শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
১৪ ভাদ্র ১৪৩২

৭১ টিভির সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

বাঁ থেকে সাংবাদিক আশরাফ সিজেল ও সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজিব। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
১৫ জানুয়ারি, ২০২৩ ২৩:০৪
প্রতিনিধি, সাভার
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, সাভার
প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারি, ২০২৩ ২৩:০১

ঢাকার সাভার উপজেলায় বেসরকারি টেলিভিশন ৭১ টিভির সাংবাদিক আশরাফ সিজেলকে মারধর ও অপহরণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, ঝুঁকিপূর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ও আশপাশের জমি দখলের সংবাদ প্রচারের জেরেই তাকে অপহরণচেষ্টা করেছে উপজেলা চেয়ারম্যানের লোকজন। এ ঘটনায় মহসিন বাবু নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে অভিযুক্ত উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজিব এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তার নামে করা অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

শনিবার রাতে সাভার থানায় উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজিবসহ ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে মারধর, অপহরণসহ হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক আশরাফ।

শনিবার দুপুর ২টার দিকে পৌরসভার ভাটপাড়া এলাকায় ভুক্তভোগীর বাসার সামনে ওই ঘটনা ঘটে।

উপজেলা চেয়ারম্যান ছাড়াও বাকি অভিযুক্তরা হলেন, রকিব আহম্মেদ, মহসিন বাবু ও মো. রওশনসহ অজ্ঞাত ৮-১০জন। তারা সবাই সাভারের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

সাংবাদিক আশরাফ সিজেল দৈনিক বাংলাকে বলেন, গত ৪-৫ দিন আগে আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের দুর্ভোগের সংবাদ সংগ্রহের জন্য তিনি সেখানে যান। ইউনিয়ন পরিষদের দুতলা ভবন ১৯৮৫ সালে নির্মাণ করা হয়। এরপর আর সংস্কার হয়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গত ৫ মাস আগে ওই ভবন ছেড়ে অন্য স্থান ভাড়া নেয়ার জন্য চেয়ারম্যানকে চিঠি দেন। এ বিষয়ে খবর প্রকাশের জন্য তিনি ইউএনও ও চেয়ারম্যানের বক্তব্য নেন।

আশরাফের অভিযোগ ইউনিয়ন পরিষদের পাশে খাসজমি ইজারার নামে প্রভাবশালীদের দখল করার বিষয়ে প্রচারিত খবর নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন।

এই সাংবাদিক বলেন, ‘বাসায় ফেরার সময় মহসিন বাবু, রওশন ও উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্যাডাররা ৮-১০জন আমাকে অপহরণের চেষ্টা করছে। মারধরও করে। আমি কৌশলে দেয়াল টপকে পাশের একটা ভবনের ছাদে গিয়ে আশ্রয় নেই। পরে সন্ত্রাসীরা গেট ভাংচুরের চেষ্টা করে। ৯৯৯ এ কল করে পুলিশের সহায়তায় আমি বের হই। পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।’ সন্ত্রাসীরা পিস্তলে ফাঁকা গুলি করেও বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী সাংবাদিকের।

‘আমি এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি থাকলেও শঙ্কিত। কারণ এখনো আমাকে ফোনে হুমকি দেয়া হচ্ছে। আমাকে বাসা থেকে বের করে দেয়ার জন্য আমার বাড়িওয়ালাকেও হুমকি দেয়া হচ্ছে। আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি,’ বলেন সাংবাদিক আশরাফ।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজিব বলেন, ‘আমি তো এবিষয়ে কিছুই জানি না। এখন শুনি আমার নামেও অভিযোগ দেয়া হয়েছে। আমি চাই, যদি ওই সাংবাদিকের ওপর কেউ হামলা করে থাকে তাকে যেন আইনের আওতায় আনা হয়। একইসাথে সে যে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে, সেটিও যেন তদন্ত করা হয়। অভিযোগ মিথ্যা হলে যেন ব্যবস্থা নেয়া হয়।’

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, ভুক্তভোগী সাংবাদিকের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ইতোমধ্যে বাবু নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


নারায়ণগঞ্জে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
এম এস ডালিম, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্যানেল ১৬ পদে বিশাল জয় পেয়েছে। আর মাত্র একটি পদে জয় পেয়েছেন জামায়াত ইসলাম সমর্থিত বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল প্যানেলের একজন সদস্য।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) রাত বারোটায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল বারী ভুঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে নারায়ণগঞ্জ বার ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ১ হাজার ১৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৫৩ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ১২০ জন।
নির্বাচনে ১৭টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে ১৬টি পদে জয় পেয়েছেন বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নীল প্যানেল। বিজয়ীরা হলেন, সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ূন কবীর ৬০০ ভোট ও সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট এইচ এম আনোয়ার প্রধান ৭১৮ ভোটে পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী আব্দুল গাফ্ফার ৬৯৭ ভোট, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাদ্দাম হোসেন ৫৫৫ ভোট, যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক নয়ন ৬৭৫ ভোট, কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট শাহাজাদা দেওয়ান ৭৫৫ ভোট, আপ্যায়ন সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাইন উদ্দিন রেজা ৭৯৭ ভোট, লাইব্রেরি সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান ৫৯০ ভোট, ক্রীড়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ৬৪৫ ভোট, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সারোয়ার জাহান ৫৭২ ভোট, সমাজসেবা সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাজিব মন্ডল ৬০০ ভোট, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুন মাহমুদ মিয়া ৫৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
সদস্য পদে যথাক্রমে বিজয়ী হয়েছেন অ্যাডভোকেট দেওয়ান আশরাফুল ইসলাম ৭৩৪ ভোট, অ্যাডভোকেট ফাতেমা আক্তার সুইটি ৬৯৭ ভোট, অ্যাডভোকেট আবু রায়হান ৬৯৪ ভোট, অ্যাডভোকেট তেহসিন হাসান দিপু ৫৭৪ ভোট এবং অ্যাডভোকেট আফরোজা জাহান ৫২৩ ভোট। এদের মধ্যে মাত্র একটি সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত ইসলাম সমর্থিত অ্যাডভোকেট আফরোজা জাহান।
উল্লেখ, নির্বাচনে ১৭টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন মোট ৪৯ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের পূর্ণ প্যানেল,
জামায়াত ইসলাম সমর্থিত বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের পূর্ণ প্যানেল, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের আংশিক প্যানেল সহ স্বতন্ত্র প্রার্থীও অংশগ্রহণ করেন।


কিশোরগঞ্জে ট্রাক-সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাকিবুল হাসান রোকেল, স্টাফ রিপোর্টার- কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জে ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকালে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের মাইজহাটি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শরিফুল ইসলাম শরীফ (৪০) বাজিতপুর উপজেলার গজারিয়া এলাকার মৃত বকুল মিয়ার ছেলে। পেশায় তিনি অটোরিকশা চালক।

কটিয়াদী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মারগুব তৌহিদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে তিনি জানান, আজ সকালে দুর্ঘটনার শিকার সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি কোন যাত্রী ছাড়াই কটিয়াদী থেকে কিশোরগঞ্জ যাচ্ছিল। এসময় মাইজহাটি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম শরীফ মারা যায়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

কটিয়াদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মারগুব তৌহিদ জানান, অটোরিকশাটি খালি থাকায় এই ঘটনায় আর কেউ আহত নেই। অটোরিকশা ও ট্রাক আটক করা হলেও ট্রাকের চালক পলাতক। যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।


প্রধান উপদেষ্টা ওয়াদা ভঙ্গ করে রোডম্যাপ দিয়েছেন, এই রোডম্যাপ সুষ্ঠ নির্বাচন ভন্ডুল করার নীল নকশা: ডা. তাহের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

প্রধান উপদেষ্টা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে নির্বাচনী রোড ম্যাপ ঘোষণা করেছেন, এই রোডম্যাপ একটি সুষ্ঠ নির্বাচনকে ভন্ডুল করার জন্য নীল নকশা বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোঃ তাহের। আজ শুক্রবার সকালে কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজে মিলনায়তনে কুমিল্লার কালিবাজার ইউনিয়নের নির্বাচনী দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, চুড়ান্ত সংস্কারের সিদ্ধান্তে পৌঁছার আগেই প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন। এবং বিচার এখনো দৃশ্যমান হয়নি। এর মাঝে বোধহয় তিনি কোন শক্তির কাছে মাথানত করে পরিকল্পিত নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে দেশবাসী শঙ্কা পোষন করছে। অন্তর্বর্তী সরকার কমিটমেন্ট দিয়ে আসছিল তারা নিরপেক্ষ থাকবে, তারা সংস্কার করবে এবং বিচার দৃশ্যমান করবে। এবং নির্বাচন হবে। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা তার ওয়াদা ভঙ্গ করেই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন।

তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের কোন আপত্তি নেই। আমরা ১৫ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের জন্যই প্রস্তুতি নিচ্ছি। কিন্তু একটি সুষ্ঠ অবাধ নির্বাচনের জন্য কিছু বিষয় সুরাহা হওয়া খুবই জরুরী। এরমধ্যে জুলাই চার্টারকে আইনগত ভিত্তি দিতে হবে এবং এর ভিত্তিতেই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দিতে হবে। কিন্তু সেগুলো না করেই নির্বাচনের যে পথ নকশা ঘোষণা করা হয়েছে সেটি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন ভন্ডুল করার নীল নকশা বলে আমি মনে করি। আমরা এটা হতে দেব না। আমরা সরকার ও নির্বাচন কমিশন কে বাধ্য করবো জুলাই চার্টার রিফান্ড ও পিআর এর মাধ্যমে নির্বাচন হতে হবে।
এছাড়াও আগের ট্র্যাডিশনাল পদ্ধতি ও নতুন প্রস্তাবিত পিআর দুইটার মধ্যে একটি নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত রোড ম্যাপ ঘোষণা করার নির্বাচন কমিশনের বড় ধরনের অপরাধ বলেও মন্তব্য করেন ডাক্তার সৈয়দ আব্দুল মোঃ তাহের। এজন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে দেশবাসীর প্রতি ক্ষমা চাওয়ারও আহ্বান জানান।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে আমীর মাহফুজুর রহমান এর সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন জামায়াতে কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য আব্দুস সাত্তার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ শাহজাহান এডভোকেট,উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন,সহকারী সেক্রেটারী আব্দুর রহিম,কালিকাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবুল হাসেম।


বেনাপোলে গভীর রাতে নিজ বাড়ির গেটের সামনে বিএনপি'র কর্মীকে গলা কেটে হত্যা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বেনাপোল প্রতিনিধি

যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোর্ট থানার ছোটআঁচড়া গ্রামে মিজানুর রহমান সর্দার (৪৩) নামে বিএনপি'র এক কর্মীকে কে বা কারা গরু কাটার ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে।

শুক্রবার (২৯ আগষ্ট) দিবাগত রাতে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। মৃত মিজানুর রহমান সর্দার বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আঁচড়া গ্রামের হানিফ আলী সর্দারের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, মিজানুর বেনাপোল চেকপোস্টে একটি কসায়ের দোকানে গরু কাটা ঝোড়ার কাজ করে। প্রতিদিন সে ভোরে উঠে ওই কাজে যায়। আজ ও তার কসায়ের দোকানে কাজ করতে যাওয়ার কথা ছিল। জানা মতে এলাকায় কারো সাথে তার কোন ঝগড়া বিবাদ ছিল না। সে সবার সাথে মিলে মিশে থাকতো। সকালে ঘুম থেকে উঠে শুনি কে বা কারা বাড়ির গেটের সামনে উঠোনে গলা কেটে হত্যা করে রেখে গেছে।

নিহতের ভাই খায়রুল সরদার জানান, আমার ভাইয়ের সাথে কারো কোন শত্রুতা ছিল না । সে একটা কসায়ের দোকানে কাজ করে। প্রতিদিনের মতো আজও কাজে যাওয়ার কথা ছিল। রাত পৌনে তিনটার কে বা কারা তাকে ফোনে কল দিয়ে ডাকলে ভাই তার কাজে ব্যবহৃত ছুরি নিয়ে বাহিরে বের হন। পরে দেখি কে বা কারা গেটের ভিতরে তাকে গলা কেটে হত্যা করে চলে গেছে। বেনাপোল পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা আহাদ হোসেন জানান, দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত মিজানুর রহমান আমাদের বিএনপির একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। আমার জানামতে তার সাথে কারো কোন কলহ ছিল না। সে গরুর মাংসের দোকানে কাজ করতেন। তবে কি কারণে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হলো আমাদের জানা নাই।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রাসেল মিয়া ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান দূর্বৃত্তরা তাকে কেন গলা কেটে হত্যা করেছে এটা তদন্ত না করে কোন কিছু বলা সম্ভব না।থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন পূর্বক মৃতদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান। ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।


শিক্ষাঙ্গনকে কোনোভাবেই  কলুষিত করা  ঠিক নয়

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের শিক্ষার বেহাল অবস্থার প্রতি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের হতাশায় গোটা দেশের জনগণ উদ্বিগ্ন। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উচ্ছৃঙ্খলতা, অব্যবস্থা, অনিয়ম, মব ভায়োলেন্স, বিভিন্ন দাবি আদায়ের হুংকার, লেখাপড়ার প্রতি অনিচ্ছার প্রবণতা লক্ষণীয়। তারপর ধীরে ধীরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মের পথে যাওয়ার চেষ্টা করলেও গুণগত শিক্ষার মান বাড়ানো যাচ্ছে না। আমরা জানি শিক্ষা হলো- এমন একটি পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে জ্ঞান, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়। জন্মের পর থেকে একটি শিশুকে বড় হওয়া পর্যন্ত, তার সার্বিক বিকাশ থেকে শুরু করে সমাজের একজন সৃষ্টিশীল এবং প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যম হচ্ছে শিক্ষা। এ জন্যই সমাজ-বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে সকল মহান ব্যক্তিরাই বলে গেছেন শিক্ষাজাতি গঠন করে এবং শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা জাতির- চরিত্র গঠন করে। আর শিক্ষাঙ্গন হলো-সেই প্রতিষ্ঠান, যেখানে জ্ঞান, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করার স্থান। শিক্ষাঙ্গন, যেখানে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলতে সক্ষম এবং চরিত্র গঠন ও সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রকৃত মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে থাকে। তাই শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন একে অপরের পরিপূরক। একটিকে বাদ দিয়ে অন্যটিকে ভাবা অসম্ভব। ফলে শিক্ষার এবং শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ সব সময় থাকতে হবে সর্বাধিক উত্তম। অথচ ব্যাথিত হই যখন দেখি রাজধানীর ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ বা আইডিয়াল কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের মধ্যে অহরহ বিবেধ-সংঘর্ষ। যা কারও জন্য কাম্য নয়। জোড়পূর্বক সচিবালয়ে প্রবেশ করা- শিক্ষার্থীদের কাজ নয়। ইতোমধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভদ্রতা, শ্রদ্ধা, সম্মান, ভালোবাসা এবং মানবতার পরিবর্তে হিংসা, বিদ্ধেষ, অহংকার, অহমিকা, মবের দৌরাত্ম্য, অপমান, অপদস্ত, মারামারি, অভদ্রতা ইত্যাদির আর্বিভাবে দেশ ও দেশের মানুষ আতঙ্কিত ও হতাশ। কেউ কী বলতে পারবে আমাদের এই ছোট্ট বাংলাদেশে শিক্ষার এবং শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ সর্বাধিক উত্তম? না কখনোই না বরং দিন দিন খারাপের দিকে। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ বড় ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে দাড়িয়েছে যা কখনোই কাম্য ছিল না। এতে করে মারাত্মকভাবে কলুষিত হচ্ছে শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ। এতে সচেতন মহল আতঙ্কিত । শিক্ষাঙ্গনে যেভাবে লেখাপড়ার পরিবর্তে চাঁদাবাজি বা মব ভায়োলেন্স ঢোকেছে তাতে এক শ্রেণির ছাত্র সমাজ জড়িত হয়ে পড়েছে তাতে গোটা শিক্ষার্থীরা দেশের বাইরে যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে। তাদের বক্তব্য এদেশে উচ্চশিক্ষার তেমন পরিবেশ বা শিক্ষার গুণগত মানের অভাব দেখা দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এক প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়া, অনৈতিক অর্থ আদায়, শিক্ষাঙ্গনে হুমকি, তাণ্ডব কিছুই বাদ নেই। এমন কী শিক্ষাঙ্গনে পুলিশের প্রবেশ বা শিক্ষার্থীদের অযৌক্তিক দাবির বিরুদ্ধে পুলিশকে লাঠিপেটা করতে দেখা যায়। অনেক শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষক-ছাত্রীর সঙ্গে এমন সব কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িত করছে তাতে লজ্জায় অভিভাবক সমাজ ক্ষুব্ধ। দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সকল প্রকার অনিয়ম ও উচ্ছৃঙ্খলতা দূর করে শিক্ষাঙ্গনে সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলতে সচেষ্ট হওয়ার জন্য দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুশীল সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

লেখক: গণমাধ্যমকর্মী


শাহিদের সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ জানালেন কারিনা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

অনেকে ধরেই নিয়েছিলেন যে শাহিদ কাপুরকেই বিয়ে করবেন কারিনা কাপুর। যেভাবে তাদের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা বলিউডে, তা শুনে কারিনা ও শাহিদের পরিবারও এই বিয়ে নিয়ে মোটামুটি ভাবতে শুরু করেছিলেন। বিশেষ করে কারিনা ও শাহিদের চুমুর ভিডিও ভাইরাল হতেই তাদের প্রেম যেন আরও প্রকট হয়ে ওঠে।

কিন্তু হঠাৎই অঘটন। রাতারাতি শাহিদের সঙ্গে বিচ্ছেদ করেন কারিনা। তখন সবে দুজনে শুরু করেছেন, ‘জাব উই মেট’ সিনেমার শুটিং। আর তার মাঝেই এই বিচ্ছেদ কাণ্ড! কিন্তু ওই বিচ্ছেদের খবর সবাই জানলেও, এর নেপথ্যের কারণটা অজানা ছিল বহুদিন। তবে সম্প্রতি কারিনাই এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট জানালেন, এই শাহিদের সঙ্গে বিচ্ছেদ করার কারণ।

সাইফ আলী খানের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার পর পরই শাহিদের সঙ্গে প্রেম প্রসঙ্গে কারিনা জানিয়েছিলেন, তিনি অতীত নিয়ে কথা বলতে চান না। বিশেষ করে শাহিদ নিয়েই তো একেবারেই নয়। কারিনার এমন বক্তব্যে জল্পনা শুরু হয়। নিন্দুকদের মুখে নানান প্রশ্ন, কী এমন হয়েছে, যে কারিনা এই বিষয়ে মুখ খুলছেন না।

শেষমেশ সম্প্রতি নিজেই স্পষ্ট করলেন। কারিনা জানান, শাহিদ বন্ধু হিসেবে ভাল। কিন্তু ওর ইগো বড্ড বেশি, যা কিনা সমস্যা সৃষ্টি করেছিল। তবে শাহিদের এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ওরা ভাল থাকুক, সুখে থাকুক।


ফেনীর পাঁচগাছিয়ায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, যুবক আটক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঁইয়া, ফেনী প্রতিনিধি

ফেনীর পাঁচগাছিয়ায় এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ব্রিকফিল্ডের পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংন্ক থেকে স্থানীয়রা পাঁচ বছরের শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় রাসেল (১৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মাথিয়ারা গ্রামের সোনালী ব্রিকফিল্ড এলাকা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাথিয়ারা এলাকার ওই মেয়ে শিশুটি বুধবার দুপুরের দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরে আশপাশের এলাকায় স্বজনরা মাইকিং করে খোঁজ করলেও তার সন্ধান মেলেনি। রাত ১২টার দিকে স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সেখানকার সোনালী ব্রিকসের পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকের পাশে মেয়েটির জামা দেখতে পায়। পরে সেখানে পরিত্যক্ত একটি সেপটিক ট্যাংকের পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ব্রিকফিল্ডে কর্মরত রাসেল নামে এক যুবককে সন্দেহজনকভাবে আটক করে স্থানীয়রা পুলিশে সোপর্দ করে। আটক রাসেল ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার কলতাপাড়া গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে।

শিশুর মা মুক্তা বেগম বলেন, আমার মেয়ে দুপুর বেলা হারিয়ে যায়। তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করি। না পাওয়ায় এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। রাত ১১টার সময় ব্রিক ফিল্ডের পাশে লোকজন তার সালোয়ার দেখতে পান। পরে আমার আত্মীয়-স্বজনরা খোঁজাখুঁজি করে। সেখানে সেফটি ট্যাংকের ভিতরে তার মরদেহ পাওয়া যায়। আমার মেয়েকে যেভাবে মারা হয়েছে, আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, আমি তার ফাঁসি চাই। আমার মেয়ের ধর্ষকের বিচার চাই।

শিশুর বাবা সোলায়মান আলী বলেন, আমার পাঁচ বছরের মেয়েকে যে ধর্ষণ করেছে, নির্মমভাবে হত্যা জন্য তার ফাঁসি চাই। আমি বাংলাদেশের সবার কাছে আমার মেয়ের এই নির্মম ঘটনার বিচার চাই। এ ধরনের ক্ষতি যেন আর কারো না হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের সময় শরীরে কোনো কাপড় ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য নূর নবী বলেন, আটক ছেলেটি প্রায় দুই বছর ধরে ওই ব্রিকফিল্ডে কাজ করে। তার বাড়ি ময়মনসিংহে। মেয়েটির বাবার বাড়ি ভোলা ও মায়ের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছার রসুলপুরে হলেও কাজের সুবাদে তারা মাথিয়ারায় একটি কলোনিতে বসবাস করেন। পূর্ব থেকে মেয়েটি রাসেলকে চিনত। রাসেল দুপুরে শিশুটিকে ব্রিকফিল্ডে এনে খাবার দেয়। পরে ধর্ষণ করে হত্যার পর মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দিয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।

ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো: আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে রাসেল নামে এক যুবককে আটক করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত রাসেল ঘটনার সাথে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে। আইনানুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ও প্রক্রিয়া চলছে।


নেত্রকোনায় জেলা জামায়েত ইসলামীর রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
এ বি চৌধুরী নাদিম, নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় জেলা জামায়েত ইসলামীর ষাণ্মাসিক রুকন সম্মেলন ২০২৫ নেত্রকোনা মোক্তারপাড়াস্থ জেলা পাবলিক হল মিলনায়তনে বৃহষ্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির সাবেক এমপি অধ্যাপক মজিবুর রহমান । প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, জীবন দিয়ে হলেও এদেশে কোরআনের আইন বাস্তবায়ন করবো। সকল সরকারই ইসলামের সাথে গাদ্দারী করেছে। এখন মানুষ জামায়াতে ইসলামীর দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা চেষ্টা করছি ইসলামের পক্ষে একটি ভোট বাক্স দেওয়ার। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা হলে এটা বাস্তবে রূপ নিবে ইনশাআল্লাহ। পি আর পদ্ধতিতে নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, এদেশের সকল মানুষের ভোটের মূল্যায়ন করার জন্য উত্তম পদ্ধতি হলো পি আর পদ্ধতি। আমরা চাই যে এক লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করেই আমরা নির্বাচনে যাবো। কোন ভোট ডাকাতের হাতে দেশকে ছেড়ে দিবোনা। ভোট কেন্দ্র ও ভোট বাক্স পাহাড়া দিতে হবে। জামায়াত এদেশের মানুষকে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র উপহার দিবে। এ সম্মেলনে জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মাওলানা মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় রুকন সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারী ড. ছামিউল হক ফারুকী, নেত্রকোণার ৪ আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ময়মনসিংহ মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আল হেলাল তালুকদার, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি নেত্রকোনা-৩ আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেন সাইফুল, সহকারী সেক্রেটারি ও নেত্রকোনা ৫ আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাছুম মোস্তফা, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য নেত্রকোনা-১ আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাসিম, জেলা শ্রমিক বিভাগের সভাপতি, জামায়াতের জেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ, এসময় সারা জেলা থেকে প্রায় ৬ শতাধিক পুরুষ ও মহিলা রোকন সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।


গত এক সপ্তাহে ভারত থেকে এলো আরও ১৪৬০ মেট্রিক টন চাল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাশেদ রহমান, বেনাপোল যশোর

দেশের সর্ব বৃহত্তম যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গত এক সপ্তাহে ভারত থেকে পাঁচটি চালানে মোট ১৪৬০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। সপ্তাহের শেষ দিনে আজ বৃহস্পতিবার ১২ টি ট্রাকে ৪২০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে বেনাপোল বন্দর দিয়ে।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন।
তিনি জানান, গত শনিবার (২৩ আগস্ট) ৯টি ট্রাকে ৩১৫ মেট্রিক টন, রবিবার (২৪ আগস্ট) ৩টি ট্রাকে ১০৫ মেট্রিক টন, সোমবার (২৫ আগস্ট) দুটি চালানে ৬২০ মেট্রিক টন এবং আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকালে ১২ ট্রাকে ৪২০ মেট্রিক টন চাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে। গত এক সপ্তাহে সর্বমোট ১৪৬০ মেট্রিক টন চাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে।
আমদানিকারকরা জানান, দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার ভারত থেকে মোটা চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। এতে অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের দাম কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গনি এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ বলেন, ‘গত শনিবার ৩১৫ মেট্রিক টন চাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। রবিবার তিনটি ট্রাকে ১০৫ মেট্রিক টন, সোমবার দুটি চালানে ৬২০ মেট্রিক টন চাল আমদানি করেছি। আজ বৃহস্পতিবার ৬২০ মেট্রিক টন চাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে। পন্যচালান গুলির বন্দর থেকে ছাড় করনের কাজ করছেন ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ এবং কাবেরী এন্টারপ্রাইজ নামে দুজন সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের প্রতিনিধি বাবলুর রহমান বলেন, ‘আমদানিকৃত চাল ছাড়করণের জন্য কাস্টমসে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের মাধ্যমে চালগুলোর খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, চার মাস বন্ধ থাকার পর গত বৃহস্পতিবার থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। বন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় চালু হওয়ায় কর্মচঞ্চলতা ফিরে এসেছে বেনাপোল বন্দরে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ‘আমদানিকৃত চাল দ্রুত ছাড়করণের জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর আগে, সর্বশেষ চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল এই বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল।’


খাবার ও চিকিৎসা সংকটে প্রতিবন্ধী ইমরানের দুর্বিষহ জীবন, ভিক্ষা নয় ফেরত চান পরিবারের সম্পত্তি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা প্রতিনিধি

হাত পাততে ইচ্ছুক নন তিনি। তার নিজের সম্পত্তি ফেরত চান। তিনি ইমরান হোসেন এমরান। বয়স ৫১ বছর। বাসা কুমিল্লা নগরীর তেলিকোনা গোবিন্দ পুকুর পাড়ে। মাথার অংশ ছাড়া শরীরের প্রায় পুরোটা অচল। হাত কিছুটা নাড়াতে পারেন, তবে তেমন নিয়ন্ত্রণ নেই। ৪বছর বয়সে মা জাহানারা বেগম ও ১৬ বছর বয়সে বাবা তোফাজ্জল হোসেন ওরফে গোলাম হায়দারকে হারিয়েছেন। না পারছেন খাবার জোগাতে, না চিকিৎসা করাতে। নানার বাড়িতে তার মায়ের ক্রয় করা সম্পত্তি মামা ও মামাতো ভাইয়েরা দখল করে রেখেছেন বলে তিনি দাবি করেন। তিনি চান সম্পত্তিগুলো দখলমুক্ত করতে। জমির আয় থেকে চিকিৎসা ও ভরণপোষণ মেটাতে।
ইমরান জানান,তার নানার বাড়ি চাঁদপুর হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার মুকিমাবাদে। নানা আবদুল লতিফ। নানার বাড়িতে তার মা জাহানারা বেগম সেখানে প্রায় ৪শতক জায়গা ক্রয় করেন ৬ দশক আগে। এছাড়া নানার সম্পত্তির অংশ পাবেন প্রায় আধা শতক। এ সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য কোটি টাকার বেশি। সম্পত্তি উদ্ধারে তিনি মামার পরিবারের বিরুদ্ধে চাঁদপুর আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
ইমরান হোসেনের বাসায় দেখা যায়, তিনি হুইল চেয়ারে বসা। ভরাট চেহারা। হাসিমাখা মুখ। দেখলে মনে হবে সুস্থ মানুষ। সামনে একটি ট্রাইপডে মোবাইল ফোন লাগানো। ফোনে কল দিয়ে তিনি স্বজনদের ঢেকে এনে তার চাহিদা পূরণ করেন। তিনি কারো সাহায্য ছাড়া বিছানায়ও উঠতে পারেন না। স্বজনের সহযোগিতায় বিছানায় গেলেও শরীর নাড়াতে পারেন না। তার পায়খানা প্রশ্রাবেরও কোন নিয়ন্ত্রণ নেই।
ইমরান হোসেন বলেন, ২০১০ সালে দক্ষিণ কুরিয়ার ইয়াংজুসি শহরে কাজ করতেন। ঘাড়ে ব্যথা পাওয়ার পর তনদুচন শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। ৬ বছর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেখানে টাকা বকেয়ার জন্য হাসপাতাল থেকে রোগী নামিয়ে দেয় না, তবে কম খরচের হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। দূতাবাস,বিদেশি কমিউনিটির সহযোগিতায় অর্ধমৃত ইমরান ২০১৭ সালে দেশে ফিরে আসেন।
দুই বোন তাহমিনা বেগম ও শামীমা আক্তার বলেন,আমার মামা ও মামাতো ভাইয়েরা মায়ের ক্রয় করা সম্পত্তি ও ওয়ারিশ অংশ দখল করে রেখেছে। সম্পত্তি ফিরে পেলে আমার ভাই ও আমাদের উপকার হতো। বিশেষ করে আমার ভাইয়ের অবস্থা খুব খারাপ। তাকে ভালো চিকিৎসার জন্য টাকার প্রয়োজন। এছাড়া তার পরিবারের ব্যয় বহন করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সমাজ সেবক মাজেদুল হক চৌধুরী বলেন,ইমরান আমাদের প্রতিবেশী। তার অল্প বয়সে বাবা-মা মারা যান। সে বিদেশে গিয়ে পঙ্গু হয়ে দেশে আসে। তার খাবার ও চিকিৎসার অনেক কষ্ট হচ্ছে। তার মায়ের ক্রয় করা সম্পত্তি ফিরে পেলে অনেক উপকার হবে।
ইমরানের ৫ মামার মধ্যে বেঁচে আছেন দুধ মিয়া। তাকে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।
মামাতো ভাই মো. শাহ আলম বলেন, সম্পত্তি নিয়ে তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে তিনি জানেন না। ইমরান তাদের ফুপাতো ভাই। তার কাগজপত্র থাকলে সে সম্পত্তি পাবে এতে কোন সমস্যা নেই। এ নিয়ে তিনি আর বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি।


আবাসিক এলাকায় মিল কারখানা ও ভারী যান চলাচল বন্ধের দাবিতে মাগুরায় মানববন্ধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শিউলি আফরোজ সাথী, মাগুরা প্রতিনিধি

আবাসিক এলাকায় মিল কারখানা বন্ধ ও ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে মাগুরা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের পারনান্দুয়ালী গুলশানপাড়ার এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার সকালে মাগুরা পৌর বাস টার্মিনাল সংলগ্ন গুলশানপাড়া এলাকায় এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, হাবিবুর রহমান, মো. দেলোয়ার হোসেন, গোলেবার হোসেন, আব্দুল মান্নান, ইসরাফিল হোসেন, জোসনা বেগম, শিউলি বেগম, ইউসুফ আলী সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
এসময় বক্তারা বলেন, তাদের বসবাসের এই আবাসিক এলাকায় একটি পলিথিন কারখানা রয়েছে যা পরিবেশ ও এলাকাবাসীর স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এছাড়া এলাকায় নতুন করে একটি বৃহৎ আকারের বিস্কিট কারখানা অবৈধভাবে সরকারি জমির কিছু অংশ দখল করে নির্মাণাধীন রয়েছে। এতে করে পরিবেশ দূষণ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এলাকার মানুষ। নির্মাণাধীন বিস্কুট কারখানাটি চালু হলে এর থেকে নির্গত ধোয়া, বর্জ্য ও শব্দ দূষণের ফলে এলাকাটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে।
এর পাশাপাশি মহাসড়ক থেকে এলাকায় প্রবেশের পথটি কারখানার মালামাল পরিবহনের জন্য ভারী যানবাহন চলাচল করায় রাস্তাটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সড়কটি প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
তারা আরো বলেন ,আমরা এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সরজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে কলকারখানা বন্ধ ও ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাচ্ছি।


নড়াইলে সুমন হত্যা ঘটনার মূল আসামি গ্রেপ্তার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নড়াইল প্রতিনিধি

অবশেষে নড়াইলের সুমন মোল্যা(১৫)হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত শাহাদাৎ হোসেন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে যশোর পিবিআই পুলিশ । বুধবার (২৭ আগস্ট) রাত দেড়টার দিকে লোহাগড়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
যশোর পিবিআই ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার রেশমা পারভীন (পিপিএম) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,সুমন মোল্যা নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া ইউনিয়নের ডহরপাড়া গ্রামের বিল্লাল মোল্যার ছেলে। সুমনের বাবা একজন আইসক্রিম বিক্রেতা। বাবা অসুস্থ হয়ে পড়ায় সংসার খরচ যোগাতে সে ২১ আগস্ট সকালে বাবার ভ্যানগাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হয়। ছেলে বাড়ি ফিরে না আসায় নানা চিন্তায় মা সামেলা বেগমের নির্ঘুম রাত কাটে। পরিশেষে সামেলা বেগম ২২ আগস্ট লোহাগড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
ব্যাপক খোঁজ নেওয়ার এক পর্যায়ে ভ্যানটি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার গোপালপুর বাজারের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়। আর নিখোঁজের চার দিন পর (গত ২৪ আগস্ট) হাত=পা বাধা অবস্থায় সুমনের মরদেহ লোহাগড়া উপজেলার কামঠানা গ্রামের পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাল থেকে উদ্ধার করা হয়।
জানতে চাইলে পিবিআই যশোর ইউনিটের পুলিশ সুপার রেশমা পারভীন বলেন, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নজরে আসে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করা হয়। তিনি বলেন,তদন্তকালে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পিবিআই প্রধান মো.মোস্তফা কামাল (অ্যাডিশনাল আইজিপি)র দিক নির্দেশনায় কাজটি সহজতর হয়। তিনি বলেন, পিবিআই যশোর ইউনিটের পরিদর্শক রিপন কুমার সরকার, এ, এস, আই রতন মিয়া, এ, এস, আই মো. মাসুদের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল মামলার আসামি লাহুড়িয়া তালুকপাড়ার রমজান শেখের ছেলে শাহাদাৎ হোসেনকে (১৯) রাত দেড়টার দিকে তার শ্বশুরবাড়ি লোহাগড়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরো বলেন,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, শাহাদাৎ হোসেন টাকার প্রয়োজনে ভ্যান চুরির মিশনে বাড়ি থেকে বের হয় । সুমনকে হত্যা করে তার ভ্যান নিয়ে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানূ উপজেলার গোপালপুর বাজারে পৌঁছালে ভ্যানের ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে যায় এবং সেখানে ফেলে সে পালিয়ে যায় । আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


কুমিল্লায় সেনা অভিযানে মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার ১

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা সদর উপজেলার কাটাবিল এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোররাতে সেনা অভিযানে মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ একজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।
আটককৃত হানিফ মিয়া ওরফে আনু মিয়া কুমিল্লা নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কাটাবিল এলাকার মৃত কালা মিয়ার ছেলে।
অভিযানের সময় তার কাছ থেকে ১ হাজার ৮৯৭ পিস ইয়াবা, ২০ গ্রাম গাঁজা, ১ বোতল ফেনসিডিল ২ টি চাইনিজ কুড়াল, ১ টি রামদা ২ টি চাপাতি ও একটি সিজার জব্দ করা হয়।
কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, সেনা অভিযানে মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ আটক একজনকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়।


banner close