বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২

পতিত জমির কলায় লাখ টাকা আয়

পতিত জমির কলায় লাখ টাকা আয়
নাটোরে উৎপাদিত কলা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যায়। ছবি: দৈনিক বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
  • নাজমুল হাসান, নাটোর

লাভজনক হওয়ায় নাটোরে দিন দিন কলার চাষ বাড়ছে। বাড়ির আঙিনা, পুকুরপাড় ও পতিত জমিতে গড়ে উঠেছে কলার বাগান। ফলে এই অঞ্চলে কলা চাষে অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। বারোমাসি এ ফলটির উৎপাদন খরচ নেই বললেই চলে। এ ফলকে ঘিরে নাটোরের বনপাড়া ও নাজিরপুরে গড়ে উঠেছে উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বড় দুটি হাট। এসব হাটে প্রতিদিন কোটি টাকারও বেশি কলা বেচাকেনা হয়। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এ অঞ্চলের কলা চলে যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, নাটোরের বড়াইগ্রাম, গুরুদাসপুর ও সিংড়াসহ সাতটি উপজেলায় পুকুরপাড় এবং বাড়ির আঙিনাসহ ছোট-বড় পতিত জমিতে কলা চাষ করছেন প্রান্তিক চাষিরা। অল্প সময়ে প্রতি বিঘা জমিতে এক থেকে দেড় লাখ টাকা আয়ও হচ্ছে তাদের। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে এবং কম খরচে চাষাবাদ হয় কলার। ফলে নিরাপদ খাদ্য জোগানের পাশাপাশি কৃষক ও ব্যবসায়ীদের অন্যতম অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে ফলটি। পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ ফল হিসেবে কলার চাহিদা থাকে বছরজুড়েই। পাশাপাশি তরকারির চাহিদা পূরণেও অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে ফলটি।

বড়াইগ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম মাস্টার জানান, জৈবসার ব্যবহার করে এই অঞ্চলে কলার ফলন ভালো হচ্ছে। এ ছাড়া অন্যান্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি এবং উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় এখানকার কৃষকরা বর্তমানে কলা চাষের দিকে ঝুঁকছেন। একজনের সফলতা দেখে আশপাশের অন্য চাষিরাও কলা চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।

গুরুদাসপুর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের আমিনুল ইসলাম লিটন জানান, মাছের পাশাপাশি পুকুরপাড়ে কলা চাষ করেছি। মাছে লাভ কম হলেও কলায় প্রচুর লাভ হয়েছে। একবার কলার গাছ লাগালে তিন থেকে চার মৌসুম বিক্রি করা যায়। এ বছর কলার চাষ করে খরচ বাদে চার লাখ টাকা লাভ হয়েছে।

বিলচলন শহীদ সামসুজ্জোহা সরকারি কলেজের প্রভাষক কৃষিবিদ জহুরুল হক সরকার বলেন, ‘আমি এক একর জমিতে কলা চাষ করেছি। বিঘাপ্রতি ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকার মতো খরচ করে প্রায় দেড় লাখ টাকার কলা বিক্রি করেছি। এই এলাকার মাটি অত্যন্ত উর্বর। তাই ফসলের পাশাপাশি সব ধরনের ফল, যেমন- বাঙ্গি, তরমুজ, লিচু, আম ও কলা ভালো হয়। ফলে এই এলাকার কৃষকরা ফসলের সঙ্গে ফল চাষেও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। যেহেতু সারা বছরই কলার চাহিদা থাকে, তাই সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এ ফলের চাষ বাড়ানো গেলে দেশের অর্থনীতিতে এটিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

কলার উৎপাদনকে কেন্দ্র করে বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় মহাসড়কের পাশেই গড়ে উঠেছে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় হাট। প্রতি শনি ও মঙ্গলবার সকাল থেকেই ক্রেতা-বিক্রেতার আনাগোনায় মুখরিত হয় হাটটি। এ ছাড়া গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুরে শুক্র ও শনিবার বাদে সপ্তাহের পাঁচ দিনই কলা বেচাকেনা হয়। হাট দুটিতে অনুপম, সাগর, আনাজি, চাপা ও জিন এই পাঁচ ধরনের কলা পাওয়া যায়। আশপাশের জেলা থেকেও এসব হাটে কলা নিয়ে আসেন ব্যবসায়ীরা। এখানের হাটগুলো থেকে প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ ট্রাক কলা চলে যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

নাজিরপুর হাটের ইজারাদার নজরুল ইসলাম জানান, গুরুদাসপুর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ছাড়াও নাটোরের সিংড়া ও বড়াইগ্রাম থেকেও প্রচুর কলা আসে এ হাটে। প্রতি কাঁদি কলা আকারভেদে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়।

টাঙ্গাইল থেকে কলা কিনতে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী মামুন মিয়া জানান, কলার চাহিদা প্রচুর। সম্প্রতি এ ফলের দামও বেড়েছে। আগে প্রতি কাঁদি কলা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ছিল, এখন ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। নাটোরের যোগাযোগব্যবস্থা ভালো থাকায় হাটের দিনে এক ট্রাক কলা কিনে নিয়ে যাই।

স্থানীয় শ্রমিক নেতা মো. মোস্তফা জানান, এই কলা হাটকে কেন্দ্র করে শ্রমিক, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও মুদি দোকানিসহ অনেকেরই কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। যোগাযোগব্যবস্থা ভালো হওয়ায় দূর-দূরান্তের পাইকারি ব্যবসায়ীরাও এখান থেকে কলা নিতে আসেন।

 বড়াইগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা জানান, নাটোরে ১ হাজার ৮৯ হেক্টর জমিতে প্রাকৃতিক উপায়ে কলার চাষ হয়। এর মধ্যে চলতি বছর বড়াইগ্রামে ৩০৯ হেক্টর জমিতে কলা উৎপাদন হয়েছে। নিরাপদে কলা চাষে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ দেয়া হয়।

একই কথা জানিয়ে গুরুদাসপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মতিউর রহমান জানান, গত বছর ২৫০ হেক্টর জমিতে কলার চাষ করা হয়েছিল। আর এ বছর ৩০০ হেক্টর জমিতে ফলটি চাষ করা হয়েছে।


‘বাংলাদেশে অভিবাসন ব্যয় সবচেয়ে বেশি’

‘বাংলাদেশে অভিবাসন ব্যয় সবচেয়ে বেশি’
রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে কর্মশালার আয়োজন করে ব্রাক। ছবি: দৈনিক বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

প্রতিবছর লাখ লাখ বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যান। কিন্তু বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে তথ্য সহজে না পাওয়ার কারণেই তারা দালালনির্ভর হয়ে পড়েন। আর এ কারণেই পৃথিবীর যেকোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশেই অভিবাসন ব্যয় সবচেয়ে বেশি। বিপরীতে আয় সবচেয়ে কম।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক আয়োজিত ‘নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশফেরতদের পুনঃকেন্দ্রীকরণ’বিষয়ক জেলা কর্মশালায় এসব কথা বলেন বক্তারা। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইলিয়াস মেহেদী ও বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন এফ এম সাহাবুদ্দিন খান। আরও উপস্থিত ছিলেন অভিবাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিসহ বিদেশফেরত অভিবাসী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।

ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এ সময় তিনি বলেন, বিশ্বমন্দার বাজারেও অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকার অন্যতম কারণ প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। প্রতিবছর ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে যুক্ত হন। যাদের বড় অংশ বিদেশে যান। কর্মী প্রেরণকারী ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বর্তমানে সারা পৃথিবীতে প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশি কাজ করছেন।

শরিফুল হাসান বলেন, ‘কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে আমাদের প্রথম চ্যালেঞ্জ উচ্চ অভিবাসন ব্যয়। বাংলাদেশ থেকে বিদেশ যাওয়ার খরচ সবচেয়ে বেশি। অথচ সেসব কর্মী আয় করেন সবচেয়ে কম। এর কারণ আমাদের মানুষ খুব বেশি সচেতন না। তারা মনে করেন বিদেশে গেলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু দক্ষ হয়ে যাওয়া, বৈধভাবে যাওয়ার বিষয়ে তারা জানেন না।’

শরিফুল হাসান বলেন, ‘দেশের বেশির ভাগ রিক্রুটিং এজেন্সির অফিস রাজধানীতে হওয়ায় প্রান্তিক মানুষ সেখানে পৌঁছাতে পারেন না। তারা প্রতি পদে পদে দালালের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। বলা যায়, অভিবাসনের পুরো রিক্রুটটা দালালের ওপর নির্ভরশীল।’

ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইলিয়াস মেহেদী বলেন, সরকারি প্রতিটি সেক্টরে জনবল বেশি, কিন্তু সে তুলনায় নিয়ন্ত্রণ কম। বিদেশে যাওয়ার ব্যাপারে সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো এত প্রচ্ছন্ন থাকে যে সেবাগ্রহীতারা কোথায় গিয়ে চাহিদা অনুযায়ী সেবা পাবেন, তা জানেন না আর জানারও চেষ্টা করেন না। তারা চান কীভাবে স্বল্প সময়ে, স্বল্প পরিশ্রমে বেশি টাকা উপার্জন করা যায়। তাই তারা উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নেয়ার ব্যাপারেও উদাসীন।

কর্মশালায় দুজন বিদেশফেরত ব্যক্তি তাদের প্রবাসজীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেন।


১০ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো ট্রেন চলাচল

১০ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো ট্রেন চলাচল
ট্রেনের লাইনচ্যুত এই বগি সরানো হয়েছে। ছবি : দৈনিক বাংলা
গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

গাজীপুরের টঙ্গীতে মালবাহী কন্টেইনারের বগি লাইনচ্যুতের ঘটনার ১০ ঘন্টা পর স্বাভাবিক হয়েছে ট্রেন চলাচল। দুপুর সোয়া দুইটার দিকে লাইনচ্যুত বগি রেললাইন থেকে সরালে শুরু হয় ট্রেন চলাচল।

টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (উপ-পরিদর্শক) নুর মোহাম্মদ খান ট্রেন চলাচল স্বাভাবিকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে দুর্ঘটনার প্রায় ৮ ঘন্টা পর বেলা ১২টার দিকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে ঢাকা থেকে আসা রিলিফ ট্রেন। এ সময় আপ লাইন বন্ধ থাকায় এক লাইনেই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখে রেল কর্তৃপক্ষ। তবুও ভোগান্তিতে পড়েন বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষমান হাজার হাজার যাত্রী। দেখা দেয় শিডিউল বিপর্যয়।

নুর মোহাম্মদ খান বলেন, ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন এসে লাইনচ্যুত বগিটি সরিয়ে নিলে দুপুর সোয়া দুইটার দিকে দুই লাইনেই ট্রেন চলাচল সচল হয়। ভোর সাড়ে ৪টায় মধুমিতা রেলগেইট এলাকায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী মালবাহী ট্রেনের একটি কন্টেইনার বগি লাইনচ্যুত হয়।

রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী ফেরদৌস আলম জানান, কন্টেইনার বগি লাইনচ্যুতের ঘটনায় বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা খায়রুল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে।


র‌্যাব আইনের লিমিট ক্রস করে না: বিদায়ী ডিজি

র‌্যাব আইনের লিমিট ক্রস করে না: বিদায়ী ডিজি
বিদায়ী মতবিনিময় সভায় চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। ছবি : দৈনিক বাংলা
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত

নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) বিদায়ী মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, র‌্যাব প্রয়োজন হলেই কেবল শক্তি প্রয়োগ করে। না হলে করে না। যখন আক্রান্ত হয়, পাল্টা আঘাত তখনই করে। র‌্যাব আইনের লিমিট ক্রস করে না।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আগামী নির্বাচনে পুলিশকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের বিষয়ে আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, নির্বাচনকালীন নির্বাচন কমিশনের যে কাঠামো রয়েছে, সেই কাঠামোর ভেতর থেকেই পুলিশ তার যথাযথ দায়িত্বপালন করবে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা এবং ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে কাজ করার যে অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পুলিশ নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকে। তাদের নির্দেশনা মেনে পুলিশ চলবে। এ বিষয়ে বাহিনীর দীর্ঘ দিনের যে অনুশীলন তা মেনে চলব এবং সামনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করব।’

আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জঙ্গি বিস্তার রোধে আমাদের জোরালো অভিযানের কারণে উল্লেখযোগ্য জঙ্গি সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছে। আমার সময়ে কোন ধরনের জঙ্গি হামলা হয়নি।

র্যাবের মহাপরিচালক পদে থাকার সময় পাওয়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পুলিশ প্রধান হিসেবে কাজ করার সময় কোনো চাপ থাকবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে কাজ চলছে। স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’

নিষেধাজ্ঞার পরে বন্দুকযুদ্ধ কমেছে—এমন প্রশ্নে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় র্যাব কখনও আইনের সীমা লঙ্ঘন করেনি।


শিশু ধর্ষণের মামলায় দুই যুবক গ্রেপ্তার

শিশু ধর্ষণের মামলায় দুই যুবক গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার দুই আসামি। ছবি : দৈনিক বাংলা
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশিত

খাগড়াছড়িতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে খাগড়াছড়ি সদর থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেফতাররা হলো খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার আলুটিলা এলাকার  ধনিময় ত্রিপুরা ও একই উপজেলার তাইন্দং হেডম্যান পাড়ার সমুয়েল ত্রিপুরা। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা  হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় মেয়েটিকে একা পেয়ে নিজেদের বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে ধনিময় ত্রিপুরা ও সমুয়েল ত্রিপুরা।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার দুইজনকে আদালতে পাঠানো হবে।


পায়ুপথে স্বর্ণের বার

পায়ুপথে স্বর্ণের বার
জব্দকৃত স্বর্ণের বার। ছবি: সংগৃহীত
মেহেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

মেহেরপুরে ৬টি স্বর্ণের বারসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। পাচারের উদ্দেশ্যে এক নারী পায়ুপথে স্বর্ণের বারগুলো নিয়ে যাওয়ার সময় আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে মেহেরপুর-কাথুলী সড়কের জোছনা বেকারির সামনে থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটকরা হলেন, ঢাকার মগবাজারের কানিজ ফাতিমা লিপি (৩৫) ও নারায়নগঞ্জের মাসুদ (৩৮)।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে বাসযোগে কানিজ ফাতিমা লিপি ও মাসুদ রানা মেহেরপুরে উদ্দেশে রওনা দেয়। ভোরে তারা মেহেরপুর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছায়। সেখান থেকে একটি রিকশাযোগে কাথুলী বাসস্ট্যান্ডের উদ্দেশে রওনা দেয়। রিকশাটি বড় বাজারের জোসনা বেকারির সামনে আসলে পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে নারী পুলিশ সদস্য তল্লাশি করে লিপির পায়ুপথ থেকে কালো টেপে মোড়ানো ৩টি বস্তু পায়। সেগুলো খোলার পর ৬টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। জব্দ হওয়া স্বর্ণের বতর্মান বাজার মূল্য ৬০ লাখ টাকা বলে জানান এই কর্মকর্তা।

ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, বারগুলো ভারতে পাচারের উদ্দেশে মেহেরপুরে নেওয়া হয়।