বুধবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২

ভারতে যাচ্ছিল সোয়া ২ কোটি টাকার সোনা, বিজিবির হাতে আটক

ভারতে যাচ্ছিল সোয়া ২ কোটি টাকার সোনা, বিজিবির হাতে আটক
সোনামসজিদ স্থলবন্দরে জব্দ করা সোনার চালান। ছবি: দৈনিক বাংলা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় ট্রাকের মাধ্যমে কৌশলে সোনা যাচ্ছিল ভারতে। সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির অভিযানে ধরা পড়েছে সেই সোনার চালান। জব্দ করা হয়েছে ১৫টি সোনার বার ও ৩৫টি বর্গাকার সোনার পাত। বিজিবি বলছে, জব্দ করা সোনার ওজন ২৯৮ ভরি বা ৩ কেজি ৪৭৬ গ্রম। এর বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

বোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৯ বিজিবির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ পথ দিয়ে সাম্প্রতিককালে এত বড় সোনার চালান আটকের ঘটনা আর ঘটেনি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানায়, বোববার দুপুরে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পণ্য আনলোডের পর ভারতে ফিরে যাওয়ার পথে একটি ট্রাক তল্লাশি করেন বিজিবি সদস্যরা। পানামা গেটের পাশে বালিয়াদিঘী জিরো পয়েন্ট এলাকায় তল্লাশির সময় ট্রাকচালকের সিটের নিচে লুকিয়ে রাখা ১৫টি সোনার বার ও ৩৫টি বর্গাকার সোনার পাত পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ট্রাকচালক ভারতের মালদা জেলার মাহাদিপুর গ্রামের মাফাজুল শেখের ছেলে রেন্টু শেখকে (৪০) আটক করেন বিজিবি সদস্যরা। ট্রাকটিও জব্দ করা হয়।

৫৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আমীর হোসেন মোল্লা বলেন, ভারতীয় ট্রাকে করে কৌশলে সোনার একটি চালান ভারতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আমাদের চেকপোস্ট পেরিয়ে গেলেই চালানটি ভারতে চলে যেত। দুপুরে অভিযানের পর সোনাগুলো জুয়েলারি সমিতির সভাপতির মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়েছে। সেগুলো আসল সোনা নিশ্চিত হয়েই গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছে। এর বাজারমূল্য দুই কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ২১৩ টাকা।

বিজিবি অধিনায়ক আরও বলেন, এর আগে ২০২০ সালের দিকে একবার কিছু সোনার বার জব্দ করা হয়েছিল এই স্থলবন্দরে। এ ছাড়া সোনার এত বড় চালান আর কখনো জব্দ করা হয়নি।

সোনাগুলো কোথা থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল বা গন্তব্য ভারতের কোন এলাকা ছিল, এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানতে পারেনি বিজিবি। বিজিবি কর্মকর্তা বলেন, বিষয়গুলো আমরাও জানার চেষ্টা করেছি। কিন্তু আটক ভারতীয় ট্রাকচালক মুখ খোলেননি। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী বিষয়গুলো পুলিশ তদন্ত করে দেখবে।


কুনিও হোসি হত্যা: জেএমবির ৪ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল

কুনিও হোসি হত্যা: জেএমবির ৪ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল
সুপ্রিম কোর্ট ভবন । ছবি : সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

জাপানি নাগরিক কুনিও হোসিকে খুনের দায়ে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) চার সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। মামলায় একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ রায় দেয়।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা চারজন হলেন মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী, লিটন মিয়া ওরফে রফিক, আহসান উল্লাহ আনসারী ওরফে বিপ্লব এবং সাখাওয়াত হোসেন। খালাস পেয়েছেন ইছাহাক আলী।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরসেদ। তাকে সহযোগিতা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ মান্নান, জাকির হোসেন মাসুদ ও নির্মল কুমার দাস। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসান উল্লাহ।

কুনিও হোসি হত্যার দায়ে জেএমবির পাঁচ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি গত ৪ সেপ্টেম্বর শুরু হয়।

২০১৫ সালের ৩ অক্টোবর সকালে জাপানি নাগরিক কুনিও হোসিকে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার আলুটারি এলাকায় গুলি করে হত্যা করেন জঙ্গিরা।

২০১৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এ হত্যার দায়ে পাঁচ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।

পরে মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য নথি) হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামিরা আপিল ও জেল আপিল করেন।

বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন জেএমবির পীরগাছার আঞ্চলিক কমান্ডার উপজেলার পশুয়া টাঙ্গাইলপাড়ার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী, একই এলাকার ইছাহাক আলী, বগুড়ার গাবতলী এলাকার লিটন মিয়া ওরফে রফিক, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কুড়িগ্রামের রাজারহাটের মকর রাজমাল্লী এলাকার আহসান উল্লাহ আনসারী ওরফে বিপ্লব এবং গাইবান্ধার সাঘাটার হলদিয়ার চর এলাকার সাখাওয়াত হোসেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বিপ্লব পলাতক। হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ না হওয়ায় খালাস পান পীরগাছার কালীগঞ্জ বাজারের আবু সাঈদ।

চার্জশিটভুক্ত আট আসামির মধ্যে অন্য দুজন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ায় তাদের মামলার অভিযোগ থেকে বাদ দিয়ে রায় ঘোষণা হয়।

জেএমবির ওই আট জঙ্গির বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৭ আগস্ট রংপুরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী।

পরে মামলাটি রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকারের আদালতে স্থানান্তর হলে ২০১৬ সালের ১৫ নভেম্বর সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।


গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ গেল যুবকের

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ গেল যুবকের
ছবি: সংগৃহীত
মেহেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

মেহেরপুরের গাংনীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেহেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কাথুলি-চৌগাছা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ৩০ বছর বয়সী সুমন আলী একই উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌগাছা গ্রামের রতন আলীর ছেলে। তিনি পেশায় খোয়া ভাঙার মিস্ত্রি ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সুমন আলী নিজের কর্মস্থলে মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুত গতিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খেয়ে মোটরাসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন। পরে স্থানীয়রা সুমনকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ভূমিকা রাখতে আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ভূমিকা রাখতে আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

রোহিঙ্গাদের তাদের জন্মভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী ও  জাতিসংঘকে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শরণার্থী বিষয়ক ইউএন হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডির সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তাকে এই আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ইউএনজিএ’র ৭৭তম অধিবেশনের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রমের ব্যাপারে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন।

গ্রান্ডির সঙ্গে ওই বৈঠকে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারে ইউএনএইচসিআরের কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এর জবাবে ফিলিপো বলেন, তিনি দ্রুত মিয়ানমার সফর করবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের মাধ্যমেই রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান সম্ভব।

ইউএনএইচসিআর হাইকমিশনারও এ বিষয়ে তার সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বৈঠকে তারা বাংলাদেশের কক্সবাজার ও ভাসানচরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ইউএনএইচসিআরের বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

পরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রসিকিউটর করিম এ এ খান কিউসি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারা বাংলাদেশ ও আইসিসি’র মধ্যে সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।


রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একজনকে কুপিয়ে হত্যা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একজনকে কুপিয়ে হত্যা
প্রতীকী ছবি
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাফর আলম নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ছাড়া ক্যাম্পে ফাঁকা গুলি করে আতঙ্কও সৃষ্টি করে। বুধবার ভোর রাতে ১৮ নম্বর ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।

আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ফারুক আহমেদ জানান, ক্যাম্পের সাবেক মাঝি জাফরকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। প্রথমে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতাল ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান জাফর। 

তিনি আরও জানান, নিহতের বিস্তারিত পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। কে বা কারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা তদন্তে করছে এপিবিএন।

 


কারাগারে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু

কারাগারে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু
লাশ। প্রতীকী ছবি
গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে অসুস্থ হয়ে এক ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দিনগত রাত পৌনে ৩টার দিকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান তিনি।

৬০ বছর বয়সী গাজী সালাউদ্দীন দি ফার্মাস ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রাক্তন ক্রেডিট বিভাগের প্রধান। তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুরের ২১২ শেরশাহগলি রোডের বাসিন্দা।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র জেল সুপার আমিরুল ইসলাম জানান, রাত পৌনে ২টার দিকে কারাগারে গাজী সালাউদ্দীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। কারা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক রাত পৌনে ৩টার দিকে গাজী সালাহউদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, গাজী সালাউদ্দীন দুদকের একটি মামলায় তিন বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে ওই কারাগারে বন্দি ছিলেন।