শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২

যাত্রীবাহী বাসে ঢুকে পড়ল বৈদ্যুতিক খুঁটি, আহত ১১

যাত্রীবাহী বাসে ঢুকে পড়ল বৈদ্যুতিক খুঁটি, আহত ১১
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পূর্ব গঙ্গাবর্দী এলাকায় গাড়িতে বিদ্যুতের খুঁটি উঠানোর সময় বাসে ঢুকে পড়ে। ছবি: দৈনিক বাংলা
ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

ফরিদপুরে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি নির্ধারিত গাড়িতে উঠানোর সময় হঠাৎ অন্য একটি যাত্রীবাহী বাসে ঢুকে পড়ায় ১১ জন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে জেলা সদরের ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পূর্ব গঙ্গাবর্দী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। 

জানা যায়, জেলা সদরের পূর্ব গঙ্গাবর্দী এলাকায় রাখা ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ওই বৈদ্যুতিক খুঁটি গাড়িতে উঠানো হচ্ছিল।

ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, যাত্রীবাহী বাসটি যশোরের বেনাপোলের দিকে যাচ্ছিল। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


‘যে উদ্দেশ্য নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলাম তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি’

‘যে উদ্দেশ্য নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলাম তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি’
মুক্তিযোদ্ধা নৌ-কমান্ডো সন্তান কমান্ডের সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. শাহজাহান কবির বীর প্রতীক। ছবি: দৈনিক বাংলা
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা নৌ-কমান্ডো অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. শাহজাহান কবির বীর প্রতীক বলেছেন, আমরা যে উদ্দেশ্য ও আদর্শ নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলাম সেই আদর্শ ও উদ্দেশ্য এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

রাজধানীতে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদের অডিটরিয়ামে শুক্রবার সকালে মুক্তিযোদ্ধা নৌ-কমান্ডো সন্তান কমান্ডের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহজাহান কবির এ কথা বলেন।

সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা নৌ-কমান্ডো সন্তান কমান্ডের নতুন কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন নাজমুল হক শিশির। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আশিকুল কবির।

নৌ-কমান্ডো সন্তান ড. অসীম কুমার নট্টর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা নৌ-কমান্ডো এসোসিয়েশনের কো-চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা নৌ-কমান্ডো এসোসিয়েশনের মহাসচিব অনিল বরন রায়। এ ছাড়া একাত্তরের রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা নৌ-কমান্ডোদের মধ্যে অনেকেই উপস্থিত ছিলেন সম্মেলনে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহজাহান কবির বীর প্রতীক বলেন, মুক্তিযোদ্ধা ও নৌ-কমান্ডোরা জাতির ক্রান্তিকালে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে জীবনের মায়া ত্যাগ করে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা নৌ-কমান্ডো সন্তান কমান্ডের সদস্যদের প্রতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নৌ-কমান্ডো এসোসিয়েশনের মহাসচিব অনিল বরণ রায় বলেন, একাত্তরে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে সাড়া জাগানো নৌ-কমান্ডো যুদ্ধের কথা জাতীয়ভাবে সংরক্ষণ করা উচিত এবং নতুন প্রজন্মকে জানাতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কোটা সংস্কার পূর্বক পুনর্বহাল করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নৌ-কমান্ডো এসোসিয়েশনের কো-চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন বলেন, নৌ-কমান্ডোদের অপারেশন জ্যাকপট সারা পৃথিবীতে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।


স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম
আহত মিরাজুল ইসলাম মিরাজ। ছবি: সংগৃহীত
ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত

ফরিদপুরে মিরাজুল ইসলাম মিরাজ (৪৩) নামের এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে ফরিদপুর শহরের ভাটিলক্ষ্মীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মিরাজুল জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহপ্রশিক্ষণ ও কর্মশালাবিষয়ক সম্পাদক। তিনি শহরের লক্ষ্মীপুর এলাকার মৃত আকবর আলী ভূঁইয়ার ছেলে। রাজনীতির পাশাপাশি মিরাজুল ঠিকাদারি ব্যবসা করতেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে মিরাজুল ব্যক্তিগত কাজ শেষে মোটরসাইকেলে বাড়িতে ফিরছিলেন। বাড়ির সামনে সড়কে আসা মাত্রই দুই যুবক মিরাজুলের পথরোধ করে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো শুরু করেন। এ সময় মিরাজুলের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যান। পরে গুরুতর অবস্থায় মিরাজুলকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ফরিদপুর পৌরসভার কাউন্সিলর এমএ জলিল বলেন, মিরাজুল স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে সোচ্চার ছিলেন। তিনি এলাকাবাসীদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। এ ঘটনায় তার ওপর হামলা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, এ ঘটনায় এখনও ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার সঙ্গে মাদক নিয়ে স্থানীয় আধিপত্য বা অন্য কোনো বিষয় সম্পৃক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


সাফজয়ীদের সংবর্ধনায় এসে প্রাণ হারাল স্কুলছাত্র

সাফজয়ীদের সংবর্ধনায় এসে প্রাণ হারাল স্কুলছাত্র
সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ওয়াগনের ধাক্কা। ছবি: দৈনিক বাংলা
রাঙামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশিত

সাফজয়ী পাহাড়ের পাঁচ তারকা ফুটবলারের সংবর্ধনা ও বরণ অনুষ্ঠানে এসে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেল লিটন নামের এক স্কুলছাত্রের। গতকাল বৃহস্পতিবার ‍দিবাগত রাত ৩টার দিকে ‍চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় লিটন।

নিহত লিটন চাকমা ঘাগড়া ইউনিয়নের আর টি এম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল। সে ইউনিয়নের রাজখালী গ্রামের সাধন প্রিয় চাকমার ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ আলী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাফজয়ী ফুটবলারদের বরণ ও সংবর্ধনায় ব্যস্ত ঘাগড়া এলাকাবাসী ও ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। তারকাদের সংবর্ধনা জানাতে এলাকাবাসী, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জড়ো হয় ঘাগড়া বাজারে। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে রাঙামাটিগামী একটি ওয়াগন বেপরোয়া গতিতে এসে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশার পাশে থাকা লিটন চাকমা গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মারা যায় সে।

কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ আলী বলেন, লিটন চাকমা চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে। এ ঘটনায় ওয়াগনের চালককে আটক করা হয়েছে।


বেঁচে যাওয়া অর্থ ফেরত পাবেন হাজিরা

বেঁচে যাওয়া অর্থ ফেরত পাবেন হাজিরা
ছবি: সংগৃহীত
শহীদুল ইসলাম
প্রকাশিত
  • সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ

  • অনিয়মের দায়ে ৪৪ হজ এজেন্সিকে শোকজ

শহীদুল ইসলাম

এবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় যারা হজ করেছেন, তাদের সর্বোচ্চ ৪৮ হাজার টাকা করে ফেরত দেবে সরকার। সৌদি আরবে বাড়ি ও হোটেল ভাড়া খাতে যে অর্থ খরচ হয়নি তা ফেরত দেয়া হবে। তবে বেসরকারিভাবে হজ এজেন্সির মাধ্যমে যারা হজ করেছেন, তারা কোনো টাকা ফেরত পাবেন না।

বাংলাদেশ থেকে এবার হজ ব্যবস্থাপনার সদস্যসহ ৬০ হাজার ১৪৬ জন সৌদি আরব যান। সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে প্যাকেজ-১-এ ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৩৪০ টাকা এবং প্যাকেজ-২-এ ৫ লাখ ২১ হাজার ১৫০ টাকা খরচ নির্ধারণ করা হয়। আর বেসরকারিভাবে হজ করতে এবার খরচ ধরা হয়েছিল ৫ লাখ ২২ হাজার ৭৪৪ টাকা।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা দৈনিক বাংলাকে বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করা ৩ হাজার ৭০০ জনের বেশি হাজিকে টাকা ফেরত দেয়া হবে। প্যাকেজ-১-এ যারা হজ করেছেন তারা ৪৭ হাজার ৭২৬ টাকা করে এবং প্যাকেজ-২-এর হাজিরা ১০ হাজার ২৯৩ টাকা করে ফেরত পাবেন। হজে ব্যয় না হওয়া ৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা গতকাল বৃহস্পতিবার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে হজ অফিসের পরিচালককে পাঠানো হয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে হাজিদের টাকা ফেরত দেয়া শুরু হবে।

সময় কম থাকায় এ বছর সৌদি সরকার হজের বিভিন্ন খরচ চূড়ান্ত করার আগেই আনুমানিক খরচ ধরে নিয়ে হজ প্যাকেজ ঘোষণা করে সরকার। করোনার কারণে এবার সব দেশের জন্য হজের কোটা কমিয়ে দেয়ায় তুলনামূলক কম দামে সহজেই হোটেল ও বাড়ি ভাড়া করা গেছে। ফলে সরকারি প্যাকেজে বাড়ি ও হোটেল ভাড়ার খরচ বেঁচে গেছে।

কর্মকর্তারা জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করা ব্যক্তিদের নামে ইলেকট্রনিক চেক ইস্যু করা হবে। হজে যেতে প্রাক্‌-নিবন্ধনের সময় যে মোবাইল নম্বর দেয়া হয়েছিল, সেই নম্বরের মাধ্যমে হাজিদের যাচাই করে চেক দেয়া হবে।

হজ এজেন্সি টাকা ফেরত দেবে না

বাড়ি ও হোটেল ভাড়া বাবদ বেচে যাওয়া অর্থ সরকার ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ এজেন্সির মাধ্যমে যারা হজ করেছেন, তারা কোনো টাকা ফেরত পাবেন না।

একজন কর্মকর্তা জানান, বাড়ি ভাড়া খাত থেকে অর্থ ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার পর হজ এজেন্সির নেতাদের ডাকে ধর্ম মন্ত্রণালয়। কিন্তু এ বছর তারা হাজিদের কোনো টাকা ফেরত দেবে না বলে জানিয়েছে।

হজ এজেন্সির নেতারা জানিয়েছেন, করোনার কারণে দুই বছর তারা হজের কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেননি। দুই বছর পর এবার স্বল্প পরিসরে হাজিদের সৌদি পাঠানোর সুযোগ পান তারা। ফলে হজ কার্যক্রম থেকে এবার যে মুনাফা হয়েছে তা থেকে কোনো অর্থ হাজিদের ফেরত দেয়া সম্ভব না। সরকার লাভ করে না বলে তারা বেঁচে যাওয়া টাকা ফেরত দিতে পারে। কিন্তু হজ এজেন্সিগুলোকে মুনাফা করেই টিকে থাকতে হয়। এবার হজ কার্যক্রমের হিসাবও ক্লোজ হওয়ায় টাকা ফেরতের আর কোনো সুযোগ নেই।

এ বছর হজের সময় সৌদি আরবে কম টাকায় বাড়ি ও হোটেল ভাড়ার সুযোগ থাকায় হজ এজেন্সিগুলো একেকজন হাজির কাছ থেকে ১ লাখ টাকার ওপরে মুনাফা করেছে বলে জানান ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এটাও ঠিক যে সরকারের সঙ্গে হজ এজেন্সিগুলোকে মেলানো ঠিক হবে না। তিনি মনে করেন, এজেন্সিগুলো এবার হাজিদের অল্প কিছু করে টাকা ফেরত দিয়ে নজির তৈরি করতে পারত।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, হজ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে যেসব এজেন্সি অনিয়ম করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এখন পর্যন্ত ৪৪টি হজ এজেন্সিকে শোকজ করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। এ বছর ৩৫৯টি হজ এজেন্সির মাধ্যমে হজযাত্রীরা সৌদি আরব যান। ৮০০ এজেন্সিকে হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেয়া হলেও একেকটি হজ এজেন্সিকে কমপক্ষে ১০০ জন হজযাত্রী সৌদি পাঠানোর নিয়ম থাকায় এজেন্সিগুলো মিলে ৩৫৯টির মাধ্যমে এবার হজযাত্রীদের সৌদি পাঠায়।

এবার বাংলাদেশের ছয়টি হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনেছে সৌদি আরবের হজ মন্ত্রণালয়। অভিযোগ খণ্ডনের জন্য এজেন্সিগুলোকে প্রমাণ বা মতামত সৌদি সরকারের কাছে পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

জরিনা ইন্টারন্যাশনাল, আল মোযদালেফা এভিয়েশন, এস এম এস কে এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, আল খিদমাহ ওভারসিজ, দেশ ও বিদেশ এবং এস এন ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনেছে সৌদি সরকার। অভিযোগের প্রমাণ পেলে এসব এজেন্সিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে বলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

৫ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত ১৬৫টি ফ্লাইটে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীদের সৌদি নেয়া হয়। গত ৮ জুলাই হজ হয়েছে। হজ ফ্লাইট শেষে ৫৭ হাজার ৯০৯ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। ২৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে মারা গেছেন। একজন নিখোঁজ আছেন এবং অন্য একজন চুরির দায়ে সৌদি আরবের জেলে রয়েছেন।


বিষে মরল বিদেশফেরত জুয়েলের ১০০ মণ মাছ

বিষে মরল বিদেশফেরত জুয়েলের ১০০ মণ মাছ
মরে ভেসে ওঠা মাছের একাংশ। ছবি: দৈনিক বাংলা
কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুরে একটি মাছের ঘেরে বিষ দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে ওই ঘেরের প্রায় ১০০ মন মাছ মরে ভেসে উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে বিষ দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘেরের মালিকের নাম জুয়েল রানা। তার বাড়ি থেকে ৫ কি.মি. দূরে রাজাপুর গ্রামে তার মাছের ঘের। গতকাল বিকেলে পুকুরে মাছের খাবার দিয়েছিলেন। পরে তিনি জরুরি কাজে বাইরে গেলে দুর্বৃত্তরা বিষ দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান।

ওসি মারুফ জানান, পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শুক্রবার এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। পেলে তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মালিক জুয়েল রানা বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলাম। দেশে এসে মাছ চাষ শুরু করি। আমার ঘেরে তেলাপিয়া, কার্ফু, সিলভার কার্প, রুইসহ বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত ১০০শ মন মাছ ছিল। যার বাজারমূল্য আনুমানিক দশ লাখ টাকা।’

তিনি আরও বলেন, রাত ৮ টার দিকে ঘেরে এসে দেখি মাছগুলো খাবি খাচ্ছে। বেশিরভাগ মাছ পাড়ের কাছে এসে নিস্তেজ হয়ে পড়ছে। এ দৃশ্য দেখে আশেপাশের লোকজনকে ডেকে আনি। ঘেরের পানি নাকের কাছে নিয়ে দেখি বিষের গন্ধ। তখন বুঝতে পারি কেউ আমার মাছের ঘেরে বিষ দিয়েছে।

জুয়েল রানা জানান, পরে মরে যাওয়া মাছগুলো পাড়ে তুলে আনেন। কিছু মাছ প্রতিবেশীদের মাঝে বিতরণ করেন। বেশিরভাগ মাছই নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তিনি।