শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
২ কার্তিক ১৪৩৩

ডিসির নম্বর ক্লোন করে নির্বাচনী প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি

প্রতীকী ছবি
প্রতিনিধি, বগুড়া
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, বগুড়া
প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩ ২১:২৯

বগুড়ার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সরকারি মোবাইল ফোন নম্বর ক্লোন করে উপনির্বাচনে অংশ নেয়া এক প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি করার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার রাতে জেলা প্রশাসকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘DC Bogura’ নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এ বিষয়ে সতর্কীকরণ পোস্ট দেয়া হয়।

ওই পোস্টে বলা হয়, সম্প্রতি বগুড়া জেলা প্রশাসক ও উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের অফিসিয়াল নম্বর ক্লোন করে বিভিন্ন প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি করা হয়েছে। এজন্য সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান করা হচ্ছে, কেউ অর্থ দাবি করলে যাচাই-বাছাই ও তাৎক্ষণিকভাবে বগুড়া জেলা প্রশাসককে জানাতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘শনিবার উপনির্বাচনে এক প্রার্থীকে ফোন দেয় চক্রটি। তার সন্দেহ হলে তিনি আমাকে ফোন দেন, তখন বিষয়টি জানাজানি হয়। সঙ্গে সঙ্গে প্রতারক চক্রের বিষয়ে ফেসবুকে পোস্টসহ আর্থিক লেনদেন না করতে নিষেধ করা হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘একটি প্রতারক চক্র প্রশাসনের নাম করে অবৈধভাবে টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য নম্বরটি ক্লোন করে। এ বিষয়ে আগামীকাল আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তবে প্রার্থীর নাম ও কী পরিমাণ টাকা দাবি করা হয়েছে তা প্রকাশ করেননি সাইফুল ইসলাম।

বিষয়:

নির্বাচিত

নীলফামারীর ৮১২টি পূজামণ্ডপে এসআরবির বিশেষ নিরাপত্তা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নীলফামারী প্রতিনিধি

শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে নীলফামারীর ৮১২টি মন্দির ও পূজামণ্ডপে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩ (এসআরবি-১৩)। নাশকতা ও অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১টায় নীলফামারী শহরের শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীমাতা দুর্গাপূজা মন্দিরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান রংপুরের এসআরবি-১৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনজুর করিম।

তিনি জানান, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় পর্যাপ্তসংখ্যক সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি সাদাপোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সাইবার মনিটরিং কার্যক্রম চলবে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত।

এ ছাড়া প্রতিমা বিসর্জনের দিন নেওয়া হবে অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা। গুজব ও উসকানিমূলক তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনো তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে এসআরবি-১৩।


নির্বাচিত

বন্ধুকে হত্যার পর নদীতে ফেলে গুম ৫ মাস পর কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাকিবুল হাসান রোকেল, কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পাঁচ মাস আগে নিখোঁজ হওয়া আরিফ মিয়া ওরফে সালমান (২১) নামের এক তরুণকে হত্যার অভিযোগে তার চার বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

পুলিশের ভাষ্য, ড্যান্ডি সেবনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সালমানকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ নরসুন্দা নদীতে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। নিখোঁজের পাঁচ মাস পর গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে নদী থেকে তাঁর মাথার খুলি, বুকের পাঁজরসহ ৭৭টি হাড় উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর গ্রামের গোলাপ মিয়ার দুই ছেলে সাকিব (১৮) ও মাফি (১৫), মৃত মোতালেবের ছেলে রফিক (৪০) এবং শামছুদ্দিনের ছেলে রমজান মিয়া (৩৫)।

পুলিশ সুপার জানান, গত ১৮ মে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সালমান বাড়ি থেকে ইলিমান বাজারের উদ্দেশে বের হন।

এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি।

পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরদিন ১৯ মে হোসেনপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

জিডির সূত্র ধরে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় তদন্ত শুরু করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে সালমান ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মুঠোফোনের কথোপকথন এবং চলাফেরার তথ্য বিশ্লেষণ করে পুলিশ।

এতে সালমানের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার বন্ধুদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায় বলে জানান পুলিশ সুপার।

তিনি আরও জানান, ছেলের নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ মাস পার হলেও কোনো সন্ধান না পেয়ে গত ১৬ অক্টোবর হোসেনপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন সালমানের বাবা ফজলুর রহমান।

মামলার পর ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়ার নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে পাকুন্দিয়ার বিশ্বনাথপুর গ্রাম থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন।

পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সালমানকে হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশে নরসুন্দা নদীর কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করেছেন।

পুলিশ সুপার জানান, পাঁচজন মিলে ড্যান্ডি সেবন করার সময় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সালমান বাঁশ দিয়ে মাফিকে আঘাত করেন। পরে বাঁশটি কেড়ে নিয়ে চারজন সালমানকে পিটিয়ে হত্যা করেন। এরপর তার মরদেহটি নদীর কচুরিপানার নিচে চাপা দিয়ে রাখা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল শুক্রবার দুপুরে হোসেনপুর উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের হাতিমের স্কুলের পাশের নরসুন্দা নদী থেকে কঙ্কালের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে ছিল মাথার খুলি, বুকের পাঁজরসহ মোট ৭৭টি হাড় এবং একটি গেঞ্জি।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে গিয়ে গেঞ্জি দেখে সালমানের মা সালমা কঙ্কালটি তার ছেলের বলে শনাক্ত করেন।

তবে পরিচয় নিশ্চিত করতে কঙ্কালটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান পুলিশ সুপার। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মুকিত সরকার, ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বাহার মিয়াসহ পুলিশের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

চাঁদাবাজি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: চিফ হুইপ

আজ বরগুনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫১
অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো অপরাধীকে রাজনৈতিক পরিচয়ে ছাড় দেওয়া যাবে না।

আজ বরগুনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সরকারি সেবার মানোন্নয়ন প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। জনগণ যেন হয়রানি ছাড়াই সরকারি সেবা পায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, বরগুনার সার্বিক উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বরগুনাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগানো সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের অংশ। এ অঞ্চলের কৃষি, মৎস্য, পর্যটন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

চিফ হুইপ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সরকারি বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল যেন প্রকৃত অর্থেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা, সততা ও আন্তরিকতার বিকল্প নেই। বরগুনার সার্বিক উন্নয়ন এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

বরগুনার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাছলিমা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ওলি উল্লাহ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

ইনানীর রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কক্সবাজার প্রতিনিধি 

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন পাটোয়ারটেক এলাকায় কাঠের তৈরি একটি বিলাসবহুল অবকাশ যাপন কেন্দ্রে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দশে দাঁড়িয়েছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো সবাই পর্যটক বলে নিশ্চিত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে পাঁচজন নারী ও একটি শিশুসহ ছয়জনের পরিচয় ইতিমধ্যে শনাক্ত করা গেছে।

গত শনিবার সকালে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন ‘টুপটুপ’ নামের ওই রিসোর্টটিতে হঠাৎ করেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই বেশ কয়েকজন গুরুতর দগ্ধ ও আহত অবস্থায় উদ্ধার হয়ে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়া নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন রাজধানীর বনশ্রী এলাকার বাসিন্দা ইসরাত জাহান মালিহা ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী, খিলগাঁও এলাকার লায়লা জাহান নাবিলা ও নাফিসতা মীম, চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির এবং পাঁচ বছর বয়সী শিশু ফায়িজান আহম্মেদ। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন এবং তাঁর স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খানসহ মান্নান, মেহেরুন্নেসা, মাসুদ ও সামিদা।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনামতে, সকালের দিকে হঠাৎ করেই রিসোর্টটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ও পুলিশের সহায়তায় দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান যে, উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দশটি মরদেহ উদ্ধার করেছেন এবং আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে রিসোর্টের রান্নাঘরের চুল্লি থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও নেপথ্য বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।


নির্বাচিত

ইনানীতে রিসোর্টে আগুনে নিহত বেড়ে ৭, নিখোঁজ অন্তত ৫

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কক্সবাজার প্রতিনিধি 

কক্সবাজারের উখিয়ায় মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন ইনানীর পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকায় ‘টুপটুপ’ নামের একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া অগ্নিদগ্ধ দুজনকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালের দিকে আকস্মিকভাবে রিসোর্টটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে এবং সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এরপরই ভস্মীভূত রিসোর্টের ভেতর শুরু হয় ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান।

ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দোলন আচার্য ঘটনাস্থল থেকে সাতটি মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রিমন ঘোষ জানান, নিহতরা সবাই পর্যটক বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, জীবিত উদ্ধার হওয়া দুজনের শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় তাদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে।

রিসোর্টে অবস্থানকারীদের সংখ্যা সম্পর্কে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার জানান, নথিপত্র অনুযায়ী সেখানে ২৭ জনের বুকিং ছিল, যার মধ্যে ঘটনার সময় ৯ জন বাইরে অবস্থান করছিলেন। উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অগ্নিকাণ্ডে কাঠের ও অন্যান্য সামগ্রীতে নির্মিত রিসোর্টটি সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে। ভেতরে আরও কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা। আগুনের সূত্রপাত ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। এদিকে দুর্ঘটনার পরপরই রিসোর্ট পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।


নির্বাচিত

কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে আগুন, ৫ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী সমুদ্রসৈকতে যাতায়াতের পথে পাটুয়ারটেক এলাকার একটি অবকাশ যাপন কেন্দ্রে আকস্মিক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত পাঁচজনের প্রাণহানির মর্মান্তিক সংবাদ পাওয়া গেছে। এই অগ্নিকাণ্ডে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি আরও বহু মানুষ হতাহত হয়ে থাকতে পারেন বলে তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

আজ শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে এই দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

উখিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গণমাধ্যমকে পাঁচজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, দুর্ঘটনাস্থলে বর্তমানে উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান যে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের একটি পূর্ণাঙ্গ দল দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে দ্রুত রওয়ানা হয়ে কাজ শুরু করে।

প্রাথমিক অবস্থায় আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ বা সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি। এছাড়া নিহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় এবং সামগ্রিক আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণও তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।

উদ্ধারকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পরই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।


নির্বাচিত

অন্তর্বর্তী সরকার যে ক্ষতি করেছে তা বর্ণনা দেওয়া যাবে না: বিমানমন্ত্রী

ছবি: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘দেড় বছরে অন্তর্বর্তী সরকার যে ক্ষতি করেছে তা বর্ণনা দেওয়া যাবে না। প্রশাসনে যারা আছেন তাদের হয়তো বিষয়টি জানার কথা। বিভিন্নভাবে চক্রান্ত করে তারা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পরিকল্পনা করেছিল। জনগণ তা হতে দেয়নি। গ্যাসের যে সংকট তা নিরসন হতে এক বছর সময় লাগবে। তারপরও যতটুকু সম্ভব আমদানি করে সরকার গ্যাস দিয়ে যাচ্ছে।’

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সামাজিক সুরক্ষা প্রদান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা ক্ষমতা নেওয়ার পরই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ লেগে গেল। ইরান, ইউক্রেন, এখন সৌদি আরবে চলছে। নানান কারণে অর্থনেতিক সংকটে পড়েছি। অর্থনৈতিক সংকট বিশ্বব্যাপী।

মন্ত্রী বলেন, ১৭ বছরে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দেশের যে ক্ষতি করছে তা তো করেছেই। গত দেড় বছরে অন্তর্বর্তী সরকার যে ক্ষতি করেছে তা বর্ণনা দেওয়া যাবে না। ইউরোপে ডিজেলের লিটার বাংলাদেশের টাকায় সাড়ে তিনশ টাকা। অথচ আমাদের দেশের কিছু অসভ্য লোক সাধারণ মানুষকে উসকে দিয়ে অকারণে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে বলে। বট বাহিনী মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্ত ছড়াতে চায়। সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে বট বাহিনী লেগেই আছে। সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ জন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাই।

তিনি বলেন, মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার জন্য এ সরকার বদ্ধপরিকর। মাদকের সাথে কোন আপস নয়। মাদকের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে। দলের যারা খারাপ কাজ করবেন তাদের দল থেকে বহিষ্কার করতে আমরা প্রস্তুত। এছাড়া সরকার চেষ্টা করছে সবকিছু স্বাভাবিক করার।

পরে মন্ত্রী উপজেলা পরিষদ চত্বরে অর্জুন গাছের চারা রোপণ, পূজা মণ্ডপে সরকারি সহায়তা, শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ,গরিব-অসহায়দের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ করেন। এ সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

উপজেলা অডিটরিয়ামে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুরাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা, কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দেওয়ানগঞ্জ সার্কেল) জোনাঈদ আফ্রাদ, ওসি মকবুল হোসেন, বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স, পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিছুজ্জামান গামা, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল তালুকদার, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ সওদাগর বিপ্লব, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শাজহাজান শাওন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশিকুর রহমান তুলন ও মহিলা দলের সভাপতি শান্তি আক্তার শিউলী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


নির্বাচিত

জঙ্গল সলিমপুরে উচ্ছেদ আতঙ্কে বিক্ষোভ, পুলিশ-বিজিবির লাঠিচার্জ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরে সরকারি স্থাপনা নির্মাণের খবরে উচ্ছেদের আশঙ্কা থেকে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলমের পরিদর্শনের সময় এ বিক্ষোভ হয়।

এ সময় বাসিন্দাদের সঙ্গে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের বাগবিতণ্ডা, ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবিকে লাঠিচার্জ করতে দেখা গেছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে এসব দৃশ্য দেখা যায়। ভিডিওতে লিফলেট হাতে একদল বাসিন্দাকে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। এ সময় তাদের বলতে শোনা যায়, ‘নিজের টাকা দিয়ে জায়গা কিনেছি, সেই জায়গা ফেরত চাই।’

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, বিক্ষোভকারীদের সামনে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা অবস্থান করছেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও ধস্তাধস্তি হয়। কয়েকজন নারীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে ও প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা লাঠি হাতে এগিয়ে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করেন। এ সময় আশপাশের দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল জুমার নামাজের পর জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর স্কুলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে যান এসপি মো. মাসুদ আলম। তার আগমনের খবর পেয়ে সেখানে নারীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হন। তাদের হাতে ছিল লিফলেট। সরকারি স্থাপনা নির্মাণের জন্য তাদের বসতভিটা বা কেনা জমি থেকে উচ্ছেদ করা হতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকেই তারা বিক্ষোভ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ অ্যাকাডেমি, কারাগারসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে তাদের জমি ও বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না। নিজেদের টাকায় কেনা জমির মালিকানা ও বসবাসের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি প্রয়োজনে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হলে আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা করিম বলেন, আমরা নিজেদের টাকা দিয়ে জমি কিনেছি। দীর্ঘদিন ধরে এখানে বসবাস করছি। এখন পুলিশ অ্যাকাডেমি ও কারাগার নির্মাণের কথা শুনে আমাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আমরা উন্নয়নের বিপক্ষে নই, তবে আমাদের যেন পথে বসতে না হয়।

আরেক বাসিন্দা ছদ্মনামে রহিমা বেগম বলেন, আমরা পরিবার নিয়ে এখানে বসবাস করি। সরকারি স্থাপনা নির্মাণ হলে আমাদের বাড়িঘর থাকবে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। আমাদের দাবি, বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হোক এবং কাউকে জোর করে উচ্ছেদ করা না হোক।

পুলিশ বলছে, সরকারি স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও বিভ্রান্তি রয়েছে। এ কারণে তাদের একাংশ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন।

জানতে চাইলে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে। তারা আশঙ্কা করছেন, সরকারি স্থাপনা নির্মাণের জন্য তাদের উচ্ছেদ করা হবে। এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। সরকারি প্রয়োজনে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি প্রয়োজন হলে আইন অনুযায়ী অধিগ্রহণ করতে হবে। আর খাসজমির ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়দের আশ্বস্ত করা হয়েছে, তাদের জোর করে উচ্ছেদ করা হবে না।

প্রসঙ্গত, গত ৮ অক্টোবর সচিবালয়ে জঙ্গল সলিমপুরের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে এক সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সেখানে রাজশাহীর সারদার আদলে একটি পুলিশ অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই এলাকায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে। এ জন্য ৭২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। সেখানে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) স্থাপনা নির্মাণের জন্যও জায়গা নেওয়া হয়েছে।


নির্বাচিত

কুমিল্লায় প্রকাশ্যে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ছবি: হত্যাকাণ্ডের শিকার মো. কাউসার।
আপডেটেড ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৪৬
নিজস্ব প্রতিনিধি

কুমিল্লা নগরীর ছত্রখিল এলাকায় দুর্বৃত্তদের ধারাল অস্ত্রের আঘাতে মো. কাউসার নামের এক যুবদল নেতার মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে হামলার শিকার হন তিনি। পরে হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত কাউসার যুবদলের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নেতা ছিলেন। তিনি বিএনপি নেতা কবিরের ছোট ভাই।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ছত্রখিল এলাকায় কাউসারের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লার ট্রমা সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার। তিনি জানান, কাউসারের মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কারা এবং কী কারণে কাউসারের ওপর হামলা চালিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ওসি।


নির্বাচিত

আসামি ছিনিয়ে নিতে গাজীপুরে ফাঁড়িতে হামলায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গাজীপুরের জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, শুভ আহমেদ (২০), মো. ইয়াছিন (২৬) ও মো. ছানোয়ার হোসেন হৃদয় (২৩)।

পুলিশ জানায়, মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসা করছে এমন সংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. আনিছ ও মোসা. সিমলা নামে দুইজনকে আটক করা হয়। আটক হওয়া ব্যক্তিরা তালাবদ্ধ রুমে ছিলেন। তাদেরকে আটকের খবর পেয়ে কিছুক্ষণ পরেই একদল যুবক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা করে।

হামলাকারীরা আটক দুইজনকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় বাধা দিলে হামলাকারীদের মারধরে রেলওয়ে পুলিশের এসিসট্যান্ট টাউন সাব-ইন্সপেক্টর (এটিএসআই) নুরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আশিকুর রহমান আহত হয়েছেন। পরে ফাঁড়ির অন্য পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহতদেরকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এঘটনায় রাতেই এসআই নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকা রেলওয়ে থানায় পৃথক দুইটি মামলা করে। মামলার পরেই বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপ) সদর থানা পুলিশ, ডিবি ও রেলওয়ে পুলিশ যৌথভাবে শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেন।

জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক হোসেন বলেন, এ ঘটনায় এটিএসআই নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে সরকারী কাজে বাধা, পুলিশকে আহত করা এবং সরকারি সম্পত্তি ক্ষতির অভিযোগে একটি এবং মাদক আইনে একটি সহ মোট দুইটি মামলা করেছেন। পরে জিএমপির সদর থানা পুলিশ, ডিবি ও রেলওয়ে পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে হামলার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া মাদকসহ আটক দুজনকেও হামলা ও মাদকের পৃথক মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানা পুলিশ তাদের রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। তাদের ঢাকার আদালতে পাঠানো হবে।


নির্বাচিত

বাপাজসের নতুন সভাপতি ড. মহিউদ্দিন, সম্পাদক সামছুল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আবিদ হোসেন বুলবুল, গাজীপুর

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিনকে সভাপতি এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের উপপরিচালক মো. সামছুল আলম (শিবলী)-কে সাধারণ সম্পাদক করে ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতি (বাপাজস)’-এর ২৫ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে দুই বছর মেয়াদী (২০২৭-২০২৮) এ নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সংগঠনটির সদ্য বিদায়ী সভাপতি মো. আবুল কাসেম শিখদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি অনুমোদন করা হয়। সভা শেষে সাবেক কমিটির নেতারা নবনির্বাচিত কমিটির নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যান্যরা হলেন- সিনিয়র সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম পান্না (ঢাবি), সহসভাপতি মোহম্মদ আলী (বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর) ও মো. নজরুল ইসলাম (শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান (চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স ইউনিভার্সিটি) ও মো. সাইফুল ইসলাম (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়), কোষাধ্যক্ষ মো. বাবুল হোসেন বাবু (পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আল-আমিন খান (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), দপ্তর সম্পাদক ফরহাদ রহমান সরকার (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. সালমান সাদেকীন চয়ন (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়), সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোস্তাক জাহান (বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস), ক্রীড়া সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম (চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়)।

এ ছাড়াও কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন- কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু (বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), মো. বশিরুল ইসলাম (শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), গোলম মর্তুজা (রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), কামরুন নাহার (ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়—ডুয়েট), খাদেমুল ইসলাম (হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), মো. সাহেদ হাসান (ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়), খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়) এবং আবু সালেহ মুহাম্মদ মূসা (ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়)।


নির্বাচিত

প্রকাশ্যে সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা, জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি

ছবি: লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
এ, বি , চৌধুরী নাদিম, নেত্রকোনা

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে প্রকাশ্যে লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির (৩১) নামের এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুর্গাপুর পৌরসভার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উতরাইল বাজার এলাকায় এ বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে। ​নিহত লুৎফুজ্জামান আলিফ পোগলা ইউনিয়নের সুনই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বেসরকারি ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন (আইপিটিভি) ‘চ্যানেল রূপসী বাংলা’র নেত্রকোনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনার মাধ্যমে স্থানীয় নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিয়মিত লেখালেখি করতেন তিনি।

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জানা যায়, রাত আটটার দিকে লুৎফুজ্জামান উতরাইল বাজারের একটি দোকানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই মুখোশধারী যুবক তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

​দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমদ খান জানান, নিহত সাংবাদিকের মাথা, গলা ও বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পাঁচটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

​এদিকে খবর পেয়ে নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাত সাড়ে ৯টায় তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম ইতোমধ্যে চিরুনি অভিযানে নেমেছে।’

​উল্লেখ্য, পেশাগত দায়িত্ব পালন ও লেখালেখির কারণে লুৎফুজ্জামান এর আগেও হামলার শিকার হয়েছিলেন। গত বছরের ১০ নভেম্বর দুর্গাপুরের সোমেশ্বরী নদীর তেরিবাজার ঘাট এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছিল।


নির্বাচিত

জনদুর্ভোগ লাঘবে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে: এমপি লিটন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ময়মনসিংহ ব্যুরো

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নে চরকুমারিয়া থেকে মৈশাটিকে সড়ক পর্যন্ত পাকাকরণ উন্নয়ন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ উন্নয়ন কাজের ফলক উন্মোচন ও শুভ উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন বলেন, ‘এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। চরকুমারিয়া থেকে মৈশাটিকে সড়কটি পাকাকরণের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত একটি দাবির বাস্তবায়ন হলো।’ ​

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী জোবায়েত হোসেন, ধানীখোলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফখরুল কবির, যুগ্ম আহ্বায়ক এবি সিদ্দিক এবং যুগ্ম আহ্বায়ক জসীমউদ্দীন।​ এ ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সড়কটির পাকাকরণ কাজ শুরু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।


নির্বাচিত

banner close