বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২

ঢাবির শীর্ষ ব্যক্তিরা আমার নামে গল্প বানিয়ে বিক্রি করেছে: সামিয়া

ঢাবির শীর্ষ ব্যক্তিরা আমার নামে গল্প বানিয়ে বিক্রি করেছে: সামিয়া
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক সামিয়া রহমান। ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক শিক্ষক সামিয়া রহমান অভিযোগ করেছেন, ছয় বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষপদের ব্যক্তিরা তার নামে নানা গল্প বানিয়ে গণমাধ্যমে বিক্রি করেছেন। আজ শুক্রবার সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে এমন অভিযোগ করেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক এই শিক্ষক।

বর্তমানে দেশের বাইরে থাকা সামিয়া রহমান লিখেছেন, ‘গত ৬টা বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষপদের ব্যক্তিদের হিংসা, প্রতিহিংসা, নোংরামি, ষড়যন্ত্র দেখতে দেখতে কখনো মনে হতো, আমিও ওদের মতোই ওদের ঘৃণা করি, ওদের প্রকৃত চরিত্র উন্মোচন করি। আবার পরে মনে হতো, তাহলে আমিও তো ওদের পর্যায়েই নোংরামিতে নেমে গেলাম। তফাৎ আর থাকলো কোথায়- মানুষে আর অমানুষে।’

‘ধৈর্য নিয়ে অপেক্ষা করেছি। সৃষ্টিকর্তা পরীক্ষা করলেও শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার করেন বলেই বোধ হয় উচ্চ আদালত প্রমাণ দিয়েছে, ওদের সিদ্ধান্ত অবৈধ। গত ৬ বছর ধরে ঢাবির শীর্ষ ব্যক্তিরা আমার নামে নানা গল্প বানিয়ে বছরের পর বছর গণমাধ্যমে বিক্রি করেছে। আমাকে তারা হুমকি-ধমকির মধ্যে রেখেছিল ক্রমাগত। আমি চাকরি না ছাড়লে, আমি গণমাধ্যমে বক্তব্য দিলে আমার ক্ষতি করবে- এমন প্রচণ্ড চাপের মধ্যে বছরের পর বছর আমি ছিলাম।’

‘যে লেখাটিতে আমি জড়িত ছিলাম না, আমার স্বাক্ষর ছিল না, সেই লেখাটি নিয়ে আমার বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করে গেছে বছরের পর বছর। শিকাগো প্রেসের নাম করে মিথ্যা ফেইক চিঠি তৈরি করে আমার বিরুদ্ধে ঢাবির বর্তমান প্রশাসন তদন্ত শুরু করে। আদালতে তো প্রমাণিত হয়েছেই এটি মিথ্যা, ফেইক চিঠি। ট্রাইব্যুনাল বলেছে, প্লেজারিজম (চৌর্যবৃত্তি) হয়নি। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় শাস্তি দিলো। কীসের ভিত্তিতে? এমনকি ট্রাইব্যুনালের রায়ের কপি পর্যন্ত ঢাবি আমাকে দিতে চায়নি মাসের পর মাস, পাছে সত্যি প্রমাণ হয়ে যায়।’

‘মারজানের লিখিত স্বীকারোক্তিতে তার লেখা জমা দেবার, রিভিউ করা ও স্বাক্ষর করার প্রমাণ ঢাবির কাছে থাকা সত্ত্বেও একবারের জন্যও বর্তমান প্রশাসন গণমাধ্যমে সেটি প্রকাশ করেনি। একবারের জন্যও প্রকাশ করেনি যে, আমার কাছ থেকে তারা কোনো লেখা পায়নি এবং ডিন অফিস থেকেও কোনো লেখা আমার কাছে রিভিউ করার জন্য আসেনি।’

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগাম অবসর চেয়ে করা সামিয়া রহমানের আবেদন সম্প্রতি গ্রহণ করে তাকে অবসরের অনুমতি দিয়েছে ঢাবি প্রশাসন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় তার কাছ থেকে ১১ লাখ ৪১ হাজার ৬০১ টাকা পাবে জানিয়ে তা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। 

এ প্রসঙ্গে ফেসবুক পোস্টে সামিয়া রহমান লিখেছেন, ‘সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় ৪ আগস্ট মামলায় হেরে বর্তমান প্রশাসন ৮ আগস্ট আমার কাছে টাকা দাবি করে একটা ইমেইল পাঠায়। যে ইমেইল ৮ আগস্ট পাঠানো, কিন্তু এর ভেতরে ব্যাক ডেটে হাতে লেখা ৩ আগস্ট। মামলায় হেরে কী এখন এই প্রতিহিংসা? ঢাবির কাছে আমার কোনো দেনা নেই। বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আমার পাওনা আছে। আদালতে লড়াই করেছি, করে যাবো। সৃষ্টিকর্তা বলে তো একজন আছেন। তিনিই ন্যায় বিচার করবেন।’

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সামিয়া রহমান ও সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজানের যৌথভাবে লেখা ‘অ্যা নিউ ডাইমেনশন অব কলোনিয়ালিজম অ্যান্ড পপ কালচার: অ্যা কেস স্টাডি অব দা কালচারাল ইম্পেরিয়ালিজম’ শিরোনামের আট পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রবন্ধ ঢাবির ‘সোশাল সায়েন্স রিভিউ’ জার্নালে প্রকাশিত হয়।

এরপর অভিযোগ ওঠে ১৯৮২ সালের শিকাগো ইউনিভার্সিটির জার্নাল ‘ক্রিটিক্যাল ইনকোয়ারি’তে প্রকাশিত ফরাসি দার্শনিক মিশেল ফুকোঁর ‘দা সাবজেক্ট অ্যান্ড পাওয়ার’ নামের একটি নিবন্ধ থেকে প্রবন্ধটির প্রায় পাঁচ পৃষ্ঠা হুবহু নকল করা হয়েছে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে এক লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে ঢাবি কর্তৃপক্ষকে এই নকলের কথা জানায় ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস।

শুধু ফুকোঁই নন, বুদ্ধিজীবী অ্যাডওয়ার্ড সাঈদের ‘কালচার অ্যান্ড ইম্পেরিয়ালিজম’ বইয়ের পাতার পর পাতা সামিয়া ও মারজান হুবহু নকল করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাবির তৎকালীন উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমেদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট।

গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির প্রমাণ পাওয়ায় ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি সিন্ডিকেট সভায় সামিয়াকে এক ধাপ পদাবনতি দিয়ে সহকারী অধ্যাপক করা হয়। তবে এই আদেশের বিরুদ্ধে তিনি উচ্চ আদালতে রিট করেন।

এরপর গত ৪ আগস্ট সামিয়া রহমানকে পদাবনতির আদেশ অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে তাকে সব সুযোগ-সুবিধা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে আগেই আগাম অবসরের আবেদন করায় এবং তা কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করায় আপাতত ঢাবিতে সামিয়া রহমানের শিক্ষকতা করা হচ্ছে না।


উদ্যোক্তা তৈরিতে এসএসও’র সেমিনার ৮ অক্টোবর

উদ্যোক্তা তৈরিতে এসএসও’র সেমিনার ৮ অক্টোবর
এসএসও’র লোগো।
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

সোশ্যাল সার্ভিস অর্গানাইজেশন (এসএসও) নামের একটি প্রতিষ্ঠান উদ্যোক্তা তৈরির জন্য একটি বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করেছে। আগামী ৮ অক্টোবর ঢাকার গুলশানে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হবে।

এসএসও’র বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশে প্রচুর শিক্ষিত নারী-পুরুষ কর্মহীন আছেন। যাদের চাকরি কবে হবে তা অনিশ্চিত। তাদের অনেকেই বিদেশ যাওয়ারও চেষ্টা করছেন। কিন্তু সেটাও সময় সাপেক্ষ এবং খরচসাধ্য ব্যাপার। বেকার নারী-পুরুষরা যেন তাদের ভাগ্য নিজেই তৈরি করে নিতে পারে সেই লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে এন্টারপ্রেনিউর ফ্রি সেমিনার প্রোগ্রাম নামে এই সেমিনার। সারা দেশে প্রতিষ্ঠানটির ১০০টি সেমিনার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সেমিনারের পরে অংশগ্রহণকারীদের উদ্যোক্তা হতে সহায়তা করা হবে। সেমিনারে অংশগ্রহণের জন্য ০১৬২৯৬০৭৩৬৭  নম্বরে ফোন করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।


জন্মদিনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ায় চবিতে সাংবাদিককে ‘মারধর’

জন্মদিনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ায় চবিতে সাংবাদিককে ‘মারধর’
অভিযুক্ত আরশিল আজিম নিলয় (বামে) ও শোয়েব আতিক । ছবি : দৈনিক বাংলা
চবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের বিজয় গ্রুপের কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে। মারধরের শিকার রেদওয়ান আহমদ আরবি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। তিনি একটি অনলাইল পোর্টাল ও দৈনিকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি।

সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ.এফ. রহমান হলের ২১২ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন, লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের আরশিল আজিম নিলয়, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শোয়েব আতিক। অভিযুক্ত দুজনই শাখা ছাত্রলীগের উপগ্রুপ বিজয়ের কর্মী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

রেদওয়ান আহমদ দৈনিক বাংলাকে বলেন, বিজয় গ্রুপের এক কর্মীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ায় তাকে রুমে এসে মারধর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘রাতে আরশিল আজিম নিলয়, শোয়েব আতিকসহ বেশ কয়েকজন আমার কক্ষে এসে জন্মদিনে না যাওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করে এবং মারধরের হুমকি দেয়। প্রতিবাদ করলে নিলয় তার জুনিয়রকে আমাকে মারধর করার নির্দেশ দেয়। পরে শোয়েব আতিক আমাকে নাকে-মুখে কিল-ঘুষি মারা শুরু করে। এক পর্যায়ে বিজয় গ্রুপের নেতা আল-আমিন ভাইকে ফোন দিলে এর মধ্যেও আবার কিল-ঘুষি দেয়া শুরু করে। পরে আমি চবি সাংবাদিক সমিতিকে জানালে তারা ও প্রক্টরিয়াল টিম এসে আমাকে উদ্ধার করে।’

‘আমি এই ঘটনায় প্রক্টর বরাবর রাতেই লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আরশিল আজিম নিলয়কে একাধিক বার ফোন দেয়া হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। আরেক অভিযুক্ত শোয়েব আতিককে ফোন দিলে তার ফোন অন্যজন রিসিভ করে।

বিজয় গ্রুপের নেতা আল আমিন বলেন, ‘সাংবাদিকদের গায়ে হাত তোলা আমরা সমর্থন করি না। ঘটনার সময় রেদওয়ান আমাকে কল দিয়েছিল। আমি নিষেধ করার পরও তারা ওর গায়ে হাত তুলেছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।’

চবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এর আগেও সাংবাদিকদের সঙ্গে ছাত্রলীগের বিজয় গ্রুপের অনুসারীরা ঝামেলা করেছিল। এবার যদি অভিযুক্তদের বহিষ্কার না করে, তাহলে আমরা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সে সময় টহলে ছিলাম। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে হলে যাই। ভুক্তভোগী আমাদের একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। আমরা একটি তদন্ত কমিটি করব আজ।’


চবি ছাত্রলীগকে কড়া সতর্কবার্তা, আসছে সাংগঠনিক ব্যবস্থাও

চবি ছাত্রলীগকে কড়া সতর্কবার্তা, আসছে সাংগঠনিক ব্যবস্থাও
চবিতে ছাত্রলীগের অবরোধ। ফাইল ছবি
চবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিনষ্ট ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি যেকোনো কার্যকলাপের জন্য শাখা ছাত্রলীগেকে কঠোর সতর্কবার্তা দিতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা বা অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্র। সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে কেন্দ্রীয় উপ-দপ্তর সম্পাদক নাজির আহমেদ দৈনিক বাংলাকে এ তথ্য জানিয়ছেন।

নাজির আহমেদ বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা চলছে গত কয়েকদিন ধরে। আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি।  আগামীকাল (মঙ্গলবার) বা পরশু (বুধবার) এ বিষয়ে কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত দেবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা বা অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির জন্য যারা দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এই নেতা আরও বলেন, ‘সাংগঠনিক সমস্যা থাকতে পারে। কিন্তু তার জন্য শিক্ষার পরিবেশ কেউ নষ্ট করতে পারে না। ক্যাম্পাসে কেউ বিশৃঙ্খলা তৈরি করলে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবে না কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক খোঁজ-খবর নিয়ে আগামীকাল (মঙ্গলবার) এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা দেবেন। আমরা তাদের বিরুদ্ধে শোকজ, বহিষ্কার কিংবা সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেব।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা ছাত্রলীগের ১০টি উপগ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে অনেক তুচ্ছ ঘটনাতেও তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধের ডাক দেয়। পূর্বঘোষণা ছাড়াই বন্ধ করে দেয় শাটল ট্রেন। এতে বিপাকে পড়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শাখা ছাত্রলীগের কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার পর দুইবার অবরোধের ডাক দিয়েছে এসব গ্রুপ। এতে কার্যত অচল হয়ে পড়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক ও পরিবহন পুল বন্ধ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে বিজ্ঞপ্তি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও।

দুদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা

এর মধ্যেই  বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের একাধিক কর্মীকে পাল্টাপাল্টি মারধরের ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে দুদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিবাদমান পক্ষ দুটি হল শাখা ছাত্রলীগের উপগ্রুপ সিএফসি ও বিজয়। দুটো গ্রুপই শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রোববার থেকেই সিএফসি ও বিজয় গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। রোববার সকালে আইন অনুষদ প্রাঙ্গণে টাকা জমা দেয়াকে কেন্দ্র করে সিএফসি গ্রুপের কর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় বিজয় গ্রুপের কর্মীদের। এর জেরে বিকালে সিএফসি গ্রুপের এক কর্মীকে মারধর করেন বিজয়ের কর্মীরা। রাতে আবার বিজয় গ্রুপের এক কর্মীকে মারধর করেন সিএফসি গ্রুপের কর্মীরা। ঘটনার পরই রাতে প্রক্টরিয়াল টিম ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে।

সোমবার সকালে সিএফসি গ্রুপের বিক্রম (স্পোর্টস সায়েন্স, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) নামের এক কর্মীকে সেন্ট্রাল ফিল্ড এলাকায় মারধর করেন বিজয় গ্রুপের কর্মীরা। এর জের ধরে দুপুরে বিজয় গ্রুপের কর্মী হাসান মাহমুদকে (সমাজতত্ত্ব, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ) সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ সংলগ্ন এলাকায় মারধর করেন সিএফসি গ্রুপের কর্মীরা।

এরপর থেকেই দুই গ্রুপের কর্মীরা ভিন্ন ভিন্ন হল থেকে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে জড়ো হতে থাকে। সিএফসি গ্রুপের কর্মীরা শাহ আমানত হল ও বিজয় গ্রুপের কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী হলে অবস্থান নেন। উত্তেজনার খবরে বেলা ৩টার দিকে প্রক্টরিয়াল টিম ও পুলিশ সোহরাওয়ার্দী মোড়ে সতর্ক অবস্থান নেয়। পরে দুই গ্রুপের নেতাদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সমাধান করে প্রক্টরিয়াল বডি।

বিজয় গ্রুপের সদস্য দেলওয়ার হোসেন বলেন, ‘জুনিয়দের মধ্যে সমস্যা হয়েছিল। আমরা দুপুরে বসে সমাধান করে দিয়েছি। এখন পরিস্থিতি শান্ত।’

সিএফসি গ্রুপের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাদাফ খান বলেন, ‘তারা গতকাল (রোববার) আমাদের এক কর্মীকে মারধর করেছে। আমরা বিষয়টি পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানিয়েছি। আজ (সোমবার) সকালে আবার আমাদের আরেক কর্মীকে মারধর করে। আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ঝামেলা না হোক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে ব্যবস্থা নেবে। এ জন্য আমারা তাদের সঙ্গে বসে বিষয়টা সমাধান করেছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল (রোববার) ও আজকের (সোমবার) ঘটনায় যারা জড়িত এবং যাদের যাদের হাতে দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে, তাদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ জন্য একটি তদন্ত কমিটি করা হচ্ছে। তদন্ত কমিটি যাদের দোষী সাব্যস্ত করবে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।’


সিট বাণিজ্যের ভাগবাটোয়ারায় টান, সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ

সিট বাণিজ্যের ভাগবাটোয়ারায়  টান, সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ
‘বিনা তদন্তে বহিষ্কার, নেপথ্যে কারা’ শিরোনামে ইডেন কলেজে সংবাদ সম্মেলন করেন বহিষ্কৃত ১২ নেত্রী। ছবি: ফোকাস বাংলা
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত

ছাত্রী নিবাসগুলোতে সিট বাণিজ্য, বিভিন্ন খাত থেকে আসা চাঁদার টাকা ভাগবাটোয়ারা ও ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক আধিপত্য ধরে রাখতে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন রাজধানীর ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীরা। সংঘর্ষের বিষয়ে কলেজটির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কলেজটিতে ছাত্রলীগের নারী নেত্রীদের আয়ের প্রধান উৎস সিট বাণিজ্য। নতুন কমিটি হওয়ার আগে ৬ ছাত্রীনিবাসে কক্ষ ভাগ করে সেখানে টাকার বিনিময়ে ছাত্রী তুলতেন তারা। কিন্তু চলতি বছরের মে মাসে তামান্না জেসমিন রিভাকে সভাপতি ও রাজিয়া সুলতানাকে সাধারণ সম্পাদক করে কলেজটিতে ৪৮ সদস্যের নতুন কমিটি দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। কমিটি হওয়ার পর থেকে ছাত্রীনিবাসের কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। ফলে সিট বাণিজ্যে টান পড়ে কমিটিতে থাকা অন্য নেত্রীদের। মূলত এটা নিয়েই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে অন্য নেত্রীদের দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এ ছাড়াও ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে নতুন ইন্টারনেট সংযোগ, উন্নয়ন প্রকল্প থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের চাঁদা নেয়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি তারা।

সিট বাণিজ্যের এই দ্বন্দ্বে গত ২১ আগস্ট এক ছাত্রীকে নির্যাতন করেন সভাপতি রিভা। নির্যাতনের একটি অডিও প্রকাশ পায় সে সময়। অডিওতে ওই ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিতে শোনা যায় তাকে। একইসঙ্গে কলেজ অধ্যক্ষকে নিয়েও নানা কটূক্তি করেন তিনি। পরবর্তী সময় অডিও প্রকাশ করার অভিযোগে আরেক দফা নির্যাতন করা হয়। ঘটনার পর জানতে পেরে কলেজ কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় হল ছাড়েন ওই ছাত্রী। এই ঘটনার কয়দিন পরই সভাপতি রিভার অনুসারী শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আয়শা ইসলাম মীমের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থীর পায়ে গরম চা ঢেলে দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। হলের পাঠকক্ষে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটে। তবে দুটো ঘটনার কোনোটিতেই কলেজ কর্তৃপক্ষ দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি।

সিট বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির বিষয়গুলো নিয়ে গত শনিবার ও রোববার ছাত্রলীগের দুই পক্ষ দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ায়। এর এক পক্ষে ছিলেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। অন্য পক্ষে সহসভাপতিসহ কমিটির ২১ জন।

কমিটি স্থগিত, ১৬ নেতা-কর্মী স্থায়ী বহিষ্কার

‍দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানোর কারণে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরোধী পক্ষের ১৬ নেতা-কর্মীকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে সংগঠনটি। গত রোববার মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বহিষ্কারাদেশ দেয়া হয়।

বহিষ্কৃত ১৬ নেতা-কর্মী হলেন- সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা ঊর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি ও সাদিয়া জাহান সাথী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখী, কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা ও সূচনা আক্তার।       

বিনা তদন্তেই বহিষ্কার— অভিযোগ নেত্রীদের

বহিষ্কারাদেশকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে সোমবার সকালেই ক্যাম্পাসে ক্ষোভ জানিয়েছেন বহিষ্কৃত নেত্রীরা। বহিষ্কারের প্রতিক্রিয়ায় সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির একাংশ এই বহিষ্কারাদেশের নেপথ্যে ষড়যন্ত্র করেছে বলে অভিযোগ করেছে। একই সঙ্গে এই আদেশ প্রত্যাহার করা না হলে আমরণ অনশনের ঘোষণাও দেন নেত্রীরা।

সোমবার দুপুরে ‘বিনা তদন্তে বহিষ্কার, নেপথ্যে কারা’ শিরোনামে সংবাদ সম্মেলনে বহিষ্কৃত ১২ নেত্রী উপস্থিত ছিলেন। এতে লিখিত বক্তব্য পড়েন ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি সুস্মিতা বাড়ৈ ও সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখী প্রথম অংশ পড়ে শোনান।

বক্তব্যে বলা হয়, ‘প্রাথমিক তদন্তে বহিষ্কার আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায়। নির্যাতনের শিকার সহযোদ্ধার পাশে দাঁড়ানোর অপরাধে আজকে আমাদের স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ ও হাজার হাজার প্রমাণ রয়েছে। তাদের চাঁদাবাজির ভিডিও, ইডেন কলেজের অধ্যক্ষকে নিয়ে কটূক্তিসহ বিস্তর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন বহিষ্কার করা হলো না? কোন তদন্তের ভিত্তিতে আমাদের ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হলো?’

লিখিত বক্তব্যে সামিয়া আক্তার বলেন, ‘আমাদের বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। প্রত্যাহার করা না হলে ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ের ভেতরে আমরণ অনশন করব।’

সংবাদ সম্মেলন শেষে ইডেন কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে যান বহিষ্কৃত ১২ নেত্রী। কার্যালয়ে গিয়ে এক ঘণ্টার বেশি সময় বিভিন্ন নেতার সঙ্গে আলোচনা শেষে অনশন না করেই কলেজ ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন।

পরবর্তী সময়ে সোমবার বিকেলে বিষয়টি সমাধানের জন্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা, সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাসহ বহিষ্কৃত নেত্রীরা অংশ নেন।


স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে জাবিতে বিক্ষোভ

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে জাবিতে বিক্ষোভ
ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নের প্রতিবাদে জাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। ছবি: দৈনিক বাংলা
জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত

নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণসহ সারা দেশে নারী নিপীড়নের ঘটনার প্রতিবাদ এবং ইরানে চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ-মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা।

আজ সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরাদ চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ-মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কবির সরণি, কামালউদ্দিন হল হয়ে ভাসনী হল সংলগ্ন বটতলায় গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে জহির রায়হান চলচ্চিত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক মৌটুসি জোবায়দা রহমান বলেন, পোশাক মানুষের মৌলিক অধিকার। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে পোশাক নিয়ে কথা হচ্ছে। দেশে ধর্মের দোহাই দিয়ে নারী উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। তাই সকল ধরনের নারী নিপিড়নের বিরুদ্ধে আমাদের দাঁড়াতে হবে।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আবু সাইদ বলেন, ‘বর্তমানে দেশে এমন এক সংস্কৃতি দাঁড়িয়ে গেছে যে, যাকে ধর্ষণ করা হয়, তাকে খুন করতে হবে। গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী শুধুমাত্র ৩ শতাংশ ধর্ষণের ঘটনার বিচার হচ্ছে। বাকি ৯৭ শতাংশের বিচার হচ্ছে না। এমনটা ঘটছে, কারণ রাষ্ট্র এটাকে আরও প্রভাবিত করছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে ওঠায় এমনটি হচ্ছে।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক সামি আল জাহিদ প্রিতমের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সৌমিক বাগচি, সহ-সাধারণ সম্পাদক তাপসী দে প্রাপ্তি, ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সমাজকল্যাণ ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সাদিয়া মুনসহ প্রমুখ।