রোববার, ২৮ মে ২০২৩

চোরাচালানে বন্দি বন্ধন এক্সপ্রেস

আপডেটেড
৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৫:২০
রাশেদুর রহমান, বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশিত
রাশেদুর রহমান, বেনাপোল (যশোর)

ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে চলাচলকারী বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন এখন চোরাকারবারিদের দখলে। বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করছে চোরাকারবারিরা। ট্রেনে করে লাখ লাখ টাকার চোরাচালান পণ্য ভারত থেকে আসছে অবাধে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সামনেই চোরাচালান পণ্য পাচারের প্রতিযোগিতা চলে বেনাপোল রেলস্টেশনে।

চোরাকারবারিদের দমনে মাঝে মাঝে কাস্টমস, র‌্যাব ও বিজিবি অভিযান চালিয়ে ভারতীয় পণ্য জব্দ করলেও কমছে না তাদের দৌরাত্ম্য। গত দুই দিনে কাস্টমস ও র‌্যাব খুলনা-কলকাতা বন্ধন ট্রেনের যাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ৯১ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে।

২০১৭ সালের ১৪ এপ্রিল ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রা শুরু হয় বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনের। কলকাতা-খুলনা চলাচলকারী ট্রেনটি রোব ও বৃহস্পতিবার সপ্তাহে দুদিন চলাচল করে। বর্তমানে এ ট্রেনের অধিকাংশ যাত্রীরই চোরাকারবারি। প্রতিবার ট্রেনে করে ৫০৭ জন করে যাত্রী যাতায়াত করে দুই দেশের মধ্যে। ট্রেনটি আন্তর্জাতিক হলেও নেই তেমন কোনো নিরাপত্তাব্যবস্থা। চোরাচাকারবারিরা বেনাপোল, যশোর ও খুলনা এলাকার হওয়ায় অন্য যাত্রীদের সিটের ওপর চোরাই পণ্য তুলে দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে। মাঝেমধ্যে টাকা-পয়সাও কেড়ে নেয়ার অভিযোগ করেছেন ভ্রমণকারীরা।

আলাদা রুটে যাতায়াত

ট্রেনটি ধারণক্ষমতার দ্বিগুণসংখ্যক যাত্রীসহ চোরাচালান পণ্য নিয়ে যাওয়া-আসা করছে বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি। তবে এসব চোরাকারবারি যাওয়ার সময় যায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে আর ফিরে আসে বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনে। ফলে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্টেশনে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার না থাকায় বিজিবি ও পুলিশের সামনে চোরাচালান পণ্য নিয়ে ছোটাছুটি করতে দেখা যায় তাদের। অথচ যাত্রীদের লাগেজ স্ক্যানিং করার পরও ব্যাগ তল্লাশি করা হয় এমন অভিযোগ রয়েছে যাত্রীদের। বিশেষ করে বন্ধন এক্সপ্রেস বেনাপোল স্টেশনে আসার পরপরই বহিরাগত চোরাচালানিরা ঘিরে ফেলে প্লাটফর্ম। মাঝেমাঝে চোরাচালান পণ্য জব্দ করতে গিয়ে বিজিবি ও পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়েছে।

পুলিশের নীরব ভূমিকা

গতকাল সকালে ভারত থেকে আসা জাহিদুর রহমান জানান, বন্ধন ট্রেনে সাধারণ যাত্রীর চলাচলের পরিবেশ নেই। ট্রেনের সব বগি চোরাকারবারিদের দখলে থাকে। চোরাকারবারিরা একেক জন পাঁচ থেকে ছয়টি কম্বলসহ একাধিক লাগেজ নিয়ে ট্রেনের সিটের ওপর ইচ্ছামতো রেখে দেয়। যাত্রীরা কিছু বললে তারা বাজে ব্যবহার করে থাকে। বেশি খারাপ ব্যবহার করে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ। ১৪ থেকে ১৫ জনের দল বিপুল পরিমাণ চোরাই পণ্য নিয়ে ট্রেনে ওঠে। এদের কিছু বললেই গালিগালাজ করে। ট্রেনের ভেতর রেলওয়ে পুলিশ থাকলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করে। এভাবে চলতে থাকলে এ ট্রেনে সাধারণ যাত্রী চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে।

বেনাপোল রেলওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায়কোবাদ বলেন, ‘বন্ধন ট্রেনের কোনো যাত্রী যাতে কারও দ্বারা হয়রানির শিকার না হন তার জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে থাকি। যাত্রীরা আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন, সেটা সঠিক নয়। ট্রেনের ভেতর কোনো যাত্রী অন্য যাত্রীকে বিরক্ত করার ঘটনা আমরা জানতে পারলে সেটা সমাধান করে থাকি।’

কোটি টাকার পণ্য জব্দ

বেনাপোল কাস্টমসের জয়েন্ট কমিশনার আব্দুল রশিদ মিয়া জানান, খুলনা-কলকাতা চলাচলকারী বন্ধন ট্রেনের যাত্রী এখন চোরাকারবারি। এসব চোরাকারবারি ট্রেনের পরিবেশ নষ্ট করছে। এটা আন্তজার্তিক মানের ট্রেন হলেও চোরাকারবারিদের কারণে যাত্রীদের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। চোরাকারবারিদের দমনে বন্ধন ট্রেনে অভিযান চালিয়ে গত দুই দিনে প্রায় ৯১ লাখ টাকার ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করা হয়েছে।

বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান বলেন, বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী সংখ্যা বেড়েছে। তবে ট্রেনে লাগেজ পার্টির (চোরাকারবারি) সংখ্যা বাড়ছে ক্রমেই। এরাই রেলওয়ে স্টেশনে বিশৃঙ্খলা করছে। বিজিবি স্টেশনে উপস্থিত থাকলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করে থাকে। বিষয়টি রেলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

বেনাপোল বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার মাহাবুবুর রহমান জানান, ‘ট্রেনের ভেতর কী হচ্ছে, আমরা সেটা জানব কেমন করে? তা ছাড়া আমরা ট্রেন স্টেশনে ডিউটি পালন করি কিন্তু ট্রেনের ভেতর উঠি না। বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনে ঝামেলা হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।’

বিষয়:

বিএনপি দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করে না: খাদ্যমন্ত্রী

রোববার নওগাঁর পোরশা উপজেলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জুলিও কুরি শান্তি পদক’ প্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৮ মে, ২০২৩ ১৭:২৩
প্রতিনিধি, নওগাঁ

বিএনপি দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করে না বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি এদেশের জন্য লজ্জার হলেও বিএনপি তাতে খুশি। বিএনপি দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করে না। তারা শুধু জ্বালাও পোড়াও পছন্দ করে।’

রোববার দুপুরে নওগাঁর পোরশা উপজেলা পরিষদে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জুলিও কুরি শান্তি পদক’ প্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ‘কৃষকবান্ধব সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে দেশে বাম্পার ফলন হয়েছে। এদেশে খাদ্য সংকট হবে না। কৃষকের জন্য সরকার ভর্তূকি মূল্যে সার দিচ্ছে। বিনামূল্যে বীজ ও কৃষি উপকরণ দিচ্ছে। অথচ বিএনপির আমলে সার চেয়ে কৃষক গুলি খেয়েছিল। প্রাণ গিয়েছিল ১৯ জন কৃষকের।’

সরকারের উন্নয়নচিত্র তুলে ধরে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এমন কোনো খাত নেই যেখানে প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য পৌঁছায়নি। কমিউনিটি ক্লিনিক গরীব মানুষের চিকিৎসা সেবার জন্য তৈরি করে শেখ হাসিনার সরকার। বিএনপি ২০০১ ক্ষমতায় এসে সেই কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করেছিল। অথচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কমিউনিটি ক্লিনিক এখন বিশ্বে মডেল বিবেচিত হচ্ছে।’

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের সকল পর্যায়েই শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের পক্ষে থেকেছেন। বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও শান্তির দর্শন নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এর আগে তিনি কৃষিপ্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করেন এবং মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। পরে তিনি উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আয়োজিত সমতলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্যদের মাঝে ভেড়া বিতরণ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের সহায়তা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের হাতে ল্যাপটপ তুলে দেন।

পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পোরশা উপেজলা চেয়ারম্যান শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার সরকারসহ অন্যরা।

বিষয়:

বাসে মিলল বস্তাভর্তি টাকা

বাসে তল্লাসি চালিয়ে বস্তাটি থেকে ৩৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়
আপডেটেড ২৮ মে, ২০২৩ ১৬:০৪
প্রতিনিধি, লালমনিরহাট

লালমনিরহাটের তিস্তা টোল প্লাজায় যাত্রীবাহী একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে বাসের লকারে থাকা একটি বস্তা থেকে ৩৮ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মমিনুল ইসলাম নামের এক যাত্রীকে আটক করা হয়।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে লালমনিরহাট-রংপুর মহাসড়কের তিস্তা টোল প্লাজা এলাকায় নাবিল পরিবহন থেকে এ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে কুড়িগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী নাবিল পরিবহনের একটি বাসে তল্লাশি চালানোর সময় একটি চালের বস্তায় রাখা ৩৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয় এবং মমিনুল ইসলাম নামে এক যাত্রীকে আটক করা হয়।

আটক মমিনুল কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর থানার কিশামত তবকপুর গ্রামের ছাবেদ আলীর ছেলে।

লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল আলম দৈনিক বাংলাকে বলেন, এটি আমাদের নিয়মিত তল্লাশি। তল্লাশি করতে গিয়ে চালের বস্তাটি সন্দেহজনক হওয়ায় চেক করা হয়। সেখানে ৩৮ লাখ টাকা পাওয়া যায়। এ সময় মমিনুল ইসলাম নামে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে আটক ব্যক্তি টাকার কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন, তার মামার কনস্ট্রাকশন কাজের লেনদেনের টাকা নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন।


মাদকের টাকা না পেয়ে ছেলেকে ছুরিকাঘাত

দানেশ মিয়া এবং তার ছেলে রাব্বি মিয়া
আপডেটেড ২৮ মে, ২০২৩ ১৫:৪৯
প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকা না পেয়ে ছেলেকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে এক বাবার বিরুদ্ধে। রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার কোট শোলাকিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্তের নাম দানেশ মিয়া (৫০) এবং ছেলের নাম মো. রাব্বি মিয়া (২২)। ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত রাব্বিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দানেশ মিয়াকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, দানেশ দীর্ঘদিন ধরে যাবত মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। এক পর্যায়ে তিনি নিজেও মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। একাধিকবার বিয়ে করেছেন তিনি। সাত মাস আগে তার ছেলে রাব্বি বিয়ে করেন। দানেশ তার পুত্রবধূকে একাধিকবার ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বেশ কয়েকবার হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে লজ্জায় বিষয়টি গোপন রাখেন তারা।

সম্প্রতি মাদকের টাকার জন্য ছেলে রাব্বিকে চাপ দিতে শুরু করেন দানেশ। এ নিয়ে রোববার সকালে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ছুরি দিয়ে ছেলের গলায় আঘাত করেন দানেশ। এতে রাব্বির গলা কেটে যায়। এ সময় দৌড়ে পালাতে চাইলে আবারও তার পিঠে আঘাত করেন। এক পর্যায়ে প্রতিবেশীরা এসে রাব্বিকে উদ্ধার করেন আর দানেশকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত রাব্বিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা দানেশ মিয়াকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিষয়:

সিরাজগঞ্জে যুবকের পেট থেকে ১৫ কলম উদ্ধার, বাকি আরও ৫

গত বৃহস্পতিবার এন্ডোসকপি করে মোতালেবের পেট থেকে কলমগুলো বের করা হয়। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৮ মে, ২০২৩ ১৫:২২
প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জে এক যুবকের পেট থেকে সার্জারির মাধ্যমে ১৫টি কলম বের করা হয়েছে। জেলার শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এন্ডোসকপিক সার্জারি করে মোতালেব হোসেন (৪২) নামে ওই যুবকের পেট থেকে বের করা হয় কলমগুলো। তার পেটে এখনো চার-পাঁচটি কলম রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

মোতালেব হোসেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার খুকনী ইউনিয়নের আটারদাগ গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের ছেলে। পেটব্যথা ও অসুস্থতা নিয়ে একের পর এক চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু কোনো সমাধান মিলছিল না। শেষে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে বিষয়টি ধরা পড়ে।

মোতালেবের চাচাত ভাই আব্দুর রহমান জানান, এর আগে ২০০৬ সালেও মোতালেব হোসেনের পেটব্যথা হয়েছিল। সে সময় অস্ত্রোপচার করে তার পেট থেকে দুটি লোহার টুকরা বের করা হয়।

হাসপাতালের সার্জারি বিভাগ সূত্র জানায়, মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক দুই সপ্তাহ ধরে মোতালেব হোসেনের পেটব্যথার চিকিৎসা দিয়েছেন। কোনো ফল না পেয়ে পেটে এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম করে বুঝতে পারেন, তার পাকস্থলিতে কলমজাতীয় বস্তু রয়েছে। এরপর গত বৃহস্পতিবার তিন ঘণ্টায় (বেলা ১১টা থেকে পৌনে ২টা পর্যন্ত) এন্ডোসকপি করে ১৫টি কলম বের করা হয়। তার পেটে এখনো চার-পাঁচটি কলম রয়েছে।

মোতালেব হোসেনের মা লাইলী বেগম বলেন, আমার ছেলে ভালো ছাত্র ছিল। এসএসসি পাসের পর সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। এরপর কখন কলমগুলো গিলেছে আমরা বলতে পারব না। দীর্ঘদিন সুস্থ স্বাভাবিকভাবেই কাজ করেছে সে। এক বছর হলো পেটব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়ে।

শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের কনসালট্যান্ট জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী সোমবার আবার এন্ডোস্কপির মাধ্যমে বাকি কলমগুলো বের করা হবে। স্বাভাবিক অবস্থায় তিনি কীভাবে কলমগুলো গিললেন, বুঝতে পারছি না। এটি আসলেই চিন্তার বিষয়। আমাদের মনে হচ্ছে, তার স্নায়ুতন্ত্রের কোনো সমস্যা থাকতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মোতালেব হোসেন এখন অনেকটাই সুস্থ। সব কলম অপসারণের পর তাকে স্নায়ুতন্ত্র বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হবে।’

জানতে চাইলে মোতালেব হোসেন বলেন, ‘আগে একদম সুস্থ–স্বাভাবিক ছিলাম। এক বছর ধরে পেট ব্যথায় কোনো কাজ করতে পারছিলাম না। তবে কখন, কীভাবে কলমগুলো গিলে ফেলেছি, কিছুই বলতে পারছি না।’

তার পরিবার জানায়, তাঁতের শাড়িতে ব্যবহার করা নকশা এঁকে সেটি তাঁতযন্ত্রে বসানোর কাজ করতেন মোতালেব। তিনি ১৯৯৯ সালে প্রথম বিভাগে এসএসসি পাস করেন।

বিষয়:

মৃত্যুর আগে খুনিদের নাম বলে গেলেন আজাদ

ছুরিকাঘাতে নিহত আজাদ
আপডেটেড ২৮ মে, ২০২৩ ১৫:০৫
চট্টগ্রাম ব্যুরো

ছুরিকাঘাতে তলপেট দিয়ে অঝোরে রক্ত ঝরছে। কথা বলার শক্তিও ধীরে ধীরে কমে আসছে। এর মধ্যেই কাঁপা কাঁপা স্বরে বললেন, ‘রাজু এবং ওসমানসহ আরও দুজন আমাকে ছুরিকাঘাত করেছে।’ খুনিদের নাম বলার কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন আজাদ (৩০)।

রোববার ভোরে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর বিশ্ব রোডে এ ঘটনা ঘটে। পূর্ব শত্রুতার জেরে রাজু এবং ওসমানসহ অন্যরা তাকে ছুরিকাঘাত করে। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় আজাদের। আজাদ নগরীর নতুন বাজার এলাকার লাডু ইব্রাহিমের ছেলে।

আজাদের পরিবার জানায়, একটি কারখানায় নৈশপ্রহরী হিসেবে চাকরি করতেন আজাদ। রাতে দায়িত্ব পালন শেষে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরছিলেন তিনি। এ সময় বাসার সামনেই তাকে চারজন ছুরিকাঘাত করেন। ছুরিকাঘাতের ঘটনাটি তার বোন দেখে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন আসতে শুরু করেন। এ সময় পালিয়ে যান হামলাকারীরা।

এদিকে এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে, গুরুতর আহতাবস্থায় আজাদকে উদ্ধার করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কাপড় দিয়ে তার ক্ষতস্থানে ঢেকে দেয়া হলেও অঝোরে রক্ত ঝরছে। এ সময় তার কাছ থেকে খুনিদের নাম জানতে চান একজন। তখন আজাদ রাজু ও ওসমানসহ আরও দুজন তাকে ছুরিকাঘাত করে বলে জানান। এরপর আর কথা বাড়াতে পারেননি তিনি, ঢলে পড়েন মৃত্যুর কোলে।

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আজাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক। তিনি বলেন, ভোর ৫টার দিকে আহতাবস্থায় আজাদ নামের ওই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বজনরা। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় হালিশহর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। খুনিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল বাইসাইকেল চালকের

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৮ মে, ২০২৩ ১৫:০৭
প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আলাউদ্দিন (৫৫) নামে এক বাইসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন। রোববার সকাল ১০টার দিকে পৌর এলাকার লক্ষ্মীপুর ব্রিজের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আলাউদ্দিন একই উপজেলার আলীপুর গ্রামের মৃত আফসার আলীর ছেলে। ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলচালক রাজ্জাক হোসেন (৪০)। তিনি ওই উপজেলার হাসাদহ গ্রামের সুজা হোসেনের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা স্থানীয়দের বরাতে জানান, সকালে বাইসাইকেল নিয়ে মাঠের দিকে যাচ্ছিলেন আলাউদ্দিন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা রাজ্জাক হোসেনের মোটরসাইকেলের সঙ্গে তার সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সড়কের উপর ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান আলাউদ্দিন।

পরে মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। আহত মোটরসাইকেলচালক রাজ্জাককে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে যশোর সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্মের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক।

ওসি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ওই ঘটনায় আইনানুগ বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


চট্টগ্রামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ

আপডেটেড ২৮ মে, ২০২৩ ১৫:০৮
চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ডে দুই শিশুসহ একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছেন। রোববার ভোরে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার পূর্ব শহীদ নগরের একটি বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

তারা হলেন নূর নাহার বেগম (৩০), মারুফ (১) ফারিয়া (৩) ও মো. ঈমাম উদ্দিন (২৩)।

সিলিন্ডার বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করে আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের চিফ লিডার চিত্তরঞ্জন বৈদ্য বলেন, ‘ভোরে খবর পেয়ে আমাদের দুটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই দগ্ধ চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা।’

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, পৌনে ৬টায় দগ্ধ অবস্থায় চারজনকে হাসপাতালে আনা হয়। পরে তাদের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তবে তারা কতটা দগ্ধ হয়েছেন, তা এখনো জানা যায়নি।

বিষয়:

কালীগঞ্জে আলমসাধুর চাপায় শিশু নিহত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৮ মে, ২০২৩ ১৫:১০
প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে মাটিবোঝাই আলমসাধুর চাপায় জীম হোসেন (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার জিরণগাছা মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জীম উপজেলার বন্ধকাটি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে এবং বন্ধকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।

স্থানীয়রা জানান, সকাল ৯টার দিকে শিশু জীম পায়ে হেঁটে উপজেলার কালীগঞ্জ-তালতলা সড়কের জিরণগাছা মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা মাটিবোঝাই একটি আলমসাধু চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা আলমসাধুটি আটক করতে পারলেও চালক কৌশলে পালিয়ে যান।

কালীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইবাদ হোসেন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয়দের সহযোগিতায় আলমসাধু জব্দ করা হয়েছে। চালক পলাতক রয়েছেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।


বসতি-ফসলি জমিতে অবৈধ ইটভাটা, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ফসলি জমিতে চলছে ইটভাটার কার্যক্রম। সম্প্রতি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের কাউনিয়ার চর এলাকায়। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৮ মে, ২০২৩ ১৫:১৭
প্রতিনিধি, রৌমারী (কুড়িগ্রাম)

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে নিয়ম-বহির্ভূতভাবে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ও ফসলি জমিতে ইটভাটা গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের কাউনিয়ারচর (শালুরমোড়) এলাকায় ফসলি জমির মাটি কেটে ইট তৈরি করছে এস ব্রিকস (এসবি) নামের একটি প্রতিষ্ঠান। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইটভাটার কালো ধোঁয়া ও ধুলাবালিতে আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীর মধ্যে সর্দি, কাশি ও ফুসফুসজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি।

স্থানীয়রা জানান, ওই ইটভাটার মালিক সফিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি জবরদখল, সরকারি গাছ কর্তন, অবৈধ সুদ ব্যবসা, চোরাচালানসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। এরপর প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ও তিন ফসলি জমিতে ইটভাটা গড়ে তুলেছেন তিনি। এতে পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, কমছে জমির ফলন।

এলাকাবাসী বলছেন, আইন অনুযায়ী জনবহুল এলাকায় ইটভাটার জন্য পরিবেশ ছাড়পত্র পাওয়ার সুযোগ নেই। তবু বহাল তবিয়তে চলছে এস ব্রিকস। বিষয়টি নিয়ে কয়েক দিন আগে জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন স্থানীয় সালমান কায়সার। এরপর এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এ নিয়ে প্রশাসনের কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি। এর আগে অন্যরা অভিযোগ করেও প্রতিকার পাননি।

সরেজমিনে রৌমারীর দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের কাউনিয়ারচর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তিন ফসলি জমির মাটি কেটে নেয়া হচ্ছে এসবি ইটভাটায়। সেই মাটি দিয়ে কাঁচা ইট বানিয়ে পোড়ানোর জন্য মজুত করে রাখা হয়েছে। এর ২০ মিটারেরও কম দূরত্বে অবস্থান কাউনিয়াচর গ্রাম জামে মসজিদের। ভাটাসংলগ্ন ১০০ মিটারের মধ্যে রয়েছে অন্তত ছয়টি গ্রাম। ৩০০ থেকে ৪০০ মিটার দূরত্বে রয়েছে চারটি সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মাদ্রাসা ও দুটি বাজার। একই দূরত্বে রয়েছে দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ও বিজিবি ক্যাম্প।

এ ছাড়া ইটভাটা থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরেই রয়েছে আরও দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি করে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ, দুটি গ্রাম এবং দাঁতভাঙ্গা ভূমি অফিসসহ বিভিন্ন এজেন্ট ব্যাংক ও এনজিও অফিস। অর্থাৎ সম্পূর্ণ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় চলছে এসবি ইটভাটার কার্যক্রম।

শিক্ষার্থীরা বলছে, ভাটায় ইট পোড়ানোর সময় ধোঁয়া তাদের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে। শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এ বিষয়ে প্রশাসন ও সরকারের হস্তক্ষেপ চাইছে তারা।

স্থানীয় সেলিম মিয়া বলেন, ‘ইটভাটার ধোঁয়ার কারণে আমার বোরো ধান ও ভুট্টার ফলন অন্য বছরের তুলনায় অনেক কম হয়েছে। এভাবে ভাটা চলতে থাকলে এলাকার মানুষের অনেক ক্ষতি হবে।’

স্থানীয় মক্কার হোসেন বলেন, ‘আমার বাড়ির সঙ্গেই ইটভাটা। এর ধোঁয়ায় বাড়ির আসবাবপত্রসহ কাঁঠাল, আমগাছ নষ্ট হচ্ছে।’

কাউনিয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক বলেন, ‘ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ার কারণে স্কুলের বাচ্চারা শ্বাসকষ্ট রোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। আমি এর প্রতিকার চাই।’

দাঁতভাঙ্গা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ইটভাটার কারণে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। সেই সঙ্গে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। তাই দ্রুত এটি বন্ধ করার জোর দাবি করছি।’

দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল করিম বলেন, নিয়ম ভেঙে ইটভাটাটি গড়ার ফলে ফসল ও মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের সঠিক তদন্ত করে এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান খান বলেন, ইটভাটার কালো ধোঁয়ার কারণে শ্বসনতন্ত্রে মারাত্মক অসুস্থতা তৈরি হতে পারে। ওই ইটভাটা পরিদর্শনে শিগগিরই স্যানিটারি কর্মকর্তাকে পাঠানো হবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিবেচনায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হবে।

জানতে চাইলে ইটভাটার মালিক মো. সফিয়ার রহমান বলেন, ‘আমি নিয়মনীতি মেনেই ইটভাটা করেছি। পরিবেশ অধিদপ্তর গত বছরের ৮ আগস্ট এটি চালুর জন্য ছাড়পত্র দেয়। এখন স্কুলের শিক্ষার্থী ও জনসাধারণ অসুস্থ হলে কী করার আছে? ইট না থাকলে তো আর ঘরবাড়ি-স্কুল-কলেজ পাকা হতো না।’ তবে বন্ধ করার নির্দেশ পেলে ভাটা বন্ধ করে দেবেন বলে জানান তিনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী অবশ্য বলছেন ইটভাটাটিকে প্রত্যয়নপত্র না দেয়ার কথা। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে ইটভাটার প্রত্যয়নপত্র চেয়ে আবেদন করেছিল। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইটভাটাটি হবে কৃষিজমিতে। তাই পরে আর প্রত্যয়নপত্র দেয়া হয়নি।’

জানতে চাইলে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. রেজাউল করিম বলেন, সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ছাড়পত্র দেয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য না করেই ফোনের সংযোগ কেটে দেন।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের আলোকে তদন্ত করা হবে।

বিষয়:

কুমিল্লায় মাইক্রোবাসে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২

দুটি গড়িই সড়কের পাশে উল্টে যায়। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৮ মে, ২০২৩ ১২:৪৮
প্রতিনিধি, কুমিল্লা

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাইক্রোবাসে ট্রাকের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছেন। রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার শহীদনগর এম এ জলিল হাইস্কুলের দক্ষিণ পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ সময় আরও অন্তত ৩ জন আহত হয়েছেন। তবে হতাহতদের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

পুলিশ জানায়, চট্টগ্রামমুখী একটি মাইক্রোবাসকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় ট্রাকটি। এ সময় দুটি গড়িই সড়কের পাশে উল্টে গিয়ে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমরা উদ্ধার কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছি। নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। কিছুক্ষণ পর বিস্তারিত জানাতে পারব।’

বিষয়:

৩ বন্ধুকে অপহরণের পর হত্যা: পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রহমত উল্লাহ, টেকনাফ (কক্সবাজার)

কক্সবাজার টেকনাফে অপহরণের শিকার হওয়ার ২৫ দিন পর তিন বন্ধুর মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই তিন বন্ধুর পরিবারের অভিযোগ, তারা অপহরণের অভিযোগ জানিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলেও পুলিশ ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করেছে। পুলিশ সময়মতো ব্যবস্থা নিলে হয়তো তাদের জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হতো।

এদিকে তিন বন্ধুকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় দুই রোহিঙ্গা নারীর জড়িত থাকার তথ্য উঠে এসেছে। মিনা ও কোহিনুর আক্তার নামে ওই দুই নারীকে খুঁজছে পুলিশ। এর মধ্যে কোহিনুরকে পাত্রী হিসেবে দেখতে যাওয়ার কথা ছিল ওই তিন বন্ধুর।

কক্সবাজারের টেকনাফে বেড়াতে গিয়ে অপহরণের শিকার হন কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ সওদাগরপাড়া এলাকার মোহাম্মদ ইউসুফ, চৌফলদণ্ডী এলাকার রুবেল ও কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছড়া এলাকার ইমরান। গত বুধবার তাদের মরদেহ উদ্ধার হয়।

পরিবার ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক রোহিঙ্গা নারীর আমন্ত্রণে গিয়ে গত ২৮ এপ্রিল অস্ত্রের মুখে অপহরণের শিকার হন তারা। পরদিন রুবেলের মোবাইল ফোন থেকে অপহরণকারীরা তিনজনকে নির্যাতন করার ভিডিও পাঠিয়ে তাদের পরিবারের কাছে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

ইউসুফের ভাই মো. ইউনুছ বলেন, ‘২৮ এপ্রিল বিকেল ৪টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয় ইউসুফ। তিন দিন পর আমার মোবাইলে একটা কল আসে, ৫০ হাজার টাকা পাঠাতে বলে। সর্বশেষ গত ১৫ মে ফোন করে বলে, পাঁচ লাখ টাকা না দিলে আমার ভাইকে মেরে ফেলবে।’

নিহত তিনজনের পরিবারের সদস্যদেরই অভিযোগ, ২৯ এপ্রিল তারা জিডি করতে গেলে কক্সবাজার সদর ও টেকনাফ কোনো থানা জিডি নেয়নি। পুলিশ যথাসময়ে জিডি নিলে তিনজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হতো বলে মনে করছেন তারা।

ইমরানের বাবা মুহাম্মদ ইব্রাহিম দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘ইমরানের সন্ধান চেয়ে থানায় জিডি করতে গেলে কক্সবাজার সদর ও টেকনাফ দুই থানার ওসি ও অফিসাররা আমাদের গুরুত্ব দেননি। নির্যাতনের ফুটেজ দেখিয়ে জিডি করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছি। দুই থানায় ঘুরতে ঘুরতে পাঁচ দিন চলে গেছে। তারা দ্রুত জিডি নিয়ে অভিযান চালালে হয়তো ছেলেকে ফিরে পেতাম।’

ইমরানের মা হামিদা বেগম বলেন, ‘২৯ এপ্রিল অপহরণকারীরা ইমরানের মোবাইল ফোন থেকে কল করে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। আমরা ধার করে ইমরান ও রুবেলের নম্বরে বিকাশের মাধ্যমে এক লাখ এক হাজার টাকা দিয়েছিলাম। বাকি টাকা দিতে না পারায় তাদের খুন করেছে অপহরণকারীরা।’

পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ তুলে হামিদা বেগম বলেন, ‘টেকনাফ থানায় আমার স্বামী অন্তত সাতবার গেছেন। কিন্তু পুলিশ জিডি বা মামলা নেয়নি। কক্সবাজার সদর থানাও জিডি বা মামলা রেকর্ড করেনি। এটাই কষ্ট আমাদের।’

জানতে চাইলে কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘ওই তিনজন এখান থেকে নিখোঁজ হননি। তারা যেখান থেকে নিখোঁজ হয়েছেন, সেই থানায় আমরা যেতে বলেছিলাম স্বজনদের। সর্বশেষ আমার থানায় জিডি হয়েছে। কাউকে হয়রানি করা হয়নি।’

অভিযোগ অস্বীকার করে টেকনাফ থানার ওসি আবদুল হালিম বলেন, ‘তারা সদর থানায় জিডি করায় আমরা জিডি না নিয়ে স্বজনদের অভিযোগের পরপরই তাদের উদ্ধারে কাজ শুরু করি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পরপরই স্বজনদের অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।’

এদিকে তিন বন্ধুর অপহরণের পেছনে দুই রোহিঙ্গা নারীর জড়িত থাকার তথ্য উঠে এসেছে। রুবেলের ভাগনি রুপা আক্তার বলেন, ‘রুবেল মামা বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছিলেন। এর মধ্যে কোহিনুর নামে এক রোহিঙ্গা নারীর ফাঁদে পড়েন তিনি। সেই কোহিনুর ও মিনা নামের দুই নারী কৌশলে মামা ও তার বন্ধুদের টেকনাফ নিয়ে অপহরণকারীদের হাতে তুলে দেয়।’

পুলিশও কোহিনুরসহ তার সহযোগীদের খুঁজছে বলে জানিয়েছে।

বিষয়:

কুমিল্লায় কাজুবাদাম রপ্তানি হবে বিদেশে

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার রাজেশপুর ইকোপার্কে কাজুবাদাম ঝুলছে গাছে। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৮ মে, ২০২৩ ১৪:০৭
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার রাজেশপুর ইকো পার্ক। এখানে শালবাগানের সঙ্গে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল কাজুবাদামের বাগান। বছরের এ সময়টায় দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে কাজুবাদাম বিক্রি হয়।

বাগানে গিয়ে দেখা যায়, অসংখ্য কাজুবাদাম ঝুলছে গাছে। কোনোটির বাদাম এখনো কাঁচা, কোনটি পেকে গেছে। ঠিকাদার তার ফল সংগ্রহ করছেন। পাকা রঙিন ফলের গা থেকে ভেসে আসে মিষ্টি ঘ্রাণ। ফলের ওপরের অংশ থেকে বাদাম পাওয়া যায়, নিচের অংশ থেকে জুস, ভিনেগার ও মসলা তৈরি করা হয়।

বাংলাদেশের মাটিতে চীনাবাদাম খুব ভালো উৎপন্ন হলেও কাজুবাদামের চাষ খুব একটা দেখা যায় না। তবে বর্তমানে রাঙামাটি, কুমিল্লাসহ বেশ কিছু পাহাড়ি এলাকায় এর চাষ হচ্ছে।

রাজেশপুর ইকোপার্কের বনকর্মীরা জানান, পার্কের বিশাল এলাকাজুড়ে চাষ হচ্ছে কাজুবাদাম। মানব শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগান দেয়া এই কাজুবাদাম আসন্ন বছরগুলোতে রপ্তানিও করা যাবে। সঠিকভাবে পরিচর্যা হলে কাজুবাদাম বাগান থেকে বাড়বে সরকারের রাজস্ব আয়।

কুমিল্লা গাডের্নার্স সোসাইটির পরিচালক ডা. আবু মোহাম্মদ নাঈম বলেন, ‘কাজুবাদাম হৃৎপিণ্ডের শক্তি বৃদ্ধি করে। হাড় ও দাঁতের গঠনে সাহায্যে করে। ক্যানসার প্রতিরোধ ও হজমে সাহায্যে করে। ডায়াবেটিস রোগীর জন্য উপকারী ও অবসাদ দূর করে।’

সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শুভাশিস ঘোষ বলেন, ‘শালবনের মধ্যে কাজুবাদাম বাগানটি গড়ে উঠেছে। আমি যতটুকু জানি ৩৫ বছর ধরে এই বাগানটি থেকে ফল সংগ্রহ করা হয়। বাগানটির রক্ষণাবেক্ষণসহ ফল উৎপাদন বাড়াতে উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ সহযোগিতা থাকবে।’

রাজেশপুর ইকোপার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘এখানে সীমানাপ্রাচীর নেই। অনেকে কাজুবাদামের গুরুত্ব বোঝেন না। গাছের ডাল, ফল ছিঁড়ে নষ্ট করে ফেলেন। বনকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বাগানটি ফল দিয়ে যাচ্ছে। বনকর্মীরা প্রণোদনা পেলে বাগানটিতে ফলের পরিমাণ বাড়বে। এর থেকে সরকারের রাজস্ব আয় আরও বাড়বে।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা দুই বছর ধরে সদর, সদর দক্ষিণ ও লালমাই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কাজুবাদামের চাষ করেছি। কম্বোডিয়া, ভারত ও ভিয়েতনামের বীজ লাগিয়েছি। এতে ভালো ফল আসবে। তা রপ্তানিও করা যাবে। আমাদের কিছু গাছে ফুল এসেছে। আশা করছি এক-দুই বছরের মধ্যে ভালো ফল পাব।’

বিষয়:

জায়গার বিরোধে ভাইয়ের দায়ের কোপে বোন নিহত

জেলার মানচিত্র
আপডেটেড ২৮ মে, ২০২৩ ০৯:৩৯
প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জে বসত বাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাত ভাইয়ের দায়ের কোপে বোনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের মল্লিকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জেসমিন বেগম (৩৫) ওই গ্রামের মৃত আনেয়ার হোসেনের স্ত্রী। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে জামালগঞ্জ উপজেলার মল্লিকপুর গ্রামের গুঞ্জর আলীর ছেলে রেজাউল করিম (৩০) ও তার বোন নিহত জেসমিন বেগম তাদের জায়গায় পাকা ঘর নির্মাণ করতে যান। কিন্তু তাদের কাজে বাধা দেয় চাচা মাহমুদ আলী (৬০) ও তার ছেলে মো. আশিকুল (৩০)। এক পর্যায়ে সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হলে মো. আশিকুল জেসমিন বেগমকে দা দিয়ে গলায় কোপ দেয়। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত জেসমিনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোহাম্মদ আব্দুন নাসের বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মৃত আব্দুল মন্নাফের ছেলে মাহমুদ আলীকে (৬০) আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বিষয়:

banner close