বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

হাতি তাড়াতে সীমান্তে বৈদ্যুতিক ফাঁদ, নির্বিকার বন বিভাগ

হাতির আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে সীমান্ত এলাকায় বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি করেছেন স্থানীয়রা। সম্প্রতি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার গাজীরভিটা ইউনিয়নের সীমান্তের বারাকপাড়া এলাকায়। ছবি: দৈনিক বাংলা
প্রতিনিধি, হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ)
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ)
প্রকাশিত : ২০ মে, ২০২৩ ২২:৩৬

ময়মনসিংহের সীমান্ত এলাকায় হাতির আক্রমণ থেকে বাঁচতে বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি করেছে স্থানীয়রা। বন বিভাগ বলছে, আইন অমান্য করেই এই ফাঁদ তৈরি করা হয়েছে। তাই ফাঁদটিতে পড়ে কোনো হাতির ক্ষতি কিংবা মৃত্যু হলে তার দায়ভার স্থানীয়দেরই নিতে হবে।

স্থানীয়দের দাবি, জেলার হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলার সীমান্ত এলাকায় হাতির আক্রমণে একের পর এক মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। এ ছাড়া হাতি তাদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও ফসলের ক্ষতি করে। হাতির এমন অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে অনেকেই প্রাণ হারানোর ভয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে অনত্র বসবাস করছেন। এমন অবস্থায় হাতির আক্রমণ থেকে বাঁচতে সবার কাছ থেকে টাকা তুলে সীমান্ত এলাকায় বিদ্যুতের ফাঁদ বসানো হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হালুয়াঘাট উপজেলার গাজীরভিটা ইউনিয়নের সীমান্তের বারাকপাড়া এলাকায় হাতি তাড়ানোর জন্য বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি করেছেন স্থানীয়রা। এ ছাড়া উপজেলার লামছাপাড়া, ডাকিয়াপাড়া, কান্দাপাড়া, গাবরাখালী, গলোইভাঙা, কড়ইতলী গ্রামেও বাঁশের খুঁটিতে জিআই তার টানিয়ে এসব ফাঁদ তৈরি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, হাতির আক্রমণ থেকে বাঁচতে গ্রামবাসী নিজ নিজ এলাকায় টাকা তুলে সীমান্ত এলাকা থেকে আনুমানিক ৭০০-৮০০ গজ দূরে জিআই চিকন তার দিয়ে দুই লাইনবিশিষ্ট বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি করেছে। তবে এই ফাঁদে হাতির কোনো ক্ষতি হবে না। এই ফাঁদে জেনারেটরের মাধ্যমে আর্থিং দেয়া হয়। এর ফলে জিআই তারে হাতি স্পর্শ করলে বৈদ্যুতিক শক লাগবে। এতে হাতি ভয় পেয়ে চলে যাবে। তাছাড়া এই জিআই তারে পলিথিন বেঁধে দেয়া হয়েছে, যাতে দূর থেকে দেখেই হাতি চলে যায়, আর যেন কাছে না আসে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় পাহাড় থেকে খাবারের সন্ধানে বন্য হাতির দল প্রায় প্রতিদিনই লোকালয়ে নেমে আসে। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার হাতি অনেক বেশি ক্ষয়ক্ষতি করেছে। হাতির আক্রমণে ধান, সবজি, কলাবাগান, ঘরবাড়ি নষ্টসহ বেশ কয়েকজনের প্রাণহানিও ঘটেছে। এসব ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচতে প্রশাসনের কোনো সহায়তা না পেয়ে গ্রামবাসী উদ্যোগী হয়ে ফাঁদ তৈরি করেছে। কিলোমিটারপ্রতি এই ফাঁদ তৈরিতে খরচ হয়েছে আনুমানিক ৫০ হাজার।

এ বিষয়ে গাজীরভিটা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘শুনেছি সীমান্ত এলাকায় স্থানীয়রা হাতি তাড়াতে বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি করেছে। তবে কে বা কারা করেছে, তা কেউই স্বীকার করে না। বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি না করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারপরও গ্রামবাসী কারও কথাই শুনছে না।’

ময়মনসিংহ বন বিভাগের গোপালপুর বিট (হালুয়াঘাট ও নালিতাবাড়ীর অংশ) কর্মকর্তা মাজাহারুল হক বলেন, ‘ওই এলাকায় হাতি তাড়াতে সরকারিভাবে সৌরবিদ্যুতের ফাঁদ তৈরি করা হয়নি। স্থানীয়রা আমাদের নির্দেশনা অমান্য করেই জিআই তার দিয়ে বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি করেছে। এই ফাঁদে হাতির মৃত্যু হতে পারে। যদি ফাঁদে পড়ে কোনো হাতির ক্ষতি হয়, তার দায় স্থানীয়দেরই নিতে হবে। বন বিভাগ এর দায়ভার নেবে না। তবে শিগগিরই এসব ফাঁদ অপসারণ করার ব্যবস্থা করা হবে।’

জানতে চাইলে ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আ ন ম আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, গোপালপুরে দুই কিলোমিটারজুড়ে সৌরবিদ্যুতের ফাঁদ নির্মাণ করা হয়েছে। আরও ২৫ কিলোমিটার সৌরবিদ্যুতের ফাঁদ নির্মাণের পাশাপাশি সীমান্তে কাঁটাযুক্ত গাছ লাগানোর প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এসব বাস্তবায়িত হলেই বন্য হাতির আক্রমণ অনেকটাই কমে আসবে। তবে সীমান্তে বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরির বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি করা হয়ে থাকে, তা হলে তা দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থা করা হবে।

বিষয়:

নির্বাচিত

কেএমপির নতুন কমিশনার হলেন সাজ্জাদুর রহমান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) নতুন পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে মো. সাজ্জাদুর রহমানকে।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এ পদায়নের কথা জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব তোফায়েল আহমেদ।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ডিআইজি পদে কর্মরত বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদুর রহমানকে কেএমপির পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি পদায়ন করা হয়েছে।

জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২১ জুলাই কেএমপির কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসানকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়। তার স্থলাভিষিক্ত হলেন মো. সাজ্জাদুর রহমান।


নির্বাচিত

কিশোরগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় কৃষিজমিতে ধান রোপণ করার সময় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের চরপলাশ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শফিকুল ইসলাম (৪০) সুখিয়া ইউনিয়নের চরপলাশ গ্রামের সাদুরবাড়ি এলাকার রেজেক মিয়ার ছেলে।

সুখিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ টিটু জানান, বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে নিজ জমিতে ধান রোপণ করছিলেন শফিকুল ইসলাম। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে হালকা বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে অন্যরা বাড়িতে চলে গেলেও তিনি জমিতে ধান রোপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে বজ্রপাতে আক্রান্ত হন শফিকুল।

পরে বৃষ্টি থামলে স্থানীয়রা জমিতে গিয়ে তাকে পড়ে থাকতে দেখেন। বজ্রপাতে আক্রান্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান চেয়ারম্যান। পরে স্বজনরা তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান।

পাকুন্দিয়া থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।


নির্বাচিত

গাজীপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস উদ্বোধন

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তার শাপলা ম্যানশনের তৃতীয় তলায় পূবালী ব্যাংক পিএলসির জয়দেবপুর শাখার আয়োজনে ক্যাশলেস জয়দেবপুরের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

মূল প্রতিপাদ্য ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় কেনাকাটায় মোবাইল অ্যাপসের ব্যবহার এক দেশ এক QR লেনদেনে BANGLA QR ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পূবালী ব্যাংক পিএলসি জয়দেবপুর শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মজুমদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পূবালী ব্যাংক পিএলসির উপমহাব্যবস্থাপক ও গাজীপুর অঞ্চলের অঞ্চল প্রধান মোহাম্মদ আরিফুর রহমান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক গাজীপুর অঞ্চলের মো. বিল্লাল হোসেন সেলিম, শাপল ম্যানশন দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ, সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা প্রমুখ।


নির্বাচিত

মিঠামইনে পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা মিঠামইনে পানিতে ডুবে আপন দুই ভাই-বোনের করুণ মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামের পুরান বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলো খলাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রুবেল মিয়ার ৪ বছর বয়সি ছেলে রিবান মিয়া ও তার দেড় বছর বয়সি মেয়ে সাফা।

জানা গেছে, দুপুরে বাড়ির উঠোনে খেলার সময় ছোট বোন সাফা অসাবধানতাবশত বাড়ির পাশের একটি ডোবায় পড়ে যায়। বোনকে পানিতে হাবুডুবু খেতে দেখে তাকে বাঁচাতে বড় ভাই রিবান সঙ্গে সঙ্গে পানিতে ঝাঁপ দেয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, সাঁতার না জানার কারণে দুজনেই পানির নিচে তলিয়ে যায়।

অনেকক্ষণ শিশুদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে ডোবার পানিতে তাদের দেহ ভেসে থাকতে দেখেন স্বজনরা। দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।


নির্বাচিত

বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার ধুনটে বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় সোহেল রানা (২৫) নামের এক মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) ধুনট-শেরপুর আঞ্চলিক সড়কের বথুয়াবাড়ি ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই রাব্বী হাসান (১৮) আহত হয়েছেন। নিহত সোহেল রানা শেরপুর উপজেলার মুন্সিপাড়া এলাকার বাবু মিয়ার ছেলে।

জানা যায়, উপজেলার রাঙামাটি গ্রামের সোহেল রানা শ্বশুর বাড়ি থেকে ছোট ভাই রাব্বীকে নিয়ে নিজ বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বথুয়াবাড়ি ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বেপরোয়া গতির একটি বালুবাহী ট্রাক চলন্ত মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়।

এ সময় সোহেল রানা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আর নিহতের ছোট ভাই রাব্বী আহত হন। আহত রাব্বীকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকের কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত সোহেল রানার মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।


নির্বাচিত

রূপগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের হরিণা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী ফয়সাল মিয়াকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফয়সাল মিয়া রূপগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ নবগ্রাম এলাকার সায়েদ আলী মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, বুধবার (২৯ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের হরিণা এলাকায় ফয়সাল মিয়ার গরুর খামারে অভিযান চালায়। এ সময় ফয়সাল মিয়ার মোটরসাইকেলে বেঁধে রাখা সিমেন্টের বস্তার ভেতর থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। পরে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও মোটরসাইকেলসহ ফয়সাল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএইচএম সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য আনারস উপহার পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৫৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ৭৮০ কেজি উন্নত ‘কিউ’ জাতের আনারস পাঠিয়েছেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহা। বুধবার দুপুর ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ১০০টি কার্টনে মোট ৬২০ পিস আনারস বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়। চট্টগ্রামে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের সহকারী কনস্যুলার পঙ্কজ জ্যোতি দাস অনুষ্ঠানিকভাবে এই সৌজন্য উপহার গ্রহণ করেন।

আখাউড়া স্থলবন্দরের শূন্যরেখায় আয়োজিত এই উপহার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন ত্রিপুরার কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়, পরিচালক ড. ফনি ভূষণ জমাতিয়া এবং উদ্যান ও মৃত্তিকা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কনসালটেন্ট ড. রাজীব ঘোষ। ত্রিপুরার কৃষি সচিব অপূর্ব রায় জানান, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার উদ্দেশ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই উপহার পাঠানো হয়েছে।

উদ্যান ও মৃত্তিকা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কনসালটেন্ট ড. রাজীব ঘোষ উপহার হিসেবে পাঠানো ফলের গুণমান সম্পর্কে বলেন, ‘কিউ জাতের আনারস আকারে বড় ও রসালো। এই সৌজন্য উপহারের মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।’ উল্লেখ্য যে, এই সৌজন্য বিনিময়ের অংশ হিসেবে গত ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহার জন্য আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৬০০ কেজি আম্রপালি ও হাঁড়িভাঙ্গা আম উপহার হিসেবে পাঠিয়েছিলেন। প্রতিবেশি দুই দেশের মধ্যে ফল বিনিময়ের এই রীতি পারস্পরিক বন্ধনকে আরও মজবুত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।


নির্বাচিত

মানিকগঞ্জে ৩ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা ও সীলগালা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জ শহরে লাইসেন্স বনায়ন না করা এবং দায়িত্বরত চিকিৎসক না থাকাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তিনটি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১লাখ ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকার ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিভিল সার্জন ডাঃ আইভী ফেরদৌসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মোঃ মাসুদ আলী শাহরিয়ার এই জরিমানা করেন। একই সঙ্গে একটি ক্লিনিক ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সীলগালা করে দেন।

অভিযানে নগর ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৪০ হাজার টাকা এবং শুশ্রুষা হেলথ কেয়ার সেন্টারকে ৮৫ হাজার টাকা জরিমানাসহ সীলগালা ও দারুস সালাম ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা ও সীলগালা করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডাঃ আইভী ফেরদৌস জানান,লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, ক্লিনিকে দায়িত্বরত চিকিৎসক না থাকাসহ প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক বিভাগে বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলার স্বাস্থ্যখাতকে জনবান্ধব করে তুলতে এধরনের অভিযান চলমান থাকবে। যেসকল প্রতিষ্ঠান বিরুদ্ধে অভিযোগ বা অনিয়ম পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


নির্বাচিত

নাটোরে জমি বিক্রির নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

* ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের গুরুদাসপুরে জমি বিক্রির নামে টাকা নিয়ে জমি রেজিস্ট্রি না দেওয়া এবং টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগে বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কৃষক লিটন সরকার।

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ধানুড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। এসময় কৃষক লিটন সরকার অভিযোগ করে বলেন, প্রায় দেড় বছর আগে ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ৪ শতক জমি ৪ লাখ টাকায় বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার কাছ থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা অগ্রিম বায়না নেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও জমি রেজিস্ট্রি করে দেননি। উল্টো টাকা ফেরত চাইলে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত পাওয়ার আশায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা এবং গুরুদাসপুর থানার দ্বারস্থ হলেও কোনো প্রতিকার পাননি। এ অবস্থায় বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আব্দুল কাদের কৃষকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে কেন টাকা ফেরত দিচ্ছেন না, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাক্ষাৎ করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন।

গুরুদাসপুর থানার ওসি মনজুরুল আলম জানান, অভিযোগটি তদন্তের জন্য থানার একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


নির্বাচিত

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি পাটকলসহ ৪৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তরের সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল ও বন্ধ থাকা ২৫টি পাটকল পুনরায় চালুসহ ১০ দফা বাস্তবায়নের জানিয়েছে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ। বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

এতে লিখিত বক্তৃতায় সংগঠনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা বলেন, ২০২০ সালে লোকসানের অজুহাতে ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ করে দেওয়া হলে প্রায় ৯০ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়ে। অথচ একই সময় দেশের বেসরকারি পাটকলগুলো লাভজনকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোর লোকসানের জন্য প্রশাসনিক অদক্ষতা, বিজেএমসির দুর্নীতি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং স্থানীয় ব্যবস্থাপনাকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে না দেওয়াকে দায়ী করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলসহ ৪৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তরের উদ্যোগ দেশের শিল্প খাতের জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। অতীতে বেসরকারিকরণ করা অধিকাংশ শিল্পপ্রতিষ্ঠান টেকসইভাবে পরিচালিত হয়নি; বরং এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ নিয়ে ব্যাংক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, ভাতা ও অন্যান্য অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব প্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করা হলে শ্রমিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং করপোরেট পুঁজির আধিপত্য বাড়বে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, পাটশিল্পের অবনতির পেছনে সরকারের অবহেলা, পরিকল্পনার অভাব ও দুর্নীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নীতিগত প্রভাবও দায়ী।

সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রীয় শিল্প-প্রতিষ্ঠানসমূহ বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে বন্ধকৃত রাষ্ট্রীয় পাটকল পুনরায় চালু করতে ১০ দফা দাবি ঘোষণা করা হয়।

ঘোষিত দাবির মধ্যে রয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেসরকারিকরণের সিদ্ধান্ত বাতিল, ২৫টি পাটকল দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পুনরায় চালু, অনিয়ম ও দুর্নীতির জন্য দায়ীদের শাস্তি, বিজেএমসির প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কার, স্থানীয় ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালীকরণ, পাটপণ্যের বহুমুখীকরণ ও নতুন বাজার সৃষ্টি, ম্যান্ডেটরি প্যাকেজিং অ্যাক্ট বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন এবং বন্ধ পাট ও চিনিকলের শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা দ্রুত পরিশোধ করা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সুতপা বেদজ্ঞ, এস এ রশিদ, মাহবুবুর রহমান খোকন, রফিকুল হক খোকন, জনার্ধন দত্ত নান্টু প্রমুখ।


নির্বাচিত

কুমিল্লায় দুই প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাহফুজ নান্টু, কুমিল্লা

শিশুদের জন্য তৈরি খাদ্যে পোকাযুক্ত আটা ব্যবহার, বারবার ব্যবহৃত পোড়া তেলে ভাজা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদনের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে কুমিল্লায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে। এ ঘটনায় দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার গর্জনখোলা ও নুরপুর এলাকায় শিশু খাদ্য প্রস্তুতকারী কারখানায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে দেখা যায়, মেয়াদবিহীন শিশু খাদ্য বিক্রি, পোকাযুক্ত আটা ব্যবহার করে খাদ্য প্রস্তুত, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সংরক্ষণ এবং বহুবার ব্যবহৃত পোড়া তেলে শিশু খাদ্য ভাজার মতো গুরুতর অনিয়ম চলছে।

অভিযানের সময় বিশেষ কিটের মাধ্যমে সরেজমিনে তেলের মান পরীক্ষা করে পোড়া তেল ব্যবহারের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়।

এসব অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় গর্জনখোলা এলাকার জাকির ফুড প্রডাক্টস-কে ৩৫ হাজার টাকা এবং নুরপুর এলাকার মনির ফুডে প্রডাক্টস-কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দুই প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া, নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. জুয়েল মিয়া, অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং নমুনা সংগ্রহকারী মো. সাকিব। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি দল।


নির্বাচিত

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি সংরক্ষণে রাঙামাটিতে আধুনিক ভবন

* সংস্কৃতি চর্চা ও পর্যটনে যুক্ত হবে নতুন সম্ভাবনা
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিজয় ধর, রাঙামাটি

রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের নতুন ভবন নির্মাণকে জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই ভবন নির্মিত হলে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ভাষা সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি পর্যটন ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

রাঙামাটি গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙামাটি অফিস-কাম মাল্টিফাংশনাল ভবন নির্মাণ’ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫ কোটি ৫৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। ২০২৫ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের আওতায় চারতলা প্রশাসনিক ভবন, আধুনিক অডিটোরিয়াম, সিনেপ্লেক্স, প্রশিক্ষণ কক্ষ, মিনি কনফারেন্স রুম, ডরমিটরি নির্মাণের পাশাপাশি সাবস্টেশন, জেনারেটর, সীমানা প্রাচীরসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। বর্তমানে মূল প্রশাসনিক ভবনের ছাদ ঢালাই কাজ চলমান রয়েছে এবং অডিটোরিয়াম অংশের ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হয়েছে।

ইনস্টিটিউটের সঙ্গীত বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান, বর্তমানে অডিটোরিয়ামের অভাবে সংগীত প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। নতুন ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হলে সংগীত চর্চার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে।

নৃত্য বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অডিটোরিয়াম না থাকায় নৃত্য প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন জাতীয় ও সাংস্কৃতিক দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজন করতে জায়গার সংকট দেখা দেয়। নতুন ভবন চালু হলে এসব সমস্যা দূর হবে।’

সংগীত বিভাগের প্রশিক্ষক শেখর মল্লিক বলেন, ‘নতুন ভবন ও অডিটোরিয়াম যত দ্রুত নির্মাণ শেষ হবে, তত দ্রুত প্রশিক্ষণার্থীরা আধুনিক পরিবেশে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবে।’

নৃত্য বিভাগের প্রশিক্ষক সুফলা তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ‘শিল্পীদের জন্য একটি আধুনিক হলরুম ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র অত্যন্ত প্রয়োজন। ভবনটি দ্রুত সম্পন্ন হলে শুধু শিল্পীরাই নয়, পুরো রাঙামাটিবাসী এর সুফল ভোগ করবে।’

রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক জিতেন চাকমা বলেন, ‘১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইনস্টিটিউটটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ভাষা, ঐতিহ্য ও গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নতুন ভবন নির্মিত হলে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং রাঙামাটির অসাম্প্রদায়িক ও সংস্কৃতিমনস্ক পরিচয় আরও সমৃদ্ধ হবে।’ তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটকে বাংলাদেশের জাতিগত বৈচিত্র্যের অন্যতম অনন্য নিদর্শন হিসেবে দেশ-বিদেশে তুলে ধরা সম্ভব হবে। নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে জেলার দীর্ঘদিনের অডিটোরিয়াম সংকট অনেকটাই দূর হবে। এখানে প্রশিক্ষণ কক্ষ, মিনি কনফারেন্স রুম এবং দেশি-বিদেশি শিল্পীদের থাকার জন্য ডরমিটরির ব্যবস্থা থাকবে।’

রাঙামাটি গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শর্মি চাকমা বলেন, ‘সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে চারতলা প্রশাসনিক ভবন, অডিটোরিয়াম এবং একটি সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে।’ তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ভাষা সংরক্ষণের পাশাপাশি রাঙামাটির পর্যটন ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ হবে এবং জেলার সাংস্কৃতিক বিকাশে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’


নির্বাচিত

নীলফামারীতে মাদক প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাসির উদ্দিন শাহ মিলন, নীলফামারী

নীলফামারীতে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা করেছে র‌্যাব-১৩, সিপিসি-২। বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে এ সভার আয়োজন করা হয়। র‌্যাব-১৩, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আশরাফুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মহসীন।

সভায় বক্তারা বলেন, ‘মাদক সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি। এটি শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতাসহ সমাজের সব শ্রেণিপেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’ সভা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী- বিতরণ করা হয়।

এ সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

banner close