শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

নাসিরনগরে সাম্প্রদায়িক হামলা, এক মামলায় ১৩ জনের জেল

ছবি: সংগৃহীত
প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশিত : ১৬ মার্চ, ২০২৩ ১৮:২৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মন্দির ভাঙচুরসহ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার ঘটনার প্রায় সাড়ে ৬ বছর এক মামলার রায় দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর একটায় চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ পারভেজ ১৩ জন আসামিকে চার বছরের কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন-মোখলেছ মিয়া, মো. মফিজুল হক, খসরু মিয়া, নাজির রহমান, মো. মাহফুজ মিয়া, ইদু মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পদাক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ মো. আব্দুল আহাদ, সায়হাম রাব্বি শ্যাম, মীর কাশেম, আনিছ মিয়া, তাবারক রেজা, সচিব চৌধুরী, হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দেওয়ান আতিকুর রহমান আঁখি। রায় দেয়ার সময় আটজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন মোখলেছ মিয়া, খসরু মিয়া, নাজির রহমান, মো. মাহফুজ মিয়া, ইদু মিয়া, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মো. আব্দুল আহাদ, মীর কাশেম, সচিব চৌধুরী। পলাকত আসামিরা হলেন- মফিজুল হক, সায়েম রাব্বি শ্যাম,আনিস মিয়া, তাবারক রেজা ও আতিকুর রহমান আঁখি।

ফেসবুকে রসরাজ দাস নামে এক তরুণের আইডি থেকে ধর্ম অবমাননাকর ছবি পোস্টের জেরে ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবর নাসিরনগর উপজেলা সদরে হিন্দুদের ১৫টি মন্দির ও অর্ধশতাধিক ঘর-বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেয়া হয়। এসব ঘটনায় নাসিরনগর থানায় আটটি মামলা হয় সে সময়।

৩ নভেম্বর দিনগত রাত সাড়ে চারটার দিকে দুর্বৃত্তরা উপজেলা সদরের পশ্চিমপাড়ার গোবর্ধন রায়ের (৫১) বাড়ির সামনের পুরাতন দুর্গা মন্দিরে অগ্নিসংযোগ করে। এতে মন্দিরের অধিকাংশ আগুনে পুড়ে যায়। একই সময় উপজেলার ঠাকুরপাড়ার কেশব চক্রবর্তীর বাড়ির রান্নাঘরেও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে নাসিরনগর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) সাধন কান্তি চৌধুরী সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থরা কেউ মামলা দিতে রাজি না হওয়ায় ওই বছরের ৬ নভেম্বর এসআই সাধন কান্ত চৌধুরী অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় গ্রেপ্তার আটজন আসামি দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে রয়েছেন। দীর্ঘ পাঁচ বছর তদন্ত করে ২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর ১৩জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী সরকারি কৌশলী মোস্তাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আজকের শুনানিতে ১১জন সাক্ষী দিয়েছেন। সাক্ষীদের সাক্ষ্য অনুযায়ী অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ১৩ জনকে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। এই রায়ের মাধ্যমে হিন্দুদের মন্দির ও বাড়িঘর পোড়ানোর ঘটনায় ন্যায় বিচার হয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারমান কামরুজ্জামান মামুন বলেন, কোনো সাক্ষী মামলায় অভিযুক্ত হওয়া কাউকে ঘটনাস্থলে দেখতে পাননি। বাদী নিজেও ঘটনাস্থলে কোনো আসামিকে দেখেনি। আমরা বার বার আদালতকে বলেছি, সাজা প্রদান করতে হলে নূন্যতম সাক্ষী প্রয়োজন। আমরা ন্যায় বিচার পায়নি। অনতিবিলম্বে উচ্চ আদালতে আপিল করব।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রে আদালতের পরিদর্শক কাজী দিদারুল আলম বলেন, রায় প্রদানের সময় এজলাসে ৮জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। এই মামলায় পুলিশ তাদেরকে আরও আগেই গ্রেপ্তার করে। আটজন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রসরাজের ফেসবুকের পোস্টের জেরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের উপজেলা শাখার নেতারা নাসিরনগর কলেজ মোড়ে বিক্ষোভের ডাক দেন। অন্যদিকে খাঁটি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের নেতারা নাসিরনগর খেলার মাঠে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেন। পৃথক এই সমাবেশ চলাকালে উপজেলা সদরে ১৫টি মন্দির ও হিন্দুসম্প্রদায়ের শতাধিক বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট-অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাতটি মামলা হয়। আর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে পোস্ট দেয়ার অভিযোগ এনে রসরাজের নামে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের ধারায় একটি মামলা করে পুলিশ। আট মামলায় প্রায় তিন হাজার লোককে আসামি করা হয়।


নির্বাচিত

টাকার লোভে ফুলবাড়ির কাস্টমস সিপাহি রায়হানকে হত্যা করে

* ২৩ দিন পর ঘাতকরা গ্রেপ্তার
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

কাস্টমসের সিপাহী আবু রায়হান তালুকদারকে নিজ ঘরে নৃশংস ভাবে হত্যার করে ঘুমিয়ে পড়ে ঘাতক কেয়ারটেকার। পরের দিন মরদেহটি ১৫ টুকরো করে তিনটি ট্রাভেল ব্যাগে ভরে রাতে বাড়ির পাশে থাকা পরিত্যাক্ত পুকুরে ফেলে রেখে। লাশ উদ্ধারের ২৩ দিন পর বাড়ির কেয়ারটেকার রাজু ও তার বন্ধু জিতুলকে মঙ্গলবার রাতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা শুভ্র।

গত বুধবার (২৬ আগস্ট) সহকারী পুলিশ সুপার এস,এম হাসান ইস্রাফীল, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মশিউর রহমান আসামীদের নিয়ে ফুলবাড়িয়া উপজেলার সোয়াইতপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের দেওয়া তথ্যে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো চাপাতি, দুটি চাকু, একটি লোহার রড, রক্তমাখা পাঞ্জাবি, বালিশ, কাভার তোলা ও একটি কাঠের গুড়ি উদ্ধার করেছে।

ফুলবাড়ি উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের সোয়াইতপুর গ্রমের মৃত আবু বকর সিদ্দিকের কনিষ্ঠ ছেলে আবু রায়হান তালুকদার (৪৫)। বাংলদেশ কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট দপ্তর কমলাপুরে সিপাহী পদে কর্মরত ছিল। গত ২৩ জুলাই রাতে বাড়িতে আসেন। ২৬ জুলাই কর্মস্থলে না যাওয়া তার এক সহকর্মী নাজমুন্নাহার বিউটি বাড়িতে ফোন করে জানায় সে অফিসে আসেনি। পরের দিন তার বড় ভাই মো. নুরুল ইসলাম ফুলবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর বাড়ির কেয়ারটেকার পাশ্ব©বর্তী অনন্তপুর গ্রামে ফজলু মির্জার ছেলে রাজু (১৮) ও একই গ্রামের তার বন্ধু জিতুল (১৯) গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছিল। পরে নিহতের বড় ভাই রাজু ও জিতুলের নামে ফুলবাড়িয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, আবু রায়হান তালুকদার কর্মস্থল থেকে বাড়িতে আসার পরের দিন তার নিজ ঘরে হত্যা করে ঘুমিয়ে পড়ে ঘাতক। পরে ঘরেই চাপাতি ও চাকু দিয়ে মরদেহটি হাত, পা মস্তকসহ ১৫ টুকরো করে। এসয় অতিরিক্ত সাউন্ড দিয়ে গান বাজায়। পরে তিনটি ট্রাভেল ব্যাগে ভরে বাড়ির পাশে পুকুরে ফেলে রাখে। পরে তারা মৌলভী বাজারের শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন সংলগ্ন একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। একটি হোটেলে চাকরিও ঠিক করেন।

ত্রিশাল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এস, এম হাসান ইস্রাফীল জানিয়েছেন, রায়হান তালুকদারকে নিজ ঘরে হত্যা করে ১৫ টুকরো করা হয়। পরে ট্রাভেল ব্যাগে ভরে বাড়ির পাশে পুকুরে ফেলে রেখে ঘাতকরা। গত চারদিন টানা অভিযান চালিয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামীদের নিয়ে অভিযান চালিয়ে তাদের দেওয়া তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি, চাকুসহ বিভিন্ন আলমত সংগ্রহ করা হয়েছে।


নির্বাচিত

কুমিল্লায় সীমান্তের মাদকে বিপথে কিশোর-তরুণ

* টাকা জোগাড়ে বাড়ছে চুরি-ছিনতাই
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

সীমান্তবর্তী কুমিল্লায় কাঁটাতারের ফাঁক-ফোকর দিয়ে আসা মাদকের বিষে নীল হয়ে যাচ্ছে কিশোর-তরুণদের একটি অংশ। নগরীতে এখন হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক। একই চিত্র গ্রামের পাড়া-মহল্লাতেও। সহজলভ্য মাদকের টাকা জোগাড় করতে কিশোর-তরুণদের কেউ কেউ জড়িয়ে পড়ছে চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধে। মাদকের বিস্তারে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের জেলাগুলোর মধ্যে কুমিল্লায় মাদকাসক্তের সংখ্যা বেশি। জেলার ১২টি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে মাদকসেবীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে মাদকবিরোধী অভিযান চললেও মাদকের মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযানে গ্রেপ্তার হচ্ছে মূলত বাহক ও খুচরা বিক্রেতারা।

কুমিল্লা নগরীতে মাদকের বড় একটি অংশ প্রবেশ করছে সীমান্তবর্তী বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া, সদর, সদর দক্ষিণ ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব উপজেলায় পাঁচ শতাধিক মাদক কারবারি সরাসরি মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত। সীমান্ত দিয়ে আসা মাদক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কসহ বিভিন্ন রুটে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছে।

সম্প্রতি কুমিল্লা ১০ বিজিবির দপ্তরে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। এর বাইরে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের অভিযানে নিয়মিত জব্দ হচ্ছে মাদকের চালান।

সীমান্তবর্তী ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল রেলস্টেশনও মাদক পাচারের অন্যতম রুট হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেখানে মাদক কারবারিদের তৎপরতা দীর্ঘদিনের। এমনকি মাদক কারবারিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে গণমাধ্যমকর্মীদেরও বাধার মুখে পড়তে হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী আবুল হোসেন জানান, তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা। ট্রেনে করে মাদক ও চোরাচালানের বিষয়ে নিউজ হলে একদিন অভিযান হয়। মাসের বাকি ২৯ দিন সবকিছু আগের মত পাচার হয়।

সীমান্ত দিয়ে আসা মাদক নগরীর বিভিন্ন অলিগলি, ঝোপঝাড় ও পরিত্যক্ত বাড়িতে প্রকাশ্যেই সেবন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের একটি অংশও মাদকের ঝুঁকিতে পড়ছে। নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকার বাসিন্দা আবদুর রহিম বলেন, এখন অলিতে গলিতে ১৫-২০ বছরের ছেলেরা সবার সামনে গাঁজা ইয়াবা সেবন করছে। কেউ কিছু বললেই পুরো গ্যাং নিয়ে এসে হামলা করে। তাই ভয়ে কেউ কিছু বলে না।

কাপ্তানবাজার এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার হোডেন বলেন, গেলো এক বছরে যে পরিমান ডিশলাইনের তারসহ ছিকচে চোর ও ছিনতাইকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে তা গত ৫০ বছরেও দেখা যায়নি। শুধুমাত্র মাদকের টাকা জোগাড়ে চুরি ছিনতাই বেড়েছে।

অভিযান চলছে, সীমাবদ্ধতাও রয়েছে :

কুমিল্লায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে। নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকায় তিনতলার একটি ভাড়া বাসায় চলছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যালয়। সেখানে একজন উপপরিচালক ও দুজন পরিদর্শকসহ মোট জনবল ২৬ জন।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত মাদকবিরোধী অভিযানে ২৫৬টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে ২৮৪ জনকে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় জনবল ও পরিবহন সুবিধা কম থাকায় পর্যাপ্ত অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কুমিল্লা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. বজলুর রহমান বলেন, জনবল ও পরিবহন সংকটের মধ্যেও মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ২৫৬টি মামলা করা হয়েছে এবং এসব মামলায় ২৮৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, মাদকের বিস্তার রোধে শুধু অভিযান নয়, মাদক কারবারিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব ইউনিটের সমন্বিতভাবে কাজ করা জরুরি।

সচেতন নাগরিক কমিটির সাবেক সভাপতি বদরুল হুদা জেনুর দাবি, লোক দেখানো অভিযান নয়, মাদকের মূল হোতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। সীমান্ত থেকে নগরীর অলিগলি পর্যন্ত মাদক সরবরাহের পুরো নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে হবে। পাশাপাশি মাদকাসক্ত কিশোর-তরুণদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগও বাড়াতে হবে।

মূল হোতাদের বিরুদ্ধে অভিযান হবে জানিয়ে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে। মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। মাদক কারবারিদের তালিকা তৈরি করে মূল হোতাদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে গাঁজা, মদ ও ইয়াবার পাশাপাশি নতুন ধরনের কিছু মাদকের বিস্তার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। এসব মাদক ইনজেকশনের মাধ্যমে সেবন করতে হয়। সীমান্ত দিয়ে এসব মাদক যাতে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য সীমান্তে ড্রোনসহ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে।

সরাইল রিজিয়ন বিজিবির রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতাও জোরদার করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

মাগুরায় সার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির দায়ে জরিমানা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা সদরের আলমখালী বাজারে অবৈধভাবে সার মজুদ এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় মেসার্স আলীম ট্রেডার্স নামে এক সার ডিলারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে দোকান থেকে ৭৯ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে আলমখালী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুন্নেছা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে মেসার্স আলীম ট্রেডার্সের দোকানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় অবৈধভাবে সার মজুদ এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির সত্যতা পাওয়ায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অভিযানকালে দোকান থেকে ৭৯ বস্তা সার জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত সার ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করে দেওয়া হয়।

জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষকদের স্বার্থে সার মজুদ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে সার বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

হাতির পিঠে চড়ে আগাম প্রচারণায় সেলুন ব্যবসায়ী ফেরদৌস

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা হয়নি। ভোটের তারিখও নির্ধারিত হয়নি। তবে এরই মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আগাম তৎপরতা শুরু হয়েছে। আর সেই প্রচারণায় ব্যতিক্রমী আয়োজন করে আলোচনায় এসেছেন সেলুন ব্যবসায়ী মো. ফেরদৌস মিয়া।

হাতির পিঠে চড়ে ঢাকঢোল ও ব্যান্ড পার্টি নিয়ে তিনি এলাকায় প্রচারণা চালিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে বিন্নাটি চৌরাস্তা মোড়ে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ সড়কে দেখা যায় এ দৃশ্য। হাতির পিঠে বসে ফেরদৌস মিয়া এগিয়ে যাচ্ছিলেন, আর তার সঙ্গে চলছিল ব্যান্ড পার্টির বাদ্যযন্ত্র। সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে উৎসুক মানুষ এ আয়োজন দেখেন, অনেকে আবার মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন।

স্থানীয়রা জানান, ফেরদৌস মিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিন্নাটি বাজারে সেলুনের ব্যবসা করছেন। ব্যবসার সুবাদে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার পরিচিতি তৈরি হয়েছে। কয়েক বছর ধরে তিনি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কাজে অংশ নিচ্ছেন। এবার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের ইচ্ছা নিয়ে মাঠে নেমেছেন।

ফেরদৌস মিয়া বলেন, তার মায়ের ইচ্ছা ছিল তিনি একদিন চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের আগেই মা মারা যান। মায়ের সেই ইচ্ছাকেই নিজের লক্ষ্য হিসেবে নিয়েই তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেন, হঠাৎ করে নয়, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন। এলাকার সুখ-দুঃখে অংশ নিয়েছেন। তাই ভোট হলে সাধারণ মানুষ তাকে সমর্থন করবেন বলে তার বিশ্বাস।

স্থানীয় বাসিন্দা আলম মিয়া বলেন, সেলুন ব্যবসার কারণে ফেরদৌস মিয়া এলাকায় পরিচিত মুখ। চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ থেকেই তিনি হাতি নিয়ে ব্যতিক্রমী প্রচারণা চালিয়েছেন।

ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন বলেন, ফেরদৌস চার-পাঁচ বছর ধরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দুই ছেলেকে নিয়ে সেলুন চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল না হলেও মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন বলেই তারা তাকে উৎসাহ দিচ্ছেন।

ফেরদৌসের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন বলেন, তাদের দাদির ইচ্ছা ছিল তার বাবা চেয়ারম্যান নির্বাচন করবেন। পরিবারের সামর্থ্য অনুযায়ী তারা বাবার পাশে থাকবেন এবং সাধারণ মানুষের সমর্থন নিয়েই এগিয়ে যেতে চান।


নির্বাচিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে ৫ শিশুর করুণ মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চর চাকলা গ্রামে মরা পাগলা নদীতে গোসল করতে নেমে ৫ শিশুর সলিল সমাধি হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে এই মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিশুরা হলো মাসুদের দুই কন্যা সুমাইয়া (১০) ও আরিবা (৮), নেমাজের দুই মেয়ে সুমি (১২) ও সুরাইয়া (৯) এবং শরিফুলের একমাত্র সন্তান শরীফা (১২)। গ্রামবাসী যখন জুমার নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে ছিলেন, তখনই এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটে।

চর চাকলা সংলগ্ন এই নদীটি মূলত পদ্মার একটি শাখা, যা স্থানীয়ভাবে ‘মরা নদী’ নামে পরিচিত। বছরের অধিকাংশ সময় পানিশূন্য থাকায় নদীর তলদেশে চাষাবাদ করা হলেও সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টি ও পদ্মার পানি বৃদ্ধির ফলে নদীটি বর্তমানে পানিতে টইটম্বুর ছিল। আব্দুল হালিম হাম্মাদ নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, “শুক্রবার হওয়ায় গ্রামের সবাই জুমার নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন। এ সময় শিশুরা কখন নদীতে গোসল করতে নেমেছিল, তা কেউ বুঝতে পারেনি।” জুমার নামাজের পর পরিবারের সদস্যরা শিশুদের দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে একপর্যায়ে নদীতে তাদের ডুবে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা খবর পেয়ে দ্রুত নদীতে নেমে শিশুদের উদ্ধারের চেষ্টা চালালেও কাউকেই জীবিত পাওয়া সম্ভব হয়নি। একসঙ্গে ৫টি শিশুর অকাল প্রয়াণে পুরো এলাকায় শোকের মাতম চলছে এবং স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে চর চাকলা গ্রামের বাতাস। এই বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হক গণমাধ্যমকে জানান, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।”


নির্বাচিত

নিহত সাত প্রবাসীর জানাজা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:১০
মো. সবুজ হোসেন, নওগাঁ প্রতিনিধি

সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় আগুনে পুড়ে নিহত নওগাঁর ৭ জনের মরদেহ দেশে আসার পর জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০ টা ১৫ মিনিটে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে এক সঙ্গে সাত জনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের অগ্নিকাণ্ডে পরিচয় সনাক্ত হওয়া ৯ জনের মরদেহ দেশে আসে। এদের মধ্যে সাত জনের বাড়িই নওগাঁর আত্রাই উপজেলাতে। মরদেহগুলো বিমানবন্দর থেকে প্রশাসনের সহায়তায় রাত দেড়টার দিকে আত্রাই উপজেলাতে আসে।

জানাজা নামাজে নওগাঁ-৬ (আত্রাই -রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু,নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.মনিরুজ্জামান, আত্রাই থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং স্থানীয়রা অংশগ্রহণ করেন৷

জানাজা নামাজ শেষে মরদেহগুলো নিহতদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে স্বজনরা মরদেহগুলো নিয়ে নিজ নিজ গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা করেন।

এসময় নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু বলেন, নিহতদের পরিবারগুলোকে ওয়েজ অর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। তাদেরকে ভবিষ্যতেও সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে। বাকি মরদেহগুলো দেশে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, সৌদি দূতাবাস থেকে পাঠানো তালিকায় সনাক্ত হওয়া নওগাঁর সাতজন হলেন, আত্রাই উপজেলার উদনপৈ গ্রামের ময়েন উদ্দীনের ছেলে মো: ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল প্রামানিক, একই গ্রামের গুফফার প্রামাণিকের ছেলে মোহন আলী ও সুমন আলী এবং বজলুর রহমানের ছেলে কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের বাদল তরফদারের ছেলে সোহেল রানা এবং উপজেলার পারকাসুন্দা গ্রামের তমেজ উদ্দিন সরদারের ছেলে আব্দুল জলিল সরদার।


নির্বাচিত

সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ প্রবাসীর মরদেহ নওগাঁয় পৌঁছেছে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো সাতজন রেমিট্যান্স যোদ্ধার মরদেহ তাদের নিজ এলাকা নওগাঁর আত্রাইয়ে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহগুলো আত্রাই উপজেলায় নিয়ে আসা হয়। এর আগে ওই দিন বিকেল ৪টার দিকে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে কফিনগুলো সৌদি আরব থেকে দেশে পৌঁছায়। নিজ এলাকায় মরদেহগুলো পৌঁছানোর পর স্বজনদের আহাজারিতে এক শোকাতুর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রিয়জনদের শেষবার দেখার আশায় রাত থেকেই আত্রাই থানা চত্বরে ভিড় করেন নিহতদের আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় আত্রাই মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে এই সাতজনের জানাজা একত্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং এরপরই মরদেহগুলো দাফনের জন্য পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। নিহত সাতজন হলেন—আত্রাইয়ের উদনপৈ গ্রামের মো: ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের রুবেল প্রামানিক, মোহন আলী, সুমন আলী ও কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরদার।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তার বিষয়ে আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান জানান, “নিহতের পরিবার গুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমন্বয় করে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে মরদেহ গুলো বিনা খরচে নিয়ে আসা হয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিচয় শনাক্ত হওয়া নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাত জনের মরদেহ এসেছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে আত্রাই উপজেলা সদরের মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে সাতটি মরদেহের একত্রে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সেখান থেকে পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হবে। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেই জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।”

উল্লেখ্য, সৌদি আরবের ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শুরুতে আত্রাই উপজেলার ১৩ জন নিহতের খবর প্রচার হলেও বর্তমানে আত্রাইয়ের ১১ জন এবং নওগাঁ সদরের একজনের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। বাকি মরদেহগুলো দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


নির্বাচিত

বাজার থেকে দুই দিনের মধ্যে ১০ পণ্য সরাতে নির্দেশ

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঘি নামে বিক্রি হচ্ছে পাম অলিন ও বনস্পতি, আবার রান্নার মসলায় মিলেছে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি লবণ ও অ্যাশ। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্য সংগ্রহ করে নিজস্ব অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা চালিয়ে এমন চিত্র পেয়েছে। পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান (বিডিএস) পূরণে ব্যর্থ হওয়া ১০টি পণ্য বাজার থেকে দুই দিনের মধ্যে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি।

বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় নিম্নমানের পণ্যের তালিকায় রয়েছে বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের পাঁচ ধরনের মসলা এবং পাঁচ ব্র্যান্ডের ঘি ও বাটার অয়েল। এর মধ্যে রয়েছে হাঁসের মাংসের মসলা, তেহারি মসলা, কালা ভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলা। পরীক্ষায় এসব মসলায় বাংলাদেশ মানের তুলনায় মোট অ্যাশ ও লবণের মাত্রা বেশি পাওয়া গেছে।

‘ঘি’তে নেই মিল্ক ফ্যাট: সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি করেছে ঘি নিয়ে পাওয়া পরীক্ষার ফল। বিএসটিআই জানিয়েছে, ‘বাঘাবাড়ি’ ব্র্যান্ডের ঘিতে প্রয়োজনীয় মিল্ক ফ্যাট পাওয়া যায়নি। বরং পাম অলিন ও বনস্পতি ব্যবহার করে পণ্যটি ‘ঘি’ নামে বাজারজাত করা হচ্ছে বলে পরীক্ষায় উঠে এসেছে।

এ ছাড়া বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘির পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টসের ‘অরুন বাঘাবাড়ী’, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্টের ‘নিউ রাঁধুনী’ ও ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি এবং এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল পরীক্ষায় নির্ধারিত মান পূরণ করতে পারেনি। এসব পণ্যের রিফ্র্যাক্টিভ ইনডেক্স, আয়োডিন ভ্যালু, স্যাপোনিফিকেশন ভ্যালু ও পলেনস্কে ভ্যালুসহ বিভিন্ন মানদণ্ড নির্ধারিত সীমার বাইরে পাওয়া গেছে।

বিএসটিআইয়ের দুই দিনের আলটিমেটাম: বিএসটিআই জানিয়েছে, নিয়মিত সার্ভিল্যান্স কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষায় অধিকাংশ পণ্যের মান সঠিক পাওয়া গেলেও কয়েকটি ঘি, বাটার অয়েল ও মসলায় নির্ধারিত মানের ঘাটতি ধরা পড়ে। এসব পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিএসটিআই লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে। ভোক্তাদের এসব পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

বিএসটিআইয়ের পরিচালক (সিএম) আলাউদ্দিন হোসেন বলেন, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই দিনের মধ্যে বাজার থেকে পণ্য তুলে নিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য প্রত্যাহার না করলে তৃতীয় দিন থেকে বিএসটিআই নিজ উদ্যোগে তা বাজার থেকে তুলে নেবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলাও করা হবে। নিম্নমানের পণ্য বাজারজাত এবং লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বাজারে গিয়ে সাধারণ ভোক্তার পক্ষে প্রতিটি পণ্যের মান পরীক্ষা করে কেনা সম্ভব নয়। বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ও মানচিহ্নের ওপর আস্থা রেখেই তারা পণ্য কেনেন। ফলে পরীক্ষাগারে ধরা পড়ার আগে এসব পণ্য কীভাবে বাজারে পৌঁছাল—এ প্রশ্নও উঠছে।

একাধিক ভোক্তা বলেন, বাজারে পণ্য কেনার সময় তারা বিএসটিআইয়ের সিল দেখেই পণ্য কিনছেন। কিন্তু সেই পণ্য পরবর্তী সময়ে মানহীন প্রমাণিত হলে ভোক্তাদের আস্থার জায়গাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই নিয়মিত বাজার তদারকি, নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার পাশাপাশি মানহীন পণ্যের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

চিকিৎসকদের মতে, খাদ্যপণ্যে অনিয়ন্ত্রিত উপাদান ও ক্ষতিকর অ্যাডিটিভের ব্যবহার দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ক্লিনিক্যাল প্যাথলজি কনসালটেন্ট আহাদ উর রহমান বলেন, খাবারে ব্যবহৃত কিছু উপাদান ও অ্যাডিটিভ মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এসব উপাদানের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নিয়মকানুন ও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় নিম্নমানের হিসেবে চিহ্নিত ১০টি পণ্যের মধ্যে রয়েছে—বম্বে সুইটসের হাঁসের মাংসের মসলা, তেহারি মসলা, কালা ভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলা। অন্য পাঁচটি হলো বাঘাবাড়ি, অরুন বাঘাবাড়ী, নিউ রাঁধুনী ও সিটি ব্র্যান্ডের ঘি এবং এলডার্স ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল।

এখন দেখার বিষয়, বিএসটিআইয়ের দেওয়া দুই দিনের সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার থেকে সব পণ্য প্রত্যাহার করে কি না। একই সঙ্গে তৃতীয় দিন থেকে সংস্থাটির ঘোষিত অভিযান কতটা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন হয়, সেদিকেও নজর থাকবে ভোক্তাদের।


নির্বাচিত

মায়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট ও সারসহ ৬ পাচারকারী আটক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

চোরাচালান রোধে কোস্ট গার্ডের অভিযানে মায়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট ও সারসহ ৬ পাচারকারী আটক। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন ১৫ নং ঘাট সংলগ্ন এলাকায় গত বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকাল ৪টা হতে রাত ১১টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গা কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় সন্দেহজনক ২টি কার্গো বোটে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহনকৃত প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যের ১ হাজার বস্তা সিমেন্ট, ২৮০ বস্তা রাসায়নিক সার এবং পাচারকাজে ব্যবহৃত ২ টি বোটসহ ৬ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।

জব্দকৃত মালামাল, পাচারকাজে ব্যবহৃত বোট ও আটককৃত পাচারকারীদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, চোরাচালান রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।


নির্বাচিত

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক হলেন ড. নাজনীন আহমেদ

ছবি: ড. নাজনীন আহমেদ।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশিষ্ট উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদকে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছ। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি এ পদে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সিপিডির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সিপিডিতে যোগ দেওয়ার আগে ড. নাজনীন আহমেদ জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচিতে (ইউএনডিপি) বাংলাদেশে কান্ট্রি ইকোনমিস্ট হিসেবে দুই বছর দায়িত্ব পালন করেন। এরপর নিউইয়র্কে ইউএনডিপির এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যুরোতে তিন বছর কাজ করেন পলিসি অ্যাডভাইজার হিসেবে।

অর্থনৈতিক গবেষণা, নীতি বিশ্লেষণ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রায় তিন দশকের অভিজ্ঞতা রয়েছে ড. নাজনীন আহমেদের। বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্থনীতি ও উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করেছেন তিনি।

এর আগে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান—বিআইডিএসে (বিআইডিএস) দীর্ঘ ২৫ বছর গবেষণায় যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৯৮ সালের জুলাইয়ে রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট হিসেবে বিআইডিএসে কর্মজীবন শুরু করেন নাজনীন আহমেদ। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন গবেষণা পদে দায়িত্ব পালন করে গবেষণা পরিচালক হন।

ড. নাজনীনের গবেষণা ও নীতি আগ্রহের পরিধি বেশ বিস্তৃত। এর মধ্যে রয়েছে সামষ্টিক অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিল্প ও কর্মসংস্থান, সুশাসন, লিঙ্গসমতা, সামাজিক সুরক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি।

তার অসংখ্য গবেষণা ও প্রকাশনা রয়েছে। দেশি-বিদেশি পিয়ার-রিভিউড জার্নালে গবেষণা প্রবন্ধের পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতনামা প্রকাশনা সংস্থার বইয়ে অধ্যায় এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জন্য গবেষণা প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছেন তিনি।

কর্মজীবনে বিশ্বব্যাংক, ডিএফআইডি, ইউএনসিটিএডি, আইএলও, আইএফসি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আইএফপিআরআই ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছেন ড. নাজনীন আহমেদ।

তিনি নেদারল্যান্ডসের ওয়াখেনিনগেন ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি এবং যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্স থেকে ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিকসে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন, ছিলেন চেভেনিং স্কলারও।

গবেষণা, জননীতি প্রণয়ন ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ে ড. নাজনীনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সিপিডির গবেষণা ও নীতিনির্ধারণী কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে সিপিডির ভূমিকা আরও এগিয়ে নিতে তার অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।


নির্বাচিত

সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, সেতুর দাবিতে অনড় এলাকাবাসী

* রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-ভোলা মহাসড়ক নির্মাণের উদ্যোগকে স্বাগত * ভোলা-বরিশাল সেতু ছাড়া টেকসই সমাধান দেখছেন না স্থানীয়রা
প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইউসুফ হোসেন অনিক, ভোলা

দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সংকট কাটিয়ে ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্তকে জেলার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তবে একই সঙ্গে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবিও নতুন করে জোরালো হয়েছে।

‎‎নদীবেষ্টিত দ্বীপজেলা ভোলা এখনো দেশের একমাত্র জেলা, যার সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ নেই। জেলার মানুষকে যাতায়াতের জন্য মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীপথের ওপর নির্ভর করতে হয়। রাত ১০টার পর নৌযান চলাচল সীমিত হয়ে গেলে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে পুরো জেলা। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসাসেবা, জরুরি পরিবহনসহ নানা ক্ষেত্রে দুর্ভোগের শিকার হন সাধারণ মানুষ।

‎‎সম্প্রতি রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-ভোলা মহাসড়ক নির্মাণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে সমন্বিত সড়ক অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি প্রকল্পের কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনাও দেন।

‎‎উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়ে ভোলার বিভিন্ন সামাজিক ও নাগরিক সংগঠন বলছে, এটি জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। তবে তাদের মতে, ফেরিনির্ভর যাতায়াতের স্থায়ী সমাধান এবং শিল্পায়নের পথ সুগম করতে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ অপরিহার্য।

ভোলার চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন খাঁন বলেন, খনিজ সম্পদ গ্যাস, কৃষি, রুপালি ইলিশ ও পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় জেলা ভোলা। সড়ক পথে ভোলাকে বরিশালের সাথে যুক্ত করতে পারলে এ জেলার ইলিশ মাছ, ক্যাপসিক্যাম ও তরমুজসহ নানা ধরনের তৈরি পণ্য রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব জনপদে খুব সহজে পৌছুতে পারবে। এতে করে জেলার প্রান্তিক কৃষক, খামারিরা তাদের কৃষি পণ্যের কাঙিক্ষত মূল্য পাবে।

ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ২২ আগস্ট সড়ক পথে ভোলাকে যুক্ত করার যে ঘোষণা দিয়েছেন তাতে আমরা জেলার মানুষ খুবই খুশি ও আনন্দিত। এ যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হলে আমাদের অর্থনীতিক ব্যবস্থা অনেকটা পরিবর্তন হবে। এর ফলে ভোলার যোগাযোগ ব্যবস্থার সুফল পুরো বাংলাদেশ পাবে। সেই সাথে ভোলার গ্যাস সঠিকভাবে ব্যবহার করা যাবে। এখানে মিল-ইন্ডাস্ট্রি হবে। এ যোগাযোগ দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতির আমূল পরিবর্তন আনবে বলে আমরা মনে করি।

ভোলা-৩ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম গণমাধ্যমকে বলেন, নদীবেষ্টিত দ্বীপ জেলা ভোলার সঙ্গে মূল ভূ-খণ্ডের যোগাযোগ স্থাপন এবং ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ সেখানকার মানুষের দীর্ঘদিনের অত্যন্ত যৌক্তিক দাবি। তাই জেলার সাথে মহাসড়ক যুক্ত করার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এমন দু:সাহসিক সিদ্ধান্তকে তিনি সাধুবাদ জানান।

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রতিশ্রুতি শতভাগ পালন করার সৎ মানসিকতা রাখেন। ভোলাকে জাতীয় মহাসড়কের সাথে যুক্ত করার সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। আগামী দিনগুলোতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে উন্নয়নের কাফেলা নিয়ে ভোলাসহ পুরো দক্ষিণাঞ্চলের দৃশ্যপট পাল্টে দেয়া হবে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

তিনি বলেন-মহাসড়কে যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে এতদাঞ্চলে যেমনি অর্থনীতির প্রসার ঘটবে; তেমনি বিচ্ছিন্নতার গ্লানি হতে মুক্ত হবে ভোলার ২২ লাখ মানুষ।

‎‎‘আমরা ভোলাবাসী’ সংগঠনের সদস্য সচিব মীর মোশারেফ অমি বলেন, ‘ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, সার কারখানা নির্মাণ, নদীভাঙন রোধ এবং ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগ—এসবই ভোলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। আমরা নতুন মহাসড়ক নির্মাণের বিরোধিতা করছি না, তবে সেতু নির্মাণ ছাড়া যোগাযোগ সমস্যার পূর্ণ সমাধান হবে না।’

‎‎তিনি আরও বলেন, ফেরিনির্ভর ব্যবস্থার কারণে জেলার প্রায় ২২ লাখ মানুষ প্রতিনিয়ত সময় ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছেন। নতুন মহাসড়ক পণ্য পরিবহনে কিছু সুবিধা আনলেও যাত্রীদের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে না বলে তিনি মনে করেন।

‎‎বোরহানউদ্দিন উপজেলা সুজন সভাপতি মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ভোলায় উল্লেখযোগ্য গ্যাসসম্পদ রয়েছে। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত হলে শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে, বাড়বে কর্মসংস্থান। তাই ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের মাধ্যমে ভোলাকে শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার দাবি আমাদের।

সড়ক ও জনপদ বিভাগ ভোলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-ভোলা রুটে নতুন করে সাড়ে ২১ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হবে।

সড়ক বিভাগ কনসালট্যান্ট নিয়োগের মাধ্যমে এটির সম্ভাব্যতা যাচাই করে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। এ সড়ক নির্মাণ হলে ঢাকার সাথে ভোলার দূরত্ব কমে আসবে। ভোলার অর্থনীতির দৃশ্যপট পাল্টে যাবে।


নির্বাচিত

মাগুরায় ভুয়া সিআইডি পরিচয়ে আটক ৭

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৪৫
মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় এক নারীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে ভুয়া সিআইডি পরিচয় দেওয়া সংঘবদ্ধ চক্রের সাত জন সদস্যকে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ। গত বুধবার (২৬ আগস্ট) গভীর রাতে শ্রীপুর উপজেলার নাকোল পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন—ঝিনাইদহ জেলার পাগলাখানা গ্রামের মোছা. আছমা খাতুন (৩১), পবহাটি এলাকার হাসানুজ্জামান (২৮), পাগলাখানার ওসমান গনি (২৫), আরবপুর এলাকার সালমান শাহ (২৫), নলডাঙ্গা এলাকার সাকিব (২৩), কুড়িগ্রাম জেলার কালিঘাট এলাকার ছাব্বির হোসেন (২২) এবং মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার দেবিলা গ্রামের আল-আমিন হোসেন (২২)।

পুলিশ জানায়, একটি মাইক্রোবাসযোগে শ্রাবনী নামের এক নারীকে অপহরণের চেষ্টা করছিল চক্রটি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাকোল ক্যাম্পের পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় হাতেনাতে সাতজনকে আটক করা হয়।

আটককৃতদের কাছ থেকে সিআইডি লেখা ৪টি জ্যাকেট, ১টি খেলনা পিস্তল, ১টি মাইক্রোবাস ও ৮টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক প্রেস কনফারেন্সে পুলিশ সুপার মোল্যা আজাদ হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) থান্দার খায়রুল হাসানের পরিচালনায় অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, এই অপহরণ চেষ্টার মূল পরিকল্পনাকারী ভুক্তভোগী শ্রাবনীর দ্বিতীয় স্বামী শিমুল। তাকে আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


নির্বাচিত

ফুলেল ভালোবাসায় সিক্ত নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার

* নেতাকর্মীর বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে উৎসবমুখর রাঙামাটি
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিজয় ধর, রাঙামাটি

রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দিপুকে বরণ করে নিতে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকেই উৎসবের আমেজে মেতে ওঠে পুরো রাঙামাটি। পথে পথে হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ফুলেল ভালোবাসায় সিক্ত হন নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান।

সকাল থেকে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের প্রবেশমুখ কাউখালীর বেতবুনিয়া এলাকা থেকে শুরু হয় তাকে স্বাগত জানানোর কর্মসূচি। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন, দলীয় পতাকা ও রং-বেরঙের ফুল হাতে সড়কের দুপাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন তাদের প্রিয় নেতার জন্য।

দীপন তালুকদারের গাড়িবহর রাঙামাটির প্রবেশমুখে পৌঁছালে চারদিকে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকা। নেতাকর্মীরা ফুল ছিটিয়ে ও ফুলের তোড়া দিয়ে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

এরপর বেতবুনিয়া, ঘাগড়া, মানিকছড়ি, শিমুলতলী, দেবাশীষ নগর, কেকে রায় সড়ক, রাজবাড়ী ও বনরূপাসহ পথের বিভিন্ন পয়েন্টে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

প্রতিটি স্থানেই বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা নিয়ে জড়ো হন। ফুলের তোড়া দিয়ে নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে অভিনন্দন জানান তারা।

নেতাকর্মীরা বলেন, দীপন তালুকদার দিপুর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ পাহাড়ের সব সম্প্রদায়ের মানুষের কল্যাণে এবং জেলার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে দীপন তালুকদার রাঙামাটি জেলা বিএনপির কার্যালয়ে পৌঁছালে সেখানে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় তিনি রাঙামাটিবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে রাঙামাটির উন্নয়ন, শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে কাজ করবেন।

তিনি বলেন, “আপনাদের ভালোবাসায় আমি অভিভূত। রাঙামাটির উন্নয়ন, শান্তি ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করব।”

দীপন তালুকদার আরও বলেন, দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। পাহাড়ের সকল সম্প্রদায়ের মানুষের উন্নয়ন ও কল্যাণে জেলা পরিষদ কাজ করবে বলেও তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

দীপন তালুকদার বলেন, আমাকে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ,পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু জেরি ও প্রতিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার মীর মোঃ হেলাল উদ্দিন এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।একই সঙ্গে তিনি বলেন, পার্বত্যমন্ত্রী দ্রুত সময়ের মধ্যে রাঙামাটি সফর করে জেলার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবেন।

এ সময় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত সদস্য, জেলা বিএনপি এবং যুবদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সবশেষে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন।

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পথে পথে এমন উষ্ণ অভ্যর্থনা ও ফুলেল ভালোবাসায় নতুন প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


নির্বাচিত

banner close