এনায়েত করিম, রাজশাহী ব্যুরো
প্রাচীনকাল থেকেই রেশমের জন্য সুপরিচিত রাজশাহী। সেই সুখ্যাতি থেকেই রাজশাহীর প্রধান পরিচয় হয়ে ওঠে ‘সিল্কসিটি’। তবে মাঝে খেই হারিয়ে ফেলেছিল রেশমশিল্প। বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ইনস্টিটিউটের হাত ধরে সেই রেশম আবার স্বপ্ন দেখাচ্ছে সুদিন ফেরানোর। রেশম নিয়ে গবেষণায় নিয়োজিত এই প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি রেশমের ৩৫টি নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে। এর মধ্যে ১৫টি মালবেরি (তুঁত) গাছ ও ২০টি রেশম কীট। নতুন এসব জাত রেশমশিল্পে সাড়া ফেলবে বলে মনে করছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, আগের জাতের চেয়ে নতুন জাতে অন্তত ১২ থেকে ১৫ শতাংশ বেশি উৎপাদন আসবে। এতে চাষিদেরও সাশ্রয় হবে।
বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট রাজশাহীর তথ্য অনুযায়ী, রেশমশিল্পের উন্নয়নে পাঁচ বছর আগে ‘রেশম প্রযুক্তি উন্নয়ন বিস্তার ও দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিকরণ’ নামে একটি প্রকল্প হাতে নেয় রেশম বোর্ড। চলতি বছরের জুনে শেষ হয়েছে প্রকল্পটি। ৩৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকার এই প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন করে রেশমে যুক্ত হয়েছে ১৫টি মালবেরি (তুঁত) জাতের গাছ ও ২০টি নতুন জাতের কীট। ফলে বর্তমানে মালবেরি জাতের গাছের সংখ্যা ৩৮টি ও রেশম কীটের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৪টিতে।
বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন গবেষণা কর্মকর্তা ফারুক আহম্মেদ ও রুমানা ফেরদৌস বিনত-এ রহমানের যৌথ গবেষণায় নতুন এসব জাত উদ্ভাবন হয়। নতুন ৩৫টি জাত (১৫টি তুঁত ও ২০টি কীট) উদ্ভাবনের ফলে বর্তমানে বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট রাজশাহীতে জার্মপ্লাজম ব্যাংকে তুঁত জাতের গাছের সংখ্যা ৬০ থেকে ৮৪ ও রেশম কীট জাতের সংখ্যা ৮৫ থেকে ১১৪টিতে উন্নীত হয়েছে। এর মধ্যে ২৭টি উচ্চফলনশীল রেশম কীটের জাত রয়েছে।
নতুন ২০টি রেশম কীট উদ্ভাবনের ফলে প্রতি ১০০টি রোগমুক্ত ডিমে ৭০ থেকে ৭৫ কেজি রেশমগুটি উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। আগে এর পরিমাণ ছিল ৬০ থেকে ৬৫ কেজি। এ ছাড়া উচ্চফলনশীল ১৫টি তুঁতজাত উদ্ভাবনের ফলে বছরে হেক্টরপ্রতি তুঁতপাতার উৎপাদন ৪০ থেকে ৪৭ মেট্রিক টনে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে। এর আগে প্রতি হেক্টরে রেশমের সর্বোচ্চ উৎপাদন ছিল ৩০ থেকে ৩৭ মেট্রিক টন। ফলে স্বল্প সময়ে ও অল্প ব্যয়ে মানসম্পন্ন কাঁচা রেশম সুতা উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।
গবেষণা কর্মকর্তা ফারুক আহম্মেদ দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘একটি নতুন জাত তৈরি করতে অন্তত ১০ বছর সময় লেগে যায়। এই গবেষণার কাজ আগেই কিছুটা এগিয়ে রাখায় পাঁচ বছরের মধ্যেই শেষ করা সম্ভব হয়েছে। রাজশাহী রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে জার্মপ্লাজম থেকে গবেষণার মাধ্যমে নতুন এই ১৫টি জাতের মালবেরি (তুঁত) জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে বিএসআরএম-৬৪, বিএসআরএম-৬৫ ও বিএসআরএম ৭৪ জাতের ট্রায়াল শেষ হয়েছে। এগুলো রেশম সম্প্রসারণের মাধ্যমে চাষিদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া হবে। বাকি জাতগুলো ট্রায়ালের জন্য রাখা হয়েছে।’
এই গবেষক আরও বলেন, ‘প্রকল্পটি দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে দ্বিতীয় পর্যায়ে এগুলোর ট্রায়াল শেষ করা হবে। এগুলো থেকে হেক্টরপ্রতি তুঁতপাতার উৎপাদন ৪০ থেকে ৪৭ মেট্রিক টনে উন্নীত করা সম্ভব হবে। তবে ট্রায়াল শেষ না হওয়া পর্যন্ত এগুলোর নামসহ বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।’
ঊর্ধ্বতন গবেষণা কর্মকর্তা রুমানা ফেরদৌস বিনত-এ রহমান বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে উদ্ভাবিত ২০টি নতুন রেশম কীটের জাতের সবগুলোই এখন ট্রায়াল পর্যায়ে আছে। এগুলো চাহিদা অনুযায়ী রেশম সম্প্রসারণের মাধ্যমে ক্রস হাইব্রিড জাত উৎপাদন করে সরবরাহ করা হবে।
বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট রাজশাহীর পরিচালক কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রধান ফসল হিসেবে চাষিদের তুঁত চাষ করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এখন বাড়ির আনাচকানাচে, রাস্তার ধারে পরিত্যক্ত জায়গায় বেশির ভাগ তুঁত চাষ হয়। রেশম গবেষণা ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকেও তুঁত চাষকে জনপ্রিয় করতে সাথি ফসল প্রবর্তন করা হয়েছে। চাষিরা এভাবে চাষাবাদ করলে লাভবান হবেন।
তিনি আরও বলেন, নতুন এসব জাত উদ্ভাবনের পর সেগুলো দিয়ে বিভিন্ন এলাকার কৃষক নিয়ে এখানে প্রশিক্ষণও দেয়া হয়েছে। এখন এগুলো ট্রায়ালে আছে। কিছু কিছু জাত রেশম সম্প্রসারণকে দেয়া হয়েছে। আর কিছু জাতের কাজ এখনো চলছে। সামান্য কিছু উন্নয়ন করতে হবে। এগুলো শেষ হলেই এই ৩৫টি নতুন জাত রেশম সম্প্রসারণ শাখার মাধ্যমে চাষিদের হাতে পৌঁছে দেয়া হবে।
উল্লেখ্য, রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী রেশম কারখানা ২০০২ সালে বন্ধ করে দেয় তৎকালীন জোট সরকার। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ফের সচলের উদ্যোগ নিয়ে ২০১৮ সালে কারখানাটি চালু হয়। সে সময় রেশমের সুদিন ফেরাতে ১৫৩ কোটি টাকার চারটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এরপর ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃতি পায় রাজশাহীর ঐতিহ্য রেশম। স্বীকৃতি পাওয়ার পর রেশম কাপড়ের চাহিদা বেড়েছে। বর্তমানে রেশমচাষিদের উৎপাদিত রেশমগুটি থেকে কারখানার সামনের রেশম ডিসপ্লেতে মিলছে প্রিন্টেড শাড়ি, টু-পিস, থান কাপড়, ওড়না, স্কার্ফ, টাই ইত্যাদি খাঁটি রেশমপণ্য।
বাজারে নিত্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং দ্রব্যমূল্যের। ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। শনিবার (১৪ মার্চ) বেড়ার নাকালিয়া বাজার ও বাটিয়াখড়া বাজারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খানের নেতৃত্বে এক বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
এই অভিযানে ব্যবসায়ীদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়েছে।
প্রশাসনের অভিযানের খবর পেয়ে অনেক সময় অসাধু ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। তাই এবার গাড়ি ব্যবহার না করে কৌশলে আগে থেকেই লোক পাঠিয়ে তদারকি করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, কিছু তেল ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে দোকান বন্ধ রেখেছেন এবং গত দুদিন ধরে তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি ও পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে।
অভিযান চলাকালীন ট্রেড লাইসেন্স না থাকা এবং দোকানে পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে মো. আলিম ফকির নামক এক ব্যবসায়ীকে নগদ (এক হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এটি অন্য ব্যবসায়ীদের জন্য একটি দৃষ্টান্তমূলক সতর্কবার্তা হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খান বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘অবিলম্বে সকল ব্যবসায়ীর বৈধ ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করতে হবে। দোকানের সামনে দৃশ্যমান স্থানে পণ্যের মূল্য তালিকা টাঙিয়ে রাখতে হবে। তেল বা অন্য কোনো নিত্যপণ্যের কৃত্রিম মজুত বা অহেতুক দাম বাড়ানো হলে জেল-জরিমানাসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে বাজার মনিটরিং করে দেখা গেছে সবজি, মাছসহ অন্য নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে এবং ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় জনস্বার্থে এই ধরনের ঝটিকা অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসন নিশ্চিত করেছে। জনভোগান্তি সৃষ্টি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অসাধু চক্রকে নির্মূল করা হবে।’
‘ঈদ কার্ড বানিয়ে খোলা উদ্যানে, শৈশবে ফিরে যাই নব উদ্যোমে’-এই স্লোগানে পবিত্র ঈদ উপলক্ষে মাগুরার সৃজনশীল সংগঠন ‘পরিবর্তনে আমরাই’ এবং জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের উন্মুক্ত মাঠ প্রাঙ্গণে হয়ে গেল ৩য় ‘ঈদ কার্ড উৎসব ২০২৬’।
৫ বছরের শিশু থেকে শুরু করে বয়োজেষ্ঠ্য বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজনটি উৎসবে পরিণত হয়। মাগুরা জেলা প্রশাসন এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে সহযোগিতা প্রদান করে।
সমবেতভাবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী ঈদের গান ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ গানটির মাধ্যমে আয়োজন শুরু করে পরিবর্তনে আমরাই সংগঠনটি। মোট তিনটি গ্রুপে যেমন প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি ‘ক’ গ্রুপ, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ‘খ’ গ্রুপ এবং একাদশ শ্রেণি থেকে যেকোনো বয়সি ‘গ’ গ্রুপে বিভক্ত হয়ে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময়ে মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের উন্মুক্ত মাঠে বসে সবাই ঈদ কার্ড বানানোর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।
পরিবর্তনে আমরাই সংগঠনটির সভাপতি নাহিদুর রহমান দুর্জয় জানান- ‘ঈদ কার্ড’ নামটার সাথে আমাদের বর্তমান প্রজন্মের তেমন সখ্যতা না থাকলেও আমাদের পূর্ববর্তী প্রজন্মের কাছে এটি একটি আবেগ। তাদের কাছে ঈদ মানেই ছিল ঈদ কার্ড বিনিময়ের আনন্দ। তবে বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির উন্নতি হয়েছে, আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়েছে সবকিছুই। কিন্তু স্মৃতিকে তো আর আধুনিক করা যায় না। দুঃখজনক হলেও এটা সত্যি যে এই আধুনিকতার নিচে চাপা পড়ে গিয়েছে আমাদের মা-বাবার সেই স্মৃতিময় ঈদ কার্ডের প্রচলন। বর্তমান প্রজন্মের মাঝে ঈদ কার্ডের আনন্দকে পুনরায় উজ্জীবিত করাই এই প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য।
পরিবর্তনে আমরাই এর সংগঠক কঙ্কনা সাহা বলেন, ‘জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মাগুরার সবাইকে নিয়ে ভ্রাতৃত্ববোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা বৃদ্ধির জন্য ৩ বছর ধরে ঈদ কার্ডের আয়োজন করা হচ্ছে।
প্রতিযোগিতা শেষে বিচারক হিসেবে মাগুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মুনিরুল ইসলাম মঞ্জু, চিত্রশিল্পী আবুল কালাম আজাদ, মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের চারুকলা শিক্ষক সুজল কুমার বিশ্বাস, মাগুরা জেলা শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা প্রশিক্ষক বিপ্লব বিশ্বাস ও মাগুরা সদর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা প্রশিক্ষক বিএম সজীব ৩ গ্রুপে ৯ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রায় ২০০ জনকে ঈদের শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে একটি করে মেহেদী দেওয়া হয়।
প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দিয়ে বলেন, ‘এটা একটা মহৎ উদ্যোগ। লেখাপড়ার পাশাপাশি এ ধরনের সৃজনশীল কাজের মধ্যে থাকলে ছেলে-মেয়েরা নেশার পথে পা বাড়াবে না। তা ছাড়া এই সংগঠনটির দেখাদেখি অন্য ছেলে-মেয়েরাও আরও অন্য সৃজনশীল কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করবে।’
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দীন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জাহিদুল আলম ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
হালদা নদীতে মা মাছের প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই ৬টি হ্যাচারি মেরামত ও পুনর্নির্মাণে কাজ শুরু হয়েছে। আসন্ন প্রজনন মৌসুমে হ্যাচারিগুলো সচল করা হলে হালদা নদী থেকে ডিম সংগ্রহ করে হাচারিতে ডিম থেকে রেনু উৎপাদন করতে পারবে ডিম সংগ্রহকারীরা। এতে নদীর তীরে খনন করা মাটির কুয়ায় ডিম সংগ্রহকারীরা ডিম ফোটানোর সময় ডিম নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। সরকারি হ্যাচারি ছাড়া ও রাউজানের পশ্চিম বিণাজুরী, হাটহাজারীর গড়দুয়ারা নয়াহাট এলাকায় আইডিএফের দুটি হ্যাচারি সচল রয়েছে।
প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০২৩ সালে শুরু করা ৪৬ কোটি টাকার ২ প্রকল্পের আওতায় রাউজানের পশ্চিম গহিরা, কাগতিয়া, গহিরা মোবারক খীল, হাটহাজারীর মদুনাঘাট, মাছুয়া ঘোনা, মাদ্রাসা সরকারি ৬টি হ্যাচারি মেরামত পুনর্নির্মাণের কাজ চলছে। প্রকল্প পরিচালক মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘রাউজান ও হাটহাজারীর হ্যাচারিগুলো সচল করতে পুনর্নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করার পর হ্যাচারি মেরামত ও পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের আওতায় হ্যাচারি মেরামত ও পুনর্নির্মাণ কাজ ছাড়া ও হ্যাচারিসমূহের পুকুর পুনঃখনন করার মাধ্যমে পোনা প্রতিপালনের উপযোগী করার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ৭ লাখ ঘনমিটার পুকুর খনন করা হয়েছে। এসব নার্সারি পুকুর থেকে ২ লাখ ৮৮ হাজার হালদা নদীর পোনা পরিচর্যা করার পর হালদা নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগী মৎস্যজীবী, ও ডিম আহরণকারী এবং হালদা নদী ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত স্থানীয় কর্মকর্তা, কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ প্রদান করার কাজ চলছে। এ ছাড়া স্টোকহোলডারদের অংশগ্রহণে ৫১ ব্যাচ ওয়ার্কসপ, সেমিনার, ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সফল আয়োজন করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ১০০ জন দরিদ্র জেলে ও সুফলভোগীদের বিকল্প কর্মসংস্থানের আওতায় উপকরণ সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৯০ জনকে বিকল্প কর্মসংস্থানের আওতায় ছাগলসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। হালদা নদীতে নাজির হাট ব্রিজ থেকে চট্টগ্রাম নগীর কালুর ঘাট হালদা মোহনা পর্যন্ত ৪০ জন পাহারাদার নিয়োগ করা হয়েছে। হালদা নদীতে অবৈধ মাছ শিকার ও দূষণ প্রতিরোধে মৎস্য আইন বাস্তবায়নের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মৎস্য অধিদপ্তর, রাউজান উপজেলা প্রশাসন, হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন, নৌপুলিশ ৬৪৫টি অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ জাল ও বড়শি জব্দ করে তা ধংস করে। চট্টগ্রাম জেলা ১৪টি উপজেলা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, খাগড়াছড়ি জেলার নকছড়ি, রামগড়, রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই প্রকল্পের আওতাভুক্ত উপজেলাসমূহে সরকারি কর্মকর্তা, পেশাজীবীসহ সংশ্লিস্টদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা করা হয়েছে। প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০২৩ সালে শুরু করা ৪৬ কোটি টাকার ২ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে ২ কোটি ২০ লাখ কৃষকের জন্য কৃষি কার্ডের প্রি-পাইলট কর্মসূচি চালু হবে। এছাড়াও আগামী ১৮ মাসের মধ্যে ১ কোটি কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে।
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার সামাজিক সুরক্ষণ ব্যবস্থায় দলীয়করণ করে গেছে। ফলে এই তালিকায় যার নাম থাকার কথা ছিল তার নাম নেই। আবার এই তালিকায় যার নাম থাকার কথা ছিল না, তার নাম দেওয়া হয়েছে। এটি হয়েছে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে। তবে আমরা সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি। সকল ত্রুটি এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ মুক্ত করে প্রকৃত সুবিধাভোগী বা অধিকারভোগীর কাছে তার প্রাপ্য পৌঁছে দেওয়ার।
তিনি আরও বলেন, আমরা নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের যাত্রা শুরু হয়েছে। আজ থেকে ইমাম, মোয়াজ্জেম, পুরোহিত ও সেবায়েতদের ভাতা চালু করা হয়েছে। আগামী ১৬ মার্চ থেকে খাল খনন ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি চালু হবে। আমাদের নির্বাচনের অমুচনীয়-কালি মোছার আগেই আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিফাতুল হকের সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ, জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ।
এসময় উপজেলায় কর্মরত সকল সরকারি দপ্তর প্রধান, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রায় ৭০০ জন অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার উপজেলার নশাসন ইউনিয়নের মাঝিরহাট এলাকায় হালিমা-খালেক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এই ঈদ উপহার বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সফিকুর রহমান কিরণ প্রধান অতিথি থেকে অসহায়দের মাঝে এই উপহার তুলে দেন। উপহার পেয়ে খুশি উপকারভোগীরা। তারা বলেন, এই সহায়তা তাদের ঈদের প্রস্তুতিতে অনেকটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।
এসময় এমপি সফিকুর রহমান কিরণ বলেন, হালিমা খালেদ ফাউন্ডেশন–এর উদ্যোগে নড়িয়ার নাশাষন ইউনিয়ন–এর অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। নশাসন ইউনিয়নের প্রায় ৭০০টি দরিদ্র পরিবারের হাতে সহায়তার ব্যাগ তুলে দেওয়া হয়। আমরা অসহায়ের মাঝে সহায়তা পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমাদের বিশ্বাস, আগামী এক বছর পর যখন আবার রমজান মাস আসবে, তখন এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে। এমন একটি সময় আসবে, যখন আমরা সহায়তার ব্যাগ নিয়ে অপেক্ষা করবো, কিন্তু এত হতদরিদ্র মানুষ আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে এটাই আমাদের বিশ্বাস। আমরা চাই দ্রুত সময়ের মধ্যেই আমাদের সমাজে যারা গৃহহারা, যারা সাহায্য থেকে বঞ্চিত, যাদের পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই, বিশেষ করে অনেক বয়স্ক মানুষ আছেন, যাদের দেখাশোনার মতো ছেলে-মেয়ে নেই এবং অনেক সময় না খেয়েই দিন কাটাতে হয় তাদের পাশে দাঁড়াতে।
এমপি আরও বলেন, আমি চাই আমার নড়িয়া ও সখিপুর এলাকার মানুষ যেন আর কখনো না খেয়ে ঘুমাতে না যায়। এটাই আমার অঙ্গীকার।
এসময় নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ রয়েল মাঝি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বিএম আজিজুল হাকিম, হালিমা-খালেক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও শরীয়তপুর সাংবাদিক সমিতি ঢাকার সভাপতি হাবিবুর রহমান পলাশ, পরিচালক মাহবুবুর রহমান ফকির, মোসাম্মৎ সাধনা মাঝি, হোসাইন ইসলাম জয়সহ বিএনপি ও তাঁর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতি উপজেলাকে মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন থেকে রক্ষায় নির্মাণাধীন ৩৭ কিলোমিটার তীর রক্ষা বাঁধের কাজ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
আজ শনিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে কমলনগর উপজেলার ফলকন ইউনিয়নের মাতাব্বরহাট এলাকায় পৌঁছান তিনি। সেখানে তিনি চলমান বাঁধ নির্মাণকাজের ভৌত অগ্রগতি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও প্রকল্পের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মো. সাহাদাত হোসেন সেলিম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান হাছিব, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফের) সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক এম. দিদার হোসেন, কমলনগর প্রেসক্লাব সভাপতি মুছাকালিমুল্লাহ সদস্য শাহরিয়ার কামাল ও মো.এমরান হোসেন সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
পরিদর্শন শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, মেঘনার ভাঙন থেকে এ অঞ্চলের মানুষকে রক্ষা করা আমাদের অগ্রাধিকার। আগামী বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই বাঁধের কাজ যাতে দৃশ্যমান হয় এবং সাধারণ মানুষ এর সুফল পায়, সে লক্ষ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত কাজ শেষ করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কাজের গুণমান বজায় রাখতে তিনি সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেন।
এ সময় হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বাঁধ নির্মাণের কাজ দ্রুত ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। দীর্ঘদিনের এই জনদাবি বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পানিসম্পদ মন্ত্রী আজ দিনব্যাপী রামগতি ও কমলনগর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন ভাঙনপ্রবণ এলাকা ও বাঁধের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো পরিদর্শন করবেন। মন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া থেকে রক্ষা পেতে সবাইকে সচেতন ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, "ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৪ মার্চ থেকে দেশজুড়ে প্রতি শনিবার নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি বা ‘ক্লিনলিনেস ড্রাইভ’ ঘোষণা দিয়েছেন। সেই লক্ষ্যে বর্ষা মৌসুমের আগেই রাজশাহীতে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে বাড়ি, আঙিনা, ড্রেন ও জলাধার পরিষ্কার রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।" শনিবার সকাল ১০টায় পবা উপজেলার বায়া ব্রিজ সংলগ্ন গাংগপাড়া খালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী মিনু আরও বলেন, এ ধরনের কর্মসূচিতে কোনো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন, স্টেজ বা বেলুন ওড়ানোর প্রয়োজন নেই।
পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। নিয়মিত নদী ও খাল পরিষ্কার রাখলে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
এদিন রাজশাহীতে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রী কোনো স্টেজ বা মাইক্রোফোন ব্যবহার করেননি এবং কোনো বেলুনও ওড়ানো হয়নি।
এ সময় রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের জঙ্গল পরিষ্কার করতে হবে আমাদেরই।
কে জঙ্গল তৈরি করেছে তা নিয়ে বিতর্কের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এখন সেই জঙ্গল পরিষ্কার করা। রোগ প্রতিরোধে নদী-নালা পরিষ্কার রাখা জরুরি।, "ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র যেন তৈরি হতে না পারে, সে জন্যই এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।"
এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন রাজশাহী। এতে সার্বিক সহযোগিতা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও নওহাটা পৌরসভা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক মো. জাকিউল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহা. সবুর আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মহিনুল হাসানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নওহাটা পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (১১ মার্চ) এক বিশেষ ভিডিওবার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া থেকে রক্ষা পেতে সচেতন ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তারই ধারাবাহিকতায় আজ থেকে প্রতি সপ্তাহে শনিবার সারা দেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের সূচনা করা হয়েছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহীর পবা উপজেলার বায়া ব্রিজ সংলগ্ন গাংগপাড়া খালে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করা হয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি বলেছেন, গত ১৭ বছর এ দেশে নির্বাচিত সরকার ছিল না। এত বছরের জঞ্জাল আমাদেরকে পরিষ্কার করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সকল বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে। বর্তমান সরকার জনগণের স্বার্থ ও মঙ্গলের জন্য যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, সকলের আন্তরিকতা-সহযোগিতার মধ্য দিয়ে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার রহমতখালী, ওয়াপদা, জকসিন ও মান্দারী খাল পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেছেন।
শহীদ উদ্দিন এ্যানি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী গত ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারুল উপজেলায় সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। পর্যায়ক্রমে সারাদেশেই এ কর্মসূচি শুরু হবে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার শাসনামলে এ কর্মসূচি শুরু করেছিলেন এবং সে সময় খাল খননের সুবিধাও পাওয়া গেছে। ফসল উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে এবং মাছচাষও বেড়েছিল। সবকিছু মিলে এলাকাটিকে স্বনির্ভর হিসেবে গড়তে সক্ষম হয়েছিলেন।
মন্ত্রী জানান, এখন সারা বাংলাদেশকে স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে প্রেসিডেন্ট জিয়ার খাল খনন কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব এগিয়ে নিয়ে যাব। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা চান তিনি। যারা অবৈধভাবে খালের জায়গা দখল করেছেন এবং বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন, তাদের আরও সতর্ক এবং সজাগ হওয়ার আহ্বান জানান পানিসম্পদ মন্ত্রী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ-উজ জামান খান; বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি; সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ; চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি এম বেলাল হোসেন; জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপন এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহিম প্রমুখ।
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন রামচন্দ্রপুর বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে সাইফুল ইসলাম (চাষী সাইফুল) নামে এক কলেজ শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত সাইফুল ইসলাম জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের মোবারক আলীর ছেলে। তিনি গত তিন বছর ধরে রামচন্দ্রপুর অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজে ইংরেজি বিষয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী জানান, গত ৫ তারিখে তিনি কলেজে ক্লাস নিয়েছিলেন। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। তিনি মাঝেমধ্যে কাউকে কিছু না জানিয়েই কয়েকদিন কলেজে অনুপস্থিত থাকতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার (৮ মার্চ) শিক্ষার্থীরা তার ভাড়া বাসায় এসে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে তারা ফিরে যান।
এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। পরে দরজার দুটি তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহে পচন ধরেছে, ধারণা করা হচ্ছে চার থেকে পাঁচ দিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
পাবনার বেড়ায় মরহুম অ্যাডভোকেট আবদুর রহিম এবং বেগম নূরুন্নাহার স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে ‘কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে সিএন্ডবি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নূরুন্নাহার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সচিব ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সার্বক্ষণিক সদস্য মো. সেলিম রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও বেড়া পৌর বিএনপি’র সভাপতি আলহাজ ফজলুর রহমান ফকির এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও বিশিষ্ট চিকিৎসক আলহাজ ডা. আব্দুল বাসেত খান।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর (অব.) এ.টি.এম ফজলুর রহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট ও বিশেষ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। বক্তারা তাদের বক্তব্যে পবিত্র কোরআনের আদর্শে জীবন গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এ ধরনের আয়োজনের প্রশংসা করেন।
পুরস্কার বিতরণ শেষে মরহুমদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি বলেছেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি এসেছে। ইতোমধ্যে পুরো দেশের দৃশ্যপট তিনি বদলে দিয়েছেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানিসহ নানা জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল ১১টায় জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বগুড়া পৌর ও সদর উপজেলার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন বরাদ্দ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যা বলেন, তাই করে দেখান। ভোটের সময় দেয়া হাতের কালি শুকানোর আগেই তার নেতৃত্বে নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন হচ্ছে। দেশবাসীর কাছে তার সুফল দৃশ্যমান।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সরকার প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে তারেক রহমানের দৈনন্দিন কার্যক্রম ও বিভিন্ন পদক্ষেপ নজিরবিহীন। যা দেখে দেশের মানুষ অত্যন্ত আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে জনগণ স্বাচ্ছন্দ্যে থাকে। সরকার পরিচালনায় বিএনপির অভিজ্ঞতা, গৌরবোজ্জ্বল অতীত ও সুনাম রয়েছে। যা অন্য রাজনৈতিক দলের নেই। সেই জন্যই গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ বিপুল ভোটে বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। বিএনপি দুর্নীতিমুক্ত, উন্নত ও সমৃদ্ধ নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়। যেখানে মানুষ জান-মালের নিরাপত্তা পাবে। শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করবে।
বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেলের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন শহর বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহুরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ তাহা উদ্দিন নাহিন, জজকোর্টের জিপি অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম টুকু, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমা বেগম প্রমুখ।
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে পাঁচ দোকানিকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত হাটহাজারীর বিভিন্ন ঈদ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ আল মুমিন বলেন, ‘ঈদ বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সময় অবৈধভাবে ফুটপাত দখল, কেনা-বেচার সঠিক রশিদ/ ডকুমেন্টস সংরক্ষণ না করে বেশি দামে বিক্রয়, যথাযথ লাইসেন্স না রাখা, অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা না রাখা ইত্যাদি অপরাধে জুয়েলকে ২০ হাজার, আবু তাহেরকে ১০ হাজার, লোকমানকে ১০ হাজার, মো. রায়হান রাজুকে ১০ হাজার ও মুশফিকুর রহমানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘পবিত্র রমজানের ঈদের শপিং যেন মানুষ নির্বিঘ্নে করতে পারে সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের বাজার তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত অব্যাহত থাকবে। কোথাও কোনো অনিয়মের অভিযোগ পেলে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করার অনুরোধ করেন।
যশোরের কেশবপুরে অনলাইন (ভিডিও কলে) চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে ৮ মাস বয়সী শিশু আরিয়ানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালের মালিক বিদেশে অবস্থান করে অনলাইনের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানালে হাসপাতালের নার্স ও কর্মচারীরা মৃত শিশুর পরিবারের সদস্যদের মারধর করে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার (১১ মার্চ) সকালে কেশবপুর শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হলে গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেক্সোনা খাতুন হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শনে ব্যর্থ হয় এবং সেখানে কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক উপস্থিত না থাকায় হাসপাতালের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন ইউএনও। একই সঙ্গে হাসপাতালের বিলবোর্ড খুলে ফেলারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
সেসময় উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রেহেনেওয়াজ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কেশবপুরে কিছু অসাধু ক্লিনিক ব্যবসায়ীর কারণে প্রায়ই ভুল চিকিৎসার ঘটনা ঘটছে। এতে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন। এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কেশবপুরবাসী।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।