বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
২১ আশ্বিন ১৪৩৩

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ৫০ শতাংশ ছাড়ে ভর্তি

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
১৩ নভেম্বর, ২০২২ ১৬:২২
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১৩ নভেম্বর, ২০২২ ১৫:১৮

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এ ভর্তি মেলা শুরু হয়েছে। যেখানে শিক্ষার্থীরা ৫০ শতাংশ ছাড়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ভর্তি হতে পারবেন।

আজ রোববার রাজধানীর প্রগতি সরণিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির নিজস্ব ক্যাম্পাসে এ মেলার উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এইচ এম জহিরুল হক। আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ মেলা।

ভর্তি ফিতে ছাড়ের পাশাপাশি যারা ‘স্পট অ্যাডমিশন’ নেবেন, তারা পাবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার।

অভিজ্ঞ শিক্ষক, আধুনিক ক্লাসরুম, ডিজিটালাইজড লাইব্রেরি ও মডার্ন ল্যাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে।

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফির ওপরেও ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃত্তি রয়েছে। এর মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি মিলে (চতুর্থ বিষয় ছাড়া) যাদের জিপিএ-১০ রয়েছে, তারা টিউশন ফিতে শতভাগ ছাড় পাবেন।

এ ছাড়া এমবিএ ও ইএমবিএ (রেগুলার ও এক্সিকিউটিভ) প্রোগ্রামে টিউশন ফির ওপর ৫০ শতাংশ ছাড় থাকছে। শিপিং ও মেরিটাইম সায়েন্স, বিবিএ, সিএসই, ইইই, এলএল.বি, ইংলিশ, মিডিয়া কমিউনিকেশন ও জার্নালিজম এবং মাস্টার্স ইন মেরিটাইম ট্রান্সপোর্টেশন ও লজিস্টিকস বিষয়ে যারা ভর্তি হতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য টিউশন ফির ওপর রয়েছে ৪০ শতাংশ ছাড়। ভর্তিচ্ছুদের ০১৭০৭০৭০২৮০, ০১৭০৭০৭০২৮১, ০১৭০৭০৭০২৮৪ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশে একমাত্র এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিপিং ও মেরিটাইম সায়েন্স এবং মাস্টার্স ইন মেরিটাইম ট্রান্সপোর্টেশন ও লজিস্টিকস বিষয়ে শিক্ষার সুবিধা রয়েছে। এ ছাড়া মিডিয়া গ্র্যাজুয়েটদের জন্য রয়েছে শতভাগ চাকরির নিশ্চয়তা।

মেলা উদ্বোধনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।


নির্বাচিত

ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৪৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে চারটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ৫৩তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার ওপর জোর দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে কারিগরি ও বাস্তবমুখী শিক্ষার প্রসার ঘটাতে চায় সরকার। এর অংশ হিসেবে শিক্ষাক্রমে আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি আরও জানান, ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ২০২৮ সাল থেকে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী পাঠ্যক্রমে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন আনা হবে এবং ক্ষেত্রবিশেষে আরও নতুন বই যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি। এ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহাদাত হোসাইন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল খায়ের মোহাম্মদ আক্কাস আলী, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন খান এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আখতারুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। দেশজুড়ে সকল শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


নির্বাচিত

ঢাবি অধ্যাপক ড. জিনাত হুদার বহিষ্কারে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের প্রতিবাদ

ছবি: সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সমাজবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদাকে সাময়িক বহিষ্কার এবং তাঁর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ।

এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, আমাদের অভিমত তাঁর বিরুদ্ধে পরিচালিত তদন্তের প্রাসঙ্গিকতা, প্রয়োজনীয়তা ও উদ্দেশ্য ভিন্ন মত দমন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ।

আমরা মনে করি, এই তদন্ত ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং সম্পূর্ণভাবে অসত্য, ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটির ফরমায়েসী প্রতিবেদনের মাধ্যমে শাস্তিমূলক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করা ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া, শিক্ষকের মর্যাদা ও একাডেমিক স্বাধীনতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জাতির বিবেক শিক্ষকেদের কণ্ঠরোধ করার একের পর এক অপচেষ্টা চলছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তচিন্তা, জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও মতপ্রকাশের ঐতিহ্যগত কেন্দ্র। ভিন্নমতের জবাব হতে হবে যুক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার মাধ্যমে—প্রশাসনিক হয়রানি বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে নয়।

আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ভিন্নমত দমনের মাধ্যমে নয়; ন্যায়, স্বচ্ছতা, যুক্তি ও মুক্তচিন্তার পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই সমুন্নত থাকে। কোনো শিক্ষককে তাঁর মত, বক্তব্য বা অবস্থানের কারণে হয়রানি করা হলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশের জন্য গভীরভাবে উদ্বেগজনক।

আমাদের দাবি

১. অধ্যাপক ড. জিনাত হুদার সাময়িক বহিষ্কার অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

২. অপ্রাসঙ্গিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তদন্ত এবং ট্রাইব্যুনাল প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে।

৩. প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

৪. শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও একাডেমিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।


নির্বাচিত

১ অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিকে বঞ্চিত ৮১৭ প্রার্থীর নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও যারা নিয়োগপত্র পাননি, এমন ৮১৭ জন প্রার্থীকে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

১ অক্টোবরের নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে যারা নিয়োগ পাবেন না, তাদের নথিপত্র পরবর্তীতে পর্যবেক্ষণ ও যথাযথ রিভিউ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সুরাহা করা হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।

মূলত ভেরিফিকেশন বা প্রশাসনিক যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার জটিলতা এবং প্রার্থীদের ঠিকানা পরিবর্তনের কারণে এই ৮১৭ জনের নিয়োগ থমকে গিয়েছিল। তবে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও প্রার্থীর দাবি অনুযায়ী এই সংখ্যা দুই হাজার থেকে আড়াই হাজারের কাছাকাছি হতে পারে বলে গুঞ্জন উঠলেও মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয় যে নিয়োগপত্র নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানো ঠিক হবে না।

এক অনুসন্ধানে জানা যায়, পুলিশ প্রতিবেদনে নেতিবাচক মন্তব্য, ডোপ টেস্টে সমস্যা, স্বাস্থ্য সনদের ঘাটতি এবং শিক্ষা সনদে গরমিল থাকার কারণেই মূলত এসব প্রার্থীর নিয়োগ স্থগিত ছিল।

এদিকে 'কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫' প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে দীর্ঘ সময় ধরে আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বাদ পড়া প্রার্থীদের নথি স্বচ্ছভাবে পুনর্যাচাই, তথ্যগত ভুল সংশোধনে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এবং পুরো পরিস্থিতির দায়িত্বশীল ব্যাখ্যাসহ পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়েছে।

এদিকে প্রার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারি নিয়োগে ভেরিফিকেশন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া এবং প্রার্থীরা যেন সামাজিক মাধ্যম বা সংবাদমাধ্যমের বিভ্রান্তিতে কান না দেন এবং ১ অক্টোবরের পর চূড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি যোগ্য প্রার্থীর নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।


নির্বাচিত

সরকারি চাকরিতে ১,৪৮৫ পদে আবেদন ২১ লাখ, পরীক্ষা নিয়ে বিপাকে কর্তৃপক্ষ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি চাকরির প্রতি চাকরিপ্রার্থীদের আগ্রহ যে কতটা বেড়েছে, তার বড় উদাহরণ হয়ে উঠেছে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক নিয়োগ। ১ হাজার ৪৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ২১ লাখ ২৩ হাজার প্রার্থী। ফলে প্রতি পদের বিপরীতে প্রতিযোগিতা করছেন প্রায় ১ হাজার ৪৩০ জন। বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার অভিজ্ঞতা না থাকায় এখন নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন নিয়েই হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

বিশ্লেষকদের মতে, বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে আসা, বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং চাকরির নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো সরকারি চাকরির প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়াচ্ছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) জানিয়েছে, বাংলাদেশে উচ্চমাধ্যমিকোত্তর বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ডিগ্রিধারী তরুণদের প্রায় ৩৬ শতাংশ বেকার।

গত মে মাসে সমাজসেবা অধিদপ্তর স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের ৫২ ক্যাটাগরিতে ১ হাজার ৪৮৫টি শূন্য পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়। ২ জুন থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়। পদভেদে আবেদন ফি ছিল ৫০ থেকে ১০০ টাকা।

আবেদন প্রক্রিয়া শেষে দেখা যায়, ২১ লাখ ২৩ হাজার প্রার্থী আবেদন করেছেন। এই বিপুলসংখ্যক আবেদন সামাল দিতে পরীক্ষা আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করছে অধিদপ্তর।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বলেন, ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের ১ হাজার ৪৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে ২১ লাখ ২৩ হাজার আবেদন পড়েছে। দ্রুততম সময়ে নিয়োগ সম্পন্ন করার উপায় প্রস্তাব করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।

পরীক্ষার তারিখ এখনো নির্ধারণ হয়নি: আবেদন গ্রহণ শেষ হওয়ার প্রায় তিন মাস হতে চললেও এখনো পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। এত বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার অভিজ্ঞতা অধিদপ্তরের আগে না থাকায় পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারণ, প্রশ্নপত্র ছাপানো, পরিদর্শক নিয়োগ এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক বাছাইয়ের পর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় কতজনকে রাখা হবে, তা নিয়েও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লিখিত, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবহারিক এবং মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।

পরীক্ষা গ্রহণের ব্যয় ও পদ্ধতি বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর পরীক্ষার কেন্দ্র ও তারিখ ঘোষণা করা হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব বলেন, আবেদন গ্রহণের পর পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। স্বচ্ছতা বজায় রেখে দ্রুত নিয়োগ শেষ করতে মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

বিসিএসের চেয়েও বেশি আবেদন: সমাজসেবা অধিদপ্তরের এই নিয়োগে আবেদনকারীর সংখ্যা সাম্প্রতিক পাঁচটি সাধারণ বিসিএস পরীক্ষার প্রতিটির চেয়েও বেশি। সর্বশেষ ৫০তম বিসিএসে ২ হাজার ১৫০ পদের বিপরীতে আবেদন করেছিলেন ২ লাখ ৯০ হাজার প্রার্থী। ৪৯তম বিসিএসে আবেদন ছিল ৩ লাখ ১২ হাজার। ৪৭তম, ৪৬তম ও ৪৫তম বিসিএসে আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৩ লাখ ৭৪ হাজার, ৩ লাখ ৩৭ হাজার ও ৩ লাখ ৪৬ হাজার।

৪৮তম বিসিএস ছিল বিশেষ পরীক্ষা; চিকিৎসক নিয়োগের জন্য হওয়ায় সাধারণ বিসিএসের সঙ্গে এর সরাসরি তুলনা করা হয় না।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিয়োগে আবেদনকারীর সংখ্যা ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যারও বেশি। এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।

অফিস সহায়ক পদেই ৪৭৮ নিয়োগ: ১ হাজার ৪৮৫টি শূন্য পদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৭৮টি পদ রয়েছে ২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক পদে। এ পদের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হয়েছে এসএসসি পাস।

এ ছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে ৩১২ জন সমাজকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা উপবৃত্তির জন্য উপযুক্ত সুবিধাভোগী নির্বাচন, তালিকা তৈরি ও যাচাই।

অন্য পদের মধ্যে রয়েছে শিক্ষক, প্রধান সহকারী, কম্পিউটার অপারেটর, ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর, সুপারভাইজার, কারিগরি প্রশিক্ষক ও অফিস সহায়ক। এসব পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি থেকে স্নাতক পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানের চাপ: অর্থনীতিবিদ ও কর্মসংস্থান বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি চাকরিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান পরিস্থিতিরও একটি চিত্র তুলে ধরছে। প্রতিযোগিতামূলক বেতন, চাকরির নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদার কারণে সরকারি চাকরির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বেসরকারি খাতের সম্প্রসারণ থমকে থাকায় সরকারি চাকরির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। বিনিয়োগ সংকোচন ও বিশ্ববাজারে পণ্য বিক্রির অনিশ্চয়তার কারণে করপোরেট খাতের প্রবৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তার মতে, সমাজসেবা অধিদপ্তরের যেসব পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোর প্রয়োজনীয়তা ও উৎপাদনশীলতা পর্যালোচনা করা দরকার।

বিনিয়োগ ও নিয়োগে স্থবিরতা: বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের দুর্বলতার একটি চিত্র পাওয়া যায় ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধিতেও। জুলাইয়ে বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪ দশমিক ৬২ শতাংশে দাঁড়ালেও তা জুনের রেকর্ড সর্বনিম্ন ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশের কাছাকাছি ছিল। টানা পঞ্চম মাসের মতো এই প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে।

ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায়ও জুলাইয়ের প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) এক প্রাক্কলন অনুযায়ী, আগের দুই বছরে তাদের সদস্য কোম্পানিগুলোর জনবল প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে। অস্থায়ী ও মৌসুমি কর্মীদের হিসাব ধরলে এ সংকোচন ৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

চাকরির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বিডিজবস ডটকমের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এ কে এম ফাহিম মাশরুরও বেসরকারি নিয়োগের দুর্বলতার কথা জানিয়েছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্ল্যাটফর্মটিতে চাকরির বিজ্ঞপ্তি ১০ শতাংশ কমেছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, বেসরকারি খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে আসার পাশাপাশি সরকারি চাকরির তুলনামূলক নিরাপত্তা ও সুবিধা চাকরিপ্রার্থীদের আগ্রহকে সরকারি খাতের দিকে আরও কেন্দ্রীভূত করছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের ১ হাজার ৪৮৫টি পদের বিপরীতে ২১ লাখের বেশি আবেদন সেই প্রবণতারই একটি বড় উদাহরণ।


নির্বাচিত

জাবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম

অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এই নিয়োগের আগে তিনি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলামকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩’-এর ১১(১) ধারার ক্ষমতাবলে জাবির উপাচার্য পদে পদায়ন করা হয়েছে। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, তিনি যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের সময়সীমা—যেটি আগে আসে, সেই মেয়াদ পর্যন্ত এ পদে বহাল থাকবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন ও ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী উপাচার্য পদের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এই নিয়োগ আদেশ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবেন।


নির্বাচিত

এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে যা জানা গেল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশের জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন। ফল চূড়ান্ত করার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নভেম্বরের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই এইচএসসি ও সমমানের ফল ঘোষণার লক্ষ্য নিয়ে সার্বিক মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।

অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কিছু বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত থাকায় সেখানে লিখিত পরীক্ষা শেষ হতে কিছুটা বাড়তি সময় লেগেছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশ নিশ্চিত করতে সেখানে অতিরিক্ত পরীক্ষক নিয়োগ দিয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যার ফলে সম্ভাব্য সময়সীমার মধ্যেই একযোগে ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২ জুলাই একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয় এবং পরবর্তীতে ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়ার সূচি ছিল। তবে দুর্যোগের কারণে স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাগুলো পুনর্বিন্যাস করে গত ৯ সেপ্টেম্বর তাদের লিখিত পরীক্ষা সমাপ্ত করা হয়।

এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। এছাড়া মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৩৯৩ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন ঢাকা বোর্ডে। এছাড়া রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোরে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রামে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন, কুমিল্লায় ৯৪ হাজার ৮০২ জন, ময়মনসিংহে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেটে ৭১ হাজার ৭১১ জন এবং বরিশাল বোর্ডে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন।


নির্বাচিত

২৭ সেপ্টেম্বর শুরু একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় দফার আবেদন

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় দফার অনলাইন আবেদন আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সময়সূচি জানানো হয়।

সূচি অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে ১ অক্টোবর রাত ৮টায়। এরপর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ৩ অক্টোবর রাত ৮টার মধ্যে নিশ্চায়ন সম্পন্ন করতে হবে, অন্যথায় নির্বাচন ও আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে। পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল ৪ অক্টোবর রাত ৮টায় প্রকাশিত হবে এবং চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে ৫ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত।

ভর্তির নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (https://xiclassadmission.gov.bd) গিয়ে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের পছন্দক্রম উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে।

এ ধাপে যেসব শিক্ষার্থী আগে আবেদন করেনি, আবেদন করেও কলেজ পায়নি, কিংবা চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েও নিশ্চায়ন ও ভর্তি হতে পারেনি, তারা আবেদন করার সুযোগ পাবে। তবে যারা প্রথম ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজ পায়নি, তাদের ক্ষেত্রে নতুন করে ২২০ টাকা ফি দিতে হবে না; তারা শুধু লগইন করে কলেজ সিলেকশন পুনঃনির্বাচন বা এডিট করতে পারবে।

এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী মনোনীত হয় এবং তাদের ভর্তি কার্যক্রম রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলছে।


নির্বাচিত

আট মাসে ২২৪ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

# মানসিক চাপ ও নিঃসঙ্গতা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কাইয়ুম আহমেদ

ক্লাস, পরীক্ষা, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা—এই বয়সেই গড়ে ওঠার কথা স্বপ্নের ভিত। অথচ সেই স্বপ্নের সময়েই অনেক শিক্ষার্থীর জীবন আটকে যাচ্ছে গভীর সংকটে। পড়াশোনার চাপ থেকে পারিবারিক অশান্তি, আর্থিক অনিশ্চয়তা থেকে সম্পর্কের টানাপোড়েন—বিভিন্ন পরিস্থিতি তরুণদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছে। সময়মতো সহায়তা না পেলে সেই সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে।

আঁচল ফাউন্ডেশনের গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে অন্তত ২২৪ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার খবর প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ১১৭ জন স্কুলশিক্ষার্থী, ৫০ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের, ৪৭ জন কলেজের এবং ১০ জন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। মৃতদের মধ্যে নারী ১৩২ জন এবং পুরুষ ৯২ জন।

তবে এটি শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার পূর্ণাঙ্গ সরকারি হিসাব নয়। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করে এই সংখ্যা তৈরি করা হয়েছে। ফলে প্রকৃত চিত্র এর চেয়ে ভিন্ন হতে পারে।

আগের বছরগুলোতেও উদ্বেগ: শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনা নতুন নয়। আঁচল ফাউন্ডেশনের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ৪০৩ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ২০২৪ সালে ৩১০, ২০২৩ সালে ৫১৩ এবং ২০২২ সালে ৫৩২ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

এই পরিসংখ্যানের ওঠানামা দিয়ে সরাসরি প্রবণতা নির্ধারণ করা যায় না। কারণ এগুলো গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ওপর নির্ভরশীল। তবু ধারাবাহিকভাবে শিক্ষার্থীদের এমন মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসায় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

সংকটের পেছনে নানা চাপ: একজন শিক্ষার্থীর জীবনে মানসিক সংকট তৈরির পেছনে সাধারণত একাধিক বিষয় কাজ করতে পারে। পড়াশোনা ও পরীক্ষার চাপ, পরিবারের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, আর্থিক সমস্যা, বন্ধুত্ব বা সম্পর্কের জটিলতা, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং অনলাইন হয়রানি—এসব পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, আত্মহত্যার সঙ্গে সামাজিক, মানসিক, জৈবিক ও পরিবেশগত নানা বিষয় যুক্ত থাকতে পারে। নিঃসঙ্গতা, সম্পর্কের বিরোধ, আর্থিক সংকট, সহিংসতা ও নির্যাতনসহ বিভিন্ন পরিস্থিতি ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তাই কোনো একটি ঘটনা বা সমস্যাকে একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর একমাত্র কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা যথাযথ নয়। বিশেষ করে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি পরিসংখ্যানে কারণ নির্ধারণের সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

‘মানসিক স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করতে হবে’: শিক্ষার্থীদের মানসিক সংকটকে শুধু ব্যক্তিগত সমস্যা হিসেবে না দেখে জনস্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনার ওপর জোর দিয়েছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি বলেন, মানুষের সর্বোচ্চ মানের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। আত্মহত্যামূলক আচরণ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় মনোযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সংকটে থাকা শিক্ষার্থীর আচরণে পরিবর্তন দেখা গেলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। পরিবার, শিক্ষক ও বন্ধুরা তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনলে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পেশাদার সহায়তার সঙ্গে যুক্ত করতে পারলে সংকট মোকাবিলার সুযোগ তৈরি হয়।

মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব: কৈশোর ও তারুণ্য মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সময়। এ সময় পড়াশোনা, পরিবার, বন্ধু, নিজের পরিচয় এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, বিশ্বে ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সিদের প্রতি সাতজনের একজন কোনো না কোনো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায়। বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও আচরণগত সমস্যাও এই বয়সে গুরুত্বপূর্ণ মানসিক স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ।

সমস্যা হলো, মানসিক চাপ নিয়ে কথা বলার পরিবেশ এখনো অনেক পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথেষ্ট সহজ নয়। অনেক শিক্ষার্থী সমস্যার কথা প্রকাশ করতে সংকোচ বোধ করে। কেউ কেউ আবার নিজের কষ্টকে সাময়িক বিষয় ভেবে চেপে রাখে।

একজন তরুণ হঠাৎ করে নিজেকে গুটিয়ে নিতে পারেন, পরিবার ও বন্ধুদের কাছ থেকে দূরে সরে যেতে পারেন কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর হতাশার কথা বলতে পারেন। এসব পরিবর্তনকে সব সময় ‘অভিমান’ বা ‘দুর্বলতা’ হিসেবে দেখলে সংকটে থাকা মানুষটি আরও একা হয়ে যেতে পারেন।

পরিবার, শিক্ষক ও বন্ধুদের তাই তরুণদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা জরুরি। আচরণে বড় পরিবর্তন দেখা দিলে তাকে বিচার বা বকাঝকা না করে নিরাপদ পরিবেশে কথা বলার সুযোগ দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর সহায়তা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

আত্মহত্যা প্রতিরোধে পরিবার একা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একা কাজ করে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পরিবার, সামাজিক সংগঠন ও রাষ্ট্রীয় সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষিত কাউন্সেলর ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বাড়ানো, শিক্ষক-অভিভাবকদের সচেতন করা, সাইবার বুলিং ও হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং নির্ভরযোগ্য জাতীয় আত্মহত্যা নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

একই সঙ্গে গণমাধ্যমেও দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশের গুরুত্ব রয়েছে। আত্মহত্যার ঘটনা কীভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, তা পাঠক ও দর্শকের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সংবেদনশীলভাবে সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি সহায়তা পাওয়ার পথও সামনে আনা জরুরি।

২২৪ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর সংখ্যা তাই শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়। প্রতিটি সংখ্যার পেছনে ছিল একটি পরিবার, একটি শিক্ষাজীবন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অসংখ্য সম্ভাবনা। সেই সম্ভাবনাগুলো রক্ষা করতে সংকটকে আড়াল না করে সময়মতো কথা বলা, মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।


নির্বাচিত

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, পাস করলেন আরও ৪৫৮৫ জন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩১
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। পুনঃনিরীক্ষণের পর ফেল থেকে নতুন করে পাস করেছেন ৪ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী এবং নতুন করে সর্বোচ্চ গ্রেড জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৯ জন পরীক্ষার্থী। এছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে নম্বর বেড়ে ফল পরিবর্তন হয়েছে আরও বহু শিক্ষার্থীর। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং নির্ধারিত সরকারি পোর্টাল (rescrutiny.eduboardresults.gov.bd)-এ এই ফল প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশের ৩১ দিন পর এবং আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ২৪ দিনের মাথায় এই ফল প্রকাশিত হলো। এবারের মূল পরীক্ষায় পাসের গড় হার ছিল ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা বিগত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ফলে মূল ফলে অসন্তুষ্ট হয়ে রেকর্ডসংখ্যক ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছিলেন। একজন পরীক্ষার্থী একাধিক বিষয়ে আবেদন করায় মোট আবেদনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টিতে; যার মধ্যে লিখিত পরীক্ষার ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি উত্তরপত্র অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, এবার উত্তরপত্র যাচাইয়ের প্রক্রিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। অতীতে পুনঃনিরীক্ষণের ক্ষেত্রে কেবল উত্তরপত্রে নম্বর যোগের ভুল বা কোনো উত্তর মূল্যায়ন ছাড়া বাদ পড়েছে কি না তা দেখা হতো। তবে এবারই প্রথমবারের মতো আবেদন করা উত্তরপত্রগুলো শুধু গণনা নয়, বরং পুনরায় পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করা হয়েছে; যার ফলে ফলাফলে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যানে এবার সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে ৯৪ হাজার ২৩৬ জন পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষার ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬৬৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ৫৮ হাজার ১২টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছিলেন। এছাড়া সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে কুমিল্লায় ৩৫ হাজার, রাজশাহীতে ৩৯ হাজার, যশোরে ২৮ হাজার, চট্টগ্রামে ৩৯ হাজার, বরিশালে ১৭ হাজার, সিলেটে ২০ হাজার, দিনাজপুরে ৩৭ হাজারের বেশি এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ২৭ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। অন্যদিকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪০ হাজারের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছিলেন।


নির্বাচিত

এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষা ১৫ অক্টোবর থেকে, ফরম পূরণ ১৬ নভেম্বর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষা আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এ পরীক্ষা শেষ করে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণেচ্ছু শিক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষা ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে পরীক্ষার ফলাফলও প্রকাশ করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে। ফরম পূরণের সময়সূচিসহ এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞপ্তি বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি ‘অতীব জরুরি’ উল্লেখ করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন মাধ্যমিক পর্যায়ের সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।


নির্বাচিত

শিক্ষাবর্ষের কারিকুলামে ব্যাপক সংস্কার আনছে সরকার : মাহদী আমিন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, জিপিএ-৫ এর কৃত্রিম বন্যা ভাসিয়ে দিয়ে শিক্ষাব্যবস্থায় মিথ্যা বার্তা দেওয়ার পথ বন্ধ করে মেধা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষা খাতকে পুনর্গঠন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

তিনি জানান, এ লক্ষ্যে ২০২৮ সালের শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের শিক্ষাক্রমকে নতুন করে সাজানো হচ্ছে; অর্থাৎ পুরো কারিকুলামে ব্যাপক ও বিস্তৃত সংস্কার আনা হবে। যার প্রথম ধাপ হিসেবে আগামী বছর (২০২৭ শিক্ষাবর্ষ) থেকেই কারিকুলামে যুক্ত হচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও খেলাধুলাবিষয়ক নতুন বিষয়।

সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি সরকারের শিক্ষা কাঠামো সংক্রান্ত দূরদর্শী রূপরেখা, কারিকুলামের ব্যাপক সংস্কার, শিক্ষক মূল্যায়ন, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের পুনর্বাসন এবং শিল্প-শিক্ষা সমন্বয় (ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন) এবং ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন— শিক্ষা খাতই তাঁর সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠনের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে অন্তর্বর্তী সময় হিসেবে আমরা আগামী শিক্ষাবর্ষের (২০২৭) পাঠ্যপুস্তকে যতটুকু সম্ভব পরিমার্জন, সংযোজন ও বিয়োজন করছি।’

তিনি বলেন, ‘২০২৮ শিক্ষাবর্ষের কারিকুলামে ব্যাপক ও বিস্তৃত সংস্কার আনা হবে। এতে বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় দেশে একটি টেকসই ও যুগান্তকারী শিক্ষাক্রম রূপরেখা তৈরি করা সম্ভব হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ৪টি নতুন বই ও বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে। চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা ও শারীরিক শিক্ষাভিত্তিক বই— ‘স্পোর্টস অ্যান্ড কালচার’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ এবং ‘টেকনিক্যাল এডুকেশন’ পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো— রোবটিক্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষার সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের গুণগত পরিবর্তন ও মূল্যায়নের স্বচ্ছতা নিয়ে মাহদী আমিন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী আমলে পরিসংখ্যান ভালো দেখানোর জন্য কৃত্রিমভাবে জিপিএ-৫ এর বন্যা ভাসিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি পরীক্ষা না দিয়েও পাস করিয়ে দেওয়ার কালচার (সংস্কৃতি) ছিল। আমরা সেই আত্মঘাতী পথ বন্ধ করেছি। এবার কোনো গ্রেস নম্বর দেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীরা শতভাগ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ মূল্যায়নে তাদের জিপিএ ও জেনুইন (সঠিক) ফলাফল পেয়েছে।’

সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় যেসব শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে বা শিক্ষা স্রোতধারা থেকে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, তাদের রাষ্ট্র বোঝা হিসেবে দেখবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘আগের সরকার এসব অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভাবেনি। কিন্তু আমরা তাদের জন্য বিশেষ পলিসি তৈরি করছি।

এসব তরুণদের টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি), স্বল্পমেয়াদি কারিগরি ও ভোকেশনাল কোর্সে যুক্ত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে। প্রয়োজনে তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।’

বেকারত্ব দূরীকরণে সরকারের নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কর্মসংস্থানের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ (কর্মসংস্থান বিনিময় কেন্দ্র) চালু করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় কর্মক্ষম তরুণ-তরুণীরা তাদের দক্ষতার বিবরণ দিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন। ফলে চাকরিদাতা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে চাকরিপ্রার্থীদের সরাসরি নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘বেসরকারি খাতকে সরাসরি যুক্ত করে এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া প্রথমে বিভাগীয় পর্যায়ে এবং পরবর্তীতে দেশের প্রতিটি জেলায় সম্প্রসারিত হবে।

এতে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে অগ্রাধিকার দিয়ে জাতীয় অর্থনীত ও সামাজিক সুরক্ষার মূলধারায় সম্পৃক্ত করা হবে।’

শিক্ষকতা পেশাকে আকর্ষণীয় করা এবং শিক্ষকদের ডিজিটাল ক্ষমতায়নে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ প্রোগ্রামের আওতায় পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক থেকে শুরু করে সব পর্যায়ের শিক্ষকদের হাতে ডিজিটাল ট্যাবলেট পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়া, দক্ষতা বাড়ানো ও সম্মানজনক অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার সংস্কৃতি ও বিশ্বমানের র‌্যাঙ্কিং বৃদ্ধির বিষয়ে মাহদী আমিন বলেন, স্থানীয় শিল্পের সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে যৌথ গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রবাসী বাংলাদেশি গবেষক ও শিক্ষকদের দেশে ফিরিয়ে এনে ‘ব্রেন ড্রেন’কে ‘ব্রেন সার্কুলেশনে’ রূপান্তর করা হবে।

পাশাপাশি গবেষণায় সরকারি বরাদ্দ বহুগুণ বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

বিদ্যালয়গুলোর বৈষম্য দূর করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্রামীণ ও শহরের বিদ্যালয়ের মধ্যে বৈষম্য দূর করতে দেশব্যাপী ‘প্রাইমারি স্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ ও ‘ইনোভেশন ও স্টার্টআপ কম্পিটিশন’-এর মতো জাতীয় প্রতিযোগিতা চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় স্বীকৃতি পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘কেবল সনদসর্বস্ব শিক্ষা নয়, দক্ষতা, কর্মসংস্থান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন একটি প্রজন্ম তৈরির মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

সুত্রঃ বাসস


নির্বাচিত

শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ-চীন সংযোগে বাড়বে কর্মসংস্থান: মাহ্দী আমিন

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সংযোগ উভয় দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব, কর্মসংস্থান এবং পেশাগত সম্ভাবনার ক্ষেত্রকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।

তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করা সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। ক্লাসরুমের তাত্ত্বিক শিক্ষাকে কর্মক্ষেত্রের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সরকারের পরিকল্পনা হলো সবার জন্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশি তরুণদের এগিয়ে রাখতে মান্দারিন (চীনা ভাষা) চর্চাকে অগ্রাধিকার দিয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) চীনের গুয়াংডংয়ে অনুষ্ঠিত ‘কারিগরি শিক্ষা সেতুবন্ধন ও চীন-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক-বাণিজ্য মেধা উন্নয়ন’ শীর্ষক এক সিম্পোজিয়ামে তিনি এ কথা বলেন।

মাহ্দী আমিন বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে টেকসই করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবোটিক্স, ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট ও ফিনান্সিয়াল টেকনোলজি-এর মতো উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে বিশ্বমানের দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা জরুরি।

চীনের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় আধুনিক কারিগরি পাঠ্যক্রম প্রণয়ন, যৌথ সার্টিফিকেশন এবং এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

সিম্পোজিয়ামে বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন ও মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া। এছাড়া চীনের বিভিন্ন খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও প্রতিনিধিবৃন্দ, বিশিষ্ট শিক্ষক-গবেষক, শিক্ষার্থী ও চীনের শীর্ষস্থানীয় শিল্পোদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চীনের ১১টি শীর্ষ কারিগরি ও প্রযুক্তিগত কলেজের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। কলেজগুলো হলো- এনপিং ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন সেন্টার, গুয়াংডং লিটারেচার অ্যান্ড আর্ট ভোকেশনাল কলেজ, গুয়াংডং নানহুয়া ভোকেশনাল কলেজ অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড কমার্স, গুয়াংডং পলিটেকনিক অব সায়েন্স অ্যান্ড ট্রেড, গুয়াংডং টিচার্স কলেজ অব ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজেস অ্যান্ড আর্টস, গুয়াংডং ইঞ্জিনিয়ারিং পলিটেকনিক, গুয়াংডং কান্ট্রি গার্ডেন ভোকেশনাল কলেজ, গুয়াংডং জিয়াংমেন প্রিস্কুল এডুকেশন কলেজ, কিংইয়ুয়ান পলিটেকনিক, গুয়াংডং লিংনান ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজ এবং গুয়াংঝু প্রিস্কুল এডুকেশন কলেজ।

এ সময় বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ও উপদেষ্টা ‘বেইডৌ+’ ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন ল্যাবরেটরি ঘুরে দেখেন এবং রোবোটিক্স, রোবট ডগের প্রোগ্রামিং এবং চীনা চা সংস্কৃতির প্রদর্শনী পর্যবেক্ষণ করেন।

বিশ্বব্যাপী কারিগরি শিক্ষার প্রসারে গুয়াংডং ‘চায়নিজ + ভোকেশনাল স্কিলস’ ইন্ডাস্ট্রি-এডুকেশন ইন্টিগ্রেশন অ্যালায়েন্স চালু করা এ আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল। এটি কারিগরি শিক্ষা, ভাষা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প-শিক্ষার সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতার এক নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।

উভয় পক্ষই এই আলোচনাকে বাস্তবসম্মত ও টেকসই অংশীদারিত্বে রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ করেন, যা কারিগরি শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্পের সাথে সংযুক্ত প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

উচ্চশিক্ষায় ফাতেমার পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ হাতে ফাতেমার কে অনুদানের চেক তুলে দিচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:০৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

চায়না মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েও নাটোরের মেয়ে ফাতেমা খানমের ভর্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। এমন খবরে তার পাশে দাঁড়ান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার(২৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ হাতে অনুদানের টাকার চেক ফাতেমার হাতে তুলে দেন।

ফাতেমার বিষয়টি জানতে পেরে মানবিক কাজের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন নাটোর-০১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সাংসদ সদস্য, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল। ফাতেমা খানমের চায়না মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অর্থ জোগাতে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল’ থেকে ৫ লাখ টাকার অনুদানের ব্যবস্থা করে দেন তিনি।

নিজ নির্বাচনী এলাকার অদম্য মেধাবী ফাতেমা খানমকে চায়না মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলকে লালপুর-বাগাতিপাড়া আসনের জনসাধারণ আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে আরও অর্থের প্রয়োজন হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।


নির্বাচিত

banner close