বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
২২ আশ্বিন ১৪৩৩

পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষাপদক প্রদানের প্রার্থী বাছাই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৯:০২
প্রতিনিধি, ঝালকাঠি
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, ঝালকাঠি
প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৮:৫৯

চলতি বছরের জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষাপদক প্রদানের প্রার্থী বাছাই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলায়। অভিযুক্ত সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আরজুদা বেগম।

রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি জানতে পেরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রে বাছাই পরীক্ষা হলেও সেই ফলাফল বাতিল করে পুনরায় উপজেলা পর্যায়ে বাছাই পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা যায়, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষাপদক-২০২৩ উপলক্ষে ইউনিয়ন পর্যায়ে যাচাইবাছাই শেষে উপজেলা পর্যায়ে চারটি বিষয়ে বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এই পর্বে চারটি বিষয়ে ৪ জন ছেলে ও ৪ জন মেয়েসহ মোট ৮ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। উপজেলার মঠবাড়ী ও শুক্তাগড় ইউনিয়নসহ উপজেলা পর্যায়ের বাছাইপর্বের প্রশ্নপত্র তৈরির দায়িত্বে ছিলেন আরজুদা বেগম।

ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের প্রশ্নপত্র ভিন্ন হওয়ার কথা থাকলেও ইউনিয়ন পর্যায়ে দক্ষিণ বাঘড়ী ক্লাস্টার, মঠবাড়ী ও শুক্তাগড়ের সঙ্গে উপজেলা পর্যায়ের প্রশ্নে হুবহু মিল রেখেছেন আরজুদা বেগম।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, উপজেলার মঠবাড়ী ও শুক্তাগড় ইউনিয়নের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বায়িত্ব আরজুদা বেগমের। তাই তার দ্বায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করার জন্য এই অসাধু পন্থা অবলম্বন করেছেন।

অভিযুক্ত আরজুদা বেগম বলেন, 'প্রশ্নগুলো আমার হাতে করা তাই কিছু মিলে গিয়েছে। এ কারণে স্যার উপজেলা পর্যায়ে পূর্বে অনুষ্ঠিত হওয়া বাছাই পরীক্ষার ফলাফল বাতিল করে দিয়েছেন।'

রাজাপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিবুর রহমান বলেন, ‘উপজেলা পর্যায়ে পূর্বে অনুষ্ঠিত হওয়া বাছাই পরীক্ষার ফলাফল বাতিল করা হয়েছে। আগামী সোমবার এই পরীক্ষা পুনরায় অনুষ্ঠিত হবে।’


নির্বাচিত

প্রবীণদের প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা নবীনদের কাজে লাগাতে হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘প্রবীণ জনগোষ্ঠীর প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতাকে দেশের নবীন প্রজন্মের কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘কর্মজীবন থেকে অবসরে যাওয়ার অর্থ কোনোভাবেই সমাজে একজন মানুষের প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যাওয়া নয়, বরং প্রবীণদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করার সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।’

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ কথা বলেন।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘মানুষের আয়ু বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যাও বাড়ছে। ফলে প্রবীণদের বিষয়ে রাষ্ট্রের পরিকল্পনা ও চিন্তাভাবনাতেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে ৫৯ বছর বয়সে এবং অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আরও কিছুটা বেশি বয়সে অবসরের সুযোগ রয়েছে। একজন কর্মঠ মানুষকে হঠাৎ করে কর্মজীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিলে এর নেতিবাচক প্রভাব তার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর পড়তে পারে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আজ পর্যন্ত যিনি নিয়মিত অফিস করেছেন, আগামীকাল থেকে তাকে বলা হচ্ছে আর অফিসে আসার প্রয়োজন নেই—এই পরিবর্তনটি একজন কর্মক্ষম মানুষের জন্য মনস্তাত্ত্বিকভাবে কঠিন। এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে একজন মানুষকে ধীরে ধীরে নতুন জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।’

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ‘প্রবীণদের মধ্যে এমন অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা বর্তমান প্রজন্ম ইচ্ছা করলেও অর্জন করতে পারবে না।’ মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রজন্ম চাইলেও মুক্তিযুদ্ধের সেই সময়টিতে ফিরে যেতে পারবে না। যারা সেই সময়ের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তাদের অভিজ্ঞতা জাতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।’

সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রবীণদের সুস্থতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রবীণদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা, পরামর্শ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। শুধু রাজধানীর একটি বা কয়েকটি কেন্দ্রে প্রবীণসেবা সীমাবদ্ধ না রেখে তা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে হবে। দেশের ৬৪টি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ন্যূনতম মানসম্পন্ন প্রবীণসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। বিপুলসংখ্যক প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জন্য শুধু একটি সংগঠন বা একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংগঠন এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।’

প্রবীণদের প্রতি তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ দিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘প্রবীণদের কাছ থেকে পাওয়া বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ সরকারের নীতি ও কর্মসূচিকে আরও কার্যকর করতে পারে।’ তাদের চিন্তা ও মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন তিনি।

এর আগে সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের র‌্যালিতে অংশ নেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, প্রবীণ সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রবীণ ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এবারের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের প্রতিপাদ্য হলো- ‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’। প্রতিপাদ্যের আলোকে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর মর্যাদা, অধিকার, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং তাদের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপর অনুষ্ঠানে গুরুত্বারোপ করা হয়।


নির্বাচিত

আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সিনিয়র অফিসারদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে মহাপরিচালকের বিশেষ ক্লাস

আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সদ্য যোগদানকৃত ২৫ জন সিনিয়র অফিসার অংশ নেন। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সদ্য যোগদানকৃত সিনিয়র অফিসারদের চলমান বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে বিশেষ ক্লাস নিয়েছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক এবং আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর খিলগাঁওয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরের অপস কনফারেন্স রুমে শুরু হয় এ বিশেষ ক্লাস। ৯০ মিনিটব্যাপী এ সেশন দুপুর ১টায় শেষ হয়। এতে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সদ্য যোগদানকৃত ২৫ জন সিনিয়র অফিসার অংশ নেন।

বিশেষ ক্লাসে গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখা, ব্যাংকিংসেবার গুণগত মান উন্নয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিংসেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। তিনি আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের আর্থিক নিরাপত্তা ও স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

এ সময় গ্রামীণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোগে যথাসময়ে ঋণ বিতরণ, দক্ষতার সঙ্গে ঋণ আদায় এবং তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাংকিংসেবার পরিধি সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। একই সঙ্গে সঞ্জীবন প্লাটুনের সদস্যদের আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে ব্যাংকিং সহায়তার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করেন।

ক্লাসের শেষ পর্যায়ে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন মহাপরিচালক ও ব্যাংকের চেয়ারম্যান। এ সময় তিনি তাদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে কাজে লাগিয়ে ব্যাংকের সেবার মানোন্নয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে আর্থিক সেবা সম্প্রসারণে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

দক্ষ, সৎ ও জনবান্ধব ব্যাংকার তৈরির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে আধুনিক ব্যাংকিংসেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয় এ বিশেষ প্রশিক্ষণ সেশন।


নির্বাচিত

যাত্রা শুরু করল বিজিবির ‘ছোট আগলা’ সীমান্ত চৌকি

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বান্দরবান প্রতিনিধি

সীমান্তে নজরদারি ও অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় বিজিবির ‘ছোট আগলা’ সীমান্ত চৌকি উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে কুরুকপাতা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবির নতুন এই সীমান্ত চৌকির (টিওবি) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী সামশের উদ্দীন।

রামু ব্যাটালিয়নের (৩০ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্তবর্তী ছোট আগলা এলাকায় নতুন এই চৌকি নির্মাণ করা হয়। আগে সীমান্ত থেকে বিদ্যমান বিওপিগুলোর দূরত্ব বেশি থাকায় নজরদারি চালনা চ্যালেঞ্জিং ছিল। নতুন টিওবি স্থাপনের ফলে সীমান্তে বিজিবির উপস্থিতি, দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে বলে বিজিবি জানায়।

বিজিবির দাবি, এই স্থাপনা থেকে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধসহ সীমান্তে নজরদারি আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। উদ্বোধনকালে রিজিয়ন কমান্ডার দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজিবি রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. আনোয়ার-উল-আলম, কক্সবাজার রিজিয়নের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মফিজুর রহমান ভূঁইয়া, রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদী এবং সহকারী পরিচালক মো. কবির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

খুলনায় সাব-রেজিস্ট্রারকে তুলে নেওয়ার ঘটনা অনুসন্ধানে পুলিশ

* অপহরণের আধাঘণ্টা পর মুক্তি
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

খুলনা নগরীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত সদর সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে দিনে দুপুরে সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মন্ডলকে অপহরণ করে তুলে নেওয়ার প্রায় আধাঘণ্টা পর ছেড়ে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে খুলনা সদর থানা থেকে মাত্র ৫০ গজ দূরে এ ঘটনা ঘটে। তবে ওই কর্মকর্তা থানায় কোনো অভিযোগ দেননি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে কেডি ঘোষ রোডস্থ সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মন্ডল তার কার্যালয়ে বসে ছিলেন। এ সময়ে কয়েকজন মুখোশধারী (মুখে কাপড় বাঁধা) সন্ত্রাসী অস্ত্র ঠেকিয়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যায়। পরে একটি মোটরসাইকেলে পাশের পশ্চিম সদর হাসপাতাল রোডে নিয়ে একটি রিকশায় উঠিয়ে জেলখানা ঘাট এলাকার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে থাকা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় একটি রিকশায় তন্ময় কুমার মন্ডলকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ওই রিকশায় বসা মুখে কাপড় বাঁধা একজন যুবক তার পেটে পিস্তল তাক করে রেখেছেন। ওই রিকশার আগে একটি মোটরসাইকেল এবং রিকশার পেছনে একটি মোটরসাইকেল গার্ড দিয়ে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। এ ছাড়া মুখোশধারী এক যুবককে রিকশার পেছন পেছন দৌড়ে যেতে দেখা গেছে। রিকশাটি পশ্চিম সদর হাসপাতাল রোড দিয়ে জেলখানা ঘাট এলাকার দিকে চলে যায়। তবে কী কারণে তাকে অপহরণ করা হয়েছে তা জানা যায়নি।

এদিকে অপহরণ ঘটনার পরপর জেলা ও সদর সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা, দলিল লেখক ও উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পাওয়ার পর সেখানে পুলিশ, সাংবাদিক ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন সেখানে ছুটে গিয়ে ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখতে থাকেন। অপহরণ ঘটনার ঠিক আধাঘণ্টা পর অপহরণ হওয়া সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মন্ডল একাই তার কার্যালয়ে ফিরে আসেন।

এ সময়ে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি অপহরণের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কার্যালয় থেকে বাইরে বের হচ্ছিলাম, তখন তারা একটি সমস্যার কথা বলে, তাই কথা বলতে গিয়েছিলাম। তবে তারা কারা জানিনা। তারা আমাকে রিকশায় করে নদীর ঘাটে নিয়ে যায়। সেখানে কিছু কথা বলে চলে আসি। আমাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সত্য নয়।’

তিনি যখন সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তখন তার মধ্যে আতঙ্ক ছিল। এলোমেলো কথা বলছিলেন।

জানতে চাইলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত খুলনা সদর থানার এস আই জামাল উদ্দিন বলেন, ‘দুপুর ৩টা ১০ মিনিটের সময় সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মন্ডলকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসি। সিসিটিভিতে দেখি তাকে একটি রিকশায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপর আমরা থাকতেই তিনি ফিরে আসেন। তিনি কোনো অভিযোগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন।’

জানতে চাইলে খুলনা সদর থানার ওসি লোকমান হোসেন রিপন বলেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, ‘কাগজপত্র দেখানোর কথা বলে সাব-রেজিস্ট্রারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে খুলনা নিউমার্কেট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি রহস্যজনক হওয়ায় অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে অফিসপাড়ায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।’

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তিনিও বিষয়টি শুনেছেন। তবে অভিযোগ দিলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

এদিকে ঘটনার পর সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মন্ডল বিকাল ৫টা পর্যন্ত তার কার্যালয়ে ছিলেন। এরপর তার পরিবার এসে বাসায় নিয়ে যান।


নির্বাচিত

পরকীয়া সন্দেহে কিশোর ওমর হত্যা, পাঁচ বছর পর আসামি গ্রেপ্তার

* পিবিআইয়ের এসপি রবিউল ইসলাম
ছবি: ফরিদপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহবুব পিয়াল, ফরিদপুর

পরকীয়া সম্পর্কের সন্দেহকে কেন্দ্র করে ১৪ বছর বয়সি কিশোর ওমর আলীকে হত্যার অভিযোগে নজরুল ইসলাম (৪৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৭ অক্টোবর) ফরিদপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, গত ২০২১ সালের ৪ জানুয়ারি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি থানাধীন জঙ্গল ইউনিয়নের ঢোলজানি গ্রামের ঘাসের ক্ষেত থেকে কিশোর ওমর আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা ৫ জানুয়ারি বাদী হয়ে বালিয়াকান্দি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটির তদন্তভার ফরিদপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর ওপর ন্যস্ত করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও জানান, মামলাটি তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, গোয়েন্দা তথ্য এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নজরুলকে শনাক্ত করা হয়। পরে গত ৫ অক্টোবর রাতে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার বলেন, ‘গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে নজরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন।’ তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা যায়, প্রতিবেশী দুই গৃহবধূর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন ওমর আলী। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে ওমর আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তারা। এ জন্য তাকে হত্যার বিনিময়ে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

পুলিশ সুপার আরও জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী কিশোর ওমর আলীকে ১ জানুয়ারি রাতে তাকে ধরে নির্জন স্থানে নেওয়া হয়। এরপর সেখানে তাকে নির্যাতন করে একটি বাথরুমে ফেলে রাখা হয়। নির্যাতনের একপর্যায়ে ২ জানুয়ারি দিবাগত রাতে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর তার লাশ পাশের একটি ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রাখেন তারা। পরে স্থানীয়রা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

পিবিআই পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘মামলাটির তদন্তে ক্রাইমসিন বিশ্লেষণ, গোয়েন্দা তথ্য, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত এবং আসামির জবানবন্দি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।’


নির্বাচিত

ময়মনসিংহে টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড পেলেন নিম্নআয়ের পরিবার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সারোয়ার জাহান জুয়েল, ময়মনসিংহ ব্যুরো

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকায় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নগরীর নির্ধারিত নিম্নআয়ের পরিবারগুলো টিসিবির বিভিন্ন পণ্য ভর্তুকি মূল্যে কেনার সুযোগ পাবেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনের শহীদ শাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে উপকারভোগীদের হাতে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন। অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিসহ স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, নিম্নআয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার লক্ষ্যে সরকার টিসিবির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে ভর্তুকি মূল্যে বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ করে আসছে। স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে এই সুবিধা আরও সুশৃঙ্খলভাবে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সীমিত আয়ের পরিবারগুলোকে সংসারের দৈনন্দিন খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে টিসিবির ভর্তুকি মূল্যের পণ্য তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করছে। স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে উপকারভোগীদের নির্ধারিত সুবিধা নিশ্চিত করা হলে সরকারি সহায়তা বিতরণে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরি হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, ‘নিম্নআয়ের মানুষের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি। সরকারি সহায়তা যেন কোনোভাবেই প্রকৃত সুবিধাভোগীদের বাইরে চলে না যায়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’ টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মাধ্যমে নগরীর নিম্নআয়ের পরিবারগুলো উপকৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত উপকারভোগীরা জানান, সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার ক্ষেত্রে টিসিবির সুবিধা তাদের জন্য বেশ সহায়ক। সীমিত আয়ের মধ্যে বাজার খরচ সামলাতে সরকারি এ ধরনের সহায়তা তাদের কিছুটা স্বস্তি দেবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে উপকারভোগীদের তথ্য সংরক্ষণ, যাচাই এবং নির্ধারিত সুবিধা প্রদানের কার্যক্রম আরও সহজ ও কার্যকর হবে। পাশাপাশি টিসিবির পণ্য বিতরণে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, নগরবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং তাদের বিভিন্ন নাগরিক ও সামাজিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।


নির্বাচিত

সিরাজগঞ্জের এলএ শাখার হাসিবুলকে ঘিরে তোলপাড়

ছবি: মো. হাসিবুল হাসান
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় জমির ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে কমিশন দেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এবার সেই অভিযোগের কেন্দ্রে উঠে এসেছে হিসাব সহকারী মো. হাসিবুল হাসানের নাম। অভিযোগ, কমিশন ছাড়া ফাইলের কাজ এগোয় না। এ অভিযোগের মধ্যে হাসিবুলের টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও ফুটেজও প্রকাশ করে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম।

জানা যায়, রেললাইন, হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের পর ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে এলএ শাখায় দিনের পর দিন ঘুরতে হয় জমির মালিকদের। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ফাইলের কাজ এগিয়ে নিতে বিভিন্ন হারে কমিশন দাবি করা হয়। কমিশন না দিলে ফাইল মাসের পর মাস পড়ে থাকে।

ভুক্তভোগী মো. নিহাল হোসেন ও জামেলা খাতুনের অভিযোগ, হিসাব সহকারী হাসিবুল হাসানকে টাকা ছাড়া কোনো কাজ করানো যায় না। তাদের দাবি, কমিশন না দিলে ফাইল পড়ে থাকে এবং ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে হয়রানির শিকার হতে হয়। তারা হাসিবুলের বিরুদ্ধে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এদিকে হাসিবুল হাসানের টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও ফুটেজ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে প্রচার হয়। ভিডিওতে ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় হাসিবুল হাসানের টাকা গ্রহণের একটি দৃশ্য দেখা যায়।

অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি জানতে চাইলে ক্যামেরার সামনে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি হাসিবুল হাসান। ভিডিওতে টাকা নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি কোনো সৎ উত্তর দিতে পারেননি।

এর আগে একই ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কানুনগো ও সার্ভেয়ারদের বিরুদ্ধেও কমিশন বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। এবার হিসাব সহকারী হাসিবুল হাসানকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ ও ভিডিও ফুটেজ নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এলএ শাখার কার্যক্রম নিয়ে।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নূর নাহার বেগম জানান, অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জমির মালিকদের দাবি, ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে কমিশন নয়, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে হবে। এখন হাসিবুল হাসানকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ ও ভিডিও ফুটেজের বিষয়ে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়, সেটিই দেখার বিষয়।


নির্বাচিত

১২ কেজির সিলিন্ডারে ৪ কেজি কম, অসাধু ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জে সদরে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের করে অন্য সিলিন্ডারে স্থানান্তরের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে উপজেলার মহিনন্দ বাজারে অভিযান চালিয়ে রাজিব মিয়া নামের ওই ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে এই সাজা দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত রাজিব মিয়ার বাড়ি পাকুন্দিয়া উপজেলায়। তিনি মহিনন্দ এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে থেকে এলপিজি গ্যাসের ব্যবসা করতেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাজিব একটি বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে ১২ কেজির ভর্তি সিলিন্ডার থেকে ৩ থেকে ৪ কেজি গ্যাস বের করে খালি সিলিন্ডারে ভরে রাখতেন।

পরে কম ওজনের সিলিন্ডারগুলো ১২ কেজি হিসেবে বিক্রি করতেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে একইভাবে গ্যাস স্থানান্তরের সময় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) খবর দেন।

পরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান মারুফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাহুল ঘোষ পলাশ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

আদালত রাজিব মিয়াকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে তাকে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান মারুফ বলেন, ‘রাজিব মিয়া স্বীকার করেছেন যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এক সিলিন্ডার থেকে গ্যাস অন্য সিলিন্ডারে স্থানান্তর করে কেনাবেচা করছিলেন।’ জনস্বার্থে এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।


নির্বাচিত

কাইল্লা শাওনসহ ২ ছিনতাইকারী আটক, হামলায় এসআই আহত

ছবি: ছিনতাইকারী শাওন উরফে কাইল্লা শাওন।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের টঙ্গীর কুখ্যাত ছিনতাইকারী শাওন উরফে কাইল্লা শাওনকে সহযোগীসহ আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাকে ধরতে গিয়ে ধারালো অস্ত্রের হামলায় এস আই হানিফ মাহমুদ নামে এক পুলিশ কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে ৯টার দিকে খরতৈল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন, টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন সাতাইশ খরতৈল এলাকার কামরুজ্জামান শাওন খন্দকার ওরফে কাইল্লা শাওন (২৬) ও তার সহযোগী ছিনতাইকারী সাগর (২৫)। তাদের বিরুদ্ধে টঙ্গী পূর্ব ও পশ্চিম থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে ৯টার দিকে টঙ্গী পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক হানিফ মাহমুদের নেতৃত্বে খরতৈল এলাকা ছিনতাইবিরোধী অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় কুখ্যাত ছিনতাইকারী শাওন ও তার সহযোগী সাগরকে হাতেনাতে আটক করতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় তারা।

একপর্যায়ে শাওনের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এসআই হানিফের পায়ের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ছুরিকাঘাতে আহত হয়েও শাওনকে আটক করেন এসআই হানিফ। পরে সঙ্গীয় পুলিশের সহযোগিতায় শাওন ও সাগরকে থানা নিয়ে যাওয়া হয়। পরে হামলায় গুরুতর আহত এসআই হানিফকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় একটি বেসরকারি হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে প্রেরণ করেন।

এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ দক্ষিণ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার এস এম শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আহত পুলিশ অফিসারের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুই ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে।’


নির্বাচিত

নীলফামারীতে মাদ্রাসার মাঠ রক্ষার দাবিতে ডিসির কাছে স্মারকলিপি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারী শহরের আলিয়া মাদ্রাসার মাঠ সংরক্ষণ, মাঠ সংকুচিত করে দোকানঘর নির্মাণ বন্ধ এবং মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠনের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসক মো. হুমায়ূন কবিরের কাছে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, নীলফামারী আলিয়া মাদ্রাসার মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে মৃত ব্যক্তিদের জানাজার নামাজ আদায়ের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পাশাপাশি স্থানীয় শিশু-কিশোররা নিয়মিত এ মাঠে খেলাধুলা করে। কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মাঠের জায়গা সংকুচিত করে দোকানঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় জানাজাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ক্রীড়া কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ ছাড়া মাদ্রাসার প্রধান ফটক বন্ধ থাকায় শিশু-কিশোররা মাঠে প্রবেশ করে খেলাধুলার সুযোগ পাচ্ছে না বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা মতামত না নিয়েই মাঠে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগও করা হয়েছে।

স্মারকলিপিতে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন করে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে বিদ্যোৎসাহী সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা, মাঠে দোকানঘর নির্মাণ বন্ধ এবং প্রধান ফটক সবসময় খোলা রাখার দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপি প্রদানকালে জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলমগীর সরকার, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল পারভেজ, নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুব উর রহমান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সোয়েম, আইনজীবী সানাউল হক তনিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

মাগুরায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরায় শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্নে উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে মাগুরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মাগুরার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ। সভায় প্রশাসন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, স্বাস্থ্য বিভাগ, বিদ্যুৎ, উপজেলা প্রশাসন, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর, সাংবাদিক ও পূজা উদ্‌যাপন সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, গত বছর মাগুরা জেলায় ৬১১টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ বছর জেলায় ৬৮৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। ফলে গত বছরের তুলনায় এ বছর পূজামণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে ৭৬টি।

সভায় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, বিদ্যুৎ ও সড়ক ব্যবস্থাপনা, জরুরি চিকিৎসাসেবা এবং সার্বিকভাবে উৎসবের পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় আরও ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল কাদের, প্রশাসনের মো. আরিফুল ইসলাম সরদার (উপসচিব), সহকারী পুলিশ সুপার (শালিখা সার্কেল) নিশাত আল নাহিয়ান, মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রী, শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হাসান চৌধুরী, মাগুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মো. জিল্লুর রহমান, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, মাগুরার উপসহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আহমেদ, বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্টের মাগুরা জেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুমুদ রঞ্জন বিশ্বাস, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর, মাগুরার উপপরিচালক আব্দুল আওয়ালসহ সংশ্লিষ্টরা।

সভায় জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ বলেন, ‘দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদ্‌যাপনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে সবাইকে উৎসব উদ্‌যাপনের আহ্বান জানানো হয়।


নির্বাচিত

মহানগর এক্সপ্রেসের ছাদে চড়ে গাঁজা পাচার, যাত্রীদের হাতে আটক যুবক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাদে চড়ে ঢাকায় গাঁজা পাচারের সময় এক যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন ট্রেনের যাত্রীরা। গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

আটক যুবকের নাম মো. ইসলাম। তিনি রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১ দারুস সালাম এলাকার রেজাউল মিয়ার ছেলে। তার কাছ থেকে ১ কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় রেলওয়ে পুলিশ তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করেছে।

ট্রেনের ছাদে থাকা যাত্রীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ইসলাম কসবা এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে শরীরের সঙ্গে বিশেষ কায়দায় ফিটিং করেন। পরে আখাউড়া থেকে মহানগর এক্সপ্রেসে ওঠেন। ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে তিনি নিচে নেমে যান। পরে আবার ট্রেনের ছাদে ওঠার সময় সেখানে থাকা কয়েকজন যাত্রী তাকে সহায়তা করতে গিয়ে তার পেটে হাত দেন।

এ সময় তাদের সন্দেহ হলে তারা তাকে তল্লাশি করেন। তখন তার পেটের সঙ্গে গাঁজা ফিটিং করা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে রেলওয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন যাত্রীরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শাহআলম মিয়া জানান, এ ঘটনায় ইসলামের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এর আগেও মাদক-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে একাধিকবার সাজা দেওয়া হয়েছিল। তাকে বুধবার (৭ অক্টোবর) আদালতে সোপর্দ করা হবে।


নির্বাচিত

গোয়ালন্দে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা পেলেন সুবিধাবঞ্চিত মানুষ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে আনোয়ারা হামিদ চক্ষু হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অসহায় ও দরিদ্রসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে গোয়ালন্দ রাবেয়া ইদ্রিস মহিলা কলেজ মাঠে এ চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। গোয়ালন্দ হ্যাচারিজ লিমিটেড ও গোয়ালন্দ রাবেয়া ইদ্রিস মহিলা কলেজের আয়োজনে এবং ফরিদপুর আনোয়ারা হামিদ চক্ষু হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. মহসিন বেগের তত্ত্বাবধানে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

চক্ষু ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল হুদা।

রাবেয়া ইদ্রিস মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাদের শেখের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিন শেখ, সাবেক সভাপতি সুলতান নুর ইসলাম মুন্নু মোল্লা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ আহমেদ, সাবেক সদস্য সচিব মো. নাজিরুল ইসলাম তিতাস, গোয়ালন্দ হ্যাচারিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবু সায়েম খান সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও মো. সাইফুল হুদা বলেন, ‘‘দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা দেওয়া অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এ ধরনের ভালো কাজকে সবসময় উৎসাহিত করা উচিত। এতে অন্যরাও মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত হবেন।’’

আয়োজকরা জানান, ক্যাম্পে রোগীদের চোখের প্রাথমিক পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। যেসব রোগীর বিশেষায়িত চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হবে, তাদের ফরিদপুর আনোয়ারা হামিদ চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার করা হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রও বিনামূল্যে দেওয়া হবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, দিনব্যাপী এ ক্যাম্পে প্রায় ১ হাজার ৫০০ রোগীকে চক্ষু চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। আমরা প্রায় প্রতি মাসেই এরকম বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প করে থাকি। প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকার মানুষের কাছে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে এ উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।


নির্বাচিত

banner close