শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২

সমুদ্রের কাছে দৃষ্টিনন্দন রেলস্টেশন

সমুদ্রের কাছে দৃষ্টিনন্দন রেলস্টেশন
সমুদ্রসৈকত থেকে তিন কিলোমিটার দূরে ঝিনুকের আদলে তৈরি করা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন রেলস্টেশন। ছবি: দৈনিক বাংলা
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত
  • আগামী জুনে শেষ হচ্ছে দোহাজারী-কক্সবাজার ১০০ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ

  • রেলস্টেশন ভবনে থাকছে তারকামানের হোটেল, নির্মাণ ব্যয় ২১৫ কোটি টাকা

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের কাছেই তৈরি হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন এক রেলস্টেশন, যা দেখতে অনেকটা ঝিনুকের মতো। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে ভবনটির মূল কাঠামোর নির্মাণকাজ। ছয়তলা স্টেশন ভবনটিতে থাকছে তারকামানের হোটেল, শপিংমল, কনভেনশন সেন্টার, রেস্টুরেন্ট, বেবি কেয়ার সেন্টার (শিশু যত্নকেন্দ্র) ও লাগেজ রাখার লকার। ২৯ একর জায়গাজুড়ে অত্যাধুনিক এই রেলস্টেশন নির্মাণে ব্যয় হবে ২১৫ কোটি টাকা।

জানা গেছে, সমুদ্রসৈকত থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে নির্মাণ করা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন এই রেলস্টেশন। অত্যাধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা থাকবে সেখানে। স্টেশনের সামনের অংশে তৈরি হবে বিশাল আকৃতির ঝিনুকের ফোয়ারা এবং এর পাশ দিয়েই স্টেশনের ভেতর প্রবেশ করতে হবে। এরপর চলন্ত সিঁড়ির (স্কেলেটর) মাধ্যমে ওভারব্রিজে উঠে চড়তে হবে ট্রেনে।

স্টেশন এলাকায় গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য থাকবে তিনটি বড় জায়গা। বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য রাখা হবে বিশেষ ব্যবস্থা। স্টেশন ভবনে থাকবে মালামাল রাখার লকার। ফলে কেউ চাইলে রাতের ট্রেন ধরে সকালে কক্সবাজার পৌঁছে মালামাল স্টেশনে রেখে সারা দিন পর্যটন নগরী ঘুরে রাতে ফিরে যেতে পারবেন।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেলওয়ে প্রকল্পের জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলী তাইজুল ইসলাম দৈনিক বাংলাকে বলেন, ভবনটির মূল কাঠামোর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে ছাদের উপর স্টিলের ক্যানোপি বসানোর প্রস্তুতি। ভবনের ভেতরে চলছে সৌন্দর্যবর্ধন, ফায়ার ফাইটিং, স্যানিটারি ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজ। আর মূল রেলস্টেশন ভবনের পূর্ব পাশে চলছে উড়াল সেতু ও প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজ।

এদিকে মালামাল আমদানি ও সেগুলো চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে কক্সবাজার আনতে কিছুটা ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে বলে জানালেন রেলওয়ে প্রকল্পের কনস্ট্রাকশন ম্যানেজার মো. আবদুল জব্বার। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী আসতে একটু বিলম্ব হচ্ছে। বৃষ্টিতে কাজ করতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছিল। সেটা আমরা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি, এখন পুরোদমে কাজ চলছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইকনিক রেলস্টেশনসহ অন্যান্য সব কাজ শেষ হবে বলে জানালেন প্রকল্প প্রশাসক মো. আহমেদ সুফি। তিনি বলেন, যেহেতু বর্ষা মৌসুমেও কাজ চলমান ছিল, কিছুটা বিঘ্ন তো ঘটেছেই। আগামী এপ্রিলের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি।

আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে রেল প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আগামী বছরের আগস্ট নাগাদ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল চলাচল শুরু হবে বলে আশা করছি। সেই সঙ্গে শেষ পর্যায়ে রয়েছে কক্সবাজারে ঝিনুকের আদলে তৈরি করা দেশের প্রথম আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনের কাজও।

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা দৈনিক বাংলাকে বলেন, রেল যোগাযোগ কক্সবাজারের সর্বক্ষেত্রে ব্যাপক গতিশীলতা তৈরি করবে। তার মধ্যে পর্যটন ও ব্যবসা ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গতি আনতে। এটি কক্সবাজারের ব্যবসা ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প ২০১০ সালের ৬ জুলাই একনেকে অনুমোদন পায়। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। পরে এক দফা সময় বাড়িয়ে প্রকল্পের মেয়াদ করা হয় ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। প্রকল্পে ঋণ সহায়তা দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। তবে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও ব্যয় বাড়েনি।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, আগামী বছরের জুলাই বা আগস্টে চালু করা হবে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ। দেশের অন্যান্য রেলপথ থেকে এর বৈশিষ্ট্য আলাদা। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব ১৫০ কিলোমিটার আর দোহাজারী থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব ১০০ কিলোমিটার। বর্তমানে দোহাজারী থেকে রামু হয়ে বন-পাহাড় নদী দিয়ে এই রেলপথটি নির্মিত হচ্ছে। ২০১৬ সালের ২৭ এপ্রিল প্রকল্পটি ‘ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। এটি নির্মিত হলে মিয়ানমার ও চীনসহ ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের করিডোরে যুক্ত হবে বাংলাদেশ।

দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ৩৯টি বড় সেতু, ২২৩টি ছোট সেতু ও কালভার্ট, বিভিন্ন শ্রেণির ৯৬টি লেভেল ক্রসিং নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব স্থানে হাতি চলাচলের জন্য থাকবে আন্ডারপাস। দোহাজারী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, হারবাং, চকরিয়া, ডুলাহাজরা, ইসলামাবাদ, রামু ও কক্সবাজারে মোট নয়টি স্টেশন নির্মাণ করা হবে।

২০১৮ সালের ১ জুলাই প্রকল্পটির ভৌত অংশের কাজ শুরু হয়। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, প্রকল্পের ৭৮ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে কক্সবাজারের রামু, ঈদগাঁও, পেকুয়া ও চকরিয়া অংশে রেলট্র্যাক বসানোর কাজ শেষ হয়েছে।


ফের আকাশসীমা লঙ্ঘন মিয়ানমারের

ফের আকাশসীমা  লঙ্ঘন মিয়ানমারের
বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্ত । ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

এস বাসু দাশ, বান্দরবান

দফায় দফায় সতর্ক আর প্রতিবাদ জানানোও কাজে আসছে না। আকাশসীমা লঙ্ঘন করেই চলেছে মিয়ানমার। গতকাল শুক্রবার রাত থেকে  শনিবার সকাল পর্যন্ত অন্তত দুবার আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে দেশটির বাহিনী।

এদিকে সীমান্তের ওপারে চলমান সংঘর্ষে মুহুর্মুহু গোলা ও গুলির আওয়াজ ভেসে আসছে এপারে। এতে আতঙ্কে দিন কাটছে স্থানীয়দের। গোলার কম্পনের জেরে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু ও বাইশফাঁড়ি এলাকায় ফাটল ধরেছে বিভিন্ন বাড়িঘরে।

গত ২৮ আগস্ট মিয়ানমার থেকে নিক্ষেপ করা দুটি মর্টার শেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় ঘুমধুমের তমব্রুর উত্তর মসজিদের কাছে পড়ে। এ ঘটনায় ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়। এরপর ৩ সেপ্টেম্বর ঘুমধুম এলাকায় দুটি গোলা পড়ে। এ ঘটনায়ও প্রতিবাদ জানানো হয়। কিন্তু তার পরও পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেনি। ৯ সেপ্টেম্বর আবার গুলি এসে পড়ে। ১৬ সেপ্টেম্বর মাইন বিস্ফোরণ ও গুলি-মর্টার শেল নিক্ষেপে একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হন। এ ঘটনায় মিয়ানমারের কূটনীতিককে আবারও তলব ও কড়া প্রতিবাদ জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শুধু তা-ই নয়, বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকেও বিষয়টি তুলেছে মন্ত্রণালয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেয়া ভাষণেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা ইস্যুটি তুলেছেন। এর পরও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি নেই।

মিয়ানমারের দাবি, তাদের ভূখণ্ডে আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে লড়ছে সেনাবাহিনী। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে এসে পড়া গোলাগুলো আরাকান আর্মির ছোড়া। তবে বাংলাদেশে এসে পড়া গুলির কোনো ব্যাখ্যা তারা দেয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত নামলেই সীমান্তের ওপারে বেড়ে যায় গোলাগুলির আওয়াজ। সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টারের গর্জন আর গোলা ও মর্টার শেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দে স্থানীয়দের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায়। শেলের কম্পনে তুমব্রু উত্তরপাড়ায় কয়েকটি বাড়িতে ফাটল ধরেছে।

তুমব্রু বাজারের ব্যবসায়ী বদিউল আলম বলেন, গত শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে রাখাইনের মংডুর উত্তরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পিলার ৩৭, ৩৮, ৩৯ নম্বর এলাকায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দুটি হেলিকপ্টার থেকে ভারী অস্ত্রের গোলা বর্ষণ করা হয় সে দেশে। এর একটি হেলিকপ্টার মিয়ানমার থেকে এসে তুমব্রু পয়েন্টের জিরো লাইনের সোজা ওপর দিয়ে মর্টার শেল ছুড়ে মিয়ানমারে ফিরে যায়। এতে তুমব্রু বাজার, কোনারপাড়া, মধ্যমপাড়া ও উত্তরপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সীমান্তে টহলরত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক কর্মকর্তা বলেন, গতকাল সকাল ৭টার দিকে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার ৪০-৪১ সীমান্ত পিলার এলাকার ওপর চক্কর দিয়ে গোলা নিক্ষেপ করে।

তুমব্রু বাজার সর্বজনীন দুর্গামন্দির কমিটির সভাপতি রুপলা ধর বলেন, মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা তুমব্রুর ওপারের ক্যাম্প থেকে গতকাল সকাল ১০টায় সে দেশের অভ্যন্তরে একটি মর্টার শেল নিক্ষেপ করা হয়। এই আওয়াজে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাইশফাঁড়ির উত্তরপাড়ার এসএসসি পরীক্ষার্থী আয়শা বেগম বলে, ‘শুক্রবার রাতে মিয়ানমারের যুদ্ধবিমান থেকে গোলার শব্দে আতঙ্ক ছড়ালেও কিছুটা সহনীয় ছিল। কিন্তু শনিবার সকালে গোলাগুলির আওয়াজ বেড়ে গেছে। এর মধ্যে পরীক্ষা দিতে যেতে হয়েছে। ভয়ে ভয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছি।’

নো ম্যানস ল্যান্ডে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নেতা দিল মোহাম্মদ জানান, গতকাল বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্তও গুলির শব্দ পাওয়া গেছে।


বাথরুমে স্বামীর, ঘরের মেঝেতে পড়েছিল স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ

বাথরুমে স্বামীর, ঘরের মেঝেতে পড়েছিল স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ
বৃদ্ধ দম্পতির মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয়রা ভিড় জমায়। ছবি: দৈনিক বাংলা
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় হাত ও মুখ বাঁধা অবস্থায় বৃদ্ধ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার পুরাতন বাজার পাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন, আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার পুরাতন বাজার পাড়ার বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী নজির উদ্দিন ও তার স্ত্রী ৬০ বছর বয়সী ফরিদা খাতুন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনও জানা যায়নি। নজির উদ্দিনের লাশ পড়েছিল বাথরুমে আর তার স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ ছিল ঘরের মেঝেতে। তাদের দুজনের হাত ও মুখ বাঁধা ছিল। মরদেহ দুটির সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে। ঝিনাইদহ পিবিআই’র একটি টিম ও চুয়াডাঙ্গা সিআইডি’র একটি টিম ঘটনাস্থলে কাজ করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, নজির উদ্দিন জমি জালিয়াতি চক্রের হোতা ছিলেন। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।


বাবার সামনে পা পিছলে ট্রেনের নিচে ছেলে

বাবার সামনে পা পিছলে ট্রেনের নিচে ছেলে
নিহত হাসানুজ্জামান ইমতিয়াজ। ছবি: সংগৃহীত
নাটোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

নাটোরের আব্দুলপুর রেলওয়ে জংশনে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে হাসানুজ্জামান ইমতিয়াজ নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

২১ বছর বয়সী ইমতিয়াজ পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর এলাকার অ্যাডভোকেট ইসাহাক আলীর ছেলে। তিনি রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৬ষ্ঠ সেমিষ্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার শেখ জিয়াউদ্দিন বাবলু জানান, শনিবার সকালে ঈশ্বরদী থেকে ছেলেকে নিয়ে কমিউটার ট্রেনে চড়ে রাজশাহী যাচ্ছিলেন অ্যাডভোকেট ইসাহাক আলী। ট্রেনটি আব্দুলপুর জংশনে দাঁড়ালে ইমতিয়াজ নাশতা করতে ট্রেন থেকে নামেন। পরে ট্রেনটি ছেড়ে দিলে ইমতিয়াজ দৌড়ে ট্রেনের হাতল ধরে উঠতে গিয়ে পা পিছলে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যান। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী রেলওয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


নানা হত্যার অভিযোগে নাতি আটক

নানা হত্যার অভিযোগে নাতি আটক
প্রতীকী ছবি
গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

গাজীপুরের শ্রীপুরে এক নাতি তার নানাকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নাতি আব্দুল খালেককে (২৫) আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের মশাখালী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে গতকাল শুক্রবার ভোরে শ্রীপুর উপজেলার বড়চালা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্বজনদের বরাত দিয়ে রাজাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য গিয়াস উদ্দিন জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহত আব্দুল হক মাদবরের ছেলে হারুন মাদবর মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়িতে ঢুকতেই পেছন থেকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যান খালেক। 

পরে পরিবারের লোকজন হারুনকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দিয়ে রাত ৩টায় বাড়িতে নিয়ে আসেন। সকালে আব্দুল হক মাদবরকে ঘরে না পেয়ে সবাই খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পাশের ঘরের মেঝেতে বস্তা দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় আব্দুল হকের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়া হয়। নিহতের মাথা ও নাকে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, আব্দুল খালেক তার নানাকে হত্যা করে মরদেহ বস্তা দিয়ে ঢেকে রেখে পালিয়েছেন।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে নানাকে হত্যা করে পালিয়ে যান আব্দুল খালেক। এ ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।


চট্টগ্রামে যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত

চট্টগ্রামে যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত
ভাটিয়ারীতে ময়মনসিংহগামী একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। ছবি: দৈনিক বাংলা
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে ময়মনসিংহগামী যাত্রীবাহী একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিজয় এক্সপ্রেসের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ের অতিরিক্ত বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান।

মনিরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধারে কাজ চলছে। অন্য লাইন সচল আছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

লাইন পরিবর্তনের সময় এ ঘটনা ঘটে বলে পরিবহন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।