মঙ্গলবার, আগস্ট ৯, ২০২২

সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা ১২ আগস্ট

সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা  ১২ আগস্ট
লোগো
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ১২ আগস্ট। বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে এবছরের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে।


শুক্রবার (১৫ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়াও ১৫ জুলাই দুপুর থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারছেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। অধিভুক্ত ও উপাদানকল্প কলেজগুলোর জন্য নির্ধারিত ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে গিয়ে এই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘১২ আগস্ট বিজ্ঞান ইউনিট, ১৯ আগস্ট কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট এবং ২৬ আগস্ট বাণিজ্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘বিজ্ঞান, বাণিজ্য, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে ভর্তির জন্য আবেদন করা যাবে। এবছর আবেদন ফি ধরা হয়েছে ৬০০ টাকা। মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ডসহ সোনালী, অগ্রণী, জনতা ও রুপালী ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন ফি দেওয়া যাবে।’


আবেদনের যোগ্যতা:

এবছর বিজ্ঞান ইউনিটে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে চতুর্থ বিষয়সহ মোট জিপিএ ৭, বাণিজ্য ইউনিটে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে চতুর্থ বিষয় সহ জিপিএ ৬.৫০, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে চতুর্থ বিষয় সহ মোট জিপিএ ৬ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরাই আবেদন করতে পারবেন।


এইচএসসি পরীক্ষা নভেম্বরের শেষে

এইচএসসি পরীক্ষা নভেম্বরের শেষে
নভেম্বরের শেষ দিকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার মাস দেড়েক পর এইচএসসি নেয়ার পরিকল্পনা আছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সে হিসাবে চলতি বছরের নভেম্বরের শেষের দিকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে রোববার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান দীপু মনি। মন্ত্রী বলেন, ‘এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৪৫ দিন পর এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই হিসাবে বলা যায়, নভেম্বরের শেষেই এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’

এর আগে বন্যার কারণে চলতি বছরের স্থগিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে বলে জানান দীপু মনি।

প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি ও এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর দুটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা এখনও নেয়া সম্ভব হয়নি। গত বছর এসএসসি পরীক্ষা নেয়া গেলেও এইচএসসিতে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেয় সরকার।

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করা হয় চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি। এ দফায় শিক্ষাঙ্গনে সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকে এক মাস।

২২ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গনগুলো আবার প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে।
২ মার্চ শুরু হয় প্রাথমিকে সশরীরে ক্লাস। টানা দুই বছর বন্ধের পর ১৫ মার্চ প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস শুরু হয়।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর দুই দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়। প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে শিক্ষাঙ্গনের দুয়ার।


১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এসএসসি পরীক্ষা

১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এসএসসি পরীক্ষা
বন্যায় স্থগিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর। ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৫ সেপ্টেম্বর। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মলনে আজ এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

গত ১৯ জুন এসএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তা স্থগিত করা হয়েছিল।

এবারের পরীক্ষার সময় প্রচলিত ৩ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ২ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়। সৃজনশীল অংশের জন্য থাকবে ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। বাকি ২০ মিনিট প্রশ্নপত্রের এমসিকিউ অংশের জন্য।

প্রতি বছর সচরাচর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি ও এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়ে থাকে। তবে এ বছর দুটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা এখনও নেয়া সম্ভব হয়নি। গত বছর এসএসসি পরীক্ষা নেয়া গেলেও এইচএসসিতে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেয় সরকার।

এ বছর ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার কথা। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ বোর্ডে ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১, দাখিলে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯৫ ও কারিগরিতে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

গত বছর পরীক্ষার্থী ছিল ২২ লাখ ৪৩ হাজার ২৫৪ জন। এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গত বছরের চেয়ে প্রায় সোয়া দুই লাখ পরীক্ষার্থী কমেছে।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর দুই দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়। প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে শিক্ষাঙ্গনের দ্বার।

এদিকে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করা হয় চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি। এ দফায় শিক্ষাঙ্গনে সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকে এক মাস।

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গনগুলো আবার প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে ২২ ফেব্রুয়ারি। আর ২ মার্চ শুরু হয় প্রাথমিকে সশরীরে ক্লাস। টানা দুই বছর বন্ধের পর ১৫ মার্চ প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাসও শুরু হয়।


ঢাবিতে শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে ১১ সদস্যের কমিটি

ঢাবিতে শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে ১১ সদস্যের কমিটি
কার্জন হল, প্রতীকী ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত


যুগের চাহিদা বিবেচনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি সুপারিশ প্রণয়নের জন্য ১১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ইউজিসি অধ্যাপক হাসিনা খানকে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন মাসের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রণয়ণ করতে বলা হয়েছে।

গত সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এই কমিটি গঠন করা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক মো আখতারুজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন। গত ১৬ মে ডিনস্ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী এই কমিটি গঠন করা হয়।

 
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কমিটি গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষা ও গবেষণা কর্মসূচির মধ্যে সমন্বয় করবেন। একইসঙ্গে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পুনঃবিন্যাস করার লক্ষ্যে পরামর্শ ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। জাতীয় বিভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে নেতৃত্ব প্রদানে সক্ষম দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে পরামর্শ প্রদান করবে। শিল্পায়ন, উদ্যোক্তা তৈরি ও জাতীয় উন্নয়নে অধিকতর সহায়ক গবেষণার ক্ষেত্র চিহ্নিত করবে। বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের অসাম্প্রদায়িক, মানবিক, নৈতিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক মূল্যবোধের আরও বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করবে।


কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, ‘ক্লিনিক্যাল ফার্মেসী ও ফার্মাকোলজি বিভাগের এমিরিটাস অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের অনারারি অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অনারারি অধ্যাপক আতিউর রহমান, ইংরেজী বিভাগের খণ্ডকালীন অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, বায়োমেডিক্যাল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের অনারারি অধ্যাপক খোন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী, আইন অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক সীমা জামান, পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ শাহাদৎ হোসেন, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ শাহ্ মিরান, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু এবং অর্গ্যানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি এন্ড লিডারশীপ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. রাশেদুর রহমান।





৪০তম বিসিএসের নন-ক্যাডারে আবেদন শুরু ২ জুন

৪০তম বিসিএসের নন-ক্যাডারে আবেদন শুরু ২ জুন
লোগো পিএসসি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

৪০তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও যারা চূড়ান্ত সুপারিশ পাননি তাদের কাছ থেকে নন-ক্যাডার পদে চাকরির জন্য আবেদন চেয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আগামী ২ থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে এই আবেদন করতে হবে। সোমবার (৩০ মে) রাতে পিএসসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘৪০তম বিসিএসের যেসব প্রার্থীকে সুপারিশ করা হয়নি এমন ৮ হাজার ১৬৬ জন ৯ম, ১০ম, ১১তম ও ১২তম গ্রেডের নন-ক্যাডার পদে চাকরির আবেদন করতে পারবেন। আগামী ২ জুন থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত টেলিটক বা পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে জমা দেয়া যাবে। নির্ধারিত তারিখের মধ্যে আবেদন না করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে বিবেচনা করা হবে না।
প্রসঙ্গত, গত ৩০ মার্চ ৪০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ করা হয়। এতে এক হাজার ৯৬৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্যাডার পদে সুপারিশ করা হয়নি এমন আট হাজার ১৬৬ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়।







বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংরক্ষণের তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংরক্ষণের তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট
লোগো
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
  • আগামী ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ

  • আইন ভঙ্গ হলে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন বাতিল হবে


দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত কতজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করেছেন এবং কত শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করা হয়েছে, সেই তথ্য জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত কত টাকা গবেষণার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে, সে তথ্যও আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে ইউজিসি কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন আকারে এসব তথ্য আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।

পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ শতাংশ গরিব, মেধাবী ও বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের বিনামূল্যে পড়াশোনার সুযোগের বিধান বাস্তবায়ন না করায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার (৩০ মে) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন। আগামী ১৪ আগস্ট এ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা করেছেন আদালত। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

পরে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য প্রণীত আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী, প্রতিবছর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং মেধাবীদের জন্য ৬ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করার কথা। সেটি করা হচ্ছে না। আইনের ৯ ধারার ৬ উপধারা অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের বরাদ্দ করা একটি সুনির্দিষ্ট অংশ গবেষণার জন্য রাখার কথা। এই হিসাবগুলো পাঠাতে হবে ইউজিসির কাছে। ইউজিসি পরে এই রিপোর্ট পাঠাবে মন্ত্রণালয়ের কাছে। পরে মন্ত্রণালয় পাঠাবে সংসদীয় কমিটির কাছে। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ‘আমরা কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সেটি জানার জন্য চেষ্টা করেছি। কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশনের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে যে ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোনও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি কোটা ও গবেষণার কাজে টাকা বরাদ্দ করেনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘একই আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, সরকারের কর্তব্য হচ্ছে—আইন ভঙ্গ হলে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন বাতিল এবং সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হবে। ধারা ৪৯ অনুসারে এগুলোকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ৫ বছরের কারাদণ্ড ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং উভয় দণ্ডের ব্যবস্থা আছে। বিগত বছরগুলোতে এসব কারণে কোনও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা আমরা শুনিনি। এ কারণে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন এ রিট দায়ের করেন। সে রিটের শুনানি নিয়ে আদেশ দিলেন হাইকোর্ট।’

বিষয়: