শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২

রেকর্ড বৃষ্টিতে ডুবেছে খুলনা

রেকর্ড বৃষ্টিতে ডুবেছে খুলনা
রেকর্ড বৃষ্টিতে খুলনা শহরজুড়ে এমন জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। ছবি: দৈনিক বাংলা
খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে খুলনায়। একটানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে খুলনা শহরের অধিকাংশ সড়কে দুই থেকে তিন ফুট পানি জমেছিল। এতে দীর্ঘক্ষণ যানচলাচল বন্ধ ছিল শহরের অনেক এলাকায়।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থে‌কে বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় রেকর্ড ১৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাত ১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত পাঁচ ঘণ্টাতেই বৃষ্টি হয়েছে ১৩০ মিলিমিটার।

খুলনা আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে খুলনায় ২৪ ঘণ্টায় এত বেশি বৃষ্টি হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই চলতি বছরেও এক দিনে খুলনায় এটিই সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।’

আমিরুল আজাদ বলেন, ‘ভারতের দক্ষিণ মধ্যপ্রদেশ ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় একটি নিম্নচাপ অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালা তৈরি হয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাতসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে পূর্ণিমা ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাটের নিম্নাঞ্চলে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে এক থেকে দুই ফুট বেশি উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হচ্ছে।’

আবহাওয়া অফিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সৃষ্ট মেঘমালা ক্রমে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। ফলে ঝড়ো হাওয়া এখন কমে গেছে। বর্তমানে খুলনায় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০ থেকে ২০ কিলোমিটার। আগামী তিন দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’

ভারী বৃষ্টির কারণে খুলনা শহরের রয়্যাল মোড়, সাতরাস্তা মোড়, মডার্ন মোড়, ময়লাপোতা, শিববাড়ী, সোনাডাঙ্গা, নিরালা, দৌলতপুর, রূপসা, মুজগুন্নী, নতুনরাস্তা ও বয়রাসহ অধিকাংশ এলাকায় দুই থেকে তিন ফুট পানি জমেছিল। আবা‌সি‌ক বাড়ি, অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানগুলোর নিচতলায় পানি প্রবেশ করেছিল।’

খুলনা মহানগরীর রূপসা এলাকার বাসিন্দা এহতেশামুল হক শাওন বলেন, ‘আমরা ১৯৮৭ সালে বাড়ি বানিয়েছি। কখনো আমাদের বাড়ির নিচতলায় পানি ওঠেনি। তবে গত রাতে এত বেশি বৃষ্টি হয়েছে যে, বাড়ির নিচতলায় পানি ঢুকে গেছে।’

নিরালা এলাকার বাসিন্দা বদোরউদ্দীন বলেন, ‘শহরের অনেক ড্রেনের কাজ চলছে। সে কারণে বৃষ্টির পানি আটকে পড়েছে। তাতেই দুর্ভোগ বেড়েছে। এ ছাড়া শহরের নদীগুলো বেদখল রয়েছে। সেখান থেকে পানি নামতে পারে না। ফলে দুর্ভোগও কমে না।’

খুলনা সিটি করপোরেশনের সুপারেনটেনড্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুল আজিজ বলেন, ‘বৃষ্টির পানিতে খুলনার অধিকাংশ রাস্তা পানিতে নিমজ্জিত হয়েছিল। আমাদের কর্মীরা দ্রুত বিভিন্ন ড্রেনের নালা ছাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে পানি সরে গেছে।’


ফের আকাশসীমা লঙ্ঘন মিয়ানমারের

ফের আকাশসীমা  লঙ্ঘন মিয়ানমারের
বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্ত । ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

এস বাসু দাশ, বান্দরবান

দফায় দফায় সতর্ক আর প্রতিবাদ জানানোও কাজে আসছে না। আকাশসীমা লঙ্ঘন করেই চলেছে মিয়ানমার। গতকাল শুক্রবার রাত থেকে  শনিবার সকাল পর্যন্ত অন্তত দুবার আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে দেশটির বাহিনী।

এদিকে সীমান্তের ওপারে চলমান সংঘর্ষে মুহুর্মুহু গোলা ও গুলির আওয়াজ ভেসে আসছে এপারে। এতে আতঙ্কে দিন কাটছে স্থানীয়দের। গোলার কম্পনের জেরে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু ও বাইশফাঁড়ি এলাকায় ফাটল ধরেছে বিভিন্ন বাড়িঘরে।

গত ২৮ আগস্ট মিয়ানমার থেকে নিক্ষেপ করা দুটি মর্টার শেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় ঘুমধুমের তমব্রুর উত্তর মসজিদের কাছে পড়ে। এ ঘটনায় ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়। এরপর ৩ সেপ্টেম্বর ঘুমধুম এলাকায় দুটি গোলা পড়ে। এ ঘটনায়ও প্রতিবাদ জানানো হয়। কিন্তু তার পরও পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেনি। ৯ সেপ্টেম্বর আবার গুলি এসে পড়ে। ১৬ সেপ্টেম্বর মাইন বিস্ফোরণ ও গুলি-মর্টার শেল নিক্ষেপে একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হন। এ ঘটনায় মিয়ানমারের কূটনীতিককে আবারও তলব ও কড়া প্রতিবাদ জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শুধু তা-ই নয়, বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকেও বিষয়টি তুলেছে মন্ত্রণালয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেয়া ভাষণেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা ইস্যুটি তুলেছেন। এর পরও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি নেই।

মিয়ানমারের দাবি, তাদের ভূখণ্ডে আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে লড়ছে সেনাবাহিনী। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে এসে পড়া গোলাগুলো আরাকান আর্মির ছোড়া। তবে বাংলাদেশে এসে পড়া গুলির কোনো ব্যাখ্যা তারা দেয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত নামলেই সীমান্তের ওপারে বেড়ে যায় গোলাগুলির আওয়াজ। সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টারের গর্জন আর গোলা ও মর্টার শেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দে স্থানীয়দের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায়। শেলের কম্পনে তুমব্রু উত্তরপাড়ায় কয়েকটি বাড়িতে ফাটল ধরেছে।

তুমব্রু বাজারের ব্যবসায়ী বদিউল আলম বলেন, গত শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে রাখাইনের মংডুর উত্তরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পিলার ৩৭, ৩৮, ৩৯ নম্বর এলাকায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দুটি হেলিকপ্টার থেকে ভারী অস্ত্রের গোলা বর্ষণ করা হয় সে দেশে। এর একটি হেলিকপ্টার মিয়ানমার থেকে এসে তুমব্রু পয়েন্টের জিরো লাইনের সোজা ওপর দিয়ে মর্টার শেল ছুড়ে মিয়ানমারে ফিরে যায়। এতে তুমব্রু বাজার, কোনারপাড়া, মধ্যমপাড়া ও উত্তরপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সীমান্তে টহলরত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক কর্মকর্তা বলেন, গতকাল সকাল ৭টার দিকে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার ৪০-৪১ সীমান্ত পিলার এলাকার ওপর চক্কর দিয়ে গোলা নিক্ষেপ করে।

তুমব্রু বাজার সর্বজনীন দুর্গামন্দির কমিটির সভাপতি রুপলা ধর বলেন, মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা তুমব্রুর ওপারের ক্যাম্প থেকে গতকাল সকাল ১০টায় সে দেশের অভ্যন্তরে একটি মর্টার শেল নিক্ষেপ করা হয়। এই আওয়াজে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাইশফাঁড়ির উত্তরপাড়ার এসএসসি পরীক্ষার্থী আয়শা বেগম বলে, ‘শুক্রবার রাতে মিয়ানমারের যুদ্ধবিমান থেকে গোলার শব্দে আতঙ্ক ছড়ালেও কিছুটা সহনীয় ছিল। কিন্তু শনিবার সকালে গোলাগুলির আওয়াজ বেড়ে গেছে। এর মধ্যে পরীক্ষা দিতে যেতে হয়েছে। ভয়ে ভয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছি।’

নো ম্যানস ল্যান্ডে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নেতা দিল মোহাম্মদ জানান, গতকাল বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্তও গুলির শব্দ পাওয়া গেছে।


বাথরুমে স্বামীর, ঘরের মেঝেতে পড়েছিল স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ

বাথরুমে স্বামীর, ঘরের মেঝেতে পড়েছিল স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ
বৃদ্ধ দম্পতির মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয়রা ভিড় জমায়। ছবি: দৈনিক বাংলা
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় হাত ও মুখ বাঁধা অবস্থায় বৃদ্ধ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার পুরাতন বাজার পাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন, আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার পুরাতন বাজার পাড়ার বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী নজির উদ্দিন ও তার স্ত্রী ৬০ বছর বয়সী ফরিদা খাতুন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনও জানা যায়নি। নজির উদ্দিনের লাশ পড়েছিল বাথরুমে আর তার স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ ছিল ঘরের মেঝেতে। তাদের দুজনের হাত ও মুখ বাঁধা ছিল। মরদেহ দুটির সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে। ঝিনাইদহ পিবিআই’র একটি টিম ও চুয়াডাঙ্গা সিআইডি’র একটি টিম ঘটনাস্থলে কাজ করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, নজির উদ্দিন জমি জালিয়াতি চক্রের হোতা ছিলেন। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।


বাবার সামনে পা পিছলে ট্রেনের নিচে ছেলে

বাবার সামনে পা পিছলে ট্রেনের নিচে ছেলে
নিহত হাসানুজ্জামান ইমতিয়াজ। ছবি: সংগৃহীত
নাটোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

নাটোরের আব্দুলপুর রেলওয়ে জংশনে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে হাসানুজ্জামান ইমতিয়াজ নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

২১ বছর বয়সী ইমতিয়াজ পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর এলাকার অ্যাডভোকেট ইসাহাক আলীর ছেলে। তিনি রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৬ষ্ঠ সেমিষ্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার শেখ জিয়াউদ্দিন বাবলু জানান, শনিবার সকালে ঈশ্বরদী থেকে ছেলেকে নিয়ে কমিউটার ট্রেনে চড়ে রাজশাহী যাচ্ছিলেন অ্যাডভোকেট ইসাহাক আলী। ট্রেনটি আব্দুলপুর জংশনে দাঁড়ালে ইমতিয়াজ নাশতা করতে ট্রেন থেকে নামেন। পরে ট্রেনটি ছেড়ে দিলে ইমতিয়াজ দৌড়ে ট্রেনের হাতল ধরে উঠতে গিয়ে পা পিছলে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যান। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী রেলওয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


নানা হত্যার অভিযোগে নাতি আটক

নানা হত্যার অভিযোগে নাতি আটক
প্রতীকী ছবি
গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

গাজীপুরের শ্রীপুরে এক নাতি তার নানাকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নাতি আব্দুল খালেককে (২৫) আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের মশাখালী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে গতকাল শুক্রবার ভোরে শ্রীপুর উপজেলার বড়চালা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্বজনদের বরাত দিয়ে রাজাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য গিয়াস উদ্দিন জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহত আব্দুল হক মাদবরের ছেলে হারুন মাদবর মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়িতে ঢুকতেই পেছন থেকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যান খালেক। 

পরে পরিবারের লোকজন হারুনকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দিয়ে রাত ৩টায় বাড়িতে নিয়ে আসেন। সকালে আব্দুল হক মাদবরকে ঘরে না পেয়ে সবাই খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পাশের ঘরের মেঝেতে বস্তা দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় আব্দুল হকের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়া হয়। নিহতের মাথা ও নাকে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, আব্দুল খালেক তার নানাকে হত্যা করে মরদেহ বস্তা দিয়ে ঢেকে রেখে পালিয়েছেন।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে নানাকে হত্যা করে পালিয়ে যান আব্দুল খালেক। এ ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।


চট্টগ্রামে যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত

চট্টগ্রামে যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত
ভাটিয়ারীতে ময়মনসিংহগামী একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। ছবি: দৈনিক বাংলা
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে ময়মনসিংহগামী যাত্রীবাহী একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিজয় এক্সপ্রেসের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ের অতিরিক্ত বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান।

মনিরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধারে কাজ চলছে। অন্য লাইন সচল আছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

লাইন পরিবর্তনের সময় এ ঘটনা ঘটে বলে পরিবহন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।