শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
২ কার্তিক ১৪৩৩

বাগেরহাটে যুবককে ২২ ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

আপডেটেড
২৯ মার্চ, ২০২৩ ১২:৫৬
প্রতিনিধি, বাগেরহাট
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, বাগেরহাট
প্রকাশিত : ২৯ মার্চ, ২০২৩ ১১:৫৪

বাগেরহাটের রামপালে শেখ আব্দুল্লাহ (২৫) নামের এক যুবককে প্রায় ২২ ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে নির্যাতনের বিষয়টি কাউকে না জানানোর শর্তে পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। গত ২৩ মার্চ উপজেলার ব্রী-চাকশ্রি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, গত ২৩ মার্চ দুপুরে ইজিবাইকযোগে বাগেরহাট আসার পথে রামপাল উপজেলার চাকশ্রি নামক স্থান থেকে জোরপূর্বক শেখ আব্দুল্লাহকে তুলে নিয়ে যায় ব্রি চাকশ্রী এলাকার শেখ হাসান আলী ও ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহর ভাগনে আবু সালেহসহ কয়েকজন। পরে প্রায় ২২ ঘণ্টা নির্যাতনের পরে পরদিন শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে ছেড়ে দেয়া হয়।

নির্যাতনের শিকার আব্দুল্লাহ বাগেরহাটে সদর উপজেলার মুনিগঞ্জ এলাকার শেখ গফুরের ছেলে। সে বর্তমানে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নির্যাতনের শিকার আব্দুল্লাহ বলেন, পূর্ব পরিচিত হওয়ায় ব্রি চাকশ্রী এলাকার শেখ হাসান আলীকে এক লাখ ২৭ হাজার টাকা ধার দেই করি। কিন্তু সে আমাকে টাকা না দিয়ে নানা টালবাহানা করতে থাকে। এক পর্যায়ে টাকা পরিশোধ বাবদ শেখ হাসান আলী তার ইজিবাইকটি আমার কাছে বিক্রি করে দেয়। এরপর প্রতিদিন দুই শ টাকা ভাড়ায় ইজিবাইকটি চালাতে থাকে হাসান আলী। কয়েকদিন ভাড়া দিলেও পরে আর দেয়নি। যে কারণে ইজিবাইকটি বিক্রি করে দেই।

পরে এ বিষয় নিয়ে আর কথা হয়নি। কিন্তু হঠাৎ করে গত ২৩ মার্চ দুপুরে শেখ হাসান আলী ও চেয়ারম্যানের ভাগনে আবু সালেহসহ কয়েকজন মিলে জোরপূর্বক আমাকে ধরে নিয়ে যায়। ব্রি চাকশ্রী এলাকায় শেখ হাসান আলী বাড়িতে নিয়ে আমাকে নির্যাতন করে। সন্ধ্যার দিকে আমার বন্ধু প্রাইভেট কার চালক আল আমিনকে চাকশ্রী আসার জন্য আমাকে দিয়ে ফোন করায়। পরে আল আমিন গেলে তাকেও বেঁধে রাখে হাসান ও আবু সালেহরা। সারা রাত আমাকে নির্যাতন করেছে আবুল সালেহ ও হাসানসহ কয়েকজন। বেধড়ক মারধরের পাশাপাশি শরীরে সিগারেটের সেকা ও আঙ্গুলের মধ্যে খেজুরের কাটা ঢুকিয়ে দেয়। এ ছাড়া চোখ উঠিয়ে ফেলার হুমকি দেয়।

আব্দুল্লাহ আরও বলেন, সারা রাত এভাবে নির্যাতনের পর দুপুরে বাইনতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহর কাছে নিয়ে যায় আমাদের। তিনি কোনো কথা না শুনে আমাদের চোখ তুলে ফেলতে বলেন। পরে ফাঁকা স্ট্যাম্পে আমার এবং আমার মায়ের স্বাক্ষর রেখে এবং তিন লাখ টাকার দেয়ার স্বীকারোক্তি রেখে ছেড়ে দেয়।

শেখ আব্দুল্লাহর মা খালেদা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে যেভাবে নির্যাতন করেছে, তা মানুষে করে না। চেয়ারম্যানের কাছে যেয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। আমি আমার ছেলেকে নির্যাতনের বিচার চাই।

শেখ আব্দুল্লাহর বন্ধু প্রাইভেটকার চালক আল আমিন বলেন, আল আমিনের ফোন পেয়ে চাকশ্রী বাজারে গেলে, হাসান ও আবু সালেহ আমাকে বেঁধে রাখে। সারা রাত আব্দুল্লাহকে নির্যাতন করে। শুক্রবার দুপুরে আমাদের ছেড়ে দেয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে বাইনতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহ বলেন, আমার সামনে কোনো নির্যাতন হয়নি। আবু সালেহ আমার ভাগনে নয়।

বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের তত্ত্ববাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার বলেন, আব্দুল্লাহর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলা-জখম রয়েছে। গুরুতর কোনো জখম হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যাবে।

এদিকে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ২ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ঘরের পেছনে আম গাছের সঙ্গে বেঁধে এক যুবককে মারধর করছে কয়েকজন যুবক। পরে ওই যুবককে মাটিতে ফেলে এক পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে অন্য পা উপরে উঠিয়ে গালিগালাজ করা হচ্ছে। এক পর্যায়ে দুই পায়ের তলায় মোটা লাঠি দিয়ে পেটাতে দেখা যায় আবু সালেহকে। ওই সময় যুবক মাগো মাগো বলে চিৎকার করতে শোনা যায়।

পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক বলেন, ভিডিওটি আমরা দেখেছি। বিষয়টি তদন্ত চলছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিষয়:

নির্বাচিত

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় আগুন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 নিজস্ব প্রতিবেদক

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা সফিপুরে অবস্থিত ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন লাগার প্রায় এক ঘণ্টা পর তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কারখানাটির হারবাল সেকশনে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী জানান, আগুনের খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করে। পরে আরো তিনটি ইউনিট যোগ দেয়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুণ লাগার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কালিয়াকৈর ও কোনাবাড়ী ফায়ার স্টেশনের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে গাজীপুর চৌরাস্তা ফায়ার স্টেশন থেকে আরও ২টি ইউনিট যুক্ত হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর অর্থাৎ সাড়ে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।


নির্বাচিত

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকবে ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পিরোজপুর প্রতিনিধি

দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্জিত গণতন্ত্র রক্ষায় ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’ দেশের প্রতিটি প্রান্তে প্রহরীর মতো প্রস্তুত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) পিরোজপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’ পিরোজপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

‎‎বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম পিরোজপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক গাজী কামরুজ্জামান শুভ্রর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) ইঞ্জিনিয়ার মো. জুয়েল খান।

‎‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মো. জুয়েল খান বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরে সংগঠনকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে দেশব্যাপী এই সাংগঠনিক সফর পরিচালনা করা হচ্ছে। দেশের যেকোনো সংকটে মুক্তিযুদ্ধের সন্তানেরা রাজপথে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে।’ তিনি আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধের সন্তানদের পাশাপাশি দেশপ্রেমিক তরুণ সমাজকে একত্রিত করে আগামী দিনে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে।

বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আহম্মেদ শহীদুল হক চান, পিরোজপুর জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. সালাম বাতেন এবং ‎পিরোজপুর জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিদ্দিকুল আলম (পাশা)। ‎এছাড়াও সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য গোলাম মুক্তাদির মুরাদ, খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক এইচ এম খলিলুর রহমান, বরিশাল মহানগরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আমানুজ্জামান খান এবং বরিশাল জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম ভুট্টো।

‎সভায় বক্তারা জানান, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে বরিশালে অনুষ্ঠিতব্য বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে পিরোজপুরের প্রতিটি উপজেলায় শিগগিরই কর্মী সভা সম্পন্ন করে নতুন নেতৃত্ব ও প্রস্তাবিত কমিটি গঠন করা হবে। অনুষ্ঠানটিতে স্থানীয় নেতাকর্মী ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী পরিবারের সদস্যরা বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।


নির্বাচিত

খাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্তে এসএমজি ও ১০০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি সাবমেশিনগান (এসএমজি), ১০০ রাউন্ড গুলি ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)-এর অধীন বৌদ্ধমনিপাড়া বিওপির একটি নিয়মিত টহল দল কচুছড়িমুখ পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালায়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বৌদ্ধমনিপাড়া বিওপির নায়েব সুবেদার মো. এমদাদুল হকের নেতৃত্বে টহল দলটি সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে দায়িত্ব পালন করছিল। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক ১২০ থেকে ১৫০ গজ দূরে অন্ধকারাচ্ছন্ন স্থানে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির উপস্থিতি দেখতে পায় টহল দল।

পরে কৌশলগতভাবে সামনে অগ্রসর হলে সীমান্তসংলগ্ন পাহাড় থেকে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দলকে সীমান্ত সড়কে নেমে আসতে দেখা যায়। বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করে থামতে বললে সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় টহল দল ধাওয়া করলে তারা সীমান্ত সড়ক থেকে আশপাশের ঘন পাহাড়ি জঙ্গলে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি ৭.৬২ মিলিমিটার এসএমজি, ১০০ রাউন্ড গুলি এবং দুটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ পানছড়ি থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে।

পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম জানান, সীমান্ত এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে বাহিনীর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। সীমান্তে অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচার প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রসায়ন বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাবিলার মৃত্যু হয়েছে। নাবিলার মৃত্যুর বিষয়টি তার মা নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন পাটোয়ারটেক সৈকত এলাকার টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুল আহাদ সরকারের পরিবারের সদস্যদেরও মৃত্যু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আহাদ প্রথমে পরিবারের ছয় সদস্যের মৃত্যুর কথা জানান। পরে আরও একজনের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে মোট সাতজনের প্রাণহানির খবর দেন।

উল্লেখ্য, শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কাঠের তৈরি রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ছাড়া অগ্নিকাণ্ডে আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


নির্বাচিত

ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জন হাস্যকর: বিমানমন্ত্রী

বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৩৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফেরার গুঞ্জন অবান্তর ও হাস্যকর। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সুযোগ সৃষ্টি না হলে দেশের অস্তিত্ব সংকটে পড়ত এবং অতীতে বেগম খালেদা জিয়ার দেওয়া বক্তব্যই আজ বাস্তবে প্রমাণিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিগত শাসনামলে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি ও বাড়িঘর দখলের অধিকাংশ ঘটনা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই ঘটিয়েছে। অথচ এই সমস্ত অপকর্মের দায় অন্যের ওপর চাপিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে ‘জঙ্গি রাষ্ট্র’ হিসেবে তুলে ধরার চক্রান্ত করা হয়েছিল।

বর্তমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে বিমানমন্ত্রী বলেন, তৎকালীন সরকারের কোনো ধরনের দূরদর্শী পরিকল্পনা কিংবা নতুন গ্যাস কূপ খননের প্রস্তুতি ছিল না। তাদের সেই নীতিহীনতার মাশুলই আজ পুরো দেশবাসীকে গুনতে হচ্ছে।

জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবু, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, ফরিদুল কবির শামীম তালুকদার এবং নিলুফার চৌধুরী মনি। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।


নির্বাচিত

মাগুরায় ৭৫ অসহায় ব্যক্তিকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা অনুদান প্রদান

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরায় প্রতিবন্ধী,অসহায় ও গৃহহীন ৭৫ জন ব্যক্তির মাঝে মোট ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করেছে জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ। প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে এ অনুদান দেওয়া হয়। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান।

অনুষ্ঠানে মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেরুন্নাহার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, মাগুরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তার হোসেন, মাগুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমান, সদর থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের এ অনুদানের মাধ্যমে অসহায়, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীন ব্যক্তিরা আর্থিকভাবে কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

খুবির এসডব্লিউই ডিসিপ্লিনের রজতজয়ন্তী ও অ্যালামনাই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সয়েল, ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট (এসডব্লিউই) ডিসিপ্লিনের রজতজয়ন্তী ও অ্যালামনাই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিনব্যাপী এ আয়োজনে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা, র‌্যালি, আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচির শুরুতে বেলা ১১টায় দ্বিতীয় একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাদি চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে অদম্য বাংলা প্রাঙ্গণে কেক কাটা হয়। দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, একটি ডিসিপ্লিনের ২৫ বছরের পথচলা কেবল সময়ের হিসাব নয়; এটি অসংখ্য মানুষের শ্রম, মেধা, স্বপ্ন, ত্যাগ ও সাফল্যের সম্মিলিত ইতিহাস। এ আয়োজন শেকড়ের টানে ফিরে আসা, স্মৃতিচারণ এবং পারস্পরিক বন্ধন সুদৃঢ় করার এক অনন্য উপলক্ষ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জীব বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. গোলাম হোসেন এবং সয়েল, ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব খুলনা ইউনিভার্সিটির (সাকু) সাবেক সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির ও সভাপতি মো. সাফায়েত হোসেন। সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাবের হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাকুর সহ-সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির।

অনুষ্ঠানে সয়েল, ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিন প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রয়াত শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়াকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া শিক্ষা, গবেষণা, খেলাধুলা ও কর্মজীবনে বিশেষ অবদানের জন্য প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক নিপা অধিকারী ও সহকারী অধ্যাপক এস. এম. শাহরিয়ার জামান।

এ ছাড়া বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে প্রয়াত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ৩টায় শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং বিকেলে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


নির্বাচিত

নীলফামারীর ৮১২টি পূজামণ্ডপে এসআরবির বিশেষ নিরাপত্তা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নীলফামারী প্রতিনিধি

শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে নীলফামারীর ৮১২টি মন্দির ও পূজামণ্ডপে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩ (এসআরবি-১৩)। নাশকতা ও অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১টায় নীলফামারী শহরের শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীমাতা দুর্গাপূজা মন্দিরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান রংপুরের এসআরবি-১৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনজুর করিম।

তিনি জানান, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় পর্যাপ্তসংখ্যক সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি সাদাপোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সাইবার মনিটরিং কার্যক্রম চলবে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত।

এ ছাড়া প্রতিমা বিসর্জনের দিন নেওয়া হবে অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা। গুজব ও উসকানিমূলক তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনো তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে এসআরবি-১৩।


নির্বাচিত

বন্ধুকে হত্যার পর নদীতে ফেলে গুম ৫ মাস পর কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাকিবুল হাসান রোকেল, কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পাঁচ মাস আগে নিখোঁজ হওয়া আরিফ মিয়া ওরফে সালমান (২১) নামের এক তরুণকে হত্যার অভিযোগে তার চার বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

পুলিশের ভাষ্য, ড্যান্ডি সেবনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সালমানকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ নরসুন্দা নদীতে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। নিখোঁজের পাঁচ মাস পর গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে নদী থেকে তাঁর মাথার খুলি, বুকের পাঁজরসহ ৭৭টি হাড় উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর গ্রামের গোলাপ মিয়ার দুই ছেলে সাকিব (১৮) ও মাফি (১৫), মৃত মোতালেবের ছেলে রফিক (৪০) এবং শামছুদ্দিনের ছেলে রমজান মিয়া (৩৫)।

পুলিশ সুপার জানান, গত ১৮ মে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সালমান বাড়ি থেকে ইলিমান বাজারের উদ্দেশে বের হন।

এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি।

পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরদিন ১৯ মে হোসেনপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

জিডির সূত্র ধরে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় তদন্ত শুরু করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে সালমান ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মুঠোফোনের কথোপকথন এবং চলাফেরার তথ্য বিশ্লেষণ করে পুলিশ।

এতে সালমানের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার বন্ধুদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায় বলে জানান পুলিশ সুপার।

তিনি আরও জানান, ছেলের নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ মাস পার হলেও কোনো সন্ধান না পেয়ে গত ১৬ অক্টোবর হোসেনপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন সালমানের বাবা ফজলুর রহমান।

মামলার পর ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়ার নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে পাকুন্দিয়ার বিশ্বনাথপুর গ্রাম থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন।

পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সালমানকে হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশে নরসুন্দা নদীর কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করেছেন।

পুলিশ সুপার জানান, পাঁচজন মিলে ড্যান্ডি সেবন করার সময় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সালমান বাঁশ দিয়ে মাফিকে আঘাত করেন। পরে বাঁশটি কেড়ে নিয়ে চারজন সালমানকে পিটিয়ে হত্যা করেন। এরপর তার মরদেহটি নদীর কচুরিপানার নিচে চাপা দিয়ে রাখা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল শুক্রবার দুপুরে হোসেনপুর উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের হাতিমের স্কুলের পাশের নরসুন্দা নদী থেকে কঙ্কালের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে ছিল মাথার খুলি, বুকের পাঁজরসহ মোট ৭৭টি হাড় এবং একটি গেঞ্জি।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে গিয়ে গেঞ্জি দেখে সালমানের মা সালমা কঙ্কালটি তার ছেলের বলে শনাক্ত করেন।

তবে পরিচয় নিশ্চিত করতে কঙ্কালটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান পুলিশ সুপার। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মুকিত সরকার, ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বাহার মিয়াসহ পুলিশের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

চাঁদাবাজি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: চিফ হুইপ

আজ বরগুনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫১
অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো অপরাধীকে রাজনৈতিক পরিচয়ে ছাড় দেওয়া যাবে না।

আজ বরগুনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সরকারি সেবার মানোন্নয়ন প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। জনগণ যেন হয়রানি ছাড়াই সরকারি সেবা পায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, বরগুনার সার্বিক উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বরগুনাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগানো সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের অংশ। এ অঞ্চলের কৃষি, মৎস্য, পর্যটন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

চিফ হুইপ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সরকারি বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল যেন প্রকৃত অর্থেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা, সততা ও আন্তরিকতার বিকল্প নেই। বরগুনার সার্বিক উন্নয়ন এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

বরগুনার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাছলিমা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ওলি উল্লাহ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

ইনানীর রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কক্সবাজার প্রতিনিধি 

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন পাটোয়ারটেক এলাকায় কাঠের তৈরি একটি বিলাসবহুল অবকাশ যাপন কেন্দ্রে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দশে দাঁড়িয়েছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো সবাই পর্যটক বলে নিশ্চিত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে পাঁচজন নারী ও একটি শিশুসহ ছয়জনের পরিচয় ইতিমধ্যে শনাক্ত করা গেছে।

গত শনিবার সকালে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন ‘টুপটুপ’ নামের ওই রিসোর্টটিতে হঠাৎ করেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই বেশ কয়েকজন গুরুতর দগ্ধ ও আহত অবস্থায় উদ্ধার হয়ে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়া নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন রাজধানীর বনশ্রী এলাকার বাসিন্দা ইসরাত জাহান মালিহা ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী, খিলগাঁও এলাকার লায়লা জাহান নাবিলা ও নাফিসতা মীম, চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির এবং পাঁচ বছর বয়সী শিশু ফায়িজান আহম্মেদ। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন এবং তাঁর স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খানসহ মান্নান, মেহেরুন্নেসা, মাসুদ ও সামিদা।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনামতে, সকালের দিকে হঠাৎ করেই রিসোর্টটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ও পুলিশের সহায়তায় দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান যে, উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দশটি মরদেহ উদ্ধার করেছেন এবং আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে রিসোর্টের রান্নাঘরের চুল্লি থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও নেপথ্য বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।


নির্বাচিত

ইনানীতে রিসোর্টে আগুনে নিহত বেড়ে ৭, নিখোঁজ অন্তত ৫

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কক্সবাজার প্রতিনিধি 

কক্সবাজারের উখিয়ায় মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন ইনানীর পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকায় ‘টুপটুপ’ নামের একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া অগ্নিদগ্ধ দুজনকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালের দিকে আকস্মিকভাবে রিসোর্টটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে এবং সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এরপরই ভস্মীভূত রিসোর্টের ভেতর শুরু হয় ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান।

ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দোলন আচার্য ঘটনাস্থল থেকে সাতটি মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রিমন ঘোষ জানান, নিহতরা সবাই পর্যটক বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, জীবিত উদ্ধার হওয়া দুজনের শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় তাদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে।

রিসোর্টে অবস্থানকারীদের সংখ্যা সম্পর্কে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার জানান, নথিপত্র অনুযায়ী সেখানে ২৭ জনের বুকিং ছিল, যার মধ্যে ঘটনার সময় ৯ জন বাইরে অবস্থান করছিলেন। উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অগ্নিকাণ্ডে কাঠের ও অন্যান্য সামগ্রীতে নির্মিত রিসোর্টটি সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে। ভেতরে আরও কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা। আগুনের সূত্রপাত ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। এদিকে দুর্ঘটনার পরপরই রিসোর্ট পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।


নির্বাচিত

কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে আগুন, ৫ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী সমুদ্রসৈকতে যাতায়াতের পথে পাটুয়ারটেক এলাকার একটি অবকাশ যাপন কেন্দ্রে আকস্মিক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত পাঁচজনের প্রাণহানির মর্মান্তিক সংবাদ পাওয়া গেছে। এই অগ্নিকাণ্ডে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি আরও বহু মানুষ হতাহত হয়ে থাকতে পারেন বলে তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

আজ শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে এই দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

উখিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গণমাধ্যমকে পাঁচজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, দুর্ঘটনাস্থলে বর্তমানে উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান যে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের একটি পূর্ণাঙ্গ দল দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে দ্রুত রওয়ানা হয়ে কাজ শুরু করে।

প্রাথমিক অবস্থায় আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ বা সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি। এছাড়া নিহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় এবং সামগ্রিক আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণও তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।

উদ্ধারকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পরই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।


নির্বাচিত

banner close