সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২

জেলা পরিষদ নির্বাচন: আ. লীগের তিন নেতাকে ঘিরে আলোচনা

জেলা পরিষদ নির্বাচন: আ. লীগের তিন নেতাকে ঘিরে আলোচনা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ নির্বাচন তিন নেতাকে ঘিরে আলোচনা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত
  • মাজহারুল করিম অভি

জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কে হবেন- তা নিয়েই এখন আলোচনামুখর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেকেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী। তবে এর মধ্যে ঘুরেফিরে তিনজনের নাম উঠে আসছে আলোচনায়। মনোনয়ন পেতে ঢাকায় দৌড়ঝাঁপও করতে দেখা যাচ্ছে তাদের। শুরু করেছেন মাঠ পর্যায়ের প্রচার-প্রচারণাও।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক শফিকুল আলম এমএসসি। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি। সর্বশেষ জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকে প্রার্থী হয়েছিলেন প্রয়াত সৈয়দ এ কে এম এমদাদুল বারী। সেবার শফিকুল আলম এমএসসি-ও নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। না পেয়ে ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’ হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং ৫৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ও পান। এবারও নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন চান শফিকুল।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকারও এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. হেলাল উদ্দিনের নামও।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আলোচিত এই তিনজনের মধ্যে দলের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন হেলাল উদ্দিন। অনলাইন-অফলাইনে ব্যাপক প্রচারণাও চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান প্রশাসক শফিকুল আলমের পক্ষেও প্রচারণা চালাচ্ছেন তার অনুসারীরা। সে তুলনায় আল মামুন সরকার ও তার সমর্থক-অনুসারীদের কিছুটা নীরব অবস্থানেই দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বলছেন, কমিটিতে অবস্থান এবং স্থানীয় রাজনীতিতে ভূমিকার কারণে আল মামুন সরকার এই নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রার্থী হতে পারেন। তাকে নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। জেলার বিভিন্ন আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক সুবিদিত। তবে নিজ জেলায় দলের এক শীর্ষ নেতার সঙ্গে তার দূরত্বের বিষয়টিও স্পষ্ট। এ পরিস্থিতিতে আল মামুন সরকার নিজ থেকে কোনো প্রচারণায় না গিয়ে দলের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন।

অন্যদিকে, শফিকুল ইসলাম এমএসসি গত নির্বাচনে ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’ হলেও জয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। ফলে তার জনপ্রিয়তা বিবেচনায় আসতে পারে মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে। আর স্থানীয় রাজনীতিতে হেলাল উদ্দিনের অবস্থানও যথেষ্ট শক্তিশালী। ফলে তিনজনের যে কাউকেই দলের সমর্থন দেয়া হতে পারে।

এই আলোচনায় অবশ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে পক্ষ-বিপক্ষের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসছে। দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় দুই মেয়াদে মেয়র ছিলেন হেলাল উদ্দিন। ২০১৬ সালের জেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থিতা প্রত্যাশা করেছিলেন। মনোনয়ন না পেয়ে তিনি সেবার ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’ শফিকুল ইসলাম এমএসসিকে সমর্থন দেন। শফিকুল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে জেলা কমিটির সহসভাপতি তাজ মো. ইয়াছিন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিনারা আলম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মিজানুর রহমানসহ তাদের অনুসারীদের নিয়ে শফিকুল ও হেলাল পৃথক একটি বলয় তৈরি করেন। শফিকুল আলমের নেতৃত্বে এই বলয়টি পৃথকভাবে দলীয় কর্মসূচি পালন করত।

নেতা-কর্মীরা বলছেন, বছর দুয়েক আগে সেই বলয় থেকে বেরিয়ে আসেন তাজ মোহাম্মদ ইয়াছিন। সম্প্রতি হেলাল উদ্দিনকেও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যায়। এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তাই স্থানীয় রাজনীতির অনেক সমীকরণ বিবেচনায় আসবে।

জানতে চাইলে আল মামুন সরকার দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘জেলা থেকে দলীয় প্রার্থীদের তালিকা পাঠানোর কোনো নির্দেশনা কেন্দ্র থেকে আসেনি। তাই এখনো মনোনয়ন ফরমও সংগ্রহ করিনি। দল যেটি ভালো মনে করে, সেটাই হবে। মনোনয়নের জন্য আলাদা বোর্ড আছে। তারা সিদ্ধান্ত নেবে। দলীয় সভাপতি আমাকে মনোনয়ন দিলে অবশ্যই নির্বাচন করব।’

জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘দলের কাছে মনোয়ন চেয়েছি। দল মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করব। আর মানুষের মঙ্গল করার জন্যই দল করছি।’

বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক শফিকুল আলম বলেন, ‘আমাকে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী বলা হয়। এটি সঠিক নয়। কারণ আমি তো দলের কমিটির কেউ না। আমাকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। তবে আমি আওয়ামী লীগের লোক। আমি আওয়ামী লীগ করি, করে যাব। আগের নির্বাচনে ভোটে জয়ী হয়েছি। এবারও আশা করি সবার সহযোগিতায় আমি নির্বাচিত হতে পারব।’

এদিকে, জেলা পরিষদ সদস্য প্রার্থীরাও বেশ জোরেশোরে মাঠে নেমেছেন। প্রত্যেক উপজেলা ধরে একটি ওয়ার্ড হওয়ার নতুন নিয়মে সদস্য নির্বাচনের হিসাবও এবার বদলে যাবে। সেই হিসাব মাথায় রেখেই সদস্য নির্বাচনের প্রার্থীরা মাঠপর্যায়ে যোগাযোগ শুরু করেছেন। নিজ দলের বিভিন্ন পর্যায়ে তারা যোগাযোগ করছেন।

নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০০ ইউনিয়নে ১ হাজার ৩০০ ভোটার রয়েছেন। জেলার পাঁচটি পৌরসভায় ভোটার সংখ্যা ৬৯, আর ৯ উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ২৭। তবে দুই ইউপি সদস্য মারা যাওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে সব মিলিয়ে মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৩৯৩।


সাজেদা চৌধুরীর আসনে উপনির্বাচন ৫ নভেম্বর

সাজেদা চৌধুরীর আসনে উপনির্বাচন ৫ নভেম্বর
সোমবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ছবি : সংগৃহীত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর প্রয়াত সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুর-২ শূন্য আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৫ নভেম্বর।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আজ সোমবার এই তফসিল ঘোষণা করেছে।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১০ অক্টোবর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১২ অক্টোবর ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৯ অক্টোবর। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ১৩ থেকে ১৫ অক্টোবর এবং আপিল নিষ্পত্তি ১৬ থেকে ১৮ অক্টোবর।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই আসনে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে।

ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা গেছেন।

 


ট্রেন আসতেই লাইনে শুয়ে পড়েন নারী, অতঃপর…

ট্রেন আসতেই লাইনে শুয়ে পড়েন নারী, অতঃপর…
প্রতীকী ছবি
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে শিরিনা বেগম (৫৩) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার উপজেলার বারইয়ারহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিরিনা বেগম ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার নিজকুঞ্জরা এলাকার নুরুল হুদার স্ত্রী।

সীতাকুণ্ড রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক জহিরুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপপরিদর্শক জহিরুল বলেন, ‘রেলে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থল এসেছি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস যাওয়ার সময় হঠাৎ সামনে শুয়ে পড়েন ওই নারী। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে ওই নারীর পরিবার লাশ নিয়ে যায়।’


রমেক হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা বন্ধের দাবি চিকিৎসকদের

রমেক হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা বন্ধের দাবি চিকিৎসকদের
রমেক হাসপাতালে অনিয়ম বন্ধের দাবিতে মানববন্ধনে চিকিৎসকরা। ছবি: দৈনিক বাংলা
রংপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন খোদ হাসপাতালটির চিকিৎসকরা। চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রাখতে হাসপাতাল থেকে অসাধু চক্রকে বিতাড়িত ও চক্রের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা cbWfv দাবি জানিয়েছেন তারা।

আজ সোমবার দুপুরে হাসপাতাল চত্বরে ‘রংপুরের সম্মিলিত চিকিৎসক সমাজ’ এর ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে তারা এ দাবি জানান।

এর আগে এসব অনিয়মের কথা উল্লেখ করে গত ১৮ সেপ্টেম্বর হাসপাতালের পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন হাসপাতালের অর্থো সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক এবিএম রাশেদুল আমীর।

মানববন্ধনে রমেকের অধ্যক্ষ ডা. বিমল চন্দ্র রায় বলেন, এখানে এতো অনিয়ম হচ্ছে যে, আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এ কারণে রাস্তায় নেমেছি। দ্রুত হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা বন্ধ হোক। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যাব।

এ সময় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়শেনের নেতা ডা. মামুনুর রশীদ বলেন, হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে শুরু করে ওয়ার্ড পর্যন্ত পদে পদে টাকা দিতে হচ্ছে। এখানে রোগী নিয়ে আসলে ভোগান্তির শেষ থাকে না।

মামুনুর রশীদ আরও বলেন, দুর্নীতিবাজদের কোনো দল নেই, সমাজ নেই। রংপুরের সব স্তরের মানুষকে আহ্বান করছি, হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।

রংপুর মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নুরুন্নবী লাইজু বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা একটি অসাধু সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি। এখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এখানে কেউ মারা গেলে ওই চক্রকে টাকা দিতে হয়, তা না হলে হয়রানির শিকার হতে হয়। এই অব্যবস্থাপনা বন্ধ করতে হবে।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন, রংপুর মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মাহফুজার রহমান ও বিএমএ’র সহ-সভাপতি ডা. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।


পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
প্রতীকী ছবি
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশিত

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় পুকুরে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে দীঘিনালার কবাখালী ইউনিয়নের মুসলিম পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, মুসলিমপাড়ার কামাল হোসেনের ছেলে ফারহান হোসেন (২) ও নুর আলমের মেয়ে নুসরাত জাহান (২)। নিহতরা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজি।

কবাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকালে বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে দুই শিশু বসেছিল। কিছুক্ষণ পরে তাদের দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পুকুরে তাদের মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে উদ্ধার করে দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. প্রমেশ চাকমা জানান, হাসপাতালে আনার আগে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।


অনিয়মের অভিযোগ, মেয়রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

অনিয়মের অভিযোগ, মেয়রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি
পৌরসভার মেয়র ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে মানববন্ধন।
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু পৌরসভার মেয়র ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন পৌরসভার কাউন্সিলর ও পৌরবাসীদের অনেকেই। এই অভিযোগের তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। আজ সোমবার সকালে উপজেলা শহরের দোয়েল চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়।

ঘণ্টাব্যাপী চলা এ মানববন্ধনে ব্যানার, লিফলেট, ফেসটুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় পৌরসভার সাবেক মেয়র শাহীনুর রমান রিন্টু, বর্তমান কাউন্সিলর নাসির উদ্দিন ও আবু আহসান রনুসহ অনেকেই বক্তব্য দেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান মেয়র ফারুক হোসেন পৌরসভায় অবৈধভাবে নিয়োগ-বাণিজ্য করছেন। এ ছাড়া পৌরবাসী জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে নির্ধারিত ফি থেকে কয়েকগুণ বেশি টাকা আদায় করা হচ্ছে। যার রশিদও আছে। পৌরবাসী নাগরিক সেবা নিতে গেলে বিভিন্ন অনিয়ম করছে মেয়র। এ সময় মেয়রের এমন কর্মকাণ্ডের তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।