সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২

মাদারীপুরের ৩৪ স্লুইসগেট ‘গলার কাঁটা’

মাদারীপুরের ৩৪ স্লুইসগেট ‘গলার কাঁটা’
ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সদর উপজেলার ‘মস্তফাপুর স্লুইস গেট’ও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ছবি: দৈনিক বাংলা
মাদারীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

নদ-নদীর জোয়ার-ভাটার স্বাভাবিকতা রক্ষা আর কৃষিকাজে জনমানুষের সুবিধার জন্য ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্লুইসগেট বসানো হয়েছে। মাদারীপুরেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) আওতায় রয়েছে ৩৪টি স্লুইসগেট। কিন্তু মানুষের কাজে আসা তো দূরের কথা, ২৫টি স্লুইসগেট সম্পূর্ণভাবে অকেজো হয়ে পড়েছে। বাকি ৯টি স্লুইসগেট মেরামতযোগ্য হলেও মেরামতহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে বছরের পর বছর। পাউবোর ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়ানো স্লুইসগেটগুলোর কারণে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ।

এলাকাবাসী বলছেন, স্লুইসগেটগুলোকে কাজে লাগানো না গেলে সেগুলো ভেঙে জায়গাগুলো কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, স্লুইসগেট মেরামতের জন্য অর্থ বরাদ্দ পাচ্ছে না তারা। আর অন্য সব সরকারি দপ্তরের মতো জেলা প্রশাসন বলছে, ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেয়া হবে।

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, জেলায় ব্রিটিশ শাসনামলে কৃষিকাজে বছরজুড়ে পানি সরবরাহ করতে মাদারীপুর সদরের মস্তফাপুর এবং সমাদ্দার ও রাজৈর উপজেলার চৌকদার, আমগ্রাম ও রাজৈর গণউন্নয়ন এলাকায় বড় পাঁচটি স্লুইসগেট নির্মাণ করা হয়। এরপর ১৯৮৪ সালে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কালকিনির উত্তর-দক্ষিণ দুই দিকে ছোট-বড় মিলে নির্মাণ করা হয় আরও ২৯টি স্লুইসগেট। এগুলোর মধ্যে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত বড় পাঁচটি স্লুইসগেট পুরোপুরি অকেজো হয়ে পড়েছে। আর কালকিনির ২৯টির মধ্যে কার্যক্রম বন্ধ ২০টি স্লুইসগেটের। বাকি ৯টি কিছুটা মেরামতযোগ্য।

মাদারীপুর সদরের স্লুইসগেটটি ‘মস্তফাপুর স্লুইসগেট’ নামে পরিচিত। পরবর্তী সময় এখানকার নদীতে পলি জমে ভিন্ন নৌপথ তৈরি হলে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে স্লুইসগেটটি। এর তিন মুখের কোনোটিতেই ডালা নেই। প্রতিটি ডালার মুখ ভাঙা। মুখের অংশগুলো কাটা ও গাছ-গাছালিতে ভরা। তাকালেই বোঝা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে স্লুইসগেটটি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পাউবোর তদারকির অভাবে অকার্যকর হয়ে পড়েছে স্লুইসগেটগুলো। মস্তফাপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে স্লুইসগেটটি পড়ে আছে। জরাজীর্ণ আর ঝোপ-ঝাড়ে পরিত্যক্ত জায়গা হিসেবে পড়ে রয়েছে। ফলে গেটের অন্য পাশ দিয়ে নৌপথ তৈরি হয়েছে। এই গেটগুলো থাকায় অন্যপাড়ের জায়গা নদীতে পরিণত হয়েছে। স্লুইসগেটটি এখন লাভের তুলনায় ক্ষতির কারণ হচ্ছে। পাউবোর কর্মকর্তারা জায়গাটি পরিদর্শন করেছেন, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। তারা কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেননি।’

স্থানীয় তরুণ সাব্বির বলেন, ‘জন্মের পর থেকেই দেখছি অকেজো হয়ে পড়ে আছে স্লুইসগেট। কৃষিকাজে সহায়তা তো দূরের কথা, এই গেটের কারণে বরং অন্যদিকের নদী ভাঙছে। এখন এই গেটটি উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হলে মূল নদীতে পানি প্রবাহিত হবে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে কেউ এ দিকে নজর দিচ্ছে না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোরালো ব্যবস্থা আশা করি।’

মাদারীপুরে ছোট-বড় মিলে ১৩টি নদ-নদী রয়েছে। এসব নদী থেকে পানি উত্তোলন করে কৃষিকাজে ব্যবহার করা হয়। স্লুইসগেট সচল থাকলে সারা বছরই নদীগুলোর পানি ব্যবহার করা যাবে বলে মনে করছেন প্রান্তিক চাষিরা। রাজৈর উপজেলার আমাগ্রাম এলাকার কৃষক মনোয়ার বয়াতী বলেন, ‘এ গেটে কোনো কাজ হয় না। বর্ষার সময় যেমন পানি আসে, তেমনি খরার সময়ও পানি আসে। পানি যে গেট দিয়ে ধরে রাখবে, তার কোনো ব্যবস্থাই নেই। এখন অকেজো হয়ে পড়ায় গেট জঙ্গলে পরিণত হয়ে আছে।’

পাউবো বলছে, নতুন প্রকল্প পেলে মেরামতযোগ্য স্লুইসগেটগুলো সচল করা যাবে। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সানাউল কাদের খান বলেন, ‘মাদারীপুরে ছোট-বড় ৩৪টি পানিধারক গেট রয়েছে। এর মধ্যে ব্রিটিশ আমলে তৈরি গেটগুলো সম্পূর্ণ অকেজো। আর যেগুলো পরে নির্মাণ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে মাত্র ৯টি মেরামতযোগ্য। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে স্লুইসগেটগুলো পরিদর্শন করে গেছেন। নতুন প্রকল্প অনুমোদন হলে গেটগুলো মেরামত করে সচল করা হবে।’ তবে সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়া গেটগুলো নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

জানতে চাইলে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘পাউবোর সঙ্গে কথা বলে সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। কৃষি ও কৃষকদের কথা চিন্তা করে স্লুইসগেটগুলো সচল করতে সার্বিক ব্যবস্থা নেয়া একান্ত প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে কারও গাফিলতি থাকলে তাও খুঁজে বের করা হবে। আর যেসব জায়গায় পানিপ্রবাহ নেই, সেগুলো প্রয়োজনে ভেঙে ফেলা উচিত। সেগুলোও আমরা দেখব।’


সাজেদা চৌধুরীর আসনে উপনির্বাচন ৫ নভেম্বর

সাজেদা চৌধুরীর আসনে উপনির্বাচন ৫ নভেম্বর
সোমবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ছবি : সংগৃহীত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর প্রয়াত সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুর-২ শূন্য আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৫ নভেম্বর।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আজ সোমবার এই তফসিল ঘোষণা করেছে।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১০ অক্টোবর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১২ অক্টোবর ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৯ অক্টোবর। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ১৩ থেকে ১৫ অক্টোবর এবং আপিল নিষ্পত্তি ১৬ থেকে ১৮ অক্টোবর।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই আসনে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে।

ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা গেছেন।

 


ট্রেন আসতেই লাইনে শুয়ে পড়েন নারী, অতঃপর…

ট্রেন আসতেই লাইনে শুয়ে পড়েন নারী, অতঃপর…
প্রতীকী ছবি
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে শিরিনা বেগম (৫৩) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার উপজেলার বারইয়ারহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিরিনা বেগম ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার নিজকুঞ্জরা এলাকার নুরুল হুদার স্ত্রী।

সীতাকুণ্ড রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক জহিরুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপপরিদর্শক জহিরুল বলেন, ‘রেলে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থল এসেছি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস যাওয়ার সময় হঠাৎ সামনে শুয়ে পড়েন ওই নারী। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে ওই নারীর পরিবার লাশ নিয়ে যায়।’


রমেক হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা বন্ধের দাবি চিকিৎসকদের

রমেক হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা বন্ধের দাবি চিকিৎসকদের
রমেক হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধের দাবিতে মানববন্ধনে চিকিৎসকরা। ছবি: দৈনিক বাংলা
রংপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন খোদ হাসপাতালটির চিকিৎসকরা। চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রাখতে হাসপাতাল থেকে অসাধু চক্রকে বিতাড়িত ও চক্রের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা cbWfv দাবি জানিয়েছেন তারা।

আজ সোমবার দুপুরে হাসপাতাল চত্বরে ‘রংপুরের সম্মিলিত চিকিৎসক সমাজ’ এর ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে তারা এ দাবি জানান।

এর আগে এসব অনিয়মের কথা উল্লেখ করে গত ১৮ সেপ্টেম্বর হাসপাতালের পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন হাসপাতালের অর্থো সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক এবিএম রাশেদুল আমীর।

মানববন্ধনে রমেকের অধ্যক্ষ ডা. বিমল চন্দ্র রায় বলেন, এখানে এতো অনিয়ম হচ্ছে যে, আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এ কারণে রাস্তায় নেমেছি। দ্রুত হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা বন্ধ হোক। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যাব।

এ সময় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়শেনের নেতা ডা. মামুনুর রশীদ বলেন, হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে শুরু করে ওয়ার্ড পর্যন্ত পদে পদে টাকা দিতে হচ্ছে। এখানে রোগী নিয়ে আসলে ভোগান্তির শেষ থাকে না।

মামুনুর রশীদ আরও বলেন, দুর্নীতিবাজদের কোনো দল নেই, সমাজ নেই। রংপুরের সব স্তরের মানুষকে আহ্বান করছি, হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।

রংপুর মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নুরুন্নবী লাইজু বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা একটি অসাধু সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি। এখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এখানে কেউ মারা গেলে ওই চক্রকে টাকা দিতে হয়, তা না হলে হয়রানির শিকার হতে হয়। এই অব্যবস্থাপনা বন্ধ করতে হবে।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন, রংপুর মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মাহফুজার রহমান ও বিএমএ’র সহ-সভাপতি ডা. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।


পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
প্রতীকী ছবি
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশিত

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় পুকুরে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে দীঘিনালার কবাখালী ইউনিয়নের মুসলিম পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, মুসলিমপাড়ার কামাল হোসেনের ছেলে ফারহান হোসেন (২) ও নুর আলমের মেয়ে নুসরাত জাহান (২)। নিহতরা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজি।

কবাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকালে বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে দুই শিশু বসেছিল। কিছুক্ষণ পরে তাদের দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পুকুরে তাদের মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে উদ্ধার করে দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. প্রমেশ চাকমা জানান, হাসপাতালে আনার আগে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।


অনিয়মের অভিযোগ, মেয়রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

অনিয়মের অভিযোগ, মেয়রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি
পৌরসভার মেয়র ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে মানববন্ধন।
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু পৌরসভার মেয়র ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন পৌরসভার কাউন্সিলর ও পৌরবাসীদের অনেকেই। এই অভিযোগের তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। আজ সোমবার সকালে উপজেলা শহরের দোয়েল চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়।

ঘণ্টাব্যাপী চলা এ মানববন্ধনে ব্যানার, লিফলেট, ফেসটুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় পৌরসভার সাবেক মেয়র শাহীনুর রমান রিন্টু, বর্তমান কাউন্সিলর নাসির উদ্দিন ও আবু আহসান রনুসহ অনেকেই বক্তব্য দেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান মেয়র ফারুক হোসেন পৌরসভায় অবৈধভাবে নিয়োগ-বাণিজ্য করছেন। এ ছাড়া পৌরবাসী জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে নির্ধারিত ফি থেকে কয়েকগুণ বেশি টাকা আদায় করা হচ্ছে। যার রশিদও আছে। পৌরবাসী নাগরিক সেবা নিতে গেলে বিভিন্ন অনিয়ম করছে মেয়র। এ সময় মেয়রের এমন কর্মকাণ্ডের তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।