শনিবার, আগস্ট ১৩, ২০২২

যে ভেক্যুতে লাশ গুম সেই ভেক্যুতেই উদ্ধার

যে ভেক্যুতে লাশ গুম  সেই ভেক্যুতেই উদ্ধার
নিহত অনুপ বাউল
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
  • ৪ জন মিলে শ্বাসরোধে অনুপ বাউলকে হত্যা করে

  • মাটির ১৬ ফুট নিচে থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে

যে ভেক্যু দিয়ে লাশ গুম করা হয়েছিল সেই একই ভেক্যু দিয়ে মাটির ১৬ ফুট নিচে থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের সিরাজদী খাঁন এলাকায় নিখোঁজ হওয়া স্বর্ণ ব্যবসায়ী অনুপ বাউল (৩৪) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যাকান্ডে জড়িত ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলো- রিপন মন্ডল (৩২), পিযুষ  করাতি (২৫),  নয়ন মন্ডল (২৬) ও দিলীপ চন্দ্র রায় (৩৪)।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডির পিবিআই প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার।

তিনি বলেন, গত ৪ জানুয়ারী স্বর্ণ ব্যবসায়ী অনুপ বাউল মুন্সিগঞ্জের সিরাজদি খান এলাকায় তার শ্বশুর বাড়ী থেকে মাদারীপুর যাওয়ার কথা বলে বের হন। তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। পরদিন তার ছোট ভাই বিপ্লব বাউল সিরাজদী খাঁন থানায়  একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন (জিডি নম্বর-১৯৬)। থানা পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে পিবিআই মুন্সিগঞ্জ জেলা তদন্তে নামে। তদন্তে নেমে বিপ্লব বাউলকে একটি অপহরণ মামলা করার পরামর্শ দেয় পিবিআই। পরে বিপ্লব বাউল ঢাকা কেরাণীগঞ্জ মডেল থানায় ৪ ফেব্রুয়ারী একটি অপহরণ মামলা (নম্বর-৪) করেন। মামলার পর ৩ মাসওে রহস্য উদঘাটন না হলে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে পিবিআই মামলার তদন্তভার পায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, নিহত অনুপ বাউল ও নয়ন মন্ডল স্বর্ণ ব্যবসার পার্টনার। পাওনা টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে নয়ন মন্ডল অনুপ বাউলকে খুনের পরিকল্পনা করে। নয়ন তার চাচাতো ভাই রিপন,পিযুষ ও দিলীপ দের সাহায্য নিয়ে অনুপ বাউলকে হত্যা করে ।

ঘটনার দিন নয়ন মন্ডল অনুপ বাউলকে পাওনা  টাকা দেয়া ও  মাদারীপুরে স্বর্ণের  অর্ডার পৌঁছে দেয়ার কথা বলে জয়েনপুরে ডেকে নিয়ে আসে। ওখানে রিপন মন্ডলের গ্যারেজে আগে থেকে রিপন মন্ডল, পিযুষ, দিলীপ অপেক্ষায় ছিল। পরে  নয়ন মন্ডল অনুপ বাউলকে নিয়ে আসলে পাওনা টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে নয়নসহ ৪ জন মিলে শ্বাসরোধে অনুপ বাউলকে হত্যা করে। তারা অনুপের লাশ একটি ড্রামে ভরে রাখে। পরবর্তীতে বিকাল ৩ টার দিকে একটি অটোতে করে লাশ ভর্তি ড্রামটি সিরাজদী খানের বোয়ালখালী বিসিক এলাকায় বালুর মাঠে নিয়ে যায়। অটো চালক চলে গেলে আসামীরা ড্রামটিকে বালুর মাঠের কাঁদাযুক্ত একটি স্থানে ভেক্যু দিয়ে মাটি খুড়ে পুঁতে ফেলে। গতকাল