বুধবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২

৯৩ বোতল বিদেশি মদসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

৯৩ বোতল বিদেশি মদসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার তিনজন। ছবি: সংগৃহীত
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

ময়মনসিংহে ৯৩ বোতল বিদেশি মদসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের শম্ভুগঞ্জ এলাকা থেকে গতকাল সোমবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সরিষা মারওয়াখালি গ্রামের আব্দুল মতিবর রহমানের ছেলে মোকারম হোসেন ইমন (১৯), মধুপুর বাজার এলাকার আব্দুল মতিন মিয়ার ছেলে মোস্তাকিম আহমেদ (১৮) ও গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিম খন্ড এলাকার প্রয়াত শামসুদ্দিনের ছেলে সবুজ মিয়া (৫০)।

র‌্যাব-১৪ ময়মনসিংহ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কোম্পনি অধিনায়ক আনোয়ার হোসেন জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৯৩ বোতল বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দেয়া হয়েছে। চক্রের সঙ্গে জড়িত বাকিদেরও আইনের আওতায় আনতে চেষ্টা চলছে বলেও জানান আনোয়ার হোসেন।


বিএনপির মিছিলে পুলিশের বাধা, সংঘর্ষে পুলিশ-সাংবাদিকসহ আহত ৫০

বিএনপির মিছিলে পুলিশের বাধা, সংঘর্ষে পুলিশ-সাংবাদিকসহ আহত ৫০
মুন্সীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। ছবি: দৈনিক বাংলা
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জে বিএনপির পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এ সময় বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পুলিশ, সাংবাদিক ও বিএনপির নেতা-কর্মীসহ ৫০ জনের মতো আহত হয়েছেন।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে মুক্তারপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল বের করে বিএনপি। মিছিলগুলো ফেরিঘাট এলাকায় জড়ো হয়। সেখান থেকে বড় মিছিল বের হলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পুলিশও প্রায় অর্ধশত রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও ওসিসহ ১০ পুলিশ আহত হন। বিএনপির নেতা-কর্মীরা ছাড়াও আহত হন সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া তিন সাংবাদিক।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ১০ পুলিশ আহত হয়েছেন। এর মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গুরুতর আহত হয়েছেন।

সদর থানা বিএনপির সভাপতি মো. মহিউদ্দিন বলেন, আমাদের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে মিছিলে আসতে থাকলে পুলিশ বাধা দেয় এবং ব্যানার ছিড়ে ফেলে। এ কারণে নেতা-কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে যায়। আমরা তাদেরকে নিবৃত্ত করতে চেষ্টা করি। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। আমাদের ৫০ জনেরও বেশি নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।


উপজেলা চেয়ারম্যানের দিকে এমপির ‘পিস্তল তাক’

উপজেলা চেয়ারম্যানের দিকে এমপির ‘পিস্তল তাক’
পিস্তল হাতে এমপি রেজাউল করিম বাবলু। ছবি: সংগৃহীত
বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত

প্রকল্পের জন্য দেয়া টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) রেজাউল করিম বাবলুর সঙ্গে উপজেলা যুবলীগ নেতার দ্বন্দ্ব শুরু হয়। সেই দ্বন্দ্ব থামাতে গেলে পাল্টা উপজেলা চেয়ারম্যানের দিকে নিজের পিস্তল তাক করেন এমপি। তবে এমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আত্মরক্ষায় পিস্তল বের করেছেন তিনি।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা পরিষদের বারান্দায় এই ঘটনা ঘটে। এদিন উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা চলছিল।

এমপির সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়া যুবলীগ নেতার নাম আলমগীর বাদশা। তিনি শাজাহানপুর উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক।

আলমগীর বাদশা বলেন, ২০১৯ সালে এমপির নামে মসজিদ, রাস্তাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ আসে। ওই সময় অনেকের কাছে থেকে বরাদ্দ দেয়ার নামে টাকা নিয়েছিলেন এমপি। আমার কাছে থেকেও ৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা নেন। আমিই তাকে দিয়েছিলাম। যাতে উন্নয়ন কাজগুলো হয়। কিন্তু সেই বরাদ্দ আজও দিতে পারেননি এমপি রেজাউল করিম। আমার দেয়া টাকাও ফেরত দেননি।

‘আজ সামনাসামনি দেখা হলে তাকে বললাম, আপনি যে টাকাটা নিলেন, ফেরত দিবেন না? এ কথা বলার পরেই তিনি আমার ওপর উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। বলেন কিসের টাকা, কোনো টাকা নেই।’

যুবলীগ নেতার দাবি, এ সময় তাকে ধাক্কা মারতে থাকেন এমপি। ফারুক নামে তার এক সঙ্গী লাঠি দিয়ে আঘাত করেন তাকে।

এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সোহরাব হোসেন ছান্নু জানান, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা হচ্ছিল। বাইরে হট্টগোল শুনে তিনি বের হন। চার বছর আগের প্রকল্পের বরাদ্দের টাকা নিয়ে কথাকাটাকাটি হচ্ছিল বলে শুনতে পান।

তবে এসব ঘটনার বিষয়ে সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাবলুর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ রয়েছে।

তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) রেজাউল করিম বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা কমিটির মিটিংয়ে অংশ নিতে উপজেলা পরিষদে যাই। এ সময় সেখানে আলমগীর বাদশা এমপিকে দেখেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

চেয়ারম্যানও হামলা করতে আসলে এমপি আত্মরক্ষায় পিস্তল বের করেন। পিস্তল তো নেয়া হয়েছে আত্মরক্ষার জন্য।’

হট্টগোলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন শাজাহানপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন।

তবে বগুড়া জেলা প্রশাসনের জেএম শাখা থেকে এমপি বাবলুর নামে একটি পিস্তল নিবন্ধনের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।


গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ
গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের বিক্ষোভ। ছবি: দৈনিক বাংলা
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত

বিএনপি ও জামায়াতের মদদে সারা দেশে নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগে গোপালগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করে তারা। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরঙ্গীতে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।

সমাবেশে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমির হামজা, রাজু খান, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শামিম খান শাহানেওয়াজ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সামিউল হক তনু, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রকিবুল ইসলাম রানা, সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তাহের, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ওমর ফারুক খান রিপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বিএনপি ও জামায়াতের সৃষ্ট ‘নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি’ শক্ত হাতে প্রতিহত করার ঘোষণা দেন।


চাঁদাবাজি মামলায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী গ্রেপ্তার

চাঁদাবাজি মামলায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার আব্দুল মান্নান আকন্দ। ছবি: সংগৃহীত
বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত

চাঁদাবাজি ও হত্যাচেষ্টার মামলায় বগুড়া জেলা পরিষদের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ শাহরিয়ার তারিকি আজ বুধবার সকাল ১০ টার দিকে এ আদেশ দেন।

বগুড়া কোর্ট পরিদর্শক সুব্রত ব্যানার্জী জানান, আজ সদর আমলি আদালতে মামলার এজলাস ছিল। এ সময় উভয় পক্ষের শুনানি হয়। শুনানিতে আব্দুল মান্নান আকন্দ জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আব্দুল মান্নান আকন্দের পক্ষের আইনজীবী রেজাউল করিম মন্টু বলেন, আদালতে জামিন আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু আদালত তা মঞ্জুর না করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বলেন, ১৪ সেপ্টেম্বর রেলওয়ের কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের মার্কেটের গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গায় অবৈধভাবে নির্মিত শতাধিক দোকান উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় রায়হান আলী নামে রেলওয়ের এক কর্মচারীকে মারধর করা হয়।

এ ঘটনায় ১৬ সেপ্টেম্বর হত্যাচেষ্টা, চুরি ও মারধরের অভিযোগে মামলা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসেন আলী সরকার রেলওয়ে (কর্মচারী) কল্যাণ ট্রাস্ট সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ী ও রায়হানের বাবা হায়দার আলী।

মামলায় মার্কেট নির্মাণের ঠিকাদার আব্দুল মান্নান আকন্দসহ ৫১ জনকে আসামি করা হয়।

আব্দুল মান্নান আকন্দ বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করছেন।  


কুনিও হোসি হত্যা: জেএমবির ৪ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল

কুনিও হোসি হত্যা: জেএমবির ৪ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল
সুপ্রিম কোর্ট ভবন । ছবি : সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

জাপানি নাগরিক কুনিও হোসিকে খুনের দায়ে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) চার সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। মামলায় একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ রায় দেয়।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা চারজন হলেন মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী, লিটন মিয়া ওরফে রফিক, আহসান উল্লাহ আনসারী ওরফে বিপ্লব এবং সাখাওয়াত হোসেন। খালাস পেয়েছেন ইছাহাক আলী।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরসেদ। তাকে সহযোগিতা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ মান্নান, জাকির হোসেন মাসুদ ও নির্মল কুমার দাস। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসান উল্লাহ।

কুনিও হোসি হত্যার দায়ে জেএমবির পাঁচ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি গত ৪ সেপ্টেম্বর শুরু হয়।

২০১৫ সালের ৩ অক্টোবর সকালে জাপানি নাগরিক কুনিও হোসিকে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার আলুটারি এলাকায় গুলি করে হত্যা করেন জঙ্গিরা।

২০১৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এ হত্যার দায়ে পাঁচ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।

পরে মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য নথি) হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামিরা আপিল ও জেল আপিল করেন।

বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন জেএমবির পীরগাছার আঞ্চলিক কমান্ডার উপজেলার পশুয়া টাঙ্গাইলপাড়ার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী, একই এলাকার ইছাহাক আলী, বগুড়ার গাবতলী এলাকার লিটন মিয়া ওরফে রফিক, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কুড়িগ্রামের রাজারহাটের মকর রাজমাল্লী এলাকার আহসান উল্লাহ আনসারী ওরফে বিপ্লব এবং গাইবান্ধার সাঘাটার হলদিয়ার চর এলাকার সাখাওয়াত হোসেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বিপ্লব পলাতক। হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ না হওয়ায় খালাস পান পীরগাছার কালীগঞ্জ বাজারের আবু সাঈদ।

চার্জশিটভুক্ত আট আসামির মধ্যে অন্য দুজন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ায় তাদের মামলার অভিযোগ থেকে বাদ দিয়ে রায় ঘোষণা হয়।

জেএমবির ওই আট জঙ্গির বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৭ আগস্ট রংপুরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী।

পরে মামলাটি রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকারের আদালতে স্থানান্তর হলে ২০১৬ সালের ১৫ নভেম্বর সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।