সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২

কিডনির চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিঃস্ব শিক্ষক

কিডনির চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিঃস্ব শিক্ষক
ঠাকুরগাঁও সদরের দেহন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষক রণজিৎ কুমার রায়। ছবি: দৈনিক বাংলা
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

এম এস রানা, ঠাকুরগাঁও

দুই বছর ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছেন স্কুলশিক্ষক রণজিৎ কুমার রায়। নিজের চিকিৎসা করাতে গিয়ে এখন তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। পরিবারের সদস্য বলতে স্ত্রী ও দুই সন্তান। চিকিৎসার টাকা জোটাতে মানবেতর জীবনযাপন করছে পরিবারটি।

ঠাকুরগাঁও সদরের দেহন উচ্চ বিদ্যালয়ে আট বছর ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করান রণজিৎ কুমার। বর্তমানে চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতেই থাকতে হয় তাকে। রণজিতের গ্রামের বাড়ি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের শিদোর গ্রামে।

কিন্তু ৩৫ বছর বয়সী শিক্ষক রণজিৎ যেতে চান বিদ্যালয়ে। ঘরে মন টিকছে না মানুষ গড়ার এ কারিগরের। কয়েক দিন আগে রোগাক্রান্ত শরীর নিয়ে নিজ কর্মস্থলে যান তিনি। সেখানে তার ভাঙা শরীর দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয় জাহাঙ্গীর নামের সাবেক এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘রণজিৎ স্যার সৎমানুষ। জীবনে অনেক সংগ্রাম করেছেন তিনি। আমি মূলত তার কাছে প্রাইভেট পড়েছি। শিক্ষকতার আগে তিনি টিউশনি করে নিজের লেখাপড়া ও সংসার সামলেছেন। আর্থিক অনটনের কারণে তিনি আজ বিনা চিকিৎসায় দিন দিন মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছেন। এটা দুঃখজনক।’

দেহন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ইমরান আলী বলে, ‘দেশে অনেক শিক্ষক রয়েছেন। শিক্ষকদের সংগঠন রয়েছে। রণজিৎ স্যারের অনেক ছাত্র রয়েছেন যারা উপার্জন করছেন। আমি অনুরোধ করে বলছি, আপনাদের আয়ের সামান্য টাকা চিকিৎসার জন্য দিলে স্যার সুস্থ হবেন। আমাদের আবার পাঠদান করাবেন।’

শিক্ষক রণজিৎ কুমার রায় অসুস্থ থাকায় খুব বেশি কথা বলতে পারেননি এ প্রতিবেদকের সঙ্গে। শুধু বলেছেন, ‘আমি নিরুপায়। আমি অসহায়। আমার আর কিছুই করার নেই। আমার আর্থিক সহযোগিতা দরকার।’

রণজিৎ কুমারের স্ত্রী সরলা রানী রায় জানান, বিদ্যালয়ের বেতন যা আসে তা দিয়ে টুকটাকি ওষুধ কেনা ও সাংসারিক খরচ করা হয়। সংসার ও সন্তানের খরচ চালাতে ধারদেনা করতে হয়। তিনি বলেন, ‘ডাক্তার বলেছেন, তার দুটো কিডনিই নষ্ট হয়েছে। চিকিৎসা করাতে ১৫ লাখ টাকা খরচ হবে। কিন্তু এত টাকা জোগাড় করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব।’

দেহন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান বলেন, ‘রণজিৎ স্যারের মতো দক্ষ শিক্ষক দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খুব দরকার। তার চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। সবার সাহায্য ছাড়া এ অর্থ বহন করা সম্ভব নয়। তার চিকিৎসা ব্যবস্থা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) যোবায়ের হোসেন বলেন, ‘মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সমাজের বিত্তবানরা চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়ালে সুস্থ হবেন একজন শিক্ষক। সমাজসেবা কার্যালয়ে পরিবারের কেউ লিখিত আবেদন করলে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু সহযোগিতা করা যায় করব।’


একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্র আর নেই

একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্র আর নেই
সাংবাদিক রণেশ মৈত্র । ছবি : সংগৃহীত
পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত

ভাষা সৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্র মারা গেছেন। আজ সোমবার ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আফরোজ আসাদ বলেন, তার সন্তান অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসছেন। তিনি এলেই পারিবারিক সিদ্ধান্তে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।

১৯৩৩ সালে রাজশাহী জেলার ন’হাটা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন রণেশ মৈত্র। পৈত্রিক বাসস্থান পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ভুলবাড়িয়া গ্রামে। তিনি ১৯৫৫ সালে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে আইএ এবং ১৯৫৯ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৫১ সালে সিলেট থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক নওবেলাল পত্রিকার মাধ্যমে তার সাংবাদিকতার শুরু। এরপর কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সত্যযুগে তিন বছর সাংবাদিকতার পর ১৯৫৫ সালে তিনি যোগ দেন দৈনিক সংবাদে। ১৯৬১ সালে ডেইলি মর্নিং নিউজ এবং ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত দৈনিক অবজারভারে পাবনা প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯২ সালে দি নিউ নেশনের মফস্বল সম্পাদক হিসেবে যোগ দেওয়ার পর ১৯৯৩ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দি ডেইলি স্টারের পাবনা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। পাবনা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।

সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য তিনি ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন।

রণেশ মৈত্রের মৃত্যুতে পাবনার সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিকসহ নানা পেশাজীবি সংগঠন ও শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন।


এখন অপেক্ষা শুধু লাশের

এখন অপেক্ষা শুধু লাশের
নিখোঁজদের লাশের অপেক্ষায় করতোয়ার তীরে স্বজনরা। ছবি: দৈনিক বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত নারী ও শিশুসহ ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৬০ জন। নিখোঁজদের লাশের অপেক্ষায় ঘটনার পর থেকেই করতোয়ার পাড়ে অবস্থান করছেন স্বজনেরা।

মরদেহ উদ্ধারের খবর জানতে পারলেই নদীর পাড় থেকে স্বজনরা ছুটে আসছেন ইউনিয়ন পরিষদে। হাজার হাজার মানুষের ঢল নেমেছে মাড়েয়া ইউনিয়নে।

আজ সোমবার সকালে আউলিয়ার ঘাট এলাকায় দেখা যায়, ফায়ার সার্ভিস এবং ডুবুরি দলের তিনটি ইউনিট উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে। সেখানে ভিড় করছে নিখোঁজদের স্বজনেরা।

ষাটোর্ধ্ব কৃষ্ণ চন্দ্র রায় ভাই এবং ভাতিজার খোঁজে এসেছেন আউলিয়া ঘাটে। তিনি জানান, নদীর অপর পাড়ে বদেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া পুজায় যোগ দিতে তার ভাই নরেশ ও ভাতিজা সিন্টু বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরেননি। নৌকাডুবির খবরে কাল থেকেই এখানে লাশের অপেক্ষা করছেন তিনি।

নাতির খোঁজে উপজেলার পাঁচপীর এলাকা থেকে এসেছেন বৃদ্ধ সুমল চন্দ্র। তিনি বলেন, নাতির মরদেহটা পেলে অন্তত নিজেরা সৎকারের কাজটা করতে পারতাম।

মাড়েয়া বটতলি এলাকার ধীরেন বাবুর দুই প্রতিবেশিসহ ৭ জন নিকটাত্মীয় এখনও নিখোঁজ। কাল থেকে তিনি নদীর পাড়ে অপেক্ষা করছেন। তিনি বলেন, বদেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া পুজায় যোগ দিতে ভাতিজা, ভাতিজার বউ, ভাতিজার শ্বশুর, শ্যালিকা এবং আমার ভাতিজি নৌকায় ওঠে দুর্ঘটনায় পড়েন। এখন পর্যন্ত কারও খোঁজ পাইনি। এখন তাদের লাশের জন্য অপেক্ষা করছি।

এর আগে গতকাল রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। রাত ১১টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করে ডুবুরিদল। ভোর থেকে পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। উদ্ধার হওয়া মোট ৩২টি মরদেহের মধ্যে নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু ও নারী।

এদিকে ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাই। গভীর রাত পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলে। ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে। 


নিখোঁজ কৃষকের লাশ মিলল নদীতে

নিখোঁজ কৃষকের লাশ মিলল নদীতে
ছবি: সংগৃহীত
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ছাইদুর রহমান (৪০) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে উপজেলার গুনাইগাঁতী গ্রামের পাশের এক নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যায় নিখোঁজ হন ছাইদুর। উপজেলার লাহিড়ী মোহনপুর ইউনিয়নের বলতৈল গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে তিনি।

উল্লাপাড়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক ছাইদুরের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, শনিবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ি থেকে বের হন ছাইদুর। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। এর মধ্যে গতকাল রোববার ছাইদুরের মোবাইল নম্বর থেকে তার স্ত্রীর ফোনে কল করে এক ব্যক্তি দেড় লাখ টাকা দাবি করেন। পরে এই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায় ছাইদুরের স্ত্রী বুলবুলি খাতুন। এরপর সোমবার সকালে নদীতে ছাইদুরের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা।

উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, মোবাইল নম্বরের সূত্রধরে খুনিদের ধরার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


স্বামীর বটির কোপে প্রাণ গেল স্ত্রীর

স্বামীর বটির কোপে প্রাণ গেল স্ত্রীর
লাশ। প্রতীকী ছবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে স্বামীর বটির কোপে রিনা খাতুন (৩০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান ওই গৃহবধূ।

রিনা উপজেলার ছাত্রাজিতপুর ইউনিয়নের কমলাকান্তপুর গ্রামে মনিরুল ইসলামের স্ত্রী।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবায়ের আহমেদ জানান, রিনা খাতুনের সঙ্গে স্বামী মনিরুল ইসলামের রোববার বিকালে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে মনিরুল রিনার পেটে ও মাথায় বটি দিয়ে কোপায়। স্থানীয়রা রিনাকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী পাঠায়। পরে রাজশাহী নেওয়ার পথে মারা যান রিনা।

জুবায়ের আহমেদ আরও জানান, ঘটনার পর থেকে মনিরুল ইসলাম পলাতক। তাকে ধরতে অভিযান চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।


স্কুলড্রেসে বাইরে ঘোরাফেরা করলে আটক: এসপি

স্কুলড্রেসে বাইরে ঘোরাফেরা করলে আটক: এসপি
নীলফামারীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত
নীলফামারী প্রতিনিধি
প্রকাশিত

স্কুল চলাকালীন কোন শিক্ষার্থী পার্ক বা বিভিন্ন জায়গায় স্কুলড্রেস পরে ঘোরাফেরা করলে তাকে আটক করার নির্দেশ দিয়েছেন নীলফামারীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।

এছাড়া স্কুল-কলেজের সামনে বা পাড়া-মহল্লায় কোন বখাটে ঘোরাফেরা করলে তাদেরও আটক করে গোয়েন্দা কার্যালয়ে (ডিবি) নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

গতকাল রোববার বিকেলে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে অনুষ্ঠিত ‘ওপেন হাউজ ডে’-এর অনুষ্ঠানে এসব ঘোষণা দেন নবাগত পুলিশ সুপার।

সৈয়দপুর থানার আয়োজনে এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম।

অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রাবেয়া আলীম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আমিরুল ইসলাম, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসাইন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হক, সৈয়দপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র শাহিন হোসেন।

মাদকের বিস্তার রোধে আগামী এক মাসের মধ্যে সবাইকে নিয়ে সৈয়দপুরকে মাদক মুক্ত করার ঘোষণাও দেন এসপি।