বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
৬ কার্তিক ১৪৩৩

ভ্যানচালক হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের কারাদণ্ড

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইউনুস আলী মোল্লা। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
১৫ মার্চ, ২০২৩ ১৮:১৮
প্রতিনিধি, বগুড়া
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, বগুড়া
প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ২০২৩ ১৭:৩০

বগুড়ার কাহালুতে ভ্যানচালক জুরান আলী সরকার হত্যাকাণ্ডের প্রায় দেড় যুগ পর এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি আরও সাত আসামিকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। খালাস পেয়েছেন দুজন।

বুধবার দুপুরে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেগম রুবাইয়া ইয়াছমিনের আদালত এই আদেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন কাহালুর অঘোর ধোয়া পাড়ার মো. ইউনুস আলী মোল্লা। তিনি হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন একই এলাকার মো. আফজাল হোসেন ফকির, মো. আশরাফুল সরকার, আতাউর রহমান সরকার, মো. সবুজ সরকার মো. আজিজুল হক রনি, সিরাজুল হক জনি ও সোহাগ শেখ।

ভ্যানচালক জুরান আলী সরকারও একই এলাকার বাসিন্দা এবং আসামিদের প্রতিবেশী ছিলেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জহুরুল ইসলাম জানান, ভ্যানচালক জুরান আলী সরকারের সঙ্গে আসামিদের পারিবারিক শত্রুতা ছিল। এর জেরে ২০০৭ সালের ১১ নভেম্বর জুরানকে লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করেন আসামিরা। এদের মধ্যে ইউনুস আলী লাঠি দিয়ে জুরানের মাথায় আঘাত করেন। এতেই তার মৃত্যু হয়।

পরে জুরানের বাবা ছামসুল আলী সরকার বাদী হয়ে কাহালু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিচার চলাকালে সাক্ষ্য-প্রমাণে হত্যার বিষয়টি প্রমাণ হওয়ায় বিচারক ইউনুস আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেন। আর সাতজনকে এক বছর করে সাজা দেন। এ ছাড়া মেহেরুন বেগম ও মোছা. বেলী খাতুনকে বেকসুর খালাস দেন বিচারক।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ।

মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন রেজাউল করিম মন্টু।


নির্বাচিত

দুর্নীতি বন্ধে আগে নেতাদের দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

দেশে কার্যকরভাবে দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে সবার আগে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও নেতাদের নিজেদের দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় স্থানীয় শিক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, দুর্নীতি নির্মূলের প্রথম শর্ত হলো যারা মুখে দুর্নীতি বন্ধের কথা বলছেন, সেই রাজনৈতিক নেতৃত্বের সততা নিশ্চিত করা; তা না হলে এ সংক্রান্ত যাবতীয় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।

সভায় শিক্ষকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মানসিকতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া শিক্ষকদের জন্য দিন দিন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। তরুণ সমাজের একটি অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে শিক্ষকদের গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে নতুন আঙ্গিকে ভাবতে হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে শিক্ষকদেরই সময়োপযোগী ও সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিতে হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন আইনমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানান, নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার টাকা-পয়সার লেনদেনের তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতিদের স্বেচ্ছাচারিতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি কর্তৃক প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে কোনো ধরনের দুর্ব্যবহার বা অসৌজন্যমূলক আচরণ বরদাশত করা হবে না।

তবে কেবল ব্যবস্থাপনা কমিটি নয়, শিক্ষকদেরও নিজেদের পেশাগত দায়িত্বশীলতার বিষয়ে সতর্ক করেন মন্ত্রী আসাদুজ্জামান। তিনি উল্লেখ করেন, কোনো প্রধান শিক্ষক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি যদি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করে কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা লুটপাটে জড়ান, তবে সেটিও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। শৈলকুপার এই মতবিনিময় সভায় উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ফরিদপুরে কথিত দুই ‘জিনের বাদশা’ গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফরিদপুর প্রতিনিধি

কখনো ‘জিনের বাদশা’, কখনো তান্ত্রিক-কবিরাজ, আবার কখনো পরিচিত ব্যবসায়ীর মোবাইল নম্বর ক্লোন করে বিশ্বাস অর্জনের মাধ্যমে মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এক প্রতারক চক্রের মূল হোতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুর পিবিআই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন থানার মূলপাইততন গ্রামের মো. রাজিব (২৮) এবং একই থানার ফুলকাচিয়া গ্রামের মো. সুমন (২৬)। গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) বোরহানউদ্দিনের কুঞ্জেরহাট বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পিবিআই জানায়, ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর রাজবাড়ী সদর থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলার সূত্র ধরে দীর্ঘ আট মাস প্রযুক্তিগত তদন্ত চালিয়ে এই চক্রটিকে শনাক্ত করা হয়। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ রাজবাড়ীর বিনোদপুর এলাকার চাল ব্যবসায়ী রশিদুল ইসলামের পরিচিত এক ব্যবসায়ী বিজয় বাবুর মোবাইল নম্বর ক্লোন করে চক্রটি। এরপর জরুরি আর্থিক প্রয়োজনের কথা জানিয়ে সুলভ মূল্যে ৩৩ টন চাল বিক্রির প্রস্তাব দেওয়া হয়। পূর্বপরিচয়ের সূত্রে বিশ্বাস করে রশিদুল ওই দিন দুপুরে আটটি বিকাশ ও নগদ নম্বরে দফায় দফায় মোট ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পাঠান। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পর বিজয় বাবুর মূল অফিসে যোগাযোগ করে রশিদুল নিশ্চিত হন যে তিনি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

ঘটনার পর রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ কোনো আসামি গ্রেপ্তার ছাড়াই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে আদালতের নির্দেশে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি তদন্তের দায়িত্ব পায় ফরিদপুর পিবিআই। তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মাজিদুল হক খান গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারেন, এই চক্রের সদস্যরা সারাদেশেই সক্রিয়। বিশেষ করে টাকা সংগ্রহের জন্য চক্রটি সুমন নামের এক পা হারানো শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবককে ব্যবহার করত। ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চালানোর আড়ালে ক্রাচে ভর দিয়ে বিভিন্ন এলাকার বিকাশ ও নগদ ক্যাশ আউট পয়েন্ট থেকে টাকা সংগ্রহ করতেন তিনি, যেন শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা স্থানীয়রা সহজে সন্দেহ না করে।

গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার জানান, চক্রটির প্রতারণার কৌশল ছিল বহুবিধ ও সুপরিকল্পিত। গভীর রাতে তারা বিশেষ করে নারীদের ফোন করে ‘জিনের বাদশা’ পরিচয় দিত এবং ফোনের পাশে অদ্ভুত শব্দ বাজিয়ে এক ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করত। এরপর পরিবারের সদস্য হারানো বা চরম বিপদের আতঙ্ক তৈরি করে তা থেকে উদ্ধারের নামে ভয় দেখিয়ে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আদায় করত। এর বাইরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নামকরা তান্ত্রিক ও কবিরাজ সেজে বিজ্ঞাপন দিয়ে কঠিন বা গোপন রোগমুক্তি, প্রেমে সফলতা এবং পারিবারিক সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিত তারা।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই নিশ্চিত করেছে যে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম আরও জানান, এই প্রতারক চক্রে মোট পাঁচজন সক্রিয় সদস্য জড়িত রয়েছে। গ্রেপ্তার দুজন ছাড়াও চক্রের বাকি তিন সদস্যের পরিচয় ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


নির্বাচিত

আগামী গ্রীষ্মের আগেই তিন-চার হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর

যশোর জেলা বিএনপি অফিসে সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আমিত। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আমিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ইতিবাচক সাড়ার কারণে আগামী গ্রীষ্মের আগেই এ খাত থেকে তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, জনগণের আগ্রহের প্রেক্ষিতে সরকারও নীতিগত সহায়তা দিচ্ছে, যার ফলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে দেশের প্রথম কোনো রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে যশোর জেলা বিএনপি অফিসে সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত নীতি মেনে যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে ৬ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর প্যানেল বসানো হয়েছে, যা দেশের কোনো রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রথম।

সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে স্থাপিত এই প্যানেলের ব্যবহারের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুবিধা রয়েছে এবং আগামী ৩ থেকে সাড়ে ৩ বছরের মধ্যে এর খরচ উঠে আসবে। এই উদ্যোগ দেখে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও উৎসাহিত হবে বলে তিনি আশা করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, পর্যায়ক্রমে সেচ পাম্পগুলোকেও সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা হবে। এর ফলে ডিজেল ও সাধারণ বিদ্যুতের ওপর চাপ কমবে এবং কৃষকদের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

গরু-ছাগল ও জমানো টাকার লোভে নওগাঁয় বৃদ্ধাকে হত্যা: পুলিশ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

কানের স্বর্ণের দুল, জমানো টাকা ও গবাদিপশুর প্রতি লোভ। এর সঙ্গে মাদকের কারবারে বাধা দেওয়া এবং জমিজমা নিয়ে পুরোনো বিরোধ। এসব ক্ষোভ ও স্বার্থের দ্বন্দ্ব থেকে ৬৫ বছর বয়সি হালিমা বেগমকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। নওগাঁর ধামইরহাটে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডে নিহতের ছোট ভাই ও তার স্ত্রীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যার পর হালিমার কানের স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নিতে তার এক কানের লতি কেটে এবং অন্য কানের লতি ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- নিহত হালিমা বেগমের ছোট ভাই মজনু রহমান (৫৬), তার স্ত্রী হোসনে আরা (৪২), রবিউল ইসলাম (৩৯), হামিদুর রহমান (৫৫) ও মোশারফ হোসেন (৪৫)। তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রশি ও ওড়না জব্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নওগাঁর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ১৯ অক্টোবর সকালে ধামইরহাট উপজেলার ছিলিমপুর (তালবোনা) গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ের পাশে ধানক্ষেতের আলে হালিমা বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল করে। এ সময় বৃদ্ধার একটি কানের লতি কাটা এবং অন্য কানের লতি ছেঁড়া অবস্থায় দেখতে পায় পুলিশ। ঘটনার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করে ধামইরহাট থানা-পুলিশ।’

এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে প্রথমে মজনু রহমান ও তার স্ত্রী হোসনে আরাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আলমপুর ও ছিলিমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রবিউল ইসলাম, হামিদুর রহমান ও মোশারফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হালিমা বেগম ছিলেন নিঃসন্তান ও স্বামী পরিত্যক্তা। বাবার বাড়িতে ছোট ভাই মজনু রহমানের ঘরের পেছনে একটি ছাপড়াঘরে বসবাস করতেন তিনি। মানুষের বাড়িতে কাজ করার পাশাপাশি গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কষ্টের উপার্জনে কিছু টাকা জমিয়েছিলেন তিনি। তার জমানো টাকা ও গবাদিপশুর প্রতি লোভ ছিল ছোট ভাই মজনু ও তার স্ত্রী হোসনে আরার।

অন্যদিকে স্থানীয়ভাবে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় রবিউল ইসলাম এবং জমিজমা নিয়ে পুরোনো বিরোধের কারণে হামিদুর রহমান ও মোশারফ হোসেন হালিমার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এসব বিরোধ ও স্বার্থের দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের প্রায় পাঁচ দিন আগে পাঁচজন মিলে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ১৮ অক্টোবর রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে হামিদুর রহমান কৌশলে হালিমা বেগমকে ঘর থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে আসেন। এ সময় অন্য আসামিরা তার মুখ চেপে ধরেন। পরে তাকে প্রায় ২০০ গজ দূরে একটি খড়ের পালার পেছনে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে হালিমার হাত রশি দিয়ে বেঁধে তার পরনের ওড়না গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে জানায় পুলিশ। এরপর তার কানে থাকা স্বর্ণের দুল খুলে নেওয়ার জন্য হামিদুর রহমান নৃশংসভাবে একটি কানের লতি কেটে এবং অন্য কানের লতি ছিঁড়ে ফেলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

হত্যার পর মরদেহটি বাঁশঝাড়ের আড়ালে ফেলে রেখে পালিয়ে যান আসামিরা। পরে কানের স্বর্ণের দুল দুটি নিজেদের মধ্যে ভাগবাঁটোয়ারা করে নেন তারা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

তান্ত্রিক-কবিরাজ সেজে প্রতারণা, পিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ২

তান্ত্রিক, কবিরাজ ও জীনের বাদশা সংঘবদ্ধ চক্র গ্রেপ্তার । ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহবুব পিয়াল, ফরিদপুর

মানুষের বিশ্বাসকে পুজি করে নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিদের নম্বর ক্লোন করে নানা কৌশলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া তান্ত্রিক, কবিরাজ ও জীনের বাদশা সংঘবদ্ধ চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই ফরিদপুর।

আসামিরা হলো ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন থানা মুলপাত্তম গ্রামের রমজান শেখের ছেলে মো. রাজিব (২৮) ও ফুলকাচিয়া গ্রামের মৃত মোসলেম হাওলাদারের ছেলে সুমন হাওলাদার (২৬)। বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় পিবিআই ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘটনা বর্ণনা করেন।

পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ সকাল ১০ টার দিকে বিজয় বাবুর মোবাইল নম্বর ক্লোন করে রাজবাড়ী জেলার বিনোদপুর বাজারের চাল ব্যবসায়ী রশিদুল ইসলামকে ফোন করে এই চক্রে সদস্যরা। সুলভ মূল্যে ৩৩ টন চাল কেনার অফার দিলে ব্যবাসায়িক লেনদেনের বিশ্বস্ততায় তিনি চাল কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিকেল ৪টার মধ্যে চাল পৌঁছে যাবে বলে বিজয় বাবুর ফোন নম্বর থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়। এ সময় রশিদুলকে দ্রুত টাকা পাঠাতে বলা হয়। প্রথমে একটি বিকাশ নম্বরে ৫০ হাজার টাকা ও পরে বেশ কয়েকটি বিকাশ ও নগদ নম্বরে মোট ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধ করে চাল ব্যবসায়ী রশিদুল ইসলাম।

বিকেল পর্যন্ত চাল না আসায় বিজয় বাবুর কাছে গেলে তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বললে। ভুক্তভোগী রশিদুল প্রত্যারণার স্বীকার হয়েছে বুঝতে পারেন। এই ঘটনায় চাল ব্যবসায়ী রশিদুল রাজবাড়ী সদর থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘থানা-পুলিশ এই মামলার কোনো কুলকিনারা করতে না পারায় বাদীর দাবির পরিপেক্ষিতে আট মাস পরে পিবিআইর নিকট মামলাটি হস্তান্তর করা হয়। গোয়েন্দা তথ্য, বিশ্বস্ত সূত্র ও তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় গত ১৯ অক্টোবর রাতে ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন থানার কুঞ্জেরহাট থেকে প্রথমে সুমন ও পরে রাজিবকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই পুলিশ।

কঠিন ও গোপন রোগের সমাধান, প্রেমে সফলতা, দাম্পত্য জীবনে অসুখীসহ নানা সমস্যার সমাধানের প্রলোভন দেখাত আসামিরা। কখনো জিনের বাদশা আবার কখনো তান্ত্রিক-কবিরাজের ছদ্দবেশে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রত্যারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করত। এই সকল অপরাধের বিস্তারিত বর্ণনাসহ তাদের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় আসামিরা।


নির্বাচিত

কুমিল্লায় কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ ৫টি অংশ লাইনচ্যুত

* ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের নাওটী স্টেশনের অদূরে কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিন ও চারটি বগি লাইনচ্যুতের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ঢাকামুখী রেললাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। লাইনচ্যুত ইঞ্জিন ও বগি উদ্ধারে চট্টগ্রাম থেকে আসছে উদ্ধারকারী ট্রেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নাওটী স্টেশনের অদূরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

রেলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফারহান মাহমুদকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ট্রেনের যাত্রীরা জানান, দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের পর ট্রেনটি নাঙ্গলকোট স্টেশন ছেড়ে আসে। অন্যান্য দিনের তুলনায় এদিন ট্রেনটির গতি বেশি ছিল বলে মনে হয়েছে তাদের। নাওটী স্টেশন পার হওয়ার পর ট্রেনটির ইঞ্জিন ও চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ সময় যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। এতে একাধিক যাত্রী মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান। কয়েকজনের মাথা ফেটে যায়। হুড়োহুড়ি করতে গিয়েও কয়েকজন আহত হন।

আহত ব্যক্তিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। দুর্ঘটনার পর ট্রেনের অন্তত তিন শতাধিক যাত্রী বিভিন্ন পরিবহনে করে নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেন।

লাকসাম রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, রেললাইনে থাকা পাঁচটি বগি নাঙ্গলকোট স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। লাইনচ্যুত চারটি বগি ও একটি ইঞ্জিন উদ্ধারে চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন আসছে। উদ্ধারকাজ শেষে সেগুলোও স্টেশনে নেওয়া হবে।


নির্বাচিত

এআই ও বায়োগ্যাসে কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে যুব মন্ত্রণালয়: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

কক্সবাজারের লিংক রোড সংলগ্ন এলাকায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত বায়োগ্যাস প্লান্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কক্সবাজার প্রতিনিধি

দেশের জ্বালানি সংকট কার্যকরভাবে মোকাবেলায় টেকসই বায়োগ্যাস প্রযুক্তি প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বায়োগ্যাস প্লান্ট ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) কক্সবাজারের লিংক রোড সংলগ্ন এলাকায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত বায়োগ্যাস প্লান্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক। বর্তমানে স্বল্প পরিসরে বাস্তবায়িত এই কার্যক্রমকে আগামীতে দেশব্যাপী ব্যাপক রূপ দেওয়া হবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠান থেকে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে উদ্বুদ্ধ করতে ২ জন খামারিকে ১.৫ লক্ষ টাকা করে ঋণ প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বায়োগ্যাসের সুবিধা ও প্রত্যক্ষ উপকারিতা সাধারণ মানুষের কাছে সহজবোধ্য করতে একটি বুকলেট তৈরি করা হবে, যা মাঠ পর্যায়ে বিতরণ করে খামারিদের অনুপ্রাণিত করা হবে। যুবদের শক্তির ওপর গভীর আস্থা প্রকাশ করে তিনি বলেন, তরুণ সমাজই দেশের প্রকৃত চালিকাশক্তি এবং তারাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দিয়ে দেশের সার্বিক পরিবর্তন ও উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যুগের চাহিদা বিবেচনায় যুব উন্নয়ন কেন্দ্রের ট্রেডগুলোকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এখন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ফ্রিল্যান্সিং, কেয়ার গিভিং ও মোবাইল সার্ভিসিংয়ের মতো যুগোপযোগী খাতে প্রশিক্ষণ ও সহজ শর্তে ঋণ সহায়তার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হচ্ছে। নিজের গৃহস্থালি চাহিদা মিটিয়ে কীভাবে বাণিজ্যিকভাবে বায়োগ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানো যায়, সে পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। যুব উন্নয়নের প্রতিটি সেবা দেশের একেবারে প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।


নির্বাচিত

শার্শায় ৪ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণের বারসহ ১ জন আটক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের শার্শায় প্রায় ৪ কোটি টাকা বাজার মূল্যের ১৮টি স্বর্ণের বার ও একটি সুজুকি মোটরসাইকেলসহ আলাউদ্দিন নামে এক পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে নাভারণ-সাতক্ষীরা মহাসড়কের দক্ষিণ বুরুজবাগান এলাকার একটি ইটভাটা সংলগ্ন স্থান থেকে তাকে আটক করা হয়।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাভারণ-সাতক্ষীরা মহাসড়কের দক্ষিণ বুরুজবাগান এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় সন্দেহভাজন আলাউদ্দিনকে আটক করে তার কাছ থেকে ১৮টি স্বর্ণের বার ও একটি সুজুকি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা স্বর্ণের বারগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আটক আলাউদ্দিন শার্শা উপজেলার হাড়িখালী-যদুনাথপুর গ্রামের মৃত গোলাম রসুলের ছেলে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে শার্শা থানার প্রেস কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের বার উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন। এ ঘটনায় চোরাচালান-সংক্রান্ত আইনে মামলা করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।


নির্বাচিত

মাগুরায় বাস কাউন্টার থেকে যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার, মাথায় গুলি

* হত্যার প্রতিবাদে বিএনপির মিছিল
মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেন । ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেন কে মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ময়না তদন্তে তার মাথা থেকে রিভালবারের একটি গুলি বের করা হয়েছে। হত্যার কারণ এবং জড়িতদের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে তাৎক্ষণিকভাবে যুবদল ছাত্রদল শহরে মিছিল বের করে। বাস টার্মিনালে তাৎক্ষণিক বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়া যায়। স্বজনদের দাবির মুখে পুলিশ তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডাক্তার কৃষ্ণ দাস বিশ্বাস জানান, দুপুর দেড়টার দিকে ময়না তদন্তে তার মাথার মধ্য থেকে একটি ছোট সাইজের গুলি বের করা হয়েছে। এটি পিস্তল বা রিভলভারের গুলি হতে পারে যা অধিক তদন্ত শেষে নির্দিষ্ট করে বলা যাবে।

নিহত সাকের হোসেন মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকার মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। তিনি পৌর যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে কাউন্টার মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

স্থানীয়রা জানায়, বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোরে রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে সাকের হোসেনকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্রের চিহ্ন দেখতে পান চিকিৎসক। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মাইনুল হাসান জানান, বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোরে কয়েকজন ব্যক্তি সাকের হোসেনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

নিহত সাকের হোসেনের বড় ভাই রাজমীর হোসেন জানান, পরিকল্পিত ভাবে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তবে কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তাৎক্ষণিকভাবে নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি তিনি।

মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দিলে বিস্তারিত জানা যাবে। পুলিশ ইতিমধ্যে প্রযুক্তি এবং ম্যানুয়ালি এই হত্যাকাণ্ডের মোটিভ এবং জড়িতদের বিষয়ে জোরালোভাবে কাজ শুরু করেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই ভালো খবর দিতে পারবো।


নির্বাচিত

কালাই থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলা, যুবক গ্রেপ্তার

ছবি: আসলাম হোসেন
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের কালাই থানার ভেতরে কাঠের বাটাম নিয়ে প্রবেশ করে তিন পুলিশ সদস্যের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে আসলাম হোসেন (৩০) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলিতে চারটি সেলাই দিতে হয়েছে। আসলাম কালাই পৌর শহরের থুপসাড়া গ্রামের মুনসুর রহমানের ছেলে।

গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে কালাই থানা চত্বরের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। পরে পলাতক ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) জয়পুরহাট বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

থানায় দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপূজার দায়িত্ব পালনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন পুলিশ সদস্যরা। এ সময় হাতে কাঠের বাটাম নিয়ে থানায় প্রবেশ করেন আসলাম। পুলিশ সদস্যরা তার পরিচয় ও থানায় আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি কনস্টেবল মো. মাহমুদুল হাসান রকিকে লক্ষ্য করে আঘাত করেন। রকি সরে যাওয়ায় আঘাতটি তার বাম চোয়ালে লাগে। এতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন। পরে তাকে আটকানোর চেষ্টা করলে আসলাম ড্রাইভার কনস্টেবল মাসুদ রানার পিঠে আঘাত করেন। এ সময় আরেক পুলিশ সদস্য তাকে আটকাতে গেলে তার ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলিতে গুরুতর জখম হয়। পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে এলে কাঠের বাটাম ফেলে দৌঁড়ে থানা চত্বর থেকে পালিয়ে যান আসলাম।

আহত পুলিশ সদস্যদের কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। এজাহারে আসলাম হোসেনের বিরুদ্ধে মাদক ও জুয়া আইনে একাধিক মামলা থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

কালাই থানার ওসি সাইদুল আলম বলেন, থানায় ঢুকে এক যুবক পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা করেন। ঘটনার সময় তিনি প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের ডিউটিতে ছিলেন। পরে অভিযান চালিয়ে আসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


নির্বাচিত

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান

বিশেষ সুরক্ষায় ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহরটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঈশ্বরদী প্রতিনিধি

রাজধানী ঢাকা থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের অতিরিক্ত জ্বালানি ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান পৌঁছেছে।

বুধবার সকাল ১০টা ৩ মিনিটে বিশেষ সুরক্ষায় ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহরটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। এর আগে ভোর ৪টা ৫৬ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঈশ্বরদীর উদ্দেশে রওনা হয়েছিল এই বহর।

ইউরেনিয়াম পরিবহনকালে সেনাবাহিনী, এসআরবি ও পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে মহাসড়কে গড়ে তোলা হয় কড়া নিরাপত্তা বলয়। ঢাকা থেকে পাবনা পর্যন্ত সড়কপথে সাধারণ যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের নির্ভরযোগ্য সূত্র জ্বালানি পৌঁছানোর খবর নিশ্চিত করেছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি; ফলে রাশিয়া থেকে বিমানযোগে চালানটি ঠিক কখন ঢাকায় অবতরণ করেছিল, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর একই প্রক্রিয়ায় কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রথম ইউনিটের জন্য অতিরিক্ত ইউরেনিয়ামের প্রথম চালানটি ঈশ্বরদীতে নেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, চলতি বছরের ভেতরেই দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য আরও সাতটি ইউরেনিয়ামের চালান পর্যায়ক্রমে রূপপুরে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বিষয়:

নির্বাচিত

রাজশাহীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০৩টি তাজা ককটেল উদ্ধার

মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০৩টি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০৩টি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে ওই থানার আদুবুড়ি উপরিমাঠ এলাকার একটি লিচুবাগানে তল্লাশি চালিয়ে এসব বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।

বুধবার সকালে এসআরবি-৫-এর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গভীর রাতে লিচুবাগানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে সেখানে পরিত্যক্ত একটি সিমেন্টের বস্তার ভেতর থেকে হাতে তৈরি ১০৩টি তাজা ককটেল পাওয়া যায়। পরবর্তীতে সেগুলো জব্দ করেন অভিযানকারী দলের সদস্যরা।

এসআরবি জানিয়েছে, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে উদ্ধারকৃত ককটেলগুলো কাশিয়াডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিষয়:

নির্বাচিত

ভালুকায় মাদক মামলার আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার দুই পুলিশ সদস্য

আসামির পরিবারের লোকজন অতর্কিতভাবে পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণ চালায়
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩২
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ভালুকায় মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের দুই সদস্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার রাজৈ ইউনিয়নের সজনগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন ভালুকা মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাহিদুল ইসলাম ও কনস্টেবল বাকিরুল ইসলাম। ঘটনার পর তাঁদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি আবদুল কদ্দুসকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশে তাঁর সজনগাঁওয়ের বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশের একটি দল। সেখানে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট গ্রেপ্তারি পরোয়ানাটি আদালত থেকে প্রত্যাহার বা রিকল করার কাগজপত্র প্রদর্শন করা হলে পুলিশ সদস্যরা আসামিকে ছেড়ে দিয়ে ফিরে আসার উদ্যোগ নেন। ঠিক সেই মুহূর্তে আসামির পরিবারের লোকজন অতর্কিতভাবে পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণ চালায়, যাতে দুই সদস্য আহত হন।

পরবর্তীতে খবর পেয়ে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অবরুদ্ধ ও আহত সহকর্মীদের উদ্ধার করে রাত ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে আটক করতে গিয়ে পুলিশের দুই সদস্য শারীরিক হামলার শিকার হন। তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়ে তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছে এবং সরকারি কাজে বাধা ও হামলার এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বিষয়:

নির্বাচিত

banner close