শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২৪ মাঘ ১৪৩২

ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা

বাসস
প্রকাশিত
বাসস
প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২৫ ১৬:৪০

ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। রোডম্যাপ অনুযায়ী মে মাসের মাঝামাঝি পর্যায়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। তবে নির্বাচন কমিশন কতদিনের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করবে তা রোডম্যাপে উল্লেখ নেই।

আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই রোডম্যাপ এর কথা জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন মনে করে, ডাকসু প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শিক্ষার্থীদেরও ডাকসু নির্বাচনের ব্যাপারে যথেষ্ট আগ্রহ আছে। সে কারণেই বর্তমান প্রশাসন ডাকসু নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ডাকসু নির্বাচন সম্পাদনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর ও সুচারুভাবে আয়োজনের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ এবং অগ্রগতি সংবলিত রোডম্যাপ প্রকাশ করা হলো।

গণমাধ্যমে পাঠানো রোডম্যাপে উল্লেখ করা হয়, ডাকসু নিয়ে অংশীজনদের আলোচনা শুরু হয় গত বছরের ডিসেম্বরে।

একই মাসে ডাকসু সংশোধিত গঠনতন্ত্র চূড়ান্ত করে তা ছাত্রসংগঠনগুলোর কাছে পাঠানো হয়। এর আগে এ বিষয়ে ছয়টি সভা করা হয়। এই গঠনতন্ত্র এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে অনুমোদন হওয়ার অপেক্ষায় আছে।

রোডম্যাপে উল্লেখ করা হয়, গত জানুয়ারি মাসে ‘ডাকসু ইলেকশন কোড অব কনডাক্ট রিভিউ কমিটি’ করা হয়। তারা সাতটি সভা করে। এটিও চূড়ান্ত হওয়ার পর এখন তা সিন্ডিকেটে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

রোডম্যাপ অনুযায়ী, মে মাসের প্রথমার্ধে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। একই সঙ্গে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ অন্যান্য রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে। একই মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় ভোটার তালিকা প্রস্তুত করবে নির্বাচন কমিশন। এরপর নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করবে।


‘ইউজিসি চেয়ারম্যানস পদক’ পেলেন ইবি'র অধ্যাপক সাহিদা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইবি প্রতিনিধি

একাডেমিক মেরিট, গবেষণায় উৎকর্ষ এবং প্রশাসনিক দক্ষতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক ‘ইউজিসি চেয়ারম্যানস পদক’ অর্জন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাহিদা আখতার।

‎বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

‎জানা যায়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর তত্ত্বাবধানে এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন’ (HEAT) প্রকল্পের আওতায় দেশে প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘ইউনিভার্সিটি টিচার্স ট্রেনিং একাডেমি’। এই একাডেমির আয়োজনে চার মাসব্যাপী ‘প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং’-এর প্রথম ব্যাচের সমাপনী অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি হিসেবে সাহিদা আখতারের হাতে এই পদক তুলে দেওয়া হয়।

‎প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ে একাডেমিক ফলাফল, গবেষণার মান, প্রশাসনিক দক্ষতা, নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা, এবং শৃঙ্খলা ও আচরণবিধির প্রতিটি স্তরে সর্বোচ্চ মানদণ্ড বজায় রাখায় তাকে এই পদকে ভূষিত করা হয়েছে।

‎উল্লেখ্য, অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ৩৫টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৬০ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে সার্বিক বিবেচনায় শীর্ষস্থান অর্জন করেন ইবির এই শিক্ষক।

‎এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসির মাননীয় সদস্যবৃন্দ, ট্রেনিং একাডেমির রেক্টর, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ, বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি এবং দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদগণ।


বৈষম্যহীন শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার দাবিতে ইবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইবি প্রতিনিধি

প্রভাষক নিয়োগে শিক্ষক নিবন্ধনে (আল কুরআন, আল হাদিস, আরবি সাহিত্য ও আল ফিকহ বিভাগ) বৈষম্যহীন পরীক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন করেন। এসময় শিক্ষার্থীদের 'অনার্স দিয়ে বিসিএস হয়, প্রভাষক কেন নয়', 'একশন টু একশন, ডাইরেক্ট একশন', 'অনার্সে যোগ্যতা, তবুও কেন বঞ্চনা', 'একই পদ একই কাজ, বৈষম্য কেন আজ', 'একই পদ একই কাজ, ভিন্ন নীতি কেন আজ?', '২৪ এর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই' ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, বিপ্লব পরবর্তী সময়ে আশা করছিলাম বৈষম্য দূর হবে। কিন্তু আমরা দেখলাম গতকাল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য দেয়া প্রভাষক নিবন্ধন পরীক্ষায় কিছু সাবজেক্টের (আল হাদিস, আল কুরআন, আরবি সাহিত্য ও আল ফিকাহ) ক্ষেত্রে মাস্টার্স শেষ করা লাগবে বলে শর্ত দেয়। কিন্তু সমমনা অন্যন্য সাবজেক্টের বেলায় অনার্স শেষ হলেই প্রভাষক হতে পারে। এই বৈষম্য দূর করতে হবে। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিবারই ছোট করে দেখা হয়।

এসময় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো—

১. মাদ্রাসায় আরবি প্রভাষকের ক্ষেত্রে আবেদনের শর্ত থেকে মাস্টার্স বাদ দিয়ে অনার্স করতে হবে। যদি না করা হয় তাহলে যাদেরকে অনার্স দিয়ে প্রভাষকের আবেদনের সুযোগ দিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রেও সমান করে তাদের ক্ষেত্রেও মাস্টার্স প্রাধান্য করতে হবে।

২. কামিল-এ বিষয় ভিত্তিক ৪ জন করে মুফাসসির, মুহাদ্দিস, আদিব, ফকিহ এগুলো থাকার কথা ছিল। কেননা বিগত সময়ে ৮০০ মার্কের পরীক্ষা হতো এখন ১৭০০ মার্ক। ঠিক! সেই জায়গা থেকে আপনারা শিক্ষক বাড়ানো তো অনেক পরের কথা আপনারা কমিয়ে দিয়েছেন। আমরা চাই এখানে যেভাবে সাবজেক্ট বৃদ্ধি পেয়েছে সেইভাবে সকল ক্যাটাগরিতে শিক্ষক বৃদ্ধি করতে হবে।

৩. অনার্স দিয়ে সহকারী মৌলভীর জন্য বিএড ছাড়া আবেদন করতে পারবে এবং সেটা দশম গ্রেডের হতে হবে।


মুরাদনগরে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ও শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ও ৫৪ তম শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১ টায় উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা কবি নজরুল মিলনায়তনে এ পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সফিউল আলম তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ এ শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী এবং ৫৪ তম শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আবদুর রহমান ও বিশেষ অতিথি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁন।

প্রধান শিক্ষক জামাল হোসেনের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক আব্দুল মজিদ কলেজের অধ্যক্ষ ফেরদৌস আহাম্মেদ চৌধুরী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম, কাজিয়াতল ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খেলাধুলা এক আবেগের নাম, এক অফুরন্ত ভালোবাসার নাম। খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, এটি মানুষের মন ও শরীর সুস্থ রাখার সবচেয়ে কার্যকর ব্যায়াম। নিয়ম-কানুন মেনে খেলাধুলা করা জীবনে শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা গড়ে তোলে। জয়-পরাজয়কে সমানভাবে মেনে নেওয়া এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার শিক্ষা খেলাধুলার মাধ্যমে পাওয়া যায়। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে এবং নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, একাডেমিক সুপারভাইজার কোহিনুর বেগম, পাঁচকিত্তা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, শুশুন্ডা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ গিয়াস উদ্দিন, যাত্রাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী।

উপজেলা মাধ্যমিক অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার ছাত্রছাত্রীরা ৩৫ টি ইভেন্ট/খেলাধুলায় অংশ নেয়।


হতাশ পৌনে ৪ লাখ শিক্ষক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত প্রায় পৌনে ৪ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর জানুয়ারি মাসের বেতন এখনো অনুমোদন পাননি। ফলে চলতি সপ্তাহে তাদের বেতন দেওয়ার সম্ভাবনা নেই।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত শিক্ষকদের জানুয়ারি মাসের বেতন অনুমোদন মেলেনি। সরকারি ছুটির কারণে বেতন অনুমোদন হলেও তা জিও জারি এবং এজি অফিসে পাঠানোর প্রক্রিয়া হবে আগামী বৃহস্পতিবার।

এ কারণে চলতি সপ্তাহে বেতন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি ছুটি এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সপ্তাহে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জানুয়ারি মাসের বেতন দেওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের বেতন-ভাতা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, প্রতি মাসে শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতনের প্রস্তাব তাদের প্রতিষ্ঠান প্রধান পাঠান।

অনলাইন বিল দাখিলের পর তা যাচাই-বাছাই করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া মাত্র বেতন ব্যাংকে পাঠানো হয়।

সরকার ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া চালু করেছে, যা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতার প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করেছে। মাউশির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এ প্রক্রিয়ার ফলে বেতন অনুমোদন ও বিতরণ আগের তুলনায় দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য হচ্ছে।

তবে শিক্ষকদের মধ্যে এ বিলম্ব নিয়ে হতাশা বিরাজ করছে। তারা আশঙ্কা করছেন, যদি সরকারি ছুটি বা অন্যান্য প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে অনুমোদন আরও বিলম্বিত হয়, তবে মার্চ মাসের বেতনও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নিয়মিতভাবে বেতন পাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। তাই তাদের জীবনযাত্রা ও পরিবারের দৈনন্দিন খরচ পরিচালনায় এই বিলম্ব এক প্রকার চাপ সৃষ্টি করেছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আগামী সপ্তাহের শেষের মধ্যে বেতন-ভাতা বিতরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে।


ইন্টার্নশিপ সনদ পেলেন বাকৃবির ৫৯তম ভেটেরিনারি ব্যাচের ১৯২ শিক্ষার্থী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদের ৫৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ সমাপনী এবং সনদ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ওই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদ। অনুষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করা ১৯২ জন শিক্ষার্থীকে সনদ দেওয়া হয়, এদের ৪ জন মালয়েশিয়ান ও ৫ জন নেপালি শিক্ষার্থীসহ ৯ জন বিদেশি শিক্ষার্থী ছিলেন।

বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। এছাড়া বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘দীর্ঘ সময়ের এই ইন্টার্নশিপে তোমরা অধ্যয়ন ও বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে অনেক কিছু শিখেছো। হাসপাতাল, ল্যাবরেটরি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে পেশাগত দক্ষতা অর্জন করেছো। কেউ দেশে, কেউ বিদেশে ইন্টার্নশিপ করেছো, তবে উভয় ক্ষেত্রেই তোমরা নতুন মানুষ, নতুন পরিবেশ এবং নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছো। এই সময়ে ভালো অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তোমরা বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছো, যা তোমাদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য প্রস্তুত করবে। ইন্টার্নশিপ হল একাডেমিক জীবন ও পেশাগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। আশা করি এই ইন্টার্নশিপ তোমাদের চাকরি, উচ্চশিক্ষা কিংবা গবেষণাকাজে সহায়ক হবে।’

অনুষ্ঠানের সভাপতি ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান বলেন, ‘এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের ৫৫ জন ছাত্র-ছাত্রী বিদেশে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেছে এবং তাদের পারফরম্যান্স অত্যন্ত ভালো ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তারা বাকৃবির মর্যাদা বজায় রেখেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রাণী চিকিৎসা পেশা বর্তমানে শুধু চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ওয়ান হেলথ ধারণাসহ এটি বহু পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত। শিক্ষার্থীদের এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা ক্লিনিশিয়ান হবে না কি গবেষণার পথে এগোবে। তবে প্রাণীদের ভালোবেসে তাদের কষ্ট লাঘব করেই একজন প্রকৃত ভেটেরিনারিয়ান হওয়া সম্ভব।’


শ্রীমঙ্গল আইডিয়াল স্কুলে শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল আইডিয়াল স্কুলে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও মা সমাবেশ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পৌর শহরের কালিঘাট রোডে অবস্থিত স্কুল ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশে নবীন শিক্ষার্থীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. এহসানুল হক (এহসান বিন মুজাহির)। সহকারী প্রধান শিক্ষক আশিকুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে নবাগত শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে গোলাপ ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। এ সময় সুসজ্জিত স্কুল ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সরব উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সভাপতির বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক মো. এহসানুল হক বলেন, ‘সুশিক্ষা ও উন্নত ভবিষ্যতের ভিত্তি গড়তে আমাদের প্রতিষ্ঠান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা কেবল পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক শিক্ষা নয়, শিক্ষার্থীদের নৈতিক, মানবিক ও সৃজনশীল বিকাশেও সমান গুরুত্ব দিয়ে থাকি।’

তিনি আরও জানান, নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে ‘স্পেশাল ইংলিশ কেয়ার’ কার্যক্রম। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সাপ্তাহিক বিষয়ভিত্তিক সভা এবং নিয়মিত কো-কারিকুলাম কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে দক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। সময়ের মূল্য দাও, শৃঙ্খলা মেনে চলো, শিক্ষকদের সম্মান করো এবং বন্ধুদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখো। বড় স্বপ্ন দেখো এবং সৎ পথে এগিয়ে যাও।’

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন অতিথি ও শিক্ষকরা। উপস্থিত শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন মো. আফসার মিয়া, মঈন উদ্দিন মুন্সি মুহিন, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, কাওছার আহমদ সম্রাট, জয়া রবি দাশ, তাসলিমা জান্নাত চৈতি, তাসনিম রহমান তৃষা, হাফিজা আক্তার ও নুরজহান আক্তার।

বক্তারা বলেন, ‘আজকের শিশুরাই আগামী দিনের স্বপ্ন। প্রতিটি শিশুকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব। শিশুদের উদ্যমী ও আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে পারলেই তারা আগামীর বাংলাদেশ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।’

এ সময় শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে অভিভাবকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।


সুনামগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা প্রদান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান সুনামগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাছন রাজা মিলনায়তনে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জমকালো অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। সুনামগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মো. ইলিয়াস মিয়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন, বিদ্যালয় পরিচালনা এডহক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ মহিবুল ইসলাম, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম। অনুষ্ঠানে সময় বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. জামাল উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মো. ইলিয়াস মিয়া বলেন, পড়াশুনার পাশাপাশি অবশ্যই সাহিত্য-সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। শুধুমাত্র পড়াশুনাতেই মেধাবী হয়না তার নানান সৃজনশীল কর্মকাণ্ডও মেধা অংশ। সবাইকে শিক্ষকের কথা মেনে সুন্দর জীবন গড়ে তুলতে হবে।

সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।


ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমার সিদ্ধান্ত বদল: পদত্যাগ করছেন না

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা তাঁর পদত্যাগের পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কথা জানিয়েছেন। গত বুধবার নানামুখী সমালোচনার মুখে তিনি পদ ছাড়ার ঘোষণা দিলেও শনিবার বিকেলে সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, তিনি স্বপদেই বহাল থাকছেন। তাঁর মতে, এই মুহূর্তে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক হবে না। সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে, ‘এভাবে’ পদত্যাগ করলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ‘প্রতারণা’ হয়ে যাবে।

সর্বমিত্র দাবি করেন, সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের অনুরোধের কারণেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা চাচ্ছেন না আমি পদত্যাগ করি। তারা এটা গণবিরোধী আখ্যায়িত করছেন। এভাবে পদত্যাগ করা তাদের সঙ্গে প্রতারণা। শিক্ষার্থীরা বলেছেন- বিরোধীপক্ষের কথায় কান না দিয়ে কাজ করুন। তাই আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি।’ এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন যে, পদত্যাগের বিষয়টি গঠনতন্ত্র সমর্থন করে না। তবে গঠনতন্ত্রের ঠিক কোন ধারায় এমনটি বলা হয়েছে, সে সম্পর্কে তাঁর সুনির্দিষ্ট ধারণা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পদত্যাগের বিষয়টি কোন ধারায় আছে, আমার জানা নাই।’

উল্লেখ্য, গত ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিত হওয়া সর্বমিত্র চাকমা দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই নানা কারণে সমালোচিত হয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে খেলতে আসা একদল কিশোরকে কান ধরে উঠবস করানোর একটি ঘটনায় তাঁকে নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সেই চাপের মুখেই গত বুধবার ফেসবুকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত তিনি তাঁর পূর্ব সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলেন।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থী গবেষণা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থী গবেষণা সম্মেলন ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) আয়োজিত এই দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এম আবদুল আজিজ বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক ড. মুস্তাক ইব্নে আয়ূব এবং বিষয়ভিত্তিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সারজাহ ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ আবিদুর রহমান। প্রধান অতিথির ভাষণে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান গবেষণা সম্মেলন আয়োজনের মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের গবেষণার আগ্রহকে আমি স্বাগত জানাই। প্রতিটি মানুষ তার কর্মের মধ্য দিয়েই টিকে থাকে। গবেষণার কাজটি অত্যন্ত কঠিন। তবে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় নিজেকে সম্পৃক্ত করলে ভবিষ্যতে ব্যক্তিগতভাবে উপকৃত হওয়া সম্ভব। প্রতিষ্ঠান এবং সমাজও গবেষণার সুফল পায়।’ একইসাথে তিনি গবেষণার সুযোগ ও পরিধি আরও বিস্তৃত করতে দেশের শিল্পখাত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় ও সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

এই সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থী অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণার বিষয়বস্তুর ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন পোস্টার প্রদর্শন করেন এবং নিজেদের গবেষণার সার-সংক্ষেপ অতিথিদের সামনে উপস্থাপন করেন। শিক্ষার্থীদের এই জ্ঞানতাত্ত্বিক চর্চা ও সৃজনশীলতাকে এগিয়ে নিতে আইকিউএসি’র এই আয়োজন ভবিষ্যতে গবেষণার সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


সেশন জট নিরসনে ১৯ এপ্রিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ক্লাস শুরুর ঘোষণা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণির পাঠদান আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকাল ৪টার দিকে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই তথ্যটি প্রদান করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গত বছরের তুলনায় এবারের সময়সূচী প্রায় দুই মাস এগিয়ে আনা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, ‘গত বছর প্রথম বর্ষের পরীক্ষা ২২ জুন থেকে শুরু হয়েছিল। আমরা দুই মাস এগিয়ে এনেছি। এভাবে আমরা সেশন জট কমিয়ে নিয়ে আসব।’

ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ধরণ পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে উপাচার্য উল্লেখ করেন যে, প্রতিবছর ডিনদের সমন্বয়ে গঠিত ভর্তি পরীক্ষা কমিটিই নির্ধারণ করে থাকেন পরীক্ষার রূপরেখা কেমন হবে। চলমান ভর্তি প্রক্রিয়ার বিষয়ে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, ‘বিভিন্ন কারণে আমরা এবার শুধু এমসিকিউতে পরীক্ষা নিয়েছি। প্রয়োজনের আলোকে আগামীবার লিখিত পরীক্ষা যুক্ত হতে পারে।’ শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সময়ের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে ডিনদের কমিটি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

সার্বিক ভর্তি পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ড. রেজাউল করিম আরও বলেন যে, ‘সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিয়েছে। কারো পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অভিযোগ আসেনি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কড়া নজরদারি ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কারণে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা ছাড়াই শিক্ষার্থীরা তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরেছে। মূলত সেশন জট কমিয়ে শিক্ষার্থীদের দ্রুত উচ্চশিক্ষার মূল ধারায় যুক্ত করার লক্ষ্যেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই নতুন সময়সূচী নির্ধারণ করেছে।


প্রক্টরের ওপর হামলার বিচারসহ ২ দফা দাবিতে ইবিতে মানববন্ধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইবি প্রতিনিধি

প্রক্টর ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (টিএইচএম) বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মো. শরিফুল ইসলামকে অপহরণের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের সাথে বিচারের দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মানববন্ধন করেছে শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈছাআ)। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকাল ৪ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন।

এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে ‘শিক্ষকের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সাংবাদিকদের হেনস্থা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে শিক্ষক অপহরণের শাস্তি চাই’সহ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা ২ দাবি উল্লেখ করেন- প্রক্টর ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার এবং ট্যুরিজম বিভাগের সভাপতিকে অপহরণের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার করা।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ছাত্রদল ৫ আগস্টের পর থেকে শিক্ষার্থী বা জনকল্যাণে কোনো কাজ করেনি। তারা নিয়োগ বাণিজ্য করার জন্যই গতদিন টিএইচএম বিভাগের সভাপতিকে অপহরণ করেছে। আমরা আশা করেছিলাম তারা গণতান্ত্রিক রাজনীতি করবে কিন্তু তারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করে যাচ্ছে। গতদিন তারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হত্যা করে প্রমাণ করেছে তারা সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি করতে চায় না।

ইবি বৈছাআ’র সদস্য সচিব ইয়াশিরুল কবির সৌরভ বলেন, “আমরা গত ১৭ বছর শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। ৫ই আগস্টের পর আমরা ভেবেছিলাম শিক্ষার অধিকার ফিরে পাব কিন্তু একটি কুচক্রি মহলের কারণে শিক্ষক রাজনীতি ও শিক্ষার অধিকারহরণ করা হচ্ছে।”

ইবি বৈছাআ’র আহ্বায়ক এস এম সুইট বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর হামলা তাদের ক্ষোভের একটি বহিঃপ্রকাশ। শুধু ক্যাম্পাসের ভিতরেই নয় শিক্ষার্থীরা কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহসহ যেসব জায়গায় বসবাস করে সকল জায়গায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যদি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থ হন তবে দ্বায় নিয়ে দায়িত্ব থেকে সরে যান।”

উল্লেখ্য, গত বুধবার ইবির টিএইচএম বিভাগের সভাপতি মো. শরিফুল ইসলামকে সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে আনা হলে শিক্ষার্থীরা হাতাহাতিতে জড়ায়। এতে প্রক্টরিয়াল বডির বিভিন্ন সদস্য ও সাংবাদিকরাও আহত হন।


ফরিদপুর আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের অন্যতম স্বনামধন্য নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে জাতীয় সংগীত,পতাকা উত্তোলন ও বেলুন, ফেস্টুন উড়ানোর মধ্য দিয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সোহরাব হোসেন।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি এবং বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সুস্মিতা সাহার সভাপতিত্বে ফরিদপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ ইকবাল হাসান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জয়নুল আবেদীন ,সহকারী প্রধান শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুকসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী কর্মকর্তা কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে আমন্ত্রিত অতিথিদের ব্যাজ প্রদান ও ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে মশাল দৌড়, ক্রীড়া শপথ, মার্চ পাস্ট ও ডিসপ্লে প্রদর্শন করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপরে শুরু হয় যেমন খুশি সাজো প্রতিযোগিতা। অনুষ্ঠান শেষে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। পুরষ্কার বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণীত অতিথি ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ।


সেন্ট মার্থাস উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া উৎসব

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

শিশুদের হাসি, হাততালি আর উচ্ছ্বাসে মুখর ছিল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। রঙিন পতাকা, সারিবদ্ধ কুচকাওয়াজ আর খেলাধুলার আনন্দে যেন একদিনের জন্য উৎসবমুখর হয়ে উঠেছিল মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের সেন্ট মার্থাস উচ্চ বিদ্যালয়।

“ক্রীড়া নৈপুণ্যে গড়ব দেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ”এই স্লোগানকে ধারণ করে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে বিদ্যালয়টির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সকালের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিরা। শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিরা। এরপর শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও মনোজ্ঞ ডিসপ্লে উপস্থিত সকলের দৃষ্টি কাড়ে। ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী পদচারণা ও ছন্দময় উপস্থাপনা দর্শকদের বারবার করতালিতে মুখর করে তোলে।

দিনব্যাপী আয়োজনে দৌড়, উচ্চ লাখ, দীর্ঘ লাফসহ নানা ধরনের ক্রীড়া ইভেন্ট এবং গ্রামীণ খেলাধুলায় অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা। প্রতিটি খেলায় ছিল প্রতিযোগিতার উত্তেজনা, আবার কোথাও ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ আনন্দ। মাঠজুড়ে শোনা যাচ্ছিল সহপাঠীদের উৎসাহধ্বনি, শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা আর অভিভাবকদের উচ্ছ্বসিত কণ্ঠস্বর।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফাদার মার্কুস মূর্মু। তিনি বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শুধু শরীরচর্চার সুযোগই দেয় না, বরং নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও সহনশীলতা শেখায়। তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। দেশ গড়তে হলে তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেন্ট মার্থাস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিস্টার সংগীতা গমেজ আরএনডিএম। সমাপনী বক্তব্যে তিনি বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের পারদর্শী করে তোলাই বিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য। খেলাধুলার মধ্য দিয়েই শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুশৃঙ্খল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্ট মার্থাস কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক সিস্টার সুপ্রীতি বিবিয়ানা কস্তা, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক প্রতিনিধি জনক দেববর্মা ও নিরোদ দেববর্মা এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তীসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। পুরস্কার পেয়ে শিশুদের মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের ঝিলিক, যা পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান আয়োজক কর্তৃপক্ষ। পরিশেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই ক্রীড়া উৎসবের সুন্দর সমাপ্তি ঘটে।


banner close