শুক্রবার, আগস্ট ১২, ২০২২

সিন্ডিকেট জটিলতায় মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু হয়নি

সিন্ডিকেট জটিলতায় মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু হয়নি
বায়রা সিন্ডিকেটবিরোধী মহাজোট আয়োজিত ‘বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণ’ শীর্ষক গোল টেবিলে বক্তারা।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
  • প্রায় পাঁচ মাস আগে এমওইউ সই, এখনো শুরু হয়নি কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া

  • মালয়েশিয়ার বাজার বন্ধ থাকায় বাংলাদেশে ডলারের ওপরে এক ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে

মালয়েশিয়ায় শ্রম বাজার বন্ধের মূল অন্তরায় হিসেবে ২৫ প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত সিন্ডিকেট দায়ী করেছেন বায়রা সিন্ডিকেটবিরোধী মহাজোট। তারা বলেছে, দ্রুত এ সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে। অন্যথায় মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানো অনেক ব্যয় বহুল হয়ে পড়বে এবং শ্রমবাজার খুলতে সময়সাপেক্ষ হবে।

রাজধানীর একটি হোটেলে গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়া শ্রম বাজার বন্ধ থাকায় বাংলাদেশে ডলারের ওপর এক ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বক্তারা।

মালয়েশিয়া শ্রমবাজারে কোনো সিন্ডিকেটকে অনুমোদন না দিয়ে বাংলাদেশের কম্পিটিশন আইন অনুযায়ী এবং মালয়েশিয়ায় অন্যান্য শ্রমিক প্রেরণকারী ১৩টি সোর্স কান্ট্রির ন্যায় বাংলাদেশের ‘সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণ’ শীর্ষক এই গোল টেবিলের আয়োজন করে বায়রা সিন্ডিকেটবিরোধী মহাজোট। গোলটেবিলে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাংবাদিক ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞ শরিফুল হাসান।

তিন বছর বন্ধ থাকার পর গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত হয় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। এ বিষয়ে প্রায় পাঁচ মাস আগে সমঝোতা স্মারক সই (এমওইউ) হলেও এখনো মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।

মূল প্রবন্ধে শরিফুল হাসান বলেন, ‘শুধুমাত্র মালয়েশিয়া নয়, আমাদের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতে হলে প্রযুক্তিবান্ধব পদ্ধতি গড়ে তুলতে হবে। এমন একটা পদ্ধতি থাকতে হবে যাতে যেকোনো বিদেশি নিয়োগকর্তা বাংলাদেশের সব বৈধ লাইসেন্সধারী রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে তাদের চাহিদা অনুযায়ী কর্মী সংগ্রহ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সকল বৈধ লাইসেন্সধারী এজেন্সিকে একটি ডিজিটাল প্লাটফর্মে নিয়ে আসতে হবে।’

‘পৃথিবীর যেকোনো দেশে থেকে নিয়োগ কর্তা বা রিক্রুটিং এজেন্সি তাদের পছন্দ ও চাহিদা সেখানে দেবেন। এরপর ডিজিটাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ দূতাবাস সেটি অনুমোদন দেবে। পরে বাংলাদেশ হাই কমিশন সেগুলো প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও বিএমইটিতে অনুমোদনের জন্য পাঠাবে। এরপর ডাটাবেজ থেকে কর্মী যাবেন। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটালাইজড হবে যাতে উভয়পক্ষ যেকোনো সময় পুরো বিষয়টি মনিটর করতে পারবে,’ বলেন তিনি।

বক্তারা বলেন, মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে ২৫ জনের যে সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে সেটি ভেঙে ফেলতে হবে। এটি ভাঙতে না পারলে বিদেশে শ্রমবাজার আরও সংকীর্ণ হবে।

বাংলাদেশি ২৫ রিক্রুটিং এজেন্সি সিন্ডিকেটের অপতৎপরতার কারণেই গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত চুক্তির কার্যক্রম স্থগিত ও বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আটকে আছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের দেশের প্রধান চালিকা শক্তিই আমাদের জনগণ। এ শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। বর্তমান বিশ্ব মন্দার বাজারে আমাদের প্রধান শক্তি বিদেশে শ্রমবাজার। আমাদের জনশক্তি। দেশের এই অগ্রগতির পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান হলো শ্রমবাজার।’

স্বল্প ব্যয়, ন্যায্য মজুরি ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সিস্টেম পরিবর্তনের কথাও উল্লেখ করেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

সংসদ সদস্য ও সভাপতি ককার্স ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সব বৈধ এজেন্সিকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ দেওয়া উচিত।

এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি একে আজাদ বলেন, ‘সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর পক্ষে আমরাও আছি। এই সিন্ডিকেটের বাইরে গিয়ে সবাই যাতে উন্মুক্তভাবে প্রতিযোগিতামূলকভাবে বিদেশে লোক পাঠাতে পারি।

সাবেক এই এফবিসিসিআই সভাপতি ‘রপ্তানি পোশাকের পরেই দেশের বৈদেশি মুদ্রার অর্জনের দ্বিতীয় ধাপ হলো এই অভিবাসন। এই খাত থেকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আসছে। তবে আপনাদের দাবি আদায়ে আরও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

বায়রার সাবেক মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইউনিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহা. নূর আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, সেন্টার ফর এনআরবির চেয়ারপারসন এমএস সেকিল চৌধুরী, ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, বায়রার সাবেক মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান।

রাজধানীতে এটিএম বুথে ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত

রাজধানীতে এটিএম বুথে ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত
আটক আব্দুস সামাদ। ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

রাজধানীর উত্তরায় একটি ব্যাংকের এটিএম বুথের ভেতর টাকা তোলার সময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। স্থানীয়দের সহায়তায় ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ। 

নিহত ব্যবসায়ীর নাম শরিফ উল্লাহ (৪০)। আজ শুক্রবার দুপরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন। 

ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ রোডে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলেন শরিফ। বুথের ভেতর টাকা গোনার সময় আব্দুস সামাদ (৩৮) নামে এক ছিনতাইকারী সেখানে যান। টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য বুথের ভেতর শরিফ উল্লাহকে তিনি এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। 

পুলিশ জানায়, ছুরিকাঘাতে বুথের ভেতরে অচেতন হয়ে পড়েন শরিফ। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শরিফ টাইলস ব্যবসায়ী ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। উত্তরায় জাকিয়া টাইলস গ্যালারি অ্যান্ড স্যানিটারি নামে তার একটি পারিবারিক প্রতিষ্ঠান আছে। শরিফ টঙ্গীতে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের মধুপুর গ্রামে।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।


প্রেম থেকে বিয়ে, অবিশ্বাস থেকে খুন

প্রেম থেকে বিয়ে, অবিশ্বাস থেকে খুন
গ্রেপ্তার রেজাউল করিমকে আনা হয় র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে। আজ শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে। ছবি: দৈনিক বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
  • গত বুধবার রাজধানীর একটি হোটেল থেকে নারী চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

  • হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওই নারীর স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

রাজধানীর একটি হোটেলে নারী চিকিৎসককে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তারকৃতের বরাত দিয়ে র‌্যাব জানিয়েছে, অবিশ্বাস থেকে হত্যার ঘটনা ঘটে।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নারী চিকিৎসকের স্বামীকে গ্রেপ্তারের কথা জানান র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

গ্রেপ্তারকৃতের নাম রেজাউল করিম। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সম্মেলনে হত্যার নানা তথ্য তুলে ধরেন র‌্যাব কর্মকর্তা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০১৯ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই নারী চিকিৎসকের সঙ্গে  পরিচয় হয় রেজাউলের। সেখান থেকে প্রেম। এক বছর পর পরিবারের অমতে বিয়ে করেন তারা। কিন্ত বিয়ের পর থেকেই পরস্পরকে সন্দেহ করতে শুরু করেন। স্বামীর একাধিক সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন স্বামী। জন্মদিন পালন করার কথা বলে স্ত্রীকে হোটেলে নিয়ে যান রেজাউল। সেখানেই গলাকেটে হত্যা করা হয় নারী চিকিৎসককে।

র‍্যাব বলছে, অভিযুক্ত রেজাউলের ফোনকল বিশ্লেষণ করে একাধিক প্রেমের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পুরো ঘটনার দায়ও স্বীকার করেছেন।

এর আগে গত বুধবার সকালে ওই নারী চিকিৎসককে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়ে ঢাকার পান্থপথের ‘ফ্যামিলি সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট’ হোটেলের একটি কক্ষে ওঠেন রেজাউল। দুপুরের দিকে তিনি ঘরে তালা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর রাতে ওই কক্ষ থেকে ২৭ বছর বয়সী তরুণীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও জখমের চিহ্ন ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, মগবাজারের কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজে গাইনি বিষয়ে একটি কোর্স করছিলেন ওই চিকিৎসক। হত্যার ঘটনায় রেজাউলকে আসামি করে মামলা করেছে নিহতের পরিবার।

র‍্যাবের মুখপাত্র খন্দকার আল মঈন বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে রেজাউল জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর পাশাপাশি একাধিক নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি ভুক্তভোগী জানতে পারলে বিভিন্ন সময় তাদের বাগ্‌বিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে রেজাউল তার প্রতিবন্ধকতা দূর করতে ভুক্তভোগীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।


ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কায় প্রাণ গেল কনস্টেবলের

ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কায় প্রাণ গেল কনস্টেবলের
প্রতীকী ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কায় ইয়ামিন আহম্মদ নামের এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। রাজধানীর কুড়িল এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। ইয়ামিন মিরপুরের পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে কর্মরত ছিলেন।

বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে কুড়িল বিশ্বরোড ও খিলক্ষেতের মধ্যবর্তী স্থানে রেললাইনে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন কনস্টেবল ইয়ামিন। এ সময় কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। ময়নাতদন্তের জন্য রাত সাড়ে ৮টায় মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।



পড়াশোনার জন্য বকাঝকা, ঘরে সিলিং ফ্যানে ঝুলছিল স্কুলছাত্রীর নিথর দেহ

পড়াশোনার জন্য বকাঝকা, ঘরে সিলিং ফ্যানে ঝুলছিল স্কুলছাত্রীর নিথর দেহ
প্রতীকী ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমান করে রাজধানীর মতিঝিলের এজিবি কলোনি এলাকায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে ওই স্কুলছাত্রীকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই স্কুলছাত্রী সিদ্ধেশ্বরী গার্লস হাই স্কুলে পড়ত। সে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

ওই ছাত্রীর বাবা বলেন, পড়াশোনার জন্য বকাঝকা করলে আমাদের সঙ্গে অভিমান করে নিজ রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে অনেক ডাকাডাকি করার পর দরজা না খুললে জানালার ফাঁক দিয়ে দেখি ওড়না পেঁচিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, ওই ছাত্রীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।


মানিকগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

মানিকগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার
সাটুরিয়া থানার ফটক। ছবি: সংগৃহীত
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণের মামলায় দেলোয়ার হোসেন নামে এক ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের একটি এলাকা থেকে পুলিশ ওই ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার দেলোয়ার হোসেন (৩৫) বরাই ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওসি বলেন, মামলার পরপরই দেলোয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল বুধবার সাটুরিয়া থানায় ইউপি সদস্যের নামে ধর্ষণ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত মঙ্গলবার রাতে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কার্ড দেওয়ার কথা বলে ফোন করে ওই গৃহবধূকে নিজ বাড়িতে ডেকে নেন দেলোয়ার হোসেন। কিন্তু ওই নারী পরদিন সকালে যাওয়ার কথা বলে কল কেটে দেন।

পরে ওই রাতেই দেলোয়ার কার্ডের অজুহাতে গৃহবধূর বাড়িতে গিয়ে কেউ না থাকার সুযোগে ধর্ষণ করেন। এ সময় ওই নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে দেলোয়ারকে আটক করেন। পরে মীমাংসার কথা বলে স্থানীয় মাতব্বর তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান।