সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২

শীতকালীন সবজি চাষ: নার্সারিতেই আটকা ৪ কোটি চারা

শীতকালীন সবজি চাষ: নার্সারিতেই আটকা ৪ কোটি চারা
বন্যার শঙ্কায় মাঠে আটকা ৪ কোটি চারা
বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত
  • বর্তমানে ১ হাজার মরিচের চারা বিক্রয় হচ্ছে ৩০০ টাকায়। ফুলকপির চারা ৮০০ থেকে ১ হাজার, পাতাকপি ৭০০ এবং বেগুন ও টমেটোর চারার দাম ৫০০ টাকা।

সবজির চারা উৎপাদনের ক্ষেত্রে বগুড়ায় স্থানীয়ভাবে পরিচিতি পেয়েছে শাজাহানপুর উপজেলার শাহনগর গ্রাম। এ গ্রামের নার্সারিমালিকরা আগাম সবজির চারা উৎপাদন করে ভালো আয় করলেও মূল মৌসুমে এসে বিপাকে পড়েছেন।

স্থানীয় নার্সারিমালিক সংগঠনের সদস্যদের ভাষ্য, বন্যার শঙ্কায় অনেক কৃষক চারা কিনছেন না। এ কারণে মাঠে অন্তত ৪ কোটি সবজির চারা অবিক্রীত আছে। এটি সময়মতো বিক্রি করতে না পারলে তাদের লোকসানের মুখে পড়তে হবে।

শাহনগর ছাড়াও এর আশপাশের খলিশাকান্দি, চোপিনগর, বৃ-কুষ্টিয়া ও খোট্টপাড়া গ্রামে অন্তত ২৫০টি নার্সারি গড়ে উঠেছে। এসব নার্সারিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, বেগুন, পেঁপেসহ মরিচের চারা পাওয়া যায়। তবে শাহনগর গ্রামে বেশি উৎপাদন হয় মরিচের চারা। জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত শীতকালীন সবজির চারা নিতে দেশের বিভিন্ন জেলার ক্রেতার সমাগম হয় এ গ্রামে।

খলিশাকান্দি গ্রামে সাড়ে চার বিঘার জমিতে নার্সারি করেছেন জালাল উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘এবার তাদের ব্যবসায় প্রথম আঘাত হানে খরা। বর্ষার মৌসুমে কোনো বৃষ্টি না হওয়ায় অনেকের সবজির চারা নষ্ট হয়ে গেছে।’

জালালের ভাষ্য, তার নার্সারির প্রায় ৩ লাখ সবজির চারা নষ্ট হয়েছে। এতে ক্ষতির পরিমাণও অন্তত ৩ লাখ টাকা। পাশাপাশি বাজারে বীজসহ সারের দামও বেড়েছে। গত বছরের চেয়ে এবার শ্রমিকদের পেছনে বাড়তি ৩ হাজার করে টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। ফলে উৎপাদন খরচও বেড়েছে।

জালাল উদ্দিন বলেন, এখনো ক্রেতা আসা শুরু হলে তার নার্সারি থেকে অন্তত ১০ লাখ টাকার চারা বিক্রি সম্ভব।

নার্সারিমালিকরা জানান, বর্তমানে ১ হাজার মরিচের চারা বিক্রয় হচ্ছে ৩০০ টাকায়। ফুলকপির চারা ৮০০ থেকে ১ হাজার, পাতাকপি ৭০০ এবং বেগুন ও টমেটোর চারার দাম ৫০০ টাকা। মৌসুমের শুরুতে আগাম সবজি হিসেবে মরিচের চারার দাম আরও বেশি ছিল। প্রতি হাজার চারা বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৪০০ টাকায়।

নার্সারিমালিকদের সঙ্গে কথা বলে আরও জানা যায়, বগুড়ার পশ্চিমাঞ্চল নন্দীগ্রাম, কাহালু, দুপচাঁচিয়া ও আদমদীঘি উপজেলার ক্রেতারা সবচেয়ে বেশি আগাম জাতের সবজির চারা কেনেন। এ ছাড়া যমুনা নদীর চরে যেসব কৃষকরা চাষাবাদ করেন তারাও সবজির চারার অন্যতম ক্রেতা।

শাহনগর এলাকায় সবজির চারা-বিক্রেতা মাসুদ রানা বলেন, তিনি চলতি মৌসুমে প্রায় ৪০ লাখ চারা বিক্রি করেছেন। এতে তার আয় হয়েছে অন্তত ২৫ লাখ টাকা।

মাসুদ বলেন, নদনদীতে পানি বাড়ছে। এ সময় কৃষকরা ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। বগুড়ার অল্প কিছু কৃষকরা আসছেন। কিন্তু বাইরের জেলার ক্রেতাদের আনাগোনা নেই।

সবজির চারা ক্রেতাদের একজন সারিয়াকান্দি উপজেলার এজাজুল ইসলাম। মরিচের চারা কেনার পর শাহনগর গ্রামে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি। জানান, তিনজন মিলে দুই জাতের ৬০ হাজার মরিচের চারা কিনেছেন। প্রতি হাজার চারার দাম দিতে হয়েছে ৩০০ টাকা।

জামালপুরের মাদারগঞ্জের কৃষক আবু বক্কর বলেন, প্রতিবছর এখান থেকে মরিচের চারা কেনেন। কিন্তু এখন যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। এ জন্য এখন চারা কেনার ঝুঁকি নিচ্ছেন না অনেক কৃষক। পানি না কমলে তার জেলার অন্য কৃষকরা আসবেন না। এটাই স্বাভাবিক।

শাহনগর সবজির চারা নার্সারিমালিক সংগঠনের সভাপতি আমজাদ হোসেন বলেন, এবার নার্সারিমালিকরা সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছেন বীজ সংগ্রহে। ভারতে আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় মরিচের বীজের উৎপাদন ভালো হয়নি। এ জন্য দাম বেড়ে গেছে। বিজলী জাতের মরিচের বীজের দাম ছিল প্রতি কেজি ৪৮ হাজার টাকা। এবার তা ৭২ হাজার টাকায় কিনতে হয়েছে। সতেরশ জাতের দাম ছিল প্রতি কেজি ২৮ হাজার টাকা। সেটি কিনতে হয়েছে ৩১ হাজার টাকায়। এভাবে সব জাতের বীজের দাম গড়ে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা বেড়েছে।

আমজাদ হোসেন বলেন, এখন বন্যার শঙ্কা থেকে কৃষকরা সবজির চারা কেনার সাহস পাচ্ছেন না। এতে প্রায় ২৫০ নার্সারির অন্তত ৪ কোটি সবজির চারা পড়ে আছে।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কর্মকর্তা ফরিদুর রহমান বলেন, জেলায় এ বছর প্রায় সাড়ে তিন হাজার হেক্টর জমিতে আগাম সবজির চাষ হয়েছে। গত বছর একই পরিমাণ জমিতে প্রায় ৫৪ হাজার টন ফসল উৎপাদন হয়। এ ছাড়া গতবার শীতকালীন সবজি আবাদ হয়েছিল প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর জমিতে। এবার সে অনুযায়ী, লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবে জেলা কৃষি দপ্তর।


একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্র আর নেই

একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্র আর নেই
সাংবাদিক রণেশ মৈত্র । ছবি : সংগৃহীত
পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত

ভাষা সৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্র মারা গেছেন। আজ সোমবার ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আফরোজ আসাদ বলেন, তার সন্তান অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসছেন। তিনি এলেই পারিবারিক সিদ্ধান্তে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।

১৯৩৩ সালে রাজশাহী জেলার ন’হাটা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন রণেশ মৈত্র। পৈত্রিক বাসস্থান পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ভুলবাড়িয়া গ্রামে। তিনি ১৯৫৫ সালে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে আইএ এবং ১৯৫৯ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৫১ সালে সিলেট থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক নওবেলাল পত্রিকার মাধ্যমে তার সাংবাদিকতার শুরু। এরপর কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সত্যযুগে তিন বছর সাংবাদিকতার পর ১৯৫৫ সালে তিনি যোগ দেন দৈনিক সংবাদে। ১৯৬১ সালে ডেইলি মর্নিং নিউজ এবং ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত দৈনিক অবজারভারে পাবনা প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯২ সালে দি নিউ নেশনের মফস্বল সম্পাদক হিসেবে যোগ দেওয়ার পর ১৯৯৩ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দি ডেইলি স্টারের পাবনা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। পাবনা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।

সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য তিনি ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন।

রণেশ মৈত্রের মৃত্যুতে পাবনার সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিকসহ নানা পেশাজীবি সংগঠন ও শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন।


এখন অপেক্ষা শুধু লাশের

এখন অপেক্ষা শুধু লাশের
নিখোঁজদের লাশের অপেক্ষায় করতোয়ার তীরে স্বজনরা। ছবি: দৈনিক বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত নারী ও শিশুসহ ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৬০ জন। নিখোঁজ ব্যক্তিদের লাশের অপেক্ষায় করতোয়ার পাড়ে অবস্থান করছেন স্বজনেরা।

মরদেহ উদ্ধারের খবর জানতে পারলেই নদীর পাড় থেকে স্বজনরা ছুটে আসছেন ইউনিয়ন পরিষদে। হাজার হাজার মানুষের ঢল নেমেছে মাড়েয়া ইউনিয়নে।

আজ সোমবার সকালে আউলিয়ার ঘাট এলাকায় দেখা যায়, ফায়ার সার্ভিস এবং ডুবুরি দলের তিনটি ইউনিট উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে। সেখানে ভিড় করছে নিখোঁজদের স্বজনেরা।

ষাটোর্ধ্ব কৃষ্ণ চন্দ্র রায় ভাই এবং ভাতিজার খোঁজে এসেছেন আউলিয়া ঘাটে। তিনি জানান, নদীর অপর পাড়ে বদেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া পুজায় যোগ দিতে তার ভাই নরেশ ও ভাতিজা সিন্টু বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরেননি। নৌকাডুবির খবরে কাল থেকেই এখানে লাশের অপেক্ষা করছেন তিনি।

নাতির খোঁজে উপজেলার পাঁচপীর এলাকা থেকে এসেছেন বৃদ্ধ সুমল চন্দ্র। তিনি বলেন, নাতির মরদেহটা পেলে অন্তত নিজেরা সৎকারের কাজটা করতে পারতাম।

মাড়েয়া বটতলি এলাকার ধীরেন বাবুর দুই প্রতিবেশিসহ ৭ জন নিকটাত্মীয় এখনও নিখোঁজ। কাল থেকে তিনি নদীর পাড়ে অপেক্ষা করছেন। তিনি বলেন, বদেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া পুজায় যোগ দিতে ভাতিজা, ভাতিজার বউ, ভাতিজার শ্বশুর, শ্যালিকা এবং আমার ভাতিজি নৌকায় ওঠে দুর্ঘটনায় পড়েন। এখন পর্যন্ত কারও খোঁজ পাইনি। এখন তাদের লাশের জন্য অপেক্ষা করছি।

এর আগে গতকাল রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। রাত ১১টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করে ডুবুরিদল। ভোর থেকে পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। উদ্ধার হওয়া মোট ৩২টি মরদেহের মধ্যে নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু ও নারী।

এদিকে ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাই। গভীর রাত পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলে। ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে। 


নিখোঁজ কৃষকের লাশ মিলল নদীতে

নিখোঁজ কৃষকের লাশ মিলল নদীতে
ছবি: সংগৃহীত
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ছাইদুর রহমান (৪০) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে উপজেলার গুনাইগাঁতী গ্রামের পাশের এক নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যায় নিখোঁজ হন ছাইদুর। উপজেলার লাহিড়ী মোহনপুর ইউনিয়নের বলতৈল গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে তিনি।

উল্লাপাড়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক ছাইদুরের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, শনিবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ি থেকে বের হন ছাইদুর। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। এর মধ্যে গতকাল রোববার ছাইদুরের মোবাইল নম্বর থেকে তার স্ত্রীর ফোনে কল করে এক ব্যক্তি দেড় লাখ টাকা দাবি করেন। পরে এই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায় ছাইদুরের স্ত্রী বুলবুলি খাতুন। এরপর সোমবার সকালে নদীতে ছাইদুরের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা।

উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, মোবাইল নম্বরের সূত্রধরে খুনিদের ধরার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


স্বামীর বটির কোপে প্রাণ গেল স্ত্রীর

স্বামীর বটির কোপে প্রাণ গেল স্ত্রীর
লাশ। প্রতীকী ছবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে স্বামীর বটির কোপে রিনা খাতুন (৩০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান ওই গৃহবধূ।

রিনা উপজেলার ছাত্রাজিতপুর ইউনিয়নের কমলাকান্তপুর গ্রামে মনিরুল ইসলামের স্ত্রী।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবায়ের আহমেদ জানান, রিনা খাতুনের সঙ্গে স্বামী মনিরুল ইসলামের রোববার বিকালে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে মনিরুল রিনার পেটে ও মাথায় বটি দিয়ে কোপায়। স্থানীয়রা রিনাকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী পাঠায়। পরে রাজশাহী নেওয়ার পথে মারা যান রিনা।

জুবায়ের আহমেদ আরও জানান, ঘটনার পর থেকে মনিরুল ইসলাম পলাতক। তাকে ধরতে অভিযান চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।


স্কুলড্রেসে বাইরে ঘোরাফেরা করলে আটক: এসপি

স্কুলড্রেসে বাইরে ঘোরাফেরা করলে আটক: এসপি
নীলফামারীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত
নীলফামারী প্রতিনিধি
প্রকাশিত

স্কুল চলাকালীন কোন শিক্ষার্থী পার্ক বা বিভিন্ন জায়গায় স্কুলড্রেস পরে ঘোরাফেরা করলে তাকে আটক করার নির্দেশ দিয়েছেন নীলফামারীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।

এছাড়া স্কুল-কলেজের সামনে বা পাড়া-মহল্লায় কোন বখাটে ঘোরাফেরা করলে তাদেরও আটক করে গোয়েন্দা কার্যালয়ে (ডিবি) নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

গতকাল রোববার বিকেলে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে অনুষ্ঠিত ‘ওপেন হাউজ ডে’-এর অনুষ্ঠানে এসব ঘোষণা দেন নবাগত পুলিশ সুপার।

সৈয়দপুর থানার আয়োজনে এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম।

অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রাবেয়া আলীম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আমিরুল ইসলাম, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসাইন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হক, সৈয়দপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র শাহিন হোসেন।

মাদকের বিস্তার রোধে আগামী এক মাসের মধ্যে সবাইকে নিয়ে সৈয়দপুরকে মাদক মুক্ত করার ঘোষণাও দেন এসপি।