শনিবার, আগস্ট ১৩, ২০২২

সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শনে আইজিপি

সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণস্থল  পরিদর্শনে আইজিপি
সীতাকুন্ডে বিস্ফোরণস্ল পরিদর্শনে আইজিপি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
  • এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৪১ জন নিহত হয়েছেন

  • আমার ৩৪ বছরের ক্যারিয়ারে একসঙ্গে এত ফায়ারম্যান কখনো নিহত হতে দেখিনি

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে বিস্ফোরনস্থল পরিদর্শন। পরে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে আহতদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন। আজ মঙ্গলবার সকালে তিনি এই পরিদর্শনে যান।

আইজিপি সকালে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে

দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইজিপি

বলেন, বিএম কন্টেইনার ডিপোতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের ডিএনএ স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়েছে। এ দুর্ঘটনার কারণ তদন্তে দুটি তদন্ত কমিটি কাজ করছে। ফায়ার ব্রিগেড যেহেতু এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ তাদের তদন্ত কমিটিও কাজ করছে। এছাড়া তদন্ত কমিটিকে সিআইডির পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সহায়তা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তশেষে রিপোর্টের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। অগ্নিকাণ্ডের পর দুর্ঘটনাস্থলে যে রেসিডিউ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে সেগুলো সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এগুলোও কেমিক্যাল টেস্ট করে দেখতে হতে পারে।

আইজিপি আরো বলেন, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৪১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ফায়ারম্যানও রয়েছেন। তিনি অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমার ৩৪ বছরের ক্যারিয়ারে একসঙ্গে এত ফায়ারম্যান কখনো নিহত হতে দেখিনি। আমাদের ১০ জন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকজন মারাত্মক আহত। আমাদের একজন পুলিশ সদস্য অঙ্গ হারিয়েছেন। আইজিপি দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী সাহসী ফায়ারম্যান, নিহত শ্রমিকসহ প্রত্যেকের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে আইজিপি বলেন, আপনারা চিকিৎসা শেষে ভালো সুস্থ হয়ে উঠবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিভিন্ন হাসপাতালে ২৩০ জন চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। তিনি উদ্ধার কাজে নিয়োজিত সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী, পুলিশ, ফায়ার

সার্ভিস, স্বেচ্ছাসেবক আহতদের চিকিৎসায় নিয়োজিত ডাক্তার, নার্সসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান

পরে আইজিপি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান এবং আহতদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন। আহতদের চিকিৎসায় যেন কোন ধরনের বিঘ্ন না ঘটে সে বিবেচনায়  হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকেন আইজিপি।

এরপর তিনি বিষ্ফোরণস্থলে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর মো. মোতাহার হোসেন এবং কনস্টেবল মো. বেলাল হোসেনকে দেখতে নগরীর দামপাড়ায় পুলিশ হাসপাতালে যান এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা আইজিপির সঙ্গে ছিলেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মো. কামরুজ্জামান দৈনিক বাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিষয়:

ছুরিকাঘাত করে ভ্যান ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২

ছুরিকাঘাত করে ভ্যান ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২
চালককে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে র‍্যাব।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে এক চালককে ছুরিকাঘাত করে ভ্যানগাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে র‌্যাব।এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে তাদের বিরুদ্ধে গৌরীপুর থানায় মামলা করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার পৌর এলাকার নওপাড় এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেফতার দুইজন হলেন- উপজেলার পৌর এলাকার মোনাটি এলাকায় নাজিম উদ্দিনের ছেলে তোতা মিয়া। এছাড়া মজিবুর রহমান একই এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে। আহত ভ্যানচালক রতন মিয়া তারাকান্দা উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের বাসিন্দা।

বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, গত ৭ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে রতন মিয়া কুড়া সংগ্রহ করে ফিরছিলেন। দড়িপাড়া সেতুতে আসলে দুই ব্যক্তি তার গাড়ি আটকে দেয়। এ সময় রতনের বুকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে তার সঙ্গে থাকা ৬ হাজার ৭৯৫ টাকা, মোবাইল ও ভ্যানগাড়িটি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে রতনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এরপর ১০ আগস্ট রতন মিয়ার বাবা আব্দুর রশিদ র‌্যাবের কাছে একটি অভিযোগ দেন। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করে বৃহস্পতিবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ছিনতাইকারীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে নওপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ভ্যানগাড়িটি উদ্ধারসহ একটি চাকু ও হিরোইনসহ একই অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

আটক দুইজন ছিনতাইয়ের পাশাপাশি নিয়মিত মাদক বিক্রি করতেন। গৌরীপুর থানায় শুক্রবার বিকেলে তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে। রাতের তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলেও র‌্যাব জানায়।


রোববার ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান

রোববার ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান
মিশেল ব্যাচলেট
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

পাঁচদিনের সফরে কাল রোবাবর ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রাধান মিশেল ব্যাচলেট। দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি দেখতে বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে মিশেল ব্যাচলেটের এই সফর বলে জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সদর দপ্তর এক বার্তায় জানিয়েছে।

মিশেল ব্যাচলেটের এ সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অন্যান্য মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে। এছাড়া তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, সুশীল সমাজ সংস্থার প্রতিনিধির সঙ্গেও দেখা করবেন। তিনি একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন এবং কক্সবাজারে যাবেন বলেও জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সদর দপ্তর জানায়, বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে রোববার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচলেট বাংলাদেশে সরকারি সফর করবেন। 

সম্প্রতি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মানবাধিকারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জনগুলো মিশেল ব্যাচলেটের সফরে তুলে ধরবে সরকার। তিনি আমাদের অগ্রগতি দেখবেন এবং চ্যালেঞ্জগুলো জানতে পারবেন। আমরা এ সফরের জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছি।


রাজধানীতে এটিএম বুথে ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত

রাজধানীতে এটিএম বুথে ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত
আটক আব্দুস সামাদ। ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

রাজধানীর উত্তরায় একটি ব্যাংকের এটিএম বুথের ভেতর টাকা তোলার সময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। স্থানীয়দের সহায়তায় ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ। 

নিহত ব্যবসায়ীর নাম শরিফ উল্লাহ (৪০)। আজ শুক্রবার দুপরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন। 

ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ রোডে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলেন শরিফ। বুথের ভেতর টাকা গোনার সময় আব্দুস সামাদ (৩৮) নামে এক ছিনতাইকারী সেখানে যান। টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য বুথের ভেতর শরিফ উল্লাহকে তিনি এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। 

পুলিশ জানায়, ছুরিকাঘাতে বুথের ভেতরে অচেতন হয়ে পড়েন শরিফ। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শরিফ টাইলস ব্যবসায়ী ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। উত্তরায় জাকিয়া টাইলস গ্যালারি অ্যান্ড স্যানিটারি নামে তার একটি পারিবারিক প্রতিষ্ঠান আছে। শরিফ টঙ্গীতে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের মধুপুর গ্রামে।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।


প্রেম থেকে বিয়ে, অবিশ্বাস থেকে খুন

প্রেম থেকে বিয়ে, অবিশ্বাস থেকে খুন
গ্রেপ্তার রেজাউল করিমকে আনা হয় র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে। আজ শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে। ছবি: দৈনিক বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
  • গত বুধবার রাজধানীর একটি হোটেল থেকে নারী চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

  • হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওই নারীর স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

রাজধানীর একটি হোটেলে নারী চিকিৎসককে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তারকৃতের বরাত দিয়ে র‌্যাব জানিয়েছে, অবিশ্বাস থেকে হত্যার ঘটনা ঘটে।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নারী চিকিৎসকের স্বামীকে গ্রেপ্তারের কথা জানান র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

গ্রেপ্তারকৃতের নাম রেজাউল করিম। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সম্মেলনে হত্যার নানা তথ্য তুলে ধরেন র‌্যাব কর্মকর্তা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০১৯ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই নারী চিকিৎসকের সঙ্গে  পরিচয় হয় রেজাউলের। সেখান থেকে প্রেম। এক বছর পর পরিবারের অমতে বিয়ে করেন তারা। কিন্ত বিয়ের পর থেকেই পরস্পরকে সন্দেহ করতে শুরু করেন। স্বামীর একাধিক সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন স্বামী। জন্মদিন পালন করার কথা বলে স্ত্রীকে হোটেলে নিয়ে যান রেজাউল। সেখানেই গলাকেটে হত্যা করা হয় নারী চিকিৎসককে।

র‍্যাব বলছে, অভিযুক্ত রেজাউলের ফোনকল বিশ্লেষণ করে একাধিক প্রেমের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পুরো ঘটনার দায়ও স্বীকার করেছেন।

এর আগে গত বুধবার সকালে ওই নারী চিকিৎসককে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়ে ঢাকার পান্থপথের ‘ফ্যামিলি সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট’ হোটেলের একটি কক্ষে ওঠেন রেজাউল। দুপুরের দিকে তিনি ঘরে তালা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর রাতে ওই কক্ষ থেকে ২৭ বছর বয়সী তরুণীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও জখমের চিহ্ন ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, মগবাজারের কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজে গাইনি বিষয়ে একটি কোর্স করছিলেন ওই চিকিৎসক। হত্যার ঘটনায় রেজাউলকে আসামি করে মামলা করেছে নিহতের পরিবার।

র‍্যাবের মুখপাত্র খন্দকার আল মঈন বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে রেজাউল জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর পাশাপাশি একাধিক নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি ভুক্তভোগী জানতে পারলে বিভিন্ন সময় তাদের বাগ্‌বিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে রেজাউল তার প্রতিবন্ধকতা দূর করতে ভুক্তভোগীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।


ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কায় প্রাণ গেল কনস্টেবলের

ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কায় প্রাণ গেল কনস্টেবলের
প্রতীকী ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কায় ইয়ামিন আহম্মদ নামের এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। রাজধানীর কুড়িল এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। ইয়ামিন মিরপুরের পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে কর্মরত ছিলেন।

বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে কুড়িল বিশ্বরোড ও খিলক্ষেতের মধ্যবর্তী স্থানে রেললাইনে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন কনস্টেবল ইয়ামিন। এ সময় কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। ময়নাতদন্তের জন্য রাত সাড়ে ৮টায় মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।