রোববার, ১৭ মে ২০২৬
৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে অত্যাধুনিক ক্যাফেটেরিয়ার উদ্বোধন

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২৩ ১৯:১৮

শিক্ষার্থীদের মনোরম পরিবেশে টাটকা খাবার পরিবেশনের জন্য ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে অত্যাধুনিক ক্যাফেটেরিয়ার উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার রাজধানীর আফতাবনগরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে নবনির্মিত অত্যাধুনিক এ ক্যাফেটেরিয়ার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এইচ এন আশিকুর রহমান এমপি এবং উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শহিদুল হাসান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, ডিন, প্রধান প্রকৌশলী, রেজিস্ট্রার ও বিভিন্ন বিভাগের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

নবনির্মিত এই ক্যাফেটেরিয়াতে এক সঙ্গে প্রায় পাঁচশ জন খাবার গ্রহণ করতে পারবেন। এখানে দিনে দশ হাজার মানুষের খাবার রান্না করার ব্যবস্থা রয়েছে। একই সঙ্গে আধুনিক লাইটিং, কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও এখানে রয়েছে। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা নতুন ক্যাফেটেরিয়ায় টাটকা খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পুষ্টির চাহিদা যেমন মেটাবে, তেমনি তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতেও সাহায্য করবে।


জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির আয়োজনে সম্পন্ন হলো সাইবার ড্রিল-২০২৬

আপডেটেড ১৭ মে, ২০২৬ ১৬:০৪
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বিজিডি ই-গভ সার্ট আয়োজিত “জাতীয় সাইবার ড্রিল ২০২৬”-এ দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাইবার বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করেছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি’র দল “CyberSavvy”।

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তা দক্ষতা যাচাই করা হয়। সারাদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার শেষে প্রকাশিত চূড়ান্ত স্কোরবোর্ড অনুযায়ী “CyberSavvy” দলটি ৫৭৫০ স্কোর অর্জন করে প্রথম স্থান অধিকার করে।

দলের সদস্যদের নিরলস প্রচেষ্টা, দ্রুত সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং সমন্বিত টিমওয়ার্ক এই সাফল্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। প্রতিযোগিতায় সাইবার আক্রমণ শনাক্তকরণ, ইনসিডেন্ট রেসপন্স, ডিজিটাল ফরেনসিকস এবং সিকিউরিটি অ্যানালাইসিসভিত্তিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

চূড়ান্ত স্কোরবোর্ড অনুযায়ী দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি’র “DBBL Cyber Squad” এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশের “CBBL Warrior” দল।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এই অর্জন দেশের ব্যাংকিং খাতে সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করে যে দক্ষ মানবসম্পদ, কার্যকর নেতৃত্ব এবং ধারাবাহিক প্রস্তুতির মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক মানের সাইবার সক্ষমতা অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে।

টিমটির নেতৃত্বে ছিলেন মো. আশিকুর রহমান। দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন— মো. মুশফিক উল আনাম, মো. নাহিদ ইসলাম চৌধুরী, মো. শাহীন কাদির এবং স্বরূপ সাহা।

প্রথম স্থান অর্জনের পর টিম লিডার মো. আশিকুর রহমান অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন,“দেশের সেরা সাইবার টিমগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে প্রথম স্থান অর্জন করা সত্যিই গর্বের ও আনন্দের। আমাদের পুরো টিম অত্যন্ত আন্তরিকতা, ধৈর্য ও টিমওয়ার্কের মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন করেছে।”

এই সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান কার— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,“আমাদের সম্মানিত CISO স্যার মো: সানোয়ার হোসেন-কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। তিনি সবসময় তার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, দিকনির্দেশনা এবং নিয়মিত শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে পুরো আইটি সিকিউরিটি টিমকে আপডেট ও অনুপ্রাণিত রাখেন। তার নেতৃত্ব ও অনুপ্রেরণাই আমাদের আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে।”


মার্সেল ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন টাঙ্গাইলের হাবিবুর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের পেকুয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের যুবক হাবিবুর রহমান মার্সেল ব্র্যান্ডের একটি ফ্রিজ কিনে নিজের ভাগ্য বদলে ফেলেছেন। দেশজুড়ে চলমান ‘মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এর আওতায় তিনি নগদ ১০ লাখ টাকা পুরস্কার পেয়েছেন। আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে আয়োজিত এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে একটি সাধারণ কেনাকাটার মাধ্যমে এই বিশাল অঙ্কের অর্থ লাভ করেন তিনি। ১০ লাখ টাকা প্রাপ্তির এই সংবাদে মির্জাপুর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং বিজয়ী হাবিবুর এখন খুশিতে আত্মহারা।

সম্প্রতি মির্জাপুরের তক্তারচালা বাজারে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে হাবিবুরের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। এই চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান এবং অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। অনুষ্ঠানে মার্সেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হেড অব বিজনেস হোসেন মো. রুহিন সাব্বির, ডেপুটি হেড অব বিজনেস মতিউর রহমান এবং অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া মার্সেলের স্থানীয় ডিস্ট্রিবিউটর শোরুম ‘হোম ইলেকট্রনিক্স’-এর স্বত্বাধিকারী ওসমান গনিও এই আনন্দঘন আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।

মার্সেল কর্তৃপক্ষ জানায় যে, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে তারা ক্রেতাদের জন্য এই বিশেষ ডিজিটাল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছে। এই অফারের আওতায় মার্সেল ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন কিংবা সিলিং ফ্যান কিনলে গ্রাহকরা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জেতার সুযোগ পাচ্ছেন। বড় পুরস্কার ছাড়াও ক্রেতাদের জন্য রয়েছে ৫০ হাজার টাকার ক্যাশ ভাউচার, আকর্ষণীয় ক্যাশব্যাক এবং অসংখ্য ব্যবহারিক উপহার। ঈদুল আযহা পর্যন্ত দেশব্যাপী মার্সেলের সকল শোরুমে এই ক্যাম্পেইনটি চালু থাকবে, যার মাধ্যমে সাধারণ ক্রেতাদের কেনাকাটায় বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ যোগ হচ্ছে।

বিশাল এই পুরস্কার পাওয়ার পর মো. হাবিবুর রহমান তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন যে, এটি তাঁর কাছে এক অবিশ্বাস্য প্রাপ্তি। তিনি জানান, কোনো পণ্য কিনলে লাখ লাখ টাকা পাওয়া যায় তা আগে কেবল নাটক-সিনেমার দৃশ্যপটেই দেখতেন, যা আজ তাঁর জীবনে সত্যি হয়েছে। মার্সেল থেকে পাওয়া এই অর্থ দিয়ে তিনি তাঁর বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করবেন বলে জানান। অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান মার্সেল পণ্যের গুণগত মানের প্রশংসা করে সবাইকে দেশীয় ব্র্যান্ড ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ বলেন, মার্সেল কেবল ব্যবসায়িক লাভের কথা ভাবে না, বরং ক্রেতাদের সুবিধা ও মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তনেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।


প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য এমজি গাড়িতে বিশেষ ছাড়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রাইম ব্যাংক পিএলসি এবং স্বনামধন্য অটোমোবাইল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান র‍্যানকন ব্রিটিশ মোটরস লিমিটেড (এমজি) একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং তাঁদের গাড়ি কেনার স্বপ্নপূরণে বিশেষ সুবিধা প্রদান করা। গত ১৬ মে ২০২৬ তারিখে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত র‍্যানকন ব্রিটিশ মোটরসের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সমঝোতাটি চূড়ান্ত করা হয়। এর ফলে ব্যাংকিং সেবার পাশাপাশি গ্রাহকরা এখন বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধাও ভোগ করতে পারবেন।

স্বাক্ষরিত এই চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-র সম্মানিত গ্রাহকরা এখন থেকে এমজি (MG) ব্র্যান্ডের যেকোনো মডেলের গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে র‍্যানকন ব্রিটিশ মোটরস থেকে বিশেষ মূল্যছাড় ও অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবেন। মূলত প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডগুলোর সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে গ্রাহকদের বাড়তি ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা দেওয়ার পরিকল্পনা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ছাড়ের ফলে আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য বিলাসবহুল ও নির্ভরযোগ্য এমজি গাড়ি কেনা আগের চেয়ে আরও সাশ্রয়ী ও সহজতর হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দলিলে সই করেন প্রাইম ব্যাংকের এসইভিপি ও হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক মামুর আহমেদ এবং র‍্যানকন ব্রিটিশ মোটরস লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রশিদ ভূইয়া। স্বাক্ষর শেষে তাঁরা দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার এই ব্যবসায়িক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করেন। কর্মকর্তারা মনে করেন, এ ধরনের অংশীদারিত্ব কেবল ব্যবসায়িক প্রসারে নয়, বরং গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জনেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় আরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে প্রাইম ব্যাংকের ইভিপি ও হেড অব কনজ্যুমার অ্যাসেটস অ্যান্ড কার্ডস জোয়ার্দ্দার তানভীর ফয়সাল এবং র‍্যানকন ব্রিটিশ মোটরস লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হোসেন মাশনুর চৌধুরী অন্যতম। তাঁরা উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে গ্রাহকরা ব্যাংক থেকে কেবল সঞ্চয় বা ঋণ সুবিধা নয়, বরং জীবনযাত্রার সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ সমাধান প্রত্যাশা করেন। সেই চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়েই এই অটোমোবাইল অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি দীর্ঘকাল ধরে গ্রাহকদের লাইফস্টাইল ভিত্তিক মানসম্পন্ন সেবা ও আধুনিক আর্থিক সমাধান প্রদানের মাধ্যমে আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। র‍্যানকন ব্রিটিশ মোটরসের সাথে এই নতুন সমন্বয় ব্যাংকটির সেই প্রতিশ্রুতি পালনেরই একটি অংশ। ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গ্রাহকদের স্বপ্নপূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে ভবিষ্যতেও তারা এ ধরনের উদ্ভাবনী এবং ভোক্তাবান্ধব উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশের অটোমোবাইল বাজারে এমজি ব্র্যান্ডের প্রচার বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহক সম্পৃক্ততা আরও জোরালো হবে।


আকিজ আইবস-এর নতুন উদ্যোগ: শুরু হলো ‘কুরবানী রান’ গেমিং টুর্নামেন্ট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

আকিজ রিসোর্সের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আকিজ আইবস লিমিটেড দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য ‘কুরবানী রান’ শীর্ষক একটি বিশেষ গেমিং টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে। শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত আকিজ হাউজে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে টুর্নামেন্টটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। দেশীয় গেমিং শিল্পকে উৎসাহিত করা এবং তরুণদের জন্য সুস্থ ও প্রতিযোগিতামূলক বিনোদনের পরিবেশ নিশ্চিত করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব গেমিং প্ল্যাটফর্ম ‘ইলিউশন আর্ক’-এর অধীনে এই প্রতিযোগিতাটি পরিচালিত হবে।

আগ্রহী গেমাররা ‘ইলিউশন আর্ক’ (https://illusionark.com) প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধনের মাধ্যমে খুব সহজেই এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবেন। আগামী ১০ জুন পর্যন্ত চলমান এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী গেমারদের দক্ষতা অনুযায়ী মূল্যায়ন করা হবে। টুর্নামেন্ট শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ ২৫ জন বিজয়ীকে বিশেষ সম্মাননা ও আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হবে। পুরস্কারের তালিকায় রয়েছে রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন এবং মাইক্রোয়েভ ওভেনসহ আধুনিক ও ব্যবহারিক বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আকিজ আইবস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জায়েদ বিন রশিদ এই উদ্যোগের সামাজিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ের তরুণদের মাদক, অনলাইন জুয়া এবং অন্যান্য ক্ষতিকর আসক্তি থেকে দূরে রাখতে সুস্থ ও অর্থবহ বিকল্প বিনোদন মাধ্যম তৈরি করা জরুরি। ‘কুরবানী রান’ টুর্নামেন্টটি মূলত সেই লক্ষ্যেই সাজানো হয়েছে। তিনি আরও জানান যে, বর্তমানে এটি দেশীয় প্রেক্ষাপটে শুরু হলেও ভবিষ্যতে এই প্ল্যাটফর্মটিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানের।

এই উদ্যোগটিকে আকিজ রিসোর্সের একটি ডিজিটাল কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (সিএসআর) কার্যক্রম হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। বিদেশি গেমিং প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব সংস্কৃতির ছোঁয়ায় তৈরি দেশীয় গেমের প্রচার ও প্রসার ঘটানোই এর অন্যতম কৌশলগত লক্ষ্য। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন যে, এ ধরণের উদ্যোগ তরুণদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশের গেমিং খাতের সামগ্রিক বিকাশে সহায়ক হবে এবং স্থানীয় গেম ডেভেলপারদের নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আকিজ রিসোর্সের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন চিফ পিপল অফিসার মো. আফসার উদ্দিন, চিফ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ তৌফিক হাসান এবং আকিজ বিল্ডিং সলিউশনস লিমিটেডের ক্লাস্টার সিইও আসাদুল হক সুফিয়ানী। এছাড়াও ‘কুরবানী রান’ গেমের প্রধান ডেভেলপার জুবায়ের আল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কারিগরি দলের সদস্যরা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে গেমটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। একটি আধুনিক ও মেধাভিত্তিক ডিজিটাল সমাজ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।


ডিএইচএলকে হারিয়ে ফিকি ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন রবি আজিয়াটা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

জমজমাট আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে গত শুক্রবার (১৫ মে ২০২৬) পর্দা নামল ‘অ্যাক্সেনটেক প্রেজেন্টস এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’-এর দ্বিতীয় আসরের। ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি)-র ব্যানারে নাটমেগ আয়োজিত এই টুর্নামেন্টটি বাংলাদেশের কর্পোরেট ফুটবল অঙ্গনে এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। এবারের আসরে দেশের ২০টি শীর্ষস্থানীয় মাল্টিন্যাশনাল ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের লড়াই শেষে মোট ৫০টি রোমাঞ্চকর ম্যাচের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়, যা পেশাদার ফুটবল চর্চায় টিমওয়ার্ক এবং স্পোর্টসম্যানশিপের অনন্য নজির স্থাপন করেছে।

টুর্নামেন্টের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ ছিল বহুল প্রতীক্ষিত ‘কাপ ফাইনাল’, যেখানে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হয় রবি আজিয়াটা পিএলসি এবং ডিএইচএল এক্সপ্রেস বাংলাদেশ। নির্ধারিত সময়ে দুই দলের লড়াকু ফুটবল ও শক্তিশালী রক্ষণভাগের কল্যাণে ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র থাকে। পরবর্তীতে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে টাইব্রেকারের সাহায্য নেওয়া হয়। স্নায়ুচাপের সেই লড়াইয়ে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ডিএইচএল-কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে রবি আজিয়াটা। ফাইনালে অসাধারণ অবদানের জন্য রবির খেলোয়াড় শাকিব ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন। রবির এই জয় দলের সংহতি ও ফুটবলারদের দৃঢ় মানসিকতারই প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

এর আগে দিনের শুরুতেই অনুষ্ঠিত হয় প্লেট ফাইনাল, যেখানে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক নাটকীয় সাডেন-ডেথ টাইব্রেকারে শেভরন বাংলাদেশকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে। নির্ধারিত সময়ের খেলাটি ১-১ গোলে সমতায় শেষ হয়েছিল। টুর্নামেন্ট জুড়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল ছিলেন ডিএইচএল-এর শাহীনুর, যিনি ১০টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার লাভ করেন। একই দলের সৈকত তাঁর ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ‘প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট’ নির্বাচিত হন। এছাড়া রবির গোলরক্ষক মুসাব্বির সেরা গোলরক্ষকের স্বীকৃতি পান এবং পুরো টুর্নামেন্টে সুশৃঙ্খল ও আদর্শ স্পোর্টসম্যানশিপ প্রদর্শনের জন্য লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ ‘ফেয়ার প্লে ট্রফি’ অর্জন করে।

ফাইনাল ম্যাচ শেষে আয়োজিত সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। এ সময় ফিকি-র পরিচালক এম এইচ এম ফাইরোজ, নির্বাহী পরিচালক টিআইএম নুরুল কবির এবং রবি আজিয়াটার চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলমসহ বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। নাটমেগ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাহবুব আলম এবং সিঙ্গার বাংলাদেশের মার্কেটিং ডিরেক্টর জুবায়েদ উল ইসলামও অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান। এই আয়োজনে টাইটেল স্পনসর হিসেবে ছিল অ্যাক্সেনটেক এবং কো-স্পনসর হিসেবে যুক্ত ছিল সিঙ্গার-বেকো। এছাড়াও স্প্রাইট মিন্ট, ব্যাকপেজ পিআর এবং নভোএয়ার এই আয়োজনে বিভিন্ন স্তরে সহযোগিতা প্রদান করে।

এই ফুটবল টুর্নামেন্টটি কেবল একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হিসেবেই নয়, বরং মাল্টিন্যাশনাল ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সৌহার্দ্য বৃদ্ধির মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা এই প্রাণবন্ত আয়োজনটি প্রমাণ করেছে যে, কর্মক্ষেত্রের বাইরেও বাংলাদেশের কর্পোরেট কমিউনিটির মধ্যে সুস্থ ক্রীড়া সংস্কৃতি দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। আয়োজকরা মনে করছেন, এ ধরণের উদ্যোগ পেশাদার জীবনযাত্রায় ভারসাম্য রক্ষা করার পাশাপাশি দেশের ফুটবল উন্নয়নেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে। একটি স্মরণীয় সমাপ্তির মধ্য দিয়ে ২০২৬ সালের এই আসর বিদায় নিলেও এটি অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝে দীর্ঘকাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।


ওয়াক্ফ এস্টেট পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিতে প্রশাসক ও মোতাওয়াল্লী সমিতির বৈঠক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখে রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত ওয়াক্ফ প্রশাসকের কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সারাদেশে বিদ্যমান ওয়াক্ফ এস্টেটগুলো সুচারুভাবে পরিচালনা এবং ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আনতে সরকারের সহযোগিতা ও মোতাওয়াল্লীদের মধ্যকার ঐক্যের ওপর এই বৈঠকে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। ওয়াক্ফ প্রশাসক (সচিব) সাফিজ উদ্দিন আহমেদের সাথে মোতাওয়াল্লী সমিতির এই সভায় মূলত ওয়াক্ফ সম্পত্তি রক্ষা এবং এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বর্তমান ও আগামীর চ্যালেঞ্জসমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, যথাযথ সমন্বয়ের মাধ্যমেই ধর্মীয় ও দাতব্য এই সম্পত্তিগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব।

মোতাওয়াল্লী সমিতির সভাপতি এবং হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ মোতাওয়াল্লী ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সমিতির মহাসচিব অধ্যক্ষ ড. আলমগীর কবীর পাটোয়ারী, সহ-সভাপতি ইয়ার মোহাম্মদ বেলাল এবং বৃহত্তর কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা প্রবীণ ও নবীন মোতাওয়াল্লীরাও এই আলোচনায় অংশ নেন। সভায় উপস্থিত সদস্যরা মাঠ পর্যায়ে ওয়াক্ফ এস্টেট পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতাগুলো তুলে ধরে সেগুলো দ্রুত সমাধানের জন্য প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সভার আলোচনায় অংশ নিয়ে ওয়াক্ফ প্রশাসক সাফিজ উদ্দিন আহমেদ মোতাওয়াল্লীদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার জাতীয় পর্যায়ের সকল প্রতিষ্ঠানে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। ওয়াক্ফ প্রশাসনের প্রতিটি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে এবং কোনো ক্ষেত্রে আইনি লঙ্ঘন বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে। তিনি মোতাওয়াল্লীদেরকে নিজস্ব দায়িত্ব পালনে আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি শক্তিশালী ও জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেন।

সভাপতির বক্তব্যে ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া ওয়াক্ফ আইনের মৌলিক বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, ওয়াক্ফ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মাঝে সুষ্পষ্ট ধারণার অভাব থাকায় প্রায়ই অনাকাঙ্ক্ষিত বিবাদ ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। তিনি সকলকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, সাধারণ পাবলিক প্রপার্টি এবং ওয়াক্ফ এস্টেট পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ পৃথক দুটি আইন বিদ্যমান। যেহেতু ওয়াক্ফ সম্পত্তি ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী ‘আল্লাহ’র সম্পত্তি’ হিসেবে বিবেচিত, সেহেতু এটি সরকার কর্তৃক প্রণীত বিশেষ বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এই আইনগত পার্থক্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে অনেক বিবাদ এড়ানো সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।

মোতাওয়াল্লীদের নিরাপত্তাহীনতা এবং অহেতুক হয়রানি রোধের বিষয়েও সভায় বিশেষ দাবি উত্থাপন করা হয়। ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া অভিযোগ করেন যে, আইন অনুযায়ী বেনিফিশিয়ারি বা সুবিধাভোগীরা ছাড়া অন্য কারও অভিযোগ গ্রহণযোগ্য না হলেও অনেক ক্ষেত্রে বহিরাগতরা ব্যক্তিস্বার্থে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ করছে। বেআইনি হওয়া সত্ত্বেও অনেক সময় এই অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে তদন্ত করার ফলে সারাদেশে মোতাওয়াল্লীরা সামাজিক ও প্রশাসনিক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। এই ধরণের হয়রানি ও বিশৃঙ্খলা বন্ধ করতে এবং বহিরাগতদের অপতৎপরতা রুখতে আইন মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা নিতে তিনি সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।


জনতা ব্যাংক পিএলসি-এর ৮৮৫তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদের ৮৮৫তম সভা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৪ মে, বৃহস্পতিবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের সভাটি সম্পন্ন হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিচালনা পর্ষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমান। মূলত ব্যাংকের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং ২০২৬ সালের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এই নিয়মিত সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় পর্ষদের সম্মানিত পরিচালকবৃন্দের মধ্যে বদরে মুনির ফেরদৌস, ড. মোঃ আব্দুস সবুর, আব্দুল মজিদ শেখ এবং আব্দুল আউয়াল সরকার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ড. মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, মোঃ আহসান কবীর, মোঃ কাউসার আলম এবং অধ্যাপক ড. এ. এ. মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী সক্রিয়ভাবে আলোচনায় অংশ নেন। সভায় ব্যাংকের শীর্ষ ব্যবস্থাপনার পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মজিবর রহমান এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আব্দুর রহমান ও মোঃ ফয়েজ আলম উপস্থিত থেকে বর্তমান ব্যবসায়িক চিত্র তুলে ধরেন।

এই বোর্ড সভার অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল ব্যাংকের শ্রেণীকৃত খেলাপি ঋণ আদায় প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করা। পর্ষদ সদস্যরা ব্যাংকের আর্থিক ভিত শক্তিশালী করার লক্ষ্যে অনাদায়ী ঋণ আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আইনি জটিলতা নিরসনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে খেলাপি ঋণের হার কমিয়ে আনাকে ব্যাংকের জন্য অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

ঋণ আদায়ের পাশাপাশি সভায় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নে করণীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়। ব্যাংকিং খাতের আধুনিকায়ন এবং সরকারের অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জনতা ব্যাংকের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমান। সভার শেষে ব্যাংকের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং আমানতকারীদের আস্থা বজায় রাখতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।


শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ৩৭তম ফাউন্ডেশন ট্রেনিং সম্পন্ন: সনদ পেলেন ৪০ কর্মকর্তা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর নবনিযুক্ত প্রবেশনারী অফিসারদের জন্য আয়োজিত ৩৭তম ফাউন্ডেশন ট্রেনিং কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠান অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৪ মে ২০২৬ তারিখে রাজধানীর শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ১৯ দিনব্যাপী পরিচালিত এই নিবিড় প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগে নবনিযুক্ত মোট ৪০ জন প্রবেশনারী অফিসার অংশগ্রহণ করেন। আধুনিক ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান এবং পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছিল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন এবং কোর্সে বিশেষ কৃতিত্ব প্রদর্শনকারী কর্মকর্তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। ১৯ দিনের এই দীর্ঘ প্রশিক্ষণে কর্মকর্তাদের ব্যাংকিং আইন, ইসলামি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং পদ্ধতি, ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে নবীন কর্মকর্তাদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা ও দায়িত্বশীলতার আমেজ পরিলক্ষিত হয়।

সনদ বিতরণকালে ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ নবনিযুক্ত কর্মকর্তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে সততা, নিষ্ঠা এবং পেশাদারিত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি কর্মকর্তাদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, ব্যাংকিং পেশা একটি আস্থার জায়গা এবং আধুনিক প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে হলে সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিবান্ধব সেবার কোনো বিকল্প নেই। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই ফাউন্ডেশন কোর্স থেকে অর্জিত জ্ঞান কর্মকর্তাদের কর্মক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে সাহায্য করবে এবং ব্যাংকের টেকসই প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে সেশন চেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মানব সম্পদ বিভাগ ও ট্রেনিং একাডেমির প্রধান জনাব এ. কে. এম. হাসান রহিম। তিনি কর্মকর্তাদের পেশাগত বুনিয়াদ শক্ত করতে এ ধরণের প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির ফ্যাকাল্টি মেম্বার ড. মো: মাইন উদ্দিনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক নিয়মিতভাবে তার কর্মকর্তাদের জন্য এ ধরণের উচ্চতর প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে, যা ব্যাংকের সুশাসন ও গ্রাহকসেবার উৎকর্ষ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


অগ্রণী ব্যাংকে আইএফআরএস-৯ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

অগ্রণী ব্যাংক পিএলসিতে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদন মানদণ্ড বা ‘আইএফআরএস-৯’ (IFRS-9) বিষয়ক দিনব্যাপী একটি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ মে ২০২৬, শনিবার রাজধানীর অগ্রণী ব্যাংক ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (এবিটিআই) এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অধিকতর স্বচ্ছতা আনয়ন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির সাথে তাল মিলিয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করাই ছিল এই আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য। আধুনিক ব্যাংকিং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধিতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কর্মশালাটিতে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র পরিচালনা পর্ষদ এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক মুজাফফর আহম্মদ (এফসিএমএ) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম। এছাড়া সেশনগুলোতে অংশগ্রহণ করেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পারসুমা আলম, মো. আবুল বাশার ও রূবানা পারভীন। ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির লক্ষে মহাব্যবস্থাপকগণ, সার্কেল প্রধান, করপোরেট শাখা প্রধান এবং অঞ্চল প্রধানগণ এই নিবিড় প্রশিক্ষণে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

এই কর্মশালার অন্যতম প্রধান উপজীব্য ছিল আইএফআরএস-৯ বাস্তবায়নের কৌশল এবং ঋণ বা বিনিয়োগের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি (Expected Credit Loss) নিরূপণের সঠিক পদ্ধতি। ব্যাংকিং খাতে ঋণ ঝুঁকি কমানো এবং বিনিয়োগের সঠিক মূল্যায়ন কাজে গতিশীলতা আনয়নের ওপর সেশনগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই কারিগরি দিকগুলো বিশদভাবে আলোচনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষজ্ঞ ফ্যাসিলিটেটররা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) এবং হেড অব ট্রেজারিরা এই প্রক্রিয়ার প্রয়োগিক দিক ও চ্যালেঞ্জসমূহ নিয়ে আলোচনা করেন।

তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি বাস্তব কর্মক্ষেত্রে আইএফআরএস-৯ এর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার বিষয়ে কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। বক্তারা উল্লেখ করেন যে, সঠিক ও স্বচ্ছ আর্থিক বিবরণী তৈরির মাধ্যমে যেমন বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করা সম্ভব, তেমনি এটি ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সুশাসন নিশ্চিত করে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে ঋণ বা বিনিয়োগের সম্ভাব্য লোকসান আগেভাগেই চিহ্নিত করা গেলে ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি আরও সুসংহত হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

পরিশেষে, অগ্রণী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে যে, এ ধরণের নিয়মিত কর্মশালা ব্যাংকটির সামগ্রিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও যুগোপযোগী করবে। কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের মান উন্নয়ন এবং ব্যাংকিং খাতের সমসাময়িক আইন ও নীতিমালা সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান করাই এই আয়োজনের সার্থকতা। দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ সেশনটি এক ফলপ্রসূ আলোচনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়, যা অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।


নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিকাশে এনার্জিপ্যাকের নতুন উদ্যোগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের ক্রমবর্ধমান সৌরশক্তি খাতের সম্ভাবনা এবং এই খাতের আধুনিক ব্যবসায়িক কৌশল সম্পর্কে কর্মীদের ধারণা আরও সুসংহত করতে এনার্জিপ্যাক ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ সেশনের আয়োজন করেছে। ‘সোলার বিজনেস স্ট্র্যাটেজিস ইন বাংলাদেশ মার্কেট’ শীর্ষক এই প্রশিক্ষণটি গত ১৪ মে ২০২৬ তারিখে সফলভাবে সম্পন্ন হয়। প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিজনেস ইউনিটের কর্মকর্তারা এই দুই ঘণ্টাব্যাপী নিবিড় সেশনে অংশগ্রহণ করেন। মূলত বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ এবং কারিগরি উৎকর্ষতা নিশ্চিত করাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

প্রশিক্ষণ সেশনটিতে বাংলাদেশে সৌরশক্তি খাতের বর্তমান সুযোগ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে সোলার সিস্টেমের কার্যপ্রণালী এবং ইপিসি (ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন) প্রজেক্টের কারিগরি ডিজাইনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করার জন্য ‘সোলার অ্যাঙ্গেল অপ্টিমাইজেশন’ বা সূর্যের আলোর কোণ নির্ধারণের কৌশলগুলো অংশগ্রহণকারীদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া প্রকল্পের সঠিক মূল্য নির্ধারণ, গুণগত মান বজায় রেখে খরচ কমানোর কার্যকর উপায় এবং উন্নত সরঞ্জামের ব্যবহার নিয়ে কর্মকর্তারা বিশদ ধারণা লাভ করেন।

সৌর প্রযুক্তির সর্বশেষ উদ্ভাবনসমূহ এই কর্মশালার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল। অংশগ্রহণকারীরা বিশ্বখ্যাত লংগি সোলার প্যানেলের বিভিন্ন ধরন এবং এর বিশেষ ‘ব্যাক কন্টাক্ট টেকনোলজি’ সম্পর্কে অবগত হন। এই আধুনিক প্রযুক্তিটি সৌর প্যানেলের কার্যক্ষমতা ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধিতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে বলে আলোচনায় উঠে আসে। সেশনটি পরিচালনা করেন লংগি গ্রিন এনার্জি টেকনোলজির সিনিয়র ম্যানেজার জনাব আহসান। তিনি এই খাতের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং মাঠ পর্যায়ের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণসমূহ কর্মীদের সাথে শেয়ার করেন।

বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শক্তির উৎসে বৈচিত্র্য আনার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের প্রসারে কারিগরি ও বাণিজ্যিক দক্ষতা বৃদ্ধি অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ। এনার্জিপ্যাক কর্তৃপক্ষ মনে করে, দক্ষ জনবলই পারে দেশে পরিবেশবান্ধব এবং সাশ্রয়ী জ্বালানি সমাধান নিশ্চিত করতে। কর্মকর্তাদের পেশাগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তাদের সেবার মানকে আরও আধুনিক ও বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে সচেষ্ট রয়েছে।

পরিশেষে, এনার্জিপ্যাক ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড ভবিষ্যতে এ ধরণের সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। বাংলাদেশে টেকসই জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এ ধরণের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। উদ্ভাবনী জ্বালানি সমাধানের মাধ্যমে দেশের শিল্প ও আবাসিক খাতে সৌর শক্তির ব্যবহার জনপ্রিয় করতে এনার্জিপ্যাক তাদের নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।


ফুডপ্যান্ডায় ‘প্রো উইকস’ ক্যাম্পেইন শুরু: প্যান্ডাপ্রো গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ছাড়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন ফুড ও গ্রোসারি ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ফুডপ্যান্ডা তাদের ‘প্যান্ডাপ্রো’ গ্রাহকদের জন্য ‘প্রো উইকস’ নামে সপ্তাহব্যাপী একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। গত ১৪ মে ঘোষিত এই উদ্যোগের আওতায় আগামী ১৯ মে পর্যন্ত প্যান্ডাপ্রো সাবস্ক্রিপশন থাকা গ্রাহকেরা নিয়মিত সুবিধার পাশাপাশি অতিরিক্ত ও বিশেষ মূল্যছাড় উপভোগ করতে পারবেন। মূলত নিয়মিত গ্রাহকদের অনলাইন অর্ডারে আরও সাশ্রয়ী অভিজ্ঞতা দিতেই এই ক্যাম্পেইনটি ডিজাইন করা হয়েছে।

ক্যাম্পেইন চলাকালীন প্যান্ডাপ্রো গ্রাহকেরা দেশের বেশ কিছু জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার অর্ডারের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাবেন। এই তালিকায় রয়েছে সুলতানস ডাইন, চিজ, ম্যাডশেফ, চিলক্স এবং ডমিনোজ এর মতো নামী সব ব্র্যান্ড। তবে এই ছাড়টি মূলত রেস্টুরেন্টগুলোর ‘টপ সেলিং আইটেম’ বা সর্বাধিক বিক্রিত খাবারগুলোর ওপর প্রযোজ্য হবে। এর ফলে ভোজনরসিক গ্রাহকেরা তাঁদের প্রিয় রেস্টুরেন্টের সেরা খাবারগুলো এখন অনেক কম মূল্যে সংগ্রহ করতে পারবেন।

খাবার ছাড়াও গ্রোসারি কেনাকাটায় বড় ধরণের সাশ্রয়ের সুযোগ দিচ্ছে এই ক্যাম্পেইন। গ্রাহকেরা প্যান্ডামার্ট থেকে নির্দিষ্ট কিছু গ্রোসারি আইটেম কিনলে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি ফুডপ্যান্ডার বিভিন্ন পার্টনার শপ থেকেও প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটার ক্ষেত্রে তাঁদের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা বিবেচনা করে এই অফারটি গ্রাহকদের জন্য বেশ সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশেষ এই সুযোগগুলো গ্রহণ করতে হলে গ্রাহকের একটি সক্রিয় প্যান্ডাপ্রো সাবস্ক্রিপশন থাকতে হবে। ফুডপ্যান্ডার এই প্রিমিয়াম মেম্বারশিপটি বর্তমানে প্রতি মাসে মাত্র ৫০ টাকা ফি প্রদানের মাধ্যমে গ্রহণ করা সম্ভব। প্যান্ডাপ্রো মূলত একটি সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক সেবা, যার মাধ্যমে গ্রাহকেরা নির্দিষ্ট মূল্যের যেকোনো অর্ডারে ফ্রি ডেলিভারি সুবিধা পান। এছাড়া সাধারণ সময়েও তাঁরা খাবারে ২৫ শতাংশ এবং গ্রোসারিতে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত নিয়মিত ছাড় পেয়ে থাকেন।

‘প্রো উইকস’ ক্যাম্পেইনটি মূলত প্যান্ডাপ্রো গ্রাহকদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি মাধ্যম। ফুডপ্যান্ডা কর্তৃপক্ষ মনে করে, এ ধরণের নিয়মিত ক্যাম্পেইন গ্রাহকদের সাথে তাঁদের সম্পর্কের গভীরতা বাড়াতে সাহায্য করবে এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে কেনাকাটার প্রবণতাকে আরও জনপ্রিয় করবে। আগামী ১৯ মে পর্যন্ত ফুডপ্যান্ডা অ্যাপ ব্যবহার করে প্যান্ডাপ্রো গ্রাহকেরা খুব সহজেই এই বিশেষ অফারগুলো লুফে নিতে পারবেন।


এইচভিএসি-আর প্রদর্শনী ২০২৬: হায়ার বাংলাদেশের আধুনিক প্রযুক্তির সমাহার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ১১তম ‘HVAC-R & Cold Chain Exhibition ২০২৬’-এ অংশ নিয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হায়ার বাংলাদেশ। এয়ার কন্ডিশনিং, রেফ্রিজারেশন ও কোল্ড চেইন শিল্পের এই বৃহৎ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের সর্বাধুনিক ক্লাইমেট কন্ট্রোল এবং কুলিং প্রযুক্তিগুলো প্রদর্শন করছে। মেলায় আগত দর্শনার্থীরা হায়ার বাংলাদেশের স্টলে বাণিজ্যিক ও আবাসিক উভয় খাতের উপযোগী উন্নত প্রযুক্তির সমাধানগুলো সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন। মূলত পরিবেশবান্ধব ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী প্রযুক্তির সমন্বয়ে উদ্ভাবিত এসব পণ্য শিল্পসংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

এবারের প্রদর্শনীতে হায়ার বাংলাদেশ বাণিজ্যিক খাতের জন্য তাদের অত্যাধুনিক ভিআরএফ (VRF) সিস্টেম, কমার্শিয়াল চিলার এবং লাইট কমার্শিয়াল এয়ার কন্ডিশনারসহ (LCAC) বহুমুখী সলিউশন তুলে ধরেছে। মেলা চলাকালে প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছে তাদের নতুন ‘SenseCool’ ইনভার্টার ক্যাসেট এসি সিরিজ। আধুনিক এই প্রযুক্তিতে রয়েছে ওয়াইফাই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ইউভিসি প্লাস প্রযুক্তি, যা বাতাসের মান উন্নত রাখতে সহায়ক। এছাড়া অফিস, শোরুম ও বিভিন্ন বড় বাণিজ্যিক স্থাপনার জন্য উপযোগী কনভার্টেবল সিলিং টাইপ এসি সলিউশনও বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে প্রদর্শিত হচ্ছে।

আবাসিক ব্যবহারের জন্য হায়ার বাংলাদেশ তাদের প্রিমিয়াম সেগমেন্টের বেশ কিছু স্মার্ট এসি সিরিজ প্রদর্শন করছে। এর মধ্যে রয়েছে গ্র্যাভিটি এআই (Gravity AI), আল্টিমেট কুল টি-থ্রি (UltimateCool T3) এবং পিউরি কুল (PuriCool) সিরিজ। এই মডেলগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে ব্যবহারকারীরা স্মার্ট কমফোর্ট এবং স্বাস্থ্যকর শীতল বাতাসের অভিজ্ঞতা পাবেন। এছাড়াও প্রদর্শনীতে প্রতিষ্ঠানটির সিকে-থ্রি (CK3) সিরিজের ওয়াটার হিটার এবং উন্নত প্রযুক্তির ওয়াটার পিউরিফায়ারও স্থান পেয়েছে, যা আধুনিক জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও আরামদায়ক করবে।

প্রদর্শনী চলাকালে হায়ার বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক বিশেষ উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। অনুষ্ঠানে হায়ার বাংলাদেশের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মি. ওয়াং শিয়াংজিং বলেন, বাংলাদেশের বাজারে বিশ্বমানের উদ্ভাবনী কুলিং সলিউশন পৌঁছে দিতে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে হায়ার বাংলাদেশ খুব শীঘ্রই দেশের শীর্ষস্থানীয় এয়ার কন্ডিশনার ব্র্যান্ডে পরিণত হবে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের এইচভিএসি প্রোডাক্ট ডিরেক্টর মি. ভিক্টর ঝাও এবং হেড অব সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং মি. আশরাফুল আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

হায়ার বাংলাদেশ দেশের গ্রাহকদের জন্য কেবল পণ্যই নয়, বরং নির্ভরযোগ্য বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতেও বদ্ধপরিকর। তাদের প্রতিটি পণ্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে, যা একই সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী এবং সাশ্রয়ী। বিদ্যুৎ অপচয় রোধে ইনভার্টার প্রযুক্তির ব্যবহার এবং স্মার্ট সেন্সর যুক্ত করার মাধ্যমে হায়ার এখন পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির দিকে বেশি জোর দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে হায়ার বাংলাদেশ তাদের ব্যবসায়িক সক্ষমতা এবং উদ্ভাবনী মানসিকতা দেশের শিল্প গ্রাহকদের সামনে সার্থকভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে।


বনানীতে এরনা লিমিটেডের প্রিমিয়াম টেক শোরুম উদ্বোধন

আপডেটেড ১৬ মে, ২০২৬ ১৭:৩২
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের অন্যতম প্রযুক্তি পণ্য বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান এরনা লিমিটেড (EERNA Limited) রাজধানীর বনানীতে তাদের নতুন এবং সুপরিসর প্রিমিয়াম টেক শোরুমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে। সম্প্রতি এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই আউটলেটটির উদ্বোধন করেন এরনা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। প্রযুক্তি পণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এবং গ্রাহকদের হাতে আন্তর্জাতিক মানের পণ্য পৌঁছে দিতে এই আধুনিক শোরুমটি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বনানী ও আশেপাশের এলাকার প্রযুক্তিপ্রেমীরা এখন খুব সহজেই তাদের পছন্দসই পণ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।

শোরুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রযুক্তি খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে করপোরেট আমন্ত্রিত অতিথি এবং এরনা লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। আমন্ত্রিত অতিথিরা শোরুমের নান্দনিক পরিবেশ এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি পণ্যের বিশাল সংগ্রহের প্রশংসা করেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাঁর বক্তব্যে গ্রাহকদের জন্য উন্নত সেবা ও নির্ভরযোগ্য পণ্য নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

নতুন এই প্রিমিয়াম শোরুমটিতে গ্রাহকদের জন্য এক ছাদের নিচে সব ধরণের ডিজিটাল সমাধানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এখানে ল্যাপটপ, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গেমিং পিসি, লেটেস্ট স্মার্টফোন এবং প্রয়োজনীয় সব ধরণের গ্যাজেট পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও যারা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী কম্পিউটার তৈরি করতে চান, তাদের জন্য থাকছে কাস্টম পিসি তৈরির সুবিধা। সাধারণ গ্রাহকদের পাশাপাশি করপোরেট গ্রাহকদের জন্য নেটওয়ার্কিং সল্যুশন এবং অফিসের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদিও এই শোরুমে প্রদর্শন করা হচ্ছে।

বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে এই আউটলেটে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্য সরাসরি কেনার সুযোগ থাকছে। এর মধ্যে বিশ্বখ্যাত 'হনার' (Honor) ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন এবং 'সনি' (Sony) ব্র্যান্ডের টেলিভিশন ও হোম অ্যাপ্লায়েন্সের বিশাল সমাহার রয়েছে। অথোরাইজড রিটেইলার হিসেবে এরনা লিমিটেড এসব পণ্যের গুণগত মান ও বিক্রয়োত্তর সেবার নিশ্চয়তা প্রদান করছে। ফলে গ্রাহকরা আসল পণ্য কেনার ক্ষেত্রে পূর্ণ আত্মবিশ্বাস পাবেন।

বনানীর মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকায় এই শোরুম চালুর মাধ্যমে এরনা লিমিটেড তাদের সেবার পরিধি আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। দক্ষ বিক্রয়কর্মী এবং উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানটি এই কেন্দ্রটিকে একটি ‘ওয়ান-স্টপ সল্যুশন’ হিসেবে গড়ে তুলেছে। প্রযুক্তি পণ্যের আপডেট এবং উদ্ভাবনী সব গ্যাজেট নিয়ে এই শোরুমটি খুব দ্রুতই গ্রাহকদের আস্থার কেন্দ্রে পরিণত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।


banner close