মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ফেনীতে জামায়াতের ১২ নেতা-কর্মী আটক

ফেনী মডেল থানা। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
২৮ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৯:৩৯
প্রতিনিধি, ফেনী
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, ফেনী
প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৯:৩৭

ফেনীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ১২ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে ফেনী জেলা জামায়াতের কার্যালয় থেকে তাদের আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, তারা গোপন বৈঠকে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন।

আটকরা জামায়াতের সহযোগী সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা-কর্মী। তারা হলেন, সংগঠনটির সহসভাপতি আবদুল মতিন, মো. সফি উল্যাহ, মোস্তফা আজিম, শাহ আলম, আবু তাহের, মো. সালাউদ্দিন, মো. আলমগীর, জাকির হোসেন, আবদুল মোতালেব, মনির হোসেন, মো. মহিউদ্দিন ও মো. ইসরাফিল।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকালে ফেনী শহরের শান্তি কোম্পানী এলাকার দারুল ইসলাম জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। নাশকতার পরিকল্পনাকালে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন বলেন, আটকরা ওই কার্যালয়ে বসে গোপন বৈঠক করে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। তাদের কাছ থেকে ৫টি ককটেল ও বিপুল পরিমাণ জিহাদি বই এবং ল্যাপটপ ও কম্পিউটার উদ্ধার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

এদিকে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন ফেনী জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মুফতি আবদুল হান্নান। তিনি বলেন, জামায়াত অফিসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের একটি অবহিতকরণ সভা ছিল। সেখানে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ কাল্পনিক ও বানোয়াট। কোনো ধরনের ককটেল পাওয়া যায়নি। কোনো ধরনের জিহাদি বই নয়, কোরআন-হাদিসভিত্তিক ধর্মীয় বই নিয়ে গেছে পুলিশ।

বিষয়:

কেরানীগঞ্জে কারারক্ষী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে মহাসড়ক অবরোধ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে কারারক্ষী নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। প্রায় দুই ঘণ্টার অবরোধে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী ও কর্মজীবী মানুষ। এ সময় কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুরের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় কারাগারের নিয়োগ পরীক্ষায় বাদ পড়া কয়েকশ প্রার্থী কারাগারের মূল ফটকের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, কারারক্ষী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও তদবির বাণিজ্য হয়েছে। মেধার ভিত্তিতে নয়, প্রভাবশালীদের সুপারিশে অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা। নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে পুনরায় স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অবরোধ চলাকালে উত্তেজিত কয়েকজন আন্দোলনকারী সড়কে থাকা কিছু যানবাহনে ভাঙচুর চালান। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি আটকা পড়ে।

খবর পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নিলে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, নিয়োগ বাছাই প্রক্রিয়ায় বাদপড়া প্রার্থীদের মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক। তবে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, চার ধাপে বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। এতে ৪৫০ জন পুরুষ ও ২২ জন নারী প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে। শারীরিক পরীক্ষার মধ্যে থাকবে উচ্চতা ও অন্যান্য শারীরিক মাপজোক, দৌড়, পুরুষদের জন্য হাই-জাম্প ও পুশ-আপ, নারীদের জন্য লং জাম্প ও সিট-আপ এবং সবার জন্য রোপ ক্লাইম্বিং পরীক্ষা। এসব ধাপে উত্তীর্ণদের পরবর্তী ধাপে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হবে।


হাটের সীমানার বাইরে কোনো পশু রাখা যাবে না: ডিএমপি কমিশনার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হাটের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যানজট মুক্ত রাস্তা নিশ্চিত করতে হাটের সীমানার বাইরে কোনো পশু রাখা যাবে না। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হাটের বাইরে বা রাস্তায় পশুবাহী কোনো যানবাহন নিয়ে টানাটানি বা জোরজবরদস্তি করলে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিপণন ও কাঁচা চামড়া বহনকারী যানবাহনের নিরাপত্তাসহ ঢাকা মহানগর এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিশেষ সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেছেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, জাল টাকা শনাক্তকরণের মেশিন ডিএমপির পক্ষ থেকে পশুর হাটে থাকবে। ঈদের এ সময়ে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সরকারের সব সংস্থাকে সমন্বয়ের মাধ্যমে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার জন্য দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।

সমন্বয় সভায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, পুলিশের বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিটের প্রতিনিধিরা, বাংলাদশ ব্যাংক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, ডিপিডিসি, ডেসকো, ঢাকা জেলা প্রশাসন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবাদানকারী সংস্থা, লবণ ব্যবসায়ী সমিতি, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এবং ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পশুর হাটের ইজারাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সমন্বয় সভার শুরুতে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এরপর সভায় উপস্থিত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেছেন।


বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সদস্যদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাচ্চু মল্লিক, বাগেরহাট প্রতিনিধি 

বাগেরহাটে সদ্য যোগদানকৃত পুলিশ সুপারের সাথে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয় এর কনফারেন্স রুমে পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বাগেরহাটের সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাঈদ শুনু, সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসাইন লিটন, সহ-সাধারন সম্পাদক মোঃ ইয়ামিন আলী,সাবেক সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক তরফদার রবিউল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক এসএম সামছুর রহমান,অর্থ সম্পাদক এসএম আমিরুল হক বাবু, ক্রীড়া সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আকিন্জি, নির্বাহী সদস্য মোল্লা মাসুদুল হক, মোল্লা আঃ রব, সৈয়দ শওকত হোসেন ও সিনিয়র সদস্য শওকত আলী বাবু।

‎মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এসএম রাজ, সাবেক সভাপতি বাবুল সরদার, নির্বাহী সদস্য সোহেল রানা বাবু,নির্বাহী সদস্য এস এস সোহান, সিনিয়র সদস্য নকীব সিরাজুল ইসলাম,সিনিয়র সদস্য খন্দকার আকমল উদ্দীন সাখী, সিনিয়র সদস্য অলীপ ঘটক,আল আমিন খান সুমন নেয়ামুল হাদী রানা সহ বাগেরহাট জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন।

‎সভায় পুলিশ সুপার বাগেরহাটকে সন্ত্রাস, সাইবার সন্ত্রাস,মাদক,দখল, ইভটিজিং মুক্ত করতে জিরো টলারেন্স এর ঘোষনা দেন এবং সাংবাদিকদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা কামনা করেন।

‎পরে তিনি বাগেরহাট প্রেসক্লাব পরিদর্শন করেন।


নাটোরে অস্ত্রসহ ২৪ মামলার আসামীসহ গ্রেপ্তার ৪

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের লালপুরে বিদেশী পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ ২৪ মামলার আসামী সোনামনিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়। সোমবার (১৮ মে) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার পালিদেহা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পশ্চিম টেংরী এলাকার যুবদলের সদস্য মাহমুদ হাসান ওরফে সোনামনি (৪০), একই এলাকার কাজল (৪০) রাজশাহীর বাঘার সামাদ মোল্লা, নাটোরের লালপুর উপজেলার গৌরিপুরের মোঃ মনিরুজ্জামান (৩৯)।

লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানায়, সুনির্দিষ্ট তথ্যে ভিত্তিতে লালপুর উপজেলার পালিদেহা এলাকায় লালপুর-ঈশ্বরদী আঞ্চলিক মহাসড়কে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। এসময় একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার থেকে চারজনকে আটক করা হয়।

পরে তল্লাশী চালিয়ে তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, ১০ রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন, ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার ও প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নাশকতার উদ্দেশ্যে তারা অস্ত্রসহ এসেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওসি আরও জানান, গেঢতারকৃত সোনামনির বিরুদ্ধে আদালতে বিচারাধীন ২৪টি মামলা রয়েছে। যার মধে অন্যতম্য কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার ট্রিপল মার্ডার মামলা এবং লক্ষীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের উপর গুলির ঘটনায় মামলা।


নাটোরের বড়াইগ্রামে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের বড়াইগ্রামে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পূর্ণকলস গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ১১ বছর বয়সী আরাফাত রহমান একই গ্রামের মিন্টুর ছেলে ও ১০ বছর বয়সী নূর মোহাম্মদ আলীএকই গ্রামের রাজুর ছেলে। তারা স্থানীয় পূর্ণকলস প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ ও তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে আরাফাত রহমান ও মোহাম্মদ আলী বাড়ীর পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে নামে। দীর্ঘসময় অতিবাহিত হলেও তারা বাড়ী ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোঁজ শুরু করে। পুকুরের পাশে তাদের পরিহিত পোষাক দেখতে পেয়ে স্বজনদের সন্দেহ হয়। পরে পুকুরে তল্লাশী চালিয়ে তাদেরকে অচেতন অভস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করে।

বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আইনগত প্রক্রিয়াশেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


বোনকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় ভাইকে মারধর, সংঘর্ষে সাবেক সেনাসদস্যসহ আহত ২

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বড় বোনকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছে ছোট ভাই। পরবর্তীতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যসহ দুইজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের মিয়া বাড়ির সামনের সড়কে এই ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, গজারিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারেক বেপারীর ছেলে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য নাসির উদ্দিন (৬৫) এবং একই গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে তালহা (১৬)। আহতদের মধ্যে তালহাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে নাসির উদ্দিন গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সাইফুল ইসলামের মেয়ে ফাতেমা আক্তারকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল একই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য নাসির উদ্দিনের ছেলে জেমস। স্থানীয়দের অভিযোগ, জেমস মাদকাসক্ত এবং তার মাদক সেবনের একাধিক ছবিও রয়েছে। এই বিষয়ে জেমসের মা জামিলা মেম্বার ও বাবা নাসির উদ্দিনের কাছে একাধিকবার বিচার চেয়েও কোনো সুরাহা পায়নি ভুক্তভোগীর পরিবার।

সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় মিয়া বাড়ির সামনের রাস্তায় জেমসের বাবা নাসির উদ্দিনের সামনে পড়ে ভুক্তভোগী তরুণীর ছোট ভাই তালহা। সেখানে সে পুনরায় জেমসের আচরণের প্রতিবাদ ও কৈফিয়ত চাইলে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তালহাকে বেদম মারধর করে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়। এদিকে মারধরে তালহা মারা গেছে এলাকায় এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন নাসির উদ্দিনের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তালহার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

আহত তালহা জানায়, "দীর্ঘদিন ধরে জেমস আমার বড় বোনকে বিরক্ত আসছিল। বিচার দিয়েও লাভ হয়নি। সোমবার জেমসের বাবার কাছে এর প্রতিকার চাইলে তিনি উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারধর শুরু করেন। আমার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে নাসির উদ্দিনকে গণপিটুনি দেয়।"

এদিকে প্রতিপক্ষের আহত নাসির উদ্দিনের দাবি ভিন্ন। হাসপাতাল শয্যায় তিনি অভিযোগ করেন, "এলাকায় মাদক ব্যবসা ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় স্থানীয় প্রভাবশালী সোহেল মিয়া, মনির ও মিলনের সঙ্গে আমার বিরোধ তৈরি হয়। সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে বসে থাকার সময় তারা ২০-২২ জনের একটি সশস্ত্র দল নিয়ে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমাকে বাঁচাতে এসে ছেলে জেমসও মারধরের শিকার হয়।"

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আবেদ আহমেদ জানান, আহত দুজনের মধ্যে নাসির উদ্দিনের মাথা ও গালে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। তাঁর মাথার দুই জায়গায় ও গালে সেলাই দেওয়া হয়েছে। তাঁকে এই হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। অপরদিকে তালহার হাতে এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সে বারবার বমিও করছিল, তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হাসান আলী জানান, "খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"


কালীগঞ্জে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জ থানার মামলা নং-২১, তারিখ ১৯ মে ২০২৬ ইং অনুযায়ী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার বাদী এসআই (নিঃ) মিজানুর রহমান।

গ্রেফতারকৃত আসামি হলেন, মোঃ জসিম উদ্দিন (৩০)। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলার ধনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মোঃ আব্দুল রশিদ ও মাতার নাম জোসনা বেগম।

পুলিশ জানায়, কালীগঞ্জ থানাধীন মোক্তারপুর ইউনিয়নের ধনপুর গ্রামে ২নং সাক্ষী মোঃ তাজুল ইসলাম (২৭) এর ডিজেল ও পেট্রোল তেল বিক্রির দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় জসিম উদ্দিনের কাছ থেকে মোট ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার ওজন ১ দশমিক ৪ গ্রাম এবং যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ হাজার ২০০ টাকা।

এ ঘটনায় এসআই (নিঃ) এমদাদুল হককে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।


আমতলীতে ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চিলা গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে । মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে পশ্চিম চিলা গ্রামের মুকুন্দ বাইনের ধানক্ষেতে প্রায় ৫৫ বছর বয়সী এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। পরে স্থানীয়রা আমতলী থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

স্থানীয়দের দাবি, মৃত নারীকে এলাকার কেউ চিনতে পারেননি। তিনি কীভাবে ওই এলাকায় এলেন কিংবা কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এতে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ জানায়, মৃত নারীর শরীরে প্রাথমিকভাবে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আমতলী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বলেন, ওই নারীকে এলাকার কেউ শনাক্ত করতে পারেননি। তিনি কোথা থেকে এসেছেন, সেটিও জানা যায়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।

এ বিষয়ে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে বরগুনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অর্থ আত্মসাৎ, সহকারী রেজিস্ট্রার বরখাস্ত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 খুলনা প্রতিনিধি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের এক্সিকিউটিভ এমবিএ (ইএমবিএ) প্রোগ্রামের ফান্ড থেকে প্রায় ১৮ লাখ ৮৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত সহকারী রেজিস্ট্রার ইউসূফ রায়হানকে সাময়িকভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অভিযোগ ওঠার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। অভিযুক্ত কর্মকর্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ফায়েকুজ্জামানের ভাগ্নে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এসএম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সাময়িক অব্যাহতির আদেশে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন।

জানা গেছে, ইউসূফ রায়হান ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের ইএমবিএ প্রোগ্রামের আর্থিক কার্যক্রম দেখাশোনা করতেন। অভিযোগ রয়েছে, ডিসিপ্লিন প্রধান ও কোর্স কো-অর্ডিনেটরের স্বাক্ষর জাল করে তিনি ব্যাংক থেকে ইএমবিএ প্রোগ্রামের টাকা উত্তোলন করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া সেমিস্টার ও পরীক্ষার ফির অর্থও ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে গত সোমবার (১১ মে), যখন ইএমবিএ শিক্ষার্থীরা সেমিস্টার রেজিস্ট্রেশনের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে দেখতে পান, তাদের জমা দেওয়া ফি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে প্রদর্শিত হচ্ছে না। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, কয়েকটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জমা দেওয়া অর্থ ব্যাংকে জমা হয়নি।

প্রসঙ্গত, ইউসূফ রায়হান ২০১৭ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পান। তার নিয়োগের সময়ও স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল।


ফুলবাড়িয়া খাদ্য গুদামে বোরো মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামে অভ্যন্তরীণ বোরো মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে ফুলবাড়িয়া মাছ বাজার সংলগ্ন খাদ্য গুদামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ধান-চাল সংগ্রহ মনিটরিং কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম সোহাগ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিলন এমপি বলেছেন, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিক ভাবে কাজ করছে। কোন কৃষক যেনো হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে সকলকে খেয়াল রাখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ব্যাপারেও অনুরোধ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ শাহনাজ পারভীন,খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ ছাইদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ ,উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মো: আবু রায়হান,আলম এশিয়া প্রাঃ লিঃ এর চেয়ারম্যান এস এম শাহজাহান,ব্যবসায়ি আবুল কালাম সরকার, বুলবুল প্রমুখ।

ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ জানান, এবার বোরো মৌসুমে ফুলবাড়িয়া খাদ্যগুদামে

৩ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন চাল এবং ২ হাজার ৯০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতি কেজি চাল ৪৯ টাকা এবং প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা দরে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কেনা হবে। এই সরকারি ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দেশব্যাপী একযোগে চলবে।


সাঁথিয়ায় ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
এম এ হাই, সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার সাঁথিয়ায় উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৯ মে) বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

র‌্যালিটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসিফ রায়হানের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিজু তামান্না।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম, সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা মোখলেছুর রহমান, সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম, সাঁথিয়া উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোস্তফা কামাল মানিক, সাঁথিয়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক মীর নজমুল বারী নাহিদ, সাবেক সভাপতি মানিক মিয়া রানা, জয়নুল আবেদীন রানা, সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিন, সাবেক সম্পাদক আবুল কাশেম, কোষাধ্যক্ষ আবু ইসহাক, সাংবাদিক মনোয়ার পারভেজ মানিকসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।


ডুমুরিয়ায় ভূমিসেবা মেলা উদ্বোধন ও জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় জনবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’। ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা ভূমি অফিসের যৌথ উদ্যোগে ১৯ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরে অনুষ্ঠিত হয় জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা।

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আসগার লবী।

তিনি বলেন, ডুমুরিয়ায় ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবায় জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনোভাবেই সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে দেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, “ভূমি অফিসে কোনো ধরনের দালালচক্র, সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষ যেন নামজারি, খতিয়ান, ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানসহ সকল সেবা সহজে ও হয়রানিমুক্তভাবে পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।”

সরকারের ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করে সংসদ সদস্য বলেন, অনলাইন ও প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে জনগণের সময় ও অর্থ দুই-ই সাশ্রয় হচ্ছে। প্রান্তিক জনগণ যেন ঘরে বসেই বা সহজে সেবা কেন্দ্র থেকে স্বচ্ছতার সঙ্গে সেবা নিতে পারেন, সে বিষয়ে কর্মকর্তাদের আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “আমার জীবন থাকতে এলাকার কোনো মানুষকে হয়রানি হতে দেব না। ভালো মানুষ বা খারাপ মানুষ যে দলেরই হোক না কেন, ডুমুরিয়ার মাটিতে সাধারণ মানুষকে ঠকানো বা হয়রানি করা সহ্য করা হবে না।”

সভায় বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস, ডুমুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ আছের আলী, খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি চেয়ারম্যান মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সরোয়ার হোসেন, শেখ শাহিনুর রহমান, শেখ ফহরাদ হোসেন, ডুমুরিয়া উপজেলা কানুনগো মোঃ জাকির হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা নূরুন নবী খোকা, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, থুকড়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন, মুফতি আব্দুল মালেক ও সজিব কুমার বিশ্বাস।

মেলায় অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) প্রদান, ই-নামজারি সহায়তা, ই-পর্চা ও ডিজিটাল মৌজা ম্যাপ সেবা, ডিসিআর ও খতিয়ান সংগ্রহ, স্মার্ট ভূমি রেকর্ড বিতরণ এবং অভিযোগ প্রতিকার ও গণশুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এছাড়া মেলায় প্রজেক্টরের মাধ্যমে সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শন করা হচ্ছে এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের হটলাইন ১৬১২২ ও land.gov.bd পোর্টালের ব্যবহার হাতে-কলমে শেখানো হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সকল নাগরিককে মেলায় এসে আধুনিক ও হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সদর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ নূরুল ইসলাম।


বাজেটে নারীদের সুবিধা বাড়াতে জেলায় জেলায় অবকাঠামো বরাদ্দের দাবি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বরিশাল ব্যুরো

বাজেটে নারীদের জন্য জেলায় জেলায় ডে কেয়ার সেন্টার, পাবলিক টয়লেট, কর্মজীবী নারী হোস্টেল ও মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মাণে পৃথক বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম। পাশাপাশি গৃহস্থালি কাজের আর্থিক মূল্য নির্ধারণ ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিও জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১১টায় বরিশাল অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাজেট শুধু অর্থনৈতিক দলিল নয়, এটি সরকারের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলনও।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মাফিয়া বেগম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ বরিশাল জেলা শাখার সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী।

এছাড়া বক্তব্য দেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন খোকন, বাসদ বরিশাল জেলা শাখার সদস্য শহিদুল ইসলাম, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম বরিশাল জেলা শাখার ক্রীড়া সম্পাদক খুকুমণি, খান সন্স টেক্সটাইল শ্রমিক ইউনিয়নের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রিজিয়া বেগম, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বরিশাল মহানগর শাখার আহ্বায়ক সুজন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ফারজানা আক্তার এবং চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বরিশাল জেলার সংগঠক লামিয়া সায়মন।

বক্তারা বলেন, দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী হলেও বাজেটে তাদের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয় না। তারা জানান, গৃহস্থালি ও পরিচর্যামূলক কাজের বড় অংশ নারীরা করলেও তা অর্থনৈতিক হিসেবে গণনায় আসে না। ২০২১ সালের তথ্য উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে নারীদের অবৈতনিক গৃহস্থালি ও পরিচর্যা কাজের আর্থিক মূল্য প্রায় ৬ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের জিডিপির প্রায় ১৮.৯ শতাংশ।

তারা আরও বলেন, সন্তান পালন ও গৃহস্থালি দায়িত্বের কারণে নারীরা কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েন। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ হিসেবে ডে কেয়ার সেন্টার, নিরাপদ গণপরিবহন, কর্মজীবী নারী হোস্টেল, স্বাস্থ্যসম্মত পাবলিক টয়লেট এবং মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মাণ জরুরি। নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত করতে হলে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখতে হবে এবং এসব পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।


banner close