সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

জবির প্রক্টরিয়াল বডিতে নতুন দুই মুখ

জবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৭:৩৩

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) নতুন দুই জন সহকারী প্রক্টর নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ দুজন হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আল আমীন ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানা। একই সাথে দুই সহকারী প্রক্টরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম দৈনিক বাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত দুইটি পৃথক অফিস আদেশও প্রকাশিত হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সংবিধির ১৫(১) বিধি মোতাবেক সিন্ডিকেটের অনুমোদন সাপেক্ষে মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আল আমীনকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। এ আদেশ ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। বিধি মোতাবেক তিনি দায়িত্ব ভাতা প্রাপ্য হবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

অন্য একটি অফিস আদেশে বলা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সংবিধির ১৫(১) বিধি মোতাবেক সিন্ডিকেটের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানাকে পরবর্তী ০২ (দুই) বছরের জন্য সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। এ আদেশ ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। বিধি মোতাবেক তিনি দায়িত্ব ভাতা প্রাপ্য হবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

এর আগে রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনকে দুই বছরের জন্য প্রক্টর নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ৫ ফেব্রুয়ারি পাঁচ সহকারী প্রক্টরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির পর নতুন করে পাঁচ শিক্ষককে সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।


তীব্র তাপদাহে ঢাবিতে সশরীরে ক্লাস বন্ধ

ফাইল ছবি
আপডেটেড ২১ এপ্রিল, ২০২৪ ১৬:২৪
ঢাবি প্রতিনিধি

তীব্র তাপদাহের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে ঢাকা বিশ্বাদ্যালয়ে (ঢাবি) সশরীরে ক্লাস বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে প্রচলিত ১০% অনলাইন ক্লাসের পরিবর্তে শতভাগ অনলাইন ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। তবে পরীক্ষাসমূহ যথারীতি চলমান থাকবে।

কোনো শিক্ষার্থী ছাত্রবাস অথবা বাসার বাইরে যেতে চাইলে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরার পরামর্শও দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সাদা বা হালকা রঙের ডিলেঢালা সুতির পোশাক পরিধান করা; যথাসম্ভর ছায়াযুক্ত স্থানে থাকা; বাইরে যেতে হলে মাথার জন্য চওড়া কিনারাযুক্ত টুপি, ক্যাপ বা ছাতা ব্যবহার করা; বিশুদ্ধ পানি পান করা; প্রয়োজনে লবনযুক্ত তরল যেমন- অল্প পরিমাণে খাবার স্যালাইন ইত্যাদি পান করা এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধিকারী পানীয় যেমন- চা ও কফি পান থেকে বিরত থাকার কথাও বলা হয়েছে।


তীব্র দাবদাহে জবিতে বন্ধ ক্লাস-পরীক্ষা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২১ এপ্রিল, ২০২৪ ১৮:৪৩
জবি প্রতিনিধি

দেশে চলমান তাপদাহের কারণে স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে আগামী ছয় দিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সশরীরে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, তবে এ সময় অনলাইন ক্লাস চালু থাকবে।

তীব্র দাবদাহে করণীয় নির্ধারণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে রোববার বেলা ১১টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমের সভাপতিত্বে তার কনফারেন্স কক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম। এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশিত হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রচণ্ড দাবদাহে ২২ এপ্রিল থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে, তবে অনলাইনে ক্লাস চলবে। এ সময়ের পরীক্ষাগুলোর তারিখ পরিবর্তন করা হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের জন্য সশরীরে ক্লাসে অংশ নেয়া আসলেই কঠিন। উপাচার্য মহোদয় গত সপ্তাহেই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছিলেন। এজন্য আজ একটি জরুরি সভায় ক্লাস অনলাইনে ও পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপাতত এ সপ্তাহ এভাবে চলবে। পরবর্তী সময়ে উপাচার্য মহোদয় পরিস্থিতি বুঝে তারপর সিদ্ধান্ত নেবেন। শিক্ষার্থীদের জন্য যেটা ভালো হবে তেমন সিদ্ধান্ত নেয়ার পক্ষে তিনি।’


তীব্র গরমে ৭ দিন বন্ধ প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রচণ্ড দাবদাহে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভেবে ২১ থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত সাত দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ শনিবার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘চলমান তাপদাহে শিশু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বিবেচনায় আগামী ২১ এপ্রিল, ২০২৪ থেকে ২৭ এপ্রিল, ২০২৪ পর্যন্ত সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের বিদ্যালয়সমূহ ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টারগুলো বন্ধ থাকবে।’

এর আগে দেশজুড়ে চলমান দাবদাহের কারণে সরকারি প্রাথমিক স্কুলে অ্যাসেম্বলি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘দেশজুড়ে বহমান তাপদাহের ওপর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় তীক্ষ্ণ নজর রাখছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অ্যাসেম্বলি পরবর্তী নির্দেশনা দেয়া না পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।’

গত কয়েক দিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে দাবদাহ। কোনো কোনো জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র দাবদাহ।

ভারত সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় শুক্রবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এমন বাস্তবতায় দৈনন্দিন কাজকর্ম করা কঠিন হয়ে গেছে বিভিন্ন বয়সীদের।


জবিতে বাংলা নববর্ষ পালিত

নববর্ষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাদেকা হালিম। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১৮ এপ্রিল, ২০২৪ ১৯:৩৬
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্বাবদ্যালয়ে (জবি) ‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩১’ পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ বৈশাখ) মঙ্গল শোভাযাত্রা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাড়ম্বরে পালিত হয় দিনটি। ১৪ এপ্রিলের পরিবর্তে আজ ১৮ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পহেলা বৈশাখ পালন করা হয়। বাংলা নতুন বর্ষকে বরণ করে নিতে উপাচার্য অধ্যাপক সাদেকা হালিমের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে রায়সাহেব বাজার, ভিক্টোরিয়া পার্ক ঘুরে পুনরায় ক্যাম্পাসে ফিরে যায়।

শোভাযাত্রায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর চৌধুরী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, প্রক্টর, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, কর্মচারীসহ সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

শোভাযাত্রা শেষে সকাল ১০.১৫ মিনিটের দিকে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন উপাচার্য অধ্যাপক সাদেকা হালিম, পিএইচডি বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় না হওয়া সত্ত্বেও সীমিত অবকাঠামো ও স্বল্প পরিসর নিয়েও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সকলের সহযোগিতায় হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যায়ের মূল প্রাণ হচ্ছে শিক্ষার্থী, আর এ ধরণের অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতা তুলে ধরতে পারছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ, পূর্ববঙ্গ, পূর্ব পাকিস্তান তারপর বাংলাদেশ এবং এই বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য। বঙ্গবন্ধুর এই অবদান যেন আমাদের নতুন প্রজন্ম তাদের চিন্তা চেতনায় ধারন করতে পারে।’

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সবাইকে সাম্প্রদায়িকতা সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পারিবারিকভাবেই নারী পুরুষ সমতাকরনে, নারীকে মানুষ ভাবার মানসিকতার শিক্ষা দিতে হবে, নতুন প্রজন্মকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বিষয়ে লিখতে হবে, বলতে হবে।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর চৌধুরী, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং কর্মচারী সমিতির সভাপতি।


মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে ঢাবিতে আলোচনা সভা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ দেশের প্রথম বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে গঠিত ‘মুজিবনগর সরকার’-এর প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস তুলে ধরে বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের মাটিতে বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত এই সরকারের ইতিহাস তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রতিফলন এই মুজিবনগর সরকার। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গঠিত এই সরকারের কারণেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন ত্বরান্বিত হয়েছিল। স্বাধীনতাবিরোধী চক্র এখনো মুজিবনগর সরকার ও মহান মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। নতুন প্রজন্মকে এই অপশক্তির ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে গতকাল বুধবার ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছাড়, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়াসহ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, কর্মচারী সমিতি, কারিগরি কর্মচারী সমিতি এবং চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের নেতারা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

জবিতে ক্লাস-পরীক্ষা চালু রেখে বর্ষবরণে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

আপডেটেড ১৫ এপ্রিল, ২০২৪ ২২:৩৫
জবি প্রতিনিধি

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা চালু রেখেই আগামী ১৮ এপ্রিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩১’ উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওইদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পরীক্ষা ও ক্লাস-চালু রয়েছে পাশাপাশি এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন থেকে কোন সুস্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় বিভ্রান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।

ঈদের ছুটিতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের জন্য ১৪ এপ্রিলের পরিবর্তে ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠানমালা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৮ এপ্রিল প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ফার্মেসি, গনিত, পরিসংখ্যান বিভাগসহ বেশকিছু বিভাগে পরীক্ষা ও ক্লাস রয়েছে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকটি বিভাগেই সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা রয়েছে। এছাড়াও ক্লাস বন্ধের কোনো নোটিশও দেয়নি বিভাগগুলো।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, বাংলা নববর্ষ উদযাপনের মতো এতো বড় একটা আয়োজনে ক্লাস পরীক্ষা নেয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি দেয়া উচিত।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান বলেন, ‘বর্ষবরণ উদযাপনের দিন পরীক্ষা না নেয়াই ভালো। দেখা যায় আমরা যারা সংস্কৃতিমনা তাদের সেদিন এই প্রোগ্রামে থাকার আগ্রহ থাকে। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ধুমধাম করে প্রোগ্রাম হওয়ার সময়ে পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়াটা বেমানান মনে হয়। পরীক্ষার পরিবেশ এসময়ে থাকেনা।’

গনিত বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রিদয় আহমেদ বলেন, ‘আমরা অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন কালচারাল প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে চাই। কিন্তু একই দিনে আমাদের মিড পরীক্ষা রাখা হয়েছে। সাধারণ মিছিলে, মাইকের শব্দে যখন ক্লাস করা কষ্টকর হয়, সেখানে এতো বড় আয়োজনে পরীক্ষার পরিবেশ পাওয়া নিয়ে আমরা চিন্তিত।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম জানান, এ বিষয়গুলো বিভাগের ইখতিয়ারে থাকে। কিছু ডিপার্টমেন্ট ইতিমধ্যে তাদের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করেছে। বিভাগগুলো পরীক্ষা নিলে আমাদের বাঁধা নেই। তবুও এ বিষয়ে আমি উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানাতে পারবো।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমের সঙ্গে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।


নুরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এবং ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ সোমবার সাইবার ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রামের বিচারক জহিরুল কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

মামলায় বলা হয়, ২০২২ সালের ১ জুন নূর বাংলা নিউজ বিডি নামের একটি পেজ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষামন্ত্রী, ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে নিয়ে ‘কটূক্তি’ করেন এবং ফেসবুকে পোস্ট করেন। পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশস‍হ বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

আদালত সূত্র জানায়, ২০২২ সালের ১৪ জুন ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক আইন সম্পাদক শাহরিয়ার ইয়াসির আরাফাত বাদী হয়ে সাইবার ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রাম ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। এতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হককে আসামি করা হয়।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, এক ছাত্রলীগ নেতার করা মামলা তদন্তের জন্য আদালত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন ২ বছর আগে। তদন্ত শেষে সিআইডি সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হকের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দেয়। আজ আদালত তা গ্রহণ করে নুরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

বিষয়:

জবিতে ঈদুল ফিতরের জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১০ এপ্রিল, ২০২৪ ১৮:৫৮
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের একমাত্র জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। নামাজে ইমামতি করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জামে মসজিদের সহকারী ইমাম শেখ মো. সালাহ উদ্দিন।

বুধবার মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম ও খতিব মো. ছালাহ উদ্দিন ঈদ জামাত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

খতিব মো. ছালাহ উদ্দিন বলেন, এবার তিনি ছুটিতে থাকায় সহকারী ইমাম নামাজ পড়াবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থী যারা আছেন তারা মসজিদে ঈদের নামাজ পড়তে আসেন। পাড়া-মহল্লার সকলের জন্যে এই জামাত উন্মুক্ত, যে কেউ চাইলে নামাজ পড়তে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও শিক্ষকরা থাকবেন কিনা বিষয়টি তিনি এখনও নিশ্চিত নন। কিন্তু গত বছর কোষাধ্যক্ষ ঈদের জামাত এখানে আদায় করেছিলেন।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর চৌধুরী সকলকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ড. শেখ মাশরিক হোসেন।


কোরিয়ান রাষ্ট্রদূতের ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি পরিদর্শন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়ার রাস্ট্রদূত পার্ক ইয়াং সিক ২৮ মার্চ ঢাকার সাভারের বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) পরিদর্শন করেন। ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিস কর্তৃক ‘অ্যাম্বাসেডর ও ক্লক’ প্রোগ্রামের অধীনে ‘সমসাময়িক কোরিয়া: গণতন্ত্র, অর্থনীতি, শান্তি নিরাপত্তা’- শীর্ষক সেমিনারে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

রাষ্ট্রদূত কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে নিরঙ্কুশ একাডেমিক অংশীদারিত্ব এবং একটি সুন্দর সবুজ ক্যাম্পাস থাকার জন্য ডিআইইউ-এর কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের পর বাংলাদেশ-কোরিয়া সম্পর্ক বহুপক্ষীয় দিক দিয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। পার্ক ইয়ং সিক, তার বক্তব্যে কর্মসংস্থান পারমিট সিস্টেমের অধীনে কোরিয়ার ঐতিহাসিক দিকগুলোর ওপর জোর দিয়ে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে সমর্থন করে এবং প্রশিক্ষকদের ক্ষমতা ও গবেষণার সুযোগগুলোকে শক্তিশালী করে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আরও বেশি অভিবাসী গন্তব্যের সুযোগের রূপরেখা দেন।

সেমিনারে ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস এম মাহবুব উল হক মজুমদার তার বক্তব্য শেয়ার করেন। এ ছাড়া সেমিনারে ড্যাফোডিল ফ্যামিলির গ্রুপ সিইও ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ফখরে হোসেন, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের পরিচালক ড. তানভীর আবীর এবং ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের উপ-পরিচালক সৈয়দ রায়হান-উল-ইসলামসহ ফ্যাকাল্টি মেম্বার, কর্মকর্তা, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। বিজ্ঞপ্তি


একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান, ডিজিটাল নথির আওতায় আসবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

উপাচার্য ড. মো. আবু তাহের
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নুর নওশাদ, চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের। বিভাগের সভাপতি, অনুষদের ডিন, একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনসহ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। সেই অভিজ্ঞতার আলোকেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন করে ঢেলে সাজাতে চান এই শিক্ষাবিদ। একান্ত সাক্ষাৎকারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে তার প্রত্যাশা ও পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দৈনিক বাংলাকে।

প্রশ্ন: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য; আপনার অনুভূতি জানতে চাই?

উত্তর: প্রথমত আল্লাহর কাছে শোকরিয়া, তিনি আমাকে সুযোগ দিয়েছেন। দ্বিতীয়ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের নিকট বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই। একই সঙ্গে আমার ওপর যে গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়েছে তা সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতার সহিত পালনের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে আমার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

প্রশ্ন: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে আপনার পরিকল্পনা জানতে চাই।

উত্তর: আমি চাই বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়কে যেভাবে দেখতে চেয়েছিলেন সেভাবে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হবে। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞান সৃষ্টি হবে, জ্ঞান বিতরণ হবে, জ্ঞান সংরক্ষণ হবে। এই তিন উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি ইউজিসি প্রতিষ্ঠা করেন, যা সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দেখভাল করে। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন মত-দ্বিমত থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালোর জন্য যে সিদ্ধান্ত সেখানে আমাদের একমত হতে হবে। তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও অবকাঠামোগত মাস্টারপ্ল্যান থাকতে হবে। সেগুলোর আবার ন্যাশনাল পলিসির সঙ্গে সমন্বয় থাকতে হবে। পাশাপাশি আমি চাই আমাদের সব শিক্ষক তার নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে।

প্রশ্ন: একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কী ভাবছেন?

উত্তর: আমাদের একাডেমিক একটা মাস্টারপ্ল্যান থাকতে হবে। সব শিক্ষককে অবশ্যই গবেষণামুখী হতে হবে এবং গবেষণা করতে হবে। গবেষণার পাশাপাশি তারা নানা রকম আর্টিকেল প্রকাশ করবে যেটা থেকে আমাদের শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। এ জন্য একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান লাগবে। র‍্যাংঙ্কিয়ে শীর্ষে পৌঁছতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্রসহ সব অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকবে, সেটারও অবসান করতে হবে।

প্রশ্ন: গবেষণায় এখনো অনেকটা পিছিয়ে আছে চবি। আপনার পরিকল্পনা কী?

উত্তর: ইউজিসি সাড়ে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। তবে যা বরাদ্দ দেওয়া হয়, সেটিও ব্যবহার করা হচ্ছে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বারবার বলছেন গবেষণার কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে আমাদের ওপর যে দায়িত্ব সেটা আমরা ঠিকঠাক পালন করছি? আমাদের মূল কাজ হচ্ছে শিক্ষকতা করা ও গবেষণা করা। সব শিক্ষককে অবশ্যই গবেষণা করতে হবে। গবেষণা করলেই শিক্ষকরা আধুনিক শিক্ষা ও যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সবাই মানিয়ে চলতে পারবে।

প্রশ্ন: ডিজিটাল থেকে স্মার্টের পথে বাংলাদেশ। তবে চবি এখনো মান্ধাতার পদ্ধতিতেই দাপ্তরিকসহ সব কার্যক্রম চালাচ্ছে। চবি কবে স্মার্ট হবে?

উত্তর: আমি যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করে এসেছি (ইউজিসি) সেখানে ৯৫ শতাংশ কাজই ডি-নথি (ডিজিটাল-নথি) সিস্টেমে হয়। ডি-নথিতে সবকিছু সময় ও তারিখসহ উল্লেখ থাকে। তবে এখানে এসে দেখছি এখনো পুরোনো সিস্টেম রয়ে গেছে। ডিজিটালের উদ্দেশ্য দুটো- একটা হচ্ছে পেপারলেস অফিস, অন্যটি ক্যাশলেস সোসাইটি। আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কেও ডি-নথির আওতায় আনার চেষ্টা করব। এতে সহজে অনলাইনেই সব করা যাবে।

প্রশ্ন: শাটল ও আবাসিক সমস্যা নিরসনে কী পদক্ষেপ নেবেন?

উত্তর: আমি মাত্র দায়িত্ব নিয়েছি। হলের বিষয়গুলো নিয়ে হল প্রভোস্ট ও হাউস টিউটরদের সঙ্গে বসব। তারপর বিষয়টি সিন্ডিকেটে নিয়ে যাব। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী করণীয় হবে। হলগুলোতে অছাত্র কেউ থাকলে সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শাটল ট্রেনের সমস্যার বিষয়ে যোগাযোগ ও রেলসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করব।

প্রশ্ন: চবিতে দীর্ঘদিন সমাবর্তন হচ্ছে না। সমাবর্তন কবে হবে?

উত্তর: আমি শুরুতেই ডিনদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছি সমাবর্তনের বিষয়ে। সব অনুষদের ডিন একমত হয়েছেন। এখন বাকি পর্ষদে পাস হয়ে এলে আমরা রাষ্ট্রপতির কাছে সময় চাইব। তিনি সময় দিলে এ বছর সমাবর্তন হবে।

প্রশ্ন: বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) ও ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার চিন্তা-ভাবনা কী?

উত্তর: টিএসসির জন্য আমরা সরকারের কাছে প্রজেক্ট সাবমিট করব। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের বিষয়টা রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত। সরকার থেকে শুরু করে সব অংশীজন যদি চায় তখন সেটা নিয়ে এগুনো যাবে। আমি একা সিদ্ধান্ত নিলে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দায়ভার আমাকেই নিতে হবে।

প্রশ্ন: শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কী বলতে চান?

উত্তর: ছাত্রছাত্রীদের বলব, ‘পড়াশুনা, পড়াশুনা ও পড়াশুনা’। সবাইকে ক্লাসমুখী হতে হবে। সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত থাকতে হবে। পাশাপাশি দেশ ও পরিবারের কল্যাণে কাজ করতে হবে। মা-বাবা অনেক স্বপ্ন নিয়ে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠায়। সে স্বপ্নপূরণ করতে হবে।


ভুয়া ইমেইল খুলে জবি উপাচার্যের নামে স্ক্যাম

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমের নামে ভুয়া ইমেইল আইডি খুলে বিভিন্ন মানুষকে স্ক্যাম মেসেজ পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে বৃহস্পতিবার পাঠানো সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একটি অসাধু মহল [email protected] নামের ইমেইল অ্যাড্রেসটি থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে স্ক্যাম মেসেজ পাঠাচ্ছে। এই ইমেইলটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নয় এবং এর সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়র কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই। স্ক্যামের উদ্দেশ্যে তৈরি করা এ ইমেইলটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।

এ ছাড়া সবাইকে এই অসাধু উদ্দেশ্যে তৈরি ইমেইল থেকে আসা সব বার্তা পরিহার করে চলতে এবং এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সাবধানতা অবলম্বন করতে অনুরোধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানায় জিডি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি থানার ওসি শাহীনুর রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের অধীনে পরিচালিত সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তারা বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে। তদন্তের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ জিডির বিস্তারিত গোপন রেখেছে।


বুয়েট ও আয়ারল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয় ডুয়েল মাস্টার্স প্রোগ্রাম শুরু করবে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সম্প্রতি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বুয়েট) এবং আয়ারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব লিমেরিক (ইউএল) একটি ডুয়েল মাস্টার্স প্রোগ্রাম শুরু করার জন্য যৌথ স্মারক চুক্তি সই করেছে। ইউনিভার্সিটি অব লিমেরিকের ভাইস প্রেসিডেন্ট, গ্লোবাল অ্যান্ড কমিউনিটি এনগেজমেন্ট, প্রফেসর নাইজেল হিলি এবং বুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর সত্য প্রসাদ মজুমদার সম্প্রতি আয়ারল্যান্ডের লিমেরিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এই চুক্তি সই করেন।

বুয়েটের বেশকিছু স্নাতক ১৯৯৮ সাল থেকে লিমেরিক বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের উচ্চতর অধ্যয়ন এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। বুয়েট ২০১৭ সাল থেকে ইউরোপীয় কমিশনের ইরাসমাস+ প্রোগ্রামের অর্থায়নে ইন্টারেন্যাশনাল ক্রেডিট মোবিলিটি প্রোগ্রাম এ ইউএলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। দুটি প্রতিষ্ঠান ২০১৯ সালে এ-সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক সই করে।

ডুয়েল মাস্টার্স প্রোগ্রামের চুক্তি সই অনুষ্ঠানে অধ্যাপক হিলি বলেন, ‘এই স্মারক চুক্তি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় দুটির মধ্যে সম্পর্ককে সুদৃঢ় করবে। এটি বুয়েট তথা বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের লিমেরিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডভান্স মাস্টার্স প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের মধ্যে দিয়ে লিমেরিকের মতো একটি শহর, যেখানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক কোম্পানিগুলো অবস্থিত, সেখানে প্রবেশের দ্বার উন্মুক্ত করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি ইউএল এবং বুয়েটের মধ্যে এই ইউনিভার্সিটি টু ইউনিভার্সিটি অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠায় আনন্দিত। এটি সময়োপযোগী, উভয়পক্ষের জন্য উপকারী এবং উভয় সরকারের প্রচেষ্টার সঙ্গে সমন্বয়মূলক। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, চুক্তিটি আগামী দিনগুলোতে ইউএল এবং বুয়েটের মাঝে আরও নতুন যৌথ প্রোগ্রামের সূচনা করবে। যা এই ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে তুলবে।’

বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক মজুমদার বলেন, বুয়েট প্রতিবছর বাংলাদেশের সর্বোচ্চ মেধাবীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশকে তাদের শিক্ষার্থী হিসেবে গ্রহণ করে। এসব প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য উচ্চশিক্ষার আনুষ্ঠানিক মাধ্যম প্রয়োজন। যাতে তারা স্নাতকোত্তর অধ্যয়নের জন্য ভর্তি প্রক্রিয়ার অনিশ্চয়তা দূর করে অবিলম্বে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে প্রস্তুত হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘লিমেরিক ইউনিভার্সিটির যে বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা এবং আয়ারল্যান্ডজুড়ে যে বহুজাতিক কোম্পানির ইন্ডাস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্ক রয়েছে তা আমাদের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে এবং বিশ্বমানের গবেষণায় অংশ নিতে সাহায্য করবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের পরবর্তী শিল্প বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।’ বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

২৪৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রুতিকটু নাম পাল্টে হলো ‘রুচিশীল’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রাথমিক শিক্ষা হচ্ছে শিশুদের বুনিয়াদি শিক্ষা। তবে স্থানীয় এলাকার কিছু নেতিবাচক নাম দিয়ে তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণ হওয়ার কারণে শিশু অবস্থায় বা পরবর্তী সময় তারা নানারকম ট্রলের শিকার হয়। অনেক সচেতন অভিভাবক এমন নামের বিদ্যালয়গুলোতে তাদের সন্তানদের পড়াতেও চান না। অনেক শিশু লজ্জা পেয়ে এসব বিদ্যালয়ে আসতে চায় না। অথচ এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। সচেতনমহলের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল শ্রুতিকটু শোনায় এমন বিদ্যালয়গুলোর নাম পরিবর্তন করার। অবশেষে এমন একটি দায়িত্বশীল যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক অর্থ দাঁড়ায় এ ধরনের ২৪৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করেছে তারা।

গতকাল বুধবার ২৪৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ কবির উদ্দীন।

প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, শ্রুতিকটু নামের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বেশিরভাগই নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, খুলনা, নীলফামারী, পঞ্চগড় ও সিরাজগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। এছাড়াও রাজশাহী, বগুড়া, চট্টগ্রাম, জামালপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, ভোলা, বরগুনা, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বাগেরহাট, যশোর, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, নড়াইল, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, সিলেট ও হবিগঞ্জ এলাকায় এ ধরনের কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলোর নাম পাল্টানো হয়েছে।

উদাহরণ হিসেবে নাটোরের কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য তুলে ধরা যায়। নাটোর সদরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম বলদখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এলাকার নামে বিদ্যালয়টির নামকরণ। কিন্তু, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শিখতে আসে মাথা উঁচু করে চলার জন্য। বাংলায় বলদ শব্দটা ব্যবহৃত হয় মূর্খ অর্থে। তাই বলদ শব্দযুক্ত কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আসলে থাকা উচিত নয় যা ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ভবিষতে ট্রলের শিকার করতে পারে। তাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিদ্যালয়টির নাম বদলে দেওয়া হয়েছে স্বপ্নসিঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। রুচিশীল এই নামটি ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানুষের মতো মানুষ হওয়ার স্বপ্নের সিঁড়ি হবে এমনটাই প্রত্যাশা নাম বদলের সঙ্গে জড়িত বিশেষজ্ঞ কমিটির।

একইভাবে খুলনার কয়রার খাসিটানা উচ্চবিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা পাটাচোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে ছায়াবীথি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নাটোরের লালপুর উপজেলার গোদাগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে সালামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার চোরমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে মাতৃছায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একই উপজেলার চুলধরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ফুলছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার ভন্ডগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে বর্ণমালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ এখাবে শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।

একইভাবে কুড়িগ্রামের রৌমারীর ঝগড়াচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম বদলে করা হয়েছে আনন্দধারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার মাথাফাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম বদল করে রাখা হয়েছে মাধবীলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একই উপজেলার বোদা ময়নাগুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম বদল করে রাখা হয়েছে দোলনচাঁপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

গত বছরের ১৯ জানুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তন নীতিমালা-২০২৩ জারি করে মন্ত্রণালয়।

ওই সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অনেকগুলোর নাম শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক ভাবার্থ সংবলিত। যা শিশুর রুচি, মনন, বোধ ও পরিশীলিতভাবে বেড়ে ওঠার অন্তরায়। এ জন্য মন্ত্রণালয় এসব বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে সুন্দর, রুচিশীল, শ্রুতিমধুর এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি, বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ স্থানীয় ইতিহাস, সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশব্যাপী এ রকম নেতিবাচক ভাবার্থ সংবলিত নাম পরিবর্তন করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৫৬ টি। এগুলোয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ কোটি ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯১। শিক্ষক আছেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭০৯ জন।


banner close