বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

টঙ্গীতে ভবন থেকে পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড
১৯ মার্চ, ২০২৩ ১৭:১০
প্রতিনিধি, গাজীপুর
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, গাজীপুর
প্রকাশিত : ১৯ মার্চ, ২০২৩ ১৬:৫৯

গাজীপুরের টঙ্গীতে বহুতল ভবন থেকে পড়ে কামরুন নাহার (৪১) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামী নাজিমুদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে টঙ্গী ভরান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। টঙ্গী পূর্ব থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) তাপস কুমার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন।

কামরুন নাহার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছোট হরণ গ্রামের মৃত হাজি আব্দুল গনি মিয়ার মেয়ে। সপ্তাহখানেক আগে তিনি গ্রামের বাড়ি থেকে টঙ্গীর ভরান এলাকায় স্বামী নাজিমুদ্দিনের চিলেকোঠার বাসায় বেড়াতে আসেন।

টঙ্গী পূর্ব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মহিউদ্দিন ফারুক জানান, টঙ্গীর ভরান এলাকার ওই আটতলা ভবনের চিলেকোঠায় বাস করতেন নাজিমুদ্দিন। তিনি কেয়ারটেকার হিসেবে বাড়িটি দেখাশোনা করতেন। সপ্তাহখানেক আগে গ্রাম থেকে বেড়াতে আসেন স্ত্রী কামরুন নাহার। শনিবার দিবাগত রাতে ওই ভবনের অষ্টম তলা থেকে নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে, সেই সঙ্গে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে স্বামী নাজিমুদ্দিনকে আটক করে।

মহিউদ্দিন ফারুক আরও জানান, ভবনের মালিক জাহাঙ্গীর মৃত কামরুন নাহারের বড় ভাই। জাহাঙ্গীর প্রবাসে থাকায় কামরুন নাহারের স্বামী নাজিমুদ্দিন ওই বাড়িটি দেখভাল করতেন। আটতলার চিলেকোঠার বারান্দায় কোনো রেলিং নেই। পাশের একটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ভবন থেকে কামরুন নাহারের পড়ে যাওয়ার দৃশ্য পাওয়া গেছে। তবে তিনি দুর্ঘটনাবশত পড়ে গেছেন না কি, কেউ ফেলে দিয়েছে সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনিব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বিষয়:

নির্বাচিত

নেত্রকোনায় বিয়ের চাপে থেমে গেল মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের শ্রীপুর বালী গ্রামে এক মেধাবী শিক্ষার্থীকে প্রলোভন, তথ্য গোপন ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করে বিয়েতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। বিয়ের পর যৌতুকের দাবিতে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগও করেছে তার পরিবার। এতে মেডিকেলে ভর্তি হয়ে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন অনিশ্চয়তায় পড়েছে বলে দাবি স্বজনদের।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, একই গ্রামের সুন্দর মিয়া ও আবু তাহেরের যোগসাজশে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে বিয়েতে রাজি করানো হয়। ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় কাজী আ. আউয়ালের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন হয়। সুন্দর মিয়া ও আবু তাহের এতে সাক্ষী ছিলেন বলেও পরিবারের দাবি। কাবিননামায় দেনমোহর ১০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়।

পরিবারের আরও অভিযোগ, বিয়ের সময় পরিচয় ও ঠিকানাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করা হয় এবং তাদের অজ্ঞাতসারে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। বিয়ের পর যৌতুকের জন্য চাপ এবং মারধরসহ নির্যাতনের শিকার হন ওই শিক্ষার্থী।

স্বজনদের দাবি, তিনি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু বিয়ের ঘটনা ও মানসিক চাপের কারণে শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।

এ ঘটনায় মামলা চলমান রয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে। মেয়ের নিরাপত্তা, পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন তার বাবা। অভিযুক্ত সুন্দর মিয়া ও আবু তাহেরের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


নির্বাচিত

পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্র ও সহিংসতা বন্ধে সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিজয় ধর, রাঙামাটি

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।

তিনি বলেন, ‘শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান পরিচালনা করে পাহাড়ের সশস্ত্র তৎপরতা ও সংঘাতের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, কৃষি, পর্যটন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।’

গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকিসংক্রান্ত বিশেষ সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাজনৈতিক নেতারা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্যরা, জেলা প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন প্রতিমন্ত্রী।

পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন পরিকল্পনায় পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে মীর হেলাল বলেন, ‘পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ ধ্বংস করে কোনো উন্নয়ন করা হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ রেখে প্রকৃতির সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়ন করতে হবে। অবকাঠামো উন্নয়ন হোক কিংবা পর্যটন বিকাশ, সবকিছুই পরিবেশ অক্ষত রেখে করতে হবে।’

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় রাঙামাটির সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিবসহ জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ক্ষেতলালে ইউপি সদস্যকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে মনোয়ার হোসেন নামের এক ইউপি সদস্যকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে শরিফুল ইসলাম সুমন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পৌর এলাকার বটতলী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহত মনোয়ার হোসেন উপজেলার তুলসীগঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের দুই নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মনোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি জয়পুরহাট থেকে বেগুন বিক্রি করে ক্ষেতলালের দিকে ফিরছিলেন। বটতলী বাজারে পৌঁছালে তাকে পথরোধ করে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয় বলে তার অভিযোগ। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ হামলায় তার ডান পাশের কাঁধ, গলা ও হাতে জখম হয়েছে। এর মধ্যে কাঁধের ক্ষতস্থানে কয়েকটি সেলাই দিতে হয়েছে।

মনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।’

এ ঘটনায় তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। তার দাবি, এর আগেও তাকে দুটি মামলায় আসামি করা হয়েছিল এবং তিনি বর্তমানে সেসব মামলায় জামিনে রয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা চান।

অভিযোগের বিষয়ে শরিফুল ইসলাম সুমনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

ক্ষেতলাল থানার ওসি মুক্তারুল আলম বলেন, ‘ইউপি সদস্যকে ছুরিকাঘাতের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে খবর পাওয়া গেছে। আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


নির্বাচিত

ফুলবাড়িয়ায় জুয়াড়ি ও মাদক কারবারিসহ ১৮ জন আটক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে নগদ টাকাসহ ১৩ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আটককৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের মাহার বাজারসংলগ্ন এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘরে অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলারত অবস্থায় তাস ও নগদ অর্থসহ তাদেরকে আটক করে পুলিশ।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের শিবরাপুর গ্রামের ইমান আলী মণ্ডলের ছেলে মো. শহীদুল্লাহ (৬০), বিষ্ণরামপুর গ্রামের হযরত আলীর ছেলে সুলতান আলী, একই গ্রামের মো. বাবুল হোসেন (৪৫) মো. সিরাজুল ইসলাম (৪৮) মো. জাকির হোসেন (২৮) মো. রুহুল আমীন (৩৭) মো. ইউনুছ আলী (৬৫ তোতা মিয়া (৪৫) মো. তালেব আলী (৪৮) হাবিবুর রহমান (৪০) মজনু (৫৫) শহীদুল্লাহ (৪৬) ও সুরুজ আলী (৫৬)।

অপরদিকে পৃথক অভিযানে এস আই লিটন এদিন পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে জনৈক এনামুলের মুদি দোকানের সামনে থেকে কুখ্যাত মাদক সম্রাট ও একাধিক মাদক মামলার আসামি মনিরুজ্জামান ওরফে চশমা মনিরকে ১৫ পিস ইয়াবাসহ আটক করেন।

এছাড়াও থানা পুলিশ মেহেদী হাসান নামে আরেক তরুণকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের আওতায় এনে এক মাসের সাজাপূর্বক তাকে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

ফুলবাড়িয়া থানার ওসি রাশেদুল হাসান বলেন, বিশেষ অভিযানে নগদ অর্থসহ ১৩ জুয়াড়ি ও ৬টি মাদক মামলার আসামীকে ইয়াবাসহ আরেকজনকে মাদকসেবনরত অবস্থায় এবং পরোয়ানাভুক্ত ৩ জনসহ মোট ১৮জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদেরকে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে। অপরাধ দমনে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

সাঁথিয়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার সাঁথিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সাঁথিয়া উপজেলা ও পৌর যুবদলের আয়োজনে নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, কেককাটা, মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াস আহম্মেদ বিপ্লবের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মিজানুর রহমান বাবুলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হক মাসুদ।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান খোকন, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মাহবুব এ হাসান টিটো, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য কণ্ঠশিল্পী মুহিন খান, পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিআরডিবির চেয়ারম্যান জাহিদুজ্জামান রিপন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন হোসেন রাসেল, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব আবু সাঈদ, ধোপাদহ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আশিফ আল আলীম রাজিব, নন্দনপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি রাতুল ইসলাম রানা, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুজ্জামান সজল, আতাইকুলা থানা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব লোকমান হোসেন, ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম রানা মৃধা, গৌরীগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, ছাত্রদল নেতা রাফুল ও লিমন প্রমুখ। এ সময় বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

গাজীপুরে হত্যার পর লাশের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের পশ্চিম জয়দেবপুর থেকে নিখোঁজের ২৭ দিন পর সৌরভ আহমেদ (২০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে সদর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় কিলিং মিশনে সরাসরি জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাদারীপুরের রাজৈর থেকে নিহতের কঙ্কালের অংশবিশেষ ও পরিধেয় বস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-মোঃ রবিউল ইসলাম ও মোঃ শাহিন।

পুলিশের জানায়, গ্রেফতারকৃতরা আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুইজন জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ৩ আগস্ট পশ্চিম জয়দেবপুর থেকে সৌরভ নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় তার মা মোছাঃ কাকলী বেগম সদর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। ডায়েরির তদন্ত কর্মকর্তা এসআই দীপঙ্কর দত্ত তদন্তে কিছু রহস্যজনক তথ্য পান। পরে ওসি আমিনুল ইসলামের নির্দেশনায় ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে একাধিক টিম তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও পারিবারিক বিরোধের বিভিন্ন তথ্য যাচাই করে সৌরভের সর্বশেষ অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে তার মা বাদী হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলা করেন।

মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে মাদারীপুরের টেকেরহাট ও সাতক্ষীরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া শাহিনকে রাজৈরের টেকেরহাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহত সৌরভ ছিলেন রবিউল ইসলামের শ্যালক। প্রায় চার বছর আগে সৌরভের ছোট বোন নুপুরের সঙ্গে রবিউলের বিয়ে হয়। তাদের একটি দুই বছর বয়সী সন্তানও রয়েছে। পরবর্তীতে নুপুরের সঙ্গে সৌরভের বন্ধু জাহাঙ্গীরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে নুপুর রবিউলের সংসার ছেড়ে জাহাঙ্গীরের সঙ্গে চলে গেলে বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হন রবিউল। এর জের ধরে তিনি শাহিনের সঙ্গে পরামর্শ করে সৌরভকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশ জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৩ আগস্ট সৌরভকে কৌশলে গাজীপুর থেকে মাদারীপুরের টেকেরহাটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শাহিনকে ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে হত্যার চুক্তি দেওয়া হয় বলে পুলিশের কাছে দেওয়া তথ্য ও জবানবন্দিতে উঠে এসেছে। ওইদিন রাত আনুমানিক ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে সৌরভকে রাজৈর থানাধীন হোসেনপুর ইউনিয়নের উত্তর বিদ্যানন্দি এলাকার একটি ডোবার কাছে নিয়ে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে টুকরো করে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পরে গ্রেপ্তার রবিউল ইসলাম ও শাহিনের দেখানো মতে ওই ডোবা থেকে সৌরভের কঙ্কালের অংশবিশেষ ও পরিধেয় বস্ত্র উদ্ধার করা হয়।


নির্বাচিত

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে মৎস্য পোনা অবমুক্ত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
​ লালমনিরহাট প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ এবং দেশীয় প্রোটিন ও আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে লালমনিরহাটের বিভিন্ন জলাশয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় জেলা সদর উপজেলার গোকুণ্ডা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী সুকানদিঘি ও রাজপুর ইউনিয়নের হীরা মানিক ৬নং ওয়ার্ড বানিয়ার ঘাট সতী নদীসহ স্থানীয় বিভিন্ন জলাশয়ে এ পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

​ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করেন লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মমিনুল হক।

​কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল ইসলাম সাজু পাটোয়ারী, লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোনীত দাস, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সারোয়ার জামান, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি বুলু, গোকুণ্ডা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলতাবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক রিপন মাস্টার প্রমুখ।

​সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক, এ কে এম মমিনুল হক বলেন, ‘বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের তিন দিনের কর্মসূচি হিসেবে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দেশের আমিষের চাহিদা মেটাতে মৎস্যপূর্ণ অবমুক্তকরণ, বৃক্ষরোপণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আমিষের ঘাটতি কিছুটা হলেও দূর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


নির্বাচিত

নীলফামারীতে সাইবার সেলের তৎপরতায় উদ্ধার ৩০টি হারানো মোবাইল ফোন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীতে জেলা পুলিশের সাইবার সেলের প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধানে হারিয়ে যাওয়া ৩০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধার করা এসব মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে জেলা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নীলফামারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহসিন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এ বি এম ফয়জুল ইসলাম।

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে গত ১৩ জুন পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খাঁনের দিকনির্দেশনায় নীলফামারী জেলা পুলিশে সাইবার সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর থেকে সাইবার সেলের দক্ষ সদস্যরা বিভিন্ন থানায় করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) তথ্যের ভিত্তিতে হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারে কাজ করছেন। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রতারণা ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধেও কার্যক্রম পরিচালনা করছে সেলটি।

পুলিশের দাবি, তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্ত করে সেগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ৩০টি ফোনের মধ্যে বিভিন্ন নামীদামি ব্র্যান্ডের হ্যান্ডসেট রয়েছে।

মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন মালিকরা। তারা জানান, হারানো ফোন ফিরে পাওয়ার আশা অনেকটাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। জেলা পুলিশের সাইবার সেলের তৎপরতায় ফোনগুলো ফিরে পেয়ে তারা সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জেলা পুলিশ জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধারের পাশাপাশি সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং আরও জোরদার করা হবে। এ লক্ষ্যে সাইবার সেলের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ কুমিল্লায় পদুয়া বাজারে পথসভা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

আগামীকাল ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। লংমার্চের অংশ হিসেবে ওইদিন দুপুর ১২টায় কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড এলাকায় নূরজাহান হোটেলসংলগ্ন মাঠে বড় ধরনের পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরী আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সকাল ৭টায় ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চ শুরু হয়ে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে গিয়ে শেষ হবে। পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। লংমার্চে এক হাজারের বেশি যানবাহন অংশ নেবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও মহানগর এলাকার নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষ এতে অংশ নেবেন।’

তিনি জানান, কুমিল্লার পদুয়া বাজারের পথসভায় ১১ দলীয় ঐক্যের জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখবেন। জাতীয় নেতাদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম, এনসিপির চেয়ারম্যান ও জুলাই আন্দোলনের অন্যতম অগ্রনায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক এবং এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘লংমার্চ ও পথসভার মূল ভিত্তি ছয়টি দাবি। দাবিগুলো হলো অবিলম্বে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও অপরাধ দমন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।’

পথসভাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি ১১ দলীয় ঐক্যের পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে নূরজাহান হোটেলের পূর্ব পাশে বিস্তৃত এলাকায় পথসভার আয়োজন করা হয়েছে। সাংবাদিকদের জন্য পৃথক বসার ব্যবস্থা এবং ভিডিও ও ক্যামেরাম্যানদের জন্য আলাদা স্টেজ রাখা হবে।

আয়োজকরা জানান, লংমার্চ ও পথসভা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন করতে ইতোমধ্যে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট রুট, পথসভা ও কর্মসূচির বিভিন্ন স্থান সম্পর্কে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। সড়কে যাতে যানজট সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আব্দুল মতিন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ড. সৈয়দ সরোয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি মাওলানা সোলাইমান, এবি পার্টি কুমিল্লা জেলা সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ তোফিক, ছাত্রশিবির কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি নাজমুল হাসান পঞ্চায়েত, কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেল, কাউন্সিলর মোশাররফ হোসাইন, এনসিপি কুমিল্লা মহানগরী সদস্য সচিব মাসুমুল বারী কায়সার, এবি পার্টি কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি জিএস সামদানি, জাগপা কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি নজরুল ইসলাম সেলিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ কুমিল্লা মহানগরী সহসভাপতি মাওলানা আমিনুল ইসলাম, কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ হোসাইন ও মিজানুর রহমান এবং শ্রমিক নেতা মু. খাইরুল ইসলাম।


নির্বাচিত

শান্তিগঞ্জে পুলিশের হেফাজত থেকে আসামির পলায়ন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ থানার এসআই নুর উদ্দিনের নেতৃত্বে গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে একটি দল দামোধরদপী পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে উপজেলার দামোধরদপী গ্রামের বাসিন্দা মামলার আসামি আসির মিয়া (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর তার হাতে হ্যান্ডকাফ পরানো হয়। পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সময় সুযোগ বুঝে হ্যান্ডকাফসহ আসামি দৌড়ে পালিয়ে যায়। আসামি পালিয়ে যাওয়ার পর তাকে গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান ও তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমঝোতার মাধ্যমে পলাতক আসামির কাছ থেকে হ্যান্ডকাফটি উদ্ধার করা হয়। কিন্তু আসামির অবস্থান নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

স্থানীয় দামোধরদপী গ্রামের বাসিন্দা আজির উদ্দিন বলেন, ‘আসির মিয়াকে আটকের সময় ঘটনাস্থলে হইচই শুরু হয়। এর মধ্যেই তিনি পুলিশের হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে হ্যান্ডকাফ উদ্ধারের কথা জানতে পারেন তিনি।’

শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল্লাহ বলেন, ‘পুলিশের হেফাজত থেকে একজন আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। পরে হ্যান্ডকাফটি উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) রাকিবুল হাসান রাসেল বলেন, ‘তারা ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। হ্যান্ডকাফ উদ্ধারের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পলাতক আসামিকে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’


নির্বাচিত

কান্তজিউর নৌবিহারে নৌকাডুবিতে নিহত ১

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী কান্তজীর মন্দির থেকে রাজবাড়ীর উদ্দেশে বের হওয়া ঐতিহ্যবাহী নৌপথে নৌকাডুবির ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নৌবিহার চলাকালে পানিতে পড়ে ওই ব্যক্তি মারা যান।

এ ঘটনায় মৃত ব্যক্তির পরিবার ও এলাকাবাসী মন্দির কমিটির অবহেলা ও অসাবধানতার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে রাত ১১টার দিকে মরদেহ নিয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার সামনে সড়ক অবরোধ করে ন্যায্যবিচার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

এ সময় দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘কান্তজিউ মন্দির কমিটিতে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি ও অসাবধানতা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন এবং তাদের অসাবধানতার কারণেই এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আইনের ঊর্ধ্বে নই।’

বখতিয়ার আহমেদ কচি আরও আশ্বাস দেন, তিনি প্রশাসন এবং দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের উদ্যোগ নেবেন। পাশাপাশি মন্দির কমিটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের বিষয়েও কথা বলবেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারকে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তার এসব আশ্বাসের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার কথা জানানো হয়।’

পরে মৃত ব্যক্তির পরিবার ও এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ তুলে নেন।

উল্লেখ্য, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শ্রী শ্রী কান্তজীর মন্দির থেকে দিনাজপুর রাজবাড়ীর উদ্দেশে শ্রী শ্রী কান্তজিউ যুগল বিগ্রহের ঐতিহ্যবাহী নৌবিহার শুরু হয়। নৌবিহারের সময়ই নৌকাডুবির এ দুর্ঘটনা ঘটে।


নির্বাচিত

মিয়ানমারে পাচারের সময় ২২০ বস্তা সার জব্দ, আটক ৩

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম মহানগরের হালিশহর থানাধীন দবিরখাল এলাকায় মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশে ট্রাক থেকে ফিশিং বোটে স্থানান্তরকালে ২২০ বস্তা সার জব্দ করা করেছে কোস্ট গার্ড। এ সময় ১টি ট্রাকসহ ৩ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘হালিশহর থানাধীন দবিরখাল এলাকায় গত বুধবার ভোরে কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ওই এলাকায় অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশে ট্রাক থেকে ফিশিং বোটে স্থানান্তরকালে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার ২২০ বস্তা (১১ হাজার কেজি) সার ও পাচারকাজে ব্যবহৃত ১টি ট্রাক জব্দসহ ৩ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।’

জব্দ করা সার, পাচারকাজে ব্যবহৃত ট্রাক ও আটক পাচারকারীদের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হালিশহর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

চোরাচালান রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে জানান তিনি।


নির্বাচিত

মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চেক বিতরণ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আজিজুল হাকিম, মানিকগঞ্জ

মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যদের মাঝে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নিহত ও আহত ১৬ জন ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যদের মাঝে ৬৪ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। এ সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এতে জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্বে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের পরিচালক রুবাইয়াৎ-ই- আশিক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ ইভা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান, অতিরিক্ত মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুম ও জেলা বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক মাহবুব কামালসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন।

পরিচালক রুবাইয়াৎ-ই- আশিক বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। এ ছাড়া জেলা পর্যায়েও কর্তৃপক্ষকে স্লিপার বাস ও ফিটনেস বিহীন গাড়ি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রোড়ে যাতে কোনোমতেই অদক্ষ চালক গাড়ি চালাতে না পারে। আজকে যারা সরকারিভাবে আর্থিকভাবে সহায়তা পেলেন, এই টাকা দিয়ে সন্তানের লেখাপড়া ও সংসারের কাজে ব্যয় করাও’ আহ্বান জানান তিনি।


নির্বাচিত

banner close