সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২

আনসার আল ইসলামের হয়ে কাজ করতেন শাকির: সিটিটিসি

আনসার আল ইসলামের হয়ে কাজ করতেন শাকির: সিটিটিসি
গ্রেপ্তার শাকির বিন ওয়ালী। ছবি: সংগৃহীত
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

রাজধানীর রামপুরার পূর্ব হাজীপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া শাকির বিন ওয়ালী নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের রিক্রুটার হিসেবে কাজ করত বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর শাকিরকে বুধবার আদালতে সোপর্দ করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট- সিটিটিসি।

সিটিটিসির কর্মকর্তারা বলছেন, শাকির বিন ওয়ালী আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্য। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় সে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে সে রিক্রুটার হিসেবে কাজ করত।

সিটিটিসির উপ-কমিশনার এস এম নাজমুল হক দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘শাকিরকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। তার কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।’

সিটিটিসির কর্মকর্তারা জানান, গত ২৩ আগস্ট কুমিল্লা থেকে একসঙ্গে যে ৭ জন নিখোঁজ হয়েছে তাদের সঙ্গে শাকিরের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। শাকিরই তাদের মোটিভেশন করেছে বলে তারা ধারণা করছেন। শাকিরের সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া কুমিল্লার আবরারেরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছেন তারা। জঙ্গিবাদে জড়িয়ে কথিত হিজরতের নামে স্বেচ্ছায় ঘরছাড়া ওই সাতজনের সঙ্গে আবরারেরও যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আবরার শেষ সময়ে সিদ্ধান্ত বদল করে।

সিটিটিসির একজন কর্মকর্তা জানান, কুমিল্লা থেকে সাতজন নিখোঁজ হওয়ার পরপরই শাকির বিন ওয়ালী তার মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ করে দেয়। এ সময় সে বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছে। তবে গ্রেপ্তারের আগে সে মোবাইল থেকে সবকিছু ডিলিট করে দিয়েছে। শাকির ও আবরারের মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষা করা হচ্ছে।

সিটিটিসি সূত্র জানায়, শাকির বিন ওয়ালী আনসার আল ইসলামের মধ্যম সারির নেতা। সদস্য সংগ্রহের পাশাপাশি জঙ্গিবাদে অর্থায়নের কাজও করত। তারা জঙ্গি সদস্য রিক্রুট করার জন্য একটি পৃথক প্লাটফর্মও তৈরি করেছে। এসব কৌশল ও অর্থায়ন বিষয়ে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া নিখোঁজ তরুণদের একজন বরিশালে এক মাদ্রাসায় ছিল বলে জানিয়েছে। প্রায় একই সময়ে শাকিরেরও বরিশালে যাতায়াতের তথ্য পাওয়া গেছে। তারা শাকিরের সহযোগীদের শনাক্তের চেষ্টা করছেন।

এদিকে শাকিরের বাবা ডা. এ কে এম ওয়ালী উল্লাহ অভিযোগ করেছেন, গত রোববার বিকেলে সিআইডি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকের লোকজন তার ছেলেকে তুলে নিয়ে যায়। প্রথমে সাদা পোশাকে কয়েকজন লোক নিজেদের সিআইডি পরিচয় দিয়ে তাদের বাসায় যায়। বাসায় গিয়ে তারা প্রথমে শাকিরের খোঁজ করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে সঙ্গে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে রাত ১০টার দিকে তারা আবারও বাসায় গিয়ে শাকিরের রুম তল্লাশি করে একটি মোবাইল নিয়ে যায়।

তবে সিটিটিসির কর্মকর্তারা বলছেন, তারা কুমিল্লা থেকে নিখোঁজ হওয়া তরুণদের সহযোগী আবরারকে প্রথমে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে থেকে আটক করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে হাজীপাড়া এলাকা থেকে শাকির বিন ওয়ালীকে আটক করা হয়।

ছয়জনের খোঁজ পাওয়া যায়নি এখনো

এদিকে কুমিল্লা থেকে একযোগে নিখোঁজ হওয়া সাত তরুণের মধ্যে ছয়জনের এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাদের একজন সারতাজ ইসলাম নিলয় ৩১ আগস্ট সকালে বাসায় ফিরেছিল। এরপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি ইউনিট তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বাসা থেকে বের হওয়ার পরপরই কথিত হিজরতের নামে ঘরছাড়া তরুণদের আলাদা আলাদা স্থানে নেয়া হয়েছে। নিলয় তার পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছে, তাকে বরিশালের এক মাদ্রাসায় রাখা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা ওই মাদ্রাসাটি শনাক্তের চেষ্টা করছে।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। জেলা পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থাও কাজ করছে। আমরা নিখোঁজ তরুণদের অবস্থান জানার চেষ্টা করছি।’

গত ২৩ আগস্ট কুমিল্লা থেকে ইমরান, সামি, হাসিবুল, নেহাল, ইমতিয়াজ, আমিনুল ও নিলয় নামে সাত তরুণ একযোগে নিখোঁজ হন, যারা প্রত্যেকেই একে অপরের সঙ্গে পরিচিত। তাদের বয়স ১৭ থেকে ২৫ বছররে মধ্যে।


একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্র আর নেই

একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্র আর নেই
সাংবাদিক রণেশ মৈত্র । ছবি : সংগৃহীত
পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত

ভাষা সৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্র মারা গেছেন। আজ সোমবার ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আফরোজ আসাদ বলেন, তার সন্তান অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসছেন। তিনি এলেই পারিবারিক সিদ্ধান্তে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।

১৯৩৩ সালে রাজশাহী জেলার ন’হাটা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন রণেশ মৈত্র। পৈত্রিক বাসস্থান পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ভুলবাড়িয়া গ্রামে। তিনি ১৯৫৫ সালে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে আইএ এবং ১৯৫৯ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৫১ সালে সিলেট থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক নওবেলাল পত্রিকার মাধ্যমে তার সাংবাদিকতার শুরু। এরপর কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সত্যযুগে তিন বছর সাংবাদিকতার পর ১৯৫৫ সালে তিনি যোগ দেন দৈনিক সংবাদে। ১৯৬১ সালে ডেইলি মর্নিং নিউজ এবং ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত দৈনিক অবজারভারে পাবনা প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯২ সালে দি নিউ নেশনের মফস্বল সম্পাদক হিসেবে যোগ দেওয়ার পর ১৯৯৩ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দি ডেইলি স্টারের পাবনা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। পাবনা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।

সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য তিনি ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন।

রণেশ মৈত্রের মৃত্যুতে পাবনার সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিকসহ নানা পেশাজীবি সংগঠন ও শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন।


এখন অপেক্ষা শুধু লাশের

এখন অপেক্ষা শুধু লাশের
নিখোঁজদের লাশের অপেক্ষায় করতোয়ার তীরে স্বজনরা। ছবি: দৈনিক বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত নারী ও শিশুসহ ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৬০ জন। নিখোঁজ ব্যক্তিদের লাশের অপেক্ষায় করতোয়ার পাড়ে অবস্থান করছেন স্বজনেরা।

মরদেহ উদ্ধারের খবর জানতে পারলেই নদীর পাড় থেকে স্বজনরা ছুটে আসছেন ইউনিয়ন পরিষদে। হাজার হাজার মানুষের ঢল নেমেছে মাড়েয়া ইউনিয়নে।

আজ সোমবার সকালে আউলিয়ার ঘাট এলাকায় দেখা যায়, ফায়ার সার্ভিস এবং ডুবুরি দলের তিনটি ইউনিট উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে। সেখানে ভিড় করছে নিখোঁজদের স্বজনেরা।

ষাটোর্ধ্ব কৃষ্ণ চন্দ্র রায় ভাই এবং ভাতিজার খোঁজে এসেছেন আউলিয়া ঘাটে। তিনি জানান, নদীর অপর পাড়ে বদেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া পুজায় যোগ দিতে তার ভাই নরেশ ও ভাতিজা সিন্টু বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরেননি। নৌকাডুবির খবরে কাল থেকেই এখানে লাশের অপেক্ষা করছেন তিনি।

নাতির খোঁজে উপজেলার পাঁচপীর এলাকা থেকে এসেছেন বৃদ্ধ সুমল চন্দ্র। তিনি বলেন, নাতির মরদেহটা পেলে অন্তত নিজেরা সৎকারের কাজটা করতে পারতাম।

মাড়েয়া বটতলি এলাকার ধীরেন বাবুর দুই প্রতিবেশিসহ ৭ জন নিকটাত্মীয় এখনও নিখোঁজ। কাল থেকে তিনি নদীর পাড়ে অপেক্ষা করছেন। তিনি বলেন, বদেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া পুজায় যোগ দিতে ভাতিজা, ভাতিজার বউ, ভাতিজার শ্বশুর, শ্যালিকা এবং আমার ভাতিজি নৌকায় ওঠে দুর্ঘটনায় পড়েন। এখন পর্যন্ত কারও খোঁজ পাইনি। এখন তাদের লাশের জন্য অপেক্ষা করছি।

এর আগে গতকাল রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। রাত ১১টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করে ডুবুরিদল। ভোর থেকে পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। উদ্ধার হওয়া মোট ৩২টি মরদেহের মধ্যে নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু ও নারী।

এদিকে ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাই। গভীর রাত পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলে। ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে। 


নিখোঁজ কৃষকের লাশ মিলল নদীতে

নিখোঁজ কৃষকের লাশ মিলল নদীতে
ছবি: সংগৃহীত
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ছাইদুর রহমান (৪০) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে উপজেলার গুনাইগাঁতী গ্রামের পাশের এক নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যায় নিখোঁজ হন ছাইদুর। উপজেলার লাহিড়ী মোহনপুর ইউনিয়নের বলতৈল গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে তিনি।

উল্লাপাড়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক ছাইদুরের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, শনিবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ি থেকে বের হন ছাইদুর। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। এর মধ্যে গতকাল রোববার ছাইদুরের মোবাইল নম্বর থেকে তার স্ত্রীর ফোনে কল করে এক ব্যক্তি দেড় লাখ টাকা দাবি করেন। পরে এই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায় ছাইদুরের স্ত্রী বুলবুলি খাতুন। এরপর সোমবার সকালে নদীতে ছাইদুরের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা।

উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, মোবাইল নম্বরের সূত্রধরে খুনিদের ধরার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


স্বামীর বটির কোপে প্রাণ গেল স্ত্রীর

স্বামীর বটির কোপে প্রাণ গেল স্ত্রীর
লাশ। প্রতীকী ছবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে স্বামীর বটির কোপে রিনা খাতুন (৩০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান ওই গৃহবধূ।

রিনা উপজেলার ছাত্রাজিতপুর ইউনিয়নের কমলাকান্তপুর গ্রামে মনিরুল ইসলামের স্ত্রী।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবায়ের আহমেদ জানান, রিনা খাতুনের সঙ্গে স্বামী মনিরুল ইসলামের রোববার বিকালে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে মনিরুল রিনার পেটে ও মাথায় বটি দিয়ে কোপায়। স্থানীয়রা রিনাকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী পাঠায়। পরে রাজশাহী নেওয়ার পথে মারা যান রিনা।

জুবায়ের আহমেদ আরও জানান, ঘটনার পর থেকে মনিরুল ইসলাম পলাতক। তাকে ধরতে অভিযান চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।


স্কুলড্রেসে বাইরে ঘোরাফেরা করলে আটক: এসপি

স্কুলড্রেসে বাইরে ঘোরাফেরা করলে আটক: এসপি
নীলফামারীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত
নীলফামারী প্রতিনিধি
প্রকাশিত

স্কুল চলাকালীন কোন শিক্ষার্থী পার্ক বা বিভিন্ন জায়গায় স্কুলড্রেস পরে ঘোরাফেরা করলে তাকে আটক করার নির্দেশ দিয়েছেন নীলফামারীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।

এছাড়া স্কুল-কলেজের সামনে বা পাড়া-মহল্লায় কোন বখাটে ঘোরাফেরা করলে তাদেরও আটক করে গোয়েন্দা কার্যালয়ে (ডিবি) নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

গতকাল রোববার বিকেলে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে অনুষ্ঠিত ‘ওপেন হাউজ ডে’-এর অনুষ্ঠানে এসব ঘোষণা দেন নবাগত পুলিশ সুপার।

সৈয়দপুর থানার আয়োজনে এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম।

অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রাবেয়া আলীম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আমিরুল ইসলাম, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসাইন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হক, সৈয়দপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র শাহিন হোসেন।

মাদকের বিস্তার রোধে আগামী এক মাসের মধ্যে সবাইকে নিয়ে সৈয়দপুরকে মাদক মুক্ত করার ঘোষণাও দেন এসপি।