়ার পারভেজ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রশান্ত অধিকারী।