শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২

অপরাধ শনাক্তে মাথায় বসবে বিশেষ যন্ত্র

অপরাধ শনাক্তে মাথায় বসবে বিশেষ যন্ত্র
অপরাধ শনাক্ত করতে মাথায় বিশেষ যন্ত্র বসানো হবে।
শাহরিয়ার হাসান
প্রকাশিত
  • র‌্যাবের তদন্তে যুক্ত হয়েছে আড়াই কোটি টাকা মূল্যের ব্রেইন ফিঙ্গারপ্রিন্ট

  • পুলিশের চাহিদাপত্রে আছে পাঁচটি ইউনিট

শাহরিয়ার হাসান

অপরাধী শনাক্তে সন্দেহভাজন ব্যক্তির মাথায় বসানো হবে একটি বিশেষ যন্ত্র। এরপর সেই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, চাওয়া হবে তথ্য। ব্যক্তি তথ্য দিতে শুরু করলে তার মস্তিষ্কের কোষগুলোতে একধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে। যন্ত্রের সেই প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করে জানাবে ফল। আর এর মাধ্যমেই ধারণা করা যাবে, ব্যক্তির দেয়া তথ্য সত্য কী মিথ্যা।

মানুষের মস্তিষ্ককে পড়তে জানা এই যন্ত্রটির নাম ‘ব্রেইন ফিঙ্গারপ্রিন্ট’। এমন একটি যন্ত্র নিজেদের বহরে যোগ করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। র‌্যাবের পাশাপাশি পুলিশ সদর দপ্তরও তাদের পাঁচটি ইউনিটের জন্য ব্রেইন ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি কেনা নিয়ে আলোচনা করছে। 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, যেকোনো অপরাধের পেছনে দোষী কে, তা খুঁজে বের করতে যে সূত্রগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়, তার মধ্যে আঙুলের ছাপ অন্যতম। ঘটনাস্থলে গিয়ে গোয়েন্দারা প্রথম অনুসন্ধান করেন আঙুলের ছাপ। যদি আঙুলের ছাপ পাওয়া যায়, সেই ছাপের সঙ্গে সন্দেহভাজনদের ছাপ মিলিয়ে সহজেই প্রকৃত অপরাধীকে শনাক্ত করা যায়। তবে বিপত্তি বাধে তখন, যখন অভিযুক্ত ব্যক্তি জবানবন্দিতে তার সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেন। এ ক্ষেত্রে ‘ব্রেইন ফিঙ্গারপ্রিন্ট’ কাজে লাগবে।

তবে শুধু যন্ত্রের তথ্য শতভাগ সত্য ধরলে ন্যায়বিচার ব্যাহত হতে পারে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। তবে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, এই যন্ত্রের পাশাপাশি তদন্তকাজে ব্যবহৃত অন্যান্য সরঞ্জামও ব্যবহার করা হবে। সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তাও তার প্রচলিত তদন্তের প্রক্রিয়া অনুসরণ করবেন।

যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের আরও অনেক দেশে অপরাধী শনাক্তে পুলিশের কাজে ব্যবহার করা হয় এই যন্ত্র। যন্ত্রটি দেরিতে হলেও বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে এসেছে। যার মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তি সত্য বলছেন না মিথ্যা বলছেন, তা সহজেই ধরা পড়বে। সবুজ-লাল সংকেত দিয়ে জানাবে মিথ্যা বা সত্য বলার আনুপাতিক হার।

র‌্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন দৈনিক বাংলাকে বলেন, র‌্যাব শুরু থেকেই তদন্তে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে আসছে। তবে ব্রেইন ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তদন্তে নতুন মাত্র যোগ হবে। 

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, যুক্তরাজ্য থেকে ব্রেইন ফিঙ্গারপ্রিন্ট আমদানির দরপত্র আহ্বান করা হয় গত বছরের মার্চে। ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকার এই যন্ত্রটি র‌্যাব বুঝে পেয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু ব্যবহারের।

পুলিশ সদর দপ্তরে লজিস্টিক শাখায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ‘ব্রেইন ফিঙ্গারপ্রিন্ট’ যন্ত্রটি পেতে পুলিশের একাধিক ইউনিট চাহিদাপত্র জমা দিয়েছে। চাহিদাপত্রে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিট (এটিইউ), কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের এলআইসি শাখা তদন্তের জন্য এই প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ্য করেছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (লজিস্টিকস) মো. তওফিক মাহবুব চৌধুরী দৈনিক বাংলাকে বলেন, পুলিশের তদন্তের কাজে ব্যবহারের জন্য বেশ কিছু উচ্চ ক্ষমতাসম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্র কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেগুলোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

তবে ব্রেইন ফিঙ্গারপ্রিন্টের বেশ কিছু সুবিধার থাকার পরও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা অবশ্য কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি দৈনিক বাংলাকে বলেছেন, এ ধরনের প্রযুক্তি সব সময়ই যে সঠিক তথ্য দেয় তা কিন্তু না। যন্ত্র থেকে পাওয়া সব তথ্য শতভাগ সত্য ধরলে ন্যায়বিচার ব্যাহত হতে পারে। কারণ কোনো ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের আগে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হলে সেটা মস্তিষ্কের ওপর প্রভাব ফেলবে। এ অবস্থায় যন্ত্র বসানো হলে যন্ত্র ভুল তথ্য দেবে। এ ধরনের পরিস্থিতি ১৬৪ ধারায় কারও জবানবন্দি নেয়া হলে সেটা সঠিক না-ও হতে পারে। 

ব্রেইন ফিঙ্গারপ্রিন্ট কী

মাঝেমধ্যেই হলিউডের বিভিন্ন সিনেমায় দেখা যায়, ব্রেইন ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে ব্যক্তির মস্তিষ্কের বায়োম্যাট্রিক স্ক্যানিং করা হচ্ছে। দেখা যায়, কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তির মাথার যন্ত্র লাগিয়ে ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাম (ইইজি) পরীক্ষা করা হচ্ছে। যেটি মস্তিষ্ক থেকে আসা ব্রেইনওয়েভ ক্যাপচার করছে, যা সামনে থাকা মনিটরে দেখা যাচ্ছে।

র‌্যাব ও পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, যন্ত্র বসিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কিছু বিশেষ শব্দ বা কথাবার্তা শোনানো হবে বা ছবি দেখানো হবে। এতে তার মস্তিষ্ক সাড়া দেবে। কোনো ঘটনা, ছবি বা কথাবার্তা ব্যক্তির কাছে পরিচিত মনে হলে সেটি তার মস্তিষ্কে একধরনের প্রভাব ফেলবে। আর যদি পুরো বিষয়টি তার কাছে অপরিচিত মনে হয়, তখন তার মস্তিষ্কে অন্য ধরনের প্রতিক্রিয়া দেবে। এর মাধ্যমে তদন্ত কর্মকর্তারা অভিযুক্ত ব্যক্তির বিষয়ে একধরনের সিদ্ধান্তে আসতে পারবেন।


বাথরুমে স্বামীর, ঘরের মেঝেতে পড়েছিল স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ

বাথরুমে স্বামীর, ঘরের মেঝেতে পড়েছিল স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ
বৃদ্ধ দম্পতির মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয়রা ভিড় জমায়। ছবি: দৈনিক বাংলা
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় হাত ও মুখ বাঁধা অবস্থায় বৃদ্ধ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার পুরাতন বাজার পাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন, আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার পুরাতন বাজার পাড়ার বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী নজির উদ্দিন ও তার স্ত্রী ৬০ বছর বয়সী ফরিদা খাতুন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনও জানা যায়নি। নজির উদ্দিনের লাশ পড়েছিল বাথরুমে আর তার স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ ছিল ঘরের মেঝেতে। তাদের দুজনের হাত ও মুখ বাঁধা ছিল। মরদেহ দুটির সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে। ঝিনাইদহ পিবিআই’র একটি টিম ও চুয়াডাঙ্গা সিআইডি’র একটি টিম ঘটনাস্থলে কাজ করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, নজির উদ্দিন জমি জালিয়াতি চক্রের হোতা ছিলেন। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।


বাবার সামনে পা পিছলে ট্রেনের নিচে ছেলে

বাবার সামনে পা পিছলে ট্রেনের নিচে ছেলে
নিহত হাসানুজ্জামান ইমতিয়াজ। ছবি: সংগৃহীত
নাটোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

নাটোরের আব্দুলপুর রেলওয়ে জংশনে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে হাসানুজ্জামান ইমতিয়াজ নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

২১ বছর বয়সী ইমতিয়াজ পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর এলাকার অ্যাডভোকেট ইসাহাক আলীর ছেলে। তিনি রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৬ষ্ঠ সেমিষ্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার শেখ জিয়াউদ্দিন বাবলু জানান, শনিবার সকালে ঈশ্বরদী থেকে ছেলেকে নিয়ে কমিউটার ট্রেনে চড়ে রাজশাহী যাচ্ছিলেন অ্যাডভোকেট ইসাহাক আলী। ট্রেনটি আব্দুলপুর জংশনে দাঁড়ালে ইমতিয়াজ নাশতা করতে ট্রেন থেকে নামেন। পরে ট্রেনটি ছেড়ে দিলে ইমতিয়াজ দৌড়ে ট্রেনের হাতল ধরে উঠতে গিয়ে পা পিছলে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যান। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী রেলওয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


নানা হত্যার অভিযোগে নাতি আটক

নানা হত্যার অভিযোগে নাতি আটক
প্রতীকী ছবি
গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

গাজীপুরের শ্রীপুরে এক নাতি তার নানাকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নাতি আব্দুল খালেককে (২৫) আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের মশাখালী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে গতকাল শুক্রবার ভোরে শ্রীপুর উপজেলার বড়চালা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্বজনদের বরাত দিয়ে রাজাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য গিয়াস উদ্দিন জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহত আব্দুল হক মাদবরের ছেলে হারুন মাদবর মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়িতে ঢুকতেই পেছন থেকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যান খালেক। 

পরে পরিবারের লোকজন হারুনকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দিয়ে রাত ৩টায় বাড়িতে নিয়ে আসেন। সকালে আব্দুল হক মাদবরকে ঘরে না পেয়ে সবাই খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পাশের ঘরের মেঝেতে বস্তা দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় আব্দুল হকের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়া হয়। নিহতের মাথা ও নাকে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, আব্দুল খালেক তার নানাকে হত্যা করে মরদেহ বস্তা দিয়ে ঢেকে রেখে পালিয়েছেন।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে নানাকে হত্যা করে পালিয়ে যান আব্দুল খালেক। এ ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।


চট্টগ্রামে যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত

চট্টগ্রামে যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত
ভাটিয়ারীতে ময়মনসিংহগামী একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। ছবি: দৈনিক বাংলা
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে ময়মনসিংহগামী যাত্রীবাহী একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিজয় এক্সপ্রেসের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ের অতিরিক্ত বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান।

মনিরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধারে কাজ চলছে। অন্য লাইন সচল আছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

লাইন পরিবর্তনের সময় এ ঘটনা ঘটে বলে পরিবহন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।


ভগ্নিপতিকে ‘গলা কেটে’ হত্যার অভিযোগে শ্যালক আটক

ভগ্নিপতিকে ‘গলা কেটে’ হত্যার অভিযোগে শ্যালক আটক
ছবি: সংগৃহীত
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

মানিকগঞ্জের সদরে ভগ্নিপতিকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগে শ্যালক সোহেল নুরুন নবীকে (২৬) আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে উপজেলার পুটাইল ইউনিয়েনর কৈতরা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

আটক সোহেল নুরুন নবী নেত্রকোনার কেন্দুয়ার রাজনগর এলাকার মৃত আলতু মিয়ার ছেলে। নিহত রুবেল মিয়া কিশোরগঞ্জের ইটনার তারাশ্বর এলাকার রেনু মিয়ার ছেলে।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ সরকার জানান, রুবেল মিয়া কৈতরার মামুন হ্যাচারিতে কাজ করতেন। ১৬ সেপ্টেম্বর সেখানে বেড়াতে আসেন শ্যালক সোহেল। আসার পর থেকে দেখেন হ্যাচারিতে রাখা ইট প্রতিদিন রাতে ভগ্নিপতি রুবেল চুরি করে বিক্রি করেন। এতে বাধা দেন সোহেল এবং ইট বিক্রির টাকা মালিককে ফেরত দিতে বলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ধারালো দা দিয়ে প্রথমে কুপিয়ে ও পরে গলা কেটে রুবেলকে হত্যা করেন সোহেল।  

পরে পুলিশ রাতেই সোহেলকে আটক করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সদর থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলেও ওসি জানিয়েছেন।