বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি ২০২৬
১৮ পৌষ ১৪৩২

বাসচাপায় প্রাণ গেল বাইক আরোহী ৩ কিশোরের

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড
১৭ মে, ২০২৩ ১৫:৩৫
প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রকাশিত : ১৭ মে, ২০২৩ ১৩:১৪

ফরিদপুরের মধুখালীতে বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন কিশোর নিহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার ঘোপঘাট এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের বিশ্বাসপাড়া মহল্লার মজিবর সরদারের ছেলে হুসাইন সরদার (২০), ইদ্রিস বিশ্বাসের ছেলে নাহিদ বিশ্বাস (২১) ও বাদশা বিশ্বাসের ছেলে জোবায়ের বিশ্বাস (২০)।

বাগাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান খান বলেন, ঝড়ে সড়কের পাশের একটি গাছের ডাল ভেঙে সড়কে পড়েছিল। মোটরসাইকেলে করে ওই তিন কিশোর কামারখালী থেকে বাগাট আসছিল। এ সময় মোটরসাইকেলটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে সড়কে ছিটকে পড়ে। এ সময় একটি বাস তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, নিহত তিনজন পরস্পর বন্ধু। এর মধ্যে হুসাইন সরদার স্নাতক (ডিগ্রি) শ্রেণিতে পড়াশোনা করতেন।


দিনাজপুর ফল আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির অভিষেক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুর ফল আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের অভিষেক অনুষ্ঠান শহরের কালিতলা পৌর নিউমার্কেট অফিস রুমে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের উপদেষ্টা ও দিনাজপুর ট্রাক ট্যাংলরি রেজি (২৪৫) সাধারণ সম্পাদক মো. সাদাকাতুল বারী সাদা, সংগঠনের উপদেষ্টা ও জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আহমেদ শফি রুবেল, সংগঠনের উপদেষ্টা ও জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এবং সাবেক পৌর কাউন্সিলর একেএম মাসুদুল ইসলাম মাসুদ দিনাজপুর ফল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো. রাজু, সাধারণ সম্পাদক মো. নাসিম, ফল আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি মো. মোকারম হোসেন মুকুল ও মো. রুস্তম আলী।

অভিষেক অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, যেকোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা সংগঠনের প্রতি যদি কারও আন্তরিকতা বা টান না থাকে তাহলে সে প্রতিষ্ঠান প্রাণ পায় না। যার কারণে অনেক সংগঠন বা প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত হয়ে যায়। নিউমার্কেট তথা বাহাদুর বাজার অনেক প্রাচীনতম একটি বাজার। এ বাজারের ঐতিহ্য আগের তুলনায় অনেকটা হারিয়ে গেছে। তাই বাজারের ওই হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে ক্রেতা সাধারণের সাথে ভালো আচরণ করতে হবে। পণ্যের মান বাড়াতে হবে এবং ন্যায্য মূল্য থাকতে হবে।

ওই অভিষেক অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কমিটির নেতাদের শপথ বাক্যপাঠ করান দিনাজপুর সদর উপজেলা সমবায় কার্যালয়ের সহকারী পরিদর্শক সাধুরাম রবিদাস, সহযোগী হিসেবে ছিলেন একই দপ্তরের সহকারী পরিদর্শক মো. আলমগীর মিয়া।

নবনির্বাচিত কমিটির নেতারা হলেন- সভাপতি মো. শহিদুল্লাহ, সহসভাপতি মো. জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক মো. বিপ্লবসহ সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ মো. মমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিন্টু, দপ্তর সম্পাদক মো. আসাদ, প্রচার সম্পাদক মো. সুমন, নির্বাহী সদস্য আতাবুর রহমান, আব্দুল কাদের, মো. শাহিন ও মো. মাসুদ। এ সময় বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও সমিতির অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


নেত্রকোনায় পুলিশের নির্বাচনী ২২তম ব্যাচের উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি-সংক্রান্ত তিন দিনব্যাপী ‘নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কোর্সের ২২ তম ব্যাচ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোর্সে কনস্টেবল থেকে ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। নেত্রকোনা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের আয়োজনে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন নেত্রকোণা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন কানাই লাল সরকার, কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার), আইটিসি, নেত্রকোনা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন ‘জাতীয় নির্বাচনে পুলিশের নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে হলে আমাদের দক্ষতা, আইনানুগ আচরণের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন ‘এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যরা নির্বাচনী আইন, আচরণবিধি, ভোটকেন্দ্র-সম্পর্কিত নিরাপত্তাব্যবস্থা, জনসম্পৃক্ততা, সংকট মোকাবিলা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বিষয়ে আরও সুস্পষ্ট ধারণা অর্জন করবেন। আপনাদের সততা, নিষ্ঠা ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বই জনগণের আস্থা অর্জনের প্রধান হাতিয়ার।’ তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনের কৌশল, আইনের যথাযথ প্রয়োগ, জনসংযোগ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, তাৎক্ষণিক সাড়া প্রদান ও মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা কৌশল বিষয়ে বিশেষ সেশন অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নেত্রকোনা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, প্রশিক্ষকরা এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


ফরিদপুরে পল্লীকবি জসীম উদ্দিনের ১২৩তম জন্মদিন উদযাপন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফরিদপুর প্রতিনিধি

‘এইখানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে, তিরিশ বছর ভিজিয়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে’ ফরিদপুরে নানা আয়োজনে পল্লীকবি জসীম উদ্দিনের ১২৩তম জন্মদিন উদযাপিত হয়েছে। পল্লীকবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন ও ফরিদপুর জসীমউদ্দিন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

দিনটি উপলক্ষে ফরিদপুর শহরতলীর অম্বিকাপুর কবির সমাধিস্থলে সকাল সাড়ে ১০টায় ফরিদপুর জেলা প্রশাসন, ফরিদপুর জেলা পুলিশ, ফরিদপুর প্রেসক্লাব, ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদ, ফরিদপুর জেলা শিক্ষা অফিস, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থা, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, আনসার উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এ সময় ফরিদপুর জেলা প্রশাসক ও জসিম ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. কামরুল হাসান মোল্লা, ফরিদপুর পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম, ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া, প্রবীণ শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম এ সামাদ, ফরিদপুর জেলা শিক্ষা অফিসার বিষ্ণুপদ ঘোষাল, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল, জেলা কালচারাল অফিসার সাইফুল হাসান মিলনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধাঞ্জলির পরে পল্লীকবির আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

উল্লেখ্য পল্লীকবি জসীম উদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর সদর উপজেলায় কৈজুরী ইউনিয়নের তাম্বুলখানা গ্রামে তার নানার বাড়ি জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

পল্লীকবির অমর সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে, নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, এক পয়সার বাঁশি, রাখালী, বালুচর প্রভৃতি। তার সাহিত্যকর্ম বাংলার গ্রামীণ জীবন, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তুলেছে, যা তাকে ‘পল্লীকবি’ উপাধি এনে দিয়েছে। তিনি ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।


নতুন বছরের সূর্যকে স্বাগত জানাতে স্পটগুলোতে পর্যটকদের ভিড়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রতিনিয়ত খুব ভোরে জিরো পয়েন্টে কিছুসংখ্যক পর্যটকের উপস্থিতি থাকলেও শুনশান নীরবতায় থাকে কুয়াকাটা সৈকতের বিভিন্ন পর্যটন স্পট। তবে নতুন বছরের প্রথম দিন এর ব্যতিক্রম ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ভোররাত থেকেই নতুন বছরের প্রথম দিনের নতুন সূর্য উদয় উপভোগ করতে সৈকতের বিভিন্ন স্পটে ভিড় জমিয়েছে পর্যটকরা।

বিশেষ করে সৈকতের জিরো পয়েন্ট, ঝাউবাগান, গঙ্গামতি, চরগঙ্গামতি ও লাল কাঁকড়ার চড়ে পর্যটকদের বাড়তি আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। তবে ঘন কুয়াশার কারণে সূর্য উদয় উপভোগ করতে না পারলেও ঘন কুয়াশায় আবদ্ধ শিশিরে ভেজা এসব পর্যটন স্পট দেখে অনেকটা উচ্ছ্বসিত হন পর্যটকরা। এর আগে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) কুয়াকাটা তিন নদীর মোহনা, লেম্বুরবন ও শুঁটকি পল্লীতে বসে কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়া সূর্য অস্তের দৃশ্য উপভোগ করে অনেকটা মুগ্ধ হন তারা। তবে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে গত বছরের তুলনায় এ বছর সৈকতে পর্যটকের সংখ্যা অনেকটা কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। যেকোনো অপ্রীতিকার ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি ট্যুরিস্ট পুলিশসহ প্রশাসন।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক, আরমান জানান, আমি গতকালকে (বুধবার) শেষ বছরের শেষ সূর্যাস্ত উপবোগ করেছি, আজ (বৃহস্পতিবার) প্রথম বছরের প্রথম সূর্য উপভোগ করলাম, তবে কুয়াশার কারণে সূর্যমামাকে স্পষ্ট দেখতে না পারলেও পরিবেশটি খুবই মনোরম ও আনন্দের। আবার আসব ইনশাআল্লাহ।’

কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহেল মাস্টার বলেন, ‘প্রতিবারের ন্যায় এ বছর পর্যটক কম। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন, আমার প্রানের নেত্রী ম্যাডাম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শোখে কম। তার শোকে আজ সারাদেশ শোকাহত।’

কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন, ‘বছরের শেষ আর নতুন বছরর পর্যটকদের স্বাগত জানাতে আমরা সকল প্রশাসন প্রস্তুত।’


জয়পুরহাটে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন সংকট

হাসপাতালে সরবরাহ বন্ধ, ফার্মেসিতেও মিলছে না ভ্যাকসিন
জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল থেকে তোলা। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

গত ১৬ দিন ধরে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালসহ জেলার ফার্মসিগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে না জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন। কুকুর ও বিড়ালের আক্রমণের শিকার হওয়া রোগীরা ভ্যাকসিন না পাওয়ায় ভোগান্তির পাশাপাশি দুশ্চিন্তায় ভুগছেন তারা।

রোগীদের অভিযোগ, বেশকিছু দিন ধরে কুকুর ও বিড়ালের উপদ্রব বেড়ে গেছে। পথ চলতে গেলেই কুকুর-বিড়াল মানুষ ও গবাদি পশুর উপর আক্রমণ করছে। ভ্যাকসিনের জন্য হাসপাতালে যাওয়া হলে হাসপাতালে ভ্যাকসিন নাই। অথচ বেশকিছু দিন আগেও হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সব ডোজ দেওয়া হতো। এখন সেটাও বন্ধ করে দিয়েছে। প্রতিদিন লোকজন হাসপাতালে এসে ভ্যাকসিন না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। ফার্মেসিতেও ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না ভ্যাকসিন। দোকানিরা বলছে, ভ্যাকসিন সরবরাহ নাই, পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও দুই একটি দোকানে পাওয়া যাচ্ছে, দাম নিচ্ছে দ্বিগুণ।

তবে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, সরবরাহ না থাকলে আমাদর করার কি আছে? যতদিন ছিল, ততদিন দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিরা বলছেন, ফ্যাক্টারিতে ভ্যাকসিনের কাঁচামাল না থাকায় আপাতত সরবরাহ বন্ধ আছে। তবে, খুব দ্রুত সরবরাহ হবে।

এরকম কয়েকজন ভুক্তভোগী রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জেলার বিভিন্ন ফার্মসিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে সরকারিভাবে হাসপাতালে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিনের সরবরাহ বন্ধ আছে। আগে বিভিন্ন পৌরসভায় ভ্যাকসিন দেওয়া হত, এখন সেটাও বন্ধ করা হয়েছে। এ অবস্থায় চিকিৎসকরা আক্রমণের তারিখ উল্লেখ করে বিভিন্ন কোম্পানির ভ্যাকসিনের নাম লিখে ছাড়পত্র হাতে ধরে দিয়ে ফার্মেসিতে ক্রয় করতে পরামর্শ দিচ্ছেন। রোগীরা জীবন রক্ষা করতে এক ফার্মেসি থেকে আরেক ফার্মেসিতে ছুটাছুটি করছেন। তবে, দুই একটি ফার্মেসিতে পাওয়া গেলেও তারা সুযোগ বুঝে তা চড়া দামে রোগীদের কাছে বিক্রি করছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে সরকারিভাবে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ আছে। সংকট নিরসন বারবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি পাঠিয়েও ভ্যাকসিন পাওয়া যায়নি। গত অক্টাবর মাসে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের যা পরিমাণ চাহিদা ছিল নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে দ্বিগুন পরিমাণ চাহিদা বেড়েছে। বিশেষ করে, গত ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে জলাতঙ্ক রোগীর পরিমাণ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এরমধ্যে ডিসেম্বর মাসের ভ্যাকসিন এখনও হাসপাতাল পৌঁছায়নি। এজন্য রোগীদের বাহির থেকে ভ্যাকসিন কিনে পুশ করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল দ্বিতীয় ডোজের জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিতে আসেন সদর উপজলার হিচমি গ্রামের মো. আল-আমিন। তিনি বলেন, প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন হাসপাতালে না পেয়ে অনেক কষ্টে এক ফার্মেসির দোকান থেকে ৯০০ টাকায় সংগ্রহ করেছি। এখন দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে আসলে হাসপাতালে ভ্যাকসিন নেই। এখন ভ্যাকসিন করা নিয়ে চিন্তায় পড়ছি।

গত শনিবার রাতে কুকুরের কামড়ে আহত হয় কালাই পৌরশহরের আঁওড়া মহল্লার বাসিন্দা আলাল হোসেন (২৮)। তিনি বলেন, পরের দিন রোববার সকালে ভ্যাকসিন দিতে জয়পুরহাট জেনারল হাসপাতাল গিয়ে ভ্যাকসিন পাইনি। ডাক্টার প্রেসক্রিপশন দিয়ে বলে ফার্মসি থেকে কিনে নিয়ে করেন। পুরো জয়পুরহাট জুড়ে কোন ফার্মসিতে ভ্যাকসিন পাইনি। বাধ্য হয়ে বগুড়া থেকে এমআরপির চেয়ে ৩০০ টাকা বেশি দিয়ে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে পুশ করেছি।

আক্কলপুর থেকে আসা রোগী বেলাল হোসেন (৪০) বলেন, বাজারে যাওয়ার সময় রাস্তায় কুকুর আঁচড় দেয়। সকালে সদর হাসপাতালে আসি। এখানে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নাই। চিকিৎসকরা জানান, বাহিরে থেকে ভ্যাকসিন কিনে নিয়ে পুশ করতে।

জয়পুরহাট শহরের সওদাগর ফার্মসির স্বত্বাধিকারী বাবু সওদাগর বলেন, কোনো কোম্পানিরই ভ্যাকসিন সাপ্লাই নাই। যাদের কাছে আছে, হয়তো তারা বেশি দামে বিক্রি করছেন। এ বিষয়ে আমার জানা নই।

পপুলার ফার্মাসিউটিক্যাসের জয়পুরহাট প্রতিনিধি (সেলস প্রমোশন অফিসার) জাহিদ হোসেন বলেন, ফার্মেসিগুলোতে ভ্যাকসিনের ব্যাপক অর্ডার পাওয়া যাচ্ছে। ডিপোতে সরবরাহ না থাকায় তা সরবরাহ করা যাচ্ছে না। কাঁচা মালের সংকটের কারণে ভ্যাকসিনের সংকট তৈরি হয়েছে।

জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক জুয়ল বলেন, হাসপাতালে এখন একেবারে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ আছে। রোগীর চাপ সামলাতে একটি ভ্যাকসিন চারজনকও ভাগাভাগি করে দেওয়া হয়েছে। যখন একবারে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে, তখন বাহির থেকে সংগ্রহ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে যোগাযাগও করা হয়েছে। তারা আশ্বস্ত করেছে, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ভ্যাকসিনের সংকট নিরসন হবে।

জয়পুরহাট সিভিল সার্জন ডা. মো. আল-মামুন বলেন, হাসপাতালে বর্তমানে কোনো ভ্যাকসিন মজুত নেই। যখন ভ্যাকসিন মজুত ছিল প্রতিদিন গড় ২৫০-৩০০ রোগীকে ভ্যাকসিন দেওয়া হতো। এরমধ্যে অধিকাংশই রোগী প্রশাসন পরিবারের। তাদের পোষ্য প্রাণীর আচঁড় দেওয়ায় তারা ভ্যাকসিন নিতে আসেন। প্রশাসনের ব্যক্তিদের বলা হয়েছে, আপনারা পোষ্য প্রাণী পালন করলে নিজ থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে রাখবেন। একারণে প্রকৃত আক্রান্ত রোগীরা ভ্যাকসিন পাচ্ছেন না। আশা করছি, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সরকারি ভাবে হাসপাতালে ভ্যাকসিন সরবরাহ হবে।


যশোরে দুটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. ফরিদসহ ৭ জনের মনোনয়ন বাতিল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অংশ হিসেবে যশোরের দুটি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক হাসান এই যাচাই-বাছাই শেষে যশোর-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদসহ মোট সাতজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। একই সাথে তথ্যের ঘাটতি থাকায় আরও চারজন প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখে তাদের তথ্য হালনাগাদের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।

যশোর-১ (শার্শা) আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, যেখানে বিএনপির মফিকুল হাসান তৃপ্তি দলীয় মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়ায় এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাসান জহির ও শাহজাহান আলী গোলদারের মনোনয়নে ভোটারদের স্বাক্ষরে ত্রুটি পাওয়া গেছে। এই আসনে বিএনপি প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন ও জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চলের মনোনয়নপত্রের সিদ্ধান্ত বর্তমানে পেন্ডিং রয়েছে। তবে জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজীজুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলনের বক্তিয়ার রহমানের মনোনয়ন বৈধ বলে গণ্য হয়েছে।

অন্যদিকে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ব্যাংক ঋণ বা ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত জটিলতায় জামায়াতের ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ এবং দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পারায় বিএনপির মোহাম্মদ ইসহাক ও জহুরুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসানের আবেদনে ভোটার তথ্যে ত্রুটি থাকায় সেটিও বাতিল করা হয়েছে। এই আসনে বিএনএফ প্রার্থী শামসুল হক এবং জাতীয় পার্টির ফিরোজ শাহকে তাদের তথ্য হালনাগাদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এ আসনে বিএনপি প্রার্থী সাবিরা সুলতানা, ইসলামী আন্দোলনের ইদ্রিস আলী, বাসদের ইমরান খান এবং এবি পার্টির রিপন মাহমুদের মনোনয়ন বৈধ রয়েছে।

জেলা রিটার্নিং অফিসার জানিয়েছেন যে, আগামী ৪ জানুয়ারির মধ্যে জেলার বাকি আসনগুলোর যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হবে এবং যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা বিধি অনুযায়ী আপিল করার সুযোগ পাবেন।

যশোর জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে আরও জানা যায়, জেলায় ৬টি সংসদীয় আসনে ৪৬ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। এর মধ্যে বিএনপি থেকে ১০ জন, জামায়াত ইসলামীর ৬ জন, স্বতন্ত্র ১০ জন, ইসলামী আন্দোলনের ৬ জন, জাতীয় পার্টি ৬ জন, বিএনএফ, বাসদ, জাগপা, সিপিবি, খেলাফত মজলিস ও মাইনরিটি জনতা পার্টি থেকে একজন, এবি পার্টির ২ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর আগে ৬টি আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন ৭১ জন প্রার্থী।


নীলফামারীর জেলা প্রশাসকের মানবিক উদ্যোগে আপ্লুত সাধারণ মানুষ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি

নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বর্তমানে জেলার সাধারণ মানুষের কাছে এক অনন্য ও জনবান্ধব প্রশাসক হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি প্রথাগত আমলাতান্ত্রিক আচরণের বাইরে গিয়ে মাঠ পর্যায়ের কাজে সরাসরি অংশগ্রহণ করে জনআস্থার এক নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন। বিশেষ করে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ জেলাজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে। তিনি কেবল দাপ্তরিক কাজে সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে যাচ্ছেন, যা স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি জনগণের বিশ্বাসকে আরও সুসংহত করেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র শীতের প্রকোপ বাড়লে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জেলার বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকা যেমন—নীলফামারী ও সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশন, রাস্তার ফুটপাত, বাস টার্মিনাল এবং প্রত্যন্ত তিস্তার চরাঞ্চলে শীতার্ত মানুষের মাঝে নিজ হাতে কম্বল বিতরণ করেছেন। মানবিক এই কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি নিয়মিত বিভিন্ন হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শন করছেন এবং রাস্তাঘাটের উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি সরাসরি তদারকি করছেন। কোনো জরুরি অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তিনি তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন, যা সাধারণ মানুষের হৃদয়ে তাঁর জন্য একটি বিশেষ জায়গা তৈরি করে দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের উচ্চপদে থেকেও মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান যেভাবে সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং সমস্যা শুনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন, তা অত্যন্ত বিরল।

শহরের একজন বয়স্ক নাগরিক তসলিম উদ্দিন বাবু জেলা প্রশাসকের এই কর্মতৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, বর্তমান জেলা প্রশাসক কেবল এসিবলয়িত অফিসে বসে থাকেন না, বরং তিনি সাধারণ মানুষের কাতারে এসে তাঁদের সুখ-দুঃখের ভাগীদার হন। বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ, শিক্ষা সহায়তা এবং দুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মতো মানবিক কার্যক্রমে তাঁর সরব উপস্থিতি পুরো জেলার মানুষকে অনুপ্রাণিত করছে। প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এমন অনন্য মানবিকতা প্রদর্শনের জন্য তিনি জেলাবাসীর কাছে ‘জনবান্ধব প্রশাসক’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান তাঁর কাজের দর্শন সম্পর্কে জানিয়েছেন যে, তিনি নিজেকে প্রশাসক হিসেবে নয় বরং মানুষের সেবক হিসেবেই দেখতে পছন্দ করেন এবং নীলফামারীর প্রতিটি মানুষের উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানই তাঁর দাপ্তরিক কাজের প্রধান অগ্রাধিকার। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, প্রশাসনের এই মানবিক ও সেবামূলক ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে নীলফামারী জেলা সারা দেশের জন্য একটি মডেল হিসেবে পরিচিতি পাবে।


বগুড়ায় খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা: শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় প্রিয় নেত্রীকে বিদায়

আপডেটেড ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০:২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বগুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদা গভীর শ্রদ্ধার সাথে পালিত হয়েছে। বিকেলে ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে মূল জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পরপরই বগুড়া শহরের ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে এই গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

কোনো পূর্ব আনুষ্ঠানিক প্রচারণা ছাড়াই প্রিয় নেত্রীর শেষ বিদায়ে শামিল হতে বগুড়ার সর্বস্তরের মানুষ আলতাফুন্নেছা মাঠে ভিড় জমান। জানাজায় উপস্থিত হাজারো মানুষ গগনবিদারী স্লোগান আর কান্নায় ভেঙে পড়েন। মাঠ সংলগ্ন বাইতুল হাফিজ জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. আব্দুল আজিজ এই জানাজায় ইমামতি করেন, যেখানে হাজার হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

রাষ্ট্রীয় শোকের প্রতি সংহতি জানিয়ে এবং প্রিয় নেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই বগুড়া শহর ছিল কার্যত অচল। শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা থেকে শুরু করে বড়গোলা, নিউ মার্কেট রানার প্লাজা হকার্স মার্কেট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে সম্পূর্ণ জনশূন্য চিত্র। ছোট-বড় দোকানপাট থেকে শুরু করে জেলা শহরের সমস্ত শপিং মল বিপণী বিতানগুলো ব্যবসায়ীরা নিজ উদ্যোগে বন্ধ রেখেছেন।

জানাজা শেষে বগুড়া জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ সাধারণ মানুষ বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করেন। প্রিয় নেত্রীকে হারানোর শোক এখন বগুড়ার প্রতিটি ঘরে ঘরে বিরাজমান।


রোহিঙ্গাদের হৃদয়ে ‘মা’ খালেদা গেঁথে থাকবে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত গোটা দেশ। সেই শোকের ছায়া পড়েছে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরগুলোতেও। বিশেষ করে ২০১৭ সালের ভয়াবহ রোহিঙ্গা সংকটের সময় তার মানবিক ভূমিকা ও ক্যাম্প সফরের স্মৃতি নতুন করে আবেগে ভাসাচ্ছে হাজারো আশ্রিত রোহিঙ্গাকে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মসজিদে জোহরের নামাজের পর বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। একাধিক ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নেতাদের উদ্যোগে পৃথক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

রোহিঙ্গা নেতারা জানান, চরম দুর্দিনে যখন বিশ্ব বিবেক অনেকটাই নীরব ছিল, তখন একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া নিজে ক্যাম্পে এসে তাদের দুঃখ-কষ্টের কথা শুনেছিলেন। সেই মানবিক সফর আজও রোহিঙ্গাদের হৃদয়ে অমলিন হয়ে আছে।

উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতা নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আমরা তখন জীবন বাঁচিয়ে পালিয়ে এসেছিলাম, কোন আশার আলো ছিল না। সেই সময় বেগম খালেদা জিয়া নিজে আমাদের দেখতে এসেছিলেন। একজন বড় নেত্রী হয়েও আমাদের কষ্টকে নিজের কষ্ট মনে করেছিলেন- এটা আমরা কখনো ভুলব না।’

টেকনাফের লেদা ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতা ছৈয়দ আলম বলেন, ‘তিনি শুধু ত্রাণ দেননি, তিনি আমাদের মর্যাদা দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আমাদের ন্যায্য অধিকারের কথা তুলে ধরেছিলেন। আজ তার মৃত্যুতে আমরা একজন মানবিক অভিভাবককে হারালাম।’

রোহিঙ্গা নারী নেত্রী আব্বাসী স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘বালুখালী ক্যাম্পে ত্রাণ বিতরণের সময় তিনি মোবারক নামের একটি শিশুকে কোলে নিয়েছিলেন। সেই দৃশ্য আজও আমাদের চোখে ভাসে। একজন মা যেমন সন্তানের কষ্ট বোঝেন, তিনিও তেমনভাবেই আমাদের কষ্ট বুঝেছিলেন।’

রোহিঙ্গা নেতারা স্মরণ করেন, ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বেগম খালেদা জিয়া উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সে সময় তিনি রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানান এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের দাবি তোলেন।

ওই সফরে রোহিঙ্গাদের জন্য মোট ৪৫ ট্রাক ত্রাণ নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে ছিল ১১০ টন চাল এবং ৫ হাজার শিশু ও ৫ হাজার সন্তানসম্ভবা নারীর জন্য বিশেষ খাবার। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধি দল সরাসরি ৯ ট্রাক ত্রাণ বিতরণ করে।

রোহিঙ্গা নেতা হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘অনেক নেতা আমাদের নিয়ে কথা বলেন, কিন্তু হাতেগোনা কয়েকজন সত্যিই আমাদের পাশে দাঁড়ান। বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন তেমনই একজন। আমরা কৃতজ্ঞ হৃদয়ে তার জন্য দোয়া করছি।’

রোহিঙ্গাদের ভাষায়, বেগম খালেদা জিয়ার মানবিক সফর ও সাহসী অবস্থান শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়- এটি তাদের জীবনের এক অবিস্মরণীয় মানবিক স্মৃতি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তারা এই স্মৃতি বহন করবে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয় এবং বলা হয়-আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।


ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার যানজট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে কাঁচপুর সেতু থেকে মেঘনা সেতুর টোল পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কের মদনপুর এলাকায় একটি মালবাহী লরি বিকল হওয়ায় চট্টগ্রামগামী লেনে এ যানজটের সৃষ্টি হয়। গভীর রাতের বিকল হওয়া লরির যানজট বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা পর্যন্ত সড়কে যানজটের প্রভাব পড়ে। পরবর্তীতে মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে যানবাহনের ধীরগতি লক্ষ্য করা যায়। যানজট নিরসনে কাঁচপুর ও শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশের চেষ্টা চালায়। যানজটের আটকা পড়ে চট্টগ্রামগামী লেনে চলাচলরত বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

জানা যায়, মহাসড়কের মদনপুর এলাকায় গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মালবাহী একটি লরি বিকল হয়। ওই সময়ে একটি লেনে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিকল হওয়া লরিটি বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল শুরু হয়। যান চলাচল শুরু হলেও গতি ছিল ধীর। ফলে এ যানজট বিকেল ৩টা পর্যন্ত গড়ায়।

আসাদুল ইসলাম নামের এক যাত্রী জানান, সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল থেকে বেলা সাড়ে ১১টায় কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে দুপুর ২টার দিকে মদনপুর পর্যন্ত আসতে পেরেছেন। দুই ঘণ্টায় গন্তব্য পৌঁছানোর কথা থাকলেও ৫ ঘণ্টাও মনে হয় পারবেন না।

বাউশিয়া এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ জানান, ঢাকা থেকে রওনা হয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কাঁচপুর সেতুর ঢালুতে ছিলেন। দুপুর পর্যন্ত তিনি মদনপুর পৌঁছাতে পারেননি। তা ছাড়া মহাসড়কের রাস্তায় গাড়ির চাপ বেশি ছিল। যানজটে আটকা পড়ে তিনি বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন।

সায়দাবাদ থেকে ছেড়ে আসা হিমালয় পরিবহনের বাস চালক নুরুজ্জামান জানান, গভীর রাতে মহাসড়কে গাড়ি বিকল হওয়ায় যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। পুলিশ বিকল হওয়া গাড়িটি সরিয়ে নিতে সময় নেওয়ার কারণে যানজট দীর্ঘ হয়।

কাভার্ড ভ্যানচালক মো. ইয়াসিন মিয়া জানান, রূপগঞ্জের রূপসী থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে এসে দীর্ঘ সময় যানজটে বসে থাকতে হয়েছে। যানজটে আটকে থাকায় নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে না।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল কাদির জিলানী জানান, মদনপুর এলাকায় একটি লরি বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে এ যানজট সৃষ্টি হয়। মহাসড়ক থেকে লরিটি দীর্ঘ সময়ের পর সরানোর কারণে দীর্ঘ হয় যানজট। লরি বিকলের কারণে অন্যান্য যানবাহন পারাপারের ধীরগতি হচ্ছিল। বেলা ১১টার দিকে লরি সরিয়ে নেওয়ার পর থেকে যান চলাচলে ধীরগতি হয়।


সরিষাবাড়ীতে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরা জেলের সংখ্যা বাড়ছে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার উপর দিয়ে বহমান যমুনা, ঝিনাই ও সুবর্ণখালী নদীতে অবাদে চলছে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ নিধন। পেশাদার, অপেশাদার জেলে ও নদীর তীরবর্তী বাস করা সাধারণ মানুষরাও সহজে বেশি মাছ শিকারের আশায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করে মাছ শিকার করছেন। এতে করে দেশীয় মাছের উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়েছে নদীর জীববৈচিত্র্য।

একাধিক স্থানের স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন এই তিন নদীতে রাতের আঁধারে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরতে আগ্রহী জেলের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। রাত ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত এ পদ্ধতিতে জেলেরা নৌকায় ইজিবাইকে ব্যবহৃত বড় ব্যাটারি নিয়ে নেমে পড়েন নদীতে। নৌকায় থাকা ব্যাটারির সাথে একটি ইনভার্টার (ব্যাটারির বৈদ্যুতিক শক্তি কমবেশি করার যন্ত্র) যুক্ত করা হয়। সেই ইনভার্টার থেকে দুটি তার বের করে একটি পানিতে ফেলে দেওয়া হয় এবং অপর তারটি একটি লোহার রডের সাথে যুক্ত করা হয়। রডের মাথায় রাখা হয় মাছ ধরার জন্য বিশেষভাবে বানানো জালি।

বিদ্যুতায়িত ওই রড ও জালি যখন নদীর পানিতে ফেলা হয় তখন জালির ৫-৭ ফুট দূরত্বের মধ্যে থাকা মাছগুলো কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ইলেক্ট্রিক শকের কারণে পানির উপরে ভেসে ওঠে। এ সময় ভেসে ওঠা মাছগুলো জালি দিয়ে নৌকায় তোলা হয়।

সাধারণ জেলেদের অভিযোগ, কিছু জেলে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরার কারণে উপজেলার যমুনা, সুবর্ণখালী ও ঝিনাই নদীতে জাল ফেলে আগের মতো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়েই অনেক জেলে এই পেশা ছেড়ে দিচ্ছে। আবার কেও কেও ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে মাছ ধরছে। তবে বৈদ্যুতিক শকসহ অবৈধ পদ্ধতিতে মাছ শিকারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তারা।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দেবজানী ভৌমিক বলেন, ‘আমরা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়েছি। চায়না জাল ও ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে মাছ ধরার সরঞ্জাম পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।’


২০৬ সদস্যবিশিষ্ট নওগাঁ জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নওগাঁ জেলা শাখার ২০৬ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৬ মাসের জন্য অনুমোদিত কমিটিতে আরমান হোসেনকে আহ্বায়ক ও রাফি রেজওয়ানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। এ ছাড়া সাদনান সাকিবকে মুখ্য সংগঠক ও মেহেদী হাসানকে মুখপাত্র করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদ্য মুখ্য সংগঠকের পদ পাওয়া সাদনান সাকিব।

সন্ধ্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদ, মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুঈনুল ইসলামের যৌথ স্বাক্ষরিত নোটিশে নওগাঁ জেলা শাখার ২০৬ সদস্য বিশিষ্ট এই আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেন।

এদিকে আলোচিত মুখ ফজলে রাব্বিকে কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে ৯ জনকে। সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ১ জন ও যুগ্ম সদস্য সচিব ১৬ জন, সিনিয়র সংগঠক ১ জন ও সংগঠক ২৩ জন, সিনিয়র সহমুখপাত্র ১ জন ও সহকারী মুখপাত্র ১২ জনকে এবং সদস্যপদে ১৩৮ জনকে রাখা হয়েছে।

প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মুখ্য সংগঠক সাদনান সাকিব ও আহ্বায়ক আরমান হোসেন বলেন, ‘আমরা খুবই আনন্দিত। কারণ গণঅভ্যুত্থানের পর এই প্রথম নওগাঁ জেলা শাখায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি দিয়েছে। আর আমরা যারা ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বে ছিলাম তাদেরসহ অন্যান্য সহযোদ্ধা ভাইদের সাথে আলোচনা করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা মনে করি এতে কারও দ্বিমত নেই।’

তারা আরও বলেন, ‘আমাদের এই সংগঠন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক একটা প্ল্যাটফর্ম। আমরা আগে যেমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছি, আগামীতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলব। কোনো রাজনৈতিক দলের অন্যায়ের কাছ মাথা নত করব না। সবসময় প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।’

সাদনান সাকিব ও আরমান হোসেন বলেন, ‘আমাদের মূল উদ্দেশ্য হবে সাধারণ জনগণের হয়ে কথা বলা। অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা। সর্বোপরি একটা সুন্দর নওগাঁ গড়ে তোলা।’


নেত্রকোনায় শহীদ ক্যাডেট একাডেমির মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় শহীদ ক্যাডেট একাডেমির পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের জেলা প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে নেত্রকোনা শহীদ ক্যাডেট একাডেমির উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট ১২২ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করে প্রথম স্থান অধিকার করে শিক্ষার্থী সূর্য দত্ত। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, শুধু মেধাবী হলেই চলবে না, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- নেত্রকোনা শহীদ ক্যাডেট একাডেমির শিক্ষকরা আহসান উল্লাহ, শফিউল আলম খান, জহিরুল ইসলাম, মামুন সিরাজি ও মুক্তাদির, মান্নান। বক্তারা শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়ে নিয়মিত অধ্যয়ন, শৃঙ্খলা ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয় এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করা হয়।


banner close