রোববার, ২ আগস্ট ২০২৬
১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

ফাইল ছবি
আপডেটেড
১ জুলাই, ২০২৪ ০০:০৩
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১ জুলাই, ২০২৪ ০০:০৩

প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। পৃথিবীর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন ইতিহাস নেই যে সেই বিশ্ববিদ্যালয় একটি দেশের জন্ম দিয়েছেন। তবে এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পূর্ববাংলার মুসলমানদের মধ্যে একটি সচেতন মধ্যবিত্ত বুদ্ধিজীবী শ্রেণি গড়ে তোলার লক্ষ্যকে সামনে রেখে ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশকে জন্ম দিতে রেখেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

ধারাবাহিক রাজনৈতিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নির্মাণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা সর্বজনবিদিত। সাংবাদিক এবং গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদও তার বইয়ে লিখেছেন, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের ইতিহাস আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস অবিচ্ছেদ্য।

এ ছাড়া স্বাধীনতার পর প্রতিটি গণতান্ত্রিক, মৌলবাদ ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাই সর্বদা ঝাঁপিয়ে পড়ে। দেশের প্রয়োজনে নিজেকে উৎসর্গ করাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার নিজ দায়িত্ব হিসেবে কাঁধে তুলে নিয়েছে। যেকোনো সংকটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে দেশ ও জাতি এটিই আশা করে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুর দিকে কার্যক্রম বিশ্বজুড়ে সুনাম কুড়ালেও বিগত কয়েক দশক ধরে শিক্ষার্থীদের তীব্র আবাসন সংকট, গেস্টরুম সংস্কৃতি, গবেষণার অপ্রতুলতা এবং সেকেলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সেবার কারণে সমালোচনায় জর্জরিত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিশন নির্ধারণ

গত ২৬ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের বার্ষিক অধিবেশনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিশন নির্ধারণ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিশন এবং এই সম্পর্কিত মিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান এবং ফিজিক্যাল ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান প্রস্তাব করা হয়েছে। এ দুটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত একাডেমিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নকালে অনেক বিভাগের শিক্ষার্থী সংখ্যা যৌক্তিক পর্যায়ে আনা হবে। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী কিছু নতুন বিভাগও খোলা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী

বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কিত জ্ঞান-বিজ্ঞানের নিবিড় চর্চার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনবদ্য অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আজ প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ উপলক্ষে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য-‘তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উচ্চ শিক্ষা’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার দূরদর্শী নির্দেশনায় ১৯৭৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় অর্ডিন্যান্স ঘোষণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন গঠন করা হয়, যার মূল বার্তা ছিল- বিশ্ববিদ্যালয়ে চিন্তার স্বাধীনতা ও মুক্ত-বুদ্ধি চর্চার পরিবেশ সৃষ্টি করা।

আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে তখনই জাতির পিতার শিক্ষা দর্শনের আলোকে দেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে ১২টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক বিজ্ঞান ও গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করি। গবেষণা ও প্রযুক্তির জন্য অনুদান ১০০ কোটিতে উন্নীত করি। আমরা জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন, বঙ্গবন্ধু বৃত্তি এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপের প্রবর্তন করি।’

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল। পাশাপাশি অভিনন্দন জানিয়েছেন বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে। উপাচার্য বলেন, জ্ঞান আহরণ ও বিতরণের গৌরবগাথা নিয়ে শতবর্ষ পাড়ি দিয়েছে প্রাণপ্রিয় এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, চিরগৌরবময় মুক্তিযুদ্ধসহ গণমানুষের সব লড়াইয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সর্বদা নেতৃত্ব দিয়েছে। জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশ সেবায় রেখেছে অনন্য অবদান।

বর্ণাঢ্য কর্মসূচি

বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মাধ্যমে আজ সোমবার ১০৩তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন হবে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা’। এ উপলক্ষে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) সম্মুখস্থ পায়রা চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোভাযাত্রাসহকারে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে সমবেত হবেন। স্মৃতি চিরন্তন চত্বর থেকে সকাল পৌনে ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহকারে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মুখস্থ পায়রা চত্বরে গমন করবেন।

সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র সম্মুখস্থ পায়রা চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা। উত্তোলন, পায়রা, বেলুন ও ফেস্টুন ওড়ানো, কেক কাটা এবং সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং ও উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশিত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সকাল সাড়ে ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য ‘তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা’ বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছাড় এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আলোচনা সভায় অংশ নেবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত নীলক্ষেত ও ফুলার রোড সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ পথে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। এ সময় বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।


নির্বাচিত

শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। চলতি বাজেটে মোট জিডিপির ২ শতাংশ শিক্ষাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আগামীতে এটি পাঁচ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

জমকালো আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছে প্রশাসন। শনিবার (১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলানায়তনে এটি দুটি পর্বে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালে যোগ দেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এমপি ও শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক ও ওরিয়েন্টেশন বক্তা প্রফেসর ড. এস এম আব্দুল আওয়াল, ইউজিসির সদস্যও প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. তোজাম্মেল হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রোভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. ইদ্রিস আলী, মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম শাহ্। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মনজুরুল হকসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দুই-সহস্রাধিক নবীন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, মহান আল্লাহতালার আশীর্বাদস্বরূপ আমাদের দেশে এই জনসম্পদকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে। আর এই দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বড় ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নেই। লেখাপড়া করতেই হবে এবং সময়কে কাজে লাগাতে হবে। দেশ গড়তে হবে, দেশ তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা চাই তোমরা এই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ে তুলবে, যা চেয়েছেন আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান।

এছাড়া কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় একটি সেন্টার অব এক্সিলেন্স হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি আন্তর্জাতিকমানের হবে।


নির্বাচিত

প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান শুরু অক্টোবরে

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রাথমিক স্কুলের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশকৃত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষকের যোগদান অক্টোবর মাসে শুরু হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শনিবার (১ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত এক জরুরি ভার্চ্যুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শেষে এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিকের জন্য সুপারিশ করা ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের যোগদানের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার। তদন্ত ও প্রক্রিয়াগত দীর্ঘসূত্রিতাতে তা বিলম্বিত হয়েছে। আশা করি, আসন্ন ৩০ অক্টোবরের মধ্যে তাদের যোগদান প্রক্রিয়া শুরু হবে।’


নির্বাচিত

বাকৃবির দুই স্কুলের ২২ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সনদপত্র ও ক্রেস্ট বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাকৃবি চত্বরে অবস্থিত দুটি কিন্ডারগার্টেনের মোট ২২ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়। বৃত্তির অংশ হিসেবে তাদের হাতে নগদ অর্থ, সনদপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। শনিবার (১ আগস্ট) বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয় টিএসসি মিনি কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া প্রধান অতিথি হিসেবে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব তৌহিদা বেগম। মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশনের সভাপতি জনাব মো. রেজাউল হক। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবুর রহমান, ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান প্রামাণিক, বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশনের মহাসচিব জনাব মো. আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মো. বেলাল হোসেন ভূঁইয়া এবং শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জনাব সাম ছুদ্দিন আহাম্মেদ স্বজল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বর্তমানের এই অর্জন তোমাদের ভবিষ্যৎ সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে দেশ, জাতি, পরিবার এবং বিশ্বমানবতার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করবে। তাদের এই অর্জনে অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিদ্যালয় কতৃপক্ষের আন্তরিক প্রচেষ্টা অবশ্যই প্রশংসনীয়। ছুটির দিনেও অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এই অনুষ্ঠান সফল করে তোলায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এছাড়া অনুষ্ঠানে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

সাদেকা হালিমসহ ঢাবির ৩ শিক্ষক ও ১ কর্মকর্তা বরখাস্ত, ৪ শিক্ষককে অব্যাহতি

সাবেক উপাচার্য ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় সাবেক উপাচার্য ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমসহ তিন শিক্ষক ও এক কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সাথে নানা অনিয়ম ও অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও চার শিক্ষককে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক সব ধরনের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অশিক্ষকসুলভ আচরণ ও নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের দায়ে অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. আফরোজা শেলীকেও সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। একই সভায় প্রশাসনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের দায়ে প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম মাহবুব মুস্তফাকে বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থি কর্মকাণ্ড, সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে অবস্থানের অভিযোগে ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মুহিতকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে অ্যাকাডেমিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগে ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সারা শামসুর রউফ এবং শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলামকেও দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এছাড়া গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির দায়ে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিনকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়।

বিগত ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা যাচাই এবং ‘হেকেপ’ প্রকল্পের গবেষণা তহবিলের যথাযথ ব্যয় পর্যালোচনার জন্য প্রো-উপাচার্যদের নেতৃত্বে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সাথে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন মলচত্বরে ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ’ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার ভিত্তিপ্রস্তর আগামী ৫ আগস্ট উদ্বোধন করা হবে।


নির্বাচিত

ফয়জুন্নেছায় জ্ঞানের আলো ছড়ানোর নতুন প্রত্যয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
তরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা দক্ষিণ

কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে যেন ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। দীর্ঘদিন পর আবারও এই বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন কুমিল্লা অঞ্চলের সিনিয়র প্রধান শিক্ষিকা রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার। তাঁর পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণকে ঘিরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

শিক্ষা প্রশাসনের এক আদেশে তাকে তার পুরোনো কর্মস্থল ও ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুনর্বহাল করা হয়। এর আগে ২০০৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৩ বছর তিনি দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের নেতৃত্ব দেন। তাঁর যোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বিদ্যালয়টি কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডসহ দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে সুনাম অর্জন করে।

রোকসানা ফেরদৌস মজুমদারের নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল, গণিত অলিম্পিয়াডসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে। পাশাপাশি বিভিন্ন বৃত্তি অর্জনের ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিকভাবে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে। তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা, শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তরিকতা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব নেতৃত্ব বিদ্যালয়ের সাফল্যের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা জানান, রোকসানা ফেরদৌস মজুমদারের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, প্রশাসনিক দক্ষতা, শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তরিকতা, সাংস্কৃতিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে উৎসাহ এবং শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ তাঁকে একজন সফল শিক্ষানেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও সার্বিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

কুমিল্লা শহরের পুরাতন চৌধুরীপাড়া এলাকার সন্তান রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার। তাঁর বাবা ইঞ্জিনিয়ার মোখলেছুর রহমান। পুরাতন চৌধুরীপাড়ার মসজিদসংলগ্ন এলাকায় তাঁর শৈশব ও বেড়ে ওঠা। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন এই শিক্ষানেত্রী। তাঁর পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণে বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরা।

বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, রোকসানা ফেরদৌস মজুমদারের অভিজ্ঞ ও দক্ষ নেতৃত্বে নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। একই সঙ্গে অতীতের গৌরবময় সাফল্যের ধারাবাহিকতা আরও সমৃদ্ধ হবে এবং কুমিল্লার অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই বিদ্যাপীঠে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়বে আরও বিস্তৃত পরিসরে।

পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে প্রধান শিক্ষিকা রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার বলেন, “এটি সরকারি চাকরি। সরকার যখন যে আদেশ দেয়, তা মেনে চলতে হয়। আমি চেষ্টা করব, অতীতের মতো নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়কে এমন একটি পর্যায়ে নিয়ে যেতে, যাতে প্রতিষ্ঠানটি তার সুনাম ধরে রেখে সারা দেশে আলোচনায় থাকে। সবার সহযোগিতা থাকলে যেকোনো কাজই সহজ হয়ে যায়।”


নির্বাচিত

অফিসার ক্যাডেট পদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে ৪টি পৃথক ক্যাটাগরিতে জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি মূলত ৬২তম বিএমএ স্পেশাল (সিগন্যালস/ইএমই/এইসি) এবং ৫৫তম বিএমএ স্পেশাল (আরভিএন্ডএফসি) কোর্সের অধীনে পরিচালিত হবে। সিগন্যালস কোরের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ইলেকট্রিক্যাল ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বা সমমানের বিষয়ে ৪.০০ এর মধ্যে কমপক্ষে ৩.০০ সিজিপিএ থাকতে হবে। ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইএমই কোরের জন্য মেকানিক্যাল অথবা ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে একই পরিমাণ সিজিপিএ অর্জনকারী প্রার্থীরা আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। অন্যদিকে, আর্মি এডুকেশন কোরের জন্য অর্থনীতি, বিবিএ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং মেডিকেল ফিজিসিস্ট বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ে ৩.০০ সিজিপিএ চাওয়া হয়েছে। এছাড়া রিমাউন্ট ভেটেরিনারি অ্যান্ড ফার্ম কোরে আবেদনের জন্য ভেটেরিনারি সায়েন্স বা অ্যানিম্যাল হাজব্যান্ড্রি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের সুযোগ রাখা হয়েছে।

শারীরিক যোগ্যতার ক্ষেত্রে পুরুষ প্রার্থীদের উচ্চতা কমপক্ষে ১.৬৩ মিটার বা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি এবং নারী প্রার্থীদের জন্য ১.৫৫ মিটার বা ৫ ফুট ১ ইঞ্চি নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রার্থীদের ওজন বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী আনুপাতিক হারে থাকতে হবে। ১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে প্রার্থীর বয়স অনূর্ধ্ব ২৮ বছর হতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে কোনো এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না। বৈবাহিক অবস্থার শর্ত হিসেবে পুরুষ প্রার্থীদের অবিবাহিত হতে হবে, তবে ওই তারিখে যাদের বয়স ২৬ বছরের বেশি হবে তারা বিবাহিত হলেও আবেদন করতে পারবেন। নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে অবিবাহিতা বা বিবাহিতা উভয় সুযোগই রাখা হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তদের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য সরকার নির্ধারিত বেতনক্রম অনুযায়ী বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।

আবেদনের ক্ষেত্রে কিছু অযোগ্যতাও নির্ধারণ করা হয়েছে, যেমন সরকারি চাকরি বা প্রশিক্ষণ থেকে বরখাস্ত হওয়া, ফৌজদারি অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হওয়া কিংবা দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা ব্যক্তিরা এই পদের জন্য যোগ্য হবেন না। এছাড়া আইএসএসবি কর্তৃক নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে দুবার প্রত্যাখ্যাত প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন না। আগ্রহী প্রার্থীদের সেনাবাহিনীর নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘Apply Now’ অপশনে ক্লিক করে ৫০০ টাকা আবেদন ফি জমা দেওয়ার মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। ২৮ জুলাই ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ২৪ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলমান থাকবে।


নির্বাচিত

এসএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের চূড়ান্ত দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১০ আগস্ট এই ফল আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক গণমাধ্যমকে তথ্যটি নিশ্চিত করে বলেন, “এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য ১০ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।” ওইদিন ফলাফল ঘোষণার পর পরীক্ষার্থীরা প্রচলিত পদ্ধতিতে শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন।

এর আগে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, বিভিন্ন অনিবার্য কারণে নির্ধারিত সময়ে ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমানে ফল প্রস্তুতের সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চূড়ান্ত প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এবারের মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১৮ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে।


নির্বাচিত

বন্যার বিরতি শেষে আজ থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আকস্মিক বন্যার কারণে তিন সপ্তাহের স্থবিরতা কাটিয়ে আজ থেকে আবারও শুরু হচ্ছে চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পাঁচ জেলার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। সংশ্লিষ্ট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সাংবাদিকদের এ কথা জানান যে, "বন্যার কারণে স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৫ জেলার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে আজ।" এই নির্দেশনার ফলে চট্টগ্রামসহ রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার পরীক্ষার্থীরা দীর্ঘ বিরতির পর পুনরায় পরীক্ষা কেন্দ্রে ফিরছে। একই সময় সারা দেশের অন্য নয়টি সাধারণ বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডেও পূর্বনির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের হালনাগাদ সূচি অনুসারে, আজকের সকালের অধিবেশনে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসমূহে পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্রের পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং বিকেলে খাদ্য ও পুষ্টি প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাদ্রাসা বোর্ডের আলিম পরীক্ষার্থীরা আজ ইসলামের ইতিহাস, পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র এবং তাজভিদ দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট-১ বিষয়ের পরীক্ষা সম্পন্ন হবে।

সাম্প্রতিক বন্যায় যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষয়ক্ষতি ও শিক্ষার্থীদের প্রতিকূল অবস্থার কারণে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছিল, "বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি, পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়কপথের কারণে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াতের চরম দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।" আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তৎকালীন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অবশিষ্ট বিষয়গুলোর পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও সংশোধিত সূচি অনুযায়ী আজ থেকে সকল শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় সচল হয়েছে।


নির্বাচিত

প্রাথমিকের নতুন কারিকুলামে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা ও ডিজিটাল সুরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষায় ভ্যালু-বেইজড (মূল্যবোধভিত্তিক) শিক্ষা, ডিজিটাল নিরাপত্তা, লাইফ স্কিল, জেন্ডার সংবেদনশীলতা ও নাগরিক মূল্যবোধকে নতুন কারিকুলামের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।’ একই সঙ্গে তিনি শিশুদের প্রযুক্তি থেকে দূরে না রেখে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ব্যবহার শেখানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর গুলশানের হোটেল লেকশোরে বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন আয়োজিত ‘ডিজিটাল জেন্ডার নরমস: জাতীয় শিখন-অভিজ্ঞতা বিনিময়’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা থামবে না। তাই শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে নিরাপদ ও ইতিবাচকভাবে প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করেও জনগণের কণ্ঠ রোধ করা সম্ভব হয়নি। সেই অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছে, ডিজিটাল মাধ্যম এখন সমাজ ও রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের ব্যবধান তৈরি হয়েছে। এ ব্যবধান দূর করতে শিক্ষা, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’ পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের তথ্য যাচাই, অনলাইন নৈতিকতা ও নিরাপদ ডিজিটাল আচরণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ছবি, ভুয়া ভিডিও, চরিত্রহনন ও ডিজিটাল হয়রানি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে নারী, কিশোরী ও নারী রাজনীতিবিদরা এসবের বড় শিকার। তাই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং শিশু ও নারীদের সুরক্ষায় কার্যকর আইন ও নীতিমালা বাস্তবায়ন প্রয়োজন।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, নতুন শিক্ষাব্যবস্থায় ধাপে ধাপে শ্রেণিকক্ষে ইন্টারঅ্যাকটিভ ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু, শিক্ষকদের জন্য ট্যাব সরবরাহ এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাবান্ধব ডিজিটাল ডিভাইস প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমিউনিটি সম্পৃক্ততা বাড়াতে স্কুল-মিল কার্যক্রম তদারকির জন্য অভিভাবক কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন কার্যক্রমে অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণকে আরও সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন, ইউএন উইমেন, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল, জাগো ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

এসএসসির ফল ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল পূর্বনির্ধারিত ২০ জুলাই তারিখে প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফল প্রকাশের জন্য এখনও কোনো নতুন দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও শিক্ষা বোর্ডগুলো চলতি মাসের মধ্যেই কার্যক্রম শেষ করার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

বোর্ড চেয়ারম্যান জানান যে, শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের যে লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছিলেন, সে অনুযায়ী বোর্ডগুলো প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক কিছু প্রশাসনিক ব্যস্ততা ও কারিগরি কারণে নির্ধারিত সময়ে ফল প্রস্তুতের কাজ পুরোপুরি শেষ করা যায়নি। ফলে ফল প্রকাশে সামান্য বিলম্ব ঘটছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “ইনশাআল্লাহ চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করতে পারব বলে আশা করছি।” এর মাধ্যমে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ১৮ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থীর অনিশ্চয়তার অবসান ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। পরীক্ষা চলাকালীন শৃঙ্খলার বিষয়ে বোর্ড কঠোর অবস্থানে ছিল এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ২০৮ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। গত ১৫ জুনের এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ফল প্রকাশের নির্দিষ্ট সময়সীমা জানিয়েছিলেন, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বোর্ডগুলো দ্রুততম সময়ে ফল প্রকাশে কাজ করছে।


নির্বাচিত

অবশেষে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

অবশেষে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে নওগাঁবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শনিবার (১৮ জুলাই) আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ এবং শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এই নবীন বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার নতুন যাত্রা শুরু করবে।

উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ.ন.ম. এহসানুল হক মিলন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, শিক্ষাবিদ, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

সকাল ১০টায় শহরের বরুনকান্দি মোড়ে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হবে। এরপর পায়রা অবমুক্তকরণ, বেলুন ও ফেস্টুন উড়ানো, উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন, শ্রেণিকক্ষ, গ্রন্থাগার, কম্পিউটার ল্যাব ও স্টাডি সেন্টারের উদ্বোধন এবং কেক কাটার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রমের যাত্রা ঘোষণা করা হবে। পরে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে উদ্বোধনী আলোচনা সভা।

সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি প্রধান অতিথি, উপাচার্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা বক্তব্য রাখবেন। অনুষ্ঠানে প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আমগাছের চারা উপহার দিয়ে বরণ করে নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলী।

উপাচার্য ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলী জানান, প্রাথমিকভাবে আইন ও হিসাববিজ্ঞান এই দুই অনুষদে ৪০ জন করে মোট ৮০ শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান শুরু হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য ৯৭ একর জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও গবেষণাবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রাকে ঘিরে নওগাঁজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।


নির্বাচিত

পরীক্ষা শেষে সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’-এর ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আজ বুধবার সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার মধ্যরাতের মধ্যে দাবি পূরণ না হওয়ায় পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী দুপুর দেড়টায় রাজধানীর উত্তরার বিএনএস সেন্টার হতে এই পদযাত্রা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

আন্দোলনের মুখে আজ দেশের ৫৯টি জেলায় নির্ধারিত তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা সকাল ১০টা হতে যথারীতি শুরু হয়েছে। যদিও বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম ও সংলগ্ন অঞ্চলের পরীক্ষা আগেই স্থগিত করা হয়েছিল, তবে বাকি দেশের পরীক্ষার্থীরা প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝেও পরীক্ষায় বসতে বাধ্য হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া এভিনিউ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। সে সময় পরীক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ সম্বোধন করার প্রতিবাদে তাঁরা ‘তুমি কে, আমি কে—ফার্মের মুরগি’, ‘দফা এক, দাবি এক—শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ’ স্লোগানে রাজপথ উত্তাল করে তোলেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবিগুলো হলো— দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান প্রাকৃতিক দুর্যোগ পুরোপুরি প্রশমিত না হওয়া পর্যন্ত সকল পরীক্ষা স্থগিত রাখা, বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত ১৩ জুলাইয়ের পরীক্ষায় অনুপস্থিতদের জন্য পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দান এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। ঢাকা সিটি কলেজের পরীক্ষার্থী মিরাজ জানান যে, সরকার দাবি না মানলে অখুশি মনে পরীক্ষায় বসলেও পরীক্ষা শেষে তাঁরা কঠোর আন্দোলনে নামবেন। গতকাল দিনভর সায়েন্স ল্যাবরেটরি, নীলক্ষেত এবং শিক্ষা বোর্ডের সামনে শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের ব্যাপক ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি শান্ত করতে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললেও তাঁরা তাঁদের দাবিতে অনড় রয়েছেন।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা আলোচনার প্রস্তাব দিলেও শিক্ষার্থীরা সরাসরি সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চের সিদ্ধান্ত নেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীবান্ধব নন এবং দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া অযৌক্তিক। উত্তরার বিএনএস সেন্টারে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা গতকাল বিকালেই তাঁদের চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করে রাজপথ ছেড়েছেন। আজ এই লংমার্চ কর্মসূচির ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা নির্ধারিত হবে।


নির্বাচিত

চট্টগ্রাম ছাড়া সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষা যথারীতি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচটি জেলা বাদে দেশের বাকি সব এলাকায় চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন। উক্ত বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রীও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, "দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট সবার মতামত বিবেচনায় নিয়ে আপাতত চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলা ছাড়া অন্য সব এলাকায় পরীক্ষা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে চট্টগ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।"

এদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া এবং পরীক্ষার্থীদের নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর করা মন্তব্যের প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার পর ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নিয়ে ধানমন্ডি থেকে নিউমার্কেটমুখী সড়ক অবরোধ করেন। একই সময়ে উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনেও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়, যার ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা "দফা এক, দাবি এক—মিলনের পদত্যাগ", "ভোগান্তির দায় নিতে হবে" এবং "বন্যা-জলাবদ্ধতায় পরীক্ষা নয়"—এমন সব স্লোগান দেন। তাদের অভিযোগ, বৈরী আবহাওয়া ও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনা না করেই পরীক্ষা নেওয়ার ফলে রাজধানীসহ সারা দেশের পরীক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। জলাবদ্ধতা ও যাতায়াত সংকটের কারণে অনেককেই নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে বাসা থেকে বের হয়েও কেন্দ্রে পৌঁছাতে হিমশিম খেতে হয়েছে।


নির্বাচিত

banner close